গোটা পৃথিবী জুড়ে আসছে প্রলয়ঙ্করী মহাপ্লাবন! অফিসে ডেকে নিয়ে জানালেন বিসিআই চিফ। আগামী বছর তলিয়ে যাবে বাংলাদেশ। কাজেই, রানা, খোঁজ নাও কী ঘটছে।
বসের নির্দেশে রহস্যময় অ্যাসাইনমেণ্টে জড়িয়ে গেল রানা। চিনা বিলিয়নেয়ারের পেটের খবর জানতে গিয়ে বন্দি হলো দুর্গম এক দ্বীপে। রানা ও সোহেলের গর্দান নিতে কুখ্যাত তলোয়ারে শান দিচ্ছে ভয়ঙ্কর খুনি ওরে চিচিওয়া!
এদিকে রানা যে খুন করতে চলেছে জাপানি প্রধানমন্ত্রীকে, সেটা ঠেকাবে কে? মহা জটিল অবস্থা। কদিন পর পৃথিবীর উঁচু পর্বতের চূড়াগুলো ছাড়া আর সবই ডুবে যাবে পানির নিচে!
মরিয়া হয়ে উঠল রানা। নিশ্চিত মৃত্যুর আগে লড়বে প্রাণপণে!
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
'মহাপ্লাবন' মাসুদ রানা সিরিজের এমন একটি বই যা পাঠককে রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার মধ্য দিয়ে এক মহাপ্রলয়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। একটি অসাধু চক্র যখন কৃত্রিমভাবে জলোচ্ছ্বাস ঘটিয়ে পৃথিবীকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে চায়, তখন রানা ও তার সঙ্গীদের সেই মরণপণ লড়াইয়ের গল্পই এখানে ফুটে উঠেছে। বইটিতে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী আর অ্যাকশনের যে চমৎকার সংমিশ্রণ আছে, তা এক কথায় অনবদ্য। যারা বড় ক্যানভাসের থ্রিলার এবং রানার দুর্ধর্ষ সব মিশন পছন্দ করেন, তাদের জন্য 'মহাপ্লাবন' একটি মাস্ট-রিড বই।
অনেকদিন পর মাসুদ রানার বই পড়ে মন ভালো করার চেষ্টা করলাম। প্লটহোল আছে, একশনের অভাব আছে তবু কোনভাবে সময়টা কেটে গেলো। একেবারে খারাপ কাটলো না। ধন্যবাদ লেখককে।