আহা! আগের পর্বের থেকে অনেক বেশি ভাল। গল্পটাও জমে উঠেছে দারুণভাবে। গ্রাফিক্সগুলো খুবই ভাল হয়েছে। গল্পের আইডিয়াটাও চমৎকার। সত্যি বলতে এই পর্ব পড়েই মনে হয়েছে মেহেদী ভাইয়ের লেখার হাতও দুর্দান্ত।
তবে গ্রাফিক্সের মাঝে লেখার উপস্থাপনে কিছু একটা সমস্যা আছে যেটা চোখের জন্য মোটেই আরামদায়ক নয়। কালার গ্রাফিক্স হলে হয়তো একটা সমাধান মিলতো। সাদা আর কালো রঙে অসংখ্য ঢেউ খেলানো বাবলের মাঝে লেখার কারণেই হয়তো সমস্যাটা হচ্ছে।
ঢাকা কমিকসের ফেসবুক গ্রুপে লেখক-আঁকিয়েদের সঙ্গে সরাসরি মিথস্ক্রিয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই ওখানেই সমালোচনার বেশ সুযোগ রয়েছে। গুডরিডারসদের জন্যে বলি, আগেরটার চেয়ে এটার কলেবর বৃদ্ধি পেয়েছে। পড়ে মজা পাবেন। বানানগত ত্রুটি মজাটাকে অনেকাংশে হ্রাস করেছে। থট বাবলগুলো স্রেফ গতানুগতিক আকারে না হয়ে বিচিত্ররকম হবে এটাও আশা করা যায়। আর হ্যাঁ, ইস্যুগুলো অন্তত দুই মাস পরপর ছাড়া হলে পড়ে আরাম লাগবে।
এই ইস্যুটা ৩৩ পাতা হওয়ার জন্য মোটামুটি জাস্টিফায়েড। সংলাপও আগের থেকে কিছুটি ভালো হয়েছে। তবে এটায় আবার কয়েকটা চরিত্রের কারবার ঠিক পোক্ত হয়নি। স্টিল, ইটস অ্যান ইন্টারেস্টিং রীড। পরের ইস্যুতে দেখা যাক এখন।
প্রথম কিস্তির চমকটা সেভাবে পাইনি। আর আদিবা রাফিদের মুখে চলতি ঢাকাইয়া ভাষা মানিয়ে গেলেও গুরুজীর ডায়ালগ গুলোর ভাষা আরেকটু পরিশীলিত হতে পারত বলে মনে করি। তবে আদিকান্ডের কামরূপের গ্রাফিক্স বেশ ভালো লেগেছে