Jump to ratings and reviews
Rate this book

পরাণ ডোমের পোস্টমর্টেম

Rate this book
A collectionon of Psycho-mystrious short stories by Amitav Aronno.

126 pages, Hardcover

First published January 6, 2019

18 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
8 (38%)
4 stars
6 (28%)
3 stars
6 (28%)
2 stars
1 (4%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for A B S Rumon.
Author 4 books37 followers
January 24, 2019
অমিতাভের নিখুঁত কাজ। খুব ভালো লেগেছে বইটি। অনেক অনেক শুভকামনা।
Profile Image for Pritom Mojumder.
36 reviews25 followers
July 29, 2021
বইটা প্রায় দু'বছর ধরে আমার কাছে অতি যত্নে বিছানার তাকে রাখা আছে। নিয়েছিলাম সিনিয়র এক ভাইয়ের কাছ থেকে, এবং নিশ্চয়ই এটা তার জন্য স্পেশাল। কারণ আজ বহু কালবিলম্ব পর যখন বইটা হাতে নিয়েছি দেখছি সেই সিনিয়র ভাইয়ের নামে লেখক স্বয়ং দু'কথা লিখে অটোগ্রাফ দিয়েছেন। এমন অমূল্য উপহার যে এদিকে আমি বাজেয়াপ্ত করে বসে আছি তাতে নিজেকে কিছুটা অপরাধী মনে হচ্ছে। আসলে মাঝখানে হুট করে প্যান্ডেমিকের জন্য ভার্সিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আর ফেরত দেয়া হয় নি।

কিছু ছোটগল্পের সংকলন এটা। গল্পগুলো উপভোগ্য ছিল৷ কিন্তু প্রায় প্রতিটা গল্পই শুরু যেভাবে অসাধারণভাবে হয়েছে শেষটা তেমনভাবে হয় নি। অনেক সময় শেষের দুই পেজ আগেই যেন বোঝা যাচ্ছে কি হতে যাচ্ছে। অবশ্য এটা সমস্যা না। সমস্যা হচ্ছে শেষটা ঠিক শুরুর মত চমৎকার নয়। তবে লেখকের লেখার হাত ভাল আর সেজন্যেই গল্পগুলো পড়তে ভাল লেগেছে। আর পড়ার সময় খুলনা শহরের নাম পেলে তো একটু ভাল লাগবেই। খুলনা খুব গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক শহর হলেও গল্প-উপন্যাসে কিছুটা অবহেলিত শহর।

কারো ছোটগল্পের প্রতি টান থাকলে আমি অবশ্যই বলব এটা পড়ে দেখতে পারেন।
Profile Image for Rafia Rahman.
418 reviews217 followers
July 6, 2022
◑নাম: পরাণ ডোমের পোস্টমর্টেম
◑লেখক: অমিতাভ অরণ্য
◑জনরা: মিস্ট্রি, থ্রিলার, সমকালীন গল্প সংকলন
◑প্রচ্ছদ: বাপ্পাদিত্য চৌধুরী
◑প্রকাশনী: নহলী
◑প্রথম প্রকাশ: বইমেলা ২০১৯
◑পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৬
◑মুদ্রিত মূল্য: ২৫০/-

ছোট গল্পের কথা আসলে মনে পড়ে কবিগুরুর কথা।

❝ছোট গল্পের সমাপ্তি হবে এমনভাবে যেখানে মন তৃপ্তি পাবে না শেষ করতে ইচ্ছা থাকবেনা পাঠকের পরবর্তী ঘটনা জানার আগ্রহে মন ভরে থাকবে।❞

মূলত এই কারণেই ছোটগল্প তেমন একটা পড়া হয় না। সমাপ্তিহীন সমাপ্তি অস্বস্তিকর আমার জন্য। তবে বলতেই হয় কিছু অসমাপ্ত ছোটগল্প ❝অসমাপ্ত❞- ই শ্রেয়।

● পরাণ ডোমের পোস্টমর্টেম —

ডোমের ছেলে ডোমই হবে এমন কি কোনো কথা আছে? তবে পরাণের ভাগ্যে বিধাতা যেন এমনটাই লিখেছিলেন। লাশের সাথে বসবাস যার মৃত্যু তাকে আর তেমন কষ্ট দেয় না। কিন্তু মৃত্যু শোক পরাণকে নাড়া দেয় একবার, ভালোমতোই! মৃত্যুর প্রতিশোধ যে তাকে নিতেই হবে...

বইয়ে গল্প আছে মোট দশটা। প্রথম গল্পের নামেই যখন বইয়ের নামকরণ স্বভাবতই এক্সপেকটেশন বেড়ে যায়। তবে আশানুরূপ হয়নি। মিস্ট্রির যে আভাস লেখক রেখেছেন তা অল্পই। বলতে গেলে একদম শেষেই।

● অরিত্রের অন্তর্ধান —

সবকিছু থাকার পরও কিছু একটা যেন নেই এই ভাবনায় তাড়িত করে শৌনককে। সাজানো-গোছানো সংসার তার আর তরীর। কিন্তু ❝কিন্তু❞- ভাবটা তাকে অস্থির করে তোলে। বারবার মনে পড়ে অরিত্রের কথা। বহুবছর আগে যে হারিয়ে গেছে তাদের জীবন থেকে কেন বারবার পড়ে মনে?

শুরুতেই অনুমান করে ফেলেছিলাম অরিত্রের উধাও হওয়ার রহস্য। তবে গল্পটা ভালো লেগেছে। বিশেষ করে যেভাবে বলা হয়েছে অতীতের কাহিনী। শেষটা একই সাথে হরর, থ্রিলিং, মিস্ট্রির মিশ্রণ।

● শেষ সিদ্ধান্ত —

আঁকাআকি আর রূপন্তী এই দুয়ে মিলে ছিল নীলয়ের জগৎ। কিন্তু নীলয়ের জগৎ থেকে রূপন্তী হারিয়ে গেলেও ছিল আঁকাআকির প্রতি তুমুল নেশা। জীবন গড়িয়ে যায়। হঠাৎ ফিরে আসে রূপন্তী! পূর্বের ন্যায় আবার হতে চায় নীলয়ের জীবনের অংশ। কিন্তু দ্বিধায় পড়ে যায় নীলয়! কেন?

অতীতের স্মৃতিচারণা বলা যায়, শেষ সেদিকেই ইঙ্গিত দেয়। মোটামুটি ধাঁচের লেখা। অতীত-বর্তমানের সম্পর্কের জড়িয়ে পড়া এক দ্বিধান্বিত যুবকের কাহিনী। অতীতকে যেমন মেনে নিতে পারছে না তেমনি বর্তমানকেও অস্বীকার করতে পারছে না। সমাপ্তি অসমাপ্ত।

● শখের সাতকাহন —

বাবা শুধু একটা শব্দ নয়। জীবনের একটা ঢালও বটে। অভাবের সংসার তারপরও বাবা পূরণ করতেন সকল চাহিদা। কীভাবে? সেটা তো বাবা বুঝতে দিতেন না একমাত্র আদরের সন্তানকে। কিন্তু বলে না থাকা পর্যন্ত মূল্য বুঝা দায়। হারিয়ে যেতে লাগলেই যেন ফিরে পাবার আকুতি জেগে উঠে। বাবা যেন হারিয়ে যাচ্ছেন! ফিরে আসবেন কি আবার সন্তানের ডাকে?

লেখকের জবানিতে লেখা ছোট একটা গল্প। বহুকষ্টে, বহু ত্যাগ স্বীকার করে একমাত্র সন্তানের সকল চাওয়া পূরণ করে চলেছেন বাবা। কিন্তু কষ্টের এই হিসাব রাখে কে? নিজের চিন্তায় সন্তান যে বাবা-মাকে ভুলে যায় লেখক এটাই মূলত ফুটিয়ে তুলেছেন গল্পে। শেষটা বেশ ভালো লেগেছে।

● প্রায়শ্চিত্ত —

ইশতিয়াক বেশ বিরক্তই শাহানার প্রতি। দিনকে দিন তার ওজন বাড়াকে সহজভাবে নিতে পারছে না। সন্তানের মা হওয়ার পর থেকে স্বামী-সন্তান ছাড়া যেন তার জীবনে আর কিছুই নেয়। সুখের সন্ধানে ইশতিয়াক বছরের পর বছর প্রতারণা করে চলেছে শাহানারার প্রতি। হঠাৎ একদিন মুহাইমিনের সাথে দেখা হওয়ার পর মনে পড়ে যায় অতীতের ইশতিয়াক-শাহানার একসাথে পথ পাড়ি দেওয়ার দিনগুলো। বুঝে যায় ইশতিয়াক ফিরতে হবে তাকে। কিন্তু সকল পাপের কি প্রায়শ্চিত্ত হয়?

গল্পের প্লট ভালো তবে ভাষা কিছু জায়গায় মার্জিত হলে ভালো হতো। মানব মনের নোংরা অনুভূতি প্রকাশে শব্দও যে এমন হতে হবে বলে আমার মনে হয় না। শেষটা অপ্রত্যাশিত ছিল তবে এমনটা না হলে যেন মানাতো না।

● মায়ের ইচ্ছা —

অপারেশন টেবিলে শুয়ে হাসছে মা অচিন্ত্যের দিকে চেয়ে। কিন্তু অচিন্ত্যের মন যে ভয়ে কাঁপছে! হাতে সময় নেই অপারেশন যে তাকে করতেই হবে। আর মায়ের ইচ্ছে তার হাতেই হবে অপারেশন। পারবে কি অচিন্ত্য মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতে?

পৃথিবীতে আসার আগেই মায়ের সাথে সন্তানের বন্ধন গড়ে উঠে। সন্তান যেমন বিশ্বাস করে মা তাকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করবে মায়েরও এমন মনোভাব কি অমূলক? বইয়ের সবচেয়ে ছোট গল্প কিন্তু সবচেয়ে সুন্দর। বিশ্বাসের উপরে কিছু নেই লেখক যেন এটাই বলতে চেয়েছেন।

● শেষ স্বপ্ন —

ছোট থেকে অবহেলিত হুলো। জন্মের পর থেকে অযত্নের জন্য আজ অনেকটাই দূর্বল। ভাগ্যের প্রতি তিক্তবিরক্ত। ভোলা ময়রাকে মাছ নিয়ে ফিরতে দেখে হুলো। একটাই স্বপ্ন এখন তার ❝এক টুকরো ইলিশ❞...

হুলো নামের হলদেটে বিড়ালের জীবন কাহিনী। অতীত থেকে বর্তমান সময়ে সে অতিষ্ঠ তারই ভাইয়ের জন্য। শেষটা কষ্টদায়ক। কার ফল পায় কে!!!

● জ্যোতির বন্ধু —

মা-বাবার ঝগড়ায় অতিষ্ঠ ছোট জ্যোতি। অকূলপাথারে পড়ে যখন বাবা-মা আলাদা হয়ে যায়। মাও তাকে সময় দেন না ঠিকমতো। কিন্তু পাশে আছে সবসময় প্রাণের বন্ধু রূপম। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় রূপম তার মনের সব খবর জানে!

মানব মন বড়োই রহস্যময়। জ্যোতির বন্ধু তারই নিদর্শন। যদিও রহস্য তবে আগেই অনুমেয়। তবে শেষটা যে এভাবে হবে এটা রহস্যই বটে।

● শ্যামল স্যার —

দেশকে ভালোবেসে যুদ্ধের পরও থেকে গেছেন দেশে। বিশ্বাস ছিল ভালোবাসা ��িল দেশাত্মবোধেরের আগে ধর্মের ভেদাভেদ থাকবে না। কিন্তু শ্যামল স্যারের বিশ্বাস-ভালোবাসা কি পূর্ণতা পেয়েছিল?

স্বপ্ন, ভালোবাসা, বিশ্বাস যে মানুষকে কতটা শক্তিশালী করে তোলে ❝শ্যামল স্যার❞ যেন তারই আখ্যান। লোভে পড়ে মানুষ হয়ে যায় মানুষ থেকে অমানুষ। বিবেক লোপ পায়।

● প্রত্যাবর্তন —

অতীতের ফেলে যাওয়া গ্রামে ফিরে যায় সমীরণ। নিজেদের বসতভিটায় পা রেখে হয়ে পড়ে স্মৃতিকাতর। সাফল্যের সাথে বসবাস কিন্তু অকৃত্রিম সম্পর্কের দেখা পায়নি সে বহুবছর। প্রাণের বন্ধু মিন্টুর জায়গা তো আজও কেউ নিতে পারে নায়।

জীবনের তাগিদে শহরে পাড়ি জমায় অনেকেই। কেউ মানিয়ে নেয় তো কেউ পারে না মানিয়ে নিতে। কিন্তু গ্রামের স্নিগ্ধ শীতল স্মৃতি কি ভুলে থাকা যায়? বিদেশে পাড়ি দেওয়ার আগে সমীরণ শেষবারের মতো নিজ গ্রামে ফিরে যায়। স্মৃতিচারণ করে অতীতের, কেন ছেড়েছুড়ে গেছিলো সব।

.
.
.

গল্পসংকলনে সকলই গল্পই যে ভালো হবে এমনটা আশা আসলে করা যায় না। তবে ওভারঅল মোটামুটি লেগেছে। কিছু গল্প অসাধারণ তো কিছু সাধারণ। প্লট কমন। কিছু গল্প শুরুটা যেমন ছিল শেষটা তেমন আশানুরূপ হয়নি। রেটিং দিতে হলে দিবো ৩.২। প্রচ্ছদটা আরও সুন্দর হতে পারতো। বইয়ে কিছু বানান ভুল আছে। কিছু চরিত্রের নামের মধ্যেও গন্ডগোল আছে তবে তা অল্পই। বইয়ের প্রোডাকশন ভালোই।
Profile Image for রি য়ে ন.
170 reviews23 followers
January 30, 2019
বই এর নাম শুনে মনে হলো ভৌতিক বই। কিন্ত বই এর কোথাও ভূতের দেখা পাইনি। তবে ভূতের চেয়েও ভয়ংকর কিছু মানুষের দেখা পেয়েছি।
বইতে মোট ১০ টি ছোট গল্প রয়েছে। অন্যদের কাছে কেমন লেগেছে গল্প গুলো আমি জানি না। তবে আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগেনি গল্প গুলো!

বই এর প্রথম গল্প পরাণ ডোমের পোস্টমর্টেম এর শুরুটা বেশ ছিল। যেভাবে শুরু হয়েছিল তাতে অনায়াসেই একটা উপন্যাস হতে পারতো। কিন্তু তা না করে একে ছোট গল্প করে ফেলল!
পরের গল্পটা জমে ছিল বেশ ভালো। রোমান্টিকতা ছিল খুব। কিন্ত শেষটা কেমন যেন হয়ে গেল। শেষটা অন্যরকম হতে পারতো। কেমন যেন অতিপ্রাকৃত হয়ে গেছে গল্প।
সব গল্প নিয়ে আলোচনা করলাম না।গল্প গুলো নিয়ে রিভিউ হয়েছে অনেক ‌। আমি রিভিউ লেখক হিসেবে খুবই খারাপ।

লেখকের গল্প গুলোর থেকে কথকের শাপমোচন এর লেখা গুলো বেশি ভালো লেগেছে । “শেষমেশ আমি গল্পলেখক হওয়ার চেষ্টা বাদ দিয়ে গল্পকথক হয়ে গেছি।” ভাল্লাগে ব্যাপারটা।
লেখক বলেছে যদি পাঠাকের একটা গল্পও ভালো লেগে থাকে তবে তার গল্প লেখা সার্থক। বই এর ৪র্থ গল্প শখের সাতকাহন আমার কাছে বেশ লেগেছে। বলা যায় ছোট্ট গল্পটি আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। আমার চোখ ছল ছল করে উঠেছিল। এতোটা আবেগ প্রবণ আমি জানতাম না।
গল্পের একাংশ,
বাবা জিগেস করলেন,“কী লাগবে রে খোকা?”
আমি ফুঁপিয়ে উঠলাম,“তোমাকে লাগবে আমার। তোমাকে চাই আমার। আর কিচ্ছুটি চাই না। তুমি সুস্থ হয়ে ফিরে এসো।”
বাবা খানিকক্ষণ আমার দিকে অবাক হয়ে চেয়ে রইলেন। তার নিষ্প্রভ চোখের মণি আস্তে আস্তে উজ্বল হয়ে উঠল। তারপর অতি আস্তে উনি মাথা নাড়লেন,“অ। আচ্ছা দেহি কি করা যায়।”

লেখকের প্রথম বই। নতুন লেখক হিসেবে গল্প গুলো বেশ ভালো। আসা করি পরের বার উনি আরো ভালো কিছু লিখবেন এবং ফাটিয়ে দিবেন। লেখকের প্রতি ভালোবাসা আর শুভকামনা।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.