Jump to ratings and reviews
Rate this book

মাই ডিয়ার মিকি

Rate this book
সৈকত মুখোপাধ্যায় যখন কল্পবিজ্ঞানের গল্প লেখেন,তখন বিজ্ঞানের শক্তপোক্ত কাঁধে তিনি জুড়ে দেন কল্পনার বিশাল দুটো ডানা। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার মতন ভাষায় পাঠক উড়ে যান চেনা পৃথিবী থেকে বহুদূরের কোন এক অচেনা আশ্চর্য জগতে। ওদের ভীষণ খিদে, জহ্নু, মডেল চাঁদের খুদে ডাক্তার বা মুরাকামির অ্যাশট্রের মতন এমন সুখপাঠ্য এগারোটা গল্পের সঙ্গে শারদীয়া কিশোর ভারতীতে প্রকাশিত সেই আশ্চর্য উপন্যাস মাই ডিয়ার মিকি!

200 pages, Unknown Binding

Published December 1, 2018

7 people are currently reading
63 people want to read

About the author

Saikat Mukhopadhyay

49 books117 followers
তাঁর জন্ম এবং বড় হওয়া হুগলি জেলার উত্তরপাড়ায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর উপাধি অর্জনের পরে তিনি রাজ্য সরকারের অধীনে আধিকারিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ দুই-দশকের লেখক-জীবনে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক এবং কিশোর-সাহিত্য, উভয় ধারাতেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তিনি যখন গল্প-উপন্যাস লেখেন, তখন ঘটনার বিবরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন মানব-মনের আলোছায়াকে তুলে আনার বিষয়ে। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা পঞ্চাশের কাছাকাছি। তাঁর বহু কাহিনি রেডিও-স্টোরি হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে সমাদর পেয়েছে। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দীনেশচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার এবং নান্দনিক সাহিত্য সম্মান।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
32 (28%)
4 stars
56 (50%)
3 stars
21 (18%)
2 stars
2 (1%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 19 of 19 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,672 reviews441 followers
August 15, 2022
৩.৫/৫

বইতে থাকা একটা নভেলা আর এগারোটা গল্পে মাঝেমাঝে যুক্তি আর বৈচিত্র‍্যের কিঞ্চিৎ ঘাটতি থাকলেও বিনোদন আছে ভরপুর ; সাথে আছে লেখকের মেদহীন, প্রাণময়, টানটান গদ্য।
Profile Image for Aishu Rehman.
1,114 reviews1,091 followers
October 27, 2023
দুর্দান্ত রকম সুন্দর প্রত্যেকটা গল্প। উপন্যাসটার কোয়ালিটি নিয়েও বিন্দুমাত্র সমালোচনা করা আমার পক্ষে সম্ভব না। আর যারা আমার মতো অডিও গল্প শুনতে ভালোবাসেন তারা 'মিরচি বাংলা' র উপস্থাপনে উপন্যাসখানার স্বাদ নিয়ে দেখতে পারেন। স্রেফ অমৃত মনে হবে।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 38 books1,869 followers
April 13, 2020
কল্পবিজ্ঞান মানে ঠিক কী? তার কতটা কল্পনা, কতটা বিজ্ঞান, আর কতটা আধুনিক রূপকথা?
এই কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গেলে তর্ক হয় ও হবে। তবে লেখকেরা নিজেদের মতো করে এর উত্তর খুঁজে নেন।
যেমন নিয়েছেন সৈকত মুখোপাধ্যায়।
কিশোরপাঠ্য যে-সব কল্পবিজ্ঞান তিনি লিখেছেন, তাঁদের প্রায় সবক'টিই স্থান পেয়েছে সুমুদ্রিত, সু-অলংকৃত এই বইয়ে। সেই লেখাগুলো হল~
উপন্যাস— মাই ডিয়ার মিকি
গল্প:
১) অল্প ক'জন বাইরের লোক
২) অন্ধ সাধক
৩) ধূমাবতী
৪) কালো আলোর টর্চ
৫) মডেল চাঁদের খুদে ডাক্তার
৬) ওদের ভীষণ খিদে
৭) বাজবরণ
৮) সোনালি পশম
৯) জহ্নু
১০) মুরাকামির অ্যাশট্রে
১১) দিম্মা ড্রাইভ
প্রতিটি লেখাই এইসময়ের প্রধানতম পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে পাঠকদের কাছে পৌঁছে গেছে ইতিমধ্যেই। তাই গল্প ধরে-ধরে আলোচনা একান্তই অনাবশ্যক। তবে এই গল্পগুলোর সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য বলতে গেলে যে জিনিসগুলো উল্লেখ করতেই হয় তা হল:
[১] বিজ্ঞানের জটিলতম তত্ত্ব আর গূঢ়তম রহস্যকে সামান্য মানুষের বাঁচা-মরায় মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে এই লেখাগুলোয়। 'ধূমাবতী' পড়তে গিয়ে মনে পড়েছে ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্যের 'টিটিঙ্গি পাহাড়ের দেবতা'। আবার 'কালো আলোর টর্চ' বা 'মুরাকামির অ্যাশট্রে'— এই গল্পগুলোতে সম্ভব আর অসম্ভব, জীবন আর মৃত্যু মিশে গিয়ে সর্বাঙ্গে শিহরণের জন্ম দিয়েছে।
[২] রোবট আর ভিনগ্রহীদের নিয়ে একটা গোলগাল রোমান্টিক ট্র্যাডিশন আছে বাংলা সাহিত্যে। রোবটের ক্ষেত্রে 'জহ্নু' এবং এলিয়েনের ক্ষেত্রে 'মাই ডিয়ার মিকি', 'অল্প ক'জন বাইরের লোক', আর 'মডেল চাঁদের খুদে ডাক্তার'— এই গল্পগুলোতে সেই ধারাটা বজায় থেকেছে। কিন্তু 'বাজবরণ' হয়ে দাঁড়িয়েছে একেবারে অন্য স্তরের এক উন্মাদ সন্ধান ও অনস্তিত্বের রহস্যগল্প। অন্যদিকে ভিনগ্রহীদের নিয়ে আমাদের প্রথাগত মডেলগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছে 'ওদের ভীষণ খিদে' আর 'সোনালি পশম'।
[৩] মহাকাশ পাড়ি দেওয়া নিয়ে আমাদের ভাবনাকে একেবারে অন্য দিকে নিয়ে গেছে 'দিম্মা ড্রাইভ'। ইনফ্যাক্ট এই গল্পটি পড়ার পর লেখককে 'বাংলার ব্র্যাডবারি' বা 'কলকাতার ক্লার্ক' অভিধা দিতে চেয়ে অনেকেই যে উদগ্রীব হবেন (এবং লেখক স্বভাবসিদ্ধ বিনয়ে তাই নিয়ে হাসাহাসি করবেন)— এ-বিষয়ে আমি নিশ্চিত।
কল্পবিজ্ঞানের অনুরাগী হলে তো বটেই, স্রেফ ভালো গল্প পড়তে চাইলেও এই সংকলনটি আপনার অবশ্যপাঠ্য বলেই আমার অভিমত।
১৪২৭ ভালো কাটুক।
Profile Image for Ratika Khandoker.
313 reviews34 followers
August 8, 2022
লেখকের ঈশ্বরের নষ্ট ভ্রুণ শুনে আমার গায়ে কাঁটা দিয়েছিলো।এত চমৎকার,অদ্ভুত গল্প!
এই গল্পও ব্যতিক্রম নয়।ফুল প্যাকেজ একদম।
থ্রিল,সাসপেন্স,ইমোশন,দেশপ্রেম সব কিছু দিয়ে সাজানো একটা "out of world" (pun intended) গল্প!
Profile Image for Saumen.
257 reviews
August 16, 2022
বড় করে একসময় একটা রিভিউ লিখব। আপাতত বলি, অর্দি অফ মাই টাইম। এর মানে খুব সুন্দর নোভেলাটা।

আর সানডে সাসপেন্স এর প্রেজেন্টেশন, মীরের ভয়েস নিয়ে কিছু বলার নেই। অসাধারণ।
Profile Image for Mrinmoy Bhattacharya.
226 reviews36 followers
January 16, 2022
সম্প্রতি যে কয়েকজন লেখকের হাতে বাংলার থ্রিলার, ফ্যান্টাসি, সায়েন্স-ফিকশন, ডিটেকটিভ ইত্যাদি জঁনরার গল্প-উপন্যাসের নবজন্ম হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সৈকত মুখোপাধ্যায় অন‍্যতম । আবার অপরদিকে শিশু-কিশোরদের জন্য তাঁর লেখাগুলির জুড়ি মেলা ভার । ওনার লেখনীর গুণে ‛কিশোরপাঠ‍্য’ লেখাগুলিও সব বয়সের পাঠকদের কাছে হয়ে ওঠে সমান উপাদেয় । সেই সৈকত মুখোপাধ্যায় যখন কল্পবিজ্ঞানের গল্প লেখেন, তখন বিজ্ঞানের শক্তপোক্ত কাঁধে তিনি জুড়ে দেন কল্পনার বিশাল দুটো ডানা । সঙ্গে থাকে ঝোড়ো হাওয়ার মতন ভাষা । গল্পগুলো তখন পাঠককে উড়িয়ে নিয়ে যায় বর্তমানের চেনা পৃথিবী থেকে অনেক দূরের অচেনা এক দুনিয়ায় ।

📜 ১১টি সুখপাঠ্য কিশোর-কল্পবিজ্ঞান কাহিনী এবং একটি উপন্যাস 'মাই ডিয়ার মিকি' নিয়ে এই সংকলন । আসুন গল্পগুলি নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক -

🔸উপন্যাস :~

▫️মাই ডিয়ার মিকি : অরুণাচল প্রদেশ আর চিন দেশের বর্ডারে রাঙাবাড়ি নামের এক জায়গায় ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর আগে সিয়াং নদীর ওপর ছোটখাটো জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরী হয়েছিল । পরবর্তীকালে অবশ্য সেটা বন্ধ হয়ে যায় । শোনা যায় সেখানকার আকাশে নাকি ফ্লাইং সসার দেখা গিয়েছে। 'সীমান্তরেখা' সংবাদপত্রের সাংবাদিক স্যমন্তক এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে পৌঁছে যায় সেখানে । সেইখানে সে হাতে পায় এক আশ্চর্য ডায়েরি - যে ডায়েরির পাতায় পাতায় উঠে এসেছে এক রুদ্ধশ্বাস অভিজ্ঞতা ।

🔸গল্প :~

▫️অল্প ক'জন বাইরের লোক : গিরিনাভি পর্বতশ্রেণীর গুহায় প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্রুবেশ সান্যাল আবিষ্কার করলেন আদিম গুহমানবের আঁকা গুহাচিত্র । ছবিতে দেখা যাচ্ছে একদল মানুষ আরেকদল মানুষকে বর্শা বিঁধে মেরে ফেলছে । কিন্তু যাদেরকে মেরে ফেলা হচ্ছে তাদের পায়ের পাতাগুলো অদ্ভুতভাবে জোড়া, ঠিক হাঁসের পায়ের পাতার মত । তারপর ?

▫️অন্ধ সাধক : পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের জঙ্গলে নেমে এসেছিল ভিনগ্রহের কিছু বাসিন্দা । যারা ‛শেপ চেঞ্জার’, অর্থাৎ যে কোনো প্রাণীর রূপ ধরতে পারে । তাদের হাত থেকে পৃথিবী রক্ষা পেল এক অন্ধ সাধকের জন্য । কিভাবে ?

▫️ধূমাবতী : বদ্রীনাথ থেকে সতোপন্থ তাল যাওয়ার রাস্তায় বাণাধার ট্রেকার্স হাট থেকে কিছুটা ভেতরে যেখানে ট্রেকার্সদের পা পড়েনি, সেখানে রয়েছে ধুমাবতী নামের এক দেবীর মন্দির । মন্দিরের পাশেই রয়েছে একটা কুন্ড যেখান থেকে অনর্গল গন্ধকের ধোঁয়া বেরোয়, সেই কুন���ডেই নাকি ওই দেবীর অধিষ্ঠান । সত্যিই কি ?

▫️কালো আলোর টর্চ : পাঁকালকাকা তেইশ বছর বয়সে শেষবার টর্চ ব্যবহার করেছিলেন, সেটাও আবার কালো আলোর টর্চ । আলো কি কখনো কালো হয় নাকি ?

▫️মডেল চাঁদের খুদে ডাক্তার : ক্লাস এইটের পড়ুয়া আকুলের বাড়ির ছাদে নেমে এল খুব ছোট্ট একটা স্পেস-শিপ । আকুলের বোন বিকুলের মাথায় টিউমার ধরা পড়েছে । বোনকে সারিয়ে তোলার জন্য আকুল প্রার্থনা করে ঐ ভিনগ্রহের খুদে এলিয়েনদের কাছে । তারা কি সত্যিই সারিয়ে তুলতে পারবে বিকুলকে ?

▫️ওদের ভীষণ খিদে : পৃথিবী থেকে এলিয়েনদের নিশ্চিহ্ন করার কাজ করে ‛এলিমিনেটর’ নামের একটি সংস্থা । তারা একটা মিশনে গিয়ে বৌদ্ধদের গুম্ফা থেকে উদ্ধার করল দশটা বাচ্চাকে । কিন্তু বাচ্চাগুলো হাতের সামনে যা পাচ্ছে তাই খেয়ে নিচ্ছে । ওদের এত খিদে কেন ?

▫️বাজবরণ : উত্তরপ্রদেশের একটা ছোট শহর ইন্দাসরাই । সেখানে এক অপদেবতার আবির্ভাব হয়েছে, যে ঝড়-বৃষ্টির সময় আকাশের দিকে দুহাত তুলে সমস্ত মেঘকে তার মাথার ওপর ঘনীভূত করে বজ্রপাত ধারণ করে নিজের শরীরে । এই ‛বাজবরণ’ আসলে কি ?

▫️সোনালি পশম : দেওধুরা তাল-এ নাকি অনেক অনেক বছর আগে ভেঙে পড়েছিল দেবতাদের রথ এবং সেখান থেকেই ওই হ্রদের সৃষ্টি । তাহলে এখনো কি ওই হ্রদের আশেপাশেই কোথাও রয়েছে সেই ‛দেবতা’দের উত্তরপুরুষ ?

▫️জহ্নু : জনমানবশূন্য পৃথিবীতে কিশোর জহ্নুকে তার পিতা রেখে গিয়েছেন গুপ্তধনের খোঁজ করার জন্য । কি সেই গুপ্তধন ?

▫️মুরাকামির অ্যাশট্রে : উনিশশো সত্তর সালে মধ্যপ্রদেশের শিসমপুরায় পাঁচজন লোক সহ একটা আস্ত স্টেডিয়াম রাতারাতি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল । কিন্তু কিভাবে ?

▫️দিম্মা ড্রাইভ : পৃথিবীতে বাসযোগ্য জায়গার বড় অভাব । তাই নতুন জায়গার খোঁজে স্পেসশিপে ইন্টার গ্যালাক্সি ট্র্যাভেল শুরু করেছে সৌম্য । আর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সাথে নিয়ে এসেছে তার রূপকথার গল্প বলায় স্পেশালিস্ট দিম্মাকে । কিভাবে ?


📄 বছর দশেক আগে পড়তে পেলে এই গল্পগুলি হয়তো মনের মধ্যে আরও গভীর ছাপ ফেলত... কিন্তু আগেও বলেছি গল্পগুলি সব বয়সের পাঠকের জন্য সমান উপযোগী । তাই নিজেও পড়তে পারেন এবং বাড়িতে ছোট কেউ থাকলে তাকে উপহার দিতে পারেন ।
Profile Image for Salman Sakib Jishan.
274 reviews161 followers
December 26, 2023
বাঙাল সায়েন্স ফিকশনকে দেখতে চায় নিজের প্রেক্ষাপটে। দূর গ্রহ, নক্ষত্র অনন্তবিথীতে ইন্টার গ্যালাক্টিক সংঘর্ষে তেমন যুত পাওয়া যায়না। যতটা যুত পাওয়া যায় পাশের বাড়ির মনোজদের অদ্ভুতুরে এলিয়েনসুলভ আচরণে। সায়েন্স ফিকশন কেনো চাষাবাদের জমির সাথে এখনো মিশে রিলেটেবল কিছু হতে পারলোনা, সেটা একটা দুঃখের বিষয়।
আমি বাঙাল, বাংলায় সায়েন্স ফিকশন খুঁজে বেড়াচ্ছি সে অনেককাল। প্রতি বছর বহু সাইফাই বের হয় বাংলায়। আনকোরা, একই প্লটের চর্বিত চর্বণ পড়তে পড়তে হতাশ হয়ে সেসব এড়িয়ে চলি। ওদিকে বছর শেষটায় আমার আবার একদম নিজের মনে যা চায় তা-ই পড়তে হয়, আর আমার মন চায় সায়েন্স ফিকশন; তাই খোদ সানডে সাসপেন্স যখন সাজেশনে এনে ফেললো 'মাই ডিয়ার মিকি' আর লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায় এর ভালো লেখার সাথে পরিচয় যেহেতু আছে, লুফে নিলাম বইটা।

একটা নভেলা এবং দশটি ছোটগল্প আছে বইটিতে। অডিওবুকে মাই ডিয়ার মিকি পড়ে পুরো বইটা পড়েছি অনেক আশা নিয়ে। আশার কথা হলো লেখক বুঝেছেন কোন ধরণের লেখা পাঠক চায়। বাঙালি পরিবেশ, প্রেক্ষাপটে এই সফটকোর সাইফাই বেশ আনন্দ নিয়েই পড়া গেছে। লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায় কে যারা চেনেন না, তাদের জ্ঞাতার্থে জানাই, তার লেখা সুপাঠ্য, বর্ণণা অতি প্রাঞ্জল এবং প্লট নির্বাচন দারুণ। কলকাতার এযুগের থ্রিলার-হরর-সাইফাই লেখকদের আমি ভয় পাই এই যদি জোর করে আবার অপদেবতা, তন্ত্র মন্ত্র গেলান! সে বিচারে বরং মনে হয়েছে এপারেই সাইফাই নিয়ে সিগনিফিকেন্টলি অনেক ভালো কাজ হয়েছে। লেখক ভদ্রলোক যদিও এই বিয়য়ে অনেকটা ত্রুটিমুক্ত।
বইটিতে ধরবার বিষয় হচ্ছে, প্লটগুলো চমকপ্রদ আর জোরালো নয় ততটা; আনন্দদায়ক অবশ্যই। এটি বেশ ভালো একটি কিশোর সাহিত্য এবং যারা নতুন সাইফাই এর সাথে পরিচিত হতে যাচ্ছেন তাদের জন্য অনেক ভালো সাজেশন। কিন্তু এখানকার গল্পগুলো অনেকগুলোই আমি শুধু বাংলায় লিখা গল্পের সাথেই অনেকাংশে মেলাতে পারবো। একটি উদাহরণ হলো 'টুকুনজিল'।
যাহোক, লেখককে সাধুবাদ। আশা করছি সামনে ভালো কিছু পাবো।
Profile Image for Tahmid Anik.
69 reviews4 followers
September 22, 2022
আরো কয়েক বছর আগে পড়লে হয়তো আরো অনেক ভালো লাগতো। প্রেডিক্টেডবল কাহিনী ছিল
Profile Image for سمية .
91 reviews61 followers
August 23, 2022
ব্রহ্মপুত্র, পানি বয়ে নিয়ে যাওয়ার দিক থেকে বিশ্বে ৯ম বৃহত্তম নদী আর দৈর্ঘ্য বিবেচনায় ১৫তম দীর্ঘ নদী। এই আন্তঃসীমান্ত নদীটি তিব্বত, ভারত আর বাংলাদেশ ৩ দেশ জুড়ে প্রবাহিত হচ্ছে।হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বতে এর নাম হয় ইয়ারলুং সাংপো বা ইয়ারলুং জাংবো। দক্ষিণ তিব্বতের মধ্য দিয়ে ১,৬০০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে অরুণাচল প্রদেশে সিয়াং/দিহাং নামে ২৩০ কিলোমিটার প্রবাহিত হওয়ার পর অসমীয়ার লোহিতের সাথে মিলিত হয় যা ব্রহ্মপুত্র নামেই কুড়িগ্রাম দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। চিন্তা করুন কি বিশাল পথ পাড়ি দিচ্ছে এ নদীর জল! গল্প পড়া শেষে ব্রহ্মপুত্রের এ বিশাল পথ পাড়ি দেয়ার জ্ঞান খুঁজতে গিয়ে কোন নদী কোন পথ পেরিয়ে এগুচ্ছে তা জানার এক প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়ে গেল মনে। লেখককে ধন্যবাদ তার জন্যে!


বিশাল এই ব্রহ্মপুত্রের চীনের সীমান্ত ঘেঁষা অরুণাচলের রাঙাবাড়ি অংশে যেখানে সে সিয়াং নামে পরিচিত, ওখানেই গল্পের পটভূমি তৈরি হয়েছে। ১৯৮১ সালে ভারত সরকার জলবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিয়ে ঐ স্পর্শকাতর দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চলে এক মহা কর্মযজ্ঞ শুরু করে দিল। সেখানেই সাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছিলেন বিজিত সরকার। সে অনেক বছর আগের কথা। এখন ১৫ বছর হল ঐ ড্যাম বন্ধ। সিয়াং তার গতিপথ পালটেছে। রিজার্ভার আর ঐ নদীর পানিতে ভরা মৌসুমেও ভর্তি হয় না। '৮১ তে সাফাই করা প্রকৃতি, মানুষের অবর্তমানে আবার তার স্বরূপে ফিরেছে। গুটিকয়েক বাড়ি যা আছে তার উঠোন থেকে চিতা এসে ছাগল নিয়ে যায়। বুনো হাতির দাপটও কিছু কম নয়। সরকারি সম্পত্তি পাহারা দিতে কিছু মানুষ বাধ্য হয়ে থাকছে। বাকিরা এলাকা থেকে কেটে পড়েছে। কিন্তু বিজিত সরকার এখনো প্রতি বছর এক অজানা কারণে ব্যাগপত্র কাঁধেচাপা দিয়ে চলে আসেন রাঙাবাড়ি। যেন কিছু খুঁজছেন! এক খবর শুনে বিজিতবাবু এবারও এসেছেন। এইবার তার ব্যাগটা যেন আকারে আরো বড় হল। চোখেমুখে তার কিছু পাওয়ার আশার আনন্দ।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে ইদানীং নীল রঙের গরুর চাকার মতো চাকতি রাঙাবাড়ির আকাশে ঘুরাফিরা করতে দেখা যাচ্ছে। খবর খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে। কলকাতা থেকে "সীমান্তরেখা" পত্রিকার সাংবাদিক সম্যন্তক চলে এসেছেন তা "ফ্লাইং সসার" না চীনের পাঠানো কোন "ড্রোন" তার হদিস করতে। দেশের সিকিউরিটির ব্যাপার! ঠিকঠাক খবর নিয়ে আসতে পারলে দিল্লীর কোনো বড় পত্রিকায় চাকরি কনফার্ম!

সম্যন্তকের হাতে কাকতালীয় ভাবে এসে পড়ল বিজিত বাবু�� লেখা ডায়েরি।
এরপর সাসপেন্স, সাইফাই, দেশপ্রেম আর আবেগমিশ্রিত বিজিতবাবুর জীবনে ঘটা সেই থ্রিলিং অভিজ্ঞতা পড়তে থাকেন সম্যন্তক সাথে আমরা পাঠকেরা।
"সানডে সাসপেন্স" এ এত দারুণ জমেছে গল্পটা! মনে হচ্ছিল চোখের সামনে সব দেখতে পাচ্ছি।

অসাধারণ এক বই!
৪.৫/৫
5 reviews
May 14, 2023
#পাঠ - প্রতিক্রিয়া
#বইয়ের নাম - মাই ডিয়ার মিকি
#লেখক - সৈকত মুখোপাধ্যায়
#প্রকাশক - পত্রভারতী
#মূল্য - ২৯৫ টাকা

লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা 'মাই ডিয়ার মিকি' বইটা উপহার পেয়েছিলাম আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে আগের বছরের জন্মদিনে। সুতরাং পড়া শুরু করলাম এই বইটির নামকরণ হয়েছে যে উপন্যাসটির দ্বারা সেটি দিয়েই।বর্তমান দিনে যে কয়েকজন লেখকের দ্বারা বাংলা সাহিত্যের ফ্যান্টাসি, সাইন্স ফিকশন,গোয়েন্দা নবজন্ম হয়েছে।তাদের মধ্যে সৈকত মুখোপাধ্যায় অন্যতম।সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা কিশোর গল্পই হোক বা উপন্যাস তার লেখনীর গুনে প্রত্যেক বয়সী পাঠকদের মন জয় করে নেয়। সেই সৈকত মুখোপাধ্যায় যখন কল্পবিজ্ঞানের লেখা লেখেন বিজ্ঞানের সাথে তিনি জুড়ে দেন কল্পনার ডানা। যার সাহায্যে যে কেউ পাড়ি দিতে পারবে কল্পনার দেশে।বইয়ে থাকা ১ টি উপন্যাস এবং ১১ টি গল্প সত্যিই করেই খুব উপভোগ করলাম।এবার সেগুলিকে নিয়ে আলোচনা করা যাক : -

উপন্যাস -

মাই ডিয়ার মিকি : - অরুণাচল প্রদেশ আর চিন দেশের বর্ডারে রাঙাবাড়ি নামের এক জায়গায় ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর আগে সিয়াং নদীর ওপর ছোটখাটো জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরী হয়েছিল । পরবর্তীকালে অবশ্য সেটা বন্ধ হয়ে যায় । শোনা যায় সেখানকার আকাশে নাকি ফ্লাইং সসার দেখা গিয়েছে। 'সীমান্তরেখা' সংবাদপত্রের সাংবাদিক স্যমন্তক এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে পৌঁছে যায় সেখানে । সেইখানে সে হাতে পায় এক আশ্চর্য ডায়েরি - যে ডায়েরির পাতায় পাতায় উঠে এসেছে এক রুদ্ধশ্বাস অভিজ্ঞতা । কী সেই অভিজ্ঞতা ? ফ্লায়িং সসারের সাথে এর কোন যোগ নেই তো? তার জন্য অবশ্যই পড়ে দেখতে হবে এই উপন্যাসটি।

*অল্প ক'জন বাইরের লোক : গিরিনাভি পর্বতশ্রেণীর গুহায় প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্রুবেশ সান্যাল আবিষ্কার করলেন আদিম গুহমানবের আঁকা গুহাচিত্র । ছবিতে দেখা যাচ্ছে একদল মানুষ আরেকদল মানুষকে বর্শা বিঁধে মেরে ফেলছে । কিন্তু যাদেরকে মেরে ফেলা হচ্ছে তাদের পায়ের পাতাগুলো অদ্ভুতভাবে জোড়া, ঠিক হাঁসের পায়ের পাতার মত । তারপর ?

*অন্ধ সাধক : পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের জঙ্গলে নেমে এসেছিল ভিনগ্রহের কিছু বাসিন্দা । যারা ‛শেপ চেঞ্জার’, অর্থাৎ যে কোনো প্রাণীর রূপ ধরতে পারে । তাদের হাত থেকে পৃথিবী রক্ষা পেল এক অন্ধ সাধকের জন্য । কিভাবে ?

*ধূমাবতী : বদ্রীনাথ থেকে সতোপন্থ তাল যাওয়ার রাস্তায় বাণাধার ট্রেকার্স হাট থেকে কিছুটা ভেতরে যেখানে ট্রেকার্সদের পা পড়েনি, সেখানে রয়েছে ধুমাবতী নামের এক দেবীর মন্দির । মন্দিরের পাশেই রয়েছে একটা কুন্ড যেখান থেকে অনর্গল গন্ধকের ধোঁয়া বেরোয়, সেই কুন্ডেই নাকি ওই দেবীর অধিষ্ঠান । সত্যিই কি ?

*কালো আলোর টর্চ : পাঁকালকাকা তেইশ বছর বয়সে শেষবার টর্চ ব্যবহার করেছিলেন, সেটাও আবার কালো আলোর টর্চ । আলো কি কখনো কালো হয় নাকি ?

*মডেল চাঁদের খুদে ডাক্তার : ক্লাস এইটের পড়ুয়া আকুলের বাড়ির ছাদে নেমে এল খুব ছোট্ট একটা স্পেস-শিপ । আকুলের বোন বিকুলের মাথায় টিউমার ধরা পড়েছে । বোনকে সারিয়ে তোলার জন্য প্রার্থনা করে ঐ ভিনগ্রহের খুদে এলিয়েনদের কাছে । তারা কি সত্যিই সারিয়ে তুলতে পারবে বিকুলকে ?

*ওদের ভীষণ খিদে : পৃথিবী থেকে এলিয়েনদের নিশ্চিহ্ন করার কাজ করে ‛এলিমিনেটর’ নামের একটি সংস্থা । তারা একটা মিশনে গিয়ে বৌদ্ধদের গুম্ফা থেকে উদ্ধার করল দশটা বাচ্চাকে । কিন্তু বাচ্চাগুলো হাতের সামনে যা পাচ্ছে তাই খেয়ে নিচ্ছে । ওদের এত খিদে কেন ?

*বাজবরণ : উত্তরপ্রদেশের একটা ছোট শহর ইন্দাসরাই । সেখানে এক অপদেবতার আবির্ভাব হয়েছে, যে ঝড়-বৃষ্টির সময় আকাশের দিকে দুহাত তুলে সমস্ত মেঘকে তার মাথার ওপর ঘনীভূত করে বজ্রপাত ধারণ করে নিজের শরীরে । এই ‛বাজবরণ’ আসলে কি ?

*সোনালি পশম : দেওধুরা তাল-এ নাকি অনেক অনেক বছর আগে ভেঙে পড়েছিল দেবতাদের রথ এবং সেখান থেকেই ওই হ্রদের সৃষ্টি । তাহলে এখনো কি ওই হ্রদের আশেপাশেই কোথাও রয়েছে সেই ‛দেবতা’দের কেউ?কেনো মানুষ ভয় পায় সেখানে যেতে ?

*জহ্নু : জনমানবশূন্য পৃথিবীতে কিশোর জহ্নুকে তার পিতা রেখে গিয়েছেন গুপ্তধনের খোঁজ করার জন্য । কি সেই গুপ্তধন ?

*মুরাকামির অ্যাশট্রে : উনিশশো সত্তর সালে মধ্যপ্রদেশের শিসমপুরায় পাঁচজন লোক সহ একটা আস্ত স্টেডিয়াম রাতারাতি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল । কিন্তু কিভাবে ?

*দিম্মা ড্রাইভ : পৃথিবীতে বাসযোগ্য জায়গার বড় অভাব । তাই নতুন জায়গার খোঁজে স্পেসশিপে ইন্টার গ্যালাক্সি ট্র্যাভেল শুরু করেছে সৌম্য । আর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সাথে নিয়ে এসেছে তার রূপকথার গল্প বলায় স্পেশালিস্ট দিম্মাকে । কিভাবে ?

সত্যিই লেখক সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা আমাকে মুগ্ধ করলো। এতো সুন্দর কাহিনীর বুনেট এককথায় অসাধারণ। প্রত্যেক গল্পেই ভবিষ্যতের কিছু বার্তা এবং কল্পবিজ্ঞানের মিশেল খুব ভালো লেগেছে। অবশেষে বলতে হয় কল্পবিজ্ঞানের বই পড়তে যদি ইচ্ছে করে তাহলে এই বইটি আপনার জন্য।ধন্যবাদ 🙏🙏
Profile Image for Azizul Hakim.
3 reviews
April 10, 2023
মাই ডিয়ার মিকি, সৈকত মুখোপাধ্যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান মিয়ানমার দখল করলে পূর্বের সাথে ভারতের যোগাযোগ রাখার জন্য উড়োজাহাজে পাড়ি জমাতে হতো কৈলাস, অরুনাচলের সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। দূর্গম এ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে নেহাৎ সাত'শোরও বেশি প্লেন ক্রাশ করেছে অজানা, সহস্র বছরেও মানুষ পদচিহ্ন না পড়া অরুণাচল কিংবা তিব্বতের কোনো পর্বতশ্রেণীর উপর। তার বেশিরভাগ প্লেনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। প্লেন ক্রাশের সংখ্যায় ফ্লোরিডার বার্মুডা ট্রাঙ্গেলের চেয়ে ঢের বেশি এই নর্থ-ইস্টের জায়গাগুলো।
অরুনাচল প্রদেশের সিয়ান নদীর তীরের কোনো এক প্রত্যত্ন অঞ্চল রাঙাবাড়িতে তৈরি হচ্ছে জল বিদুৎ কেন্দ্র। দিজিৎ মজুমদার ইঞ্জিনিয়ার, মৃনাল গোস্বামী একজন সার্ভেয়ার। মৃনালদা সার্ভেয়ার হওয়ার সুবাদে ঘুরে বেরিয়েছেন রাঙাবাড়ির মানুষের পদ-চিহ্ন না পড়া জায়গাগুলোতে। অদ্ভূত কোনো কিছুর খোঁজ করছিলেন। এমনই এক সময় জলের ধারে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় মানব শিশু সদৃশ অদ্ভূত ক্ষমতা সম্পন্ন শিশু মিকিকে। মিকি যেন গল্প থেকে উঠে আসা মিকি মাউসের প্রতিরূপ। মৃণালদা আর দিজিৎ মজুমদার মিলে ঠিক করে তারা তাকে নিজেদের সাথে রাখবে। একের পর এক তারা উদঘাটন করতে থাকে মিকির অদ্ভূত ক্ষমতার। যেন ছোট্ট দেহটার ভেতরে লুকিয়ে আছে অজস্র রহস্য।
মিকি কী মানুষ, নাকি অন্য কিছু? এ প্রশ্নের খোঁজ করছিলেন মৃণালদা। সফল হয়েছিলেনও বটে। পৃথীবিতে আটকা পড়া একদল এলিয়েন যারা কিনা ফিরে যেতে চায় নিজ গ্রহে, দুর্ঘটনার কড়াল গ্রাসে তারা আটকা পড়ে গেছে পৃথীবিতে। শেষে কী তারা ফিরে যেতে পেরেছে কিংবা দিজিৎ মজুমদার বা মৃণালদার সাথে-ই বা কি হয়েছে?

সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখা দূর্দান্ত একটা গল্প। গল্পের প্রত্যেকটা পটভূমি পাঠককে আকৃষ্ট করছে লেখা গুলোর সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিতে অনুভব করতে গল্পের মূহুর্তগুলোকে।
Profile Image for Gourab Mukherjee.
164 reviews23 followers
February 26, 2021
🌀 কিশোর পাঠ্য science-fiction বলে কোনো genre থাকলে এই বই তার অন্তর্গত। একদম বাচ্চা ছেলেমোও নয় আবার বিশাল ভারী আর চিন্তা উদ্রেককারীও নয়। Bizarre বা আতঙ্কিত করে দেওয়া কিছু নেই, কিন্তু বেশ চমক আছে। মাঝারি একটা জায়গায় পরে এই বই।
11-12 এ পড়াকালীন এই বই হাতে পেলে খুবই খুশি হতাম।

🌀 বইয়ের content নিয়ে কোন অভিযোগ নেই। ধূমাবতী, বাজবরণ, কাল আলোর টর্চ, মুরাকামির অ্যাশ ট্রে এই চারটি গল্প বিশেষ ভাবে ভালো লেগেছে। পাঁকাল কাকার তো নিজের আলাদা সিরিজ থাকা উচিত। যদি থেকে থাকে, তাহলে কেউ জানলে অবশ্যই একটু সন্ধান দেবেন।
বাকি গুলিও খারাপ না তবে এগুলো একটু বেশিই ভালো। 🥰🥰

🌬️ বইয়ের প্রধান গল্প, তথা সিংহভাগ দখল করে থাকা গল্প মাই ডিয়ার মিকি তবে অতটা ভালো লাগেনি।

এমন বই আরও বের হলে অবশ্যই পড়ব।
Sci-fi প্রেম যদি থাকে, আর হাল্কা মেজাজের গল্প যদি পরে অবসর বিনোদন করতে চান এই বইকে সবার আগেই সুযোগ দেওয়া উচিত। ☺️
Profile Image for Rupam Das.
73 reviews2 followers
April 13, 2022
সৈকত বাবুর লেখা আগে শারদীয়া শুকতারা তে পড়েছি। ভালো লেগেছে। এবার এই ব‌ইটিও পড়ে ভালো লাগলো। ব‌ইতে একটি উপন্যাস ও ১১ টি গল্প রয়েছে যা কল্পবিজ্ঞানকে বিষয় করে লেখা।উপন্যাসের নামেই ব‌ই এর নামকরণ করা হয়েছে। তবে কয়েকটি গল্প বড্ড তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলো মনে হয়েছে। সব থেকে ভালো লেগেছে মাই ডিয়ার মিকি উপন্যাস।গল্প হিসেবে ধূমাবতী,বাজবরণ,জহ্নু,সোনালী পশম,ওদের ভীষণ খিদে এবং দিম্মা ড্রাইভ বেশ ভালো লেগেছে।
Profile Image for Anamika Sasmal.
7 reviews
February 13, 2024
মাই ডিয়ার মিকি উপন্যাস যে এক কথায় অনবদ্য ; এটি বলার অপেক্ষা রাখেনা। তা ছাড়াও যেই এগারোটি কল্প-বিজ্ঞানের গল্প আছে তার প্রতিটা গল্প ই অন্য রকম ভালো। তার মধ্যে অন্ধ সাধক, ধুমাবতী, বাজবরণ(বিশেষ করে), দিম্মা ড্রাইভ খুব খুব ভালো লেগেছে।
Profile Image for Himu.
52 reviews
December 20, 2024
সুন্দর। মন ভালো করে দেওয়ার মতো গল্প।
Profile Image for MD. Mushfiqur Rahman  Mridul.
14 reviews
January 27, 2025
কল্প বিজ্ঞানের ধুয়াধার উপন্যাস। এই জাতীয় উপন্যাসের বাংলা সাহিত্যের বড়ই অভাব।
Displaying 1 - 19 of 19 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.