What do you think?


জোডিয়াক সাইন
72 pages, Hardcover
First published January 1, 2019
About the author
Dwaita Hazra Goswami
12 books8 followersDr. Dwaita Hazra Goswami is a published author from West Bengal, India.
She has 15 books published from various publications.
She regularly contributes stories, poems, essays, travelogue, translations, and articles to leading magazines of West Bengal, and abroad. Her writings have been adapted in audio stories. She has been invited as a guest speaker in many literature festivals and interviewed by magazines, websites, and radio channels like All India Radio.
LITERARY WORKS:
Dwaita has Bengali books published from different publications.
1. Saat akasher opaare (Bengali story book for children)
2. Kobitar panchopradeep (collection of Bengali poems)
3. Megh Brishti kwatha (book of Bengali poems)
4. Thri – (Bengali thriller story collection)
5. Sera Magic Lamp (Editor) – collection of stories and poems for young adults.
6. Oddbhuture- Series of funny ghost stories
7. Zodiac Sign –Series of thriller stories
8. Purakaaler Sura-Series of thriller stories
9. Biscuit sing –Book of rhymes for children
10. Apukahini- Funny stories for children and young adults.
11. Unsent Letters From South Asian Diaspora – Anthology
12. Hawai Mithai -Book of short stories
13. Saat Taarar Deshe- Fairy tales for children
14. Timi Babu aar Tetrish Bhoot- Series of funny ghost stories for young adults.
15. Taahar Sange Taahar- Book of poems
She is also the editor of Bengali Children web magazine Magic lamp (non-profit)http://www.magiclamp.net.in
LITERARY AWARD RECEIVED: Awarded first prize in prestigious Wingword poetry prize 2019’s regional category for her poem “Tahar sange Tahar”.
EDUCATION:
Dwaita has done her PhD in cultural studies from Jain University, Bangalore, India. She has done her Honours in Sanskrit language and literature from Lady Brabourne college, Kolkata followed by Masters in Sanskrit (Indology) with specialization in Vedic studies (ancient Indian language and literature) from university of Calcutta.
She has 15 books published from various publications.
She regularly contributes stories, poems, essays, travelogue, translations, and articles to leading magazines of West Bengal, and abroad. Her writings have been adapted in audio stories. She has been invited as a guest speaker in many literature festivals and interviewed by magazines, websites, and radio channels like All India Radio.
LITERARY WORKS:
Dwaita has Bengali books published from different publications.
1. Saat akasher opaare (Bengali story book for children)
2. Kobitar panchopradeep (collection of Bengali poems)
3. Megh Brishti kwatha (book of Bengali poems)
4. Thri – (Bengali thriller story collection)
5. Sera Magic Lamp (Editor) – collection of stories and poems for young adults.
6. Oddbhuture- Series of funny ghost stories
7. Zodiac Sign –Series of thriller stories
8. Purakaaler Sura-Series of thriller stories
9. Biscuit sing –Book of rhymes for children
10. Apukahini- Funny stories for children and young adults.
11. Unsent Letters From South Asian Diaspora – Anthology
12. Hawai Mithai -Book of short stories
13. Saat Taarar Deshe- Fairy tales for children
14. Timi Babu aar Tetrish Bhoot- Series of funny ghost stories for young adults.
15. Taahar Sange Taahar- Book of poems
She is also the editor of Bengali Children web magazine Magic lamp (non-profit)http://www.magiclamp.net.in
LITERARY AWARD RECEIVED: Awarded first prize in prestigious Wingword poetry prize 2019’s regional category for her poem “Tahar sange Tahar”.
EDUCATION:
Dwaita has done her PhD in cultural studies from Jain University, Bangalore, India. She has done her Honours in Sanskrit language and literature from Lady Brabourne college, Kolkata followed by Masters in Sanskrit (Indology) with specialization in Vedic studies (ancient Indian language and literature) from university of Calcutta.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
July 2, 2019
১৯৮৯ সালে জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি প্রেস জার্নালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। গবেষক রিচার্ড জিগফিল্ড তাতে রীতিমতো তথ্যপ্রমাণ দিয়ে দেখান, কীভাবে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং সম্পর্কের ভাঙাগড়ায় তার প্রভাব নতুন সাহিত্য ঘরানার (literary genre) জন্ম দেয়। এই নতুন ঘরানার নামাংকন হয়তো হয়, কিন্তু পাঠক তাকে পরিচিত কোনো বর্গে না ফেললে জিনিসটা কনজিউম করবে কেন?
তাই নব্বই দশকের গোড়ায় উঠে আসা ইন্টার্যাক্টিভ ফিকশনকে 'হরর' বর্গে ফেলা হয়েছে। কিংবদন্তি টিভি সিরিজ 'ব্ল্যাক মিরর'-এর কেন্দ্রে মানুষের সম্পর্ক ও অস্তিত্ব থাকলেও তাকে বলা হচ্ছে কল্পবিজ্ঞান। ব্লগ তথা সোশ্যাল মিডিয়ায় 'নিজের জন্য, নিজস্ব ভাষায়' প্রকাশিত লেখাকে 'ফ্যাব ফিকশন' বলা হলেও তার একটা মস্ত বড়ো অংশ বাজারে আসছে রহস্য বা 'থ্রিলার' নামে।
আলোচ্য বইটি 'থ্রিলার' উপাধি পেয়েছে ঠিক সেই জন্যই।
আদতে কিন্তু এরা একইসঙ্গে ইন্টার্যাক্টিভ ও ফ্যাব ফিকশন। এতে লেখক নিজের পছন্দ অনুযায়ী একুশটি থিম বেছেছেন। এই থিমগুলো নিয়ে শর্ট-শর্ট তথা অণুগল্পের পরিধিতে (ন্যূনতম এক পাতা, সর্বাধিক ছ' পাতা) লেখক উপহার দিয়েছেন এক-একটি "শেষ হয়ে হইল না শেষ" উপাখ্যান। এদের মধ্যে অনেকেই যৌক্তিক পরিসমাপ্তি পেয়েছে। অনেকে অসমাপ্ত থেকেই মনোরঞ্জন করেছে বা ভাবিয়েছে। আবার কোনোটা হঠাৎ থেমে গিয়ে পাঠককে উদভ্রান্ত এবং ক্রুদ্ধ করেছে।
এই বইয়ের প্রথমে এসেছে 'জোডিয়াক সাইন'। এতে গল্পের কেন্দ্রে থেকেছে এমন একটি করে চরিত্র, যাদের নাম এবং আচরণ বারোটি রাশির সঙ্গে মিলে যায়, অর্থাৎ মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, মীন।
এরপর এসেছে 'নারী নক্ষত্র'। এখানেও প্রতিটি কাহিনির কেন্দ্রে আছেন এক-একজন নারী, যাঁদের নাম হল - কৃত্তিকা, রোহিণী, স্বাতী, বিশাখা, শ্রবণা, রেবতী, শতভিষা, অনুরাধা, চিত্রা।
এই গল্পগুলোর আসল সম্পদ হল এতে খুব সূক্ষ্ম আঁচড়ে গড়ে তোলা কেন্দ্রীয় চরিত্ররা। হ্যাঁ, শেষের মোচড় মাথায় রাখলে হয়তো এই একুশটা গল্পের মধ্যে গোটা আঠেরোই থ্রিলার বলে গণ্য হবে। কিন্তু আমি এই বইটিকে বিশেষভাবে পছন্দ করলাম গল্পে আসা চরিত্রদের কথা ভেবে। সংক্ষিপ্ত পরিসরে কিছু বলে এবং অনেকটাই না বলে যে গতিময় অথচ কুটিল ভুবন তৈরি করেছেন লেখক, তার জন্য তাঁকে অকুণ্ঠ সাধুবাদ দিই।
ইতিমধ্যে বইটা সুযোগ পেলেই পড়ে ফেলুন।
তাই নব্বই দশকের গোড়ায় উঠে আসা ইন্টার্যাক্টিভ ফিকশনকে 'হরর' বর্গে ফেলা হয়েছে। কিংবদন্তি টিভি সিরিজ 'ব্ল্যাক মিরর'-এর কেন্দ্রে মানুষের সম্পর্ক ও অস্তিত্ব থাকলেও তাকে বলা হচ্ছে কল্পবিজ্ঞান। ব্লগ তথা সোশ্যাল মিডিয়ায় 'নিজের জন্য, নিজস্ব ভাষায়' প্রকাশিত লেখাকে 'ফ্যাব ফিকশন' বলা হলেও তার একটা মস্ত বড়ো অংশ বাজারে আসছে রহস্য বা 'থ্রিলার' নামে।
আলোচ্য বইটি 'থ্রিলার' উপাধি পেয়েছে ঠিক সেই জন্যই।
আদতে কিন্তু এরা একইসঙ্গে ইন্টার্যাক্টিভ ও ফ্যাব ফিকশন। এতে লেখক নিজের পছন্দ অনুযায়ী একুশটি থিম বেছেছেন। এই থিমগুলো নিয়ে শর্ট-শর্ট তথা অণুগল্পের পরিধিতে (ন্যূনতম এক পাতা, সর্বাধিক ছ' পাতা) লেখক উপহার দিয়েছেন এক-একটি "শেষ হয়ে হইল না শেষ" উপাখ্যান। এদের মধ্যে অনেকেই যৌক্তিক পরিসমাপ্তি পেয়েছে। অনেকে অসমাপ্ত থেকেই মনোরঞ্জন করেছে বা ভাবিয়েছে। আবার কোনোটা হঠাৎ থেমে গিয়ে পাঠককে উদভ্রান্ত এবং ক্রুদ্ধ করেছে।
এই বইয়ের প্রথমে এসেছে 'জোডিয়াক সাইন'। এতে গল্পের কেন্দ্রে থেকেছে এমন একটি করে চরিত্র, যাদের নাম এবং আচরণ বারোটি রাশির সঙ্গে মিলে যায়, অর্থাৎ মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, মীন।
এরপর এসেছে 'নারী নক্ষত্র'। এখানেও প্রতিটি কাহিনির কেন্দ্রে আছেন এক-একজন নারী, যাঁদের নাম হল - কৃত্তিকা, রোহিণী, স্বাতী, বিশাখা, শ্রবণা, রেবতী, শতভিষা, অনুরাধা, চিত্রা।
এই গল্পগুলোর আসল সম্পদ হল এতে খুব সূক্ষ্ম আঁচড়ে গড়ে তোলা কেন্দ্রীয় চরিত্ররা। হ্যাঁ, শেষের মোচড় মাথায় রাখলে হয়তো এই একুশটা গল্পের মধ্যে গোটা আঠেরোই থ্রিলার বলে গণ্য হবে। কিন্তু আমি এই বইটিকে বিশেষভাবে পছন্দ করলাম গল্পে আসা চরিত্রদের কথা ভেবে। সংক্ষিপ্ত পরিসরে কিছু বলে এবং অনেকটাই না বলে যে গতিময় অথচ কুটিল ভুবন তৈরি করেছেন লেখক, তার জন্য তাঁকে অকুণ্ঠ সাধুবাদ দিই।
ইতিমধ্যে বইটা সুযোগ পেলেই পড়ে ফেলুন।
March 6, 2019
‘থ্রিলার’ নামটি বইটির গায়ে তীব্র প্রতিশ্রুতির ছাপ রেখে গেলেও, এর অন্তর্গত গল্পগুলো সেই প্রতিশ্রুতিকে বারবার নতুন রূপে ভেঙে দেয়।
এখানে থ্রিলার জগতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে লেখকের কল্পনা, পাঠকের সক্রিয় মনন, এবং রচনার স্বতন্ত্র শৈলী। একুশটি স্বতন্ত্র থিমের মধ্য দিয়ে তিনি তৈরি করেছেন একেকটি ক্ষুদ্র, অথচ পূর্ণাঙ্গ জগৎ—যা কখনও মাত্র এক পাতায় ফুরোয়, কখনও ছয় পাতার মধ্যেও অমোচনীয় থেকে যায়।
প্রতিটি গল্প যেন একটি অসম্পূর্ণ সুরের মতো—কোথাও সমাপ্তি মনোমুগ্ধকর, আবার কোথাও হঠাৎ থেমে গিয়ে পাঠকের হৃদয়ে নীরব কম্পন সৃষ্টি করে। কিছু গল্পের পরিণতি যুক্তির আশ্রয়ে দাঁড়ায়, আবার কিছু কাহিনি ইচ্ছে করেই পাঠককে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়।
বইটির প্রথম পর্ব ‘জোডিয়াক সাইন’—বারোটি রাশির মতো বারোটি চরিত্র, যাদের নাম ও স্বভাব নিজ নিজ রাশিচক্রের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে গাঁথা। এর পরেই আসে ‘নারী নক্ষত্র’—নয়জন নারী, যাঁদের নাম নক্ষত্রের মতোই দীপ্ত ও রহস্যময়: কৃত্তিকা, রোহিণী, স্বাতী, বিশাখা, শ্রবণা, রেবতী, শতভিষা, অনুরাধা, চিত্রা। প্রতিটি কাহিনি যেন একেকটি নক্ষত্রের আলোয় আলাদা সুরে জ্বলে ওঠে।
লেখকের সৃজনশীল শক্তি সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পেয়েছে চরিত্র নির্মাণে। সংক্ষিপ্ত পরিসরের মধ্যেও তিনি এমন মনস্তাত্ত্বিক নিপুণতায় চরিত্রগুলোকে গড়ে তুলেছেন যে, তারা গল্পের সীমা ছাড়িয়ে পাঠকের মনের কোণে বাসা বাঁধে। শেষ মুহূর্তের থ্রিলারধর্মী বাঁক হয়তো অনেক গল্পেই আছে, কিন্তু তার চেয়ে বড় সাফল্য—এই গল্পগুলোর নীরব মানবিকতা, অপ্রকাশিত বেদনা, এবং অনুচ্চারিত অর্থ।
এই বই পাঠককে এক অনির্দিষ্ট যাত্রায় নিয়ে যায়—যেখানে প্রতিটি গল্প শেষ হয়েও শেষ হয় না। শব্দের ভেতর লুকিয়ে থাকে এক ধরনের ফিসফিসে রহস্য, আর সেই রহস্যই বইটির প্রাণ।
যাঁরা গল্পে শুধু কাহিনি নয়, ভাষার গন্ধ, ভাবনার তাপ, এবং চরিত্রের নিঃশব্দ স্পন্দন খুঁজে পান—তাঁদের জন্য এই বই নিঃসন্দেহে এক অবিস্মরণীয় পাঠ অভিজ্ঞতা হবে। সম্ভব হলে অবশ্যই পড়ুন। নমস্কার!
এখানে থ্রিলার জগতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে লেখকের কল্পনা, পাঠকের সক্রিয় মনন, এবং রচনার স্বতন্ত্র শৈলী। একুশটি স্বতন্ত্র থিমের মধ্য দিয়ে তিনি তৈরি করেছেন একেকটি ক্ষুদ্র, অথচ পূর্ণাঙ্গ জগৎ—যা কখনও মাত্র এক পাতায় ফুরোয়, কখনও ছয় পাতার মধ্যেও অমোচনীয় থেকে যায়।
প্রতিটি গল্প যেন একটি অসম্পূর্ণ সুরের মতো—কোথাও সমাপ্তি মনোমুগ্ধকর, আবার কোথাও হঠাৎ থেমে গিয়ে পাঠকের হৃদয়ে নীরব কম্পন সৃষ্টি করে। কিছু গল্পের পরিণতি যুক্তির আশ্রয়ে দাঁড়ায়, আবার কিছু কাহিনি ইচ্ছে করেই পাঠককে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়।
বইটির প্রথম পর্ব ‘জোডিয়াক সাইন’—বারোটি রাশির মতো বারোটি চরিত্র, যাদের নাম ও স্বভাব নিজ নিজ রাশিচক্রের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে গাঁথা। এর পরেই আসে ‘নারী নক্ষত্র’—নয়জন নারী, যাঁদের নাম নক্ষত্রের মতোই দীপ্ত ও রহস্যময়: কৃত্তিকা, রোহিণী, স্বাতী, বিশাখা, শ্রবণা, রেবতী, শতভিষা, অনুরাধা, চিত্রা। প্রতিটি কাহিনি যেন একেকটি নক্ষত্রের আলোয় আলাদা সুরে জ্বলে ওঠে।
লেখকের সৃজনশীল শক্তি সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পেয়েছে চরিত্র নির্মাণে। সংক্ষিপ্ত পরিসরের মধ্যেও তিনি এমন মনস্তাত্ত্বিক নিপুণতায় চরিত্রগুলোকে গড়ে তুলেছেন যে, তারা গল্পের সীমা ছাড়িয়ে পাঠকের মনের কোণে বাসা বাঁধে। শেষ মুহূর্তের থ্রিলারধর্মী বাঁক হয়তো অনেক গল্পেই আছে, কিন্তু তার চেয়ে বড় সাফল্য—এই গল্পগুলোর নীরব মানবিকতা, অপ্রকাশিত বেদনা, এবং অনুচ্চারিত অর্থ।
এই বই পাঠককে এক অনির্দিষ্ট যাত্রায় নিয়ে যায়—যেখানে প্রতিটি গল্প শেষ হয়েও শেষ হয় না। শব্দের ভেতর লুকিয়ে থাকে এক ধরনের ফিসফিসে রহস্য, আর সেই রহস্যই বইটির প্রাণ।
যাঁরা গল্পে শুধু কাহিনি নয়, ভাষার গন্ধ, ভাবনার তাপ, এবং চরিত্রের নিঃশব্দ স্পন্দন খুঁজে পান—তাঁদের জন্য এই বই নিঃসন্দেহে এক অবিস্মরণীয় পাঠ অভিজ্ঞতা হবে। সম্ভব হলে অবশ্যই পড়ুন। নমস্কার!
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



