Jump to ratings and reviews
Rate this book

ফেস বাই ফেস

Rate this book

Unknown Binding

Loading...
Loading...

About the author

মাহবুব মোর্শেদের জন্ম ১৯৭৭ সালে ২৯ জানুয়ারী রংপুরে। গল্পকার, ঔপন্যাসিক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে। পেশা সাংবাদিকতা। শৈশব-কৈশর কেটেছে উত্তরের রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, গাইবান্ধা ও দক্ষিণ-পশ্চিমের কুষ্টিয়ায়। ২০০৬ সালে তার গল্পগ্রন্থ ‘ব্যক্তিগত বসন্তদিন’ প্রকাশিত হয়েছে কাগজ প্রকাশনী থেকে। ২০১০ সালে ভাষাচিত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে উপন্যাস ‘ফেস বাই ফেস’।

পরিচিত ঘটনাবলী মাহবুব মোর্শেদের গল্পে আসে নতুন আবিষ্কার, চমক আর বুননে সজ্জিত হয়ে। স্বতঃস্ফূর্ত ভাষা বুনে দেয় রহস্যময় সংযোগ। তার স্টোরিটেলিং সব সময়ই আকর্ষক, স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত। গদ্য সরল, কিন্তু দ্ব্যর্থকতায় ভরপুর—ইশারা আর পরিহাসে ঠাসা। তার কবিতা লিপ্সা, আকাঙ্ক্ষা, তাড়না ও প্রেমের আরেক উন্মীলন। গল্প-উপন্যাস রচনা ছাড়াও তিনি এক সময় বিচিত্র বিষয়ে লিখতেন ব্লগে। এখন ফেসবুকে লেখেন নানা বিষয়ে ছোট ছোট কথা।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (15%)
4 stars
2 (15%)
3 stars
6 (46%)
2 stars
2 (15%)
1 star
1 (7%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,806 reviews535 followers
November 13, 2022
মাহবুব মোর্শেদের গদ্য বরাবরই আমার ভালো লাগে। লেখকের গতিশীল, সপ্রাণ ও কৌতুকপূর্ণ লেখনী পুরোমাত্রায় বজায় আছে "ফেস বাই ফেস" উপন্যাসেও। শুরুটা যেভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছিলো, গল্পটা তেমন ভার্চুয়াল জগৎ ও বাস্তব জগতের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিয়ে নয়। অতিরিক্ত অনলাইন নির্ভরতা নিয়েও নয়। নায়ক শুভ এবং তার জীবনে আসা কয়েকজন নারীকে নিয়ে প্লট গড়ে উঠেছে। শেষদিকে একটা অপ্রত্যাশিত ও দুঃসাহসী মোচড় আছে গল্পে। এ অংশটি সবচেয়ে ভালো লেগেছে। এছাড়া প্রতিটা অংশই পৃথকভাবে সুন্দর কিন্তু সব মিলিয়ে গভীর কোনো অর্থ দাঁড়ালো না। গল্পটা চলতে চলতে এর গন্তব্য স্থির করতে পারলো না। থেমে গেলো হঠাৎ। তাই বেশ খানিকটা আক্ষেপ রয়ে গেলো।
Profile Image for Samiur Rashid Abir.
225 reviews46 followers
October 2, 2022
চখাম একটা বই।
এই বই পড়ার পেছনে সম্পূর্ণ ক্রেডিট হিমালয় ভাইয়ের।

কিছু কিছু বই আছে যেগুলা কাকতালীয়ভাবে খুঁজে পাওয়া যায়। বই পড়ার সময় চারপাশের আবহ টাও তৈরি হইয়া নেয় নিজে নিজে। প্রকৃতি বড় অদ্ভুত। নইলে বইতে বৃষ্টির পার্ট যখন পড়তেছিলাম তখন ইন্দ্রিয় টের পাচ্ছিল রুমে শীত শীত যেন বেড়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর ভেজা মাটির একটা গন্ধ বেরুল। বৃষ্টির গন্ধও বলা যায় এইটারে। বুঝলাম প্রকৃতি রহস্য করবার জন্য পরিবেশ টা তৈরি করে নিছে। বইটা শেষ করে যখন বাইরে আসছি দেখি রীতিমত ঝড় হচ্ছে। এই উপাখ্যানের অন্যতম চরিত্র তিন্নি যখন কাহিনীর টুইস্ট স্বরূপ শুভ সাহেব কে শক টা দেন তখন শুভ সাহেবের মনে যে ঝড় টা উঠছিল তার ই বহিঃপ্রকাশ হয়ত।

মাহবুব মোর্শেদ এই বইটা লিখছেন ২০১০ সালের দিকে। তখন ফেসবুক এত আপডেটেড ছিল না। কিন্তু তাও তিনি যেমনে ফেসবুক ব্যবহারের দেখাইছেন চাইলে রীতিমত ফেসবুকের সঠিক ব্যবহার নিয়ে নীতিমালা সমৃদ্ধ একটা বই ই লিখা ফেলতে পারেন। বইয়ের অনেক কিছুই রিলেটেবল ছিল। আমার সাধারণত লেখক নিজস্ব কিছু ফিলোসফি দিচ্ছেন এমন বই ভাল্লাগে। কেননা বই আমারে প্রভাবিত করে সবচেয়ে বেশি। কেউ ফিলোসফি দিলে সেটা নিয়ে ভাবতে বেশ লাগে। আমার প্রিয় লেখক হুমায়ূন ছিলেন জ্ঞান অথবা ফিলোসফি বিতরণের ব্যাপারে ওস্তাদ। মোর্শেদ সাহেব ও এই কাজ টা সুন্দর ভাবে করছেন।

বইটারে চাইলে কেউ "মেয়ে পটানোর একশ এক তরিকা" ভাইবাও পড়তে পারেন। উনি কিছু কিছু ফিলোসফি দিছেন যেগুলা তে আমি ১০০/১০০ সহমত।

যাক গে, মূল বইটা নিয়ে যদি বলতে হয়। আধুনিক ঘরানায় সুন্দর একটা উপাখ্যান তুইলা ধরছেন লেখক। মানদণ্ডের বাটখারা টা অনেক বেশি উপরে তুইলা পড়তে গেলে হতাশ হইতে পারে অনেকে। কিন্তু একটু ছাড় দিয়ে পড়লে বইটা অসম্ভব ভাল লাগবে।
Profile Image for Adham Alif.
337 reviews82 followers
April 23, 2023
পড়তে মন্দ না। তবে চরিত্রগুলোর আচরণ অনেকটা হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাসের মতোন।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews