"আবু গারিবের বন্দি" একটি গল্পগ্রন্থ। আরববিশ্বের কয়েকজন খ্যাতিমান লেখক-সাহিত্যিকের আরবী ছোট গল্পের বাংলা রূপ। বাংলা রূপায়ণে শব্দের চেয়ে ভাবকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। অধিকৃত ফিলিস্তিন, মাজলুম্ম ইরাক ও ইসলামের সোনালি যুগের ইতিহাসকে ঘিরেই মূলত গল্পগুলো নির্মিত হয়েছে। চিত্রিত হয়েছে ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনা। পাশাপাশি ধ্বনিত হয়েছে জুলুম, শোষণ ও পাশবিকতার বিরুদ্ধে শিল্প-শাণিত সুক্ষ্ম প্রতিবাদ। বিধ্বস্ত মানবতা যাদের হৃদয় রক্তক্ষরণ ঘটায়, মাজলুমের আহাজারি যাদের মানবতাবোধে বেদনার ঝড় তোলে এবং সত্যিকারের শিল্প-সুন্দরকে যারা ভালোবাসেন, আবু গারিবের বন্দি আশা করি তাদেরকে অনেক খোরাক যোগাবে। -ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী কভারটা ২০০৯ সালে ভিন্ন একটা প্রকাশনীর । ২০১৭ সালেরটা আপডেট করতে হবে।
ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী। সময়ের ইসলামি ধারার অন্যতম সেরা লেখক। যিনি লিখছেন প্রায় তিন দশক ধরে। লিখেছেন ইসলামি সাহিত্যের নানা বিষয়ে। তবে তিনি প্রধানত একজন শিশু সাহিত্যিক ও সিরাত লেখক। তার লেখায় সিরাত ও শিশু সাহিত্যের সন্নিবেশ ইসলামি সাহিত্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সাথে সাথে তিনি গড়ে তুলেছেন নিজস্ব বাক্যশৈলীও।
বাংলা সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি আরবির প্রতিও রয়েছে তার গভীর মনোযোগ ও মমত্ববোধ। তাই চেষ্টা করছেন আরবি ও বাংলা ভাষার মধ্যে একটি কল্যাণের সেতুবন্ধন তৈরি করতে।
১৯৬৮ সালে কিশোরগঞ্জে জন্ম নেয়া এই মধ্য বয়সী লেখকের মুদ্রিত বইয়ের সংখ্যা ২০টি-র বেশি। কামরাঙ্গীরচর মাদরাসায় পড়ার সময় আল আশরাফ দেয়াল পত্রিকায় প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় আজকের ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভীর। তার লেখা প্রথম বই ‘আলোর দিগন্ত হজরত ওমর রা.’ এবং প্রকাশিত প্রথম বই ‘তোমার স্মরণে হে রাসুল’ । সূত্র: ইসলাম টাইমস
আরব বিশ্বের নামকরা লেখকদের কিছু ছোট গল্পের অনুবাদ সংকলন। মূলতঃ ইসলামের সোনালী যুগের ইতিহাস ও বর্তমানের আরব বিশ্বের মজলুম জনপদের হৃদয়স্পর্শী করূন আর্তনাদ চিত্রিত হয়েছে গল্পগুলোতে। অনুবাদটি মানসম্মত মনে হয়েছে। খুবই সাবলীল ভাষায় লেখা, পড়তে ভাল লাগে। সবগুলো গল্প ভিন্নধর্মী, ভাবনার খোরাক যোগায়। ভবিষ্যতে এই লেখকদের আরও লেখা পড়ার নতুন করে ইচ্ছা জাগল।
এটি একটি গল্পগ্রন্থ, আরব বিশ্বের খ্যাতনামা লেখকদের গল্প উঠে এসেছে এ বইয়ে। ফিলিস্তিনের নির্যারিত মুসলমানদের নিয়ে রচিত হয়েছে ছোট ছোট কয়েকটা গল্প। মোট ৭টি গল্প আছে এ গ্রন্থে,ভালো লেগেছে পড়ে।