"তাদের মা মেয়ের অন্নদদাতা আঙ্গারীঘাট, একে ভালো না বেসে উপায় নেই!"
"অসহায়ত্বের দোহাই দিয়ে এই জগতে বেঁচে থাকা যায় না, তবে প্রকৃতিই মানুষের নিজেকে রক্ষা করতে শেখায়! "
"গরীবের ঘরের মেয়ের রূপ থাকলেও জ্বালা না থাকলেও জ্বালা। থাকলে কামুক লোভী চোখের ছকছকানি, না থাকলে অর্থলোভীদের পোয়াভারী!"
"শাপলার আব্বা আমরা আবার দুনিয়াতে আসব দু'জন। কিন্তু মানুষ হয়ে না, পাখি হয়ে। মানুষ হওয়ার বড় জ্বালা"
নদীটার নাম আঙ্গারীঘাট, নামে ঘাট তবে পুরোপদস্ত একটি নদী এটা। আর তারই মায়াজালে বাধা পড়া বা বলা যায় নদী যার জীবনের অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ এমন দুই নারীর জীবনের গল্প আঙ্গারীঘাট। মনিরা স্বামী সন্তান নিয়ে দেশে ফিরেছে দশ বছর পর। যারপরনাই খুশি সন্তান আফরা আরাজ। আর মনিরার পুরোটা জুড়ে আছে একটা উপ্যাখ্যান। আঙ্গারীঘাট। নদীটার সাথে জড়িয়ে তার জীবনের একটা বড় অংশ। শৈশব - কৈশোরের বেড়ে ওঠা বন্ধুত্ব প্রথম ভালোবাসার পরশ কি নেই তার নদীটার সাথে। গোসলের পানির অভাবের জন্য নদীর ধারের করা আড়াল ঘর হোক বা কালো দাদির স্মৃতি সব যেন মিশিয়ে দিচ্ছিল একটা ভালোবাসা আর সুক্ষ্ম একটা ব্যাথা! কি সেটা?
ভালোবাসা! রুপ! দারিদ্র! আর অভাব! সব মিলিয়ে পরিপূর্ণা বাশেরা। একদম অবহেলিত এই নারী চরিত্রটা সুখ খোঁজে নিজের মাঝেই। নদীটা তার সব! সব তার স্বামী বাবুল আর সন্তান শাপলা শালুক! এই অশিক্ষিত মহিলার মাঝে দেখা যায় এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্বের স্ফূরণ। বিয়ের বাজারে দরাদরি হোক বা ভালোবাসার মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, হিতাকাঙ্ক্ষা সব মিলিয়ে কোথায় দাঁড়াবে সে? সেই বাশেরা, যে নদীকে ভালোবাসে। মাতৃতুল্যা নদীর জন্য অশিক্ষিত এই মেয়ে মানুষ গড়ে তুলেছিল দুর্বার প্রতিবাদ। কিন্তু ছেড়ে কইতে পারে ক্ষমতাসীন দল? সামাজিকতা আর দায়বদ্ধতার সাথে কতটা খাপ খাইয়ে নিতে পারে মানুষ? জানতে চান?
। দুটি ভিন্ন পরিমন্ডলের দুটি ভিন্ন নারীর গল্প আঙ্গারীঘাট। দুই মিলেছে একটা জায়গায়। নদীর প্রতি টান, ভালোবাসা। এ নদীই কি আবার তাদের এক করে দিবে? নদীর বাঁকে বাঁকে লুকানো অন্তর্ঘাত সইতে পারবে তারা? পাফকের চিন্তার জগতের স্ফুরণ ঘটাবে আঙ্গারীঘাট।
। #প্রতিক্রিয়া :
নদী ও নারীর জীবনের ঐকতানের গল্প আঙ্গারীঘাট। প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি, হারানোর বেদনা, সুখ প্রেম বা কখনো সামাজিক অসঙ্গতির এক বিমূঢ উদাহরণ আঙ্গারীঘাট। নদী যার কাছে মা, তার কাছেই হয়ত সর্বনাশা। স্বজন হারানো বা নদীভাঙ্গনের গল্প নয়, গল্পটা লৌকিক সামাজিকতা, আর আড়ালে থাকা প্রচ্ছন্ন অস্তিত্ববাদ ও জীবনবোধের। পরিসর যেখানে বড় না সেখানে চারিত্রিক দ্বিত্বতা ও গল্পের আকস্মিক কোনো ঘটনা আপনাকে ভাবাবে। যৌতুক ও বাল্যবিবাহ! নিঃসন্দেহে দুটি প্রকট সামাজিক ব্যাধি কিন্তু তার মাঝে কোনটা প্রকট ও কেন? গল্পটা কিছু অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত মানুষের ব্যক্তিত্বের, কখনো বা অতিমাত্রায় শিক্ষিত কোনো মানুষ। যাদের জীবনকে জুড়ে দিয়েছে একটি সুক্ষ্ম রেখা, আঙ্গারীঘাট।
* ব্যক্তিত্বের স্ফূরণ! বিষয়টা যতটা সহজ শোনায় ততটা সহজও না। আমরা শিখি আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে, শিখি আমাদের চারপাশের মানুষ ও পরিস্থিতি থেকে। আর এ শিক্ষা কোনো অংশেই পুস্তকের শিক্ষার চেয়ে কম না। লেখিকা এই জীবনবোধটাকে বইটাতে ছড়িয়ে দিতর সক্ষম হয়েছেন। তাই অতি শিক্ষিত মনিরা আর অশিক্ষিত বাশেরা চরিত্র দুটিকে তুলনা করা গেছে। তবে শেষটায় যদিও বাশেরা চরিত্রে পুরোটা আমরা দেখতে পাইনি তবে আমরা একটা চারিত্রিক স্বতন্ত্রতা দেখতে পেয়েছি। পাশাপাশি বেশ কিছু অপ্রধান চরিত্রে আরো খানিকটা করে ফোকাস করলে ভাল হত।
* ভাষাগত উৎকর্ষতা ও গল্পের প্রবাহ : বইটা একদম মৃদু একটা রিদমে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে গেছে। স্টোরি ফ্লো আকর্ষক তবে টুইস্ট বা উৎকর্ষের অভাব পেয়েছি বইটাতে। হালকথা বইটার ভেতরে বেশ কিছু সামাজিক অসঙ্গতি ও প্রকট কিছু সমস্যার আভাস আমরা পেয়েছি, পাশাপাশি একটা মেসেজও বইটা দিয়ে গেছে সেদিক বিবেচনায় বইটা বেশ ভাল তবে গল্পের প্রবাহ কিছুটা সাদামাটা। বইটার ভাষাগত দিকটা বেশ ভাল! গ্রাম্য ভাষার ব্যবহার বইটাকে অন্যমাত্রা দিয়েছে। তবে শব্দচয়নে আরেকটু সচেতন হবার দরকার ছিল বলে মনে করি।
* বই এর ভাব ও সামাজিকতা : বইটার ভেতরে ফুটে ওঠেছে একটা সুক্ষ্ম অস্তিত্ববাদ ও টিকে থাকার লড়াই এর আভাস । সেই টিকে থাকাটা সমাজের মানুষ হিসেবে, সেই টিকে থাকাটা ক্ষমতায় থাকতে, টিকে থাকাটা নিজের প্রিয় মানুষ বা প্রিয় বস্তুকে রক্ষা করতে। বইটার সবচেয়ে স্ট্রং দিক বইটার অস্তিত্ববাদ ও সামাজিক সমস্যার কথা তুলে ধরা। দৃপ্ত গলায় অশিক্ষিত একজন মা যখন বলে যৌতুক প্রথার জন্য মুলত বাল্যবিবাহ তখন তার পেছনে সামাজিক আখ্যান প্রকট হয়ে ধরা পড়ে। আবার বাল্যবিবাহের কুফল ও ক্ষমতাসীন লোকদের আগ্রাসন সব মিলিয়ে আঙ্গারীঘাট বাস্তবতার প্রতিচ্ছায়া।
* বর্ণনা ও প্লট বিবেচনা : সামাজিক ঘরানার বইগুলোতে সচরাচর আমরা দেখি প্লটে বৈচিত্র্য থাকে না, আমাদের চেনা পরিচিত পরিমন্ডলের গল্পগুলোকেই তাতে ইনক্লুড করা হয়। তাতে সুবিধে হলো আমরা সহজেই চরিত্রগুলোকে বাস্তবের সাথে তুলনা করতে পারি, তাতে অসুবিধে হলো গল্পটার টুইস্টের পরিমাণ কমে যায়, বা পাঠক পুর্বেই শেষটা অনুমান করতে পারেন। আঙ্গারীঘাটের ক্ষেত্রে কথাটা পুরোপুরি খাটে না। এই প্লটটা প্রকৃতার্থেই ব্যতিক্রমী আর বইটার শেষটা বেশ অদ্ভুত ছিল, শুরতে যে নদী দুটি নারীর সব ছিল সেই নদীই দুমড়ে মুচড়ে দিয়ে গেল তাদের পুরো জীবন। ভিন্নধর্মী এই শেষটা পাঠক হিসেবে আমাকে বেশ আনন্দ দিয়েছে। প্লট বিবেচনায় আনলে বইটা অবশ্যই বেশ ভালো মানের তবে বর্ণনার কথা আনলে, যেমন : মনিরা পলাশের আগের গল্পটা বা বাশেরা বাবুলের গল্পটা এগুলো বেশ সাদামাটা ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। হালকথা বর্ণনার কথা বিবেচনা করলে বইটার ওপর খানিকটা আরো কাজ করা যেত।
* প্রচ্ছদ, প্রুফ রিডিং লাইন ব্রেক : প্রচ্ছদ নিয়ে যদি বলি তবে দূরে একটা নদী দেখা যাচ্ছে আর সামনে কালো একটি নারী অবয়ব। বইটার অন্যতম প্রধান একটা দিক হলো নদী ও নারী জীবনের একটা বন্ধন আর সেটা প্রচ্ছদে প্রকাশ পেয়েছে। তবে কাভারের সামনের নারী অবয়বটাকে বাস্তবের চেয়ে কার্টুন কার্টুন লাগছে। এ বিষয়টা আরেকটু নজরে রাখা যেত। নহলীর শুরুর দিকের বইগুলোর প্রুফ রিডিং বেশ ভাল ছিল, সে ধারা এটাতেও বজায় আছে তবে হ্যাঁ বেশ কিছু জায়গায় লাইন ব্রেক জনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। যেমন : ৩৫ নাম্বার পেজে লাইন ব্রেক, ৯৮ পেজে (তৃপ্তির) শব্দটি ভেঙ্গে (তৃ প্তির) হয়ে গেছে। এবিষয়টা আরেকটু নজরে রাখা যেত।
সর্বোপরি বইটার একটা ভিন্নধাচের নাম,ভিন্নধর্মী একটা প্লট আর লেখিকার জীবনবোধ সব মিলিয়ে ভরপুর একটা গল্প আঙ্গারীঘাট। নিঃসন্দেহে আপনার পাঠক মানসকে আনন্দ দিতে সক্ষম হবে। বইটার পরিব্যাপ্তি আর বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বইটা একটা বেশ ভালোমাণের সাহিত্যকর্ম। এবারের বইমেলার লিস্টে রাখতেই পারেন তাই বইটাকে।
নদীর তীরবর্তী মানুষগুলোর নদীর প্রতি এক তীব্র আকর্ষণ কাজ করে। নদী কেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা হওয়ায় নদীকে তারা মায়ের মত ভালোও বাসে। এই নদীই আবার তাদের সর্বনাশের কারণ হয়ে ওঠে। আঙ্গারীঘাট শুধুমাত্র একট�� ঘাট নয়, আস্ত এক নদী। স্থানীয়রা আঙ্গারীঘাট বললেও এই নদীর নাম 'ছেউটি'। নারীর মত এই নদীও রহস্যময়। মতাময়ী মায়ের মত অন্নের যোগান দেয়া এই শান্ত নদী কখনো কখনো বিধ্বংসী দানব হয়ে ওঠে।
কাহিনী সংক্ষেপ: উপন্যাসের কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র মনিরা এবং বাশেরার জীবনের উত্থান পতনের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে আঙ্গারীঘাট। দীর্ঘ দশ বছর পর মনিরা দেশে ফিরেছে। ফিরেছে তার শৈশবের বেদনা-মধুর স্মৃতিময় আঙ্গারীঘাটের কাছে। এই ঘাটেই পরিচয় হয় বাশেরার সাথে। বাশেরা রূপবতী, চঞ্চল, প্রতিবাদী মুখরা। এই নারীকে আপাতদৃষ্টিতে সুখী মানুষ বলেই মনে হয়। ভীষণ রূপবতী এই নারী বাবুল নামের সহজ সরল কৃষ্ণকায় মানুষটাকে বিয়ে করে সংসার পেতেছেন। জন্ম থেকে আঙ্গারীঘাটের সাথে সখ্যতা বাশেরার। নদীকে কেন্দ্র করে নিজের অজান্তে জড়িয়ে পড়েন এক রাজনৈতিক খেলায়। সে খেলায় জুটে যায় অসংখ্য শত্রু। নদীর সাথে অভিমান হয় তার, ভীষণ অভিমান। সেই অভিমানেই দীর্ঘ ৫ বছর ধরে এই নদীকে ছুঁয়েও দেখে না বাশেরা। জটিলতা ঘিরে আসে জীবনে। বাশেরার গল্প শুনতে শুনতে মনিরা আবিষ্কার করে, সুখী মানুষটার বুকের ভেতর আস্ত এক নদী দুঃখ চেপে রাখা। সেই দুঃখবোধের সাথে কোথায় যেন নিজের সাথে মিল খুঁজে পায় মনিরা। বাশেরা টেরও পায় না, তার জন্য কারো বুকের গভীর ক্ষতে জ্বালা করে ওঠে। মনিরার ১৪ বছর বয়সের ছোট্ট বুকে এই বিশাল নদী যে শূন্যতার সৃষ্টি করেছিলো, ৩৫ বছর বয়সে এসেও মনিরা সেই দুঃখ ধারণ করতে পারেনি। সেই অভিমানে দীর্ঘ ১০ বছর নিজেকে স্বেচ্ছায় নির্বাসিত করেছে কানাডায়। স্বামী মানুষটার অসহযোগিতার কারণে সুখী হতে পারেনি মনিরা। দশ বছরে বদলেছে অনেক কিছু, কেবল এই নদীকে কেন্দ্র করে পলাশ নামের ঘোর থেকে মুক্তি মিলেনি মনিরার। ছুটি শেষ হয় মনিরার। ফিরতে হয় কানাডায়। তবে ফেরার আগে বাশেরাকে কথা দিয়ে যায় শীঘ্রই তাদের প্রতিবেশী হয়ে ফিরে আসবে। নদীর তীরে জ্যোৎস্নাবিলাস করবে একসাথে। ফিরে এসেও ছিল মনিরা। কিন্তু নিয়তি ততদিনে অন্য খেলা খেলেছে। পূরণ হবে মনিরার স্বপ্ন? বাশেরার জীবনের জটিলতা কমবে, না ক্রমাগত বেড়েই চলবে? আলোচনা: আঙ্গারীঘাট একটি আঞ্চলিক ট্রাজিক উপন্যাস। লেখক নিপুণ হাতে চিত্রিত করেছেন নদী ও নারীর জীবনালেখ্য। সমাজের দুই স্তরের দুই নারীকে এক স্থানে এনে দাঁড় করিয়েছেন নদীকেন্দ্রিক দুঃখবোধ থেকে। গল্পের প্রয়োজনে নানান চরিত্র এনেছেন। এনেছেন প্রভাবশালী কূটকৌশলী জয়নাল আলী, শিক্ষিত প্রতিবাদী মিঠাই, অর্থলোভী অশিক্ষিত গ্রাম্য দরিদ্র জনগণ, বুদ্ধিমতী মুখরা বাশেরা, সংসারে শ্যাওলা হয়ে থাকা শিক্ষিতা অসুখী মনিরার মত চরিত্র। এদের প্রত্যেকটা চরিত্র আমাদের সমাজের বাস্তব চরিত্র। শুরু থেকেই একটা ট্রাজেডির আভাস দিয়ে উপন্যাসের আরম্ভ। এরপর ছোটখাটো বেশকিছু টুইস্ট নিয়েই এগোয় গল্প। লেখক নারী বলেই হয়তো দুই নারীর দুঃখ, আবেগ, অভিমান গভীর করে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। বাশেরা কিংবা মনিরার দুঃখগুলো যে কাউকে ছুঁয়ে যাবে নিঃসন্দেহে। তবে নারী লেখকদের লেখায় নারীসুলভ যে ছাপ থাকে, সে ছাপ খুব কমই এসেছে উপন্যাসে। এটি লেখকের প্রথম উপন্যাস হলেও কাহিনী বিন্যাসে দক্ষতার ছাপ ছিল যথেষ্ট। উপন্যাসটির বিশেষত্ব হচ্ছে এর ভাষা। উপন্যাসের বর্ণনার ভাষা চলিত, কিন্তু পাত্র-পাত্রির মুখের ভাষা কৃত্রিমতা বিবর্জিত আঞ্চলিক ভাষা। লেখকের নিজস্ব বর্ণনার ভাষা ও পাত্র-পাত্রির মুখে প্রযুক্ত আঞ্চলিক ভাষার পরিমিত ও শৈল্পিক প্রয়োগ উপন্যাসটিকে উপভোগ্য ও সার্থক করে তুলেছে। সমসাময়িক নারী লেখকদের লেখার কন্টেন্ট এর কারণে তাদের প্রতি যে বিতৃষ্ণা সৃষ্টি হচ্ছে, এই উপন্যাসটি সে বিতৃষ্ণা দূর করতে সক্ষম। 'আঙ্গারীঘাট' উপন্যাসে আমি সমালোচনা করার মত কিছুই পাইনি। দু-একটা বানান ভুল থাকলেও সেটা বিরক্তির পর্যায়ে ছিল না। তবে হ্যাঁ, কাহিনীর মত বইয়ের প্রচ্ছদটাও আরও জীবন্ত হতে পারতো।
সুন্দর উক্তি: 'জিন-ভূত বলো, আর জন্তু-জানুয়ার বলো, মানুষের চায়ি ভয়ের তো কাউকে মনে হয় না।' ' যে যত গরীব, এই সংসার সমুদ্রে তার চাওয়া তত কম।' 'গরীবঘরের মেয়েদের রূপ থাকলেও জ্বালা, না থাকলেও জ্বালা। থাকলে কামুক লোভী চোখের চকচকানি, না থাকলে অর্থলোভীদের পোয়া ভারী।' শুভ কামনা 'আঙ্গারীঘাট' এবং লেখকের দ্বিতীয় উপন্যাস 'মানতাসার জঙ্গলে'র জন্য। হ্যাপি রিডিং!