সদ্য ডাক্তারি পড়া সমাপ্ত করে আরব থেকে দেশে ফিরে এসেছে ইরফান আহমাদ। বাবা মায়ের মতের বিরুদ্ধে ডাক্তারি বাদ দিয়ে সে শুরু করলো জ্বিনে ধরা রোগীদের চিকিৎসা। আর এমন সময়েই মাসুম বিল্লাহ নামে এক রোগীর চিকিৎসা করতে সে হাজির হল কুমিল্লা শহরে। চিকিৎসা করতে গিয়ে তার সামনে উদ্ভাসিত হল ধর্ম ব্যবসার সবচেয়ে কুৎসিত দিকটি। সেই সাথে গোমতী নদীর পারে অনেক বছর আগে ঘটে যাওয়া আরেকটি ঘটনা এসে মিলিত হল সময়ের বাঁকে। ধর্ম আর জাদু ব্যবসার বিরুদ্ধে একা ইরফান, পাশে গোমতী নদী।
তমিস্রা, অসূয়া ও বিস্তৃত আঁধারের পর তমিস্রা ভুবনের নতুন সংযোজন বিমর্ষ গোধূলি।
Javed Rasin (Bengali: জাবেদ রাসিন) is a Bangladeshi poet & fiction writer. He was born in Mymensingh but has raised in Dhaka from childhood. Javed completed his graduation & post-graduation in law from the University of Dhaka. He likes the charm of prosody and playing with words which fits into poetry. Shunno Pother Opekkhay (শূন্য পথের অপেক্ষায়) was his maiden published poetry.
Also the world of fiction, especially thriller & horror fiction fascinated him and he started writing in this genre. His first published thriller fiction novel was Blackgate (ব্ল্যাকগেট), co-authored with Tarim Fuad. His other works are horror novel Tomisra (তমিস্রা) & conspiracy novel Circle (সার্কেল). He continued to produce poetry and to work on fiction novels.
তমিস্রা সিরিজের অন্যতম সেরা একটা লেখা 'বিমর্ষ গোধূলি'। 'বিস্তৃত আঁধার' পড়তে গিয়ে স্বভাবতই কৌতুহলী ছিলাম সাপরুপী জ্বীন কুইলির অংশ নিয়ে। তার প্রেমিকের মৃত্যু নিয়ে। গল্পের ফ্লপ থেকেই আন্দাজ করা যায় এই বইটা ইরফান সাহেবের অতীত ইতিহাসকে তুলে ধরবে। এবং আন্দাজ করছিলাম কুইলির রহস্যটার সমাধানটাও আসবে। হ্যাঁ, এই বইটি ইরফান সাহেব সদ্য পাশ করে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার পরবর্তী ঘটনা নিয়ে। যদিও আরো অনেক ইতিহাসের এখনো বাকি। 'কুরুকারা' তে থাকবে হয়তো সেসব ঘটনার বিবরণ। আপাতত তাই চলে যায় 'কুরুকারা' তে।
- 💧🐍 In a Bangladesh where shrines line the riverbanks and the faithful kneel before men they should fear, a young doctor defies his family to become a raqi/ Islamic exorcist— discovering that 𝐭𝐡𝐞 𝐦𝐨𝐬𝐭 𝐝𝐚𝐧𝐠𝐞𝐫𝐨𝐮𝐬 𝐝𝐞𝐦𝐨𝐧𝐬 𝐰𝐞𝐚𝐫 𝐭𝐡𝐞 𝐫𝐨𝐛𝐞𝐬 𝐨𝐟 𝐬𝐚𝐢𝐧𝐭𝐬, and the darkest evil hides behind the mask of holiness.
I read this book first, because although it is listed as তমিস্রা ভুবন #3 (The Tenebrous World #3), জাবেদ রাসিন's বিমর্ষ গোধূলি (rough translation: Melancholy Twilight) is chronologically the series' origin — tracing Irfan Ahmad's earliest steps after returning from Saudi Arabia with MBBS degree and a secret vocation: becoming a raqi, strictly Quran-based, free of occult theatrics. When a possessed patient pulls him toward Comilla, he collides with a so called pir/ holy man whose mazar/ shrine on the Gomti River conceals black magic, sexual exploitation, and a colossal serpent jinn materializing from nothing.
The social horror cuts far deeper than the supernatural. Javed Rasin excavates the grotesque machinery of false piety — urs festivals weaponized into trafficking operations, murids/ disciples groomed into enablers, manufactured miracles sold to the desperate. The Gomti itself becomes a character: its waters blurring whether greater evil lurks beneath the surface or inside the human hearts praying above it. Mukul Pir is unmistakably Majid from লালসালু reborn — both built kingdoms knowing which words make people kneel. Two things in this story are particularly praiseworthy. The author captures the heartbreaking reality of how minor acts of revenge and selfishness are driving our people toward black magic, signaling a deep social decay. Alongside this grim reality, the author provides a breath of authenticity by researching and depicting the actual, proper use of Ruqyah.
The prose, however, is the book's most honest limitation. At intervals the language loses its footing, the narrative pushed forward with visible effort. The mysterious white light and the girl Jenny linger without resolution — seeds presumably sown for future volumes. The straightforward plot occasionally strains believably, and the novel reads younger than its subject matter deserves.
Yet for anyone who has passed a roadside mazar and felt something they couldn't name, Bimorsho Godhuli offers a melancholic twilight worth sitting inside — a reminder that Bangladesh's real horror isn't what lurks beneath the river — but what built its altar above it.
⁉️ 𝐐𝐎𝐓𝐃: How many monsters have we protected simply because they knew how to speak the language of holiness?
⛉ 𝐋𝐢𝐤𝐞𝐝 𝐭𝐡𝐢𝐬 𝐩𝐨𝐬𝐭 or found it helpful? Hit the ❤️, save it 🔖, and 𝐒𝐇𝐀𝐑𝐄 it ↗️ with fellow readers who dare to explore cosmic horror!
🔔 𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 𝐦𝐞 for more bookish ramblings, reviews, and recommendations. 🔗 𝑮𝑶𝑶𝑫𝑹𝑬𝑨𝑫𝑺: Nazmus Sadat → goodreads.com/dsony7 📸 𝑰𝑵𝑺𝑻𝑨𝑮𝑹𝑨𝑴: @dSHADOWcatREADS
𝔹𝕆𝕆𝕂 𝕀ℕ𝔽𝕆ℝ𝕄𝔸𝕋𝕀𝕆ℕ 📖 𝐓𝐢𝐭𝐥𝐞: বিমর্ষ গোধূলি/ Bimorsho Godhuli (Melancholy Twilight) ✍️ 𝐀𝐮𝐭𝐡𝐨𝐫: জাবেদ রাসিন / Javed Rasin 🌐 𝐆𝐞𝐧𝐫𝐞: Urban Fantasy | Supernatural Thriller | Bangladeshi Occult Fiction | Speculative Fiction | Bangladeshi Gothic Horror 📅 𝐏𝐮𝐛𝐥𝐢𝐬𝐡𝐞𝐝: First published in December, 2018 by Iha Prokash/ ঈহা প্রকাশ. 📦 𝐁𝐨𝐨𝐤 𝐅𝐫𝐨𝐦: Iha Prokash Stall from The Amar Ekushey Book Fair 2026. 📊 𝐌𝐲 𝐑𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠: ⭐⭐⭐☆☆
ধর্ম নিয়ে যে ব্যবসা আমাদের আশেপাশে ঘটছে তা নিয়ে হয়ত আমরা কিছুটা জানি, আবার অনেকটাই জানি না। জিন, পীর -সব নিয়ে এক বই। খুব ভালো লেগেছে এমন নয় কিন্তু পড়তে খারাপ লাগে নি।
রেটিং ৩.৫ ★ বাংলাদেশের মাজার, পীর নিয়ে ভণ্ডামির বিস্তারিত একটা চিত্র ফুটে উঠেছে বইটিতে। কিছু কিছু কাহিনী অবিশ্বাস্য মনে হয়। মনে হয় একজন ভণ্ড পীরের এত কিছু করা কি সম্ভব। হয়তবা সম্ভব। প্লটটা সাধারণ হলেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আরেকটু জটিলতা তৈরি করা যেত। শুরুর দিকে বড্ড সাদামাটা। কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়নি। সাদা আলো? তমিস্রায় কি এমন কিছু ছিল? খেয়াল আসছে না। ইরফান চরিত্রটা বরাবরের মতো ভালো লাগার। তবে মনে হচ্ছে এই চরিত্র খুব ঘনঘন পাঠকের মাঝে হাজির হচ্ছে। লেখকের কাছে অনুরোধ থাকলো ভালো প্লট নিয়ে তমিস্রা ভুবনের পরের বই লেখার জন্যে। তমিস্রা, অসূয়া, আর এই বইয়ের মধ্যে তমিস্রা এখনো বেটার। বিস্তৃত আধার এখনো পড়া হয়নি। আশাকরি তমিস্রার মতো দুর্দান্ত একটা প্লট নিয়ে হাজির হবে লেখক
বাংলাদেশের বেসিসে এই প্লটের সত্যতা আছে। ভন্ড পীর ও তাদের মুরিদ ও তাদের আস্তানা। তবে এত কালোজাদু জানা ভন্ডপীর একটু মানতে কেমন কেমন লেগেছে। এছাড়া সেই সাদা আলো কি ছিল সেটার কোন ব্যাখ্যা নেই। এন্ডিং দেখে মনে হলো জেনি নামের মেয়েটিকে নিয়ে পরের পর্ব আছে হয়ত, থাকলে সেখানে কি সাদা আলোর ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে? এছাড়া একটি অভিযোগ আছে আমার, ওরসের শেষ দিনে ভন্ডপীর মুকুল যখন মেয়ে মুরিদদের নিয়ে রঙ্গলীলা করতে যাবে ওইখানে যে ওষুধের নাম বলেছেন লেখক সেটার কি মিসইউজ হতে পারে না? যারা জানত না আগে তারা সেটা জেনে গেলো।
আরেকটি কথা, তমিস্রা #১ আমার কাছে এখনো বেস্ট মনে হচ্ছে।
বইঃ বিমর্ষ গোধূলি লেখকঃ জাবেদ রাসিন প্রকাশকঃ ঈহা প্রকাশ মুদ্রিত মূল্যঃ ২৭০ (নতুন সংস্করণে সম্ভবত মূল্য পরিবর্তিত হয়েছে)
কাহিনী সংক্ষেপঃ ফরিদুর রেজা, একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। আকর্ষক কোনো খবর পেলেই ছুটে যান সেখানে সংবাদ সংগ্রহ করতে। তেমনিভাবে একদিন খবর পেলেন কুমিল্লা শহরের এক ভণ্ড পীরের। স্ত্রী পুত্রকে ঘুম থেকে না জাগিয়ে খুব ভোরে চিরকুট লিখে রেখে রওনা করলেন কুমিল্লার উদ্দেশ্যে। কুমিল্লায় সেই ভণ্ড পীরের আস্তানায় গিয়ে একটি মাচার ওপর লুকিয়ে পীর আর তার মুরিদদের সকল কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে নিতে গিয়ে ধরা পড়লেন পীরের মুরিদদের হাতে।
ফরিদুর রেজাকে শাস্তি দিতে নিয়ে যাওয়া হলো গোমতী নদীর ধারে। ফরিদুর রেজা ভণ্ড পীরের কিছু ক্ষমতার কথা শুনেছিলেন এর আগে, তবে কানে তোলেননি। তিনি স্বপ্নেও কল্পনা করেননি তার শোনা কেচ্ছার কোনোটা সত্যি হতে পারে। যখন বিশ্বাস করার সময় এলো, তখন শূন্য থেকে আবির্ভূত হওয়া বিশাল এক সাপ লকলক করে ভাসছে তার সামনে।
সৌদি আরব থেকে ডাক্তারি পড়া শেষ করে দেশে ফিরে হাত-পা গুটিয়ে সারাদিন বাড়িতে বসে থাকে ইরফান। বাবা-মা তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাইলে কোনো জবাব দেয় না। জবাব দেবেই বা কী করে? ইরফান জ্বীনে ধরা মানুষদের সুস্থ করে তুলতে চায়, হতে চায় একজন রাকী, যে পেশা তার বাবা-মা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলে বসবাসকারী নোমান ছেলেটা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কিছু খেতে পারে না, খেলেও বমি করে দেয়। কোনো ডাক্তারই তার রোগ ধরতে পারছে না। বন্ধু পরবের ধারণা নোমানকে উপরি করা হয়ে হয়েছে। ইরফান সুস্থ করে তোলে তাকে। রাস্তার ধারের একটি দোকানে চা খাবার সময় একটি মেয়ে ইরফানকে কেন বলে গেলো পানি থেকে দূরে থাকতে? ঘটনাচক্রে মাসুম নামের আরেকজন রোগীকে দেখতে ইরফানকেও যেতে হলো কুমিল্লা শহরে, যেখানে সেই জাদুকর ভণ্ড পীরের বাস। ইরফান কী পারবে সেই ভণ্ড পীরের মুখোশ উন্মোচন করতে?
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ জাবেদ রাসিনের লেখা তমিস্রা ভুবনের চতুর্থ বই ‘বিমর্ষ গোধূলি’। সাধারণতঃ ভৌতিক বই পড়ে আমার খুব একটা ভয় লাগে না। তবে সেই ধারণা বদলে গিয়েছিলো ‘অক্টারিন’ বইটা পড়ার পর। তার পর পরই পড়েছিলাম জাবেদ রাসিনের লেখা ‘তমিস্রা’। এই বইগুলোতে জ্বীনের উপস্থিতি এবং কর্মকাণ্ডে তীব্র ভয় পেয়েছি। এতটা ভয় পাবার পেছনে খানিকটা ধর্মীয় কারণও জড়িত ছিলো। একজন মুসলিম হিসেবে আমি জ্বীন জাতিতে বিশ্বাস করি। আর যে জাতির অস্তিত্ব স্বীকার করি, তাদের নিয়ে লেখা হরর গল্প পড়ে ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক।
যাই হোক, পাঠক বইটা পড়ে ভয় পাবেন বলেই আমার বিশ্বাস। ভৌতিক কর্মকাণ্ড এবং জাদুটোনার বাইরে লেখক ধর্মকে পুঁজি করে ব্যবসা, মাজার পুজা ইত্যাদি-সহ সমাজের আরও কিছু অন্ধকার দিক তুলে ধরেছেন, যা ভাবনার খোরাক যোগাবে। লেখকের প্রতি নিবেদন রইলো, সিরিজের পরবর্তী বইগুলোতে ইরফানকে যেন আরেকটু শক্তিশালী রূপে উপস্থাপন করা হয়। গল্পের মূল নায়ককে এত মার খেতে দেখতে ভালো লাগে না। সবশেষে তমিস্রা ভুবনের পরবর্তী বই ‘কুরুকারা’-র জন্য শুভকামনা।
"পড়তে মজা লেগেছে, তবে ভালো লাগেনি!" লেটস মেইক ইট ক্লিয়ার...
বহুদিন কেনো গল্পের বই পড়া হয়নি। পরীক্ষার পড়াশোনার চাপে চিঁড়ে-চ্যাপ্টা অবস্থা। রিটেন শেষ, সামনে ভাইবা। খুব দ্রুত কিছু রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক খটমটে বইপত্র পড়ে ফেলা দরকার। ভাবলাম তার আগে একটু ব্রেক নিয়ে নিই দু-চার দিনের জন্য, আর এর মাঝে হাল্কা কিছু পড়ে দ্রুত পড়ার অভ্যেসটা ফিরিয়ে আনি। বাইরে ঝুম বৃষ্টি দেখে বইয়ের তাক থেকে নামিয়ে আনলাম "তমিস্রা ভুবন" সিরিজের বইগুলো।
ডা. ইরফানের সাথে গ্রামে-গঞ্জে, জলে-ডাঙ্গায়, ওরস-দরবারে অ্যাডভেঞ্চার করে বেড়ানো বেশ উপভোগ করেছি। জ্বীনের উপর লেখা বইয়ে জ্বীন সম্পর্কে আরো কিছু জানার মত পেলে মজার হতো।
ভালো লাগেনি লেখনির জন্য! লেখকের লেখনি ততটা ভালো নয়। জাগায় জাগায় যেন মনে হয় লিখতে গিয়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন লেখক এবং তারপর প্রায় জোর করে গল্প এগিয়ে নিয়েছেন! এ বইটাই হয়তো আরো কয়েকবছর আগে পেলে এসব কিছু চোখে ধরতো না আমার, কিংবা বইটা হয়তো আরেকটু ছোট বয়সী পাঠকের জন্য উপযোগী.... এছাড়া সবচেয়ে বিরক্তিকর যে জিনিসটা তা হলো প্রচুর বানান ভুল। এতো বেশি যে টাইপো বলে নজর আন্দাজ করা যায় না। বিশেষত ড়,র এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরেকটু যত্নশীল হতে হতো। এইতো! এগুলো এড়িয়ে পড়ে যেতে পারলে মজাই লাগে।
ওহ্ হ্যাঁ, মুকুল পীরের কাহিনীতে আমি প্রবলভাবে মজিদের ভাইব পেয়েছি। কোন মজিদ? লালসালু পড়েন নাই আপনারা? ওই মজিদ, লালসালুর মজিদ।
বিমর্ষ গোধূলি সম্পূর্ণ সিরিজের প্রিকুয়েল বলা যায়। মানে এটাই একদম ১ নাম্বার বই। কিন্তু বেরিয়েছি সম্ভবত অনেক পরে।
ইরফান এর বাংলাদেশে প্রথম রুকাইয়াহ প্র্যাকটিস দিয়ে শুরু। এরপর গল্প গড়াতে গড়াতে এসে পড়ে কুমিল্লার মফস্বলে। এইখানে যে গল্পটা বলা হয় সেটা আমাদের খুব চিরচেনা।
পীর, পীরের আজগুবি ক্ষমতা, তার ভন্ডামি, ধর্মের নামে অধর্মের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া, মুরিদদের ব্যবহার করা- এইসবই ছিল মূলে।
যদিও আরেকটু ডিটেইল্ড আশা করেছিলাম পীরের ব্যাপারে, তার ক্ষমতার ব্যাপারে, রাজনৈতিক কিছু দিকও আশা করেছিলাম।
শেষের দৃশ্য, মানে ক্লাইম্যাক্স যেটা, গ্রামে শৈশবের একটা অংশ কাটানোর সুবাদে এরকম অনেক গল্প শুনেছি। রাকীদের ব্যাপারে জেনেছি।
এই সিরিজের ভালো একটা দিক হলো- শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র কুরআন এর আয়াত দিয়ে রুকাইয়াহ করার দিকটা।
জাবেদ রাসিন এর গল্প ভালো। প্লটও ভালো ছিল। তবে আরেকটু লেয়ার থাকলে জমতো, এই গল্পটা আরও অনেক কিছুকে নিয়ে ব্লেন্ড হতে পারতো। একটু যেন সাদামাটা হয়ে গেছে।
প্রিয় শিক্ষক আল হাসনাইনের সূত্র ধরেই বাংলাদেশে এসে প্রথম কাজ পায় ইরফান। প্রথম কাজেই একটি মেয়ে এসে তাকে বলে, পানি থেকে সাবধান। অথচ, রোগীকে বাঁচাতে হলে তাকে নামতে হবে পানিতে! যা হওয়ার তাই হলো— অদৃশ্য বিশাল কোনো শক্তি বাঁধা হয়ে দাঁড়ালো ইরফানের। মরতেই বসেছিল! সেখান থেকে বেঁচে ফিরল অদ্ভুত সেই আলোর রশ্মির কারণে!
এরপরে তাকে যেতে হলো কুমিল্লায়। সেখানের এক পিরের সাথে বিশাল যুদ্ধে নামতে হয় তাকে। মৃত্যুর দোরগোড়ায় এসে দাঁড়ায় একসময়!
তমিস্রা সিরিজের ফ্যান হলে এই বইও ভালো লাগার কথা। শেষটা আসলেই বিমর্ষ হয়ে যাওয়ার মতন।
মূল চরিত্র ইরফানের শুরুর দিকের বর্ণনার লিখন এই বইটা। বেশ সুন্দর প্লট। মানুষে মানুষে রেষারেষি, প্রতিশোধ, ভন্ডামী ও তার হাতিয়ার, অজাচার ও এর প্রকার, সম্মান ও ভালবাসা নিয়ে সহজ সরলভাবে ফুটিয়ে তোলা ঘটনা। খারাপ শক্তির রূপ ও বহিঃপ্রকাশের স্বরূপ উদঘাটন করা হয়েছে অবলীলায়
কাহিনিটা বেশ ভালো। পারিপাশ্বিক বর্ণনাও ভালো লেগেছে। গ্রাম বাংলাকে ঘিরে হরর থ্রিলার। তবে বেশি হররও না। লেখনশৈলী বেশ সাদামাটা। চরিত্রগুলো ভালো ছিল বইটার।