Jump to ratings and reviews
Rate this book

চার ডাক্তার

Rate this book
এই বইয়ের চারটি আখ্যানের চারটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন নানা ধরনের ডাক্তার। চারটি চার রকমের আখ্যান হলেও পরস্পরের মধ্যে এক আশ্চর্য যোগসূত্র আছে। বলা যেতে পারে চারটি আখ্যান নিয়ে 'চার ডাক্তার' আসলে একটিই উপন্যাস। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণে বিশ্লেষিত হয়েছে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা, ব্যবস্থার সংকট। সেই সঙ্গে প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে চিকিৎসকের নিজস্ব সংকটও। স্বপ্নময় চক্রবর্তী বরাবরই তাঁর কাহিনিতে নিয়ে আসেন নতুন নতুন বিষয়। এই নিরন্তর নতুন ভাবনা লেখককে করেছে অন্যদের থেকে আলাদা। এই বইও তার ব্যতিক্রম নয়। বহু সম্মানে ভূষিত জনপ্রিয় এই লেখকের এটি নবতম নিরীক্ষা।

152 pages, Kindle Edition

Published May 2, 2018

1 person is currently reading
10 people want to read

About the author

Swapnamoy Chakraborty

44 books37 followers
স্বপ্নময় চক্রবর্তীর জন্ম ২৪ আগস্ট, ১৯৫১ সালে উত্তর কলকাতায়। রসায়নে বিএসসি (সম্মান), বাংলায় এমএ, সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা করেছেন। লেখকজীবন শুরু করেন সত্তর দশকে। প্রথম দিকে কবিতা লিখলেও থিতু হয়েছেন গল্প ও উপন্যাসে। তাঁর লেখা গল্পের সংখ্যা প্রায় ৩৫০। প্রথম উপন্যাস ‘চতুষ্পাঠী’ প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে শারদীয় আনন্দবাজার পত্রিকায়। পাঠক মহলে সাড়া ফেলেন স্বপ্নময় চক্রবর্তী। বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ এবং কলাম কিংবা রম্যরচনাতেও সিদ্ধহস্ত। তাঁর রচিত ‘হলদে গোলাপ' উপন্যাসটি ২০১৫ সালে আনন্দ পুরস্কারে সম্মানিত হয়। ‘অবন্তীনগর' উপন্যাসের জন্য ২০০৫ সালে বঙ্কিম পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় পুরস্কার, সর্বভারতীয় কথা পুরস্কার, তারাশঙ্কর স্মৃতি পুরস্কার, গল্পমেলা, ভারতব্যাস পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। সাহিত্যের বাইরে তিনি গণবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (28%)
4 stars
5 (71%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Ësrât .
519 reviews88 followers
July 26, 2023
ডাক্তার!

তিন অক্ষরের শব্দ কিন্তু ভার যেন ভীষন ঐ সাদা ভূষনে আবেশিত মানুষটার কাঁধে পাহাড় সমান।স্রষ্টার পর তার সৃষ্টি যার উপর সবচেয়ে বেশি ভরসা বিশ্বাসের ভিত গেড়ে রেখেছে অনাদিকাল থেকেই।

মন্দির মসজিদ গির্জা বা প্যাগোডা নয়; প্রার্থনার নীরব অশ্রুজল,সরব হাহাকার কিংবা প্রাপ্তির আনন্দে আত্মহারা মানুষের কলরবে মুখরিত হয়েছে হাসপাতাল প্রাঙ্গন অথবা ডাক্তারখানার ঐ ছোট্ট কোনে।

অবশ্য দেবতাদের ভোগ নিবেদনের চেয়ে ভোগে পাঠানোই ক্ষেত্রবিশেষে জনগনের চর্চিত বিষয়বস্তু এখনকার দিনে।ধন্বন্তরির ঘরে ধনের উপস্থিতি অনুপস্থিত নির্বিশেষে কসাই উপমার অপবাদ অহর্নিশি চলছে অথবা চলবে ।আগে বড্ড গায়ে লাগত;স্বজাতি বলে কথা। সময়ে অসময়ে নিষ্ফল আক্রোশের অক্ষমতার সেই প্রদীপ এখন প্রায় নিভু নিভু।ভুল হলে মেনে নিই,ঠিক হলে কেউ ঠকেনি এই তৃপ্তিতে তুষ্টি খুঁজে নি। সুতরাং এরকম কিছু লেখা পেলে ভালো লাগার জায়গাটায় খুশির জোনাকি গুলো জ্বলে ওঠে আনমনেই।

হোক না সে গল্পে হাতুড়ে ভজনের পিতৃসত্তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে হারিয়ে যাবার পথের শেষে হোমিওপ্যাথ কমলের ধূসর জগতে উষার আলো নিয়ে আসা আমিনুলের পিতৃপরিচয়ের দ্বন্দ।
বা পিতৃঋনের দুই প্রজন্মের অ্যালোপ্যাথের পথ ধরে আলাদা আলাদা প্রকল্পের গল্প।অথবা সেই অদ্ভুত অলৌকিক ঘটনার লৌকিক পুরুষ অংশুমানের এক মুসলিম সন্তানের ধর্মপিতা হয়ে উঠার বিশেষনহীনের বিশেষত্ব।

এইসবে স্বপ্নময় আপনার সময়টাকে কিছুক্ষনের জন্য হলেও রাঙিয়ে দিয়ে যাবে রামধনুর সাত রঙে।ব্যতিক্রমী লেখার সাথে সুস্পষ্ট সব সত্যের সামাজিক যোগাযোগের যোগসূত্র করে দেবার জন্য ধন্যবাদ তার অবশ্যই প্রাপ্য।

রেটিং:🌟🌠☀💥.৬০
৪/০২/২২
Displaying 1 of 1 review