Qazi Motahar Hossain (Bengali: কাজী মোতাহার হোসেন) was a Bangladeshi author, scientist, statistician, chess player, and journalist. He had intimate friendship with Kazi Nazrul Islam and Kazi Abdul Odud.
Qazi Motahar Hossain was born in his mother's village Lakshmipur in the district of Kushtia in 1897. His father was Qazi Gaohar Uddin Ahmed and mother was Tasirunnesa. He passed his childhood in his fathers village Bagmara in Faridpur. He received his earliest education from his father and from the village primary school.
He entered Kushtia High School for Secondary studies. Among the teachers he specially recalled of Jyotindranath Roy and Jatindra Mohan Biswas. Hossain learnt algebra, geometry, conic section and mechanics from Mr. Jyotindranath Roy. Mr. Roy introduced the mechanics course in the school solely for Hossain as he was the only student of mechanics. In 1915 he passed Entrance from there.
After passing entrance Hossain admitted himself at the Presidency College, Calcutta for I Sc course. There he was highly impressed by eminent teachers like Praphulla Chandra Ghosh (English), Mr. Sterling (English), Prafulla Chandra Roy (chemistry). But he transferred himself to Rajshahi College in the middle of academic year. Beside his studies Hossain showed considerable skill and interest in sports such as football, tennis etc. In 1917 he passed ISc from this college.
Hossain choose Dhaka College to take higher studies in mathematics and physics. In 1917 he arrived Dhaka and got admitted to Dhaka College. Here he found W A Jenkins (physics), Wrangler Bhupati Mohan Sen (Mathematics), Bankim Das Banerjee (Mathematics) and others as teachers. In 1919 he was awarded BA (honors) from this college.
In 1920, he married Sajeda Khatun. They had eleven children together with daughters Zobaida Khatun, Obaida Khatun, Khurshida Khatun, Zaheda Khatun Sanjida Khatun, Fahmida Khatun, Mahmuda Khatun and sons (two of them died in childhood), Qazi Anwar Hossain, Qazi Mahbub Hossain, etc.
He passed M A in physics in 1921 from Dhaka College under Calcutta University. Before his M A examination he got important help from Satyen Bose who came to Dhaka in 1921 as a student of physics of newly established Dhaka University.
With the encouragement and stimulation of Satyen Bose he went to Calcutta to study statistics. Statistician Prasanta Chandra Mahalanobis had just established Indian Statistical Institute in Calcutta to introduce the new subject to Indian students. Hossain was taught the subject by Prasanta Chandra Mahalanobis. In 1938 he got a Diploma in Statistics from ISI.
Qazi Motahar Hossain joined the newly established Dhaka University in 1921 as a demonstrator of physics while he was a student of M A at Dhaka College. In 1923 he was promoted to assistant-lecturer. In 1948 Statistics M A was established with his own effort and he joined the department. He retired from Dhaka University in 1961. In 1964 he founded the Institute of Statistical Research and Training. From 1964–1966 he served as the founder-director of the institute. He retired from the position of director in 1966. Dhaka University appointed him as honorary Professor Emeritus in 1969.
Motahar Hossain also showed unusual skill in the game of chess. For seven times he was the all India chess champion.[citation needed] He took the lead organizing chess in Bangladesh. He founded the All Pakistan National Chess Federation in 1969. After independence he established Bangladesh Daba Sangha, which became the Bangladesh Chess Federation in 1974.
In 1920's and 1930s he became involved with "Buddhir Mukti Andolon" (Freedom of thought movement) with his intimate friend Kazi Abdul Odud and others as a convener and editor of the organisations official proceeding named Shikha.
In 1975 after the liberation of Bangladesh he became the national professor of Bangladesh. Until his death in 1981 he decorated the position. He was a founder fellow of Bangladesh Academy of Sc
একজন বাঙালি মুসলমানের অনুরোধে 'মহেশ' গল্পটি লিখেছিলেন শরৎচন্দ্র। তিনি হলেন জাতীয় অধ্যাপক ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন। প্রবন্ধাকারে লেখা কাজী মোতাহারের স্মৃতিচারণধর্মী বই 'স্মৃতিকথা'।
দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে নিজের বেড়ে ওঠা, কলকাতা ও ঢাকার ছাত্রজীবন, ঢাবির স্মৃতি এবং কাজী নজরুল আর ফজিলাতুন্নেছা সম্পর্কীত অধ্যায় বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে। মুক্তবুদ্ধির আন্দোলনের আবুল হুসেন এবং ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে নিয়ে রচিত লেখা পাঠকের জন্য বাড়তি পাওনা।
মোট চৌদ্দটি লেখা নিয়ে এই বই। কুষ্টিয়াতে ১৮৯৭ সালে জন্মেছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন। নিজের জন্মকথা লিখতে অনেকেই অহেতুক আত্মগরিমায় ভোগেন৷কাজী মোতাহের হোসেন তাঁর লেখনীতে বিন্দুমাত্র ভণিতার আশ্রয় নেননি৷ এই সারল্য এবং সততা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
সম্ভ্রান্ত অথচ আর্থিক দিক দিয়ে অসচ্ছল কাজী বাড়ির ছেলে মোতাহার। কুষ্টিয়ার গ্রামীণ পরিবেশে হিন্দু,মুসলিম সৌহার্দ্যের কথা পড়তে গিয়ে খুব আনন্দ পেয়েছি। টাকা-পয়সা টান ছিল বরাবরই। তাই কখনো আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে আবার কখনো লজিং থেকে চালাতে হয়েছে পড়াশোনা। মাথা পরিষ্কার ছিল। পরীক্ষায় সবসময়ই ভালো করতেন। ফলাফলের জন্য প্রাপ্ত বৃত্তির টাকায় চলতো কাজীর পড়াশোনা।স্কুলে পড়বার স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে বারবার কৃতজ্ঞতা এবং শ্রদ্ধাবোধ ঝরে পড়েছে কাজীর কন্ঠে। অংকের শিক্ষক জ্যাতীন্দ্রমোহন বাবুর প্রতি কাতরতা ছিল সবচেয়ে বেশি। গণিতে এত ভালো ফলাফল করতে পেরেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় পড়াকালে সত্যেন বোসের মতো কিংবদন্তি শিক্ষক ও বিজ্ঞানীর সান্নিধ্য পেয়েছেন গণিতের কাজীর মাথার জন্যই৷ কাজীকে এই পথটা দেখেয়েছিলেন তাঁর শিক্ষক জ্যোতীন্দ্রমোহন।এনট্রান্স(এসএসসি) পরীক্ষায় বাংলাপ্রদেশে সম্মিলিতভাবে ১ম স্থান হয়েছিলেন৷
পনেরো টাকা বৃত্তির জোরে কাজীর মোতাহার এলেন কলকাতায়। প্রেসিডেন্সি কলেজে। বেকার হোস্টেলে থাকেন। সায়েন্স নিয়ে পড়ছেন। তৎকালীন কলকাতার বর্ণনা একেবারেই এড়িয়ে গেছেন৷ কলেজের পরিবেশ, পড়াশোনা নিয়ে কিছু কথা আছে।
এই সময়ের একটি ঘটনা বেশ উল্লেখযোগ্য। কলেজের এক ইংরেজ অধ্যাপক হিন্দুদের নিয়ে কটূক্তি করে। হিন্দু ছাত্ররা তাকে ধরে ধোলাই দেয়। কর্তৃপক্ষ কলেজের সকল শিক্ষার্থীকে ঢালাওভাবে পনেরো টাকা জরিমানা করে। তবে কলেজের কোনো শিক্ষকের সুপারিশসহ আবেদনপত্র থাকলে জরিমানা মওকুফ করা হবে বলেও জানানো হয়। কাজী মোতাহারের সম্বলই পনেরো টাকা। জরিমানা দিলে মাসিক খরচের টাকা কোথায় পাবেন? তাই আবেদনপত্র নিয়ে গেলেন তাঁর রসায়ন শিক্ষক প্রখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের কাছে। তাঁকে দেখে পি.সি রায় বললেন,
' দেখ, তুমি মুসলমান, তুমি মৌলবী সাহেবের কাছ থেকে সুপারিশ নেও, অনেক হিন্দু ছেলেকে সার্টিফিকেট দিয়েছি ; আমি আর দেব না। '
এই কথা শুনে মর্মাহত হলেন কাজী মোতাহার। সিদ্ধান্ত নিলেন প্রেসিডেন্সিতে আর পড়বেন না। বদলি হয়ে চলে এলেন রাজশাহী কলেজে। কাজী মোতাহার সাম্প্রদায়িক এইকথা বলা ভুল হবে। কারণ যেসব শিক্ষকদের তিনি পুরো বই জুড়েই অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছেন, যেসব বাল্যসখা, কৈশোরের সাথীর কথা লিখেছেন তাঁদের বেশিরভাগ হিন্দু। এই মানুষটি হঠাৎ পি. সি. রায়ের ক্ষেত্রেই সাম্প্রদায়িক ভূমিকা নিবেন এমনটি ভাবা যায়না।
ঢাবিতে পড়তে এসে প্রথমদিকের অনেক রথী,মহারথী শিক্ষকদের দেখা পেয়েছেন কাজী মোতাহার। অধ্যাপক জেনকিন্স, সত্যেন বসু, হরিদাস ভট্টাচার্য, রমেশচন্দ্র মজুমদারদের কথা এসেছে তাঁর স্মৃতিতে। পরিসংখ্যানের বড় পন্ডিত হওয়ার পেছনে সত্যেন বসুর প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতাবোধ সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে প্রথমদিকের ঢাবি কেমন ছিল এর একটি সার্বিক ছবির আশা করেছিলাম। কিন্তু কাজীর কলমে এসব আসেনি।
কাজীর সাথে কাজী নজরুলের সাক্ষাৎ এবং বন্ধুত্বের পর্বটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। ব্যক্তি নজরুল, সংগীতশিল্পী নজরুল, কবি নজরুল কিংবা প্রেমিক নজরুলকে খুব কাছ থেকে পেয়েছেন কাজী মোতাহার হোসেন। তাই 'আমার বন্ধু নজরুল' , 'নজরুলকে যেমন দেখেছি', 'স্মৃতিপটে নজরুল' এবং ফজিলাতুন্নেছাকে নিয়ে ঘিরে লেখা স্মৃতিকথা শুধু কাজী মোতাহারেরই স্মৃতি অম্লান নয়; বাঙালি সাহিত্যসচেতন পাঠকের জন্যও এক অমূল্য সম্পদ এই লেখাগুলো।
১৯২৮ সালের দিকে নজরুল ২য় বার ঢাকায় আসেন। এইবার কাজী মোতাহারের সাথে অন্তরঙ্গতা তৈরি হয় নজরুলের। কাজী তখন ঢাবির ছাত্র। ফজিলাতুন্নেছা মোতাহারের সাথেই পড়েন। তিনি মোতাহারের বন্ধুও। নজরুল হাত দেখতে পারতেন। একথা শুনে ফজিলাতুন্নেছা নজরুলকে অনুরোধ করেন তাঁর ভাগ্য গণনার জন্য। এদিকে যুবক নজরুল তো ফিদা। মোতাহারের ভাষ্যমতে, নজরুল রাতের আঁধারে ফজিলাতুন্নেছাকে প্রেম নিবেদন করতে যান। তাঁর বাসায়। কিন্তু চরমভাবে ব্যর্থ হন। এই ব্যর্থতা নজরুলকে যথেষ্ট পুড়িয়েছে, জ্বালিয়েছে। কেন কবিকে নির্দয়ভাবে প্রত্যাখান করেছিলেন ফজিলাতুন্নেছা? এর ব্যাখা কাজী মোতাহার অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণভাবে দিয়েছেন। কাজী মোতাহার দাবায় এতোটাই দক্ষ ছিলেন যে, বিশ্বব্যাপী 'Hussain's Chain' নামে দাবার একটি কৌশলই প্রচলিত তাঁর নামে! দাবাড়ু মোতাহারের কথাও বেশ সুখপাঠ্য।
ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত ধর্মভীরু হলেও গোঁড়া ছিলেন না ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। কাজীর স্মৃতি তো তাই বলে।
কাজী মোতাহার হোসেনের এই স্মৃতিকথা তাঁর ঘটনাবহুল জীবনের ক্ষুদ্র অংশমাত্র। ব্যক্তির বর্ণনাই এই বইতে মুখ্য। সমাজ, সংস্কৃতিকে ঘিরে কাজীর সময়কে তুলে আনা হয়নি তাঁর কলমে। তাই অনেককিছু পেলেও, পাঠকের অপ্রাপ্তির পাল্লাও কম ভারি নয়।
বাংলাদেশী সাহিত্য এবং শিল্প অঙ্গনে কাজী মোতাহার হোসেন এবং তাঁর পরিবারের প্রভাব অনস্বীকার্য। তাঁর নানাবিধ প্রভাবের বাইরেও তাঁর সুযোগ্য পুত্র-কন্যাদের অবদানও ভুলে যাওয়ার মতো নয়। সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার প্রয়াত কাজী আনোয়ার হোসেনের হাত ধরে যে অসংখ্য পাঠকের শৈশব নির্মল কেটেছে এবং অনেকেই প্রবেশ করেছেন বিশ্বসাহিত্যের অঙ্গনে সেই সেবা ক্লাসিকের হাত ধরেই, কিংবা তিন গোয়েন্দা-মাসুদ রানার মাধ্যমে চষে বেড়িয়েছেন দুনিয়া, তা পাঠকমাত্রই জানেন। কন্যাদের মধ্যে সনজীদা খাতুন, জোবায়েদা মির্জা প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। কিন্তু এই বইতে কিন্তু এঁদের কথা আসেনি। আসলে এটি তো স্মৃতিচারণমূলক রচনা, এসেছে লেখকের ছোটবেলার কথা আর পরবর্তীতে তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মানুষের কথা। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন-বাংলা সাহিত্যের এক উল্লেখযোগ্য আন্দোলন। আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোহাহার হোসেন, আবদুল কাদির এঁদের প্রত্যক্ষ অবদানে গড়ে ওঠা এই আন্দোলনটি যেমন সময়োপযোগী ছিল, তেমনি ছিল কালোত্তীর্ণ। কারণ তেমন ভাবনার স্ফুরণ পরবর্তীতেও সাহিত্যজগতে বড় একটা আসেনি। কাজী মোতাহার হোসেনের সাবলীল কলমে সেই সময়কার নানান সুখপাঠ্য গল্প উঠে এসেছে বইটিতে। এসেছে উল্লিখিত মানুষদের সাথে রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বিজ্ঞানাচার্য সত্যেন বসু প্রমুখ গুণীজনের কথা। ফজিলাতুন্নেছার সাথে নজরুলের পরিচয় হয়েছিল কাজী মোহাহার সাহেবের মাধ্যমেই। সেদিনই ঘটে যায় এক আশ্চর্য ঘটনা। নজরুল হাত দেখতে পারতেন৷ ত���নি অনেকক্ষণ সময় নিয়ে ফজিলাতুন্নেছার হস্তরেখা পর্যবেক্ষণ করেন আর সম্ভবত সেই সময়েই প্রেমে পড়ে যান। সেইদিনই রাতে নজরুল চলে যান ফজিলাতুন্নেছার কাছে, প্রত্যাখ্যাত হয়ে সারারাত ঘুরে বেড়ান রমনাতে। পরদিন দেখা যায় ফজিলাতুন্নেছার গলার মুক্তার মালাটা ছেঁড়া! এই ঘটনার পেছনের রহস্যটুকু মোতাহার সাহেবের কাছেও পুরোপুরি খোলাসা হয়নি কখনো। শৈশবের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছেন প্রবাদপ্রতিম শিক্ষকেরা। হয়তো তাঁরা পরিচিত কেউ নন, কিন্তু সত্যিকারের শিক্ষক ছিলেন সকলেই। যেমন পড়াতে পারতেন, তেমনি মানুষ গড়ার সঠিক পাঠটাও দিতেন। পরবর্তীতে তাঁর সন্তানদের কাছেও পিতার শিক্ষকদের পড়ানোর কৌশল অধিকতর সহজ লেগেছিল। স্মৃতিতে তাঁর পত্নী সাজেদা খাতুনের নামটি উজ্জ্বল। সেই মহিয়সী নারী সেই যুগেই ছিলেন একজন সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, নিজের বাড়ির সমস্ত প্ল্যানিং তিনিই করেছিলেন যা ইতালির আর্কিটেক্ট এর প্রশংসা কুড়িয়েছিল। এছাড়াও লেখকের ভাষায় তাঁর সাজুরাণীর কথা বারবার যেভাবে এসেছে, তাতে একজন প্রেমময় স্বামীর পরিচয় স্পষ্ট ফুটে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। অংকে, সাহিত্যে, শিল্পে সমান মেধা নিয়ে জন্মানো ক্ষণজন্মা মানুষটির প্রবন্ধ প্রশংসা কুড়িয়েছিল রবীন্দ্রনাথেরও। নজরুলের সাথে ছিল গভীর অন্তরঙ্গতা। ১৮টি স্মৃতিচারণমূলক রচনার সংকলনটি যেন একটি নির্দিষ্ট সময়ের আয়না বিশেষ। ঐতিহাসিক এবং শৈল্পিক, দুই দিকেই এই গ্রন্থটির মূল্য তাই অনেক।
"মুসলিম সাহিত্য সমাজে" র সদস্য হিসেবে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন এবং সেই সমাজের মুখপত্র ' শিখা' পত্রিকার সাথে ১৯২৬ থেকে ১৯৩৫ পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন এবং কবি নজরুলের অত্যন্ত সুহৃদ ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন চৌধুরী।
একান্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা পাশেবসে গল্পবলার মত করে বলে যাওয়া ১৮ টি স্মৃতিচারণমূলক প্রবন্ধ নিয়ে এই বই 'স্মৃতিকথা'।
পরিসংখ্যান এর ছাত্র বলেই বোধহয় আগ্রহ ছিলো প্রচুর। এতো সর্বগুনেগুনম্বিত ব্যক্তি যে আমার ডিপার্টমেন্ট এর প্রতিষ্ঠাতা বিষয়টির জন্য আগে তো গর্ববোধ করতামই। বইটি পড়ার পর শ্রদ্ধা ও মুগ্ধতা বেড়ে গেলো যেন!
আমি শুধু বলবো, ওস্তাদ লেভেলের মানুষের মধ্যেও যে আমাদের মত বাৎসল্য ভাব এবং খুটিনাটি বিষয়ের প্রতি ও মনোযোগ ও খোস গল্প তার একটা বহিঃপ্রকাশ। প্রবন্ধ সমগ্রটি এক কথায় বলব কোনো ঐতিহাসিকে নিয়ে বন্ধু লেভেলের মধ্যে আড্ডা মারার সেরা একটা রেফারেন্স বুক