What do you think?


যে পারো ভুলিয়ে দাও
আল মাহমুদের আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- GenresBiography
104 pages, Hardcover
Published January 1, 1996
About the author
Al Mahmud
133 books60 followersMir Abdus Shukur Al Mahmud (best known as Al Mahmud) was a Bangladeshi poet, novelist, and short-story writer. He was considered one of the greatest Bengali poets to have emerged in the 20th century. His work in Bengali poetry is dominated by his frequent use of regional dialects. In the 1950s he was among those Bengali poets who were outspoken in their writing on such subjects as the events of the Bengali Language Movement, nationalism, political and economical repression, and the struggle against the West Pakistani government.
Notable awards: Bangla Academy Award (1968)
Ekushey Padak (1987)
Notable awards: Bangla Academy Award (1968)
Ekushey Padak (1987)
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
December 9, 2018
আল মাহমুদের আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'যে পারো ভুলিয়ে দাও'। কবির গদ্যে এক অদ্ভুত সৌন্দর্য আছে। সামান্য কাহিনির বুননও পড়তে খুব ভালো লাগে কবির হাতের মাধুর্যে।
মোল্লাবাড়ির প্রধান পুরুষ বাদশা মোল্লা মারা গেছেন। মৃত্যু শুধু বাদশা মোল্লার একার জন্য পয়গাম আনেনি। যৌথ পরিবারের নানা জোড়াতালি দেওয়া সম্পর্কের বাঁধে ভাঙন ধরতে শুরু করে। হিংসা, দ্বেষ,ষড়যন্ত্র, কাম এবং বাঙালি মুসলমানের সংস্কৃতি আর মাহমুদ নামের এক কিশোরের বেড়ে ওঠা - সবই বর্ণিত হয়েছে বিভিন্ন ঘটন-অঘটনের পরম্পরায়।
'যেভাবে বেড়ে উঠি' পড়েই মুগ্ধতার গহীন অরণ্যে প্রবেশ করেছিলাম। আল মাহমুদের আত্মজীবনীর নির্ভর গদ্যের প্রতি আকর্ষণেই পড়লাম 'যে পারো ভুলিয়ে দাও'। আগেরটির মতো অতটা সুখপাঠ্য নয় এই উপন্যাসটি। এর কারণ হয়তো পুরো উপন্যাস জুড়ে মাহমুদ নামের কিশোরটির ক্ষীণ পদচারণা।
উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতার প্রশ্ন উঠলে বলব, নামের সাথে কাহিনির সাযুজ্য নেই। হয়তো নিজের বাল্যের, কৈশোরের সময়ের সেই ঘটনাবহুল দিনগুলিকে ইঙ্গিত করেই কবি লিখেছেন, 'যে পারো ভুলিয়ে দাও '।
মোল্লাবাড়ির প্রধান পুরুষ বাদশা মোল্লা মারা গেছেন। মৃত্যু শুধু বাদশা মোল্লার একার জন্য পয়গাম আনেনি। যৌথ পরিবারের নানা জোড়াতালি দেওয়া সম্পর্কের বাঁধে ভাঙন ধরতে শুরু করে। হিংসা, দ্বেষ,ষড়যন্ত্র, কাম এবং বাঙালি মুসলমানের সংস্কৃতি আর মাহমুদ নামের এক কিশোরের বেড়ে ওঠা - সবই বর্ণিত হয়েছে বিভিন্ন ঘটন-অঘটনের পরম্পরায়।
'যেভাবে বেড়ে উঠি' পড়েই মুগ্ধতার গহীন অরণ্যে প্রবেশ করেছিলাম। আল মাহমুদের আত্মজীবনীর নির্ভর গদ্যের প্রতি আকর্ষণেই পড়লাম 'যে পারো ভুলিয়ে দাও'। আগেরটির মতো অতটা সুখপাঠ্য নয় এই উপন্যাসটি। এর কারণ হয়তো পুরো উপন্যাস জুড়ে মাহমুদ নামের কিশোরটির ক্ষীণ পদচারণা।
উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতার প্রশ্ন উঠলে বলব, নামের সাথে কাহিনির সাযুজ্য নেই। হয়তো নিজের বাল্যের, কৈশোরের সময়ের সেই ঘটনাবহুল দিনগুলিকে ইঙ্গিত করেই কবি লিখেছেন, 'যে পারো ভুলিয়ে দাও '।
April 28, 2020
কবি আল মাহমুদের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের সুন্দর বর্ণনা পাওয়া যাবে উপন্যাসটিতে।
May 28, 2021
কেউ কি পারবে ভুলিয়ে দিতে? ভুলতেই বা চাইবে কেন এমন স্বপ্নময় কৈশোর! প্যারাডক্স বটে।
April 3, 2024
কোথাও বিস্ময় জাগাবে- এতো সুন্দর ছিল সেসব দিনগুলো!
কোথাও ভীষণ বিষণ্ন করে তুলবে- কতই না দুঃখ কষ্ট আর অবহেলার পথ মাড়িয়ে একেকটা কবিতা কবি রেখে গেছেন আমাদের জন্য...
কোথাও ভীষণ বিষণ্ন করে তুলবে- কতই না দুঃখ কষ্ট আর অবহেলার পথ মাড়িয়ে একেকটা কবিতা কবি রেখে গেছেন আমাদের জন্য...
May 21, 2019
I loved the way it went on having a serious family crisis in one end and a teenage boy's day to day activities on the other end. Felt like a half ate bread to me. Nowhere near to the excellence of the first book.
Read
July 6, 2025বইটা খুবই চমৎকার লেগেছে
November 9, 2021
'যে পারো ভুলিয়ে দাও' প্রয়াত কবি আল মাহমুদের আত্মজৈবনিক উপন্যাস৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এক ধনী ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের কাহিনি। এখানে দেখা পাওয়া যাবে নব্য-কিশোর মাহমুদের। দাদার মৃত্যুর পর পরিবারের মধ্যে সম্পদের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে নানা ঝামেলা আর ষড়যন্ত্রের কাহিনি ধরে এগিয়েছে উপন্যাস। তাছাড়া মাহমুদের স্কুল-জীবনের গল্পও জানা যাবে। কবির গদ্যের ভাষাটাও কিছুটা কাব্যিক। পড়ে ভালোই লাগল।
৯.১১.২০২১
৯.১১.২০২১
Displaying 1 - 7 of 7 reviews







