Jump to ratings and reviews
Rate this book

യാത്രിക് | Yathrik

Rate this book
Malayalam Translation of Bengali Novel Yarhrik

ഹിമാലയന്‍ മലനിരകളിലൂടെ ഒരു തീര്‍ത്ഥാടകന്‍ നടത്തിയ സാഹസിക യാത്രയുടെ കഥ വിവരിക്കുന്ന, പ്രശസ്ത ബംഗാളിസാഹിത്യകാരന്‍ പ്രബോധ് കുമാര്‍ സന്യാലിന്റെനോവല്‍.

130 pages, Paperback

First published January 26, 1950

15 people are currently reading
242 people want to read

About the author

Prabodh Kumar Sanyal

29 books16 followers
Sanyal, Prabodh Kumar (1905-1983) litterateur, journalist and traveller, was born on 7 July 1905 at his maternal uncle’s house at Chorbagan in Kolkata. During 1937-1941 he worked as editor of the Sunday literary magazine of Jugantar. While working as editor of the Swadesh he was once accused of sedition. He also edited the Bijli and Padatik.
Prabodh Kumar loved travelling, and travelled six times all over India, going to many inaccessible areas in the Himalayas. Apart from India and Nepal, he also travelled to other places in Asia as well as Europe, the Americas and Russia. He enriched the travel literature of Bengal by writing books such as Mahaprasthaner Pathe (1937), Russiar Diary, Debatatma Himalaya (2 vol) and Uttar Himalaya Charit. Mahaprasthaner Pathe was immensely popular. In 1960 he established the Himalayan Association in Kolkata. In1968 he was made president of the Himalayan Federation. In 1978 he went to Norway via the North Pole.
Prabodh Kumar is primarily known as a novelist of the ‘Kallol era’. Apart from the Kallol, he used to write regularly in journals such as the Bijli, Swadesh, Dundubhi, Padatik, Forward, and Banglar Katha. His first novel Jajabar was published in 1928. This was followed by Priyabandhabi (1931), Agragami (1936), Ankabanka (1939), Puspadhanu (1956), Bibagi Bhramar, Hasubanu, Banahansi, Kanch Kata Hire and Nishipadma. In his novels and short stories he laid more emphasis on friendly human relationship between man and woman than on physical sex. His love for travelling significantly influenced his novels, which describe a variety of characters living diverse lives by preference to solitary characters living confined, sedentary lives. He used simple but effective language to describe the complex life stories of his characters.
In recognition of his literary achievements, Prabodh Kumar was awarded a gold medal by Calcutta University (1911), the Shishir Kumar and Motilal prizes (1910) and the Sharat and Ananda prizes (1980). Prabodh Kumar Sanyal died on 17 April 1983

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
31 (51%)
4 stars
19 (31%)
3 stars
8 (13%)
2 stars
2 (3%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
Profile Image for নাহিদ  ধ্রুব .
143 reviews27 followers
May 24, 2022
ভ্রমণ তখনই মধুর হয়ে ওঠে যখন ভ্রমণে সঙ্গ দেয় প্রবোধকুমারের মতো কেউ। তুমুল গিরিপথ পাড়ি দিতে দিতে আরও সন্ধান পাওয়া যায় আধ্যাত্মিক জীবন বোধের। ভাষা ও বর্ণনা যদি সুন্দর হয়, তাহলে কেদারনাথ ও বদ্রিনাথকে দেখতে পাওয়া যায় চোখের সামনে। মনে হয়, এই ভ্রমণ নিয়ে আমিও গর্ব করে গল্প করতে পারবো বন্ধুদের সাথে, এই বোধ তৈরি করার জন্য, পিছন থেকে সাহস যোগানোর জন্য প্রবোধকুমারকে ধন্যবাদ।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,477 reviews561 followers
November 11, 2019
ভ্রমণকথা পড়বার মস্ত এক সুবিধা আছে। যেখানে যাওয়ার সাধ আছে, কিন্তু সাধ্যি নেই সেই ইচ্ছেপূরণের অনিন্দ্যসুন্দর সুযোগ করে দেয় অভিযাত্রিকের ডায়েরি, বই প্রভৃতি৷ বাংলা ভ্রমণসাহিত্য খুব সমৃদ্ধ না হলেও নেহায়েত ফেলনা নয়৷ অনেক বাঘা বাঘা লিখিয়ে কলম ধরেছেন এই ভ্রমণসাহিত্যে। তেমনি অনেক সাহিত্যিকও স্বীয় অভিযাত্রার কথা কলমের আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। অথচ এখন লাইমলাইটে নেই। এমনই একজন প্রবোধকুমার স্যানাল।

গেল শতকের ত্রিশের দশকে বাঙালি সন্তান প্রবোধকুমার তীর্থযাত্রায় বেরিয়েছিলেন৷ গন্তব্য ছিল দুর্গম কেদারনাথ,বদ্রীনাথ। সেই "মহাপ্রস্থানের পথ"-এ যাত্রার বিচিত্র অভিজ্ঞতাই এই বইয়ের মূল আকর্ষণ। বইটি বেশ সাড়া জাগিয়েছিল বলেই মনে হয়। দৃষ্টি কেড়েছিল গুণীজনদের। তার প্রমাণ বইটি নিয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও প্রমথ চৌধুরীর সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

সব ছেড়েছুড়ে লোটাকম্বল, লাঠি আর সামান্য অর্থ নিয়ে লেখক বেড়িয়ে পড়লেন তীর্থযাত্রায়। সেই ঘর ছেড়ে বেরুনোর কারণ শুধু পুণ্যলাভ নয়৷নিত্যদিনের জীবনের সুশ্রীদিকের বিপরীতে যে রূঢ়টা থাকে তা থেকে মুক্তির অভিপ্রায়েই এই বন্ধুর পথে অভিযান।
গেরুয়াধারী প্রবোধকুমার কেদারনাথ পথে যাত্রা শুরু করলেন৷ সারা ভারতবর্ষের বিচিত্র ধরনের, বয়সের, মনের মানুষের গন্তব্য কেদারনাথ। তখন ইংরেজশাসন। এখনকার মতো যাত্রাপথ সহজগম্য হয়নি। যাত্রীদের বেশিরভাগই বৃদ্ধা, আছে গাঁজাখোর সাধু,আছে রিক্তহস্তের পুণ্যর্থী। যেতে হয় তাই যাচ্ছে এমন তীর্থযাত্রীও আছেন দলে। যিনি পতিতা তারও গন্তব্য পুণ্যার্জন।

দুর্গম সেই পথ। পাহাড়ি চরাই-উৎরাই পেরুতে পেরুতে পা ক্ষয় হয়ে গেছে।বিষাক্ত মাছির অত্যাচার আর বিশ্রামের অভাবে সবাই যেন শ্রান্ত। সেই ক্লান্তি আর একঘেয়ে পথচলা পুণ্যার্থীদের করে তুলেছে রুক্ষ।লেখক লক্ষ করেছেন সামান্য তিক্ততা তো দূরে থাকুক, ভালো কথাও শুনলে শরীরে রাগ চড়ে যাচ্ছে। দল বেঁধে যাচ্ছেন সবাই। এখানেও কথা আছে। যাদের ট্যাঁকে পয়সা আছে, তারা কুলির কাঁধে চড়ে যাচ্ছে। একসাথে গল্প করতে করতে আগাচ্ছে। পুণ্যার্জনের পথে যেতে যেতেও কুৎসা, সমালোচনা রসিয়ে রসিয়ে করছে লোকে। গলায় গলায় ভাব থাকা সত্ত্বেও ব্রাহ্মণ যাত্রীর সাথে নীচুজাতের সঙ্গীর বিভেদ ঘোচেনি।
দিনশেষে দল বিশ্রামের জন্য থামলো।সবাই যে যার মতো রান্না চড়িয়ে দিল। খেয়েদেয়ে ঘুম। অথচ সেইদলেরই কোনো যাত্রী আটাগুলে খেয়ে আছে। তা দেখবার সময় কারো নেই। সবাই দুর্লঙ্ঘকে পাড়ি দিয়ে ঈশ্বরকে খোঁজ করতে ব্যস্ত৷ মানবপ্রকৃতির রহস্যময়, দ্বান্দ্বিক দিকগুলোতে বারবার আলো ফেলেছেন প্রবোধকুমার। দেখেছেন অসুস্থ সহযাত্রীকে মৃত্যুর মুখে রেখেই রওনা হয়েছে সবাই। কারো মিনিটকতক সময়ও নেই ব্যয় করবার। লক্ষ করেছেন ধর্মের নাম ভাঙিয়ে তীর্থযাত্রীদের কীভাবে একদল লোক শোষণ করে আসছে।

যাত্রাপথেই প্রবোধকুমারের সাথে পরিচয় হলো রাণীর। এই তরুণী বিধবা। সদাউচ্ছ্বল এই তরুণী ঘোড়ায় চড়েই চলেছে তীর্থপানে। রাণী চরিত্রটিকে বিশেষ যত্নে এঁকেছেন প্রবোধকুমার। তরুণী সুশ্রী হিন্দু বিধবাকে সমাজ প্রতি মুহূর্তে আক্রমণ করতে আসে। সমাজের সেই আক্রমণকে প্রবোধ দেখিয়েছেন রাণীর দূরসম্পর্কের মাসির মাধ্যমে, যে সবসময়ই রাণীকে সন্দেহ করে। যে ভাবে নারী-পুরুষের আদিতম সম্পর্কের বাইরে অন্য কোনো শুভবোধ বাঁধনের অস্তিত্ব নেই। সবাই চলছে ঈশ্বরের সন্ধানে অথচ প্রবোধকুমারের দৃষ্টি এড়ায়নি তরুণী রাণীকে দেখছে অন্য চোখে।

এই রাণীর সাথে সম্পর্ক সত্যিই কি ছিল? কতটা নিবিড় ছিলেন লেখক তা নিয়ে প্রশ্ন করার একটি সুযোগ কেন যেন রেখে দিয়েছেন লেখক।

পাহাড়ি উপত্যকা ঘেরা তীর্থপথের বর্ণনা, পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের উদার মনস্কতাকে আপন আঙিকে লিখতে ভোলেন নি প্রবোধকুমার। কেদারনাথে পৌছে শত যন্ত্রণার অবসানে পুলকের বন্যা ছিল তীর্থযাত্রীদের মধ্যে৷ দিনে গরম আর রাতে তীব্র ঠান্ডার দীর্ঘ পথচলা বদলে দেয় মানুষদের ক্লেশ,কদর্যেভরা মনকে ফেরার সময় এমনটাই উপলব্ধি প্রবোধকুমারের। একইসাথে দীর্ঘদিন পর জনারণ্যে সেই তীর্থসঙ্গীদের সাথে দেখা হলে অনুভূতিশূন্যতার ব্যাখা খুঁজে ফেরেন প্রবোধকুমার।
প্রচলিত ভ্রমণকাহিনি কোনোভাবেই একে বলব না। লেখার ধরনের ভিন্নতা, তীর্থে ঈশ্বর নয় ; মানুষের মনের গভীরে স্রষ্টার সন্ধানই এই বইটিকে বিশেষত্ব দান করেছে। মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে মানবপ্রকৃতির অন্ধকারের মধ্যেই আলোর খোঁজই "মহাপ্রস্থানের পথ" এ নিয়ে যায় ব্যক্তিকে।

প্রবোধকুমার স্যানাল কেদার-বদ্রীর পথ পাঠককে ঘুরিয়ে আনতে সফল হয়েছেন এমন দাবি অসত্য।তবে ভ্রমণকথা লেখা মানে শুধু চারপাশের প্রকৃতি আর রাস্তাঘাটের বিবরণ লেখা নয়। এর বাইরে গিয়েও যে সুন্দর অভিযাত্রার কাহিনি হতে পারে তার দৃষ্টান্ত "মহাপ্রস্থানের পথে"। এই পথ শুধু মহাভারতের পান্ডবদের মহাযাত্রার পথ নয়, প্রবোধকুমারের মহাযাত্রার পথ একেবারেই আলাদা।
Profile Image for Dev D..
171 reviews26 followers
May 9, 2020
যে বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ, সুভাষ বসু, শরৎচন্দ্র আর প্রমথ চৌধুরী ( হতেও পারে সেগুলো সংগ্রহ করা হয়েছিল বইয়ের বাণিজ্যিক কাটতির জন্য, তবু বইটি তারা পড়েছিলেন এটাও তো একজন সাহিত্যিকের জন্য অনেক গৌরবের) সেই বই সম্পর্কে কিছু বলাও স্পর্ধার ব্যাপার। ১৪২২ পর্যন্ত ত্রিশ তম মূদ্রণ, চলচ্চিত্র হিসেবে চিত্রায়ন বইটির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তারই সাক্ষী দিচ্ছে। বৈশাখ ১৩৩৯, থেকে জৈষ্ঠ ১৩৩৯ অর্থাৎ ১৯৩২ সালে লেখক ঘুরে এসেছিলেন কেদারনাথ আর বদরীনাথ তীর্থে। তীর্থ যাত্রার কাহিনী অথচ ধর্মীয় বই নয়, ভ্রমণ কাহিনী অথচ পথের গাইড বুকও নয়, বরং মানুষেরই কথা, সেই মানুষগুলোর যারা তার সহযাত্রী হয়েছিলেন তখনকার দূর্গম সেই পথে। সেকালে কেদার আর বদরীনাথের পথ ছিল দূর্গম, সাধারণ তীর্থযাত্রীদের পায়ে হেঁটেই যেতে হতো প্রায় পুরোটা পথ, একটু বিত্তশালীরা ডান্ডি, কান্ডি হয়তো ভাড়া নিতেন তবে তাও যে খুব আরামদায়ক কিছু এমন না । পান্ডবরা নাকি বদরীনাথের পথেই পাড়ি দিয়েছিলেন মহাপ্রস্থানে এটাই ধার্মিক মানুষের বিশ্বাস, এই পথ তাই মহাপ্রস্থানের পথ। রওয়ানা হয়েছিলেন একাই, পথে জুটে গিয়েছিল সঙ্গী। গায়ে ছিল গৈরিক বসন তবু সন্ন্যাসী তিনি নন, পথের বর্ণনা দিয়েছেন, সেই সাথে পথিকেরও। মাছি আর পোকার উপদ্রবে, অসুখে ভুগে, বিরূপ পকৃতির মধ্যে দিয়ে, একের পর এক পাহাড় পাড়ি দিয়ে এই তীর্থভ্রমণ ছিল দুঃসাধ্য। তাই অনেকেই যাত্রা পূর্ণ করতে না পেরে ফিরে আসতেন, দূর্ঘটনায় বা অসুখে ভুগে মহাপ্রস্থান না হোক পৃথিবী থেকে চিরপ্রস্��ান করতে হতো অনেককেই। লেখক তার যাত্রা সম্পূর্ণ করতে পেরেছিলেন, তবে তীর্থযাত্রায় পাপক্ষয় বা পূণ্য সঞ্চয় করতে পেরেছিলেন কিনা সেই বিশ্বাস তার নিজেরই ছিল না। তবে সরল বিশ্বাসী বহু পূণ্যকামী যাত্রীকে পেয়েছিলেন সহযাত্রী হিসেবে। বহ্মচারী, অঘোরবাবু, রাধারাণী, গোপালদা, চারুর মা এদেরকে তো ভোলা যায় না। সল্প উপস্থিতি নিয়েও আপন মহিমায় ভাস্বর পথে দেখা হওয়া দুই তরুণী সন্ন্যাসিনী সোনি আর রপপি, চন্দ্রা আর মন্দাকিনী নদী যেখানে মিলেছে সেখানে দেখা হওয়া অপরিচিত উপকারী ভৈরবী, ছিল পান্ডা অমরা সিং, ফেরার পথে লেখকের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছিল এক অল্পবয়েসী বিধবা বাঙালি নারীর যার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন রাণী যদিও সেটা তার আসল নাম নয়। দিদিমা আর এক পাতানো পিসিমার শ্যেণচক্ষু ফাঁকি দিয়ে দুজনের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল হিমালয়ের কোলে, পাহাড়ি বাঁকে আর অরণ্য পথে। আর পুরো ভ্রমণে নানারূপে হিমালয় আর নীল, গৈরিক বসন নিয়ে গঙ্গা, অলকানন্দা আর অন্য পাহাড়ি স্রোতস্বিনী নদী আর ঝর্ণা, জলপ্রপাতেরা তো ছিলই। লেখকের শ্রেষ্ঠতম কিনা জানিনা জনপ্রিয়তম সাহিত্যকর্ম এই বইটি।
Profile Image for Angira Datta Dandapat.
28 reviews5 followers
January 1, 2023
বছরের শেষ পর্বটা ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা বইগুলি আবার পড়লাম, কারণ এই বইগুলি পড়া আমার কাছে অমৃতের স্বাদ পাওয়া থেকে কম কিছু নয়। প্রবোধকুমার সান্যালের 'মহাপ্রস্থানের পথে' বাংলা সাহিত্য ভান্ডারের এক অমূল্য সম্পদ, এবং বইটি বিক্রির নিরিখে অন্যতম বহুল বিক্রিত এক বই। এই বইটি লেখকে বাংলা সাহিত্য জগতে এক বিশেষ স্থান করে দিয়েছে। লেখকের অন্যান্য বইগুলোও যদিও যথেষ্ট সাহিত্যগুণ সম্পন্ন, কিন্তু মহাপ্রস্থানের পথে হল সেরার সেরা, আমার ব্যক্তিগত তালিকায় দ্বিতীয় শীর্ষে থাকা বই। এ তো শুধু ভ্রমণকথা নয়, এ হল মানুষের কথা, জীবনের কথা, গভীর জীবনবোধের কথা। আর ভাষা, অমৃতসমান, এই ভাষা ঝঙ্কার তোলে প্রাণে, গভীরে নাড়া দেয়, একাত্ম করে লেখকের মননের সাথে, হাঁটিয়ে নিয়ে যায় সাথে করে কেদার বদ্রীর পথে ঘাটে।
যে সময়কার কথা লেখক লিখেছেন সেসময় হিমালয় ছিল প্রকৃত অর্থেই মৌন তপস্বী। যানবাহনের অপ্রতুলতা, প্রতিকূল পথ, বাসোপযোগী স্থানের অভাব, দূরে দূরে পাহাড়ি চটিতে যা হোক করে রাত কাটানো, পরের দিনের পাথেয় সংগ্রহ.. এক কথায় চরম কৃচ্ছ্র সাধনের পরীক্ষা কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ ভ্রমণ। হেঁটেই যেতে হত এই পথে, তবে কিছু বিত্তবান মানুষ দান্ডী বা কান্ডীর সহায়তা নিতেন।
তারই মধ্যে কুণ্ডু স্পেশাল ভ্রমনার্থীদের নিয়ে যেত সেই পথে তীর্থ যাত্রায়। যথাসাধ্য আরামের ব্যবস্থা করার চেষ্টা থাকলেও দুর্গম পথের কষ্টটুকু সহ্য করতেই হত যাত্রীদের।
যুগ যুগ ধরে করত মানুষ বিশ্বাস আঁকড়ে ধরে হেঁটে গেছে সেই পথে, সেই পাণ্ডবদের মহাপ্রস্থানের পথ ধরে। কেউ পৌছেছে অভীষ্ট তীর্থস্থানে, কেউ বা ফিরে গেছে মাঝ পথ থেকে, আবার কেউ বা পথ মধ্যেই পাড়ি দিয়েছে অনন্ত যাত্রায়। বইটিতে আঁকা হয়েছে পথে বেরনো পথিকদের জীবন কথা, কতশত জীবন, কত বৈচিত্র্য, বন্ধুত্ব বিচ্ছেদ, হরেক গল্প।
রাধারাণী, অঘোরবাবু, গোপালদা,ব্রাহ্মচারী কত মানুষ, কত চরিত্র, এক একটি যেন চলমান কাহিনি। অচেনা মানুষ পথেই চেনা হয়ে যায়, পথিকের আবার চেনা অচেনা কি! মন্দাকিনী চন্দ্রার সঙ্গমের সেই ভৈরবী বা সন্যাসিনী সোনি ও রপপি বা পান্ডা অমরা সিং, বা সেই অল্প বয়সী বিধবা রমনী, যার সাথে বন্ধুত্ব হয়েছিল হিমালয়ের গহীন গভীরতা সাক্ষী রেখে.. জীবন তো এরকমই, পথের বাঁকে কত মানুষের সাথে দেখা হয়, তারপর হারিয়ে যায় পরের বাঁকে।
প্রকৃতির বর্ণনা তে পাঠক পৌছে যায় কখনও সবুজ পাহাড়ি জঙ্গলে, কখনও ঝিরঝিরে ঝর্ণার মুক্তোসম জলে স্নাত হয়। পথের ক্লান্তি, প্রতিকূলতা, কষ্ট দূর হয়ে যায় প্রকৃতির মাঝে।
অসাধারণ এই বইটির সাহিত্যমূল্য নির্ধারণ করা আমার মতো সাধারণ পাঠিকার কর্ম নয়, আমি শুধু একটি কথাই বলতে পারি বইটি বাংলা ভাষায় লেখা অন্যতম একটি মাস্টারপিস। আমি ব্যক্তিগত ভাবে বইটি এতোটাই পছন্দ করি, মাঝেমধ্যে শুধু ভাষাতে শান দেওয়ার জন্য, বোধের জায়গাটা স্বচ্ছ রাখার জন্য, গভীর জীবনবোধ বোঝার জন্য এই বই পড়ি। দরকার, ভীষণ দরকার এই বই পড়ার।
Profile Image for প্রিয়াক্ষী ঘোষ.
364 reviews34 followers
December 17, 2024
১৯৩২ সালে লেখক প্রবোধকুমার সান্যাল গিয়েছিলেন কেদারনাথ আর বদরীনাথ তীর্থে। হিমালয়ের তীর্থপথেই এই কেদারনাথ ও বদরীনাথ। মহাপ্রস্থানে পান্ডবরা নাকি বদরীনাথের পথেরই যাত্রা করেছিলেন এটাই মানুষের ধর্মবিশ্বাস, এই পথ তাই মহাপ্রস্থানের পথ।

কোন পথ নির্দেশক নয়, পথে চলতে গিয়ে পথের মানুষের সাথে সহযাত্রী হয়ে দূর্গম সেই তীর্থ যাত্রা। এখনকার মত সহজ সে পথ ছিল না। দূর্গম সে পথ চলতে হতো পায়ে হেটে। একটু বিত্তবান যারা তারা ডান্ডি, কান্ডি নিতেন তবে তা খুব একটা আরামদায়ক ছিল না। সারাদিন পায়ে হেটে সন্ধ্যার আগে কোন চটিতে গিয়ে বিশ্রাম, রান্না খাওয়া ও ঘুমে ক্লান্তি দূর করে পরেরদিন খুব ভোরে আবার পায়ে হেঁটে যাত্রা। এমনভাবে নদী, ঝর্ণা, বন জঙ্গল, মাঠ, খাড়া পাহাড়, সমতল, বন্ধুর মাঠ পেরিয়ে দিনের পর দিন হেঁটে তবেই পৌঁছাতে হয় সেই তীর্থে।
লেখকের সেই কষ্ট কর পথ ভ্রমণের কাহিনি নিয়েই এই বই "মহাপ্রস্থানের পথে" এটি তীর্থ যাত্রার কাহিনি তবে এটা ধর্মীয় বই নয়, ভ্রমণ কাহিনি মাত্র।
তীর্থ ভ্রমণের পথে চলা পথের কাহিনি, পথচারী সহযাত্রী হয়ে সেই দূর্গম পথে চলা মানুষের কাহিনি নিয়ে অসাধারণ এক ভ্রমণ কাহিনি।
Profile Image for Koyel Bhattacharyya.
Author 3 books2 followers
December 15, 2020
ক্লাস ফাইভে বাংলা সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল ‘কেদারনাথের পথে’, এই ব‌ইটার‌ই এক্সার্প্ট। ‘কেদারনাথের পথে’ বারবার পড়তাম আমি। কি জানি কেন এত ভালো লাগত। ছোট থেকে হিমালয়ের জন্য এক অদ্ভুত টান অনুভব করেছি। আমি অন্ধ আস্তিক নয় সাধক নয়, প্রেমিকের মত তাঁকে ভালোবেসেছি। ‘দেবতাত্মা হিমালয়’ আর ‘মহাপ্রস্থানের পথে’ যারা পড়বেন, হিমালয় তাদের টানবেই 😊
287 reviews3 followers
March 22, 2025
The novel is about the journey the author made to Kedarnath and Badrinath in 1933 and details the difficulties and pain he undergone to complete the journey and many occasions he faced death. He mentions various people he met during the journey.

Profile Image for Dibyendu Sarkar- দীপ.
10 reviews1 follower
January 28, 2022
🌾🍁🌱🌾🍁🌱🌾🍁🌱🌾🍁🌱🌾🍁🌱
✍️ প্রাক কথন: এই বইটি সম্পর্কে আমি প্রথম জানতে পারি Goodreads থেকে। "আরণ্যক" পড়বার পর থেকে আমার মধ্যে ভ্রমণ বিষয়ক লেখা পড়ার আগ্রহ যে বিভূতিভূষণ জাগিয়েছেন তা বলাই যাই। বইটি সম্পর্কে পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখিতে একটু সংকুচিত হয়ে পড়েছি, তার কারণ এই বইয়ের সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিয়ে গেছেন সাহিত্য জগতের সেরা ব্যাক্তিত্বরা, তাদের মধ্যে যেমন আছেন রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র তেমনি আছেন আমাদের সবার প্রিয় সুভাষ চ্ন্দ্র বসু।

✍️ মূল চরিত্র: ভ্রমণ মূলক বইয়ের ক্ষেত্রে পুস্তকের প্রধান চরিত্র ল���খক নিজেই হয়ে থাকেন এখানেও তার পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু তাছাড়াও যে সব চরিত্র এই বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে তারা হল রানী,চারুর মা, ব্রহ্মচারী, গোপাল দা আরও অনেকে।

✍️ ভ্রমণের সময়কাল/পটভূমি: লেখক নিজেই তার সাক্ষ্য দিয়েছেন বইটিতে, তখন দেশে আইন অমান্য আন্দোলন চলছিলো, আমাদের ভারতবর্ষ তখন পরাধীন। পুরাতন সংস্কার গুলোর বেড়া জাল থেকে বের হবার জন্য বিবেকবান মানুষেরা অন্যদের বিবেক জাগ্রত করতে সচেষ্ট হয়েছে।

✍️ ভ্রমণের স্থান: কেদারনাথ ও বদ্রিনাথ এবং তার সঙ্গে রয়েছে পথের পাশের অজস্র গ্রাম, শহর, চটি(এমন স্থান যেখানে তীর্থ যাত্রীরা বিশ্���াম নিয়ে থাকেন), ঝর্ণা আর তার সঙ্গে অগুন্তি পথ চলা কখনো পাহাড়ের উপরে কখনো সমতলে।

✍️ পাঠ অভিজ্ঞতা: পরাধীন ভারতবর্ষের রাস্তা ঘাট যে আজকের মতো ভালো ছিল না তা সহজেই অনুমেয় সেই সময়ে তীর্থ করা মানে দুর্গম, দুর্ভেদ্য পাহাড়, অরণ্য ও বিপদসঙ্কুল রাস্তা পারাপার করা। তীর্থ যাত্রীরা হয়তো অসুস্থ হয়ে যেত, নয়ত শুনার ও দেখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতেন নয়ত পথেই তার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে হত কিন্তু এত প্রতিকূলতা সত্বেও কিছু কিছু লোক পৌঁছে যেত তাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে।

লেখক খুবই সাবলীল ভাবে সমস্ত ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। যখন মনে হয়েছে তিনি আর চলতে পারবেন না, তার অন্তিম সময় নিকটে তখনি জেগে উঠেছে তার মধ্যে মরিয়া হয়ে লেগে থাকার মনোভাব।
🍁🌲🍁🌲🍁🌲🍁🌲🍁🌲🍁
ব্যাঘাত আসুক নব নব-
আঘাত খেয়ে অচল র'ব,
বক্ষে আমার দুঃখে তব
বাজবে জয়ডঙ্ক,
দেবো সকল শক্তি, ল'ব
অভয় তব শঙ্খ..
🍁🌲🍁🌲🍁🌲🍁🌲🍁🌲🍁

✍️এই গল্পে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে রানী চরিত্র টি, বইয়ের শেষ প্রান্তে তার উপস্থিতি সমৃদ্ধ করেছে বইটিকে, পাঠককে। কেনো যে সে লেখকের ভ্রমণ শুরু করবার মুহূর্তে ধরা দিল না? এটাই আমার একমাত্র প্রশ্ন। আসলে অনেক সংগ্রাম ও কষ্ট করেই তো ভালোর আনন্দ উপভোগ করা যায় এই যুক্তি সঙ্গে করে রানী এসেছে অন্তিমে।
🌲
লেখক খুব নিরপেক্ষ ভাবে তার অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করেছেন তাতে সন্দেহ নেই, তবে খুব স্বাভাবিক ভাবেই ভারত যে পরাধীন তার গ্লানি এক দু জায়গায় তার অভিজ্ঞতায় ফুটে উঠেছে।
🌲
বইটির সম্পর্কে আর বিশেষ কিছু বলা মানে পাঠকের আগ্রহকে নষ্ট করাই হবে। নিচে সুভাষ চন্দ্র বসুর পাঠ প্রতিক্রিয়া রইলো একটু দেখে নেবেন।
🌲
এতো সুন্দর সাহিত্য সৃষ্টির আমি একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিলাম, নিজের ভাব অন্যদের মধ্যে চালিত করার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন। এমন একটি সময়ে যেখানে বাইরে বেড়াতে যাওয়া সেই ভাবে কারও হচ্ছে না তখন এই বইটি কিন্তু আপনাকে নিয়ে যেতে পারে কল্পনার কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দিরে সঙ্গে থাকবে অনেক অভিজ্ঞতা।
🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲🌲

ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, আর বই পড়তে থাকবেন😀😊✌️🌼

মহাপ্রস্থানের পথে
লেখক: প্রবোধ কুমার সান্যাল
প্রকাশক: মিত্র ও ঘোষ
মুল্য: ১৬০/-
4 reviews
May 15, 2023
আমার বোন তার স্কুল থেকে পুরস্কার স্বরূপ এই বইটি পেয়েছিলো । প্রথম পড়াতেই ভালো লেগে যায় । তারপর বহুবার পড়েছি এবং কল্পনা করেছি নিজে ওই বিপদ সংকুল কেদার বদ্রীর রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছি । যদিও লেখকের বর্ণিত কেদার বদ্রীর বর্ণনা এখন আর মিলবে না এই আধুনিক ছোয়া পাওয়া হিমালয় তে তবুও সেই রাস্তা যেন আমার মনের কোনে গাঁথা হয়ে গেছে । সেই বর্ণিত দৃশ্য গুলো আমার মনে যত্নে রাখা থাকবে সারাজীবন ।

বইটি পড়ার পরে মন খারাপ হয়ে যায় রানী চরিত্রটির জন্য । এতো সুন্দর ভাবে এঁকেছেন চরিত্রটি যে বিশ্বাস হয়না । লেখকের লেখনী শক্তি এমনি যে পাঠকের মনকে রাস্তায় বের করে আনেন । আর এখানেই তার সার্থকতা ।
1 review1 follower
December 28, 2020
নিজে চারধাম ভ্রমণ করেছি বলে কিনা জানিনা, হিমালয় আর চারধামের ওপর আকর্ষণ খুব বেশি। আর এই আকর্ষণ থেকেই পড়া মহাপ্রস্থানের পথে। বিস্তারিত ভৌগলিগ বিবরণ থাকলেও এটি চিতচরিত ভ্রমণকাহিনি নয়, এই কাহিনি মানুষের, শত শত তীর্থ যাত্রীর। আর পড়তে ভাল লাগে সেই কারণেই।
7 reviews4 followers
December 9, 2020
Well written experience of a perilous journey and self-explorotaion. Must READ
Profile Image for Gain Manik.
345 reviews4 followers
May 5, 2024
একখানা ভাল ব‌ই কিন্তু, একথা স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ স্বীকার করেছেন
Profile Image for Balaji M.
221 reviews14 followers
April 11, 2020
யாத்ரிகன்

"மஹா பிரஸ்தானத்தின் பாதை" எனும் இமயமலை ஆன்மிக பயணக் கட்டுரை தொகுப்பை வங்காளத்தில் எழுதியவர்(1939) திரு.பிரபோத் குமார் ஸன்யால். தமிழில் மொழிபெயர்த்தவர்(1961) திரு த.நா.குமாரஸ்வாமி

தனது இமய பயணத்தின் குறிப்புகளை, நான்கு அத்தியாயங்களாக பிரித்து, அதன் விவரனைகள் மூலம் அப்படியே கண்முன் நிறுத்துகிறார் எழுத்தாளர்.

கங்கோத்ரி
கௌரிகுண்டம்
ருத்ரப்ராயகை
கேதார்நாத்
பத்ரிகாசிரமம்(பத்ரிநாத்)
த்ரியுகீநாத்
துங்கநாத்
தேவப்ரயாகை
விஷ்யப்ரயாகை
கர்ணப்ரயாகை
என இப்படி பல இடங்களை கண்டு புண்ணியம் பெற கிட்டதட்ட 33 நாட்களுக்குப் மேலாக நடைபயணம் நடந்ததாக குறிப்பிடுகிறார் எழுத்தாளர்.

50 யாத்ரிகர்களை கொண்ட கூட்டு பயணமாக ஆரம்பித்து, பல்வேறு விதமான இன்னல்கள், துயரங்கள், வலிவேதனைகள், இறைபதமைடதல், என பல விஷயங்களை கடந்து இறைவனை தரிசித்ததாக இக்கட்டுரைகளின் மூலம் அறியவைக்கிறார்.

இது தீர்த்த யாத்திரை அல்ல முற்பிறவியில் செய்த பாவம் எனும் அளவுக்கு வெறுப்புணர்வும் ஏற்படுகிறதாம்.
அதாவது, மழை, கல்மழை, குளுமை, உதடு பாதங்களில் வெடிப்பு, கால்களில் வீக்கம், அழுக்கடைந்த உடைகள், வாடி வதங்கிய தேகம், பாழடைந்த தோல், குளிரால் இரத்த கசிவுகள் போன்றவற்றை தாங்கி கொண்ட ஆன்மிக பயணமாக இருந்திருக்கிறது.

போலவே, சமுக அமைப்பு, ஏற்றதாழ்வுகள் பற்றிய குறிப்புகளும் இதில் கிடைக்கப் பெறுகிறோம். உதாரணமாக, சமுக ஏற்ற தாழ்வுகள் பலம் பெற்றிருந்த அக்காலகட்டத்திலும் வேற்றுமை பாராட்டாத, தீண்டாமையல்லாத கூட்டு பயணம்,
புண்ணியதலங்களில் பிச்சையெடுக்கும் சிறுவர்கள்,
40கோடி(1939ல்) இந்தியமக்கள் கொண்ட நாட்டில் இந்து குடும்ப பெண்களுக்கு ஏற்படுகின்ற இன்னல்கள் என பல்வேறு தகவல்கள் அறியக்கிடைக்கிறது.

துன்பங்கள் பலவற்றை கண்டாலும், தெய்வ சன்னிதானங்களை அடைகின்றபோதும், சற்றே நாத்திகவாதியானவராயினும்,
அவருக்கு ஏற்படும் மனமைதியும் சாந்தியும் சொல்லித் தெரியாது என்பதையும் இதில் அறியச்செய்கிறார். ஆன்மபலம், உறுதியான இறைபக்தி உள்ளவர்களால் மட்டுமே கஷ்டங்களை கடந்து இறையை தரிசித்து, அதன் மூலம் இறைதன்மையை அடையமுடியும் என்பதனை இப்பயணத்தின் மூலம் ஆசிரியர் பெற்றதாக அறியமுடிகிறது.

இப்புத்தகம் பயண உரையாடல்களால் ஆனதல்ல, வர்ணனைகளால் ஆனது. அப்படியானதொரு வர்ணனையின் மூலம், நாமும் மலை, மழை, ஆறு, பனி, குளிர், வெம்மை, காற்று, புயல், ஆன்மிக உணர்வு என ஒரு சக யாத்திரிகனாகவே அவர்களுடன் பயணப்பட்ட உணர்வை பெறுகிறோம்.

சிறிய புத்தகம்தான். ஆன்மிகத்தில் நாட்டமுள்ளவர்கள், இமய பயணத்திற்கு முன் இதனை வாசித்துவிட்டு செல்வது, அங்கு செல்லும்போது, தொடர்பு படுத்தி கொள்ள ��தவியாக இருக்கும்.

மொழிபெயர்ப்பாளர் திரு க.நா.குமாரஸ்வாமி சென்னை பாடி அருகே வாழ்ந்தவர். அங்கு தனக்கு சொந்தமான நிலங்களை ஏழை எளியவர்க்கு தானமாக அளித்தவர். இன்றும் அவர் பெயரில் "குமாராசாமி நகர்" என வில்லிவாக்கம்-பாடி இணைப்பு பாதையில், ஒரு பகுதியினை காணலாம்.

https://ta.wikipedia.org/wiki/%E0%AE%...
Profile Image for GOURAB BISWAS.
29 reviews2 followers
August 18, 2018
কেদার বদ্রির অতিদূর্গম বিপদ সঙ্কুল গিরিপথ। তীর্থ যাত্রার আবেগ ছাড়া শুধুমাত্র ভ্রমণ পিপাসার্ত পর্যটকের সে পথ অতিক্রম কি সম্ভব? সে পথেই পাড়ি জমিয়েছিলেন পদব্রজে এক বাঙালি সাহিত্যিক 1922 সাল নাগাদ। উদ্দেশ্য তীর্থ যাত্রীদের কাছ থেকে দেখা। মানুষ চেনা। লালনের ভাষায়-" মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি"। আর করেছেন, গাড়োয়ালের নৈসর্গিক রূপকে আকন্ঠ পান। যে মনের মানুষ খুঁজতে সংসারের পিছুটান ছেড়ে বেরিয়েছিলেন তিনি , হতবাক হয়েছিলেন তীর্থ যাত্রীদের স্বরূপ দেখে। অসুস্থ তীর্থ যাত্রীকে পিছনে ফেলে কিভাবে এগিয়ে চলে সকলে। পুন্যকামী যাত্রীদের এহেন সঙ্কীর্ণতা! আবার এই পুন্যকামী তীর্থ যাত্রীদের মাঝেই খুঁজে পেয়েছেন মনের মানুষ। দুদিনের পথ চলার সম্পর্কেই কেউ হয়েছেন 'দাদা', 'দিদি', হয়েছে বন্ধুত্ব। মুগ্ধ হয়েছেন, মনুষ্য চরিত্রের বৈপরীত‍্যে। পথ চলবার শ্রান্তিতে, সম্পর্কের বিশ্বাসঘাতকতায় ম্রিয়মান , শুষ্ক হৃদভূমিতে বসন্তের সমাগম হয়েছে রানীর আবির্ভাবে। কি নাম দেবেন সে সম্পর্কের? বন্ধুত্ব? প্রেম? চেনা ছকের কোনো সমীকরণ হয় না সেখানে। বন পাহাড়ের দিবা রাত্রির মতোই নীরবে এগিয়ে চলে দুই নারী পুরুষের এই সম্পর্ক। রানীর হ্লাদিনী শক্তিতে তিনি অনুভব করেন প্রকৃতিকে। নারী আর প্ৰকৃতি একাত্ম হয়ে যান। পাহাড়ের নির্ঝরিণীর মতোই তার স্বচ্ছতা। নেই তাতে প্রথম রিপুর ষড়যন্ত্র।
পথের শেষে অবস‍্যম্ভাবী ভাবেই আসে সে বিচ্ছেদ। প্রশ্ন ওঠে মিলনেই কি রয়েছে বিচ্ছেদের আগমনী? তবে কেন সে মিলন? কিসে যে হয় এজীবনের মোক্ষলাভ? সারা জীবন ধরে এসব উত্তরই খুঁজে চলা। সে উত্তর নিহিত রয়েছে, আত্ম দর্শণ, আত্ম উপলব্ধি, আধ‍্যতিক জীবন বোধে। নিহিত আছে, এই কাব্যপম ভ্রমণউপন্যাসে।
প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ
মুদ্রিত মূল্য-120 টাকা
Displaying 1 - 15 of 15 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.