Jump to ratings and reviews
Rate this book

আলিনগরের গোলকধাঁধা

Rate this book
বাংলায় উপন্যাস থেকে সিনেমা হবার উদাহরণ তো ভুরি ভুরি আছে, কিন্তু সিনেমা থেকে উপন্যাস? সম্ভবত এই প্রথম !

'আলিনগরের গোলকধাঁধা' ছায়াছবিটি মুক্তি পেয়েছিল এই বছরের ২০শে এপ্রিল, যার চিত্রনাট্য লিখেছিলেন শ্রী সৌগত বসু। ওনার কলমেই বই আকারে জমজমাট উপন্যাস 'আলিনগরের গোলকধাঁধা'।

160 pages, Hardcover

Published February 1, 2019

Loading...
Loading...

About the author

সৌগত বসু

2 books1 follower

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (23%)
4 stars
9 (34%)
3 stars
11 (42%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,908 followers
May 14, 2019
গত বছরের এপ্রিল মাস। একটা সিনেমার পোস্টার দেখে বেশ কৌতূহল হল। সিনেমার নাম "আলিনগরের গোলকধাঁধা"। ইতিহাস আমার প্রিয় বিষয়। এটুকু জানতাম যে আলিনগর নামক নবাবি নামের আড়ালে লুকিয়ে আছে আমাদের অনেকের প্রথম সবকিছু দেখা এই শহর, কলকাতা। তার গোলকধাঁধা মানে কী? রিভিউয়ের অপেক্ষায় না থেকে টিকিট কেটে ফেললাম। দেখেও ফেললাম সিনেমাটা।
আজও মনে আছে, সিনেমা শেষ হওয়ার পর সিনেপলিস লেক মলের অডি-তে যখন আলো জ্বলে উঠেছিল, খুব দুঃখ হয়েছিল আশেপাশের ফাঁকা সিটগুলোর দিকে তাকিয়ে।
বাংলার ইতিহাসের এত কিছু দিয়ে গড়া, এমন ধাঁধা-হেয়ালিতে ভরা একটা বুদ্ধিদীপ্ত সিনেমা এত কম লোক দেখল! কেন?
সিনেমাটা পরে, অন্তত আমাদের মতো কিছু ইতিহাস-আশ্রিত রহস্যানুরাগীর কাছে কাল্ট ক্লাসিক হয়ে ওঠে। তখন থেকেই চিত্রনাট্যকার সৌগত বসু'র মাথা খারাপ করাও শুরু হয় চিত্রনাট্যটিকে গ্রন্থাকারে চেয়ে। আমাদের সৌভাগ্য, তিনি চিত্রনাট্যটি যাবতীয় ধাঁধা, ইতিহাসের তত্ত্ব, তথ্য ও রহস্য নিয়ে আমাদের কাছে পেশ করেছেন এই বইয়ে। বুকফার্মের সযত্ন পরিবেশনে, দিলীপ দাসের অলঙ্করণে সমৃদ্ধ হয়ে সেই বইটা আমাদের কাছে কালেক্টর্স আইটেম হয়েই এসেছে।
যাঁরা সিনেমাটা দেখেননি, তাঁদের জন্য গল্পটা খুউব সংক্ষেপে বলি।
আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে এক স্মাগলারের হাত থেকে বাংলার ইতিহাসের এক অমূল্য কিন্তু বিস্মৃতপ্রায় সম্পদকে বাঁচাতে চেষ্টা করেছিল এক তরুণ গবেষক। সে নিজে বাঁচেনি। তবে সেই সম্পদের সন্ধান আর কাউকে সে দিয়েও যায়নি। পঁচিশ বছর পর আবার সেই নাটকের ওপর পর্দা ওঠে, তবে এবার কুশীলবরা আলাদা। আপনভোলা আর ইতিহাস-পাগল সোহম, তাকে ভালোবাসা বৃষ্টি, বনেদি পরিবারের মাথা তথা বৃষ্টি'র বাবা আশুতোষ, এক মারাত্নক শত্রু, এবং বাংলার ইতিহাস স্বয়ং, এই চরিত্রদের নিয়েই এবার তৈরি হয় এক রক্তক্ষয়ী আখ্যান।
কী আছে তার শেষে? আলিনগরের গোলকধাঁধা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে কি সোহম আর বৃষ্টি?
পুরোনো কলকাতা তথা নবাবি বাংলার ইতিহাস এর আগেও আমাদের কাছে এসেছে রহস্য কাহিনির আকারে। স্মরণজিৎ চক্রবর্তী আমাদের উপহার দিয়েছেন "ওয়ারেন দাদু'র ধাঁধা বাক্স" ও "স্যার রজার ডৌলা'র মোতি"-র মতো প্যাঁচালো গল্প। কিন্তু এই বইয়ের আকর্ষণ আলাদা হয়ে উঠেছে দুটো কারণে।
(১) ইতিহাসের বহু সর্বার্থে অজানা তথ্য এই কাহিনিতে আমরা পেয়েছি, সেও এমনভাবে যে কোনোদিন আর ভোলা যাবেই না সেগুলোকে।
(২) ইতিহাসের সমান্তরালে আরও একটা রহস্য এখানে প্রবাহিত হয়েছে, যেটা বেশ কিছু গূঢ় প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় আমাদের সব্বাইকে। সেটাই আসল গোলকধাঁধা, আর সেটা থেকে বেরোনোই সবচেয়ে কঠিন কাজ।
এই বইয়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড়ো নালিশ এটাই যে সিনেমার চিত্রনাট্যটিকে অবিকল তুলে ধরা ছাড়া এতে নতুন কিছু সেই অর্থে পাওয়া যায় না। কিন্তু এই নালিশ তাঁদের, যাঁরা একই নামে একটি আলাদা উপন্যাস খুঁজবেন। আমরা যারা চিত্রনাট্যটাই চেয়েছি, তাদের কাছে এই বই একেবারে আদর্শ জিনিস।
ইতিহাস, রহস্য, বা অনির্বাণ ভট্টাচার্য (সোহমের চরিত্রকে যিনি বাস্তব করে তুলেছিলেন অনন্য শক্তি ও দুর্বলতার মিশ্রণে), এদের যেকোনো একটি নিয়ে আগ্রহ থাকলেই এই বইটা আপনার কাছে অবশ্যপাঠ্য হওয়া উচিত।
পড়ে ফেলুন, প্লিজ।
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews136 followers
October 29, 2020
* PocketFM এর সৌজন্যে সুন্দর পরিবেশনায় অডিও ভার্সন শুনি, পরে বইটি সুযোগ পেলে পড়ে নেবো একবার।

এটি আগে সিনেমা হয়,তার থেকে উপন্যাসটি লেখা হয়। সিনেমাটি হাতের কাছে পেয়েও দেখার সুযোগ হাতছাড়া করেছি, এরপর পেলে অবশ্যই দেখে নেবো। ইতিহাসনির্ভর কাহিনী। ইতিহাস আমার অপছন্দের বিষয় এই কারণেই, নাকি অতিরিক্ত তথ্যের ভারে জানিনা, বিরক্তবোধ করেছি খুব।গল্পের থেকে ইতিহাস আছে বেশি।তবুও গল্পটা ভালো লেগেছে। এমন অনেক তথ্য আছে(যেমন লেডিকেনি মিষ্টির ইতিহাস, গোবিন্দভোগ চালের ইতিহাস, লালবাজারের নামকরণ) যা মনে রাখার মতো।

কাহিনী সংক্ষেপ :
কলকাতার বনেদি পরিবারের কর্তা আশুতোষ সিংহ। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইতিহাসপ্রেমী সোমনাথ দাস।প্রায় সাতাশ বছর আগে এই সোমনাথ মারা যাওয়ার আগে আশুতোষকে একটা ধাঁধা লিখে পাঠায়।ওই ধাঁধার সমাধানে নাকি বাংলার এক ঐতিহাসিক সম্পদের হদিশ পাওয়া যাবে। পরবর্তীকালে আশুতোষের মেয়ে বৃষ্টির এক ইতিহাসপ্রেমী বন্ধু সোহমের সাথে পরিচয় হলে আশুতোষ তাকে এই ধাঁধাটির সমাধানের দায়িত্ব দেয়।ইতিহাসের জ্ঞান ও উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে সোহম কি পারবে সেই ধাঁধার সমাধান করতে ? আর কিই বা সেই ঐতিহাসিক সম্পদ ??
Profile Image for Ankana.
90 reviews9 followers
May 8, 2019
The fact that this story has been adapted from a screenplay is evident throughout. And even though lovers of History, like me, will find it extremely enjoyable, the pace of the narrative on paper induces tedium. And then of course the ending comes across as a tad abrupt because of the writing style. All in all, I do believe I will love the story some more when I watch it on the silver screen.
Profile Image for Tashin Abdullah .
145 reviews2 followers
February 3, 2024
সিনেমা থেকে উপন্যাস,অর্থাৎ প্রথমে সিনেমা পড়ে সেই সিনেমার চিত্রনাট্য অবলম্বনে উপন্যাস ; ইংরেজিতে আগে হলেও বাংলায় এখন পর্যন্ত এরকম কাজ একটিই হয়েছে,আর সেটি হলো " আলীনগরের গোলকধাঁধা"। বাংলা ভাষায় উপন্যাস থেকে সিনেমা হবার উদাহরণ তো কত রয়েছে কিন্তু ইতিহাস ভিত্তিক এই রহস্যোপন্যাস টি এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম হয়ে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।

ইতিহাসের কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তথ্যকে একত্র করে, দারুন ভাবে প্লট তৈরি করে চমৎকার এই বইটি লিখেছেন সৌগত বসু। 'আলিনগরের গোলকধাঁধা' সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছিলেন তিনি। সিনেমাটাও দারুন হিট হয়েছিলো,অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য ছিলেন প্রধান চরিত্রে। যাই হোক সিনেমা মুক্তির পর সৌগত বসুই তার মৌলিক চিত্রনাট্য টিকে উপন্যাসের আকার দেন এবং বুক ফার্ম প্রকাশনী থেকে তা বই আকারে বের হয়।

ইতিহাস আমার বরাবরই প্রিয় বিষয়, সিনেমাটা তাই আগেই দেখে নিয়েছিলাম,সেই হিসেবে বলতে গেলে কাহিনি আগে থেকেই জানা,তারপরও এই বইটি যখন পড়ি তখন আবার নতুন করে কাহিনিটি আবিষ্কার করি। এছারাও এই বইতে একটা নতুন অধ্যায় আছে যেটি সিনেমাতে অনুপস্থিত। মোটামুটি কাহিনি জানা থাকা সত্ত্বেও বইটি পড়ার সময় উৎসাহের কোন ঘাটতি পড়েনি,এক ফ্লোতেই পড়ে শেষ করেছি।

সোহম ইতিহাসের ছাত্র। ইতিহাস তার ধ্যান জ্ঞান। তার বান্ধবী বৃষ্টির বাড়িতে এসে সে সম্মুখীন হয় এক অদ্ভুত গোলকধাঁধার। বৃষ্টির বাবা আশুতোষ সিংহকে প্রায় পঁচিশ বছর আগে একখানা ধাঁধা পাঠিয়েছিলেন তাঁর বন্ধু সোমনাথ দাস। এর সমাধানে নাকি পাওয়া যাবে বাংলার ইতিহাসের এক অমূল্য সম্পদ। সোমনাথ দাসের হঠাৎ রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে। ইতিহাসের মেধাবী ছাত্র সোহমকে সেই ধাঁধা সমাধানের দায়িত্ব দেন আশুতোষ। শুরু হয় সোহম এবং বৃষ্টির অভিযান। সেই প্রথম ধাঁধার সমাধানে পাওয়া যায় আরও অনেক ধাঁধা। প্রত্যেকটা ধাঁধা বাংলার ইতিহাসের বিশেষ নগর কলকাতার ইতিহাসের এক একটা অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িত। সোহম-বৃষ্টিকে ধাওয়া করেন আমিরচাঁদ মিত্তল নামে এক অ্যান্টিক স্মাগলার। ঘটে যায় পর পর খুন�� যাঁরা খুন হন তাঁরা সবাই সোহমকে জানাতে চাইছিলেন কোনো এক গোপন রহস্যের কথা। কী সেই রহস্য যা লুকিয়ে রয়েছে পঁচিশ বছর আগে পাঠানো এই চিঠির মধ্যে? এই গোলকধাঁধার সমাধানে সোহম কোন অমূল্য সম্পদের সন্ধান পাবে? কি হবে এই কাহিনির শেষ পরিনতি? জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে এই চমৎকার বইটি।
Profile Image for Imran Mahmud.
155 reviews23 followers
July 21, 2019
ইতিহাসের কিছু তথ্যকে একত্র করে যে আস্ত একটা থ্রিলার বানিয়ে ফেলা সম্ভব, তা দেখিয়ে দিলেন সৌগত। পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর মতোই, এক পরতের রহস্যের সমাধান নিয়ে যায় নতুন আরেক পরত রহস্যের কাছে।

কাহিনী-বুনন চমৎকার সন্দেহ নেই, তবে আমার প্রাপ্তি বাংলার ইতিহাস আর গৌরবের পাঠ আরেকবার নেবার সুযোগ পাওয়া।
Profile Image for Elruin Elmsroot.
312 reviews2 followers
December 16, 2024
A moderately good detective novel.
But, i wish there were more romantic elements in the story.
Some of the historic facts are a bit blurred with imagination here and there.
But, overall, for the sake of the narrative, it’s acceptable.
Profile Image for Fahad Ahammed.
388 reviews46 followers
April 19, 2020
ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনার সাথে যেভাবে যোগসূত্র স্থাপন করে দারুণ একটা আকার দিলেন, অসাধারণ।
Profile Image for Diptajit Misra.
47 reviews27 followers
March 25, 2019
#পাঠ_প্রতিক্রিয়া
বইয়ের নাম: আলিনগরের গোলকধাঁধা
লেখক: সৌগত বসু
প্রকাশক: বুকফার্ম
দাম: ১৯৯₹

না, সিনেমাটা আমার দেখা হয়নি। তবে সৌগত বসুর চিত্রনাট্য আমার বড়ই প্রিয়। বিশেষতঃ ব্যোমকেশ ওয়েব সিরিজ বা ডার্ক ওয়েবের চিত্রনাট্য অতীব উপাদেয়। তাঁর লিখনশৈলীর সঙ্গে পরিচয় হল আজ। চিত্রনাট্য থেকে উপন্যাস হওয়ার নিদর্শন মনে হয় এই প্রথম। যাকগে, অনেক গৌরচন্দ্রিকা হল। এবার আসি বইয়ের কথায়।
কাহিনী গড়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদ আর কলকাতা জুড়ে। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব এই কাহিনীর ট্র্যাজেডির কেন্দ্রবিন্দু। সেই নিয়ে ইতিহাসপাগল সোহম আর তার প্রেমিকা বৃষ্টির ধাঁধার সমাধান নিয়ে এগিয়ে চলে উপন্যাস। পাঠকের সামনে আসে বনেদিবাড়ির কিছু রক্ষণশীলতা এবং শেষে পেশ করা হয় কিছু কেচ্ছা। মূল গল্প বলব না। তবে উপন্যাস হিসেবে হয়তো খুবই প্রেডিক্টেবল, অন্তত আমার মতে। তবে রিসার্চওয়ার্ক খুবই ভাল। প্রচুর তথ্য মনে রাখার যোগ্য। কিন্তু পড়তে গিয়ে রিসার্চজনিত তথ্যের ভিড়ে বারবার গতি হারিয়েছে মূল কাহিনী। সে জন্য হয়তো এক সপ্তাহ বাদে মূল কাহিনী বাদ দিয়ে শুধু তথ্যগুলোই মনে থেকে যাবে। সম্ভবত চিত্রনাট্য থেকে উপন্যাসীকরণ হয়েছে বলেই খলনায়ক বড্ড তাড়াতাড়ি চোখের সামনে চলে এসেছে। বহু জায়গায় মনে হয়েছে 'এই অংশটা আরও একটু ডিটেলড হলে বেশ হত'। মোটের ওপর সুখপাঠ্য। দুঘন্টা ধরে টানা পড়ে বইটা শেষ করার একটা অদম্য ইচ্ছে পাঠককে ধরে রাখে। চরিত্র চিত্রায়ণ খুবই দুর্বল। কোনো চরিত্রকেই নিজের মনের মত করে আঁকা হয়ে ওঠে না। শুধুমাত্র সিনেমা হয়ে গেছে বলে তার কলাকুশলীদের কল্পনা করেই কাজ সারতে হয়।
ওয়ান টাইম রিড ও টাইম কিলার হিসেবে যথেষ্ট ভালো।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Displaying 1 - 8 of 8 reviews