Jump to ratings and reviews
Rate this book

কালো সীমানা

Rate this book
Manto wrote stories not only of a couple of pages but also of a couple of lines. Imagine the craftsmanship to explain an idea in one line. These stories that encompass a line or a paragraph are called Siyah Hashiye.

78 pages, Hardcover

First published October 1, 1948

27 people are currently reading
721 people want to read

About the author

Saadat Hasan Manto

550 books1,119 followers
Saadat Hasan Manto (Urdu: سعادت حسن منٹو, Hindi: सआदत हसन मंटो), the most widely read and the most controversial short-story writer in Urdu, was born on 11 May 1912 at Sambrala in Punjab's Ludhiana District. In a writing career spanning over two decades he produced twenty-two collections of short stories, one novel, five collections of radio plays, three collections of essays, two collections of reminiscences and many scripts for films. He was tried for obscenity half a dozen times, thrice before and thrice after independence. Not always was he acquitted. Some of Manto's greatest work was produced in the last seven years of his life, a time of great financial and emotional hardship for him. He died a few months short of his forty-third birthday, in January 1955, in Lahore.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
138 (46%)
4 stars
106 (35%)
3 stars
43 (14%)
2 stars
7 (2%)
1 star
1 (<1%)
Displaying 1 - 29 of 38 reviews
Profile Image for Anik Chowdhury.
176 reviews35 followers
November 2, 2022
"ফুটফুটে এই কবরখানায় মৃতের মতো শান্ত কে?
অচেনা আর কারও হাতেই ছাড়ব না ভাই প্রাণ তোকে।
ছুড়িই যখন ঠেকাই জিভে
মোমবাতিরা আসুক নিভে।
শেষ পাতাটা লিখুক চিঠি। সাদাত হোসেন মান্টোকে।"
-শ্রীজাত


মান্টো লেখা আমাকে তীক্ষ্ণ ছুরির ফলার মতো বিদ্ধ করে। যেন তার গল্পের জন্মই হয়েছে আমাকে বিদ্ধ করে আমার অন্তরাত্মায় পৌঁছানোর জন্য। তার লেখায় থাকা দগদগে ক্ষত তখনই আমার কাছে এসে পৌঁছায় যখন আমি তাকে অনুভব করার জন্য একাত্ম হয়ে থাকি। নয়তো তার গল্পের প্রকৃত অর্থটা আমাকে পাশ কাটিয়ে সুদূরে পাড়ি জমায়। তাই মান্টোকে ধরতে হয় তার মতো করে। বিক্ষুব্ধ মন নিয়ে রচনা করা গল্পে যেমন তার ক্ষোভের দেখা পাওয়া যায় তেমনই মাঝে মাঝে আরেকটি জিনিস ঝলমলিয়ে উঠে। আর তা হলো তার অসাম্প্রদায়িক মনোভাব। এই মনোভাব এতই তীক্ষ্ণ যে কেউ রেহায় পায় না, যেটা সত্যি সেটা সত্যিই!

" 'আমার চোখের সামনে আমার জওয়ান মেয়েটাকে মেরো না ।'
'আচ্ছা, ঠিক আছে, লোকটার কথা রাখো । মেয়েটাকে ওই দিকে নিয়ে চলো ।' "
-দয়া, সাদত হাসান মান্টো

একটা অনুগল্প! অথচ এর মাঝে লুকিয়ে আছে নৃশংসতা, পিতার আর্তি, আর হায়নাদের জ্যান্ত উল্লাস। মান্টোকে চিনে নিলে, তার কথার পেছনের কথাকে বুঝে নিলে তার সৃষ্ট সাহিত্য হয়ে ওঠে অনিন্দ্য। এমন এক কল্পলোকে ভাসাবে যেখানে রূপকথার রাজ্য নেই, নেই কোনো স্বপ্নজাল আছে মান্টোর ক্ষোভ, অভিমান, আর হৃদয়ের দগদগে ক্ষত। আজীবন দেশ ভাগের ক্ষত বয়ে চলা মানুষটা কখনো কখনো গুণী সমাজে হয়ে উঠেছিলেন প্রতিক্রিয়াশীল। লেখা জন্য জেলের ঘানি টানা মানুষটার কলমের আঁচড় তবুও থামেনি। সময় আজ বলে দেয় মান্টো প্রতিক্রিয়াশীল নয়, প্রগতিশীল।

শেষ করি মান্টোর প্রবন্ধ 'কাফনের গলা' থেকে কিছু লাইন দিয়ে,
"মানুষই মানুষের শিরা থেকে যে রক্ত বইয়েছে, আমি সেই রক্তের সমুদ্রে ডুব দিয়েছি। আর ডুব দিয়ে স্বেদবিন্দুর মতো কিছু মুক্তো তুলে এনেছি। এই স্বেদবিন্দু মানুষ নিজেরই ভাইয়ের শেষ রক্তবিন্দু বইয়ে দিতে ঝরিয়েছিল। এই মুক্তো সেই অশ্রুর, যা এই ডামাডোলে কিছু মানুষের চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়েছিল যে, কেন তারা মনুষ্যত্ব একেবারে নিঃশেষ করে দিতে পারছে না।"
Profile Image for Rocky Rahman.
106 reviews10 followers
April 21, 2024
উর্দু সাহিত্যের অন্যতম কথাসাহিত্যিকের নাম হচ্ছে মান্টো। তার মতো তীক্ষ্ণভাবে পাঠকের হৃদয়ে মানবতার পঁচন নিয়ে বেদনার আঘাত অন্য কেও করতে পারেনি। তাইতো মৃত্যুর এক বছর আগে নিজের এপিটাফে তিনি বলে গেছেন, " এখানে সমাধিতলে শুয়ে আছে মান্টো এবং তার বুকে সমাহিত হয়ে আছে গল্প বলার সব কৌশল আর যাদু"। তিনি বেঁচেছেন মাত্র ৪৩ বছর।
.
সিয়াহ হাশিয়ে নামক বইটিতে রয়েছে মোট ৩২টি ছোট গল্প। গল্পগুলো আকারে খুবই ছোট, কোনোটা কয়েক লাইনের তো কোনোটা মাত্র কয়েক পৃষ্ঠার। বইটি লেখক দেশভাগের পর পাকিস্তানে গিয়ে যখন মারাত্মক অর্থাভাবে ভুগছিলো তখন প্রকাশকের কাছে টাকা চাইতে গেলে বাধ্য হয়ে লিখে দিয়ে আসা গল্পগুলোর সংকলন।
গল্পগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট হচ্ছে এগুলো গল্প আকারে বলা হলেও মনে হবে এগুলো দেশভাগের নৃশংস স্থিরচিত্র। মনে হবে লেখক চোখ দিয়ে বর্বরোচিত দৃশ্যগুলো দেখে লেখনীতে প্রকাশ করেছে যেনো তা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকে।
লেখক বইটিতে নিজের কোনো অনুভূতি দৃশ্যগুলোর সাথে জুড়িয়ে দেয়নি, একদম নিরপেক্ষ থেকে শুধু গল্পগুলো বলে গিয়েছে যেনো অনুভূতি জুড়ে দেবার দায়িত্ব তিনি দিয়ে গিয়েছেন পাঠক সমাজকে।
এই ছোট ছোট গল্পগুলো পড়ার পরে আপনার হৃদয় ব্যথা আর চিন্তায় আঘাত হানতে পারে এই প্রশ্ন যে আমরা মানুষের কতোটা মানুষ হতে পেরেছি।
একটি ছোট্ট গল্প তুলে ধরছি-
" পেট ফাঁক করে দিয়ে নাভি পর্যন্ত নেমে এল ছুরি। পাজামার ফিতে কেটে গেল। ছুরি চালানো লোকটা সঙ্গে সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে বলল, ছি ছি ছি ছি মিস্টেক হয়ে গেছে।"
ঠিক এভাবেই লেখক দেশভাগের সময়ে হিন্দু মুসলমানের দাঙ্গাটা তুলে ধরেছেন আমাদের কাছে, কখনো মনে হবে লেখক নিষ্ঠুর কিন্তু বাস্তব ডার্ক হিউমার তুলে ধরেছেন আমাদের।
Profile Image for Shotabdi.
819 reviews200 followers
May 27, 2022
মানুষের পশুত্ব কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা মগজ চিরে দেখিয়ে দিয়েছেন লেখক। সব কটা গল্পই কয়েক লাইনের বা কয়েক পাতার। কিন্তু এতে যে কী আছে, কতটা নাড়া দেয়ার ক্ষমতা আছে, মান্টো না পড়লে বোঝা সম্ভব না।
একটা গল্প বলি কেবল,
'আরে মরেনি! এখনো বেঁচে আছে!'
'থাক দোস্ত...খুব ক্লান্ত হয়ে গেছি!'
গল্পটির নাম বিশ্রাম।
Profile Image for Rashid.
25 reviews5 followers
March 28, 2020
নির্ঝর ভাই এর কাছ থেকে নিয়ে পড়া এই বইটা। বইটার উর্দু নাম: "সিয়াহ হাসিয়ে", যেটার অর্থ করলে দাঁড়ায় 'Black Borders' বা কালো সীমানা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, নামটি দ্ব্যর্থবোধক। পত্রিকায় কোন মৃত্যুসংবাদ (obituary) আসলে সেটি কালো মার্জিনে ছাপানো হয়, যেটার অপর নাম উর্দুতে "সিয়াহ হাসিয়ে।"

অনেকগুলো ছোটগল্প (ছোট বলতে একেবারেই ছোট, মাঝে মাঝে এক বা দুই অনুচ্ছেদ বা কখনো এক/দুই লাইন) নিয়ে সংকলিত মান্টো এর এই বইটি। বইটি পড়ার আগে এই উর্দূ লেখক মান্টোর জীবন ইতিহাস এর সারাংশ একবার চোখ বুলিয়ে নিলে পাঠক লেখনীর মধ্যে লেখকের জীবনের নানা দিকের প্রতিবিম্ব সহজেই খুঁজে পাবেন এবং বইটি পড়ার স্বাদ তখন অন্য এক মাত্রা পাবে। ভারত-পাকিস্তান দেশবিভাগের সময় নিয়তির প্রতি নিয়ন্ত্রণহীনতা এবং মানুষের স্বাভাবিক পাশবিক প্রবৃত্তি এবং আদিম নির্বোধ কিভাবে মনুষ্যত্ববোধের মৃত্যু ঘটায় সেটির এক অদ্ভুত ঝাঁঝালো এবং শ্লেষাত্মক করূণ প্রকাশ ঘটেছে বইটির প্রায় প্রতিটি গল্পে। সে হিসেবে বইটি এক অর্থে বিভিন্ন জীবনবোধের মৃত্যুসংবাদ প্রচারপূর্বক তার এই নামকরণের উদ্দেশ্যকে বুদ্ধিদীপ্তভাবে সার্থক প্রমাণিত করেছে।

পরিশেষে যে কথাটা না বললেই নয়, এই বইটির মুখবন্ধ বইটির অনুবাদক জাভেদ হুসেন নিজেই লিখেছেন এবং এটি আমার পড়া সেরা কিছু মুখবন্ধের অন্যতম। আমি এঁই জাভেদ হোসেন ব্যক্তিটির ভবিষ্যতে আরো কিছু লেখা পড়ার আশা রাখি।
Profile Image for Paras.
28 reviews
April 14, 2015
A magnificent collection of short stories. The kind that sends chills down your spine. The collateral damage that comes with a partition, with losing your self identity to a mere kartographic name is evident in these stories of Manto. People may call these the taboos and inappropriate to be considered art but the only way was the brutal way with which Manto has unveiled the true face of the polished elite of the sub continent that really deserved no better.
Profile Image for Kakra.
10 reviews
September 2, 2025
দেশভাগ! মানুষ একদিকে পালাচ্ছে,আর অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়েছে লুটপাট আর হত্যাযজ্ঞ। মানুষ আর পশুর মধ্যে কোনো পার্থক্য রইলো না; লালসা আর ঘৃণার কাছে মানুষ বিসর্জন দিয়েছিল বিবেককে। উপমহাদেশের শান্তি পদদলিত হলো, আর সীমানাই হয়ে উঠলো সমস্ত সমস্যার মূল উৎস। এই বইতে সেই ভয়াবহ সময়ের প্র��িচ্ছবি আঁকা হয়েছে ৩২টি গল্পে। কোনো গল্প মাত্র দুই লাইনের, কোনোটি চার লাইনের, আবার কোনোটি বিস্তৃত দেড়-দুই পৃষ্ঠাজুড়ে। আকারে ছোট হলেও প্��তিটি গল্প পূর্ণাঙ্গ এবং সযত্নে নির্মিত। আর সেখানেই নিহিত আছে তাদের শক্তি—পাঠকের মনে গভীর রেখাপাত করার ক্ষমতা।

Profile Image for সন্ধ্যাশশী বন্ধু .
368 reviews12 followers
October 25, 2022
মান্টো অসাধারণ। এক কথায় অসাধারণ। কোন ঘটনার চিত্র মানুষ যে কথার মাধ্যমে আঁকতে পারে,সেটা মান্টো না পড়লে বোঝা দায়।

দেশভাগের নির্মম চিত্র গুলো মান্টো ফুটিয়ে তুলেছে তার গল্পে। মানুষ কত পৈশাচিক হতে পারে,মান্টো দেখিয়েছেন তার গল্পে। একেকটি গল্প শেষ করে,নিজেকে মানুষ ভাবতে লজ্জা করবে।

মান্টো এই গল্প গ্রন্থের গল্পগুলো লিখেছিলেন, অর্থাভাবে পড়ে। তার পরেও কি শক্ত পোক্ত লেখনি। একেই বোধহয় বলে জাত লেখক। অসাধারণ।

জাভেদ হুসেন এর অনুবাদ ও ভালো লেগেছে। সাবলীল ছিল। পড়ে আরাম পেয়েছি।
Profile Image for Omama..
713 reviews72 followers
March 19, 2020
This is a collection of short stories, or just one-liners, originally published as “سیاہ حاشئیے”, which observe the senseless inhumanity following the days of Partition and the desecration of the soul, expressed through horrifying acts of frenzied violence. Very classically Manto. But the twisted nature of these stories will make your stomach churn and spin, like you’ve just experienced it yourself.
Profile Image for Abu khan.
51 reviews6 followers
February 12, 2019
মোট ৩২ টি ছোট গল্প আর পৃষ্ঠা সংখ্যা মাত্র ৭৮! গল্পগুলো প্রকাশের কাহিনী আরও মজার। বেকার লেখকের অর্থের প্রয়োজন পড়লে যেতেন পত্রিকার প্রকাশকের কাছে। প্রকাশক বিনা কারণে টাকা দিতে নারাজ। তাই অর্থের বিনিময়ে এই গল্পগুলো লিখেছিলেন মান্টো।

'মান্টোর বিভীষিকার নন্দনতত্ত্ব' শীর্ষক মুখবন্ধে অনুবাদক জাভেদ হুসেন 'কালো সীমানা' সম্পর্কে যথার্থ বলেছেন। নতুন করে যোগ করবার কিছুই নেই। এটুকু বলা যেতে পারে যে, অনুগল্পের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে মান্টোর 'কালো সীমানা'।
Profile Image for Anjali.
27 reviews10 followers
February 5, 2008

Manto's black margins is a beautiful collection of his short stories... for anyone who is interested at all in the affective dimension of decolonization, esp. in the south asian context it is quite extraordinary. depressing, but extraordinary. BM has some of the classics, including "toba tek singh" and "khol do"...
Profile Image for Riasat.
15 reviews7 followers
April 25, 2022
অনেকদিন পর কোনো একটা শিল্পকর্ম পড়ে/দেখে কান্নার মতো লাগলো। উর্দু সাহিত্যের বৈভব, সক্ষমতা আরেকবার টের পেলাম। ছোটো ছোটো গল্প, ৫-১০ লাইনের গল্প- কিন্তু এতো আবেগ, এতো দুঃখ, এতো মায়া ধারণ করে আছে।

আমি ছোটো একটা গল্পের উদাহরণ না দিয়ে পারছি না, "পাশবিক" নামে। মিয়া, বিবি, তাদের দুই মেয়ে, তাদের গাই গরু আর বাছুর নিয়ে দাঙ্গার সময় ঘরে কোনোমতে লুকায়ে আছে। দাঙ্গাবাজরা এক মেয়ে আর বাছুরকে ধরে নিয়ে গেসে। ফলে এখন লুকায়ে আছে মিয়া, বিবি, তাদের ছোটো মেয়ে আর গাই গরুটা। এমন সময় দূর থেকে কারো একজনের শব্দ শুনে ছোটো মেয়ে কান্না করতে শুরু করলো৷ মেয়ের মুখ চেপে আর চাদর দিয়ে ঢেকে কোনোমতে তাকে থামানো গেলো।
কিন্তু এরপর কোনো এক বাছুরের ডাকার শব্দ শুনে গাই গরু ছোটাছুটি শুরু করে দিলো, কোনোভাবেই তাকে থামানো যাচ্ছে না। ফলে দাঙ্গাবাজরা এসে গেলো গরুর চিৎকার/কান্নাকাটি শুনে। তখন বিবি রেগে গিয়ে বললো, "কেন তুমি জানোয়ারটাকে সঙ্গে আনলে!"
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
720 reviews12 followers
July 17, 2022
অন্ধকার রসে ঠাসা, অন্ধকার রস বলতে ডার্ক হিউমার। সব গল্পই তাই বলে উত্তীর্ণ হতে পারে নি।
'মজুরি' গল্পে হারমোনিয়াম বাজিয়ে একজন গাইছে 'যব তুম হি গ্যায়ে পরদেস লাগা কর ঠেস ও পিতম পেয়ারা...', গানটা আদতে 'যব তুম হি চালে পরদেস লাগা কর ঠেস ও প্রীতম পেয়ারা' হলেও মূল পাঠে নাকি এমনই আছে, জানালেন অনুবাদক।
পরিশিষ্টে প্রগতিশীল লেখক সংঘের কাছে মান্টোর আকাঙ্ক্ষা বিবৃত হয়েছে। রাজনীতিকে এক পাশে লেখকের কাজ হবে লিখে যাওয়া, মান্টোর এই অভিমত আমার পছন্দ হয় নি। তবে হ্যাঁ, ক্রেমলিনের সূত্র উপমহাদেশে প্রয়োগ করলে চলবে না, এ তো প্রায়োগিক সত্যই।
মান্টো যথার্থরূপে ইসলাম পালন না করলেও ধর্মবিরোধী ছিলেন না, এ তথ্য আমার কাছে আনকোরা। ধর্মকে বরং অপব্যাখ্যাত হতেই দেখেছেন সাদত হাসান মান্টো।
বইটা ধার করে পড়া। বইয়ের শুরুতে লেখা মীর মাশরাফি আলম। বন্ধুদের কাছে ধার নিয়ে পড়া হয় না বহুদিন, ছেলেটাকে ফিরিয়ে দিতে হবে সত্বর।
Profile Image for ⚔️.
61 reviews
February 11, 2023
this short collection is the perfect introduction to manto’s candid, controversial, and stark writing style for me. my dad is an avid manto reader and loves his work so much, so i’ve been meaning to read some of his work for a long time. this was very short but such an interesting read; the little snapshots into the atrocities of the partition are shown with such nonchalance that it only exemplifies the horrors faced. so many stories left me feeling numb and shocked to my core.
Profile Image for Monirul Hoque Shraban.
171 reviews52 followers
April 15, 2023
দেশভাগের ভয়াবহতাকে উপজীব্য করে খুব ছোট ছোট কয়েকটি গল্পের সমষ্টি। গল্পগুলো এক কি দুই পৃষ্ঠার, কোনো কোনোটি ৩/৪ লাইনেই শেষ। ছোট হলেও গল্পগুলো বড় গল্পের মতোই ওজনদার। রক্ত, খুন, ধর্ষণ আর ভয়াবহতার গল্পে ডার্ক হিউমার উপস্থিত। একটি উল্লেখ করছি-

'জলদি বলো কে তুমি?'
'আমি... আমি...'
'শয়তানের বাচ্চা জলদি বল...হিন্দু না মুসলমান।'
'মুসলমান।'
'তাহলে বল তোর নবীর নাম কী?'
'মোহাম্মদ খান।'
'ঠিক আছে...যা।'
Profile Image for Debashish Chakrabarty.
108 reviews94 followers
November 22, 2020
দেশভাগের দগদগে লাভা স্রোতের নিচে বয়ে চলা নির্মম পরিহাসের চোরাস্রোতকেই নিপুণ অথচ পরিমিত কাঠামোয় গেথে গেথে তুলেছেন মান্টো। হিন্দু-মুসলমান বাইনারি অপজিশনের সীমানা পেরিয়ে মান্টো খুঁজে দেখেছেন-দেখিয়েছেন ব্যক্তি এবং সামস্টিক মানুষের অচিহ্নিত এলাকার বয়ান। ক্যামন এক পরিস্থিতি তৈরি হলে পরে মানুষের মধ্যে এমন ম্যাস হিস্টিরিয়ার প্রকোপ সৃষ্টি হয় তাকেই খুঁজে পাওয়া যায় প্রতিটি গল্পে। এখানে ফিরে ফিরে দেখা প্রয়োজন যে, মানুষ সব কিছু হারিয়ে ফেললে, তার সম্পদ-সম্পত্তি, সমগ্র অস্তিত্ব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। মানুষের ইতিহাসের এক অসামান্য দলিল আর জাভেদ হুসেনের দিলখুশ অনুবাদ।
Profile Image for Shishir.
188 reviews40 followers
March 1, 2025
খবরদার

"দাঙ্গাকারীরা বড় কষ্টে বাড়ির মালিককে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে এল। কাপড় থেকে ধুলো ঝাড়তে ঝাড���তে উঠে দাঁড়াল সে। তারপর দাঙ্গাবাজদের সাবধান করে দিয়ে বলল, “চাইলে আমাকে মেরে ফেলো, কিন্তু খবরদার, আমার টাকাপয়সায় হাত দেবে না!'

......

- গল্প নয়, যেন ছোট ছোট ডিনামাইট একেকটা।
Profile Image for Arif  Raihan Opu.
213 reviews7 followers
July 1, 2021
মান্টো, সাদত হাসান মান্টো। না জেমস বন্ডের মত কোন বৈশিষ্ট্য এনার নেই। তবে এনার যেই শক্তি ছিল সেটা হচ্ছে কলমের। আমরা প্রবাদ পড়েছি অসির চেয়ে মসি বড়, মানে তলোয়ারের চেয়ে কলমের শক্তি অনেক বেশি। কিন্তু সেই শক্তির কথা সাধারণত কেউ প্রকাশ করতে পারে না। আবার অনেকের সাহস হয় না। তবে এক্ষেত্রে মান্টো সবার চেয়ে আলাদা। তিনি তার লেখালিখির জীবনে মাথা নত করেননি।
.
এখানে সমাধিতলে শুয়ে আছে মান্টো আর তার বুকে সমাহিত আছে গল্প বলার সব কৌশল আর রহস্য।
.
এই কথাগুলো সাদত হাসান মান্টোর সমাধিস্থলের এপিটাফে লেখা! অন্য কেউ নয়, মান্টো নিজেই মৃত্যুর বছরখানেক আগে তার এপিটাফের জন্য লিখে রেখেছিলেন। ভেবে দেখুন তো একজন লেখক তার চিন্তা কতদূর এগিয়ে রেখেছিলেন। তার মৃত্যুর আগেই তিনি তার এপিটাফ লিখে গিয়েছেন। এই দুইটি লাইন যেন কত বিশাল ভাবে তার চিন্তা ভাবনার বর্ননা দিয়েছে তা বোঝানো সম্ভব নয়।
.
মান্টোকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে আবার তাকে নিয়ে তারচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছে। তার লেখা এবং বই নিষিদ্ধ হয়েছে। বৃটিশরা তার বই নিষিদ্ধ করেছিল। দেশ ভাগের পর তিনি ভেবে ছিলেন তার পরিবর্তন আসবে। কিন্তু সেটা হয়নি।
.
এখন কে মান্টো কে নিয়ে আলোচনা হয় সেটা হয়ত ভাবার বিষয়। কারণ আর কিছুই নয় তার লেখার ধরন। তিনি যদি চাইতেন তবে শুধু সাহিত্যের জন্য লিখে জীবন পার করে দিতে পারতেন। কিন্তু সেটা তিনি করেননি। তিনি তার লেখায় সমাজের অমানবিকতার গল্পগুলো নিজের আবেগের সাথে না মিলিয়ে সোজাসাপ্টাভাবে তুলে ধরা, যেন অদূর ভবিষ্যতে লেখাগুলো ইতিহাসের জন্যও কাজে দেয়। তিনি চারপাশের নিন্দ ঝড় সমালোচনা আলোচনা কিছুর পরোয়া করেননি, কলমের মাধ্যমে তুলে এনেছেন জীবন। আর তাই আজ তাকে নিয়ে এত লেখা এবং গবেষণা হয়।
.
এই যে মান্টোকে নিয়ে বলছি তার কারণ তার গল্প লেখার ধরণ। সাদত হাসান মান্টো এর “কালো সীমানা” বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। বইটিতে গল্প আছে ৩২টি। তবে এই গল্প গুলো সেই সময়ের যখন ভারত ভাগ হয় বা বলা যায় দেশ ভাগের সময়ের লেখা। এছাড়া বইটির আরও একটি বৈশিষ্ট্য আছে, তা হচ্ছে গল্প গুলো বড় নয়। কোনটা দুই লাইন এক লাইন বা কোনটা দেড় পৃষ্ঠা। এর বড় কোন গল্প নেই।
.
কিন্তু সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে এই দুই এক লাইনের গল্প গুলোতে যে বিশাল অর্থ তিনি বুঝিয়েছেন তাতে সেই সময়ের পরিস্থিতি খুব সহজেই আন্দাজ করে নিতে কারো কষ্ট হবে না। দাঙ্গার যে চেহারা সেগুলো লেখক নিজ চোখে দেখেছেন, আর তাই তিনি উঠিয়ে এনেছেন তার কলমে। তিনি দেখেছেন কি সেই ভয়ংকর সময় যখন মানুষ তার সব কিছু ভুলে গিয়েছিল। তখন তারা আর মানুষ ছিল না। শুধু রক্ত মাংসের একটা পুতুল রকম ছিল বলে মনে হয়।
.
বইটির কোন ভূমিকা নেই। এই প্রসঙ্গে মান্টো বলেন, “তার পরিচয় সবাই জানে, আলাদা ভাবে পরিচয় দেয়ার কিছু নেই। তার যা বলার তিনি সেটা লেখাতেই বলে দিয়েছেন। আর যারা অন্যের বইয়ের ভূমিকা লেখে তাদের কে তার বরযাত্রী আগে বা ঘোড়ার পিছনে বসিয়ে দেয়া লোকদের মত হাস্যকর মনে হয়”।
.
“কালো সীমানা” বইটির শুরু গল্পটি একটা চমৎকার তথ্য দেয়। বইটির প্রথম গল্প একলাইনের, যেটা লেখা হয়েছে মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর উপর। এভাবে লিখেছেন যে, মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর পর ভারতের অনেক জায়গাতে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়। যে অনেকেই গান্ধীর বিরোধীতা করেছেন।
.
এবার অন্য একটি গল্প দেখি। একটা বাড়ি লুট করতে যাচ্ছে দশ পনেরো জন। তাদের মধ্যে একজনের কাছে কোন হাতিয়ার নেই। দরজায় তালা, ভাঙ্গার আগেই সেই ব্যক্তি বলল আমি খুলে দিচ্ছি। এরপর সবাইকে ধীরে ধীরে সব কিছু নিতে বলল। সব শেষে দেখা যায়, এই লোকটা ঘরের মালিক।
.
আবার দুই লাইনের একটি গল্প দেখা যাক,

আগুন লাগল যখন, সারা মহল্লা জ্বলে ছাই হলো। কেবল একটা দোকান বেঁচে গেল, সেই দোকানের ওপর সাইনবোর্ড তখনও পড়া যাচ্ছিল, "এখানে বাড়ি বানানোর মাল-সামান পাওয়া যায়।”
.
উপরের গল্পটির নিগূঢ় অর্থ বের করা কঠিন কিছু নয়। তবুও সেটা আমি পাঠকের কাছে ছেড়ে যাচ্ছি। যদি অর্থ বের করতে পারেন তবে জানাবেন।
.
আর একটি অনুগল্পের দিকে চোখ ফেরাই,

সকাল ছয়টায় বরফের ঠেলাওয়ালা কে মেরে ফেলা হয়েছে। সাতটার সময় পুলিশ এসেছে। এর আগেই বরফ গলে গিয়েছে। লাস নিয়ে চলে যাবার পর এক মা তার বাচ্চা কে নিয়ে সে পথ দিয়ে যাচ্ছিল, বাচ্চাটা সেই দিকে তাকিয়ে বলল, মা জেলি।

কত নির্মম সত্য এভাবেই উঠে এসেছে। তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি শুধু তুলে এনেছেন দাঙ্গার সেই পরিস্থিতি যেখানে সাধারণ মানুষ অসহায় ছিল। যেখানে তারা নিজের জীবন বাচানোর একটা উপায় শুধু খুজে বেড়াচ্ছিল। শুধু বাচতে।
.
বইটিতে “সরি” নামে একটা গল্প রয়েছে। গল্পটি এমন –
পেট ফাঁক করে দিয়ে নাভি পর্যন্ত নেমে এলো ছুরি। পাজামার ফিতে কেটে গেল। ছুরি চালানো লোকটা সঙ্গে সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে বলল, “ছি, ছি, ছি, ছি, মিস্টেক হয়ে গেছে!”

কি ভুলই হয়ে গিয়েছে। সত্যি তো অনেক বড় মিস্টেক হয়ে গিয়েছে। পাজামার ফিতে কাটার তো কোন কথা ছিল না। মাত্র দুই লাইনে অনেক গুলো শব্দ কত চিন্তা ভাবনার জন্ম দেয়। অথচ মানুষের জীবনের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না এটাই কিন্তু তিনি বলতে চেয়েছিল। সাদত হাসান মান্টো দেখেছেন নিজের জীবন। দেখেছেন তার আশে পাশের মানুষকে, তারপর প্রতিবেশীদেরও যে মানুষ ভয় পেতে পারে, বা ভয়ের কারণ হতে পারে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। লেখক যেন ইতিহাসকে আমাদের সামনে তুলে এনেছেন। বলেছেন তার ব্যথার কথা, তুলেছেন অমানবিকতা আর বিবেকহীন মানুষের কথা।

অপর দিকে সামাজিক অসংগতির সাথে মানুষের দ্বিমুখীতাও উঠে এসেছে। সেও আমরা এক গল্পে দেখতে পাই যে, যেখানে দেখা যায় দুই বন্ধু মিলে একটি মেয়েকে কিনে আনে! তারপর রাত শেষ হলে এক বন্ধু মেয়েটির নাম জানতে চেয়ে অবাক হয়ে যায়, কারণ মেয়েটি তাদের ধর্মের নয়! অথচ এমন অপকর্ম সমাজ এবং ধর্মে নিন্দনীয় হিসেবেই দেখা হয়। তারপর তারা মেয়েটিকে ফেরত দিয়ে টাকা ফেরত নেয়ার কথা ভাবে।
.
এই গল্পটিতে আমরা দেখতে পাই যে, মানুষ ধর্মের নামে সব কিছুই করছে কিন্তু ধর্মটাই তারা ঠিকমত পালন করতে পারছে না। আসলে মানুষের এই দ্বিমুখী আচরণ বা পরিবর্তন যে কত দ্রুত হয় সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। নিজের সুবিধামত যেকোন সময় যেকোন জায়গাতে সে তার মত নিজেকে পরিবর্তন করে নেয়। এটাই হয়ত মানুষের জীবনের চরিত্র।
.
যখন সমাজ অন্ধকারে ডুবে যায়, তখন মানুষের স্বাধীনতাও অনেক দুর্লভ হয়ে ওঠে। সাদত হাসান মান্টো সেই সব কথাই বলে গিয়েছেন। লড়াই করেছেন এই অন্ধকারের বিরুদ্ধে। তিনি এটাও বলেছেন যে সমাজে আমরা নিরাপদ নই তখন যেটা থাকে সেটা আসলে অন্ধকার সমাজ। তার কোন দরকার নেই।
.
“কালো সীমান” বইটির প্রতি শব্দ প্রতিটি গল্প পাঠককে ভাবিয়ে তুলতে বাধ্য করবে। দাঙ্গা, অমানবিকতা, পাশবিকতা যাই বলি না কেন সমাজের অন্ধকার দিক গুলোর কথা ও তার ব্যথ্যা গুলো অনুভব করতে সহায়তা করবে। পাঠক যে শুধু অনুভব করবে তাই নয়, তার চিন্তার জগতে একটু হলেও নাড়া দিয়ে যাবে। সময়ের সাথে হয়ত অনেক কিছুর পরিবর্তন এসেছে তবুও আমরা কি সেই জায়গা থেকে নিজদের সামনে এগিয়ে নিতে পেরেছি?

শেষ করব মান্টোর লেখা প্রবন্ধ “কাফনের গলা” এ ব্যবহার করা মির্জা গালিবের লেখা দিয়ে,

“ভেবো না আমি নিভে গেছি, ভোরের সূর্যের মতো
প্রেমের দাগ আমার কাফনের গলায় অলংকার হয়ে আছে।”
Profile Image for Yasin Sharif.
5 reviews5 followers
November 20, 2019
মান্টোর নাম যেদিন থেকে জানি তার প্রায় দু'বছর পর এই বই পড়েছি। যখনি দেখেছি জাভেদ হুসেন বাঙলা অনুবাদের কাজ করছে, তখন থেকে প্রকাশের অপেক্ষা করেছি।

তরতর করে জলের মত গড়িয়ে যায় এক-একটা গল্প। আমি কখনো ভাবিনি গল্পের কাঠামো এমনও হয়।
বাক্যব্যয় না করে গল্প বলেছেন মান্টো। আমি অনেক সময় ধরে বিহ্বল ছিলাম। এখনো হাতে নিই যখন আমার বিহ্বলভাব কাটে না। পূর্বেকার পড়ার স্মৃতি থেকে পাঠ করতে পারি এই বই। কবিতা আবৃত্তির জন্য লোকে যেমন কবিতা মুখস্থ করে,আমি অজান্তেই তেমন করে গল্পগুলো আওড়ে যাই।
জাভেদ হুসেনকে ধন্যবাদ।

মান্টো কাগজের ঠোঙায় অনুভূতি দিয়েছে। তারে শুধু ভালোবাসা যায়।
Profile Image for Imtiaz Muhammad.
93 reviews
March 18, 2024
ছোটগল্পের সার্থক বই। এত অল্প শব্দ কিংবা কয়েক লাইনে শেষ করা গল্পগুলো সত্যিই সার্থক। দেশভাগের যন্ত্রণায় ভুগতে থাকা মান্টো সামান্য কয়েক শব্দে তীব্র বোমা ফাটাচ্ছেন যেন৷ বম্বে শহরের স্মৃতি সেই সাথে অর্থকষ্ট মান্টোকে তাতিয়ে তোলে আরো৷ দেশভাগের বিভীষিকাময় সময়কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা যেনো চোখের সামনে তুলে আনে বিস্তৃতরূপে৷
Profile Image for Kazi Fahad Lateef.
56 reviews
April 28, 2020
এই বই সবার পড়া উচিত।গল্প এমনো হয়? না পড়লে জানতাম না।
Profile Image for Rejoanur Rashid Sowmick.
5 reviews3 followers
April 19, 2021
ঋত্বিক ঘটক বলেছেন, '' ভাবো,ভাবো,ভাবা প্র‍্যাকটিস করো ''। বইটি নিশ্চিতভাবেই ভাবনার রসদ যোগায়। গল্পগুলোও বেশিরভাগ ' ওয়ান লাইনার স্টোরি '। তো, পড়তে যেয়ে ধৈর্যচ্যুতি ঘটার কোন কারণ নেই বরং আক্ষেপ হতে পারে চোখের পলকেই বইটি শেষ হয়ে গেল বলে!
6 reviews6 followers
July 29, 2008
worth reading a varied selection of short stories it is much in demand I gotta take it back to the library now they are sending me letters whoops
Profile Image for Ila Garg.
Author 21 books43 followers
March 7, 2014
Silences and violences... only manto can have this impact!
Profile Image for Vikrant.
90 reviews4 followers
June 9, 2018
An interesting author of quite weird times & tales in the Indian subcontinent (Partition of India)- but with a funny take on almost all his dark stories
Profile Image for Koushik Ahammed.
150 reviews12 followers
April 4, 2019
কী ভয়ানক এক একটা লাইন! এক একটা কথায় এতো ভয় পাওয়া। এতো ছোট বইয়ের এতো আবেদন! ভয়ঙ্কর মুগ্ধতা নিয়ে বসে আছি শেষ করে। পাঠক মাত্রই পড়া উচিত সম্ভব হলে।
Displaying 1 - 29 of 38 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.