Jump to ratings and reviews
Rate this book

সেরা ৫০ টি গল্প

Rate this book

392 pages, Hardcover

Published January 1, 2014

28 people want to read

About the author

Rabisankar Bal

29 books72 followers
রবিশংকর বল পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক। জন্ম ১৯৬২ সালে। বিজ্ঞানে স্নাতক। ২০১১ সালে দোজখনামা উপন্যাসের জন্য বঙ্কিম স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন।

গল্পগ্রন্থ
দারুনিরঞ্জন
রবিশঙ্কর বল এর গল্প
আর্তোর শেষ অভিনয়
জীবন অন্যত্র
ওই মণিময় তার কাহিনী
সেরা ৫০ টি গল্প

উপন্যাস
নীল দরজা লাল ঘর
পোখরান ৯৮
স্মৃতি ও স্বপ্নের বন্দর
পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন
মিস্টার ফ্যান্টম
বাসস্টপে একদিন
মিলনের শ্বাসরোধী কথা
নষ্টভ্রষ্ট
এখানে তুষার ঝরে
দোজখনামা
আয়নাজীবন
আঙুরবাগানে খুন
জিরো আওয়ার

কবিতা
ত্রস্ত নীলিমা
ঊনপঞ্চাশ বায়ু

প্রবন্ধ
সংলাপের মধ্যবর্তী এই নীরবতা
কুষ্ঠরোগীদের গুহায় সংগীত
মুখ আর মুখোশ
জীবনানন্দ ও অন্যান্য

সম্পাদিত গ্রন্থ
সাদাত হোসেইন মন্টো রচনাসংগ্রহ

জাহিদ সোহাগ : মানে আমি বলছি এই কারণে যে, আমাদের বাংলাদেশে রবিশংকর বলকে চেনা হচ্ছে দোজখনামা দিয়ে। এটাকে আপনি কীভাবে দেখবেন? মানে এখানেও একটা ট্যাগ আছে।
রবিশংকর বল : এটা বলা কঠিন, তবু যদি বলো তবে আমি বলব, আমার "মধ্যরাত্রির জীবনী" উপন্যাসটা পড়া উচিত, "বাসস্টপে একদিন" উপন্যাসটা পড়া উচিত, "এখানে তুষার ঝরে" উপন্যাসটা পড়া উচিত। "স্মৃতি ও স্বপ্নের বন্দর", "ছায়াপুতুলের খেলা" অবশ্যই। এই কটা লেখা অন্তত। আর "পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন" এই লেখাটা।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (71%)
4 stars
1 (14%)
3 stars
1 (14%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,668 reviews440 followers
April 12, 2023
‘অস্তিত্ব এক প্রশ্ন, নানা সময় বানিয়ে তোলা নানা কথায় যার উত্তর তৈরি করার চেষ্টা করি আমরা। কাহিনিরা তাই প্রকৃতপ্রস্তাবে এক একটি ক্ষয়শীল চেষ্টা।কাহিনিরা কি তাহলে নানা মুহূর্তের মৃত্যুগুলিকেই বহন করে ?’

"দারুনিরঞ্জন" বইয়ের ভূমিকায় লিখেছেন রবিশংকর। আর এই বইয়ের শুরুতেই সাক্ষাৎকারে আমরা পাচ্ছি,
প্রশ্ন : আচ্ছা, এই যে সারা লেখাটা জুড়ে তুমি ব্যক্তি, ব্যক্তি করে হ্যাদাচ্ছো, সমাজ কোথায় গেল?
উত্তর : আমি সমাজসচেতন লিখিয়ে নই। ব্যক্তি সমাজের মধ্যে বাঁচে, এটুকু জানি। তারপরে আমার যেটুকু কাজ তা এই সমাজের বিপরীতে দাঁড়ানো। কোনো সমাজই ব্যক্তিকে তার স্বপ্নে-আকাঙ্খায়-স্বাধীনতায় গ্রহণ করতে পারে না। লেখা তাই সবসময় সমাজের বিরোধিতায় তার বিপরীতে দাঁড়ানো।...
প্রশ্ন : তুমি তাহলে নিজেকে সমাজবিরোধী বলতে চাও?
উত্তর : হ্যাঁ। পুরোটা হইনি। চেষ্টা করছি। এখনও সমাজসচেতনার কিছু কিছু ভূত ঘাড়ে চেপে আছে। দেখা যাক, ওদের ঝেড়ে ফেলতে পারি কিনা।

লেখা সম্পর্কে নিজের অবস্থান শুরুতেই স্পষ্ট করে দিচ্ছেন লেখক। আমাদের চিরাচরিত গল্পের কাঠামোতে আস্থা নেই তার। সমষ্টি বা সংঘ নয়,ব্যক্তিই তার অন্বিষ্ট। আধুনিক ব্যক্তিমানুষের অস্তিত্বের সংকটই গল্পের আলোচ্য বিষয়; যে মানুষ সংসার ও রাজনীতির চোরাবালি আর আত্মিক সংকটে জীর্ণ। আমাদের রক্তমাংসের চেহারা,সামাজিক জীবন, মুখ ও মুখোশের বাইরে যে মানুষ;জাগতিক কামনা বাসনার বাইরে আমাদের যে আসল রূপ তা-ই খুঁজতে বেরিয়েছেন রবিশংকর। বস্তুকে তার আসল রূপে দেখতে চেয়েছেন তিনি। জীবন সম্পর্কে যতো প্রশ্ন,যতো বিস্ময়, যতো অন্ধকার,যতো অবলোকন থাকতে পারে তা-ই খুঁড়ে খুঁড়ে গল্পের চরিত্রদের মাধ্যমে আবিষ্কার করতে চেয়েছেন লেখক।

"অ্যাগনেস, প্রিয় অ্যাগনেস" গল্পের একটা সংলাপ নিম্নরূপ -

'প্লিজ, প্লিজ ইভ,’ আমি চিৎকার করে উঠি। 'তুমি শুধু সৌন্দর্য। তুমি মানুষের কথা, মনুষ্যত্বের কথা, ইতিহাসের কথা বোলো না।
‘তুমি অতীতটাকে ভুলতে চাও?'
'হ্যাঁ।'
‘কেন?’
‘আমি অমরত্ব চাই না।'
‘অমরত্ব?’
‘তা ছাড়া কি? ইতিহাস মানে তো মানুষের অমরত্বের আকাঙ্ক্ষার ধারাবিবরণী। ইভলিন, শুধু এই ইতিহাসের মোহে মানুষ তার অনেক সম্ভাবনাকে হত্যা করেছে। সে কখনও একটি ঝরা পাতা বা পালকের জন্য বাঁচতে শেখেনি।

এই ঝরা পাতা বা পালকের জন্য বাঁচতে শেখার অভিপ্রায়ই সম্ভবত গল্পগুলোর জন্মসূত্র। যে গল্পগুলো আমাদের চৈতন্যে দোলা দেয়, ধাক্কা দেয়, অপ্রস্তুত করে আর নিজেদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় নিজেদের।
দারুনিরঞ্জন, তৈমুরের শাসনের পরবর্তী অধ্যায়, তরী আমার,অ্যাগনেস প্রিয় অ্যাগনেস,মণিময় বাড়ি ফিরছে-র মতো গল্প বাংলা সাহিত্যে বিরল।


(৮ এপ্রিল, ২০২২)
Profile Image for Yeasin Reza.
515 reviews88 followers
November 26, 2025
" উপন্যাস, জীবনের কেন্দ্র থেকে যে-সমস্ত উপন্যাসের জন্ম হয়, সে-সব ভালো লাগেনা আজকাল আর। বরং জীবনের কিনার ঘেঁসে, মৃত্যুর অশরীরের অস্পষ্ট গন্ধের ভিতর, যে সমস্ত গল্পের জন্ম হয়, সেগুলো নেড়েচেড়ে হেমন্তের সন্ধ্যা ও রাত্তির বেশ কেটে যায় আমার" 


উপরোক্ত উদ্ধৃতি জীবনানন্দ দাশের গল্প ' অস্পষ্ট রহস্যময় সিঁড়ি' এর। আমার মতে উদ্ধৃতিটি রবিশংকর বলের সাহিত্যকর্ম কে define করে। রবিশংকর বলের গপ্পো পড়া সহজ কাজ নয়। অস্তিত্ব ও মনের উপর ভীষণ চাপ পড়ে। মাঝরাতে একেকটা গল্প পড়ে অন্ধকারের ছায়ার দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় বিমূঢ় হয়ে। মৃত্যৃ, জীবন, স্মৃতি, প্রেম সবকিছু ধূসর হতে হতে তিমিরপুঞ্জে পরিণত হয়।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.