What do you think?


স্যাম চাচাকে লেখা মান্টোর চিঠি
79 pages, Hardcover
Published February 1, 2019
About the author
Saadat Hasan Manto
506 books1,172 followersSaadat Hasan Manto (Urdu: سعادت حسن منٹو, Hindi: सआदत हसन मंटो), the most widely read and the most controversial short-story writer in Urdu, was born on 11 May 1912 at Sambrala in Punjab's Ludhiana District. In a writing career spanning over two decades he produced twenty-two collections of short stories, one novel, five collections of radio plays, three collections of essays, two collections of reminiscences and many scripts for films. He was tried for obscenity half a dozen times, thrice before and thrice after independence. Not always was he acquitted. Some of Manto's greatest work was produced in the last seven years of his life, a time of great financial and emotional hardship for him. He died a few months short of his forty-third birthday, in January 1955, in Lahore.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
July 27, 2023
উর্দু সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত গল্পকারদের একজন সাদত হাসান মান্টো বেশ সিরিয়াস লেখক হিসেবে পরিচিত। তাঁর একেকটা গল্প পড়লে রুহু পর্যন্ত কেঁপে উঠে। তিনি নির্বিকার চিত্তে এমন সব গল্প বলেন যে আমরা আঁৎকে উঠি। সেই মান্টোর এমন হিউমারাস রুপ দেখে একটু অবাক হলাম, আনন্দিত তো বটেই।
স্যাম চাচা ওরফে আমেরিকাকে লেখা নয়টি যা হয়ে যায় আটটি চিঠি'র মাধ্যমে তৎকালীন রাজনৈতিক, সামাজিক আর সাম্রাজ্যবাদীদের ভয়ংকর রুপ তিনি চমৎকারের হাস্যরসের মাধ্যমে উন্মোচিত করেছেন। আঙ্কেল স্যাম ও তার কৃতকর্মের এমন খিল্লি খুব অল্প লেখকই করেছেন বোধহয়। আমেরিকার ভিসার স্বপ্ন আমাদের বিনয়াবনত করে তোলে। আমেরিকার দুমুখো রাষ্ট্রনীতি, একই সাথে অস্ত্র আর গণতন্ত্র বেঁচার অভিনব ধান্ধা আর ধর্ম-ব্যবসায়ীদের হাতে ধর্মের কল তুলে দিবার বদমায়েশি মান্টো হাসিতামাশা করে চিঠিগুলোতে লিপিবদ্ধ করেছেন। সেইসাথে তৎকালীন পাকিস্তানের রাজনৈতিক ছাগলামি, অনাচার আর সমাজের খিস্তিখেউরের বিবরণ তো আছেই। মান্টোর হাস্যরস আর তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ উপভোগের রেশ কেঁটে গেলে উপমহাদেশীয় মূর্খতার জন্য নতুন করে মন খারাপ হয়। সেই মূর্খতায় আমরা আজো গাধার মতো গাট্টামেরে পড়ে আছি। কিন্তু পাছায় লাথি কষাবার মতো একখান মান্টো কই??
স্যাম চাচা ওরফে আমেরিকাকে লেখা নয়টি যা হয়ে যায় আটটি চিঠি'র মাধ্যমে তৎকালীন রাজনৈতিক, সামাজিক আর সাম্রাজ্যবাদীদের ভয়ংকর রুপ তিনি চমৎকারের হাস্যরসের মাধ্যমে উন্মোচিত করেছেন। আঙ্কেল স্যাম ও তার কৃতকর্মের এমন খিল্লি খুব অল্প লেখকই করেছেন বোধহয়। আমেরিকার ভিসার স্বপ্ন আমাদের বিনয়াবনত করে তোলে। আমেরিকার দুমুখো রাষ্ট্রনীতি, একই সাথে অস্ত্র আর গণতন্ত্র বেঁচার অভিনব ধান্ধা আর ধর্ম-ব্যবসায়ীদের হাতে ধর্মের কল তুলে দিবার বদমায়েশি মান্টো হাসিতামাশা করে চিঠিগুলোতে লিপিবদ্ধ করেছেন। সেইসাথে তৎকালীন পাকিস্তানের রাজনৈতিক ছাগলামি, অনাচার আর সমাজের খিস্তিখেউরের বিবরণ তো আছেই। মান্টোর হাস্যরস আর তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ উপভোগের রেশ কেঁটে গেলে উপমহাদেশীয় মূর্খতার জন্য নতুন করে মন খারাপ হয়। সেই মূর্খতায় আমরা আজো গাধার মতো গাট্টামেরে পড়ে আছি। কিন্তু পাছায় লাথি কষাবার মতো একখান মান্টো কই??
February 26, 2019
মূল বইয়ের জন্য ৩. ৫ তারকা।
অনুবাদকের জন্য ২.৫ তারকা।
গড় করলে দাঁড়ায় ৩ তারকা।
আঙ্কেল স্যাম হলো একটি কল্পিত চরিত্র। যাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। পঞ্চাশের দশকের শুরুতে সাদাত হাসান মান্টোকে United States Information Service তথা USIS প্রকাশিত পাকিস্তান কেন্দ্রীক ম্যাগাজিনে কিছু স্যাটায়ারধর্মী পত্র লেখেন। তারই সংকলন এই বই।
মান্টোর লেখা পত্রগুলোর সারকথা ছিল উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিদায়ের পর নব্য প্রভু হিসেবে আমেরিকার আবির্ভাব। সর্বত্র লালভীতির নাম করে আমেরিকান আগ্রাসন। ওদিকে নব্য ইসলামি রাষ্ট্র পাকিস্তানে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক গোঁড়ামি তো ছিলই। সেগুলোকে ব্যঙ্গ করতে ছাড়েন নি সাদাত হাসান মান্টো।
এবার আসি বইটির অনুবাদ প্রসঙ্গে। অনুবাদক সালেহ ফুয়াদ বাংলা একাডেমির নতুন বানান রীতির একজন বিশেষ ভক্ত, অনুরাগী এবং বড়মাপের পৃষ্ঠপোষক। তিনি এতটাই অনুরক্ত এই নব্য বানান রীতির দ্বারা যে, তার বানান চেতনার ফিল্টারে সঠিক বানানও পাল্টে গেছে। বিখ্যাত ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে যে বানানরীতি অপরিবর্তিত থাকে তা তার স্মরণ ছিল না। যেমনঃ ভাসানী হয়ে গেছে ভাসানি!
মান্টোর লেখায় এমনিতেই সূক্ষ্ম রসবোধের কমতি নেই। সাধারণভাবে অনুবাদ করলেও বইটি সুখপাঠ্য হতো। কিন্তু অনুবাদক নিজেকে ভাষা এবং শব্দ রসের ভান্ডার বিবেচনা করেছেন। তাতেই দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল অনুবাদ থেকে। অনুবাদকের অবশ্যই মনে রাখা উচিত, অনুবাদকের গুণে তাঁর ভাষান্তরিত বইটি হয়ে উঠতে পারে শুদ্ধ মৌলিক গ্রন্থের অনুরূপ।
অনুবাদকের জন্য ২.৫ তারকা।
গড় করলে দাঁড়ায় ৩ তারকা।
আঙ্কেল স্যাম হলো একটি কল্পিত চরিত্র। যাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। পঞ্চাশের দশকের শুরুতে সাদাত হাসান মান্টোকে United States Information Service তথা USIS প্রকাশিত পাকিস্তান কেন্দ্রীক ম্যাগাজিনে কিছু স্যাটায়ারধর্মী পত্র লেখেন। তারই সংকলন এই বই।
মান্টোর লেখা পত্রগুলোর সারকথা ছিল উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিদায়ের পর নব্য প্রভু হিসেবে আমেরিকার আবির্ভাব। সর্বত্র লালভীতির নাম করে আমেরিকান আগ্রাসন। ওদিকে নব্য ইসলামি রাষ্ট্র পাকিস্তানে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক গোঁড়ামি তো ছিলই। সেগুলোকে ব্যঙ্গ করতে ছাড়েন নি সাদাত হাসান মান্টো।
এবার আসি বইটির অনুবাদ প্রসঙ্গে। অনুবাদক সালেহ ফুয়াদ বাংলা একাডেমির নতুন বানান রীতির একজন বিশেষ ভক্ত, অনুরাগী এবং বড়মাপের পৃষ্ঠপোষক। তিনি এতটাই অনুরক্ত এই নব্য বানান রীতির দ্বারা যে, তার বানান চেতনার ফিল্টারে সঠিক বানানও পাল্টে গেছে। বিখ্যাত ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে যে বানানরীতি অপরিবর্তিত থাকে তা তার স্মরণ ছিল না। যেমনঃ ভাসানী হয়ে গেছে ভাসানি!
মান্টোর লেখায় এমনিতেই সূক্ষ্ম রসবোধের কমতি নেই। সাধারণভাবে অনুবাদ করলেও বইটি সুখপাঠ্য হতো। কিন্তু অনুবাদক নিজেকে ভাষা এবং শব্দ রসের ভান্ডার বিবেচনা করেছেন। তাতেই দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল অনুবাদ থেকে। অনুবাদকের অবশ্যই মনে রাখা উচিত, অনুবাদকের গুণে তাঁর ভাষান্তরিত বইটি হয়ে উঠতে পারে শুদ্ধ মৌলিক গ্রন্থের অনুরূপ।
March 26, 2020
স্যাম চাচাকে লেখা মান্টোর চিঠি
মূল: সাদত হাসান মান্টো
অনুবাদ: সালেহ ফুয়াদ
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
মলাটমূল্য: ১৫০
প্রকাশক: ঐতিহ্য, ঢাকা
প্যাভিলিয়ন: ১৪
স্বদেশ থেকে উন্মূলিত ও সর্বার্থে বিপন্ন একজন মানুষের সামনে পায়ের নিচে একটুখানি মাটি পাওয়ার সুযোগ আসা সত্ত্বেও কেউ যখন তা গ্রহণ না করেন, তখন হিসেবি লোকদের কাছে তাকে বেহিসেবি মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু মনুষ্য-সমাজে সংখ্যায় নগণ্য হলেও এমন কিছু মানুষ থাকেন যারা ওই 'স্বাভাবিকতা' বহির্ভূত। সাদত হাসান মান্টো সেই ব্যতিক্রমীদের একজন। ক্ষতাক্ত স্বাধীন ভারতের দুই অঞ্চলেই তখন মুহাজির-অমুহাজির উভয় শ্রেণির বহু মানুষের মধ্যে চলছিল জমি দোকানপাট কলকারখানা দখলের কাড়াকাড়ি। মান্টোকে বলা হলেও এই কাড়াকাড়িতে তাঁর মন সায় দেয়নি। তারপর সুযোগ আসে একেকটা লেখার বিনিময়ে পাঁচশো করে টাকা পাওয়ার। মান্টো তখন নিঃসীম দারিদ্র্যে দিশেহারা। পরিবারের গ্রাসাচ্ছাদনের কোনও ব্যবস্থা নেই। অথচ সুযোগটা তিনি গ্রহণ করলেন না৷ নাকি করলেন? বিচারের ভার পাঠকের ওপর ছেড়ে দিয়ে শুধু ঘটনাটা বিবৃত করা যাক।
বিশ্বমোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরদারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড স্টেট ইনফরমেশন সার্ভিস। একদিন লাহোর অফিসের এক কর্তা মিস্টার স্মিথ মান্টোর ডেরায় এসে প্রস্তাব দিলেন তাদের ম্যাগাজিনে তিনি যেন কিছু লেখা দেন। প্রতিটি লেখার দক্ষিণা পাঁচশো রুপি। মান্টো দুশোর বেশি নেবেন না। ঝুলোঝুলির পর রফা হল তিনশো রুপিতে। মান্টো তাঁর লেখায় গ্রহণ করলেন চিঠির ফর্ম৷ কোনও এক স্যাম চাচাকে সম্বোধন করে লেখা সেই চিঠি ।
না, স্যাম চাচা ঠিক অনির্দিষ্ট কোনও একজন লোক নয়। রক্ত-মাংসের বাস্তব মানুষ৷ নাম স্যামুয়েল উইলসন, মোড়ক-দেওয়া মাংস বিক্রেতা৷ বিশ্বযুদ্ধ তাকে বিখ্যাত করে তোলে। এমনকী মার্কিন সরকারের কাছেও। মান্টো প্রথম যে-লেখাটি খামে ভরে মার্কিন দপ্তরে নিয়ে গেলেন তা ওই আঙ্কল স্যাম বা স্যাম চাচাকে লেখা একটা চিঠি। ওই চিঠিতে মান্টো মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন। দেখিয়েছেন তথাকথিত সভ্যতার আড়ালে দাঁত-নখ বের-করা এক বীভৎস রূপ৷ স্যাম চাচা হয়ে যায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতীক৷ এরপর মান্টো তাকে আরও আটটি চিঠি লেখেন৷ কী বলা যাবে একে? পাগলামি, না ত্যাড়ামি? চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও নিজের শিল্পীসত্তাকে মরতে না দিতে ক-জন পারেন!
বাংলা অনুবাদে মান্টোর চিঠিগুলো পড়ার সুযোগ বাংলাদেশের পাঠকেরা বোধকরি এই প্রথম পেলেন৷ যারা এই বিরল মানুষটিকে জানেন তারা চিঠিগুলো থেকে মান্টোর ভিন্ন এক সত্তার পরিচয় পাবেন আশা করি। —হাবিব আর রহমান
মূল: সাদত হাসান মান্টো
অনুবাদ: সালেহ ফুয়াদ
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
মলাটমূল্য: ১৫০
প্রকাশক: ঐতিহ্য, ঢাকা
প্যাভিলিয়ন: ১৪
স্বদেশ থেকে উন্মূলিত ও সর্বার্থে বিপন্ন একজন মানুষের সামনে পায়ের নিচে একটুখানি মাটি পাওয়ার সুযোগ আসা সত্ত্বেও কেউ যখন তা গ্রহণ না করেন, তখন হিসেবি লোকদের কাছে তাকে বেহিসেবি মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু মনুষ্য-সমাজে সংখ্যায় নগণ্য হলেও এমন কিছু মানুষ থাকেন যারা ওই 'স্বাভাবিকতা' বহির্ভূত। সাদত হাসান মান্টো সেই ব্যতিক্রমীদের একজন। ক্ষতাক্ত স্বাধীন ভারতের দুই অঞ্চলেই তখন মুহাজির-অমুহাজির উভয় শ্রেণির বহু মানুষের মধ্যে চলছিল জমি দোকানপাট কলকারখানা দখলের কাড়াকাড়ি। মান্টোকে বলা হলেও এই কাড়াকাড়িতে তাঁর মন সায় দেয়নি। তারপর সুযোগ আসে একেকটা লেখার বিনিময়ে পাঁচশো করে টাকা পাওয়ার। মান্টো তখন নিঃসীম দারিদ্র্যে দিশেহারা। পরিবারের গ্রাসাচ্ছাদনের কোনও ব্যবস্থা নেই। অথচ সুযোগটা তিনি গ্রহণ করলেন না৷ নাকি করলেন? বিচারের ভার পাঠকের ওপর ছেড়ে দিয়ে শুধু ঘটনাটা বিবৃত করা যাক।
বিশ্বমোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খবরদারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড স্টেট ইনফরমেশন সার্ভিস। একদিন লাহোর অফিসের এক কর্তা মিস্টার স্মিথ মান্টোর ডেরায় এসে প্রস্তাব দিলেন তাদের ম্যাগাজিনে তিনি যেন কিছু লেখা দেন। প্রতিটি লেখার দক্ষিণা পাঁচশো রুপি। মান্টো দুশোর বেশি নেবেন না। ঝুলোঝুলির পর রফা হল তিনশো রুপিতে। মান্টো তাঁর লেখায় গ্রহণ করলেন চিঠির ফর্ম৷ কোনও এক স্যাম চাচাকে সম্বোধন করে লেখা সেই চিঠি ।
না, স্যাম চাচা ঠিক অনির্দিষ্ট কোনও একজন লোক নয়। রক্ত-মাংসের বাস্তব মানুষ৷ নাম স্যামুয়েল উইলসন, মোড়ক-দেওয়া মাংস বিক্রেতা৷ বিশ্বযুদ্ধ তাকে বিখ্যাত করে তোলে। এমনকী মার্কিন সরকারের কাছেও। মান্টো প্রথম যে-লেখাটি খামে ভরে মার্কিন দপ্তরে নিয়ে গেলেন তা ওই আঙ্কল স্যাম বা স্যাম চাচাকে লেখা একটা চিঠি। ওই চিঠিতে মান্টো মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন। দেখিয়েছেন তথাকথিত সভ্যতার আড়ালে দাঁত-নখ বের-করা এক বীভৎস রূপ৷ স্যাম চাচা হয়ে যায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতীক৷ এরপর মান্টো তাকে আরও আটটি চিঠি লেখেন৷ কী বলা যাবে একে? পাগলামি, না ত্যাড়ামি? চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও নিজের শিল্পীসত্তাকে মরতে না দিতে ক-জন পারেন!
বাংলা অনুবাদে মান্টোর চিঠিগুলো পড়ার সুযোগ বাংলাদেশের পাঠকেরা বোধকরি এই প্রথম পেলেন৷ যারা এই বিরল মানুষটিকে জানেন তারা চিঠিগুলো থেকে মান্টোর ভিন্ন এক সত্তার পরিচয় পাবেন আশা করি। —হাবিব আর রহমান
April 16, 2023
মান্টো জিন্দাবাদ। চাচা স্যামকে(আমেরিকা) ভাতিজা মান্টো যেভাবে আয়না প্রদর্শন করিয়েছে এবং তাদের ভবিষ্যতে এর প্রতিদানে কি হতে পারে তার পুংখানপুংখ বর্ণনা দিয়ে গেছেন মজার ছলে বহু দশক আগেই।
একটি অবশ্যপাঠ্য বই।
একটি অবশ্যপাঠ্য বই।
February 12, 2019
১৯৫১ সালে United State Information Service এর অফিসার স্মিথ লাহোরে মান্টো মানে সাদাত হাসান মান্টোর সাথে দেখা করে অনুরোধ করেন USIS এর ম্যাগাজিনে কিছু লিখতে। সেই ম্যাগাজিনে তিনি আটটি চিঠি লিখেন। চিঠিতে স্যাম চাচা বলতে মার্কিন সাম্রাজবাদকে বুঝিয়েছেন তিনি।
অসামমমম!
অসামমমম!
Displaying 1 - 5 of 5 reviews






