What do you think?


মারিবার হলো তার সাধ
ঢাকা শহরের বুকে হেঁটেচলে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর এক সিরিয়াল কিলার, যার কাজ হলো সুন্দরি তরুণীদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ এবং নৃশংসভাবে হত্যা করা। হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের অফিসার অনিমেষ সূত্রধর বেকায়দায় পড়ে গেছে, সিরিয়াল কিলার- কেসের কোনো সূত্রই সে খুঁজে পাচ্ছে না।
অসুস্থ মানসিকতার একদল মানুষ একত্রিত হয়েছে, তাদেরকে ঘিরে রচিত হয়েছে এই অন্ধকারের উপাখ্যান, যা একই সঙ্গে পৈশাচিক এবং রোমাঞ্চকর। কিংবা একে আপনি টান টান উত্তেজনাকর এক প্রতিশোধের কাহিনিও বলতে পারেন।
প্রিয় পাঠক, আমাদের অন্ধকার জগতে আপনি স্বাগতম।
অসুস্থ মানসিকতার একদল মানুষ একত্রিত হয়েছে, তাদেরকে ঘিরে রচিত হয়েছে এই অন্ধকারের উপাখ্যান, যা একই সঙ্গে পৈশাচিক এবং রোমাঞ্চকর। কিংবা একে আপনি টান টান উত্তেজনাকর এক প্রতিশোধের কাহিনিও বলতে পারেন।
প্রিয় পাঠক, আমাদের অন্ধকার জগতে আপনি স্বাগতম।
- GenresThriller
188 pages, Hardcover
Published February 1, 2019
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
March 15, 2019
|| রিভিউ ||
বইঃ মারিবার হলো তার সাধ
লেখকঃ সুস্ময় সুমন
প্রকাশকঃ বাতিঘর প্রকাশনী
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
ঘরানাঃ সাইকো থ্রিলার
প্রচ্ছদঃ ডিলান
পৃষ্ঠাঃ ১৯০
মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা
ধরণঃ হার্ডকাভার
কাহিনি সংক্ষেপঃ ধরুন, একাকী একজন মেয়ে রাতবিরাতে কোন একটা জরুরি কাজে রাস্তায় বেরিয়েছে। নার্ভাস ভঙ্গিতে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে মেয়েটা। সে নার্ভাস, কারণ তার মনে হচ্ছে খুব কাছ থেকে কেউ তার ওপর চোখ রাখছে। এভাবেই একটা সময় হঠাৎ করেই যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো মেয়েটা। পরেরদিন আপনার-আমার মতো কেউ মর্নিং ওয়াকে বা বাজার করতে গিয়ে রাস্তার ধারে বড় বড় পলিথিনের ব্যাগ দেখে কৌতুহলী হয়ে সেগুলো খুললাম। আর এরপর নিজেরাই অসুস্থ হয়ে গেলাম নিখোঁজ হওয়া মেয়েটার খণ্ডবিখণ্ড লাশ আবিষ্কার করে। কেমন হয় তাহলে?
ঢাকার বুকে শ্বাপদের মতো ধীর ও নিশ্চিত পদক্ষেপে হেঁটে চলে বেড়াচ্ছে এক ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার। একাকী মেয়েরাই তার টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। শুরুতে অপহরণ, এরপর উপুর্যুপরি ধর্ষণ, তারপর শ্বাসরোধ করে হত্যা। আর সবশেষে ধারালো করাত জাতীয় অস্ত্র দিয়ে লাশগুলোকে একেবারে খণ্ডবিখণ্ড করে পাবলিক প্লেস গুলোতে ফেলে রেখে যাচ্ছে এই সিরিয়াল কিলার। একের পর এক ঘটে যাওয়া নৃশংস খুনের ঘটনাগুলো স্বাভাবিকভাবেই নাড়িয়ে দিলো রাজধানী ঢাকা সহ পুরো দেশকেই।
হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের অভিজ্ঞ অফিসার অনিমেষ সূত্রধর যখন এই সিরিয়াল কিলিংয়ের কেসটার দায়িত্ব নিলেন, তখন শুরু থেকেই মুখোমুখি হলেন একটা সমস্যার; আর তা হলো সূত্রের অভাব। নিজের জুনিয়র দুই অফিসার শেখর ও ষাইফ রুবেলকে নিয়ে শত সমস্যার পরেও অজ্ঞাত সেই সিরিয়াল কিলারের পেছনে লেগে থাকলেন অনিমেষ সূত্রধর। নৃশংসভাবে খুন হওয়া প্রত্যেকটা মেয়ের আশেপাশের কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখা হলোনা। জেরার পর জেরা চলতে থাকলো, আর সেই সাথে চালু রইলো সন্দেহভাজনদের ওপর চোখ রাখা। যদি কিছু বেরিয়ে আসে!
তাহিতি নামের মেয়েটারও এই নারকীয় গল্পে অদ্ভুত ও দুর্বোধ্য একটা ভূমিকা আছে। ইদানীং কেন যেন আপনা-আপনিই তাহিতি'র চোখের সামনে বীভৎস কিছু দৃশ্য ভেসে ওঠে। সেই সময়ে ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক কষ্টে একেবারে শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয় মেয়েটার। একদিকে দেখতে না চাইলেও দেখতে বাধ্য হওয়া নারকীয় সব দৃশ্য, আর অন্যদিকে মেঘের প্রতি মেয়েটার উদগ্র প্রেম - বিভ্রান্ত বোধ করে সে। এই গল্পে তাহিতি'র মতো ভূমিকা আছে তার বাবা তাহের উদ্দিন ও বড় ভাই তাহিরেরও। একটা মেয়ের প্রতি যার গোপন ভালোবাসা একসময় তার ভেতরটাকেই বিষাক্ত করে তোলে। এই গল্প মুখচোরা স্বভাবের আয়াত ও প্রগলভ যুবক ফাহিমেরও। আর সর্বোপরি এই গল্পটা বিকৃত এক প্রতিশোধস্পৃহা চরিতার্থ করতে চাওয়া কোন এক অজ্ঞাত সত্তারও। তাই এটাকে আমরা অদ্ভুত এক প্রতিশোধের গল্পও হয়তো বলতে পারবো সব শেষে। প্রতিশোধ আর বিভ্রান্তির গল্প।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ গতো দুই বছরের বইমেলায় প্রকাশিত সুস্ময় সুমনের 'আঁধারের জানালাটা খোলা' ও 'অপার্থিব' পড়ার পর থেকেই তাঁর নেক্সট প্রজেক্টের ব্যাপারে আগ্রহ বোধ করা শুরু করি। অবশেষে সুস্ময় সুমনের নতুন বই 'মারিবার হলো তার সাধ' পড়া শেষ হলো। পুরোদস্তুর একটা সাইকো থ্রিলার বলা যায় বইটাকে। কাহিনির প্রয়োজনেই প্রচুর পরিমাণে ভায়োলেন্ট কন্টেন্ট ছিলো এতে। তবে আমার মতো থ্রিলার কাহিনি ভক্তের কাছে ব্যাপারগুলোতে 'শিহরিত' হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিলো। হয়েছিও তা। লেখকের লেখনী ও বর্ণনার ধরণ বরাবরই আমি খুব পছন্দ করি। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হওয়া তাঁর পূর্ববর্তী বই দুটোর চেয়ে লেটেস্টটার কলেবর একটু বেড়ে যাওয়ায় আমার তৃপ্তিটাও বেড়ে গেছে অনেকখানি।
'মারিবার হলো তার সাধ'-এর প্লটটা চমৎকার বেছেছেন সুস্ময় সুমন। তবে ডিটেইলিংয়ে একটু ঘাটতি খেয়াল করেছি। ব্যাপারগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। পয়েন্ট করেই আলোচনা করি, নাকি?
১। বইয়ের একটা চরিত্রের নাম আয়াত। শুরুতে তার পরিচয় দেয়ার সময় তাকে দেখানো হয়েছে বডিবিল্ডার টাইপ এক তরুণ হিসেবে। কিন্তু ৬৩ তম পৃষ্ঠায় আয়াতকে বলা হয়েছে হ্যাংলা-পাতলা ধরণের অপ্রতিভ চেহারার এক তরুণ।
২। শুরুতে তাহিতি'র বাবার নাম ছিলো তাহের চৌধুরী। কিন্তু পরবর্তীতে সব জায়গাতেই তাঁকে ডাকা হয়েছে তাহের উদ্দিন নামে।
৩। আরেক চরিত্র ইলা সিদ্দিকীকে প্রথমে বলা হলো ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী। পরে আবার বলা হলো আয়াতের সাথে একই ইউনিভার্সিটিতে একই ডিপার্টমেন্টে পড়ে মেয়েটা। মানে সহপাঠী আর কি। কিন্তু আয়াতকে এখানে দেখানো হয়েছে নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র হিসেবে।
৪। টাইপিং মিসটেকের ব্যাপারে আসা যাক। খেয়াল করুন। হুমকি > ণ্ডমকি, হুম > ণ্ডম। হ-এ উ - হু-এর কোন বালাই-ই ছিলোনা পুরো বইটা জুড়ে। সব জায়গাতেই লেখা হয়েছে 'ণ্ড'।
৫। এসব ছাড়াও বেশ কিছু ছোটখাটো বানান ভুলের দেখা পেয়েছি। ক্লান্তি বোধ না করলে সেগুলোও দেখাতাম। পড়তে শুরু করলে নিজেরাই ধরতে পারবেন। আজকালকার পাঠকরা অনেক স্মার্ট।
ডিটেইলিংয়ে উপরোক্ত ভুলগুলো বাদ দিলেও 'মারিবার হলো তার সাধ' দারুন একটা সাইকো থ্রিলার উপন্যাস। আসলে ভুলগুলো উপন্যাসের মূল রোমহষর্ক কাহিনিপটে বিন্দুমাত্র কুপ্রভাব ফেলেনি। আর উপন্যাসের শেষটা যে কাউকে চমকে দেয়ার মতোই। যেহেতু রিভিউ লিখছি, ব্যাপারগুলো নিয়ে আলোচনা করাটাই সমীচীন মনে করেছি। তাই আলোচনা করলাম।
ডিলান সাহেবের করা প্রচ্ছদ ভালোই লেগেছে। সাইকো থ্রিলার পড়তে যারা ভালোবাসেন, 'মারিবার হলো তার সাধ' তাদের জন্য দারুন এক সাজেশন আমার পক্ষ থেকে।
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪/৫
গুডরিডস রেটিংঃ
© শুভাগত দীপ
(১৫ মার্চ, ২০১৯, সন্ধ্যা ৭ টা ৫; নাটোর)
বইঃ মারিবার হলো তার সাধ
লেখকঃ সুস্ময় সুমন
প্রকাশকঃ বাতিঘর প্রকাশনী
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
ঘরানাঃ সাইকো থ্রিলার
প্রচ্ছদঃ ডিলান
পৃষ্ঠাঃ ১৯০
মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা
ধরণঃ হার্ডকাভার
কাহিনি সংক্ষেপঃ ধরুন, একাকী একজন মেয়ে রাতবিরাতে কোন একটা জরুরি কাজে রাস্তায় বেরিয়েছে। নার্ভাস ভঙ্গিতে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে মেয়েটা। সে নার্ভাস, কারণ তার মনে হচ্ছে খুব কাছ থেকে কেউ তার ওপর চোখ রাখছে। এভাবেই একটা সময় হঠাৎ করেই যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো মেয়েটা। পরেরদিন আপনার-আমার মতো কেউ মর্নিং ওয়াকে বা বাজার করতে গিয়ে রাস্তার ধারে বড় বড় পলিথিনের ব্যাগ দেখে কৌতুহলী হয়ে সেগুলো খুললাম। আর এরপর নিজেরাই অসুস্থ হয়ে গেলাম নিখোঁজ হওয়া মেয়েটার খণ্ডবিখণ্ড লাশ আবিষ্কার করে। কেমন হয় তাহলে?
ঢাকার বুকে শ্বাপদের মতো ধীর ও নিশ্চিত পদক্ষেপে হেঁটে চলে বেড়াচ্ছে এক ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার। একাকী মেয়েরাই তার টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। শুরুতে অপহরণ, এরপর উপুর্যুপরি ধর্ষণ, তারপর শ্বাসরোধ করে হত্যা। আর সবশেষে ধারালো করাত জাতীয় অস্ত্র দিয়ে লাশগুলোকে একেবারে খণ্ডবিখণ্ড করে পাবলিক প্লেস গুলোতে ফেলে রেখে যাচ্ছে এই সিরিয়াল কিলার। একের পর এক ঘটে যাওয়া নৃশংস খুনের ঘটনাগুলো স্বাভাবিকভাবেই নাড়িয়ে দিলো রাজধানী ঢাকা সহ পুরো দেশকেই।
হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের অভিজ্ঞ অফিসার অনিমেষ সূত্রধর যখন এই সিরিয়াল কিলিংয়ের কেসটার দায়িত্ব নিলেন, তখন শুরু থেকেই মুখোমুখি হলেন একটা সমস্যার; আর তা হলো সূত্রের অভাব। নিজের জুনিয়র দুই অফিসার শেখর ও ষাইফ রুবেলকে নিয়ে শত সমস্যার পরেও অজ্ঞাত সেই সিরিয়াল কিলারের পেছনে লেগে থাকলেন অনিমেষ সূত্রধর। নৃশংসভাবে খুন হওয়া প্রত্যেকটা মেয়ের আশেপাশের কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখা হলোনা। জেরার পর জেরা চলতে থাকলো, আর সেই সাথে চালু রইলো সন্দেহভাজনদের ওপর চোখ রাখা। যদি কিছু বেরিয়ে আসে!
তাহিতি নামের মেয়েটারও এই নারকীয় গল্পে অদ্ভুত ও দুর্বোধ্য একটা ভূমিকা আছে। ইদানীং কেন যেন আপনা-আপনিই তাহিতি'র চোখের সামনে বীভৎস কিছু দৃশ্য ভেসে ওঠে। সেই সময়ে ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক কষ্টে একেবারে শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয় মেয়েটার। একদিকে দেখতে না চাইলেও দেখতে বাধ্য হওয়া নারকীয় সব দৃশ্য, আর অন্যদিকে মেঘের প্রতি মেয়েটার উদগ্র প্রেম - বিভ্রান্ত বোধ করে সে। এই গল্পে তাহিতি'র মতো ভূমিকা আছে তার বাবা তাহের উদ্দিন ও বড় ভাই তাহিরেরও। একটা মেয়ের প্রতি যার গোপন ভালোবাসা একসময় তার ভেতরটাকেই বিষাক্ত করে তোলে। এই গল্প মুখচোরা স্বভাবের আয়াত ও প্রগলভ যুবক ফাহিমেরও। আর সর্বোপরি এই গল্পটা বিকৃত এক প্রতিশোধস্পৃহা চরিতার্থ করতে চাওয়া কোন এক অজ্ঞাত সত্তারও। তাই এটাকে আমরা অদ্ভুত এক প্রতিশোধের গল্পও হয়তো বলতে পারবো সব শেষে। প্রতিশোধ আর বিভ্রান্তির গল্প।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ গতো দুই বছরের বইমেলায় প্রকাশিত সুস্ময় সুমনের 'আঁধারের জানালাটা খোলা' ও 'অপার্থিব' পড়ার পর থেকেই তাঁর নেক্সট প্রজেক্টের ব্যাপারে আগ্রহ বোধ করা শুরু করি। অবশেষে সুস্ময় সুমনের নতুন বই 'মারিবার হলো তার সাধ' পড়া শেষ হলো। পুরোদস্তুর একটা সাইকো থ্রিলার বলা যায় বইটাকে। কাহিনির প্রয়োজনেই প্রচুর পরিমাণে ভায়োলেন্ট কন্টেন্ট ছিলো এতে। তবে আমার মতো থ্রিলার কাহিনি ভক্তের কাছে ব্যাপারগুলোতে 'শিহরিত' হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিলো। হয়েছিও তা। লেখকের লেখনী ও বর্ণনার ধরণ বরাবরই আমি খুব পছন্দ করি। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হওয়া তাঁর পূর্ববর্তী বই দুটোর চেয়ে লেটেস্টটার কলেবর একটু বেড়ে যাওয়ায় আমার তৃপ্তিটাও বেড়ে গেছে অনেকখানি।
'মারিবার হলো তার সাধ'-এর প্লটটা চমৎকার বেছেছেন সুস্ময় সুমন। তবে ডিটেইলিংয়ে একটু ঘাটতি খেয়াল করেছি। ব্যাপারগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। পয়েন্ট করেই আলোচনা করি, নাকি?
১। বইয়ের একটা চরিত্রের নাম আয়াত। শুরুতে তার পরিচয় দেয়ার সময় তাকে দেখানো হয়েছে বডিবিল্ডার টাইপ এক তরুণ হিসেবে। কিন্তু ৬৩ তম পৃষ্ঠায় আয়াতকে বলা হয়েছে হ্যাংলা-পাতলা ধরণের অপ্রতিভ চেহারার এক তরুণ।
২। শুরুতে তাহিতি'র বাবার নাম ছিলো তাহের চৌধুরী। কিন্তু পরবর্তীতে সব জায়গাতেই তাঁকে ডাকা হয়েছে তাহের উদ্দিন নামে।
৩। আরেক চরিত্র ইলা সিদ্দিকীকে প্রথমে বলা হলো ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী। পরে আবার বলা হলো আয়াতের সাথে একই ইউনিভার্সিটিতে একই ডিপার্টমেন্টে পড়ে মেয়েটা। মানে সহপাঠী আর কি। কিন্তু আয়াতকে এখানে দেখানো হয়েছে নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র হিসেবে।
৪। টাইপিং মিসটেকের ব্যাপারে আসা যাক। খেয়াল করুন। হুমকি > ণ্ডমকি, হুম > ণ্ডম। হ-এ উ - হু-এর কোন বালাই-ই ছিলোনা পুরো বইটা জুড়ে। সব জায়গাতেই লেখা হয়েছে 'ণ্ড'।
৫। এসব ছাড়াও বেশ কিছু ছোটখাটো বানান ভুলের দেখা পেয়েছি। ক্লান্তি বোধ না করলে সেগুলোও দেখাতাম। পড়তে শুরু করলে নিজেরাই ধরতে পারবেন। আজকালকার পাঠকরা অনেক স্মার্ট।
ডিটেইলিংয়ে উপরোক্ত ভুলগুলো বাদ দিলেও 'মারিবার হলো তার সাধ' দারুন একটা সাইকো থ্রিলার উপন্যাস। আসলে ভুলগুলো উপন্যাসের মূল রোমহষর্ক কাহিনিপটে বিন্দুমাত্র কুপ্রভাব ফেলেনি। আর উপন্যাসের শেষটা যে কাউকে চমকে দেয়ার মতোই। যেহেতু রিভিউ লিখছি, ব্যাপারগুলো নিয়ে আলোচনা করাটাই সমীচীন মনে করেছি। তাই আলোচনা করলাম।
ডিলান সাহেবের করা প্রচ্ছদ ভালোই লেগেছে। সাইকো থ্রিলার পড়তে যারা ভালোবাসেন, 'মারিবার হলো তার সাধ' তাদের জন্য দারুন এক সাজেশন আমার পক্ষ থেকে।
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪/৫
গুডরিডস রেটিংঃ
© শুভাগত দীপ
(১৫ মার্চ, ২০১৯, সন্ধ্যা ৭ টা ৫; নাটোর)
September 19, 2019
“Ugly people kill people all the time. But when pretty people did, it got attention.” ― Chelsea Cain, Kill You Twice
-
মারিবার হলো তার সাধ
-
তাহিতি, চুপচাপ এক কিশোরী যে নিজের ছোট দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত। হঠাৎ তার সেই ছোট দুনিয়া সম্পূর্ণ বদলে যেতে থাকলো। অদ্ভুত ব্যাখ্যাতীত কিছু জিনিস দেখা শুরু করলো সে।
-
সিআইডি অফিসার অনিমেষ সূত্রধর, তার হাতে এসে পড়ে ভয়াবহ এক সিরিয়াল কিলিংয়ের কেস। সে তার দুই সহযোগী শেখর আর ষাইফকে নিয়ে এ ঘটনা তদন্তে নেমে পড়েন।
-
এখন ঢাকার রাস্তায় কে ঘটাচ্ছে এধরনের নৃশংস খুন? অনিমেষ সূত্রধর আর তার দলবল কি পারবে এ রহস্যের কুল কিনারা করতে? এ সব কিছুর সাথে তাহিতি কিভাবে জড়িত? তা জানতে হলে পড়তে হবে লেখক সুস্ময় সুমন এর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার "মারিবার হলো তার সাধ।"
-
"মারিবার হলো তার সাধ" মূলত সিরিয়াল কিলিং বিষয়ক এক ধরনের সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। গল্পের প্লট বেশ ইন্টারেস্টিং, তবে মূল সমস্যা এর ডিটেলিং এ। একেকটি চরিত্রের ডিটেলিং একটি আরেকটির সাথে ক্লাশ করছিলো, ফলে চরিত্রগুলো ঠিকঠাক ফুটে উঠছিলো না। তার উপর তথ্য বিভ্রাট, চরিত্রের নাম বিভ্রাট ছিল কিছু।
-
"মারিবার হলো তার সাধ" বইয়ের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট এর এন্ডিং। একেবারেই আশা করিনি এ ধরনের এন্ডিং। লেখক আনএক্সপেক্টেড এন্ডিং দিয়ে পাঠককে চমকে দিতে চেয়েছেন এবং আমার ক্ষেত্রে বলা যায় এ ব্যাপারে তিনি সফল। তবে ধাতস্থ হবার পড়ে এর মোটিভটি খুব একটা জোরালো মনে হয়নি। যেভাবে সিরিয়াল কিলিংয়ের ঘটনা ঘটেছে, আরো কঠিন মোটিভ থাকা উচিত ছিল মূল অপরাধীর আই থিংক।
-
"মারিবার হলো তার সাধ" বইয়ের মেক আপ এবং বাঁধাই ভালোই, তবে বানান ভুল এবং প্রিন্টিং মিস্টেক ছিল ভালো পরিমানে। বিশেষ করে প্রতিটি "হু", "ণ্ড" এ পরিণত হয়েছিল - যেমন "বহু" হয়ে গিয়েছে "বণ্ড", "হুবহু" হয়ে গিয়েছে "ণ্ডবণ্ড", যা বেশ বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল। প্রচ্ছদটি কাহিনীর তুলনায় মোটামুটি। যারা সিরিয়াল কিলিং এবং সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বই পড়তে আগ্রহী তারা বইটি পড়ে দেখতে পারেন।
-
মারিবার হলো তার সাধ
-
তাহিতি, চুপচাপ এক কিশোরী যে নিজের ছোট দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত। হঠাৎ তার সেই ছোট দুনিয়া সম্পূর্ণ বদলে যেতে থাকলো। অদ্ভুত ব্যাখ্যাতীত কিছু জিনিস দেখা শুরু করলো সে।
-
সিআইডি অফিসার অনিমেষ সূত্রধর, তার হাতে এসে পড়ে ভয়াবহ এক সিরিয়াল কিলিংয়ের কেস। সে তার দুই সহযোগী শেখর আর ষাইফকে নিয়ে এ ঘটনা তদন্তে নেমে পড়েন।
-
এখন ঢাকার রাস্তায় কে ঘটাচ্ছে এধরনের নৃশংস খুন? অনিমেষ সূত্রধর আর তার দলবল কি পারবে এ রহস্যের কুল কিনারা করতে? এ সব কিছুর সাথে তাহিতি কিভাবে জড়িত? তা জানতে হলে পড়তে হবে লেখক সুস্ময় সুমন এর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার "মারিবার হলো তার সাধ।"
-
"মারিবার হলো তার সাধ" মূলত সিরিয়াল কিলিং বিষয়ক এক ধরনের সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। গল্পের প্লট বেশ ইন্টারেস্টিং, তবে মূল সমস্যা এর ডিটেলিং এ। একেকটি চরিত্রের ডিটেলিং একটি আরেকটির সাথে ক্লাশ করছিলো, ফলে চরিত্রগুলো ঠিকঠাক ফুটে উঠছিলো না। তার উপর তথ্য বিভ্রাট, চরিত্রের নাম বিভ্রাট ছিল কিছু।
-
"মারিবার হলো তার সাধ" বইয়ের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট এর এন্ডিং। একেবারেই আশা করিনি এ ধরনের এন্ডিং। লেখক আনএক্সপেক্টেড এন্ডিং দিয়ে পাঠককে চমকে দিতে চেয়েছেন এবং আমার ক্ষেত্রে বলা যায় এ ব্যাপারে তিনি সফল। তবে ধাতস্থ হবার পড়ে এর মোটিভটি খুব একটা জোরালো মনে হয়নি। যেভাবে সিরিয়াল কিলিংয়ের ঘটনা ঘটেছে, আরো কঠিন মোটিভ থাকা উচিত ছিল মূল অপরাধীর আই থিংক।
-
"মারিবার হলো তার সাধ" বইয়ের মেক আপ এবং বাঁধাই ভালোই, তবে বানান ভুল এবং প্রিন্টিং মিস্টেক ছিল ভালো পরিমানে। বিশেষ করে প্রতিটি "হু", "ণ্ড" এ পরিণত হয়েছিল - যেমন "বহু" হয়ে গিয়েছে "বণ্ড", "হুবহু" হয়ে গিয়েছে "ণ্ডবণ্ড", যা বেশ বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল। প্রচ্ছদটি কাহিনীর তুলনায় মোটামুটি। যারা সিরিয়াল কিলিং এবং সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বই পড়তে আগ্রহী তারা বইটি পড়ে দেখতে পারেন।
August 26, 2019
৩.৫ স্টার।
April 9, 2020
লেখকের মনে যা আসছে তাই লিখে ফেলসে,বইমেলা চলে এসেছে এখন বই বের করতে হবে তাই লিখতে হবে এই টাইপ বই পুরা,সিরিয়াল কিলিং এর রোমহর্ষক বিবরন শেষ এ পুরা লুতুপুতু এক কিলার কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য না,ঠিক আছে আমি মানলাম এইগুলা ফিকশন তবে কিছু হলেও তো গ্রহণযোগ্য হতে হবে লজিকগুলা।থাম্বস ডাউন
July 6, 2021
Pros:
প্লট প্রগ্রেশন এবং বিল্ডাপ বেশ ভালো ছিল। এন্ডিং টুইস্টটা খুবই অপ্রত্যাশিত ছিল। এছাড়া অনিমেষ সূত্রধরের চরিত্রটা ভালো ডেভেলপড ছিল। প্রত্যেক্টা খুনের সাথে আনুষঙ্গিক গল্প হিসেবে ছোট ছোট ঘটনাগুলোর মধ্যে দিয়ে সমাজের না উঠে আসা দিকগুলোর প্রকাশও প্লাস পয়েন্ট ছিল বইয়ের।
Cons:
এন্ডিং অপ্রত্যাশিত হলেও বেশি ব্যাখ্যাতীত ছিল। ভিলেনদের ব্যাকস্টোরি কম ঘাটা হয়েছে। অনেক ক্ষণ ধরে বিল্ড করার পরে ঠাস করে যবনিকাপাত ঘটেছে। আর সবচেয়ে খারাপ দিক হলো তাহিতির ব্যাপারটার কোনো ব্যাখ্যা বা তদন্তে সাহায্যে আসেনি। একটা বিশাল প্লট পয়েন্টের ওর্স্ট এক্সেকিউশন হয়েছে এখানে। মোট কথা প্রত্যাশা অনেক তুঙ্গে উঠিয়ে এক ধাক্কার মাটিতে আছড়ে পড়েছে। তা না হলে অনায়াসে ৪/৫ পাওয়ার মত বই ছিল।
প্লট প্রগ্রেশন এবং বিল্ডাপ বেশ ভালো ছিল। এন্ডিং টুইস্টটা খুবই অপ্রত্যাশিত ছিল। এছাড়া অনিমেষ সূত্রধরের চরিত্রটা ভালো ডেভেলপড ছিল। প্রত্যেক্টা খুনের সাথে আনুষঙ্গিক গল্প হিসেবে ছোট ছোট ঘটনাগুলোর মধ্যে দিয়ে সমাজের না উঠে আসা দিকগুলোর প্রকাশও প্লাস পয়েন্ট ছিল বইয়ের।
Cons:
এন্ডিং অপ্রত্যাশিত হলেও বেশি ব্যাখ্যাতীত ছিল। ভিলেনদের ব্যাকস্টোরি কম ঘাটা হয়েছে। অনেক ক্ষণ ধরে বিল্ড করার পরে ঠাস করে যবনিকাপাত ঘটেছে। আর সবচেয়ে খারাপ দিক হলো তাহিতির ব্যাপারটার কোনো ব্যাখ্যা বা তদন্তে সাহায্যে আসেনি। একটা বিশাল প্লট পয়েন্টের ওর্স্ট এক্সেকিউশন হয়েছে এখানে। মোট কথা প্রত্যাশা অনেক তুঙ্গে উঠিয়ে এক ধাক্কার মাটিতে আছড়ে পড়েছে। তা না হলে অনায়াসে ৪/৫ পাওয়ার মত বই ছিল।
October 1, 2024
আমার পড়া সুস্ময় সুমনের সবচেয়ে অপছন্দের বই এইটা। বইটা পড়ে শেষ করতে অনেক কষ্ট হইছে। অনেকদিন ধরে পড়তেছি। কয়েক পাতার বেশী পড়ে এগোতে পারি না। টেবিলে ফেলে রেখে দেই কিছুদিন। তারপর আবার পড়ি কয়েক পাতা। আবার রেখে দেই। আবার পড়ি। এইভাবে করতে করতে বইটা অবশেষে পড়ে শেষ করেছি।
সুস্ময় সুমন আমার প্রিয় লেখকদের একজন। তার বইয়ের প্রতি আমার এক্সপেক্টেশন অনেক বেশী। এই বইয়ের প্রতি যা আশা করেছিলাম তার ধারে কাছেও নাই। আমার মনে হয়, এই বইটাকে টেনে টুনে এতো বড় করার দরকার ছিল না। ১০০ পৃষ্টার ভিতরে শেষ করলেই ভালো হতো।
সুস্ময় সুমন আমার প্রিয় লেখকদের একজন। তার বইয়ের প্রতি আমার এক্সপেক্টেশন অনেক বেশী। এই বইয়ের প্রতি যা আশা করেছিলাম তার ধারে কাছেও নাই। আমার মনে হয়, এই বইটাকে টেনে টুনে এতো বড় করার দরকার ছিল না। ১০০ পৃষ্টার ভিতরে শেষ করলেই ভালো হতো।
April 17, 2020
যাচ্ছেতাই রকমের।
September 22, 2021
শুরুটা চমৎকার। শেষে একটু তাড়াহুরো ছিল। প্লট দারুণ। ভালো লেগেছে।
November 28, 2021
পাঠ প্রতিক্রিয়া
বই - মারিবার হলো তার সাধ
লেখক - Sushmoy Sumon
ঘরানা - ডিটেকটিভ/সাইকোলজিকাল ক্রাইম থ্রিলার
কাহিনী সংক্ষেপ -
উপন্যাসের পূর্বাভাস শুরু হচ্ছে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর ভাবে , কোনও দানবীয় চেতনার পুরুষ নির্মম হয়ে কোনও চার বা পাঁচ বছরের একটি পুতুলের মতো মেয়ের উপর ......
বাকিটা অনুমান করে নিন । কিন্তু এখান থেকেই উপন্যাসের শেষ অংশের বীজ রোপিত হয়ে গেছিলো ।
এরপরে আসি কাহিনীতে -
দালাল কিসলুর ডাকে রাতে ক্লায়েন্ট সার্ভিসে বেরনো ফুলি ক্লায়েন্টের কাছে যায়নি , কোথায় গেছে কেউ জানে না । পরদিনও সে ফেরেনি বাড়ি । কিসলু সহ ফুলির পরিবারও উৎকণ্ঠায় ।
দুদিন পরে তার লাশ পাওয়া গেছিলো দিয়াবাড়ির কাশবনে । ধর্ষণ করে হত্যা করে লাশ ফেলে দিয়ে গেছে কেউ বা কারা ।
এই একইভাবে ধারাবাহিকভাবে ঢাকা শহরে শুরু হয় সুন্দরী তরুণীদের অপহরণ , দৈহিক বাসনা মেটানো ও তারপর নৃশংস ভাবে হত্যা করে লাশ কেটে ফেলে দেওয়ার সিরিয়াল ক্রাইম ।
তদন্তের ভার নিয়ে বেকায়দায় পড়েন হোমিসাইড গোয়েন্দা অনিমেষ সুত্রধর । পারবেন কি তিনি ? হত্যালীলা থামিয়ে প্রকৃত কালপ্রিটকে গারদে ঢোকাতে ??
উপন্যাসে আরেক চরিত্র তাহিতি , যে ভীষণ অন্তর্মুখী , আবেগপ্রবণ , কিন্তু তার আছে এক গভীর অসুখ , মাঝে মাঝেই অনুভব করে মাথায় তীব্র যন্ত্রণা , আর তখনই চারপাশ যেন আঁধারে ডুবে যায় । শোনা যায় কিছু ভয়ঙ্কর শব্দ, চোখে ভাসে সাংঘাতিক ভয়াবহ কোনও দৃশ্য ও আবছা কিছু ছায়ামূর্তি ।
কাউকে এর কথা বলেনি সে , মুখ বুজে এই রোগ মেয়েটি বয়ে বেড়ায় ।
প্রতিক্রিয়া -কাহিনী সম্পূর্ণভাবে প্রাপ্তমনস্কদের জন্য , দুর্বল চিত্তের পাঠকদের না পড়াই ভালো । উপন্যাসের প্রায় সবকটি চরিত্রের অবচেতন মন লেখক দারুনভাবে দেখিয়েছেন ,চরিত্রগুলির প্রায় প্রত্যেকের জীবনে কিছু না কিছু অস্বাভাবিক আছে , কিংবা আছে মানসিক বিকৃতি বা পৈশাচিকতা ।
কাহিনী খুবই কঠিন বাস্তব, মানব মনের অন্ধকার জগত নিয়ে লেখা , যা খুবই টান টান উত্তেজনায় পূর্ণ । অপরাধের বর্ণনা খুবই শিহরণ জাগাবে । আছে কিছু দারুন টুইস্ট ।
কিন্তু সব শেষে আছে প্রতিশোধ । এখানেই লেখকের লেখার ও উপন্যাসের নামকরণের স্বার্থকতা ।
সব মিলিয়ে যারা ডার্ক লেখা পছন্দ করেন , তারা পড়তেই পারেন ।
গ্রন্থ- মারিবার হলো তার সাধ
লেখক - সুস্ময় সুমন
ঘরানা - ডিটেকটিভ/সাইকোলজিকাল ক্রাইম থ্রিলার
প্রকাশক - বাতিঘর প্রকাশনী
মুল্য - ২০০ টাকা
বই - মারিবার হলো তার সাধ
লেখক - Sushmoy Sumon
ঘরানা - ডিটেকটিভ/সাইকোলজিকাল ক্রাইম থ্রিলার
কাহিনী সংক্ষেপ -
উপন্যাসের পূর্বাভাস শুরু হচ্ছে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর ভাবে , কোনও দানবীয় চেতনার পুরুষ নির্মম হয়ে কোনও চার বা পাঁচ বছরের একটি পুতুলের মতো মেয়ের উপর ......
বাকিটা অনুমান করে নিন । কিন্তু এখান থেকেই উপন্যাসের শেষ অংশের বীজ রোপিত হয়ে গেছিলো ।
এরপরে আসি কাহিনীতে -
দালাল কিসলুর ডাকে রাতে ক্লায়েন্ট সার্ভিসে বেরনো ফুলি ক্লায়েন্টের কাছে যায়নি , কোথায় গেছে কেউ জানে না । পরদিনও সে ফেরেনি বাড়ি । কিসলু সহ ফুলির পরিবারও উৎকণ্ঠায় ।
দুদিন পরে তার লাশ পাওয়া গেছিলো দিয়াবাড়ির কাশবনে । ধর্ষণ করে হত্যা করে লাশ ফেলে দিয়ে গেছে কেউ বা কারা ।
এই একইভাবে ধারাবাহিকভাবে ঢাকা শহরে শুরু হয় সুন্দরী তরুণীদের অপহরণ , দৈহিক বাসনা মেটানো ও তারপর নৃশংস ভাবে হত্যা করে লাশ কেটে ফেলে দেওয়ার সিরিয়াল ক্রাইম ।
তদন্তের ভার নিয়ে বেকায়দায় পড়েন হোমিসাইড গোয়েন্দা অনিমেষ সুত্রধর । পারবেন কি তিনি ? হত্যালীলা থামিয়ে প্রকৃত কালপ্রিটকে গারদে ঢোকাতে ??
উপন্যাসে আরেক চরিত্র তাহিতি , যে ভীষণ অন্তর্মুখী , আবেগপ্রবণ , কিন্তু তার আছে এক গভীর অসুখ , মাঝে মাঝেই অনুভব করে মাথায় তীব্র যন্ত্রণা , আর তখনই চারপাশ যেন আঁধারে ডুবে যায় । শোনা যায় কিছু ভয়ঙ্কর শব্দ, চোখে ভাসে সাংঘাতিক ভয়াবহ কোনও দৃশ্য ও আবছা কিছু ছায়ামূর্তি ।
কাউকে এর কথা বলেনি সে , মুখ বুজে এই রোগ মেয়েটি বয়ে বেড়ায় ।
প্রতিক্রিয়া -কাহিনী সম্পূর্ণভাবে প্রাপ্তমনস্কদের জন্য , দুর্বল চিত্তের পাঠকদের না পড়াই ভালো । উপন্যাসের প্রায় সবকটি চরিত্রের অবচেতন মন লেখক দারুনভাবে দেখিয়েছেন ,চরিত্রগুলির প্রায় প্রত্যেকের জীবনে কিছু না কিছু অস্বাভাবিক আছে , কিংবা আছে মানসিক বিকৃতি বা পৈশাচিকতা ।
কাহিনী খুবই কঠিন বাস্তব, মানব মনের অন্ধকার জগত নিয়ে লেখা , যা খুবই টান টান উত্তেজনায় পূর্ণ । অপরাধের বর্ণনা খুবই শিহরণ জাগাবে । আছে কিছু দারুন টুইস্ট ।
কিন্তু সব শেষে আছে প্রতিশোধ । এখানেই লেখকের লেখার ও উপন্যাসের নামকরণের স্বার্থকতা ।
সব মিলিয়ে যারা ডার্ক লেখা পছন্দ করেন , তারা পড়তেই পারেন ।
গ্রন্থ- মারিবার হলো তার সাধ
লেখক - সুস্ময় সুমন
ঘরানা - ডিটেকটিভ/সাইকোলজিকাল ক্রাইম থ্রিলার
প্রকাশক - বাতিঘর প্রকাশনী
মুল্য - ২০০ টাকা
September 2, 2024
এই প্রথম লেখকের কোনো বই পড়লাম, and I'm pretty impressed...👏🏼
আমার পাঠক জীবনে যতগুলো সাইকো থ্রিলার পড়েছি, হাতেগোনা কয়েকটা বাদে সবগুলোর কাহিনীই "half-baked" লেগেছে। হয় গল্পের অগ্রগতির সাথে ধার কমতে শুরু করতো, নাহলে কোনো এক পর্যায় গিয়ে কোনো সেন্সই তৈরি করতো না।
তবে এটার স্বাদ সেই অর্ধেক বেইক করা কেকের মতো অখাদ্য ছিলো না, বরং সেই হাতেগোনা বইগুলোর মধ্যেই রাখতে পারি..🤞🏼✨
শুরুতে লেখনী সম্পর্কে কয়েক লাইন বলতে হয়। উনার কোনো কাহিনীর দৃশ্যে, চরিত্রগুলোর অনুভূতি বা তাদের সংলাপের সিনগুলো এত্তো চমৎকারভাবে জীবন্ত করে তোলার দক্ষতা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। এছাড়াও লেখকের শব্দচয়ন আর বর্ণনা চরিত্রগুলোর মানসিক ও শারীরিক দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা বেশ বিমোহিত করেছে আমাকে, প্রত্যেকটি মুহূর্ত সহজেই ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারছিলাম। তবে এই বর্ণনার বিষয়েও আমার কিছুটা খটকা আছে। কিছু কিছু জায়গায় ডিটেলিংয়ের অভাব টের পেয়েছি, যেটা আমার জন্য ঐরকম সমস্যা করেনি যদিও, তাও আরো ব্যাখ্যা থাকলে ভালো হতো।
আরেকটা বিষয়, যেটা প্রতিটা মুহূর্ত দৃষ্টিকটু হয়েই থেকে গেছে। বইয়ের প্রতিটা জায়গায় "হু" এর পরিবর্তে "ণ্ড" দেয়া হয়েছে। যেকারণে পড়ার সময় মাঝে মাঝেই আটকে যাচ্ছিলাম। যেখানে "ণ্ড" কে দেখতে "গু" এর মতো হওয়ায় বারবার "গুম", "গুমগু"সহ আরও অনেকগুলো শব্দই ভুল পড়ে ফেলছিলাম..😕
বইয়ের সবচেয়ে জোস বিষয়গুলোর একটা ছিলো এর এন্ডিং আর সেই মুহূর্তে আসার আগের বিল্ডাপটা, একেবারেই আনএক্সপেক্টেড ছিলো..🌪️
অবশেষে বলতে চাই, যারা ভালো কোনো সিরিয়াল কিলিং আর সাইকো থ্রিলার খুজছেন, তাদের ভালো লাগবে বইটি।
আর হ্যাঁ, বইটি জুড়ে অসংখ্য স্ট্রং ল্যাঙ্গুয়েজসহ পেডোফিলিয়া, রেইপ, আর বিভৎসতা রয়েছে। ১৮ বছরের নিচে না পড়ারই পরামর্শ থাকবে...👍🏼
আমার পাঠক জীবনে যতগুলো সাইকো থ্রিলার পড়েছি, হাতেগোনা কয়েকটা বাদে সবগুলোর কাহিনীই "half-baked" লেগেছে। হয় গল্পের অগ্রগতির সাথে ধার কমতে শুরু করতো, নাহলে কোনো এক পর্যায় গিয়ে কোনো সেন্সই তৈরি করতো না।
তবে এটার স্বাদ সেই অর্ধেক বেইক করা কেকের মতো অখাদ্য ছিলো না, বরং সেই হাতেগোনা বইগুলোর মধ্যেই রাখতে পারি..🤞🏼✨
শুরুতে লেখনী সম্পর্কে কয়েক লাইন বলতে হয়। উনার কোনো কাহিনীর দৃশ্যে, চরিত্রগুলোর অনুভূতি বা তাদের সংলাপের সিনগুলো এত্তো চমৎকারভাবে জীবন্ত করে তোলার দক্ষতা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। এছাড়াও লেখকের শব্দচয়ন আর বর্ণনা চরিত্রগুলোর মানসিক ও শারীরিক দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা বেশ বিমোহিত করেছে আমাকে, প্রত্যেকটি মুহূর্ত সহজেই ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারছিলাম। তবে এই বর্ণনার বিষয়েও আমার কিছুটা খটকা আছে। কিছু কিছু জায়গায় ডিটেলিংয়ের অভাব টের পেয়েছি, যেটা আমার জন্য ঐরকম সমস্যা করেনি যদিও, তাও আরো ব্যাখ্যা থাকলে ভালো হতো।
আরেকটা বিষয়, যেটা প্রতিটা মুহূর্ত দৃষ্টিকটু হয়েই থেকে গেছে। বইয়ের প্রতিটা জায়গায় "হু" এর পরিবর্তে "ণ্ড" দেয়া হয়েছে। যেকারণে পড়ার সময় মাঝে মাঝেই আটকে যাচ্ছিলাম। যেখানে "ণ্ড" কে দেখতে "গু" এর মতো হওয়ায় বারবার "গুম", "গুমগু"সহ আরও অনেকগুলো শব্দই ভুল পড়ে ফেলছিলাম..😕
বইয়ের সবচেয়ে জোস বিষয়গুলোর একটা ছিলো এর এন্ডিং আর সেই মুহূর্তে আসার আগের বিল্ডাপটা, একেবারেই আনএক্সপেক্টেড ছিলো..🌪️
অবশেষে বলতে চাই, যারা ভালো কোনো সিরিয়াল কিলিং আর সাইকো থ্রিলার খুজছেন, তাদের ভালো লাগবে বইটি।
আর হ্যাঁ, বইটি জুড়ে অসংখ্য স্ট্রং ল্যাঙ্গুয়েজসহ পেডোফিলিয়া, রেইপ, আর বিভৎসতা রয়েছে। ১৮ বছরের নিচে না পড়ারই পরামর্শ থাকবে...👍🏼
January 25, 2020
এ্যান্টাগনিস্ট চরিত্র যে বিল্ডাপ পেল, তার রিভিলিং পয়েন্ট টা সে তুলনায় অনেক, অনেক বেশি সরল হয়ে গেছে।
আক্ষেপটা সেখানে। নয়তো দারুণ একটা গল্প হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
আক্ষেপটা সেখানে। নয়তো দারুণ একটা গল্প হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
June 1, 2025
প্রথমে ভেবেছিলাম ভালো লাগবে না। কিন্তু পরবর্তীতে ঠিকই ভালো লাগলো। লেখকের মধ্যে পটেনশিয়ালটি আছে। এন্ডিং টাও ভালো।
May 13, 2026
Onw of the best Underrated book I have ever read..
March 16, 2019
পুরো বইতে ভালো লাগার মতো কিছুই খুঁজে পায়নি!
যারপরনাই হতাশ! (দীর্ঘনিঃশ্বাস)
যারপরনাই হতাশ! (দীর্ঘনিঃশ্বাস)
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
















