What do you think?


রাধারাণী
Radharani by Bankim Chandra Chattopadhyay is a popular Bengali Book and Short Novel which is written by Bankim Chandra Chattopadhyay.
52 pages, Paperback
First published January 1, 1876
About the author
Bankim Chandra Chattopadhyay
167 books319 followersBankim Chandra Chattopadhyay (Bengali: বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) ('Chattopadhyay' in the original Bengali; 'Chatterjee' as spelt by the British) was a Bengali poet, novelist, essayist and journalist, most famous as the author of Vande Mataram or Bande Mataram, that inspired the freedom fighters of India, and was later declared the National Song of India.
Complete works of Bankim Chandra Chattopadhyay (বঙ্কিম রচনাবলী) is now available in this third party website (in Bengali):
https://bankim-rachanabali.nltr.org/
Chatterjee is considered as a key figure in literary renaissance of Bengal as well as India. Some of his writings, including novels, essays and commentaries, were a breakaway from traditional verse-oriented Indian writings, and provided an inspiration for authors across India.
Complete works of Bankim Chandra Chattopadhyay (বঙ্কিম রচনাবলী) is now available in this third party website (in Bengali):
https://bankim-rachanabali.nltr.org/
Chatterjee is considered as a key figure in literary renaissance of Bengal as well as India. Some of his writings, including novels, essays and commentaries, were a breakaway from traditional verse-oriented Indian writings, and provided an inspiration for authors across India.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 17 of 17 reviews
January 3, 2026
সেই সময়ের প্রেম ভালোবাসা এমন ছিলো নাকি পুরোটাই লেখকের কল্পনাপ্রসূত? জানতে বড্ড ইচ্ছে হয়। কই আজকাল তো এমন প্রেম এর দেখা মেলে না। শুধু কাউকে ভালোবেসে তো কেউ অপেক্ষা করে না, কিংবা ভালোবাসি বলেও তো ছলনা করে। এমন প্রেম যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে ওই যুগে না জন্মানোর আফসোস কি আমার কোনোকালে ঘুচবে?
April 2, 2019
"রাধারাণী" প্রথম বঙ্গদর্শন এ ( কার্তিক - অঘ্রায়ন সংখ্যা,১২৮২) বের হয়। এই 'রাধারাণী'র উৎপত্তি সম্মন্ধে বঙ্কিমের জীবনীকার লিখেছিলেন -
"গৃহ-বিগ্রহ রাধাবল্লভজীউর রথযাত্রা প্রতি বৎসর মহাসমারোহে সম্পন্ন হইত।পুজনীয় যাদবচন্দ্র তখন জীবিত।বঙ্কিমচন্দ্র ১২৮২ সালে রথযাত্রার সময় ছুটী লইয়া গৃহে আসিয়াছিলেন।রথে বহুলোকের সমাগম হইয়াছিল।সেই ভিড়ে একটি ছোটো মেয়ে হারাইয়া যায়। তাহার আত্মীয় স্বজনের অনুসন্ধানার্থ বঙ্কিমচন্দ্র নিজেও কিছু চেষ্টা করিয়াছিলেন।এই ঘটনার দুই মাস পরে 'রাধারাণী' লিখিত হয়।আমার মনে হয়,এই ঘটনা উপলক্ষ্য করিয়া বঙ্কিমচন্দ্র রাধারাণী রচনা করিয়াছিলেন।"
এই উপন্যাসটিতে আছে রাধারাণী নামে একটি বালিকার বাল্য প্রেমের কাহিনী। এই রাধারাণী তার এগারো বৎসর বয়সে রথের মেলায় মালা বিক্রি করতে গিয়ে অন্ধকারে পথ হারিয়ে ফেলে। তখন তাকে এক সহৃদয় ব্যক্তি তার বাড়ি পৌঁছে দেয় এবং তার মালার মূল্যের অধিক টাকা তাকে দেয় ও একখানা শাড়িও কিনে পাঠায়। তারপর সময়ের স্রোত বয়ে যায়, রাধার জীবনে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে যায়। ৮ বৎসর পর আবার সেই মানুষটির দেখা পায় এবং বুঝতে পারে তারা পরস্পর পরস্পরকে মন দিয়ে বসে আছে। শেষে তাদের বিবাহ হয়। এই হলো গল্প।
বাংলাদেশের সামাজিক ভিত্তিতে এর কাহিনি স্থাপিত হলেও উপন্যাসে বঙ্কিম স্বভাবসুলভ রোমান্সের রঙ্ই লক্ষ করা যায়। বঙ্কিমের এই কাহিনীটি উপন্যাসের পূর্ণতা ও লক্ষণ পায়নি - অনেক টা বড়ো গল্পের মতো। একে ইংরেজিতে novelette বলে - অর্থাৎ ছোটো মাপের নভেল।চরিত্রদ্বন্দ্ব বা অন্যান্য ঔপন্যাসিক লক্ষণ এতে না থাকলেও সুখপাঠ্য বড়ো গল্প হিসাবে এখনও এর জনপ্রিয়তা আছে।
"গৃহ-বিগ্রহ রাধাবল্লভজীউর রথযাত্রা প্রতি বৎসর মহাসমারোহে সম্পন্ন হইত।পুজনীয় যাদবচন্দ্র তখন জীবিত।বঙ্কিমচন্দ্র ১২৮২ সালে রথযাত্রার সময় ছুটী লইয়া গৃহে আসিয়াছিলেন।রথে বহুলোকের সমাগম হইয়াছিল।সেই ভিড়ে একটি ছোটো মেয়ে হারাইয়া যায়। তাহার আত্মীয় স্বজনের অনুসন্ধানার্থ বঙ্কিমচন্দ্র নিজেও কিছু চেষ্টা করিয়াছিলেন।এই ঘটনার দুই মাস পরে 'রাধারাণী' লিখিত হয়।আমার মনে হয়,এই ঘটনা উপলক্ষ্য করিয়া বঙ্কিমচন্দ্র রাধারাণী রচনা করিয়াছিলেন।"
এই উপন্যাসটিতে আছে রাধারাণী নামে একটি বালিকার বাল্য প্রেমের কাহিনী। এই রাধারাণী তার এগারো বৎসর বয়সে রথের মেলায় মালা বিক্রি করতে গিয়ে অন্ধকারে পথ হারিয়ে ফেলে। তখন তাকে এক সহৃদয় ব্যক্তি তার বাড়ি পৌঁছে দেয় এবং তার মালার মূল্যের অধিক টাকা তাকে দেয় ও একখানা শাড়িও কিনে পাঠায়। তারপর সময়ের স্রোত বয়ে যায়, রাধার জীবনে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে যায়। ৮ বৎসর পর আবার সেই মানুষটির দেখা পায় এবং বুঝতে পারে তারা পরস্পর পরস্পরকে মন দিয়ে বসে আছে। শেষে তাদের বিবাহ হয়। এই হলো গল্প।
বাংলাদেশের সামাজিক ভিত্তিতে এর কাহিনি স্থাপিত হলেও উপন্যাসে বঙ্কিম স্বভাবসুলভ রোমান্সের রঙ্ই লক্ষ করা যায়। বঙ্কিমের এই কাহিনীটি উপন্যাসের পূর্ণতা ও লক্ষণ পায়নি - অনেক টা বড়ো গল্পের মতো। একে ইংরেজিতে novelette বলে - অর্থাৎ ছোটো মাপের নভেল।চরিত্রদ্বন্দ্ব বা অন্যান্য ঔপন্যাসিক লক্ষণ এতে না থাকলেও সুখপাঠ্য বড়ো গল্প হিসাবে এখনও এর জনপ্রিয়তা আছে।
January 13, 2026
১৮৭৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে ছোট্ট এই ভালোবাসার উপন্যাস ( বরং উপন্যাসিকা বলা শ্রেয়) 'রাধারাণী'। সেই হিসাবে দেড় শ বছর আগের প্রেক্ষাপটে উপন্যাসটি রচিত - তা মাথায় রেখে পড়লে রুক্মিণীকুমারের জন্য রাধারাণীর অপেক্ষাকে অস্বাভাবিক ঠেকবে না পাঠকের কাছে।
ধনী থেকে মামলায় হেরে হঠাৎ গরিব বনে যাওয়া রাধারাণীর মায়ের ভীষণ অসুখ। সংসারের আয়ের একমাত্র উৎস মালা বিক্রি করতে বের হলো এগারো বছরের রাধা। বৃষ্টি-বাদলার কারণে মেলায় কেউই আসেনি। তাই বিক্রি হয়নি দুই পয়সার মালা। অথচ পয়সা ছাড়া ওষুধ মিলবে না ; অভুক্ত থাকতে হবে। এদিকে রাতও হয়ে গেছে। এমনই পরিস্থিতিতে হাতেমতাইয়ের মতো হাজির হন ত্রিশোর্ধ রুক্মিণীকুমার রায়। মালা কেনার পাশাপাশি সাহায্য করেন এই দুঃখী মেয়েটিকে। কিন্তু নিজের পরিচয় ভালোভাবে না দিয়েই চলে যান। এদিকে মামলায় আবার জয়ী হয়ে বরাত ফেরে রাধারাণীর। কিন্তু তার মা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
টাকাপয়সার কমতি নেই রাধারাণীর। তিনি ততদিনে ষোড়শী এবং অবিবাহিত। যা সেকালে বড্ড ব্যতিক্রম। এদিকে সে অনড়। তার চাই একজনকেই। কিন্তু সে কী তাকে পাবে? উত্তর জানতে পড়ুন, বঙ্কিমচন্দ্রের 'রাধারাণী'। সহজসরল ও নির্মল এক প্রেমকাহিনি এটি। অসাধারণ কোনো লেখা না হলেও পড়া ভালোই লেগেছে।
ধনী থেকে মামলায় হেরে হঠাৎ গরিব বনে যাওয়া রাধারাণীর মায়ের ভীষণ অসুখ। সংসারের আয়ের একমাত্র উৎস মালা বিক্রি করতে বের হলো এগারো বছরের রাধা। বৃষ্টি-বাদলার কারণে মেলায় কেউই আসেনি। তাই বিক্রি হয়নি দুই পয়সার মালা। অথচ পয়সা ছাড়া ওষুধ মিলবে না ; অভুক্ত থাকতে হবে। এদিকে রাতও হয়ে গেছে। এমনই পরিস্থিতিতে হাতেমতাইয়ের মতো হাজির হন ত্রিশোর্ধ রুক্মিণীকুমার রায়। মালা কেনার পাশাপাশি সাহায্য করেন এই দুঃখী মেয়েটিকে। কিন্তু নিজের পরিচয় ভালোভাবে না দিয়েই চলে যান। এদিকে মামলায় আবার জয়ী হয়ে বরাত ফেরে রাধারাণীর। কিন্তু তার মা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
টাকাপয়সার কমতি নেই রাধারাণীর। তিনি ততদিনে ষোড়শী এবং অবিবাহিত। যা সেকালে বড্ড ব্যতিক্রম। এদিকে সে অনড়। তার চাই একজনকেই। কিন্তু সে কী তাকে পাবে? উত্তর জানতে পড়ুন, বঙ্কিমচন্দ্রের 'রাধারাণী'। সহজসরল ও নির্মল এক প্রেমকাহিনি এটি। অসাধারণ কোনো লেখা না হলেও পড়া ভালোই লেগেছে।
September 1, 2026
বঙ্কিমের শর্ট উপন্যাস। রাধারাণী ও তার মা এক সময় বড় ঘরের মানুষ ছিল কিন্তু মামলায় সব হারায়। পরে শ্রীরামপুর এ বাস করে। তার মা অসুস্থ থাকায় রাধা মালা বিক্রি করতে রথে যায় কিন্তু বৃষ্টি আসায় তার মালা বিক্রি হয় না। এরপর পথে এক পথিক এর সাথে দেখা হয় পরে তাকে এইসব কথা বললে সে তাকে টাকা দেয় এবং বস্ত্র দেয়। কিন্তু তার চেহারা দেখতে পায় নী কারণ আলো জালার আগেই সে চলে যায়। টাকায় তার নাম লিখে দেয় রুকমিনীকুমার। এরপর রাধা ও তার মা আবার ফিরে পায় সব সম্পদ। কিন্তু তার মা মারা যায়। পরে রাধা কামাত্তা বাবুর বাসায় থাকে। সেখানে সে বিজ্ঞাপন দেয় যে রুক্মিণীকুমার কে যেন খুঁজে পায়। কারণ রাধা তাকে মনে প্রাণে ভালোবাসে। পরে কামত্তা বাবু মারা গেলে রাধা নিজের বাড়ি আসে। পরে ৮ বছর পর রুক্মিণী আসে। তাকে বসন্তকুমারি রাধার ঠিকানা দেয়।তার আসল নাম দেবেন্দ্র নারায়ণ রায়। সেও জানায় সে রাধা কে ভুলতে পারে নী। পরে তাদের বিয়ে হয়
October 9, 2025
ঘুম আসছে না, ভাবলাম কানে ইয়ারফোন গুঁজে ইউটিউব থেকে ASMR শুনলে হয়ত ঘুম এসে যাবে কিন্তু হল উল্টাটা, ইউটিউবে ঢুকে দেখি মিরচির চ্যানেলে বঙ্কিমবাবুর রাধারাণী গল্পটা ফ্রাইডে ক্লাসিকে আপলোড করা হয়েছে। অগত্যা চাপ দিলাম, আর লাস্ট একঘন্টা চোখবুঁজে শুনে গেলাম রোমান্টিক ছোট্ট এই গল্পটা।
গল্পটা সুন্দর... কিন্তু রোমান্টিক জনরাটা আমার আসলে পচ্ছন্দের না। তাই দুই তারকা দিলাম।
একটু ট্রাজেডি থাকলে ভাল হইত। জীবনে দুঃখ ছাড়া আর কিছুই নাই, রোমান্টিক জিনিসপত্র সবার মুখে আবার ভাল্লাগে না, যাইহোক শুভরাত্রি 🥱
গল্পটা সুন্দর... কিন্তু রোমান্টিক জনরাটা আমার আসলে পচ্ছন্দের না। তাই দুই তারকা দিলাম।
একটু ট্রাজেডি থাকলে ভাল হইত। জীবনে দুঃখ ছাড়া আর কিছুই নাই, রোমান্টিক জিনিসপত্র সবার মুখে আবার ভাল্লাগে না, যাইহোক শুভরাত্রি 🥱
January 13, 2026
বঙ্কিমচন্দ্রের বেশ কয়েকটি লেখা আমি পড়েছি। কপালকুণ্ডলা,কৃষ্ণকান্তের উইল। রাধারানী উপন্যাসে রাধারানী ও রুক্মিণী কুমারের পরিচিতি এবং পরিণয় দেখানো হয়েছে। রাধারানী কে কুমার দেখেছিল বালিকা অবস্থায় এবং খুঁজে পেয়েছিল যুবতী বেশে। উপন্যাসের এই অংশটুকুতে আমার কাছে তাদের এত বছর পরে দেখা হওয়া এবং শেষে পরিণয় হওয়াটাকে একটু রঞ্জিত লেগেছে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
April 23, 2020
Fantastic book
May 14, 2020
খুব সুন্দর রোমান্টিক উপন্যাস- যদিও উপন্যাস না বলে গল্প বলাই হয়ত উচিত। মাঝে মাঝে এরকম সহজ সরল কাহিনী পড়লে মন ভালো হয়ে যায়।
August 12, 2020
Good story
April 15, 2021
এটা একটা উপন্যাসিকা। রোমান্টিক ঘরানার লেখা। কাহিনীর গতি সরল, তেমন কোন উত্থান পতন নেই। এটাই উপন্যাসিকাটির খামতি।
July 28, 2021
Radha rani golpota khub e valo jara jara pora cho asa kori tader khub valo lagacha amer o khub valo lagacha it's a romantic story
This entire review has been hidden because of spoilers.
August 30, 2023
🌻🌻
This entire review has been hidden because of spoilers.
November 17, 2025
Cute love story!!
April 22, 2026
ভাল লাগার মত একটি গল্প, পড়তে পারেন.....
August 6, 2014
I read the first chapter as prescribed text in school, wanting to know what happens to Radharani after that fateful evening. Does she get to see Rukmini Kumar again?
The romance between a benefactor and the beneficiary is not new. But love is not a duty to be performed in return for financial and emotional support. We have to keep in mind the background of the story (19th century Bengal). It is wildly progressive for its times in some parts and gets pulled into the norms of expected behavior at others. Short and sweet, you can finish it in one go. If nothing else, read it to live the times when lovers waited years in the hope of meeting again and patience was considered a virtue. Read it to experience vicariously that one moment of truth where you see the person you have waited for all your life.
The romance between a benefactor and the beneficiary is not new. But love is not a duty to be performed in return for financial and emotional support. We have to keep in mind the background of the story (19th century Bengal). It is wildly progressive for its times in some parts and gets pulled into the norms of expected behavior at others. Short and sweet, you can finish it in one go. If nothing else, read it to live the times when lovers waited years in the hope of meeting again and patience was considered a virtue. Read it to experience vicariously that one moment of truth where you see the person you have waited for all your life.
January 11, 2019
গল্পের শুরুটা যেভাবে হয়েছিলো তাতে আশা ছিলো এই যে অনেক কিছু পেতে যাচ্ছি শেষ পর্যন্ত। বঙ্কিমের সমালোচনা করার দুঃসাহস নেই তবে পাঠক হিসে বে এটুকু বলার যে আমি গল্পে আরো সাসপেন্স, আরো রোমান্স আশা করেছিলাম। কিছুটা আশাহত হয়েছি
Displaying 1 - 17 of 17 reviews














