Her writing focuses on contemporary social issues. She is a perceptive observer of the changing urban milieu and her writing closely examines the contemporary Bengali middle class. Crisis in human relationships and the changing values of the present era along with degeneration of the moral fibre of the society in the backdrop of globalisation and consumerism are depicted in her prose. Exploitations and sufferings of women regardless of their social or economic identities find a distinct voice in her writing. While she is famous for her writing on women's issues, she does not consider herself as a feminist. She took up many odd jobs in her early youth and finally joined the public service which she left in 2004 to become a fulltime writer. Her long career is reflected in many of her stories and novels.
Over the past two decades, Suchitra has written about 24 novels and a large number of short stories in different leading Bangla literary magazines. Some of her acclaimed novels are Kachher Manush (Close to Me), Dahan (The Burning), Kacher Dewal(The Wall Of Glass), Hemonter Pakhi(Bird of Autumn), Neel Ghurni, Aleek Shukh(Heavenly happiness), Gabhir Ashukh (A Grave Illness), Uro Megh(Flying Cloud), Chhera Taar, Alochhaya(Shadows Of Light), Anyo Basanto(Another Spring), Parabas, Palabar Path Nei, Aami Raikishori, Rangin Pritibi and Jalchhobi among others. Her novels and short stories have been translated into many Indian languages such as Hindi, Tamil, Telugu, Malayalam, Oriya, Marathi, Gujarati, Punjabi and English. She also writes novels and short stories for children. Her novel Dahan was made into a movie by famous Bengali director, Rituparno Ghosh.
যারা রহস্য বা অ্যাডভেঞ্চার বিষয়ে পড়ে থাকেন তাদের কাছে মিতিনমাসি এক পরিচিত নাম। অবশ্য আমি এইমাত্র পরিচিত হলাম এই গল্পের মাধ্যমে। সে আসলে টুপুরের মিতিনমাসি। তার পুরো নাম প্রজ্ঞাপারমিতা মুখার্জি। ভারতে কলকাতার ঢাকুরিয়ায় স্বামী পার্থর সঙ্গে সে বসবাস করে।
মিতিনমাসির সব অ্যাডভেঞ্চারের সঙ্গী টুপুর। সেও হতে চায় তার মাসির মতো। কিন্তু প্রায় ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হতে হয় তাকে। তবে মাসির রহস্যের জট খোলার সময় পাহারাদার হিসেবে থাকে সে।
মিতিনমাসির গলগুলোর চরিত্রে দেখা গেছে, পার্থ ভোজনরসিক। স্থান-কাল-পাত্র কোনোটিরই সে ধার ধারবে না যদি তার সামনে উপস্থিত থাকে খাবার। বড় বোন সহেলি কুসংস্কারাচ্ছন্ন আর অলস স্বভাবের। বুমবুম থাকে নিজের মতো আর অবনি চৌধুরী বই পেলে পৃথিবীর সবকিছু ভুলে যায়। হাস্যরসের জোগান দেয়ার জন্য প্রতিটি গল্পেই এসব চরিত্রের বিভিন্ন কার্যকলাপ জুড়ে দেন কাহিনির বৈচিত্র্য বাড়ানোর জন্য।
মিতিন মাসী একজন গোয়েন্দা! বাংলা সাহিত্যে ফিমেইল একজন গোয়েন্দা আছে, ভাবা যায়?! তাও আবার ব্যোমকেশ বক্সীর মত পুরোদস্তুর সংসারী মানুষ! একটা দশ বছর বয়সী বাচ্চাও আছে। (গোয়েন্দা হলেই ব্যাচেলর শার্লক হোমস কিংবা ফেলুদা হতে হবে কে বলেছে?!)
মাসী শুনলেই মধ্যবয়সী একজন মহিলার ছবি চোখের সামনে ভেসে উঠে। অথচ মিতিনমাসীর বয়স মোটে ৩২! টুপুরের মাসী হয় কিনা, তাই আমাদেরও মাসী। টুপুর হলো মিতিন মাসীর এক নম্বর এসিস্ট্যান্ট।
গল্পের শুরুতেই মিতিন মাসীর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ শক্তি মন কাড়ে। সময়ের সাথে সাথে টুপুরদের জঙ্গল ভ্রমণের কাহিনী গোয়েন্দা গল্পে রূপ নেয়। কিন্তু কাহিনীর মধ্যে কোনো নতুনত্ব নেই। পোচারদের এমন গল্প আগেও অনেক শুনেছি। তাই রেটিং তিন তারা।
গোয়েন্দা হিসেবে আমরা বরাবর দেখে এসেছি পুরুষদের। আমার জানার স্বল্পতা হতে পারে বা সাহিত্যে নারী গোয়েন্দার অভাব সেটা যেই কারণেই হোক বুড়া বয়সে মিতিন মাসীর রহস্য উদঘাটনের সাথে পরিচয় হলো। শার্লক হোমস, ফেলুদার মতো মিতিন মাসিরও আছে একজন সহযোগী, টুপুর। সারান্ডার জঙ্গলে পরিবার সহ ছুটি কাটাতে গেলে সেখানেও মিতিন মাসি পেয়ে যায় এক নতুন কেস। রহস্যের উত্থান থেকে উদঘাটন পর্যন্ত বিশাল এলাকাব্যাপী যে সুন্দর বর্ণনা আছে তাতে এক ভ্রমণকাহিনি বললেও দোষ হবে না। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লেখা আমার কাছে অনেক বেশি আরামপ্রিয় মনে হয়, ওনার লেখা না পড়া একটা বোকামি হবে আসলে।
When reading a detective/টিকটিকি novel, especially in Bengali literature, you don't necessarily picture a woman in that role. But she did it, and the multi talented প্রজ্ঞাপারমিতা মুখার্জী is here to stay 😤.
The best part about the novel was, "“ছবি দেখেছি। এ লােকটার আসল নাম গর্জন রায়। এক অতি প্রতিভাধর শয়তান। একসময়ে নামী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছিল। মূল বাড়ি জলপাইগুড়ির কাছে রানিনগরে। এখন বিশ্বনাগরিক। পেশা চৌর্যবৃত্তি। হাতির দাঁত লুঠ করায় ইনি স্পেশালাইজ করেছেন।"
At least I know what my alternative career could be if my engineering degree doesn't take off 🙄.
বইয়ের ক্ষেত্রে গোয়েন্দা গল্প আমার খুবই পছন্দের ক্যাটাগরি। আমার এটেনশন স্প্যান অনেক কম। বইয়ের কাহিনী যদি ক্যাচিং না হয় তাহলে প্রায় সময়ই বই পড়া মাঝ রাস্তাতেই আটকে থাকে। কিন্তু গোয়েন্দা গল্পে রহস্যভেদের আকর্ষণ থাকায় এ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এজন্যই মনে হয় যেকোনো গোয়েন্দা সিরিজের পিছনে আমি সবচেয়ে বেশি পড়ে থাকতে পারি। সে যাই হউক, মোটামুটি ভালো সংখ্যক ডিটেকটিভ সিরিজ পড়ার পরও মিতিন মাসি সিরিজ কেন যেন এতদিন পড়া হয়ে উঠে নি। এবার ভাবলাম পড়েই দেখি। এমনিতেই সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লেখার ধাঁচ বেশ সুন্দর এবং 'সারান্ডায় শয়তান' বইটাতেও অমন ধারা রক্ষা হয়েছে। মিতিন মাসির যেহেতু এটাই আমার পড়া প্রথম বই, তাই পুরো সিরিজ কেমন সে বিষয়ে মন্তব্য করা উচিত হবে না। তবে ঐ যে ফেলুদা কিংবা ব্যোমকেশের যে দুর্ধর্ষ ব্যাপার, সেটা অমনভাবে পাই নি। হয়তো অন্যান্য বইয়ে থাকতেও পারে, সামনে জানতে পারবো। 'সারান্ডায় শয়তান' মূলত অরণ্যঘেরা একটা জায়গায় এক হাতিকে বাঁচানো নিয়ে গল্প। তার সাথে আগমন এক মধুবাবার। শেষ পর্যন্ত হাতিকে বাঁচানো গিয়েছিল কিনা আর মধুবাবার স্পর্শে কীভাবে সবকিছু মিষ্টি হয়ে যায়, তা জানার জন্য বইটি পড়ে দেখতে হবে। সামগ্রিক রিভিউ হিসেবে একটা জিনিস খুব চোখে পড়েছে, এ বইয়ে মিতিন মাসির অংশগ্রহণ বেশ কম মনে হয়েছে। বরঞ্চ তার চেয়ে বেশি পার্থ কিংবা অবনীর বাক্যালাপ পাওয়া যায়। বইয়ে মিতিন মাসির প্রেজেন্স আরেকটু পেলে ভালো লাগতো। দিনশেষে একটা ডিটেকটিভ সিরিজের প্রাণই হয় ডিটেকটিভের aura. যাই হউক, মিতিন মাসির বুদ্ধির পরিচয় বাকি বইগুলো পড়তে পড়তে হয়তো পেয়েই যাবো।
মিতিন মাসী মানে প্রজ্ঞাপারমিতার সাথে প্রথম পরিচয়। মূলত মিতিন মাসী মুভির ট্রেলার দেখে ভাবলাম আগে একটু বই পড়ে মাসীর সাথে পরিচিত হয়ে নি।
শার্লক হোমস এর ছায়া সব গোয়েন্দা কাহিনীতে টেনে আনাটা আমাদের এদিকের গোয়েন্দা কাহিনী লেখকদের দুর্বলতা নাকি আগ্রহ আমি ঠিক সিওর না। ওয়াটসনের মতো এদিকে ফেলুদার আছে তোপসে, ব্যোমকেশের আছে অজিত, তেমনি মিতিনমাসীর আছে টুপুর।
যাই হোক, ছোটদের জন্য লেখা মিতিনমাসীর একটু বেশি বয়সে পড়তে বসা আমার দোষ স্বীকার করে নিচ্ছি। ছোটবেলায় পড়লে হয়তো আরো উপভোগ করতাম। কিন্তু বড় হয়ে যাওয়ায় নাক উঁচু হয়ে গেছে। বইয়ে ঠিক রহস্য ব্যাপারটা জমে ওঠেনি। তবে সারান্ডা ও তার আশেপাশের জঙ্গলের যে অসাধারণ বর্ণনা ফুটে উঠেছে তাতে ভ্রমণকাহিনী হিসেবে ও বইটা চালায় নেওয়া যায়।
সব মিলিয়ে একেবারে খারাপ না। টাইম পাস করার জন্য ভালোই যদি নাক উঁচু ভাবটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আর এই করোনা ভাইরাসের লক ডাউনে টাইম পাস করাটাই যখন বিরক্তকর তখন দু চারটা হালকা মেজাজের বই পড়ে নেয়া মানসিক শান্তি দেয় কিছুটা।
যেই এক্সপেকটেশন ছিলো মিতিন মাসী নিয়ে, সেটা ১০০/১০০.
একটা জিনিসে অবাক হইসি যে এটা মিতিন মাসীর প্রথম কেস না। মিতিন মাসী সিরিজের প্রথম লেখা এটা, কিশোরদের জন্য। এক্কেবারে শুরুর দিকের লেখা গুলো ছিলো প্রাপ্তবয়স্কদের অনুযায়ী, সেটা দিয়েই মিতিন মাসী কে চিনতে শুরু করে পাঠকরা।
এখানে কথা আছে। প্রাপ্তবয়স্ক পাঠক যদি এক্কেরে টানটান উত্তেজনা,শ্বাসরুদ্ধকর অনুভূতি চান তাহলে পড়লে মজা পাবেন না। রহস্য ছিলো, টুইস্ট ছিলো, এডভেঞ্চারও ছিলো তবে সেটা অবশ্যই ১৩-১৫ বছরের উপযোগী করে।
"সারান্ডায় শয়তান"- সত্যিই সুখপাঠ্য। এছাড়াও তথ্য বহুল মনে হলো। একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লে জঙ্গল সংক্রান্ত টুকিটাকি অনেক তথ্য জানতে পারবেন। সাবলীল লেখা, যুক্তিসংগত তথ্য সংযোজন এসবে সুচিত্রা ভট্টাচার্য একদম সার্থক!
3.75🌟 The story was predictable for me as a dumb headed girl who read mystery Thriller books. The pacing of the book was so slow not gonna lie I was getting bored halfway. I almost dnfed this book. Author put so much unnecessary details to make the story broad🙄. It felt like ike a student doing an assignment and giving unnecessary details to hit the word count. The whole story itself was good, the author and the story on a positive note and gave a moral lesson. I don't know but the story is too long. it distracted me much from finding the clue/culprit.
বাংলা সাহিত্যে পুরুষ গোয়েন্দা চরিত্রের আধিপত্য থাকলেও সেই তুলনায় নারী গোয়েন্দা চরিত্রের সংখ্যা অতি নগন্য। সাহিত্যিক প্রভাবতী দেবী সরস্বতীর সৃষ্ট কৃষ্ণা প্রথম নারী গোয়েন্দা চরিত্র হিসেবে ধরা হয়। তবে কৃষ্ণাকে নিয়ে কোন বই না পড়া হলেও বাংলার আরেক নারী গোয়েন্দা চরিত্র মিতিন মাসিকে নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলো পড়া হয়েছে। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লেখা মিতিন মাসি সিরিজের গোয়েন্দা গল্পগুলোতে মারপ্যাঁচ খুব বেশী না থাকলেও অতিশয় সুখ পাঠ্য।
দু’তারা দেওয়ার কারণ শুধুমাত্র জঙ্গলের বর্ণণা সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করার জন্য। গল্পে সব কিছুই অনুমানের ভিত্তিতে হয়ে যাওয়া এই বয়সে এসে ভালো লাগে না হয়তো। বয়সের প্রয়োজন আরও রোমাঞ্চকর মাল মশলা, যা নেই বলেই পোষায়নি গল্পটা। ক্লাস 6-7 এ পড়লে হয়তো ভালো লাগত। যাইহোক, এই গল্প নিয়ে অরিন্দম শীল আসছে পূজোতে কেমন সিনেমা বানান সেটাই দেখার এখন।
লকডাউনের সময় সারান্ডার জঙ্গল ঘুরে আসতে ভালোই লাগলো। সেইসঙ্গে হাতির দাঁত পাচারকারী কয়েকটা শয়তানকেও শায়েস্তা করা গেল। তবে রহস্য খুব একটা জমলো না, খুব টিপিক্যাল একটা গল্প । মিতিনমাসি ও টুপুরের সাথে প্রথমবার পরিচয় হলো। আশা করছি সিরিজের বাকি গল্প গুলো আরো জমবে।
বইটাকে সম্পূর্ণ গোয়েন্দা কাহিনী বলা যায় না (আমার মতে)। বইটির প্রথম থেকে মাঝখান পর্যন্ত পুরাটাই ভ্রমণ ও অ্যাডভেঞ্চার কাহিনীর মিশ্রণ মনে হয়েছে আমার কাছে। মাঝখান থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু রহস্য অ্যাড করে গোয়েন্দা কাহিনী বানানো হয়েছে। বইটা পড়ার আগ্রহ ধরে রাখছিলো লেখিকার সুন্দর বর্ণনা ভঙ্গি। আসলে বইটি খারাপ লাগে নি আমার কাছে। শুধু পুরো বইটিতে খাপছাড়া ভাবে যেই রহস্য ছিল সেটা ভালো লাগে নি। তবে শেষের টুইস্ট টা অনেক ভালো লেগেছে।
গল্পের শুরুতে দেখা যাচ্ছে যে মিতিন, তার স্বামী পার্থ, ছেলে বুমবুম, দিদি সহেলি, জামাইবাবু অবনী ও বোনঝি টুপুর সকলে মিলে বেড়াতে যাচ্ছে সারান্ডার জঙ্গলে। যেহেতু এটা মিতিন মাসি সিরিজের প্রথমদিকের গল্প, তাই এই গল্পে সব চরিত্রদের সাথে পরিচয় করে দেওয়া হয়েছে। এই যেমন মিতিন তখন সবে গোয়েন্দা হিসেবে নাম করতে শুরু করেছে, গড়ে উঠেছে তার গোয়েন্দা সংস্থা ‘থার্ড আই’, টুপুরের বাবা অবনী খুব বই পড়েন, বুমবুম চিপস খেতে ভালোবাসে, পার্থ শব্দজব্দে মেতে থাকে, সহেলি কাবু হয়ে পড়েছেন হাঁটুর ব্যাথায় আর স্কুল পড়ুয়া ক্লাস সেভেনের টুপুর চেষ্টা করছে মাসির কেস সল্ভ করার সঙ্গী হতে।
সকলে মিলে পারিবারিক ছুটি কাটাতে ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে যাওয়ার সময়ে টের পাওয়া যাচ্ছিল যে এই যাত্রাটা নিরামিষ হবে না। হলো তাই। সেখানে গিয়ে মিতিন ঠিক মেতে উঠলো একটা রহস্যের সমাধান করতে, যেটা আপাদদৃষ্টিতে সহজ ব্যাপার মনে হলেও সহজ ছিল না।
ব্যস। কাহিনী সংক্ষেপে এর চেয়ে বেশি বলে দিলে গোয়ান্দা গল্পের মজা মাটি হবে। তাই এখানে আর কিছু বলছি না।
গোয়েন্দা গল্পের সাথে প্রকৃতির ছোঁয়া থাকলে প্রকৃতিপ্রেমী আমার জন্য সেটা দারুণ ব্যাপার। মিতিনমাসির এই গল্পে গোয়েন্দাগিরির অংশ খুব জমজমাট না লাগলেও সারান্ডার প্রকৃতির প্রেমে পড়েছি চমৎকার বর্ণনায়। জায়গাগুলোর কি দারুণ নাম- মেঘাতুবুরু, কিরিবুরু, শাশাংবুরু, কুমডি! ঝাড়খণ্ডের চাইবাসার সারান্ডার জঙ্গল ঘুরে দেখার লোভ হচ্ছে এখন। সাথে থলকোবাদের বাংলোয় জঙ্গলের ভিতর রাত্রিযাপন...দারুণ এডভেঞ্চার হবে নিঃসন্দেহে।
মিতিনমাসী আর টুপুরের সাথে প্রথম পরিচয় আমার এ বই দিয়ে।যখন পড়েছিলাম তখন ক্লাস টুতে পড়ি,খুব ভাল লেগেছিল। এখন পড়লে কেমন লাগবে জানিনা,সেই সময়কার স্মৃতি ধরেই রেটিং দিলাম।