What do you think?


ইতিহাসের যাত্রী
- GenresNonfictionHistory
150 pages, Hardcover
Published February 1, 2019
About the author
মহিউদ্দিন আহমদ
99 books153 followersজন্ম ১৯৫২, ঢাকায়। পড়াশোনা গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে। ১৯৭০ সালের ডাকসু নির্বাচনে মুহসীন হল ছাত্র সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বিএলএফের সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। দৈনিক গণকণ্ঠ-এ কাজ করেছেন প্রতিবেদক ও সহকারী সম্পাদক হিসেবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সুংকোংহে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মাস্টার্স ইন এনজিও স্টাডিজ’ কোর্সের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অধ্যাপক। তাঁর লেখা ও সম্পাদনায় দেশ ও বিদেশ থেকে বেরিয়েছে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা অনেক বই।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
February 9, 2019
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ এই গ্রন্থে যাত্রী আর স্বয়ং ইতিহাস হিসেবে আছেন প্রবীণ সাংবাদিক আমানউল্লাহ কবির। প্রাণখুলে কথা বলেছেন আমানউল্লাহ কবির৷ ভালো শ্রোতা হিসেবে মহিউদ্দিন আহমদও কথার রথ ঘুরিয়ে এনেছেন রাজনীতি থেকে সাংবাদিকতার নানা অলি-গলি। তাতে পাঠক খোঁজ পাবেন এমন সব ঘটনার, যার ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে অতীতের নানা স্মৃতি। সেইসব ঘটনার সাক্ষী আমানউল্লাহ কবির। অত্যন্ত আগ্রহভরে অতীত মন্থন করেছেন ভূয়োদর্শী এই সাংবাদিক। স্মৃতির দ্বার খুলে দিয়েছেন আমানউল্লাহ কবির। আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন, পাঠককে।
আমানউল্লাহ কবির তখন নবীন সাংবাদিক। দেখা করতে গেছেন কর্নেল ওসমানীর সঙ্গে। তাঁর মুখেই শুনুন বাকি ঘটনা,
' একটা আ্যলসেশিয়ান ছিল তাঁর বাসায়। ওই কুকুরটার নাম শুনলাম যে, ফিল্ড মার্শাল দিয়েছেন?
ইয়েস, প্রিসাইজলি আ্যজ সো। রাইট।
আমি বললাম, স্যার, আইয়ুব খান তো ফিল্ড মার্শাল ছিল। সেইটার সঙ্গে কি কানেক্টড কিছু?
ইয়েস ইয়েস, রাইট, প্রসাইজলি সো। '
বঙ্গবন্ধু কিংবা জিয়ার আমলে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার কাজটি হয়নি। এরপর প্রতিটি সরকার তালিকা নিয়ে নয়-ছয় করেছে। এই তালিকা মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ওসমানীর সাথে কথোপকথন নিয়ে আমানউল্লাহ কবির স্মৃতিচারণ করলেন,
' ইন্টারভিউর একটা স্টেজে আমি একটা প্রশ্ন করলাম, স্যার আপনি তো মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার, লিবারেশন ফোর্সের কমান্ডার আপনি। যুদ্ধের পরে মুক্তিযোদ্ধাদের যে লিস্ট হলো না এই কত বছর, সেভেন্টি ওয়ান থেকে আজ এইট্টি ওয়ান - আ্যবাউট টেন ইয়ার্স। তো এইটা কেমন হলো না? আপনি বেঁচে থাকতে, আপনি আ্যকটিভ থাকতে এটা হলো না? তখন উনি বিশেষ কিছু না বলে বলল,
ইউ আর রাইট। আমি মাস্টার জিয়াকে বলেছিলাম। শেখ সাহেবের কথা কিছু বলে নাই এই ব্যাপারে। জিয়াউর রহমানকে উনি মাস্টার জিয়া বলতেন। মাস্টার জিয়াকে একাধিকবার বলেছি এটা করতে। মাস্টার জিয়া করল না। '
শেখ সাহেব কেন তালিকাটা করলেন না? এর জবাবটা আমানউল্লাহ কবির এভাবে দিলেন,
' হোয়াই ইট ওয়াজ নট ডান? বিকজ, আমার নিজের কনক্লুশন হলো, বিকজ আওয়ামী লীগ, হ্যাড নট পার্টিসিপেটেড এনাফ টু জাস্টিফাই দেয়ার স্ট্যান্ড। লিস্ট হয়ে গেলে তো বেরিয়ে আসবে যে, আওয়ামী লীগের বাইরেই হইল নাইনটি ফাইভ পার্সেন্ট। '
আমানউল্লাহ কবিরের বাবা রাজনীতিক বিডি হাবীবুল্লাহ। যিনি শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেই সুবাদে পাকিস্তান আমলের রাজনীতির অনেক রথী-মহারথীর সাথেই পরিচিত ছিলেন। সোহরাওয়ার্দী এবং হক সাহেবকে নিয়ে অত্যন্ত চমৎকার মূল্যায়ন করেছেন আমানউল্লাহ কবির।
বঙ্গবন্ধু এবং বেগম মুজিবের কথা বহুবার বলেছেন এই প্রবীণ সাংবাদিক। বেগম মুজিবের অকৃত্রিম আন্তরিকতার কথা স্মরণ করেছেন।
সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একচেটিয়া জয়ের কারণ শুধু নিরঙ্কুশ জনসমর্থন নয় - এমনটাই দাবি আমানউল্লাহ কবিরের। সত্তরের নির্বাচন বর্জন করেছিল এদেশের বেশিরভাগ দল। তাই এমন ভূমিধস বিজয় পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। নতুবা অল্পকিছু হলেও আসন পেতো অন্যান্য দলগুলো। উল্লেখ্য, বদরুদ্দীন উমর তাঁর আত্মজীবনীর তৃতীয় খন্ডেও সত্তরের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অনেকটা এমনই বিশ্লেষণ করেছেন।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা(বাসস)এর সম্পাদক ছিলেন আমানউল্লাহ কবির।এরশাদ ও জিয়ার আমলে কাজ করেছেন সরকারি এই সংবাদ সংস্থায়। সামরিক শাসনের যুগের সাংবাদিকতা নিয়ে বিশেষ কথা নেই। তবে নিজের কিছু ব্যক্তিগত কৃতিত্বের স্মৃতি স্মরণ করেছেন।
ভাষা আন্দোলন, সোহরাওয়ার্দী, যুক্তফ্রন্ট, আইয়ুবের সামরিক শাসন, বেসিক ডেমোক্রেসির অধীনে সংসদ। সেই সংসদের কিছু ঝানু পার্লামেন্টারিয়ানকে ঘিরে নিজের স্মৃতিকে ঝালিয়ে নিয়েছেন আমানউল্লাহ কবির।
বিএনপি, বিশেষ করে তারেক জিয়াকে নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত ছিলেন আমানউল্লাহ কবির। এই দলের নেতৃত্ব নিয়ে তিনি খুবই বিরক্ত। শেখ হাসিনাকে নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ,
' শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়লে বিএনপি যাতে না আসতে পারে, সেই রকম অবস্থায়ই ক্ষমতা ছাড়বেন, ইফ শি হ্যাজ আ চয়েস। এবং বিএনপি ইজ নট প্রিপেয়ার্ড টু বি ইন দ্য গভর্নমেন্ট এগেইন। '
বহুদিকে গেছে আলাপচারিতা। তাতে রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ আছে, এমন পাঠক নিজের চিন্তার খোরাক খুঁজে পাবেন৷
মহিউদ্দিন আহমদের লেখা নিয়ে কিছু বলার আছে। আলাপচারিতা লিখেছেন মহিউদ্দিন আহমদ।জনাব আমানউল্লাহর বক্তব্যকে কতখানি অপরিবর্তনীয় ভঙিতে তিনি লিখেছেন তা আমাদের জানা সম্ভব নয়। বক্তব্যের কতটা বাদ দিয়েছেন, কতটা গ্রহণ করেছেন সেটাও জানা যায় না৷ তাই বইটির পক্ষে শতভাগ আস্থার জায়গাটি দখল করা সম্ভব নয়৷ লেখার মধ্যে প্রাঞ্জলতার ঘাটতি ছিল। অনেকক্ষেত্রেই ঘটনার পুরোটা বুঝতে পারিনি। সাজাতে পারেন নি লেখক৷ যত্নের অভাব লক্ষণীয়।
আমানউল্লাহ কবির তখন নবীন সাংবাদিক। দেখা করতে গেছেন কর্নেল ওসমানীর সঙ্গে। তাঁর মুখেই শুনুন বাকি ঘটনা,
' একটা আ্যলসেশিয়ান ছিল তাঁর বাসায়। ওই কুকুরটার নাম শুনলাম যে, ফিল্ড মার্শাল দিয়েছেন?
ইয়েস, প্রিসাইজলি আ্যজ সো। রাইট।
আমি বললাম, স্যার, আইয়ুব খান তো ফিল্ড মার্শাল ছিল। সেইটার সঙ্গে কি কানেক্টড কিছু?
ইয়েস ইয়েস, রাইট, প্রসাইজলি সো। '
বঙ্গবন্ধু কিংবা জিয়ার আমলে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার কাজটি হয়নি। এরপর প্রতিটি সরকার তালিকা নিয়ে নয়-ছয় করেছে। এই তালিকা মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ওসমানীর সাথে কথোপকথন নিয়ে আমানউল্লাহ কবির স্মৃতিচারণ করলেন,
' ইন্টারভিউর একটা স্টেজে আমি একটা প্রশ্ন করলাম, স্যার আপনি তো মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার, লিবারেশন ফোর্সের কমান্ডার আপনি। যুদ্ধের পরে মুক্তিযোদ্ধাদের যে লিস্ট হলো না এই কত বছর, সেভেন্টি ওয়ান থেকে আজ এইট্টি ওয়ান - আ্যবাউট টেন ইয়ার্স। তো এইটা কেমন হলো না? আপনি বেঁচে থাকতে, আপনি আ্যকটিভ থাকতে এটা হলো না? তখন উনি বিশেষ কিছু না বলে বলল,
ইউ আর রাইট। আমি মাস্টার জিয়াকে বলেছিলাম। শেখ সাহেবের কথা কিছু বলে নাই এই ব্যাপারে। জিয়াউর রহমানকে উনি মাস্টার জিয়া বলতেন। মাস্টার জিয়াকে একাধিকবার বলেছি এটা করতে। মাস্টার জিয়া করল না। '
শেখ সাহেব কেন তালিকাটা করলেন না? এর জবাবটা আমানউল্লাহ কবির এভাবে দিলেন,
' হোয়াই ইট ওয়াজ নট ডান? বিকজ, আমার নিজের কনক্লুশন হলো, বিকজ আওয়ামী লীগ, হ্যাড নট পার্টিসিপেটেড এনাফ টু জাস্টিফাই দেয়ার স্ট্যান্ড। লিস্ট হয়ে গেলে তো বেরিয়ে আসবে যে, আওয়ামী লীগের বাইরেই হইল নাইনটি ফাইভ পার্সেন্ট। '
আমানউল্লাহ কবিরের বাবা রাজনীতিক বিডি হাবীবুল্লাহ। যিনি শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেই সুবাদে পাকিস্তান আমলের রাজনীতির অনেক রথী-মহারথীর সাথেই পরিচিত ছিলেন। সোহরাওয়ার্দী এবং হক সাহেবকে নিয়ে অত্যন্ত চমৎকার মূল্যায়ন করেছেন আমানউল্লাহ কবির।
বঙ্গবন্ধু এবং বেগম মুজিবের কথা বহুবার বলেছেন এই প্রবীণ সাংবাদিক। বেগম মুজিবের অকৃত্রিম আন্তরিকতার কথা স্মরণ করেছেন।
সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একচেটিয়া জয়ের কারণ শুধু নিরঙ্কুশ জনসমর্থন নয় - এমনটাই দাবি আমানউল্লাহ কবিরের। সত্তরের নির্বাচন বর্জন করেছিল এদেশের বেশিরভাগ দল। তাই এমন ভূমিধস বিজয় পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। নতুবা অল্পকিছু হলেও আসন পেতো অন্যান্য দলগুলো। উল্লেখ্য, বদরুদ্দীন উমর তাঁর আত্মজীবনীর তৃতীয় খন্ডেও সত্তরের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অনেকটা এমনই বিশ্লেষণ করেছেন।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা(বাসস)এর সম্পাদক ছিলেন আমানউল্লাহ কবির।এরশাদ ও জিয়ার আমলে কাজ করেছেন সরকারি এই সংবাদ সংস্থায়। সামরিক শাসনের যুগের সাংবাদিকতা নিয়ে বিশেষ কথা নেই। তবে নিজের কিছু ব্যক্তিগত কৃতিত্বের স্মৃতি স্মরণ করেছেন।
ভাষা আন্দোলন, সোহরাওয়ার্দী, যুক্তফ্রন্ট, আইয়ুবের সামরিক শাসন, বেসিক ডেমোক্রেসির অধীনে সংসদ। সেই সংসদের কিছু ঝানু পার্লামেন্টারিয়ানকে ঘিরে নিজের স্মৃতিকে ঝালিয়ে নিয়েছেন আমানউল্লাহ কবির।
বিএনপি, বিশেষ করে তারেক জিয়াকে নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত ছিলেন আমানউল্লাহ কবির। এই দলের নেতৃত্ব নিয়ে তিনি খুবই বিরক্ত। শেখ হাসিনাকে নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ,
' শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়লে বিএনপি যাতে না আসতে পারে, সেই রকম অবস্থায়ই ক্ষমতা ছাড়বেন, ইফ শি হ্যাজ আ চয়েস। এবং বিএনপি ইজ নট প্রিপেয়ার্ড টু বি ইন দ্য গভর্নমেন্ট এগেইন। '
বহুদিকে গেছে আলাপচারিতা। তাতে রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ আছে, এমন পাঠক নিজের চিন্তার খোরাক খুঁজে পাবেন৷
মহিউদ্দিন আহমদের লেখা নিয়ে কিছু বলার আছে। আলাপচারিতা লিখেছেন মহিউদ্দিন আহমদ।জনাব আমানউল্লাহর বক্তব্যকে কতখানি অপরিবর্তনীয় ভঙিতে তিনি লিখেছেন তা আমাদের জানা সম্ভব নয়। বক্তব্যের কতটা বাদ দিয়েছেন, কতটা গ্রহণ করেছেন সেটাও জানা যায় না৷ তাই বইটির পক্ষে শতভাগ আস্থার জায়গাটি দখল করা সম্ভব নয়৷ লেখার মধ্যে প্রাঞ্জলতার ঘাটতি ছিল। অনেকক্ষেত্রেই ঘটনার পুরোটা বুঝতে পারিনি। সাজাতে পারেন নি লেখক৷ যত্নের অভাব লক্ষণীয়।
October 21, 2020
বইটি বেশ ইন্টারেস্টিং। প্রবীণ সাংবাদিক আমানউল্লাহর সাথে লেখক ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায় নিয়ে আলাপচারিতা কে বইয়ের পাতায় তুলে এনেছেন। বিষয়ভিত্তিক গুছিয়ে লেখা হলে আরো উপভোগ করতাম, তারপরেও বইটা পড়তে ভালোই লেগেছে।
August 10, 2021
হাবীবুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন ১৯২৭ সালে। টাকা পয়সার টানাটানির করনে অনার্স শেষ করতে না পেরে পাসকোর্সে বিএ পাস করেন। বেশ কয়েকটি স্কুলে চাকরি করার পর ১৯৪২ সালে ওকালতি শুরু করেন। উনি ছবি আঁকতেন তবে শখের বসে।
আমানউল্লাহ বাবর মতো রাজনীতিবিদ কিংবা আইনজীবী হননি। কর্মজীবন শুরু করেন সাংবাদিকতা দিয়ে। অশীতিপর এই তরুন দারুন আড্ডাবাজ এবং বয়সের ভারে সে আড্ডা যে কমেনি তার প্রমান এই বই।
এ কে ফজলুল হক, ওসমানী দিয়ে আড্ডা টা শুরু একে একে সময়ের ধারাবাহিকতায় দেশে ও বিদেশের নানা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে কাটানো সময়, সান্নিধ্যে আসা ও দূর থেকে দেখা তিনি স্মৃতিতে যতোটুকু দেখতে পেয়েছেন লেখকের সাথে আলোচনা করেছেন। সেই সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে যেমন সমানোচনা করেছেন তেমনই এই সময়ের হালচান ও রাজনীতির সুদূরের আভাস দিয়েছেন কিছুটা। অকোপটে নিজের মতামতও তুলে ধরেছেন।
আমানুল্লাহ এর জন্ম বরিশালে, বেড়ে ওঠাও সেখানে তাই রাজনীতি থেকে সামান্য সরে গিয়ে আড্ডায় এসেছেন জীবনানন্দ দাশ, গোলাম মোস্তফা, শামসুদ্দিন আবুল কালাম সম্পর্কে একেবারে অজানা কিছু তথ্য।
লেখক জীবনানন্দ দাশ সম্পর্কে একটা তথ্য জেনে আমি বড়ই মর্মাহত।
ছোট সুন্দর একটা বই।
আমানউল্লাহ বাবর মতো রাজনীতিবিদ কিংবা আইনজীবী হননি। কর্মজীবন শুরু করেন সাংবাদিকতা দিয়ে। অশীতিপর এই তরুন দারুন আড্ডাবাজ এবং বয়সের ভারে সে আড্ডা যে কমেনি তার প্রমান এই বই।
এ কে ফজলুল হক, ওসমানী দিয়ে আড্ডা টা শুরু একে একে সময়ের ধারাবাহিকতায় দেশে ও বিদেশের নানা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে কাটানো সময়, সান্নিধ্যে আসা ও দূর থেকে দেখা তিনি স্মৃতিতে যতোটুকু দেখতে পেয়েছেন লেখকের সাথে আলোচনা করেছেন। সেই সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে যেমন সমানোচনা করেছেন তেমনই এই সময়ের হালচান ও রাজনীতির সুদূরের আভাস দিয়েছেন কিছুটা। অকোপটে নিজের মতামতও তুলে ধরেছেন।
আমানুল্লাহ এর জন্ম বরিশালে, বেড়ে ওঠাও সেখানে তাই রাজনীতি থেকে সামান্য সরে গিয়ে আড্ডায় এসেছেন জীবনানন্দ দাশ, গোলাম মোস্তফা, শামসুদ্দিন আবুল কালাম সম্পর্কে একেবারে অজানা কিছু তথ্য।
লেখক জীবনানন্দ দাশ সম্পর্কে একটা তথ্য জেনে আমি বড়ই মর্মাহত।
ছোট সুন্দর একটা বই।
September 16, 2021
ইতিহাস কখনােই সরলরেখায় চলেনি। ইতিহাসের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে রয়েছে নানারকম গল্প, অনেক বাক, খানা-খন্দ। টেক্সট বইয়ে এ সবের জায়গা হয় না। তবে অনুসন্ধানী চোখে এগুলাে ধরা পড়ে। প্রবীণ সাংবাদিক আমানউল্লাহর সঙ্গে এই আলাপচারিতায় উঠে এসেছে আমাদের ইতিহাসের বহু কথা। রাজনীতির মজার মজার গল্প । দীর্ঘদিনের পেশাগত জীবনে রাজনীতির অনেক কুশীলবের কাছাকাছি যাওয়ার সুযােগ পেয়েছিলেন তিনি। আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতির অন্দরমহলের ছবিটা দেখতে চাইলে এই গল্পগুলাে জানা দরকার। এটি নিছক একটি সাক্ষাৎকারভিত্তিক রচনা নয়। আলাপ হয়েছে দিনের পর দিন। ইতিহাসের একটা বিশেষ সময়ের অনেকগুলাে দৃশ্যপট নিয়ে মালা গাঁথার চেষ্টা হয়েছে এই বইয়ে। এটি ইতিহাস নয়, ইতিহাসের গল্প । ইতিহাসের চেনা মুখগুলাে এখানে ধরা দিয়েছে অন্যভাবে।
আমাদের সংগ্রাম, বীর, সাংবাদিক, সাংস্কৃতি, রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদ'দের অনেক ইতিহাস উঠে এসেছে এই বইয়ে।
অনেক অজানা গল্প জানা হয়েছে আমার বইটি পড়ে।
আপনারাও যারা অজানাকে জানতে চান কথায় কথায়, তাদেরকে বইটি পড়ার জন্য হাইলি রেকমেন্ড করবো।
বইয়ের বিস্তারিত-
বইঃ ইতিহাসের যাত্রী
লেখকঃ মহিউদ্দিন আহমদ
প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
প্রকাশনীঃ বাতিঘর চট্টগ্রাম
মুদ্রিত মূল্যঃ ২৬৭ টাকা
আমাদের সংগ্রাম, বীর, সাংবাদিক, সাংস্কৃতি, রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদ'দের অনেক ইতিহাস উঠে এসেছে এই বইয়ে।
অনেক অজানা গল্প জানা হয়েছে আমার বইটি পড়ে।
আপনারাও যারা অজানাকে জানতে চান কথায় কথায়, তাদেরকে বইটি পড়ার জন্য হাইলি রেকমেন্ড করবো।
বইয়ের বিস্তারিত-
বইঃ ইতিহাসের যাত্রী
লেখকঃ মহিউদ্দিন আহমদ
প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
প্রকাশনীঃ বাতিঘর চট্টগ্রাম
মুদ্রিত মূল্যঃ ২৬৭ টাকা
March 4, 2023
বইটিকে ৩.৫ তারা দেয়াই ভাল হবে।
তবে চার তারা যদি দেই তাহলে এর ভেতরে থাকা বিস্ফোরক তথ্যগুলোর জন্য। ছোট খাটো বোমা বলা যায়।
আমানুল্লাহ। পেশায় সাংবাদিক। বিখ্যাত পার্লামেন্টারিয়ান বিডি হাবিবুল্লাহর ছেলে। বয়স প্রায় ৮৫ এখন। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে দেখছেন, চিনেছেন শুনেছেন অসংখ্য ঘটনা। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে বর্তমান শেখ হাসিনা আমল। তার এই ইতিহাসনামার যাত্রী মহিউদ্দিন আহমদ। গিয়েছিলেন তার কাছে মূলত ব্যক্তিগত রিসার্চে। পরে সেই আলাপ দাঁড়ায় একটা বইয়ে।
এই বইটা ছোট। পড়তে বেশীক্ষণ লাগবে না। কিছু কিছু বিরক্তিকর আলোচনার মাঝে ভাল লাগবে যখন দেখবেন লেখা -- জীবনানন্দ বরিশালের বি এম কলেজে তার এক ছাত্রীর প্রেমে পড়ে কিংবা সুবর্ণা মোস্তফার পিতা গোলাম মোস্তফা তার ভার্সিটি শিক্ষকের স্ত্রীকে ভাগায়ে বিয়ে করেন, আর তাদেরই কন্যা হলেন সুবর্না মোস্তফা অথবা বাংলাদেশের বর্তমান আর ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে কিছু প্রেডিকশান।
এমনই বেশ বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে আমানুল্লাহ সাহেবের সাক্ষাতকারে। ইতিহাসের যাত্রায় ভালোটা নিতে হয় খারাপটাও। চেনা অনেক মানুষ নিয়ে অজানা অনেক কিছু জানার জন্যে হলেও বইটি চেখে দেখা জরুরী।
তবে চার তারা যদি দেই তাহলে এর ভেতরে থাকা বিস্ফোরক তথ্যগুলোর জন্য। ছোট খাটো বোমা বলা যায়।
আমানুল্লাহ। পেশায় সাংবাদিক। বিখ্যাত পার্লামেন্টারিয়ান বিডি হাবিবুল্লাহর ছেলে। বয়স প্রায় ৮৫ এখন। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে দেখছেন, চিনেছেন শুনেছেন অসংখ্য ঘটনা। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে বর্তমান শেখ হাসিনা আমল। তার এই ইতিহাসনামার যাত্রী মহিউদ্দিন আহমদ। গিয়েছিলেন তার কাছে মূলত ব্যক্তিগত রিসার্চে। পরে সেই আলাপ দাঁড়ায় একটা বইয়ে।
এই বইটা ছোট। পড়তে বেশীক্ষণ লাগবে না। কিছু কিছু বিরক্তিকর আলোচনার মাঝে ভাল লাগবে যখন দেখবেন লেখা -- জীবনানন্দ বরিশালের বি এম কলেজে তার এক ছাত্রীর প্রেমে পড়ে কিংবা সুবর্ণা মোস্তফার পিতা গোলাম মোস্তফা তার ভার্সিটি শিক্ষকের স্ত্রীকে ভাগায়ে বিয়ে করেন, আর তাদেরই কন্যা হলেন সুবর্না মোস্তফা অথবা বাংলাদেশের বর্তমান আর ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে কিছু প্রেডিকশান।
এমনই বেশ বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে আমানুল্লাহ সাহেবের সাক্ষাতকারে। ইতিহাসের যাত্রায় ভালোটা নিতে হয় খারাপটাও। চেনা অনেক মানুষ নিয়ে অজানা অনেক কিছু জানার জন্যে হলেও বইটি চেখে দেখা জরুরী।
March 31, 2021
মোটাদাগে খারাপ বলা যাবে না তবে অস্বস্তিকর একটা বই। আসলে একটা মানুষ শত্রু মিত্র সবার সাথেই কম বেশি মিশেছে তাদের নিয়ে কথা বলে যাচ্ছে তার কতটুকু নেওয়া যায় বা মানা যায় এই বিষয়ক অস্বস্তি থেকেই যায়। যেমন জীবননান্দ দাস কে নিয়ে বলেছেন কলেজের শিক্ষক অবস্থায় ছাত্রীর সাথে প্রেম করে বিয়ে করেছেন। যেটা সত্যি না। লাবণ্য দাসের 'মানুষ জীবনানন্দ' বই তে ভাল করে আছে জীবনানন্দ দাসের বিয়ের গল্প টা। এইরকম হয়তো আরো অনেক ঘটনাই আরো একটু খতিয়ে দেখবার মতো আছে।
July 20, 2023
#bookreview
এটি একটি সাক্ষাৎকার ভিত্তিক রচনা। প্রবীণ সাংবাদিক আমানুল্লাহর সাথে লেখকের এই আলাপচারিতায় উঠে এসেছে ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা।
সাংবাদিক আমানুল্লাহ যাদের সম্পর্কে কথা বলেছেন তাঁরা ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রাণপুরুষ। সাংবাদিক হওয়ার সুবাধে তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছাকাছি থেকেছেন তাদের রাজনৈতিক জ্ঞান এবং আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো সরাসরি দেখেছেন। সেই বিষয়গুলোয় লেখক মহিউদ্দিন আহমেদের কাছে শেয়ার করেছেন। লেখক সেগুলোকে একত্র করে পুস্তক আকারে রূপ দিয়েছেন।
সাংবাদিক আমানুল্লাহ কথায় কথায় ইংরেজি শব্দের ব্যবহার করতেন বেশি। সেগুলো লেখক সেভাবেই তুলে ধরেছেন। তাছাড়া কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির ব্যাপারে কিছু অজানা তথ্যও জানিয়েছেন। যেগুলো আগে জানতাম না৷ বইটি ছোট কিন্তু তথ্যবহুল। আমার কাছে ভালো লেগেছে।
___
বই : ইতিহাসের যাত্রী
লেখক : মহিউদ্দিন আহমেদ
ফেব্রুয়ারি ২০১৯
বাতিঘর প্রকাশন
পৃষ্ঠা : ১৫০
মূল্য : ২৬৭৳
#bookreview2023
এটি একটি সাক্ষাৎকার ভিত্তিক রচনা। প্রবীণ সাংবাদিক আমানুল্লাহর সাথে লেখকের এই আলাপচারিতায় উঠে এসেছে ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা।
সাংবাদিক আমানুল্লাহ যাদের সম্পর্কে কথা বলেছেন তাঁরা ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রাণপুরুষ। সাংবাদিক হওয়ার সুবাধে তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছাকাছি থেকেছেন তাদের রাজনৈতিক জ্ঞান এবং আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো সরাসরি দেখেছেন। সেই বিষয়গুলোয় লেখক মহিউদ্দিন আহমেদের কাছে শেয়ার করেছেন। লেখক সেগুলোকে একত্র করে পুস্তক আকারে রূপ দিয়েছেন।
সাংবাদিক আমানুল্লাহ কথায় কথায় ইংরেজি শব্দের ব্যবহার করতেন বেশি। সেগুলো লেখক সেভাবেই তুলে ধরেছেন। তাছাড়া কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির ব্যাপারে কিছু অজানা তথ্যও জানিয়েছেন। যেগুলো আগে জানতাম না৷ বইটি ছোট কিন্তু তথ্যবহুল। আমার কাছে ভালো লেগেছে।
___
বই : ইতিহাসের যাত্রী
লেখক : মহিউদ্দিন আহমেদ
ফেব্রুয়ারি ২০১৯
বাতিঘর প্রকাশন
পৃষ্ঠা : ১৫০
মূল্য : ২৬৭৳
#bookreview2023
June 22, 2019
Good book.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Displaying 1 - 8 of 8 reviews








