Nachiketa Chakraborty is an Indian Bengali singer-songwriter, composer and writer who is known for his modern Bengali lyrics and natural mode of singing. He achieved fame in the early 1990s, with the release of his debut album Ei Besh Bhalo Achi.
He started composing and performing as a student of Maharaja Manindra Chandra College in North Kolkata,Shyambazar, an affiliated college of the University of Calcutta. In 1993 his first album Ei Besh Valo Achi was released; it was an instant hit. At the initial stage he had a huge youth fan following, but gradually he has touched listeners from all age groups. The colloquial language immediately hit the stagnancy of Bengali music in the early 90s. Following the path of Kabir Suman (the then Suman Chattopadhay), Nachiketa changed the age-old concept of Bengali lyrics.
প্রত্যেকটা গল্পে নচিকেতার স্বকীয়তা আছে। গল্পের গোটা কাহীনিটার ভাবনাতেও, চরিত্রগুলিতেও। গল্পগুলির শেষে একটা বেশ চমক আছে। কিন্তু পড়ে মনে হলো যে এই চমকটায় পৌছানোর জন্য লেখক একটু বেশি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছেন, গল্পের মাঝখানে ফুটে ওঠা চরিত্রগুলি বা ধারণাগুলি ঠিক মতো পরিপক্ক না হতে দিয়ে। প্রত্যেকটা গল্প পরে মনে হলো যে আবার ভেবে, একই বিজবুদ্ধি রেখে আরো ফলাও করে লেখা উচিত ছিল। কয়েকটা কাহীনিতে বিশাল অসঙ্গতিও লক্ষ্য করা যায়।
দুইটা গল্প উদাহরণ হিসেবে দিই। এর ফলে আগামী পাঠকদের কাছে কিছু কিছু রহস্য ফাঁশ হয়ে যেতে পারে, তাই বুঝে সুঝে পড়ার আহবান জানাচ্ছি।
১) প্রথম গল্প - "পরান মন্ডলের বউ"। বিজবুদ্ধিটা দারুণ। একজন উগ্রপন্থির বাস দুর্ঘটনা হওয়া, তারপর স্মৃতি লোপ পেয়ে বাংলার কোনো গ্রামে এসে নতুন গ্রাম্য জীবনে ডুবে যাওয়া। মুষ্কিল হলো, যে একজন আফগানী জেহাদির পক্ষে গ্রাম্য টানে বাংলা আয়ত্ত করা অসম্ভব আর অবিশ্বাস্য। মানুষের স্মৃতি স্লেটের মতো নয় যে বিলকুল মুছে দেওয়া যায়। পুরানো অভিজ্ঞতা-রাশি থেকে শেখা ব্যাবহার আর অভ্যাস রাতারাতি ভুলে গিয়ে কেউ অজপারাগায়ের মুদির জীবনে থিতু হতে পারে না। আরো অদ্ভুত হচ্ছে তার স্ত্রী ছিল আসলে দিল্লিতে বড় হয়ে ওঠা ভারতীয় গুপ্তবাহীনির সেনা। সেই হঠাত করে পল্লিবধু হয়ে উঠলো কি করে ? আর দুর্ঘটনা হয় জম্মুতে। সেখান থেকে শ্চিম ভারতের যে কোন গ্রামে গা ঢাকা দেওয়া আর সাধারণ জনজীবনে মিশে যাওয়াটা আরো সহজ হতো তাদের জন্য, বাংলা-দেশে কেন ? এরকম আরো কিম্ভুত, ঘটনায় ভরপুর সংকলনের প্রথম গল্পটাই। মানুষের মাটির টান তৈরি হওয়া, বদলে যাওয়ার কাহীনি খুবই মনোগ্রাহী ব্যাপার বটে, কিন্তু সেটার জন্যে লেখক সঠিক আয়োজন নেন নি।
২) "বরুণ বেঁচে গেল" - বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞানের গল্প "উভচর মানুষ"-এর আদলে মনন করে কাহীনি। প্রথম পুরুষে বিবৃত, একজন বাল্য-বন্ধুর, গল্প যে ছোটবেলা থেকেই অদ্ভুত আর আলাদা ছিল, আর ক্রমশ জানান দেয় যে সে জলচর প্রাণি হয়ে উঠছে। কিন্তু তার রূপান্তরটা বড্ড বেশি তাড়াহুড়ো করে বর্ণনা করা হয়েছে। সামাজিক অঙ্গনে বা বন্ধু মহলের পরিবেষ্টনিতে এই অদ্ভুত যাত্রার বর্ণনা আর অভিঘাত আরো বর্ণনা করা যেত, কিন্তু করা হয়েছে খুবই সীমিত ভাবে। মোট প্রকল্পটা খুবই সুন্দর, সামাজিকতায় অস্বীকৃত একটা তরুণ যুবক শেষ পর্যন্ত জলচারী হয়ে লোকালয় ত্যাগ করে "বেঁচে গেল"। কাহীনির পরিসমাপ্তিটা সুন্দর, প্রতীকী। কিন্তু "বেঁচে যাওয়া" বলতে যেই সব সামাজিক সীমাবদ্ধতা, সংকীর্ণতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়, সেইগুলির দিকে লেখক আঙুল তুলতে পারেন নি।
I had a lot of expectations from this book, which had such good reviews from the great Bengali writers. But to my dismay, it turned out to be an OK book. The book contains 12 stories, and most of them are very unique in terms of their premises. But most of the stories lacked the depth to create an impact. If the writer had taken some more time to etch out the ambience and characters, then it could have been a very good book. The following are the stories I liked, in descending order: 1. বরুন বেঁচে গেল 2. পরাণ মন্ডলের বউ 3. কালজবন 4. সেদিনটা এসেই গেল 5. যখন সময় থমকে দাঁড়ায় 6. ইতি হত
গায়ক নচিকেতার সঙ্গে পরিচয় সেই শৈশবকাল থেকে,তবে লেখক নচিকেতা যে এত সুন্দর লেখেন তা সম্পূর্ণ অজ্ঞাত ছিল। বইটি পড়ে অভিভূত হলাম। বারোটি গল্পই স্বতন্ত্র। এধরণের ডার্ক হরর ফ্যান্টাসি গল্প বাংলা সাহিত্যে এত মার্জিতভাবে খুব কম লেখকই লিখতে পেরেছেন বলে মনে করি।
আগের অমনিবাসের থেকে লেখনী মজবুত আর প্লটের বৈচিত্র আরও বেশি । তবে কিছু জায়গায় মেলোড্রামাটা আর উপমায় অতি কথন চোখে লেগেছে এখানেও। প্লটে যতটা বৈচিত্র আছে এন্ডিং একটু সাদামাটা অনেকগুলো গল্পেই।