Jump to ratings and reviews
Rate this book

গুনাই বিবির কিচ্ছা

Rate this book

184 pages, Hardcover

Published January 1, 2015

11 people want to read

About the author

Imdadul Haq Milon

192 books58 followers
Imdadul Haq Milon (Bangla: ইমদাদুল হক মিলন) is a Bangladeshi novelist and editor of the daily Kaler Kantho. Milon graduated from Jagannath College. He went to Germany and after returning, wrote one of his premier works, Poradhinota. Milon authored books on classic stories, historical writings, romantic stories and other genres. He also works as a TV personality in a talk show called Ki Kotha Tahar Sone. He was honored with Bangla Academy Award in 1992.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
3 (42%)
4 stars
2 (28%)
3 stars
2 (28%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,101 reviews1,079 followers
February 9, 2020
এতটাই সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় গল্পগুলো লিখেছেন ইমদাদুল হক আমি ( আমি মানে আমার ডাকনাম মিলন) যা প্রত্যেকটি পাঠককে আটকে রাখবেন বইয়ের একদম শেষ পর্যন্ত। গল্পগুলোর কোথাও রহস্য, কোথাও স্বতঃস্ফূর্ত বর্ননাভঙ্গি আমাকে প্রতিমুহূর্ত অভিভূত করেছে। বইটিতে ভিন্ন স্বাদের ছয়টি গল্প স্থান পেয়েছে। ‘সোনাই বিবির চর’, ‘নেংটি ইঁদুরের জীবন’, ‘শুভদের খেলার মাঠ’, ‘গাছবন্ধু’, ‘সাহেবের ছেলে’ ও ‘গুনাই বিবির কিচ্ছা’।

একদম প্রথম গল্প ‘সোনাই বিবির চর’ অনেকটা লোককাহিনীর আশ্রয়ে লেখা। একই গল্পে পাশাপাশি বর্ণিত হয়েছে আরো দুজন মানুষের গল্প। যারা এই গল্পের কথক ও শ্রোতা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন এবং সরকারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক রবি। রবির মুখেই সোনাই বিবির রহস্যময় কিচ্ছা শুনছিল মামুন, আর সমান্তরালে চলছিল নিজেদের গল্প। এই গল্পের মূল চরিত্র সোনাই বিবি অদ্ভুতভাবে গায়েব হয়ে যায়। দুদিন পর তার ছেলে রতন তাকে উদ্ধার করে, তাও রহস্যজনকভাবে। মায়ের মৃত্যুতে প্রচণ্ডভাবে মুষড়ে পড়া রতনও মারা যায় এরপর। গল্প কিন্তু এখানেই শেষ হতে পারত। কিন্তু কীভাবে চরের নাম সোনাই বিবির চর হলো সে গল্প যে তখনো বাকি। অদ্ভুত মায়া ও বিষণ্নতায় ভরা এই গল্প আমাদের মনে দাগ কেটে যায় সহজেই।

‘গুনাই বিবির কিচ্ছা’ বইয়ের শুধু নামগল্পই না শেষ গল্পও বটে। এটিও একজনের (ইব্রাহীম) বয়ানে সবাইকে শোনান ইমদাদুল হক আমি। গুনাই ইবরাহিমের স্ত্রী। শ্যামলা বর্ণের গুনাইকে অসম্ভব ভালোবাসত ইবরাহিম। তবে কামাতুর গুনাইকে ফিজিক্যালি খুশি করতে পারত না সে। যে কারণে বহুগামী হয়ে পড়ে গুনাই।কিন্তু একসময় গুনাইয়ের শরীর ভেঙে পড়ে। মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে সে। সে উপলব্ধি করতে পারে ইবরাহিমের সাথে সে অন্যায় করেছে। মারা যাওয়ার আগে সে সবসময় ক্ষমা চাইত ইবরাহিমের কাছে। কিন্তু ইবরাহিম তাকে ক্ষমা করতে পারেনি। এমনকি গুনাইয়ের মৃত্যুর পর নানা নাটকীয় ঘটনা ঘটে ইবরাহিমের জীবনে। একসময় প্রতি পূর্ণিমার রাতে গুনাই আসত ক্ষমা চাইতে। কিন্তু গুনাইকে সে কখনো ক্ষমা করতে পারেনি। তবে অদ্ভুতভাবে সে যেদিন মনে মনে গুনাইকে ক্ষমা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে চরে যায়, সেদিনের পর থেকে গুনাই আর কখনো তার সামনে আসেনি। এভাবেই শেষ হয় ‘গুনাই বিবির কিচ্ছা’।এই গল্পের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ গুনাইয়ের প্রতি ইবরাহিমের প্রেম। এই গল্প পড়তে পড়তে গুনাইয়ের বোধোদয় এবং ইবরাহিমের আশ্চর্যজনক নির্লিপ্ততা আমদেরকেও আক্রান্ত করে। সেই প্রেমের বন্ধন আমরাও অনুভব করতে পারি।

মাঝের চারটি গল্পও কিন্তু ফেলনা নয়। বেশ চমকপ্রদ। বিশেষ করে 'নেংটি ইঁদুরের জীবন '। বেশ থ্রিলার থ্রিলার ভাব। যাইহোক এই বইটা অনেকগুলো ভালো লাগার মধ্যে একটা।
Profile Image for Tasfia Promy .
96 reviews31 followers
December 12, 2025
২০২৫ রিভিউ
বিষয়: বই
রিভিউ: ৭৭
বই: গুনাই বিবির কিচ্ছা
লেখক: ইমদাদুল হক মিলন
প্রকাশনী: বেঙ্গল পাবলিকেশনস
প্রচ্ছদ: রনবী
জঁরা: ছোটগল্প




ছোটগল্পের বই আমার বেশ ভালো লাগে। গল্পগুচ্ছ বহুবার পড়া, উপন্যাস বেশি পড়া হলেও ছোট ছোট গল্পের যত সমগ্র আছে, সেগুলোও বেশ পছন্দের আমার।


আমাদের চারপাশে প্রতিদিন অনেক ঘটনায় ঘটে। কিছু ঘটনার ব্যাখ্যা হয়, কিছুর হয় না। সমাজের কালো দিক যেমন আছে, আছে আশার আলো। সেরকম ছয়টা আলাদা ধাঁচের গল্প নিয়ে এই বইটা। সমসাময়িক অনেক বিষয় রয়েছে, যেমন মাঠ কেড়ে নিয়ে কমপ্লেক্স তৈরি, আছে অসহায় এক বা একাধিক নারীর সাথে ঘটা ঘটনা, সমাজের লোভাতুর দৃষ্টির কাছে হার মানা এক মেয়ের গল্প, আছে বলাই এর মত এক নারীর গল্প, আছে গুনাই বিবির কিচ্ছা। সমাজের- সংসারের এই সব সমসাময়িক কিচ্ছা নিয়ে এই বইটা।


প্রতিটা ছোটগল্পের কী হল না হল নিয়ে অতিরিক্ত বড় করে লাভ নেই, দশ বছর আগের এই বইটা নিয়ে। অনেক কিছুই এই পঁচিশ সালে এসে নাক সিটকানোর মত মনে হবে, সেগুলো ধরা উচিৎ নয়।


প্রতিটা গল্পই ভালো লেগেছে, লেখকের লেখা সেভাবে পড়া হয়নি, তবে তার লেখা যে সাবলীল, সে নিয়ে সন্দেহ নেই। সহজ বাক্য, সাবলীল ভাষায় লেখা গল্পগুলো পঁচিশ সালে এসেও প্রাসঙ্গিক। আজো মা হারা সন্তান মায়ের ডাক শোনে, মাঠ বাঁচাতে অনশনে নামে তরুণ প্রাণ, পরিবারের কারো লালসার শিকার হয় নারী।


এই তো সমাজ, আজও যা আছে, কালও তেমনই থাকবে, খালি বদলে যাবে এলাকা, অঞ্চল। কিন্তু সমাজের অলিখিত নিয়ম আর বদলে যাবে না। চোখে আঙ্গুল দিয়ে যতই সমাজের কালো দেখিয়ে দিক কেউ, আলোর দেখা কেউ পাবে না।


পড়তে গিয়ে বুঝলাম, পড়ায় অনেক স্লো হয়ে গেছি, কেমন যেন গতি হারিয়ে ফেলেছি, প্রায় দু’শ পেইজের এই বই পড়তে অনেক সময় লাগল, লাগছে। পড়া অনেক দিন ধরেই হচ্ছে না ভালো করে, শুরু করা উচিৎ তো, উচিৎ না?
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.