A poor but feisty tomboy, `Koni? Kanakchampa Paul. A fiery coach, with an eye for talent and a passion for making it shine. A championship that sets up privileged competitors against one who is constantly sidelined. The stage is set for an explosive contest. And a sport stops being just a game. In a city where sports clubs are guided by favouritsm, a coach with a dream, Kshitish Sinha, plucks Koni from a slum and trains her to swim. The spunky teenager battles her way past hardship, rivalry and humiliation to negotiate a decisive lap against all odds. If she fails, she loses everything that matters. And if she succeeds, she blazes a trail out of her sorry circumstances. For the first time in translation, this story of faith, grit and sportsmanship is a modern classic by Moti Nandy, the master teller of sports stories.
Moti Nandi was a sports journalist and worked as a sports editor in Anandabazar Patrika. He was awarded the Lifetime Achievement award (2008) at a glittering ceremony to mark the grand finale of the maiden edition of the Excellence in Journalism Awards.
In his novels, he is noted for his depiction of sporting events and many of his protagonists are sports-persons. His first short story was published in Desh weekly on 1957. His story for Pujabarshiki was in Parichoy Magazine on 1985.
খুব ছোটবেলায় “কোনি” উপন্যাসের ফিল্ম অ্যাডাপ্টেশনটা দেখেছিলাম। শ্রদ্ধেয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কেও চিনি এই সিনেমার মাধ্যমে। অদ্ভুতভাবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কথা মনে করলে আমি ফেলুদাকে দেখি না, অপুকে দেখি না। দেখি ক্ষিতীশকে। কী অসাধারণ চরিত্রায়ন! কী দৃঢ়তা! শুধু ক্ষিতীশ না, সকল চরিত্রই। চরিত্রায়নের দিক থেকে, ভাষাগত দিক থেকে, গল্পের দিক থেকে, রোমাঞ্চের দিকে থেকে, সব দিক থেকেই মতি নন্দীর এই কামিং অফ এজ স্পোর্টস নোভেলাটি পিওর ক্লাস!
মতি নন্দী যে কত বড়ো সাহিত্যিক ছিলেন, সেটা বোঝার পক্ষে একটা বিরাট প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওনার এই লেখাগুলো, যেগুলো ওনাকে একরকম টাইপকাস্ট করে দেয় ক্রীড়া-সাহিত্যিক হিসেবে। অথচ, খেলার খুঁটিনাটি এবং তার পেছনে চলা রাজনীতি, প্রাদেশিকতা, সুবিধাবাদ: এসবের নিখুঁত বিবরণ সত্ত্বেও তাঁর উপন্যাসগুলো জনপ্রিয় এবং চিরন্তন হয়ে উঠত তাঁর সেই জীবনবোধের জন্য, যা ক্লাসিক সাহিত্যের সবচেয়ে বড়ো বৈশিষ্ট্য: হার-না-মানা। এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে কতটা জায়গা জুড়ে আছে তা বলার জন্য বোধহয় এটা বলাই যথেষ্ট, যে যখনই আমরা কোন প্রতিভাবান মানুষকে দেখি সিস্টেমের জগদ্দলের সামনে পিষে যাওয়ার মুখেও আপ্রাণ লড়াই চালিয়ে গন্তব্যের দিকে এগোতে, আমাদের মুখ থেকে বেরিয়ে আসে: "ফাইট, কোনি ফাইট"!
"মার খেয়ে ইস্পাত হয়ে উঠতে হবে। যন্ত্রণাকে বোঝ, ওটাকে কাজে লাগাতে শেখ, ওটাকে হারিয়ে দে।…কাম অন কোনি, জোর লাগা, আরো জোরে– …ট্রেনিং করে করে নিজেকে বাড়াতে হবে কোনি। যন্ত্রণাকে তুই বল, ‘দেখে নেব আমাকে কাঁদাতে পারিস কিনা, আমাকে ভয় দেখাতে পারিস কিনা’"
'ক্ষিতীশ' যিনি কিনা 'কোনি' নামক এক মেয়েকে সাঁতারু বানাতে, তাকে সাঁতার শিখাতে উঠেপড়ে লাগে... নিজের যে ইচ্ছে, নিজের যে রাগ সেটার যেন প্রতিফলন দেখেন কোনি নামের দরিদ্র মেয়েটির মধ্যে।। যে ক্লাবে উনি আছেন সেখানে সাঁতারুদের মধ্যে জিত, বড় কিছু হওয়ার স্পৃহা যেন দেখতেন না ক্ষিতীশ। সেই ক্লাবের প্রায় সাঁতারু এর নালিশ হলো, ক্ষিদ্দা তাদের খুব পরিশ্রম করায়। কিন্তু জিততে হলে, বড় কিছু হতে হলে, সেরাদের সেরা হতে হলে আপনাকে অবশ্যই ঐ সেরাদের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হবে, যদি তারা ১০মিনিট প্রেকটিস করে আপনাকে করতে হবে ২০মিনিট।। তাই আমাদের চোখে অনেক সময় ক্ষিদ্দাকে কঠোর, হৃদয়হীন, অমানুষ মনে হবে।। কিন্তু বাস্তবিকভাবে চিন্তা করতে ক্ষিদ্দা ই ঠিক। জীবনযুদ্ধে জিততে হলে আপনাকে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হবে, লড়ে যেতে হবে।।
এই এক শিক্ষকের গল্প যিনি কিনা শত রাজনীতি, উনার বিরুদ্ধে শত ষড়যন্ত্রের পরেও ধমে যান না।। কোনিকে নিয়ে স্বপ্ন বুকে নিয়ে এগিয়ে যান।। আর এটি হলো কোনির সাঁতারু হয়ে উঠার গল্প, যে কিনা দোকানে কাজ করার পাশাপাশি সাতার শিখে
"যন্ত্রণা আর সময় তোর অপোনেন্ট। ও দুটোকে আলাদা করা য়ায় না। যন্ত্রণাকে হারালে সময়কেও হারাতে পারবি। সময়কে হারালে পারবি যন্ত্রণাকে হারাতে"
মতি নন্দী এবারো আমাকে নিরাশ করেনি।। he is absolutely brilliant...... খেলাধুলা নিয়ে উনার জ্ঞান মুগ্ধ করার মতো!! উনি এই বইয়ে একজন athleteএর খাবার কেমন হওয়া উচিত, এই দেশের খাবার তৈরির প্রক্রিয়া যে athlete এর জন্য ঠিক নয় সেসবও বলেছেন।। কিন্তু উনার লেখাতে অন্যরকম একটা মেজাজ আছে।। খেলাধুলা নিয়ে একটা উপন্যাসের মেজাজ/পরিবেশ যেমন হওয়া উচিত, যেমন inspirational কিছু বাক্য পাঠকের দিকে ছুড়ে দেওয়া উচিত সেসবে উনি বরাবরই অতুলনীয়
কোনি স্পোর্টস ফিকশন হয়ে বাংলা সাহিত্যের ক্লাসিক উপন্যাসের কাতারের। সৎ সাহিত্যের মতো এতে কোনো ভনিতা নেই, যা আছে সেটাই নিখাদ বাস্তবতা। সমাজে কেউ নিচ থেকে ঠেলে কাউকে উঠিয়ে দেয় না। নিচ থেকে সাহস দেওয়ার জন্য একজন দরকার। বাকি পথ লড়াই করে মই বেয়ে নিজেকেই উঠতে হয়। জীবনে যন্ত্রণাই সবচেয়ে বড় ইন্সপ্রিয়েশন। উপন্যাসের কোচ ক্ষিতিশ চরিত্রটা মনে থাকবে দীর্ঘদিন। মাধ্যমিকে প্রমথ চৌধুরী বই পড়া প্রবন্ধে যে শিক্ষকের সংজ্ঞা দিয়েছেন তার ছাপ রয়েছে ক্ষিতিশের চরিত্রে। সিনেমায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় কেমন পারফর্ম করেছে রোলটায় সেটা দেখার ইচ্ছা হচ্ছে।
"যন্ত্রণা কি জিনিস সেটা শেখ। যন্ত্রণার সঙ্গে পরিচয় না হলে, তাকে ব্যবহার করতে না শিখলে, লড়াই করে তাকে হারাতে না পারলে কোনদিনই তুই উঠতে পারবি না।
যন্ত্রণা আর সময় তোর অপোনেন্ট। ও দুটোকে আলাদা করা যায় না। যন্ত্রণাকে হারালে সময়কেও হারাতে পারবি। সময়কে হারালে পারবি যন্ত্রণাকে হারাতে।"
🥇ক্ষিতীশ সিংহের কথা:
লোকটির সংসারে স্ত্রী এবং দুটি বিড়াল ছাড়া আর কেউ নেই। আয় রোজগার বলতে গ্রে স্ট্রিটে ট্রামলাইন ঘেঁষে একফালি ঘরে একটি দোকান আছে। নাম ‘প্রজাপতি’। আগে নাম ছিল ‘সিনহা টেলারিং’। দুটি দর্জিতে জামা—প্যান্ট তৈরী করত, আর দেয়াল আলমারিতে ছিল কিছু সিন্থেটিক কাপড়। ক্ষিতীশ তখন দোকান চালাত। দিনে দুঘণ্টাও দোকানে বসত না। দুপুর বাদে তাকে সর্বদাই পাওয়া যেত জুপিটার সুইমিং ক্লাবে। তারপর একদিন সে আবিষ্কার করল আলমারির কাপড় অর্ধেকেরও বেশি অদৃশ্য হয়েছে, দোকানের ভাড়া চার মাস বাকি এবং লাভের বদলে লোকসান শুরু হয়েছে।
তখনই স্ত্রী লীলাবতী হস্তক্ষেপ করে, দোকানের দায়িত্ব নেয়। টেলারিং ডিপ্লোমা পাওয়া দুটি মহিলাকে নিয়ে সে দোকানটিকে ঢেলে সাজায় নিজের গহনা বাঁধা দিয়ে। নাম দেয় ‘প্রজাপতি’।
জুপিটার সুইমিং ক্লাবে এত বছর আছে ক্ষিতীশ কিন্তু হঠাৎ একটা ব্যাপার ঘটলো। "ক্ষিতীশ নিজে কখনো সাঁতার কাটেনি। কমপিটিশনে কখনো নেমেছে বলে নাকি ক্লাবের কেউ শোনেনি। ওর কথা তাই তাই সাঁতার শিখতে আসা ছেলেমেয়েরা কেন গ্রাহ্য করবে?”
”সে কি!” ক্লাব প্রেসিডেন্ট বিনোদ ভড় অবাক হয়ে ক্ষিতীশের দিকে তাকাল। ”আপনি সাঁতার জানেন না?”
ক্ষিতীশ মাথা নাড়তে নাড়তে বললেন, ”সাঁতার জানি না বলতে আমি কখনো কোন কমপিটিশনে মেডেল পাইনি। আর সাঁতার শেখাতে হলে মেডেল জেতা নিশ্চয়ই জরুরি নয়?”
এরকম বাকবিতন্ডার মাঝে ক্লাবের সভা থেকে হঠাৎ করেই ক্ষিতীশ ট্রেইনারের পদ থেকে সরে এলেন। ক্লাবের উপর রীতিমতো বিরক্ত তিনি।
🥇কোনির কথা:
গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে ক্ষিতীশ দেখতে পেয়েছিলেন সবার আগে সাঁতরে আম কুড়িয়ে আনা মাঝ গঙ্গায় ভেসে থাকা এক দুরন্ত কিশোরীকে। জুপিটার থেকে ইস্তফার পর আবার তাকে দেখে ম্যারাথন দৌড়ে। এরপর মেয়েটি এসেছিল এক সাঁতার প্রতিযোগিতায়। কিন্তু জিততে পারলো না। জিতবে কীভাবে সাঁতার যে শক্তির কাজ। গরীব ঘরের মেয়েটি মাঝপথেই স্ট্যামিনা হারায়। ক্ষীতিশ মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন এই মেয়েটিকে ���িনি গড়ে তুলবেন। মেয়েটির দাদার সাথে কথা বলেন ক্ষীতিশ। মেয়েটির দাদা জানায় এত খরচ তাদের পক্ষে চালানো অসম্ভব। ক্ষীতিশ শেষমেশ নিজেই সব খরচের দায়িত্ব নিলেন।
কোনি নামের মেয়েটির বাড়ি গিয়ে দরজায় নক করলেন। কোনি দরজা খুলতেই কাজের কথা সারতে বাইরে আসতে বললেন। কোনিকে লক্ষ করে কথাগুলো বলে, তিনি দরজা থেকে সরে গেলেন। ওইটুকু সময়ের মধ্যেই তিনি দেখে নিয়েছেন কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা, কাঁচা পেঁয়াজ, ফ্যান এবং সম্ভবত তার মধ্যে কিছু ভাত আছে আর তেঁতুল। পাঁচটি প্রাণী কলাই আর অ্যালুমিনিয়ামের থালা নিয়ে বসে। ঘরে একটা তক্তপোশ। তোষক নেই, শুধু চিটচিটে ছোট একটা বালিশ। দেয়ালে টাঙানো দড়িতে কিছু ময়লা জামা—প্যান্ট। খোলার চালের এই ঘরে একটি মাত্র জানালা, যার নিচেই থকথকে পাঁকে ভরা নর্দমা।
🥇 জলকন্যার যাত্রা:
এরপর শুরু হলো এক জলকন্যা এবং তার ক্ষ্যাপাটে গুরুর পথচলা। কোনিকে তৈরি করতে ক্ষীতিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে লাগলেন। কিন্তু পদে পদে বাঁধা আসতে লাগলো। জুপিটার সুইমিং ক্লাব সবার আগে বাঁধা দিলো কোনির ভর্তি নিয়ে। এরপর প্রতিপক্ষ অ্যাপোলো ক্লাবেই যেতে হলো কোনিকে নিয়ে।
কোনি শুরুতে বেশি পরিশ্রম করতে চাইতো না। ক্ষীতিশ নানানভাবে কোনিকে বিভিন্ন কিছু বলে চেষ্টা চালিয়ে যেতে লাগলেন। এরমধ্যেই হঠাৎ কোনির জীবনে নেমে আসে সৃষ্টিকর্তার নির্মম পরিহাস। কিন্তু না সব বাঁধা পেরিয়ে ক্ষীতিশ এগিয়ে যেতে চান কোনিকে নিয়ে। তাকে চ্যাম্পিয়ন তৈরি করবেন ক্ষীতিশ। শেষমেশ পূরণ হবে কী স্বপ্ন?
🥇পাঠ প্রতিক্রিয়া:
মতি নন্দীর কিশোর উপন্যাস "কোনি" এক সাঁতারু জলকন্যা ও তার ক্ষ্যাপাটে গুরুকে নিয়ে। তবে এই বইয়ে চরিত্রগুলোর মধ্যে আলাদা আলাদা দিক রয়েছে এবং আমার কাছে মনে হয়েছে কোনি থেকে জীবনের একটা শিক্ষা নেয়া যায়। হাল ছাড়তে নেই। জীবনে যন্ত্রনাকে টিকতে দেয়া যাবে না। জীবন আপনার পরীক্ষা নেবে, ভে*ঙেচুরে শেষ করে দিতে চাইবে। যন্ত্রনায় কুঁকড়ে উঠবে শরীর মন কিন্তু থামলে চলবে না।
যন্ত্রনাকে পাশ কাটিয়ে নিজের লক্ষ্যের দিকে নজর দিতে হবে। যন্ত্রনা পেতে পেতে একসময় যন্ত্রনাও ভয়ে এড়িয়ে যাবে জীবনকে এমন করে তোলা উচিত। এই বইয়ের কিছু কিছু লাইন দারুন ছিল আসলেই।
মতি নন্দীর কিশোর উপন্যাসগুলো আমার ভালো লাগে এবং কোনির ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি। সাবলীল ভাবে গল্প এগিয়েছে এবং পড়তে আড়ষ্টতা কিংবা বিরক্তিবোধ হয়নি। এইজন্য ভাবছি চেষ্টা করবো বাকি বইগুলোও পড়ে ফেলতে।
কোনি নিয়ে কিন্তু দারুণ সিনেমাও হয়েছে। ক্ষীতিশ সিংহের ভূমিকায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় দারুন। "ফাইট কোনি ফাইট" বলে সেই চিৎকার! আমি অবশ্য বইটা আগে পড়ে নিলাম এরপর সিনেমাটাও দেখার ইচ্ছা।
সবমিলিয়ে আমার কাছে তো দারুন লাগলো "কোনি"। এ ধরনের লেখা পড়তে স্বস্তি পেলাম কারন লেখাগুলো বেশ মোটিভেশনাল ফিল দিলো। সব বইয়েই আসলে কিছু না কিছু শেখার আছে তাই না? হ্যাপি রিডিং।
বিশিষ্ট ক্রীড়া সাহিত্যিক মতি নন্দীর লেখা কালজয়ী উপন্যাস 'কোনি'। ১৯৭৫ সালের জুলাই মাসে প্রকাশকালেই সাহিত্য মহলে আলোড়নের সৃষ্টি করে। কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনি ওরফে কনকচাঁপা পালকে কেন্দ্র করে ঘটনাক্রম আবর্তিত হলেও ক্ষিতীশ সিংহ এ উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র। গরীব বস্তিবাসী সাধারণ মেয়ে কোনির দক্ষ ফ্রি স্টাইলার সাঁতারুতে উত্তরণের মূলে রয়েছে ক্ষিতীশের অনস্বীকার্য অবদান। উপন্যাসের মূল আকর্ষণ দারিদ্র্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে কোনি ও তার প্রশিক্ষক ক্ষিদ্দার দীর্ঘ লড়াই ও জয়। এখানে ক্ষিতীশ সিংহ একজন আদর্শ শিক্ষক তথা কোনির ফ্রেণ্ড ফিলোজফার ও গাইড। ক্ষিতীশের মুখনিঃসৃত 'ফাইট, কোনি ফাইট'- শব্দবন্ধগুলি কোনির সাঁতার জীবনের প্রেরণা ও উপন্যাসের ট্যাগলাইন। কিংবদন্তি চিত্রাভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে উপন্যাসটিকে জীবন্ত, প্রাণবন্ত ও মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। না পড়ে থাকলে পড়ে ফেলুন শিগগির।
মতি নন্দীর লেখা দ্বিতীয় বই পড়া হল আমার। খেলাধূলা নিয়ে উনার জ্ঞান এবং ভালোবাসা উনার বইগুলোতে পাওয়া যায়। খেলাধুলার যে ভাষা তা উনার এই বইটাতেও ফুটে উঠেছে সেইসাথে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা এবং সেগুলো কাটিয়ে উঠতে নানাবিধ ত্যাগ বা সংগ্রামও। লেখক স্পোর্টস সাংবাদিক ছিলেন এবং উনার লেখা বেশ দারুণ। বর্ণনা গুলো পড়ে মনে হয় চোখের সামনেই দেখছি সব। বিস্তারিত লিখতে পারলাম না কিন্তু লেখকের বাকি বইগুলো পড়ার ইচ্ছা রইলো।
মতি নন্দী বিখ্যাত তার স্পোর্টস ফিকশনের জন্য। এটাও একই জনরার। এবারের গল্প কনকচাঁপা পাল ওরফে কোনি নামের এক সাঁতারুকে আর তার প্রশিক্ষক ক্ষিতিশকে নিয়ে। কীভাবে এক বস্তির মেয়ে থেকে, যা নাম স্কুলের খাতা থেকে কেটে দেওয়া, সাঁতারে দক্ষ হলো তারই গল্প লেখা হয়েছে। ভাল লেগেছে খেলাধুলায় যে দুর্নীতি ও হিংসা-বিদ্বেষ থাকে তা ভুলে ধরাটা।
বেশ নাটকীয় এক পরিসমাপ্তি দেখা যায় এখানে। অবশ্য আগে থেকেই তা বুঝে যাওয়া যায়। এই জায়গাটা আরও ভাল হতে পারতো বলে মনে হয়েছে।
This would easily be one of the best sports stories ever written in India. And if it has to be the best, the other competitors would be Moti Nandi's other novels e.g. Striker, Stopper etc. The story of an underdog swimmer - terribly poor, completely unexposed to any form of formal sport - making it to the national swimming championship could have been merely interesting. But then Nandi starts adding layers... the politics of coaching and promoting, the technicalities of swimming, the pitfalls of playing sport in India... and the story achieves epic proportions. Later made into an excellent film, this is one story that deserves to be read/experienced all over. (Bengali film with subtitles available on Amazon Prime. English translation available from Hachette India.)
মূলত ক্রীড়া সাংবাদিক হলেও মতি নন্দী যে অসাধারণ উপন্যাসও লেখেন সেটা প্রথম জানতে পারি তাঁর লেখা ‘ সাদা খাম' উপন্যাসটি পড়ার সময়। ঝরঝরে ভাষায় ছোট্ট পরিসরে লেখা উপন্যাসটা তখনই উঠে গিয়েছে প্রিয় বইয়ের তালিকায়। আর কিছুদিন আগে যখন জানলাম ক্রীড়া সাংবাদিক সাহেব খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বেশকিছু কিশোর উপন্যাসও লিখেছেন তখনই গুডরিডসে ‘টু রিড' এর তালিকায় ঢুকিয়েছিলাম বইটি। আর আজ পড়াও হলো দারুণ এই কিশোর উপন্যাসটি।
কনকচাঁপা পাল। ডাকনাম কোনি। পিতৃহারা কোনির সংসার চলে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত ভাইয়ের টাকায়,সংসারে অবদান রাখতে তাকেও গঙ্গায় আম কুড়োনোর কাজ করতে হয়। আসলে পুজোয় ব্যবহৃত আম যখন পূজারিরা ফেলে দেয় তখন অন্যদের সাথে পাল্লা ধরে আম সংগ্রহ করতে হয় কোনিকে কেননা বাজারে সেগুলো বেঁচলেই যে পাওয়া যাবে কিছু টাকা। এমনি একদিন যখন সে আম কুড়োনোর কাজ করছিল তখন তার দিকে নজর পড়ে সাতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহের। জহুরির চোখ তো আর হীরে চিনতে ���ুল করে না, তাইতো তখনই চমকে ওঠে ক্ষিতীশ, সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে মেয়েটাকে গড়ে তুলতেই হবে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলা ক্লাবের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারনে যখন ক্লাব থেকেই তাকে চলে আসতে হয়, তখন গভীর জলে পড়ে সে। কিন্তু চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ক্ষিতীশ, কোনিকে নিয়ে শুরু হয় এক দুর্গম যাত্রা, যা তার মর্যাদার লড়াই আর কোনির নিজেকে প্রমাণের।
গড়পড়তা কিশোর উপন্যাস থেকে বেশ ভিন্ন একটা রচনা। একদিকে যেমন ক্ষিতীশ হয়ে উঠেছে বইটার অন্যতম প্রধান চরিত্র আবার অন্যদিকে খেলাধুলার খুঁটিনাটির বর্ণনা বইটাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। লেখক যে তাঁর ক্রীড়া সাংবাদিক সত্ত্বাটাকে ভুলতে পারেন নি তার প্রমাণ পাওয়া যায় লেখক যখন উঠোনকে তুলনা করেন ভলিবল মাঠের সাথে। আর তাছাড়া খেলাধুলার ক্লাবের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, খেলাধুলার রাজনীতিকরণ, প্রাদেশিকতা বা আঞ্চলিকতাবাদ, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি এসবও উঠে এসেছে দারুণভাবে।
তবে সবচেয়ে ভালোভাবে এসেছে কোনি এবং ক্ষিতীশের সংগ্রাম। দরিদ্র পীড়িত অথচ মেধাবী এক অ্যাথলেটের সংগ্রাম হয়তো এর চেয়ে ভালোভাবে দেখানো যেত না! একদিকে পেটের ক্ষুধা, অন্যদিকে লোকজনের তাচ্ছিল্য আর অপমান, তার সাথে ক্লাবের রাজনীতি সবকিছুর বিরুদ্ধে কোনির সংগ্রামটা ভীষণ উপভোগ্য ছিল। আর ক্ষিতীশের কথাও না বললে নয়, কিছুটা স্বার্থপর চিন্তা হয়তো তার ছিল কিন্তু কোনিকে দিয়ে নিজের মর্যাদা উদ্ধারের যে যাত্রা সে শুরু করেছিল তাও অনবদ্য। ‘ ফাইট কোনি, ফাইট’ কথাটা ভীষণ অনুপ্রেণাদায়ক, সেটা কোনি, ক্ষিতীশের জন্যই হোক আর অন্য কারো জন্যই হোক। জীবন যে সংগ্রামেরই নামান্তর সেটা উঠে আসে সংলাপটাতে। খেলোয়াড়দের জীবনে কোচের ভূমিকাটাও স্পষ্ট হয় বইটাতে। সুদৃষ্টি না পেয়ে অসংখ্য প্রতিভাবান যে ঝরে যায় তারও ইঙ্গিত আছে এখানে। এসবের সাথে কিছু মজার দৃশ্য, সাঁতারের কিছু থ্রিলিং মুহূর্ত, কিছু ইমোশনাল বিষয় মিলিয়ে ভীষণ উপভোগ্য একটা বই। শেষ করছি দারুণ এক সংলাপ দিয়ে ‘ সোনার মেডেল-ফেডেল কিচ্ছু নয় রে, ওগুলো এক একটি চাকতি-মাত্র। ওগুলার মধ্যে যে কথাগুলো ঢুকে আছে সেটাই আসল – মানুষ পারে, সব পারে।‘
সহজ সরল মন ভালো করা গল্প। ক্লাসিক হয়তো না তবে এক টানে পড়ে ফেলা যাবে। তাই পাঁচে এ টেনে সাড়ে তিন থেকে চার। তবে ঘটনা হলো, আমি নতুন সাতার শিখেছি এ বছর, তাই অনেক বিষয় খুব সহজে রিলেট করতে পারছিলাম। সেজন্যে খানিকটা আপ্লুত হয়ে এক তাঁরা বেশী দিয়ে মোটের উপর পাঁচ :)
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মুভি দেখা ছিলো, ভালোই লেগেছিলো। কেন যেন এই বই পড়ার আগ্রহ কখনোই জাগেনি, হাতেও আসেনি।কয়েকদিন আগে অডিও বুক পেয়ে শুনে ফেললাম, দুর্দান্ত লাগলো!
“Sport is not just the game you play, it’s the fight you fight inside." ---------- Ernest Hemingway
🌊 নীলের অতল থেকে দীপ্তির উত্থান....
সমুদ্রের নীল গহ্বরে যেমন হীরের ঝিলিক সহজে ধরা দেয় না, তেমনই বাংলা সাহিত্যের কিছু কিছু গল্প আলোচনার জোয়ারে না থেকে নিভৃতে জেগে থাকা অনুভবের অতলে রয়ে যায়। মতি নন্দীর কোনি ঠিক তেমনই এক জলচিত্র। লেখকের ক্রীড়া সাংবাদিকতার ধারালো চোখ আর জীবনের প্রতি গভীর অনুভবের মেলবন্ধনে জন্ম নিয়েছিল কোনি নামক কালজয়ী চরিত্রটি। যেখানে জল শুধুই প্রবাহিত না হয়ে প্রতিজ্ঞার দীপ্তি, নোনাঘামে লেখা পরিশ্রমের ইতিহাস আর প্রতিবাদের দৃঢ় নীরব ভাষা হয়ে উঠেছে। .
🏊 ঘোলা নদী থেকে সোনালি মঞ্চের গল্প....
অতল গঙ্গার ঘোলা জলে শুরু হয় এক কিশোরীর একান্ত সংগ্রামের গল্প...
কনকচাঁপা পাল, সবাই যাকে ডাকে কোনি। দারিদ্র্যতার কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে যার দিনের শুরুটা হয় সমাজের অবহেলা আর খালি পেটের বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে। ঘটনাক্রমে কলকাতার নামী সাঁতার ক্লাবের প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহের চোখে পড়ে তার গোপন প্রতিভা। সেখান থেকেই শুরু হয় জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার যাত্রা। অপরিষ্কার জলের অন্তরালে, প্রাথমিক কৌশল পেরিয়ে, ধীরে ধীরে নিজের সাঁতারে কোনি গড়ে তোলে এক অনন্য যাদু। .
কিন্তু প্রতিভা আর পরিশ্রম সব সময় সাফল্যের জন্য যথেষ্ট হয় না। অভাব, দায়ভার, সংকীর্ণ দৃষ্টি, প্রশাসনিক পক্ষপাত সব মিলিয়ে বাধার প্রাচীরও যেন শেষ হয় না। এমনকি প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকেও তাকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবু কি কোনি পারবে প্রমাণ করতে নিজের অদম্য সত্তা?
জল কি তাকে গিলে নেবে, নাকি সে হবে সেই ঢেউ, যা সব বাধা ভেঙে দেবে? .
📚 বাংলা সাহিত্যে ক্রীড়ার অবহেলিত সীমানা....
সাহিত্যিকের যে কোনো রচনায় বিষয়বস্তু যাই হোক না কেন তাতে গভীরভাবে প্রতিফলিত হয় তাঁর প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ জীবনদর্শন এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। অথচ বাংলা সাহিত্যে ক্রীড়াভিত্তিক রচনা যেন সবসময় পাঠকের নজর এড়িয়ে এক ধূসর প্রান্তে পড়ে আছে। এর অন্যতম কারণ, অধিকাংশ লেখকের সঙ্গে খেলাধুলা বা খেলোয়াড় জীবনের প্রত্যক্ষ সংযোগের অভাব। সেই অনুপস্থিত সংযোগ ও প্রাসঙ্গিক চিন্তাধারার সেতুবন্ধনের অভাবে ক্রীড়াসাহিত্য আজও মূলধারার বাইরে অবস্থান করছে। কিন্তু ব্যতিক্রম হয়ে এসেছিলেন রবীন্দ্র পরবর্তী যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মতি নন্দী। তার লেখা পড়ে মনে হয়েছে একজন সাহিত্যিকের কলম, একজন পাঠকের দৃষ্টি আর একজন ক্রীড়া বিশ্লেষকের মগজের নিখুঁত ব্যালেন্সই জন্ম দিতে পারে একটি সার্থক ক্রীড়া সাহিত্য। .
মতি নন্দী সবুজ মাঠ ও খেলার ময়দানকে টেনে এনেছিলেন সাহিত্যের মঞ্চে। যেখানে খেলার স্পন্দন মিশে গিয়েছে গল্পের মর্মে। তার নিজের জীবনে খেলা নিয়ে যে অনুরাগ তাই ঝরে পরেছে কলমে, বেরিয়ে এসেছে কোনির মতো নতুন স্বাদের সাহিত্য। যা বাংলা সাহিত্যে ক্রীড়াপ্রেম ও জীবনের লড়াইকে নতুন স্বাদে উপস্থাপন করেছে। .
💪 ব্যর্থতার পরও উঠে দাঁড়ানোর গল্প....
কোনি পড়ে মনে হচ্ছিল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার গল্পকে ছাপিয়ে জীবনের প্রতিটি লড়াইয়ের এক প্রতীকী উপাখ্যান পড়ছিলাম আমি। কোনির প্রতিটি ব্যর্থতার পর উঠে দাঁড়ানো যেন মনে করিয়ে দিচ্ছিল ব্যর্থতা মানেই শেষ নয় বরং নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি। মোতি নন্দী সূক্ষ্মভাবে চরিত্রের মানসিকতা আঁকতে সিদ্ধহস্ত। খেলামুখর জীবনের সমস্যা যেমন আছে, তেমনই রয়েছে সম্ভাবনাময়তা। কোচ খিদ্দার কঠোর ভালোবাসা, কোনির নীরব বেদনা ও অবিচল সাহস সব মিলিয়ে গল্পটা ছিল হৃদয়ের ভিতরে ছাপ ফেলে দেওয়া একটা জীবনের পাঠ। .
▪️শব্দযাত্রার অন্তিম ঘাটঃ
ঘোলা জলের তলানিতেও যে স্বপ্নের প্রতিচ্���বি দেখা যায়, মতি নন্দীর কলমে তাই হয়ে ওঠছে এক প্রেরণার স্রোত।সাহিত্যের পরিসরে কোনি সেই শিখা যা আজও জ্বলে প্রমাণ করে প্রতিভা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিরা মিলেই মানুষের প্রকৃত বিজয় গড়ে তোলে। খেলাধুলার মঞ্চে কিংবা জীবনের ময়দানে যে লড়াই শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে পারে, তার গল্পই হয় কালজয়ী। কোনি সেই গল্পেরই নাম।
একজন প্রকৃত শিক্ষক পেলে তার শিক্ষার্থী যে সাফল্যের শীর্ষে উঠতে পারে এই গল্পটি তার প্রমান। অবশ্য শিক্ষার্থীকেও হতে হবে বিনয়ী, শিক্ষকের আজ্ঞাবহ, শিক্ষককে যোগ্য সম্মান দিতে হবে, শিক্ষকের উফর ভরসা রাখতে হবে। গুরুকে শ্রদ্ধেয় হতে হবে শিষ্যের কাছে।
ক্ষিতদা, ক্ষিতীশ সিংহ, ছিলেন এমনই একজন প্রকৃত শিক্ষক। গরীব সাঁতারের শিক্ষক। ক্ষিতীশ ও লীলাবতীর ছোট্ট গরীবের সংসার। জুপিটার সুইমিং ক্লাবের কোচের দায়িত্ব থেকে ক্ষিতদাকে বহিষ্কার করা হয়। তারপর একদিন ক্ষিতদা আবিষ্কার করেন কোনিকে, কনকচাঁপা পাল। অ্যাপেলো সুইমিং ক্লাব থেকে ক্ষিতদা অমানুষিক পরিশ্রম করেন কোনিকে নিয়ে। কোনির মনে জাগিয়ে তোলেন জেতার এক অদম্য ইচ্ছা। অবশেষে কোনি বাংলা সাঁতার দলে জায়গা পেল। নিরঙ্কুশ চক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত মাদ্রাজে জাতীয় চ্যাম্পিয়ানশিপে রীলে সাঁতারে বাংলাকে জেতালো কোনি।
I opine that this book is the best Indian sports novel. The sports journalist - Moti Nandi has creatively brought up the fact of hidden talent. There are many people out there who inspite of having a talent can't excell in their domain due to lack of economy and resources.
The main themes of this book revolves around love for sports, hardwork, dedication and the role of a teacher in the course of a student's success. Koni with all her power and hardwork fights against all the obstacles and made the whole of Bengal proud whereas the character of Khitish Singha as her trainer showed the role of a perfect teacher.
Is the Market of motivation down on YouTube? A spectacled, flushed, roughened slender middle-aged (and yes, backdated, because according to him pain is the panacea to conquer time) slightly hysteric coach and his, unfed, uncared, "murder in the eyes " gritty student will give all the plush, gorgeously edited videos an unbeatable swim for their money. Just went through a comment that this old book is smooth but will not fall in the "classic" category.
Tastes may vary but quality does not flicker. As long as Sports in Bengal will raise the blood in our veins soaring, "KONI" remains and will reign as one of the bluest sports CLASSICS.
মতি নন্দী মানেই অসাধারণ কিছু উপন্যাস যা নাতি দীর্ঘ এবং এক নিঃশ্বাসে শেষ করা যায়। হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে কোনি হয় ডানপিটে স্বভাবের। ক্ষিতিশ (নিজেও গরীব) দৈনিক এক টাকার লোভে ফেলে,বা কস্টিউম কিনে দেয়ার কথা বলে তাকে দিয়ে সাঁতার কাটায়। এ ছাড়া আর কোন পথ ছিল না। আর এই পথেই কোনি উপযুক্ত সাফল্য অর্জন করে।
Unoriginal and heavily cliched. Simplistic inspirational sports drama with comically stereotypical and flat characters. Kony is meant to be pitiable, but I feel nothing for her. Poverty can be used for manipulating readers much better, as Bibhutibhushan has shown so often. Kshitish is a calculating and selfish mentor almost throughout the book, maybe having a change of heart at the end. No interesting sub-plots. No specific antagonist to speak of, since all attempts at directing animosity fail, and all characters turn out just mildly unpleasant.
Believe me, this plot has been shown over and over again starting from Chaplin's Citylights through Scorsese's Raging Bull to the comparatively modern Rocky. Only with swimming. Boxing's violent and good for films. Swimming's rather drab on screen.
However, the book is entertaining in some parts, with many jokes being directed at an obese character's weight, and some genuinely thrilling swimming scenes.
A poor but feisty tomboy, ‘Koni’ Kanakchampa Paul. A fiery coach, with an eye for talent and a passion for making it shine. A championship that sets up privileged competitors against one who is constantly sidelined. The stage is set for an explosive contest. And a sport stops being just a game. In a city where sports clubs are guided by favouritsm, a coach with a dream, Kshitish Sinha, plucks Koni from a slum and trains her to swim. The spunky teenager battles her way past hardship, rivalry and humiliation to negotiate a decisive lap against all odds. If she fails, she loses everything that matters. And if she succeeds, she blazes a trail out of her sorry circumstances. For the first time in translation, this story of faith, grit and sportsmanship is a modern classic by Moti Nandy, the master teller of sports stories.
Recommended for pre-teens, teens. A story of personal struggle. A simple story with a powerful emotional appeal. It is an inspiring story about an Indian girl athelete, from the poorest of the poor people. (I've read the original in Bangla.) Great novella, great translation (translator herself admits that it was a very easy book to translate.) As an adult, one would be quite amused by the "managerial skills" of Khitish, who considers himself an out-&-out sports coach.