অত্যন্ত গতিময়, বুদ্ধিদীপ্ত এবং সহজ গদ্যে লেখা এই থ্রিলারটি কার্যত এক সিটিঙে শেষ করতে হল!
কী নিয়ে লেখা এটি? এক শিক্ষিত, দরদি মানুষ তাঁর লেখালেখির মাধ্যমে রাষ্ট্রের শত্রুতে রূপান্তরিত হয়েছেন। তাই শুধু কয়েদ নয়, তাঁকে একেবারে নিকেশ করার ফন্দি আঁটা হয়েছে ওপরমহলে।
এ আর এমন কী? এটাই ভাবছেন, তাই তো?
আর ঠিক এখানেই ছকভাঙা এক গতিময় কাহিনি নির্মাণ করেছেন লেখক, যেখানে লঙ্কার ভেতর মাথা তুলেছে এক বা একাধিক বিভীষণ। সেখান থেকেই শুরু হয়েছে আঘাতের বদলে প্রতিঘাত।
কীভাবে সম্ভব হয়েছে এই কাণ্ডকারখানা? জানতে হলে বইটা আপনাকে পড়তে হবে।
আমি একটি তারা ছাঁটলাম কাহিনির শেষে আবেগাতিশয্যের জন্য। কবে যে বাংলার লেখকেরা এই আবেগমথিত রিগ্রেট আর রিডেম্পশনের অলীক কল্পনা ছেড়ে বেরোবেন...!
বইটা সুযোগ পেলে পড়ে ফেলুন। বেশ লাগবে।