Jump to ratings and reviews
Rate this book

হাইজেনবার্গের গল্প

Rate this book
১৯৩৯ সালে শুরু হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। আটলান্টিক মহাসাগরের অপর পাশে যুক্তরাষ্ট্র তার বিখ‍্যাত “Manhattan Project” শুরু করে যেখানে রবার্ট অপেনহাইমার সাহেবের নেতৃত্বে প্রথম মার্কিন পারমাণবিক বোমা তৈরির গবেষণা চলছিলো। যুদ্ধে টিকে থাকতে হলো হিটলারকেও বানাতে হবে জার্মান এটম বোম! কিন্তু, কে বানাবে এই মারণাস্ত্র? হিটলার কড়া নাড়লেন হাইজেনবার্গের দরজায়। গত চার দশক ধরে যেই নামকড়া জার্মান বিজ্ঞানীরা পরমাণুর গঠনের বৈজ্ঞানিক ব‍্যাখ‍্যা দিতে দিন-রাত এক করে ফেলেছিলেন তারাই এবার শুরু করলেন জার্মান নিউক্লিয়ার রিসার্চ টীম — ইউরেনিয়াম ক্লাব। হাইজেনবার্গ হিটলারের শত্রু থেকে পরিণত হলেন মিত্রে।

92 pages, Hardcover

First published February 1, 2019

Loading...
Loading...

About the author

Shamir Montazid

3 books5 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
53 (30%)
4 stars
82 (47%)
3 stars
28 (16%)
2 stars
5 (2%)
1 star
3 (1%)
Displaying 1 - 30 of 34 reviews
Profile Image for Rifat.
509 reviews333 followers
November 3, 2020
বইটি এমনভাবে লেখা হয়েছে যাতে সবাই বিজ্ঞান বিষয়টাকে উপলব্ধি করতে পারে। এই বিষয়টাই সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। বিজ্ঞানের বিভিন্ন জিনিস আবিষ্কারের পেছনের গল্প এবং কিছু সহজ ব্যাখ্যাসহ মোট ২৫টি গল্প আছে।

প্রথমটাকে যদিও ঐ ভাবে গল্প বলা যায় না- বিজ্ঞান কীভাবে কাজ করে? শিরোনামে বিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণা যে আসলেই কচ্ছপের মতো ধীর গতির, লেখক সেটা বুঝিয়েছেন। অনেকেই বিশেষ করে যারা বিজ্ঞানের ছাত্র নয় কিংবা এগুলো নিয়ে তেমন জানা নেই তারা একটা ভুল ধারণা করেন যে, বিজ্ঞান অনেক ফাস্ট 🤦‍♀️

মজার বিষয় হচ্ছে প্রতিটা গল্পের শেষে ভালো ভালো কথা লেখা আছে :)

A good book for young (15+) readers!
Profile Image for Maisha Samiha.
76 reviews74 followers
March 28, 2019
Review after 1st read: I LOVED THIS BOOK!
My favourite chapter is ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়!
End of review! :D

Review after 2nd read: ব্যাক টু ব্যাক দুইবার পড়লাম বইটা। ইশ! কী সুন্দর লিখে ছেলেটা (ছেলেটা বলছি কারণ লেখক আমার সমবয়সী। তারপরেও কী অসাধারণ লেখে! কী করলাম জীবনে! :'(

সতর্কবাণী পড়ে আমি মুগ্ধ। ওইটুকু পড়েই ধারণা পাওয়া যায় কতটা গোছানো আর সাবলীল তার লেখা। এটা তার প্রথম বই। ফেসবুকে তার লেখা প্রায়ই পড়ি। ভালোই লাগে, এযুগের মাপকাঠির বিচারে খুবই পরিচ্ছন্ন চিন্তাভাবনা :) সেই আস্থা থেকেই কেনার ইচ্ছা হল। অনেক কিছু জেনেছি। কিছু প্রচলিত বিশ্বাস ভেঙেছে। যেমন- মা ও বাচ্চার DNA নাও মিলতে পারে! উটপাখি মোটেও বিপদ থেকে বাঁচতে বালিতে মাথা গুজে রাখেনা ...এবং আরো!
আমার খুব পছন্দের ৩ টা চ্যাপ্টার ছিল-
জঙ্গিবাদের পেছনে আছে DNA, ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় এবং কাইমেরিক মা।
আমার খুব পছন্দের ৩ টা চ্যাপ্টার ছিল-
জঙ্গিবাদের পেছনে আছে DNA, ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় এবং কাইমেরিক মা।

সংগ্রহে রাখার মত বই। বইটা কিনুন। নিজে পড়ুন। আপনার প্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে পড়তে দিন। **আপনার অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান এই বই পড়ে উলটাপালটা প্রশ্ন বর্ষণ শুরু করলে তার জন্য আমি দায়ী নই :p O:)
Profile Image for Mahrufa Mery.
217 reviews117 followers
April 27, 2020
বেশ ভাল একটা সায়েন্স রিলেটেড ঘটনাবলির বই ইয়াং এডাল্টদের জন্য। বইয়ের সবগুলো গল্প এবং গল্পের অন্তর্নিহিত মেসেজগুলো ভাল লেগেছে। গল্পের শেষে 'কোট' দেয়ার আইডিয়াটা চমৎকার।
Profile Image for Sadman Sakib.
14 reviews
February 22, 2019
প্রথমত, বইটির নাম "হাইজেনবার্গের গল্প" হওয়ার কারণে, মনে করছিলাম এই বইটি হাইজেনবার্গের জীবন কাহিনী এর বই। কিন্তু এই বইটির ২৫ টা গল্পের মধ্যে একটি গল্প হাইজেনবার্গেরকে নিয়ে।

দ্বিতীয়ত, বইটি হাইজেনবার্গের কে নিয়ে না হলেও হাইজেনবার্গের ছিলেন একজন পদার্থবিদ, কিন্তু এই বইয়ের তিনটা গল্পে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কথা বলা হয়েছে।
এই বইয়ের বাকি সবগুলা গল্প 'মেডিক্যাল সাইন্স', এর ইতিহাস এবং 'মাইক্রোবায়োলজি' নিয়ে।
যদিও আমার 'বায়োলজি' খুব একটা পছন্দ না, তারপরও এই বইটি অনেক ভালো লেগেছে, গল্পে গল্পে অনেক কিছু জানতে পেরেছি 'মেডিক্যাল সাইন্স' এবং 'মাইক্রোবায়োলজি' সম্পর্কে, যা আগে আমি জানতাম না। অনেক সহজ ভাষায় বিজ্ঞানের অনেক বড় বড় আবিষ্কারের কথা জানতে পেরেছি।
যা আমাদের মতো বিজ্ঞান প্রেমীদের আরো উদ্বুদ্ধ করে।
শামির মন্তাজিদ ভাই, প্রত্যেকটা গল্পের শেষে একটা করে উক্তি দিয়েছেন, যা আমার খুব ভালো লেগেছে।
আমার মনে হয়, যাদের বিজ্ঞান ভালো লাগে না, তারাও এই বইটি পছন্দ করবে, আর যাদের ভালো লাগে তাদের তো কথাই নেই!

এই বইটি গল্প গুলো ভালো হলেও, বইটিতে অনেক গুলা 'পৃষ্ঠা' নষ্ট করা হয়েছে, যা উচিত হয়নি।
93 reviews18 followers
March 14, 2019
শুরুতেই বেশ বাস্তববাদী কথা । বিজ্ঞানী হলে কিন্তু কষ্ট করতে হবে। স্কলারশীপের ধান্ধায় বিজ্ঞানী বিজ্ঞানী ভাব মারলে কিন্তু হবেনা। বিজ্ঞানীদের হয়তো খুব টাকা পয়সা থাকবেনা। জীবদ্দশায় কেউ না চিনেও মরে যেতে হতে পারে। অবশ্য জাফর ইকবাল স্যার হলে অন্য ভাবে বলতেন মনে হয়। ক্লাস ৯-১০ এর বইতে এরকম কথা আছে যে বেশি বেশি পড়, বেশি বেশি শাকসব্জী খাও-;নিশ্চয়ই নভোচারী হতে পারবে। স্বপ্ন দেখত ত মানা নেই।
লেখক বলেছেন তার গল্পগুলি স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য। টার্গেট ধরতে একটু আধটু ছবি দিলে আরো ভাল হত। একটু খানি বিজ্ঞান আরেকটু খানি বিজ্ঞান জাফর ইকবাল স্যারের বেশ উপভোগ্য ছিল। যাই হোক তুলনা বাদ। পড়ে মনে হচ্ছিল জীবনে কি আর করলাম। পড়লাম মুখস্থ করলাম, উগড়ে দিয়ে আসলাম। ব্যাস ভাল ছাত্র। কিন্তু ওইযে Problem solving, Critical thinking, Creative হইতে পারলাম কই। বিশেষ করে অ্যালান টিউরিং এর উপরে লেখা পড়ে যারপরনাই অনুপ্রানিত। হাইজেনবার্গ তো আরেক বস। নোট সাজেশন মুখস্থ, আর প্রেম আমার টাইপ সিনেমা দেখে জীবনটাই ধ্বংস করে দিলাম মনে হচ্ছে। স্কুল কলেজ না বলে ক্লাস ১১-১২ এর ছাত্র ছাত্রীদের মাস্ট রিড বই।
Profile Image for Rifat Rafiuddin.
62 reviews
March 7, 2020
অনেকদিন পরে কোন বইয়ে ৫ তারকা দিতে পারলাম। পড়ে যথেষ্ট মজা পেয়েছি। বিজ্ঞানের ঘটনাগুলো এতো সাবলীলভাবে বর্ণনা করা, যে আগে থেকে জানা কাহিনীগুলো পড়েও ভালো লাগছিলো।
Profile Image for Anirban Maitra.
14 reviews
December 3, 2019

বিজ্ঞান। বিশ্লেষণ করলে, 'বি'-- উপসর্গ পূর্বক 'জ্ঞান', অর্থ্যাৎ সম্প্রসারিত অর্থে জ্ঞানের বিশিষ্ট রূপ হলো বিজ্ঞান। সাহসী মানবজাতির ইতিহাসটা বিজ্ঞানেরই ইতিহাস।বিজ্ঞান অনেক মানুষকে অজ্ঞান করে, আবার অনেক মানুষের মধ্যে নেশা তৈরি করে বিজ্ঞানী গড়ে তুলে। কিন্তু আমরা সবাই জানি বিজ্ঞান ছাড়া আমাদের জীবন অচল।বিজ্ঞানকে তাই ভালোভাবে জানা দরকার, তবেই না হবে এর ব্যবহার! আমি বিশ্বাস করি, শামীর মোন্তাজিদ ভাইয়ের "হাইজেনবার্গের গল্প" বইটি ‌শুধু বিজ্ঞানকে জানাবেই না,বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করবে--আর হাতছানি দেবে অনেক "পাগল"কে,পৃথিবীর উৎকৃষ্টতম "পাগলাগারদ"--বিজ্ঞানের জগতে।

"হাইজেনবার্গের গল্প" শামীর মোন্তাজিদ ভাইয়ের প্রকাশিত প্রথম বই।বইটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১৯ এর বইমেলাতে।প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে বর্তমানে শামীর ভাইয়া পিএইচডি করছেন (পাশ্চাত্যের!) অক্সফোর্ড বি‌শ্ববিদ্যালয় থেকে।তবে তার প্রধান পরিচয় হলো, তিনি জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম 'টেন মিনিট স্কুল' এর বিজ্ঞান শিক্ষক। ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অপারেশন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় প্রায় চার শতাধিক ভিডিওতে রসায়ন এবং জীববিজ্ঞান পড়ানোর মাধ্যমে ভীষণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।তার ক্লাসগুলো অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং বহু জটিল বিষয় অত্যন্ত সহজ এবং রসালো করে বর্ণনা করেছেন তিনি। তার ধারাবাহিকতা শামীর ভাইয়া সদর্পে বজায় রেখেছেন তার বইটিতে।

প্রথমেই বইটির যে অংশ আপনার নজর কাড়বে তা হলো এর উৎসর্গ অংশটি, সেখানে শামীর ভাইয়া লিখেছেন,
““আমার বাবা, যিনি মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করেছেন।
আমার মা, যিনি জীবন যুদ্ধে জয়লাভ করেছেন।””
কতোখানি তাৎপর্যপূর্ণ এবং আবেগময় এ দুটো লাইন, তা পাঠকমাত্রই উপলব্ধি করতে পারেন!
বইটিতে সর্বমোট সন্নিবে‌শিত হয়েছে পঁচিশটি নাতিদীর্ঘ আর্টিকেল,শামীর ভাইয়ের ভাষায় 'গল্প'!এর কয়েকটি অং‌শে রয়েছে বেশ কিছু মজার সাইন্স এক্সপেরিমেন্ট,সাইন্টিফিক ফ্যাক্ট,কয়েকজন বিজ্ঞানীর জীবনের চমকপ্রদ কিছু কাহিনী; বিজ্ঞানপাগল মানুষেরা যেগুলো পড়ে রোমাঞ্চিত হন প্রতিনিয়তই ।

বইয়ের সর্বপ্রথম আর্টিকেলটি হলো "বিজ্ঞান কিভাবে কাজ করে?"। সারাদিন টেস্টটিউব-বিকার নিয়ে নাড়াচাড়া করে পরদিন 'ইউরেকা' বলে চিৎকার দিলেন একজন বিজ্ঞানী --তার পরদিন কোনো এক (সিউডো!)"সাইন্টিফিক" সাইট পোস্ট দিয়ে বসলো,'A new study found that kissing is good for health"-- না, বিজ্ঞানের আসল চিত্র এইটা নয়। Science is a very slow and rigorous process-- নিউজফিডে বিজ্ঞানকে যতটা সহজ মনে হয়, ল্যাবরেটরির দেয়ালের ভেতরে সাদা অ্যাপ্রোন গায়ে দিয়ে কাজটা যে কতোটা চ্যালেঞ্জিং এবং অনি‌শ্চিত সেই ছবিই এখানে তুলে ধরেছেন শামীর ভাইয়া।
'পৃথিবীর প্রথম ভ্যাকসিন' আর্টিকেলে এডওয়ার্ড জেনারের ভ্যাকসিনেশনের আইডিয়ার পাশাপাশি অত্যন্ত সহজ ভাষায় দেহের ইমিউন সিস্টেম এর কাজ করার একটা সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।এরপর 'ব্লু ম্যাজিক পিল', 'পাস্তুরাইজেশন', 'থ্যালিডোমাইড কেলেঙ্কারি','স্পার্ম তিমির তেলের গল্প','নিষ্পাপ ফাঁসির আসামী' প্রভৃতি আর্টিকেল গুলোতে নানা বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্ট এবং তাদের পেছনের মজার ইতিহাসটা বর্ণনা করা আছে।'জঙ্গিবাদের পেছনে আছে DNA'তে শামীর ভাইয়া দেখিয়েছেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পরার পেছনে কিভাবে কাজ করে GR নামক জিন।এই জিনটি Off থাকা শিশুদের বিপথগামী করে ফেলতে পারে! ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজে একটা প্রশ্নে দ্বিধান্বিত ছিলাম,ম‌শা দিয়ে কি এইডস ছড়াতে পারে না? "মশা ও HIV Virus" দিয়েছে তার উত্তর।
বেশ জনপ্রিয় একটা পপ-কালচার আছে, উটপাখি নাকি বিপদ দেখলে মাটি খুঁড়ে মাথা ঢুকিয়ে রাখে(বিশেষত 'আপনি জানেন কী' শীর্ষক বহু ফেসবুক পোস্ট ফলাও করে প্রচার করে এ তথ্যটি!)।'উটপাখির যত দোষ' আর্টিকেলটিতে রেফারেন্স সহকারে শামীর ভাইয়া উল্লেখ করেছেন পুরো ব্যাপারটাই একটা মিথ এবং এই মিথের সূত্রপাত একজন রোমান লেখকের লেখা একটি লাইনের সূত্র ধরে। একইরকম ভাবে বিবর্তন বিষয়ে একটি পপুলার প্রশ্ন প্রায়শই জনসমক্ষে আসে --বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন নাকি বলেছিলেন বানর থেকে মানুষের উৎপত্তি! এটা বেশ প্রচলিত, তবে ভিত্তিহীন।"রোগ যখন জীবন বাঁচায়" প্রবন্ধটি বলছে,''যারা দুই লাইন পড়ে বিজ্ঞান বোঝার চেষ্টা করে ,তারাই সেই গুজবের স্রষ্টা।"ডারউইন প্রস্তাবিত Natural Selection ব্যাখ্যা করে কিভাবে বহু বছর ধরে পরিবে‌শের প্রেশারের কারণে একটি জনগোষ্ঠীর জিন সিকুয়েন্সে পরিবর্তন আসে।
বইয়ের শেষদিকে আছে একজন বিস্মৃতপ্রায় প্রতিভা অ্যালেন টিউরিং ('The Imitation Game' মুভিটি যাকে নিয়ে বানানো হয়েছে) এর জীবনের মর্মন্তুদ গল্প। এবং,বইয়ের নাম দেওয়া হয়েছে যার থেকে, রয়েছে সেই মহান বিজ্ঞানী ওয়ার্নার হাইজেনবার্গের কাহিনী। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে Manhattan Project নিয়ে রবার্ট ওপেনহাইমারের নেতৃত্বে মার্কিনরা যখন নেমেছিলো পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে,জার্মানিতে হাইজেনবার্গ তখন হয়ে উঠেছিলেন একই কাজে হিটলারের ভরসা।রোমাঞ্চকর এই কাহিনী দিয়েই শেষ হয়েছে শামীর ভাইয়ের "গল্প বলা" ।
বইয়ের প্রতিটি আর্টিকেলের শেষে সংযোজিত হয়েছে একটি করে বিজ্ঞানভিত্তিক উক্তি,যা নিঃসন্দেহে বাড়িয়েছে বইটির জৌলুস।আমার প্রিয় কিছু উক্তি এখানে দিয়ে রাখছি:-
➡️Nothing is absolute. This is the only absolute truth
➡️The greatest trick the devil ever pulled was convincing the world he didn't exist!
➡️There is no stupid question in science
➡️You can see with your eyes, but you need your imagination to observe. 🔥
বিজ্ঞানের জ্ঞানতৃষ্ণা মেটানোর জন্য এই বইটি রীতিমত কার্যকর। বইটিতে এতো সুন্দর ও সহজ ভাবে সবকিছু বর্ণনা করা হয়েছে যে শুধু বিজ্ঞান নয়, যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীই এই বইটি পড়তে পারবে।নিঃসন্দেহে বইটি 'বিজ্ঞান' বিষয়টিকে আরো সুখপাঠ্য করবে--উঠতি শিশু কিশোরসহ সকলকে বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট করবে, আর প্রথমে যেমন বললাম, 'পাগলের দল'কে উৎসাহিত করবে পাগলামি'র চর্চা করতে! ঐ 'পাগল' গুলোর জন্যেই--"পাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না! "
বিজ্ঞানের জয় হোক।

#হ্যাপি রিডিং 🙂
22 reviews29 followers
February 10, 2021
বুক রিভিউ 📗✍
বই : হাইজেনবার্গের গল্প
লেখক : শামীর মোন্তাজিদ
প্রকাশনী : অধ্যয়ন
পার্সোনাল রেটিং - ৫/৫

বিজ্ঞান আপনার ভাল লাগে না, বিজ্ঞানকে আপনি কঠিন মনে করেন?

বিজ্ঞান যে কত মজার, ভুল করেই যে পৃথিবীর বড় বড় টেকনোলজি ও ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক আবিষ্কার হয়েছে যার বিনিময়ে বর্তমান বিশ্ব পৌঁছে যাচ্ছে উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে। হাইজেনবার্গের গল্প বইটি পড়লে বিজ্ঞানের অনেক অজানা তথ্য ও রহস্য জানতে পারবেন এবং বিজ্ঞানের প্রতি আলাদা একটা আকর্ষণ অনুভব করবেন।

একটি ব্যাকটেরিয়ার (Clostridium acetobutylicum) আবিষ্কার প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভাগ্য নির্ধারণ করে ইসরাইলের মত একটি রাষ্ট্র পর্যন্ত তৈরি করে দিল। বায়োটেকনোলজির গুরুত্ব কতখানি তা বোঝার জন্য এর থেকে ভালো উদাহরণ আর নেই। শাঈম ওয়াইজম্যানকে ব্রিটেনের রানী ইসরাইল রাষ্ট্র পুরস্কার দিয়েছিলেন তার ব্যাকটেরিয়া (Clostridium acetobutylicum) আবিষ্কার এর ফলস্বরূপ।

আচ্ছা শুধু চিন্তা করে কি জগৎ বদলে দেয়া যায় না! কতটা কিছুটা হলেও ভুল। চিন্তা করে জগতের উপর অতিক্ষুদ্র প্রভাব থেকে ফেলা যায়। আমি মাঝে মাঝে ভাবি কেন জামাতে যে নামাজ পড়তে উৎসাহিত করা হয়? কেন হিন্দুরা বিশাল রথযাত্রা করে? কেন লাখো মুসলিম হজ করতে আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়? নিশ্চয়ই কিছু মানুষ বুঝতে পারেন এর আসল প্রভাব। লাখখানেক মানুষের মস্তিষ্ক যখন একই স্রষ্টার চিন্তায় মশগুল হয় তখন হয়তো আরাফাতের ময়দানের চারপাশের ডাইপোলগুলো নিশ্চয় একটা প্যাটার্নে আস্তে আস্তে শৃঙ্খলিত হতে শুরু করে।

1939 সালে শুরু হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ । আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর পাশে যুক্তরাষ্ট্র তার বিখ্যাত "ম্যানহাটান প্রজেক্ট" শুরু করল যেখানে রবার্ট ওপেনহাইমার সাহেবের নেতৃত্বে প্রথম মার্কিন পারমাণবিক বোমা তৈরীর গবেষণা চলছিল। যুদ্ধে টিকে থাকতে হলে হিটলারকেও বানাতে হবে জার্মান এটম বোম! কিন্তু কে বানাবে এই মারণাস্ত্র? হিটলার কড়া নাড়লেন হাইজেনবার্গের দরজায়। চার দশক ধরে যে জার্মান নামকরা বিজ্ঞানীরা পরমাণুর গঠন এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে দিন-রাত এক করে ফেলেছিলেন তারা এবার শুরু করলেন জার্মান নিউক্লিয়ার রিচার্জ ইউরেনিয়াম ক্লাব। হাইজেনবার্গ হিটলারের শত্রু থেকে পরিণত হলেন মিত্রে।

প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল বিজ্ঞানীদের মধ্যকার যুদ্ধ। বিশ্বযুদ্ধের সময় কালেই বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ উৎকর্ষ সাধিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি বৈজ্ঞানিক ভাবে এগিয়ে ছিল বলেই তারা জয়লাভ করে কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশরা এগিয়ে থাকার ফলে জার্মানিরা হেরে যায়।

পৃথিবীর এই বর্তমান অবস্থানের পেছনে বিজ্ঞানীদের অবদান অনস্বীকার্য। আর বিজ্ঞানীদের বেশিরভাগ আবিষ্কার কিন্তু ভুল থেকেই হয়েছিল। ভুল একটা অসাধারণ জিনিস। এক সময় একটা মানুষ 10 হাজার বার চেষ্টা করেও বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হন। তাকে প্রশ্ন করা হলে সে জবাব দেন আমি ব্যর্থ হইনি আমি 10000 টা উপায় শিখেছি যার দ্বারা বাল্ব আবিষ্কার করা সম্ভব না। সে হলেন টমাস আলভা এডিসন। ব্যর্থ হওয়া মানেই সফলতার দ্বার উন্মোচিত হওয়া।

বইয়ের ৮৮,৮৯ পৃষ্ঠায় হিটলারের নামের বদলে হিমলার ব্যবহার করা হয়েছে অনেকবার।

বইয়ের চুম্বন লাইন -

When I meet God, I am going to ask him to questions - why relativity? and why turbulence? really believe he will have an answer for the first one.

The first gulp from the glass of natural science will turn you into an atheist, but all the bottom of the glass God is waiting for you. (Werner Heisenberg)

Now I am become Death, the destroyer of worlds.

The greatest power in this world is called science.

Hope is a good thing. Maybe the best things. And no good thing ever dies. (Show Shank Redemption)

The book of science is a wonderful read. But it contains that chapters too.

No matter what, love always wins.

Homo sapiensis the most ferocious species in this planet.

An arrested man is lnnocent until proven otherwise.

Science is the opposite of ignorance.

There is no stupid question in science.

You can see with your eyes. But you need your imagination to observe.

Science does not guarantee plesant information. It only promises the truth.

Think, think & think. Then think some more! it does have some effects.

#Book_review
#Abu_Yousuf_Akash
Profile Image for Farhana Nity.
16 reviews
February 23, 2026
"The first gulp from the glass of natural science will turn you into an atheist, but at the bottom of the glass God is waiting for you"__(Werner Heisenberg)

কলেজে পড়ার সময় টেন মিনিট স্কুলে শামীর মোস্তাজিদ ভাইয়ার ক্লাস করা হতো। তখন আসলে টেন মিনিট স্কুলের অনেকের ক্লাসই দেখা হতো টেস্ট কেইস হিসেবে। কিছুদিন দেখার পর শামীর ভাইয়ার ক্লাস রেগুলারলি দেখা শুরু করলাম (ফিজিক্সের ভাইয়ার ক্লাসগুলোও জোস ছিলো, যদিও উনার নাম মনে করতে পারছি না!)। যাইহোক, শামীর
ভাইয়া সুন্দর করে গল্পের মতো কমপ্লেক্স টপিকগুলা এক্সপ্লেইন করতেন। যতদূর মনে পরে তখন ফেসবুকে ভাইয়ার লেখালেখিও পড়তাম। এডমিশন টেস্টের পরে আর টেনমিনিট স্কুলের ভিডিও দেখা হয় নাই। স্বাভাবিকভাবেই শামীর ভাইয়ার কথাও মাথায় নাই। গতকাল কি মনে করে যেনো বুকশেলফ অর্গানাইজ করতে গেলাম। একদম সব ঢেলে সাজানো যাকে বলে আরকি! তখনই হাইজেনবার্গের গল্প বইটা হাতে আসলো। মিনিট কয়েক তাকিয়ে থাকার পরে মনে হলো এটা আমারই কেনা বই। সেই কলেজে থাকাকালীন সময়ে কিনেছিলাম।বইটা নতুন মনে হলেও ভেতরের দাগানো পেইজগুলো দেখে বুঝলাম পড়াও শেষ।কিন্তু কিছুই মনে পড়ছে না! শুধু "দেখে যেনো মনে হয় চিনি উহারে" টাইপরে ফীল হচ্ছিলো। বাংলা সিনেমায় কারোর স্মৃতি হারিয়ে গেলে সে যেমন করতো, আমারও ঐরকম একটা অসহায় মুহূর্ত চললো কয়েক সেকেন্ড!
তারপর কোনোরকমে শেলফে বাকি বইগুলা রেখে পড়া শুরু করলাম বইটা (এজন্যই আমার শেলফ কখনই ১০০% গোছানো হয় না। যখনই দৃঢ় সংকল্প নিয়ে শেল্ফ ঠিকঠাক করতে যাই, তখনই কোনো না কোনো বইয়ে চোখ আটকে যায়। আর ঐটা তখনই আমার পড়তে হয়!)। দুইটা সিটিংয়ে বইটা পড়ে শেষ করলাম। সুন্দর একটা বই। বায়োলজি মেজরে অনার্স, মাস্টার্স কমপ্লিট করার পরেও একদমে বইটা পড়েছি এবং মজা পেয়েছি।এই বইটা পড়লে মাথায় আসে ,"বিজ্ঞান বিষয়টা আসলেই সুন্দর। অনেককিছু নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। আর এই সুযোগটাই হয়তো ডোপামিনের মতো কাজ করে! মনে হয় বিজ্ঞানীদের লাইফটা ম্যাজিকের মতো! কোনো কিছু ভাবলাম আর হয়ে গেলো! " ইন জেনারেল সবারই অন্তত একবার বইটা পড়ে দেখা উচিত। টুক করে মন ভালো হয়ে যাওয়ার মতো একটা বই। একদম শর্ট শর্ট গল্প (কাহিনী বলা ভালো)। অনেক গল্পের থীমের সাথেই আমরা অলরেডি পরিচিত। কিন্তু প্রতিটা থীমের ব্যাকগ্রাউন্ড জানার পর অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। আর প্রতিটা গল্পের শেষে ঈশপের গল্পে যেমন করে নীতিকথা থাকতো, সেরকম করে কোট আছে। বইটা প্রোপার ফানফিকশন, মজার উইকিপিডিয়া। একদিক দিয়ে বইটা পড়া শুরু করলে আরেকদিক দিয়ে শেষ হয়ে যাওয়ার পরে মনে হয়," আরেহ, শেষ হয়ে গেলো!"
হাইলি রেকমেন্ডেড
5/5 🌟
113 reviews
August 14, 2023
২৫টি প্রবন্ধ নিয়ে সাজানো বইটি পাঠককে বিজ্ঞানে আগ্রহী করার উদ্দেশ্যে লিখা।প্রথম প্রবন্ধ 'বিজ্ঞান কিভাবে কাজ করে'তে 'Science is fun' কথাটা প্রবর্তনের পিছনে গল্প এবং বিজ্ঞানীদের জীবনের কিছু রিয়েলিটি চেক দিয়ে শুরু হয়।বইয়ের মাঝের প্রবন্ধ গুলো Kinda meh. কিন্তু শেষ দিয়ে বিবর্তন নিয়ে প্রাথমিক ধারণা হিসাবে দুটি প্রবন্ধ আছে,যা পাঠকদের 'মানুষের বংশধর বানর কিভাবে হয়?অতএব বিবর্তন ভুয়া' টাইপ যুক্তি দেওয়ার আগে একটু পড়াশোনা করতে আগ্রহী করবে বলে বিশ্বাস।তারপর বিশেষ করে ভ্রুণের মহাবিশ্ব প্রবন্ধটার নাম নিতে হয়।মৃত্যু মুখ থেকে ফিরে আসা একদল লোকের ভাষ্যমতে তারা জন্ম ও মৃত্যুর মাঝামাঝিতে কি দেখেছিল এবং তার পসিবল ব্যাখ্যা হিসাবে বিজ্ঞান কী বলে,সেই বিষয়ে আলোচনা আছে।মহাশূন্যে বারোমাস এবং এলান টিউরিং প্রবন্ধদ্বয়ের উল্লেখ করতে হয়।শেষে বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ ও রবার্ট ওপেনহাইমারের মাঝে কে আগে নিউক্লিয়ার বোমা আবিষ্কার করতে পারবে তার উপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ভবিষ্যৎ পৃথিবীর রূপরেখা নির্ভর করছে-সেই গল্প উপভোগ করেছি।ওপেনহাইমারের Now I am become death,the destroyer of world ডায়লগ শুনে স্বভাবতই চোখজোড়া বড় হয়ে উঠেছিল।ক্রিস্টোফার নোলানের মুভি ওপেনহাইমার নিয়ে হাইপড থাকাই এর কারণ-সে আর বলে দিতে হয় না।

বইটি কোনো বিষয় সম্পর্কেই ডিপে যায় না।বিজ্ঞানের বই হলেও এমনভাবে লিখা হয়েছে যেন হিউম্যানিটিস কিংবা অন্য বিভাগের পাঠকরাও বুঝতে পারে।তাই বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আরেকটু ডিপে যাবে-এই আশা করছিলাম।লেখক সম্ভবত বইয়ের শেষের জন্যে মূল প্রবন্ধগুলো রেখে দিয়েছিলেন।তাই বইয়ের শেষ ৫-৬টা প্রবন্ধ বেশ উপভোগ করলেও একটা বড় অংশ কেবল শেষ করার জন্য পড়ে গিয়েছি।সময় কাটানোর কোনো বিজ্ঞানের বই খুজলে কিংবা কিশোর-কিশোরী পাঠকদেরকে রিকমেন্ড করবো।
Profile Image for Marjan Islam.
16 reviews7 followers
April 27, 2021
Have finished this book in one sitting. "উড়ছে হাইজেনবার্গ" is the second book of Shamir Montazid. It's about his travel experiences & memories. I'm a huge fan of travel fiction & stories, so I was eagerly waiting for this book.
In this book he wrote about his delightful travel stories with his friends, family & sometimes about his solo trips in so many beautiful countries. Glad to see how simple flow of words could connect us to actual experiences. The only style in which he wrote this book is what he felt, what he did and what he saw! Another interesting thing about this book is he has added QR code of his travel photos so that you can relate the stories with your visualization so easily. Some of the stories are familiar with me because I've been following his travel blog. At the beginning of this book Shamir bhaia mentioned that he wants to make us feel jealous through his travel stories so that we could realise that we should travel more. I guess he's successful. I am glad I picked this one up.

Wish you all the very best bhaia. Hope you'll write more amazing books!
Profile Image for Mobashir Rahman.
6 reviews8 followers
June 29, 2020
শামীর মোন্তাজিদের লেখা প্রথম বই। বইয়ের নাম, প্রচ্ছদ ও পূর্বকথা পড়ে মানুষ একটি ভুল ধারণা করে বসতে পারেন এবং ভুল ধারণাটি হচ্ছে লেখক নিশ্চয়ই ভীষণ আত্মকেন্দ্রিক। তবে বইটির আরেকটু গভীরে যান, ভুল ধারণা শুধরে যেতেও সময় লাগবে না। লেখক বইটিতে বিজ্ঞানের অনেকগুলো উদযাপিত আবিষ্কার ও উদ্ভাবন নিয়ে লিখেছেন তেমনি লিখেছেন বিজ্ঞানের কিছু অকৃতকার্যতা প্রসঙ্গেও। লেখক ব্যক্তিগত জীবনে জীন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিষয়ে পড়েছেন বলে বোধহয় তার বইয়ে রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের উদ্ভাবনের গল্পই প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়াও বইয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বিবর্তন ও অ্যাবায়োজেনেসিস সমন্ধীয় একটি লেখাও। তিনি বাংলাদেশের গতানুগতিক ধারার অন্যান্য অনেক বিজ্ঞান লেখকের মতো বিবর্তন বিষয়কে পাশ কাটিয়ে যাননি। সেজন্য লেখককে ধন্যবাদ। সাবলীল ভাষায় ছোট ছোট গল্পে তার লেখা বইটি দেশে কিশোরদের বিজ্ঞানচর্চায় আরো উৎসাহী করে তুলবে বলে মনে করি।

পাঁচ তারা!
Profile Image for Md. Jubair Hasan.
68 reviews5 followers
May 8, 2020
আজকে যেই বইটির সম্পর্কে আমি জানাতে চাই সেটি যারা আগেই পড়ে ফেলেছে তারা খুব ভাল করেই জানে বইটি কতটা অসাধারণ।

নাম শুনে মনে হতে পারে বইটিতে হয়ত হাইজেনবার্গের জীবনকাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু আপনি যদি এমনটা মনে করা থাকেন তাহলে আপনি কিছুটা ভুল। কারণ বইটিতে হাইজেনবার্গের সম্পর্কে বলা হয়েছে ঠিক কিন্তু এর পাশাপাশি আরও অনেকের সম্পর্কেই বলা হয়েছে।

লেখক খুবই সহজ ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছেন তা বইটির সুচিপত্র দেখলেই বুঝতে পারা যায়। বইটিতে আমার সবচেয়ে অবাক করার মত ব্যাপারগুলো হল, পাস্তুরাইজেশন, জঙ্গিবাদের পেছনে আছে DNA, মা যখন খুনি(নয়), রোগ যখন জীবন বাঁচায় ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি বিষয়ই আমাকে অবাক করেছে।

ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় নামের একটা পরিচ্ছেদ আমাকে বেশ ভাবায়। বইটির মাধ্যমে আমি বেশ কিছু নতুন বিষয় জানতে পারি যা আমাকে বিজ্ঞানের প্রতি আরও বেশি উৎসাহিত করে।

তাই বইটি আপনিও পড়ে দেখতে পারেন।
Profile Image for the user.
51 reviews
October 23, 2020
Started reading this book months ago but couldn't finish till today. However, completed reading the book and learned some amazing facts about science.

Here mainly the writter represents a number of scientists and their intentional or unintentional inventions. A total of 25 short stories on scientists and their amzing invention are writen maintaining a reader-friendly manner so that someone can learn as well as enjoy the reading.

I found most of the stories amazing but a few of them disappointed me because I was expecting a little bit more information. Overall, this kind of book is rare in bangladesh and I wish more coming in future.
Profile Image for Tasnimul H Prottoy.
54 reviews11 followers
February 19, 2021
অনেকগুলো ছোট ছোট গল্প, বিজ্ঞানেরই গল্প। বেশ সুন্দর, আর সচারচর কাহিনী না হওয়ায় পড়ে মজা পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞান নিয়ে আগ্রহ থাকলে তো কথাই নেই, এই গল্পগুলো আরো বেশি ভাল লাগবে। ভ্যাক্সিন, পাস্তুরাইজেশন সহ আরো নানা বিষয় নিয়ে, এদের ইতিহাস নিয়ে, বিভিন্ন আবিষ্কারের ঘটনা নিয়ে লেখক সাজিয়েছেন বইটি।
লেখকের ব্যক্তিত্ব আমার খুব বেশি পছন্দ না হলেও তার লেখা আমার পছন্দ আর ভালই সাজিয়ে লিখতে পারেন তিনি।

শুরুতেই যে ব্যাপারটি আপনার ভাল লাগবে সেটি হলো এই বইয়ের দুই লাইনের ছোট্ট কিন্তু অসাধারণ উৎসর্গপত্র।
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews8 followers
November 30, 2021
শামীর মোন্তাজিদকে সবাই মূলত টেন মিনিট স্কুল থেকেই চিনে। তিনি খুবই মেধাবী একজন মানুষ, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা থেকে প্রায়ই কিছু বৈজ্ঞানিক মজার মজার কাহিনী সবার বোধগম্য হয়, এমন ভাবে লিখে থাকেন। তেমন ভাবেই এই বইটি লেখা। সবার জন্য বৈজ্ঞানিক মজার ব্যাখ্যা, গল্পগুলো এই বইয়ে সুন্দর করে লিখেছেন।
Profile Image for Subrata Das.
166 reviews20 followers
February 11, 2021
কিশোর-কিশোরীদের বিজ্ঞানের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য অসাধারণ একটা বই।
Profile Image for Muhammad Rafi.
16 reviews1 follower
April 25, 2022
গল্পচ্ছলে লেখা বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় পড়তে ভালোই লেগেছে । বেশ উপভোগ্য বইটি ।
2 reviews
January 5, 2024
পড়ে আনন্দ পেয়েছি। ভবিষ্যতে এরকম আরো বই পড়তে ইচ্ছুক
Profile Image for Shoaib Mahmud.
115 reviews4 followers
April 20, 2020
ছোট ছোট গল্প দিয়ে কত সুন্দর করে সাজানো বইটি। অনেক নতুন কিছু জানলাম। অসম্ভব কিউট একটা বই।
Profile Image for Tasnim Ul Islam.
22 reviews4 followers
October 28, 2019
বিজ্ঞানের বেশ কিছু আবিষ্কারের কথা তুলে ধরা হয়েছে যা কিনা একজন বিজ্ঞানের ছাত্র না হয়েও বেশ পড়ে ফেলতে পারবেন।
Profile Image for Rohan Uzumaki.
34 reviews1 follower
August 20, 2019
a really good mixture of pop science and storytelling. some myths were busted. overall a good book.
Profile Image for Tuton Mallick.
101 reviews5 followers
March 17, 2019
নতুন লেখক। নতুন বই। আমি প্রথমেই লেখককে একটি বড় ধন্যবাদ দিতে চাই একটি সুন্দর বিষয়ে বই লেখার জন্য। এই বইয়ের মূল বিষয় ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক ঘটনা যা লেখক সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন। এই বইয়ের পূর্বকথা পরে প্রথমে মনে হয়েছে বইটি কেনা ভুল হয়েছে। কারণ পূর্বকথাতে আমিত্বের প্রচুর উপস্থিতি এবং সেখানে দেখলাম উনি আয়মান সাদিকের বন্ধু যাকে আমার পছন্দ নয়। তখন চিন্তা করলাম হয়তো বইটি স্টান্টবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। আবার লেখক পরিচয়ে উনার শিক্ষাগত অবস্থান দেখে একটু দ্বিধান্বিত অবস্থায় বইটি পড়া শুরু করি। প্রথম বিজ্ঞান কিভাবে কাজ করে পড়ার পর ধারনা পাল্টাতে শুরু করলো। টানা ১ ঘন্টা বা দেড় ঘন্টার মধ্যে বইটি পড়া শেষ করলাম। এক কথায় ভালো বই। এমন কিছু বৈজ্ঞানিক ঘটনা এত সহজ করে লেখা বিজ্ঞান মনস্ক যেকোনো মানুষ পড়ে মজা পাবে। আরো বেশি মজা পাবে স্কুলের ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা। যারা সায়েন্স ফিকশন পড়ে, বিজ্ঞানী হবার স্বপ্ন দেখে; তাদের জন্য খুবই উৎসাহব্যঞ্জক একটি বই।
আপনার লেখাতে কিছু ইংরেজি শব্দকে বাংলায় লিখলে হয়তো আরো বেশি ভালো লাগতো। সব গল্পের শেষে একটি করে ট্যাগ লাইন ছিল যেটি অসাধারণ। তবে দুটি গল্পে ছিল না; থাকলে ভালো হতো।ছন্দটি মিলতো। আশা করবো পরবর্তী বইয়ে আরো অসাধারণ গল্প নিয়ে আসবেন। এবং আরো আশা করি কিছু গল্প ও কোটেশন রাখবেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের। আপনার গবেষণা সফলতার পথে এগিয়ে যাক।
Displaying 1 - 30 of 34 reviews