প্রথমত বলি, হাকিনী কি ? হাকিনী হলো খুব নিচু স্তরের পিশাচ।এদের বুদ্ধিবৃত্তি পশুশ্রেনির।তবে ক্ষমতা প্রচন্ড।এদেরকে death Angel বলতে পারেন।ডেকে এনে যার মৃত্যু চান চিনিয়ে দেবেন,তবে সমস্যা হল এরা প্রাণ না নিয়ে ফিরবে না।যার জন্য ডাকা তাকে মারতে না পারলে যে ডেকেছে তাকেই মেরে ফেলবে। হাকিনী জাগাতে হলে অশুচি যজ্ঞ করতে হয়।এই অশুচি যজ্ঞ হলো মৃতা কোনো যুবতীর সাথে যৌন সঙ্গম।যাকে পশ্চিমারা বলে নেক্রোফিলিয়।
এবার আসি গল্পের প্রসঙ্গে। মূল গল্পটি শুরু হয় একটি বিশেষ "বালা" জোড়া নিয়ে।যা ছিল সেন যুগের। এটা কোনো সাধারণ বালা ছিল না, এর মুখগুলো ছিল ছাগের মুখ। মুখগুলোতে প্যাঁচ লাগানো, দু আঙ্গুল ধরে ঘোরালেই খোলে। এই বালার সাথে হাকিনী মন্ত্রের যোগ আছে। সঞ্জয় টাকার জন্য এই বালা দুটি ( তার বাবার সুদের ব্যবসায় পাওয়া) নিয়ে মন্ময়বাবুর(সোনার দোকানের মালিক) কাছে আসেন বিক্রির জন্য, তারপরই মন্ময়বাবুর কাছে জানতে পারেন এই বালার ইতিহাস। মন্ময়বাবু ছিলেন তন্ত্র মন্ত্রের প্রতি আগ্রহী। তাই তারা ঠিক করলো যে, মোটা মোসলেমকে (যার কারণে সঞ্জয়ের বাবা মিথ্যে দায়ে জেলে বন্দি) মারার জন্য হাকিনী জাগিয়ে তুলবে। তারপর সেই মতো কাজ শুরু হয়। কিন্তু তারপর ? শেষপর্যন্ত কি হাকিনী জাগানোর উদ্দেশ্য সফল হয় ? নাকি.....
সত্যি বলতে প্রথম থেকে সাধারণ গল্পের মতোই এগোচ্ছিল। তারপর এলো বালার প্রসঙ্গ। তারপর যেই ৩৫পৃষ্ঠা থেকে এগোলাম তখন থেকে চরম উত্তেজনা শুরু হয়। কি হয় কি হয় ব্যাপার। "তারানাথ তান্ত্রিক" এ হাকিনীর নিয়ে একটু জেনেছিলাম,এখানে আরও ভালোভাবে জানতে পারলাম।গা ছমছমে ব্যাপার না লাগলেও বইটা দারুন লেগেছে।
গল্পের শুরু থেকেই প্রাঞ্জল, সহজ বর্ণনা।প্লট তৈরির ক্ষেত্রে লেখকের জুড়ি নেই, এই বইয়েও তার ব্যতয় ঘটে নি। অতিরঞ্জিত বর্ণনা নেই, গল্পের স্পষ্ট উপস্থাপন।লেখকের গল্পের বিশেষ একটি দিক ঐতিহাসিক ব্যাপার গুলোও উঠে আসে। অতিপ্রাকৃত গল্পের ভয়ংকর বর্ণনা খুব সামান্য ই ছিল। তবে রহস্যের ভাঁজ খোলার ব্যাপারটায় একটু থ্রিলিং ছিলো। একটি বিশেষ দিকের কথা না বললেই নয়, যা আমাকে খুব করে টেনেছে।পরিবেশের বর্ণনা, রবীন্দ্রনাথের বেশ কয়েকটি কবিতার সাথে সংগতি রেখে তুলে এনেছেন লেখায়। যা আমার মতো কবিতা প্রেমীর কাছে বিশেষ গুরুত্ব এনেছে। সব মিলিয়ে বইটি পড়ার মতো, !
এই বইটা নিয়ে কিছু না বললেই নয়। হরর সাধারনত পড়া হয় না। হলেও এটার মত কমই পড়ার সুযোগ পেয়েছি। গুডরিড রেটিং দেখে ভরসা না পেলেও বইটা হতাশ করেনি মোটেও। বইটার সবথেকে ভালো দিক হলো ছোট হওয়ার পরেও সুন্দরভাবে সবকিছুর ব্যাক্ষা। ইতিহাস বর্ণনা, বিভিন্ন তথ্য ও আনএক্সপেক্টেড এন্ডিং এর জন্য বইটা মনে জায়গা করে নিলো। বইটা যতটা ভয়ের,তার থেকে বেশি রোমাঞ্চকর।
বইটি শুধু পড়া নয়, সেটির ভূমিকা লেখারও সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। সেটি লিখে দিলেই বোধহয় বইটি নিয়ে আমার মনোভাব সবচেয়ে ভালোভাবে বোঝানো যাবে। তাই সেটিই করি~
মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর-এর লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় হয় আজ থেকে প্রায় চার বছর আগে। সুলেখক ও অনুবাদক অভীক মুখোপাধ্যায় আমাকে বলেছিলেন, “দাদা, আপনি এঁর লেখা শুধু একবার পড়ে দেখবেন। জাস্ট অন্য লেভেলের!” সৌভাগ্যক্রমে ‘সময় প্রকাশন’ থেকে প্রকাশিত ‘বংশালের বনলতা’ নামক বইটি পড়ার সুযোগ হল ক’দিন পর। বইটা পড়তে গিয়ে বুঝলাম, ভালো-মন্দ ছাপিয়ে ব্যাপারটা অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছে। হ্যাঁ, এ সত্যিই অন্য লেভেলের লেখা!
প্রজ্ঞা, সরসতা, সহানুভূতিপূর্ণ চরিত্রচিত্রণ, সর্বোপরি ইতিহাস-চেতনার এমন মিশ্রণ বাংলা সাহিত্যে তো সর্বার্থে দুর্লভ। তখন থেকেই মনে হল, এই লেখার স্বাদ কবে পাবে কাঁটাতারের এপারে থাকা বাঙালি পাঠক? সেই বছরই অরণ্যমন থেকে প্রকাশিত সংকলন ‘প্রহেলিকা’-তে স্থান পেল ‘বংশালের বনলতা’ কাহিনিটি। রহস্য-রোমাঞ্চ এবং অলৌকিকের অনুরাগী বহু মানুষ নিজে পড়ে বুঝলেন, কী অদ্ভুত মায়া আর ভয় সৃজন করেন এই মানুষটি। এরপর ‘কান্তজিউয়ের পিশাচ’ প্রকাশিত হল ‘মায়াকানন’ বার্ষিকীতে। পরে অরণ্যমন থেকেই এল তাঁর স্বতন্ত্র বই ‘প্রাচীন মুদ্রা’, তারপর এল ‘হাকিনী’! এপারের পাঠকও মজে গেলেন তাঁর একান্ত নিজস্ব ভাষা, বর্ণনা, আর এই বাংলার ইতিহাসের রক্তমাখা অন্ধকারের বুকে খনন চালিয়ে তুলে আনা মণিরত্নে।
অবশেষে, এপারের পাঠকের জন্য আসছে ‘কুহক কথন’। এতে থাকছে আমার অত্যন্ত প্রিয় ‘বংশালের বনলতা’, ‘অসীম আচার্যের অন্তর্ধান’, ‘কালো পাথর’, ‘বজ্রযোগীর প্রত্যাবর্তন’ এবং ‘ইব্রাহিম কাদরির মৃত্যু’। তারই সঙ্গে থাকছে ‘হৃদয়পুর কতদূর’ এবং ‘নভোরজ’ পত্রিকার বইমেলা ২০২০ সংখ্যায় প্রকাশিত গল্প ‘ভুদুয়া জমজম’। এ যে কতখানি আনন্দের এবং তৃপ্তির বিষয়— তা ব্যাখ্যা করা কঠিন। শুধু একটি বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ দিয়ে যাই। এই মুহূর্তে আমরা ‘ধর্ তন্ত্র মার্ পাঠক’ মানসিকতা-প্রসূত অখাদ্য ও অপাঠ্য তান্ত্রিক হররে একেবারে নিমজিত হয়ে আছি। এই লেখাগুলো তাদের থেকে অন্য মাত্রার, বা অভীকের ভাষা ধার করে বলি— অন্য লেভেলের। এদের অল্প-অল্প করে পড়বেন, প্লিজ। এরা চাট্ নয়, এমনকি শিল্পোন্নত চপ-ও নয়। এরা শাহি বিরিয়ানি। তাই ধীরে-ধীরে, সময় নিয়ে এদের উপভোগ করবেন, কেমন! ধন্যবাদ ও নমস্কারসহ, ঋজু গাঙ্গুলী কলকাতা, ফেব্রুয়ারি ২০২১
এক কথাই দারুন!!হরর আমার টেস্টে সাধারণত আসে না কিন্তু আলমগীর তৈমূর স্যারের প্রাঞ্জল লেখনী, আর এত সাবলিল বই আমার টেস্টবাড চেঞ্জ করে ফেলেছে! সুপাঠ্য এবং রিকমেন্ডেড।
চমৎকার আবহে দ্রুতই সমাপ্তি। মোটামুটি ছিলো। তবে একটা বিষয়ে আমি মানিয়ে নিতে পারিনি, এলাকার একজন স্বনামধন্য স্বর্ণের ব্যবসায়ীর সাথে একজন কাস্টমারের অন্তরঙ্গতা। হ্যা বিষটা স্বাভাবিক ঘটনা হলে ঠিক ছিলো কিন্তু এটাতো আর স্বাভাবিক কোনো ঘটনা না। তাও আবার একত্রে রমনী পাড়ায় গমন।
গল্পটা যে গতিতে এগিয়েছে সে গতিতে শেষ হয়নি৷ আশা করেছিলাম আরো ভালো কিছু হবে। লিখন কৌশল নিয়ে কথা বলব না। কারণ এটা অনেক ভালো লেখকের। পড়া শুরু করার পর যে এক্সপেকটেশন দাঁড় করিয়েছিলেন লেখক মাঝ গল্প অবধি, তা শেষ অবধি ধরে রাখতে পারেননি। ধরে রাখলে ভয়ংকরতম সুন্দর হতো। তবে সব মিলিয়ে ভালোই লাগল। শেষটা ভালো হলে গল্পটাও আরো ভালো লাগতে পারত। তবুও ঠিকঠাকই লাগছে। উপভোগ করা যায়। কেউ যদি বিনা এক্সপেকটেশন নিয়ে পড়েন তার কাছে বেশ ভালো লাগবে।
মুহম্মদ আলমগীর তৈমুরের গল্পগুলো একটা ধাক্কা বা ট্র্যাজেডির মাধ্যমে শেষ হয়। এটা যেন অবধারিত। এই গল্পটাও তার ব্যতিক্রম নয়। খুলনা শহরের প্রাচীন মন্দির, লক্ষণ সেন হয়ে ভালোই ইতিহাসের গলিগুপচি ঘোরা হল। রহস্যটা ভালোই বানিয়েছিলেন। কোনো ভৌতিক ব্যাপার-স্যাপার নেই তবে আবহ গায়ে কাঁটা জাগানিয়া। তবে যেটা বললাম, এত সুন্দর করে সাজানো গল্পটা হুট করেই শেষ। তবে যা ছিল, মন্দ নয়।
খুলনার মেয়ে হয়ে জানিই না যে সেখানকার পটভূমি নিয়ে এত ভালো একটা গল্প আছে,এখন মনে হচ্ছে বিপুলা এ পৃথিবীর কত কি অজানা এখনো কথাটা খুব সত্যি,বইয়ের প্রথমেই কেনারাম,ভোগারাম,বেচারাম,আর বস্তিরাম কথা পড়ে খুব হাসি পাচ্ছিল কিন্তু ধীরে ধীরে যখন লক্ষন সেন থেকে নমরুদের আর্বিভাব , তারপর কালীঘাটের পট পরিবর্তীত হয়ে ধনঞ্জয় বাবুর হাত আসা বালাজোড়া কিভাবে তার অধঃপতনের কারন হয়ে শেষ পর্যন্ত ছেলের করুন পরিনতি হাকিনীর মরন ছোবলে.গল্পটা সময় কাটানোর জন্য খুবই ভালো ছিল
তৈমূর স্যারের লেখার ভিন্ন একটা ধরন হলো গল্প টাও উপভোগ করলেন সাথে প্রাসঙ্গিক এমন কিছু তথ্য ও ঐতিহাসিক ঘটনা ও আপনি জানতে পারবেন যেটা হয়ত আগে জানা ছিল না।
সানডে সাসপেন্সে রসায়ন নোট করতে করতে গল্পটা শুনে ফেললাম। দারুণ অনুভূতি। আলমগীর তৈমূর স্যারের সেই সিগনেচার কম্বিনেশন। ইতিহাস, মিথ, তন্ত্র-মন্ত্র, অতিপ্রাকৃত, থ্রিল এবং ব্যাপক ডিটেইলিং। বেশ উপভোগ্য ছিল। এন্ডিংটাও বেশ! এছাড়া যেভাবে ইতিহাসের উপস্থাপনা করেছেন স্যার। জাস্ট চমৎকার।
চারটি অলৌকিক ঘরানার গল্প সংকলন 'হাকিনী' পড়লাম। গল্পগুলি বই তে যে ক্রমে রয়েছে
●হাকিনী - এক অভিশপ্ত বালা ও প্রতিশোধ এর গল্প।এই বালাতেই লুকানো আছে হাকিনী জাগানোর গুপ্ত মন্ত্র।
●কান্তজিউএর পিশাচ-এক প্রাচীন মন্দির ও তাকে নিয়ে ঘটে যাওয়া ভয়ংকর সব ঘটনাবলী।
●নজ্জুমি কিতাব-বহু পুরোনো এক বই কে ঘিরে এই গল্প।এই বই পড়লেই জীবনে নেমে আসে ভয়ংকর পরিনতি।
●হাতকাটা তান্ত্রিক-নামেই বোঝা যাচ্ছে যে এক হাতকাটা তান্ত্রিক যিনি বহুকাল ধরে জীবিত ও তাঁর সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায় এর কাহিনি ।এর সাথেই এই গল্পে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের কথাও এসেছে।
গল্পগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয়ের মাধ্যমে আশা করি এটা বোঝাই যাচ্ছে যে গল্পের বিষয়বস্তু বেশ আকর্ষণীয়।প্রতিটি গল্পের কাহিনি মূলত তন্ত্রের উপর ভিত্তি করেই লেখা হয়েছে। লেখনীও আমার বেশ ভালো লেগেছে কোথাও একঘেয়েমি মনে হয়নি। অলৌকিক গল্পে যেধরনের আবহ ও থ্রিল দরকার তা সবই এখানে উপস্থিত কিন্তু প্রত্যেকটি গল্প এত সুন্দর ভাবে শুরু হলেও খুবই তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় ফলস্বরূপ এমন রোমাঞ্চকর ঘটনাবহুল গল্পগুলি সেরকম কোনও পরিনতি পায়নি কেমন যেনও সবকিছু হঠাৎ হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো ।এছাড়া আমার মনে হয়েছে যে প্রতিটি গল্পের আরও বর্ননার প্রয়োজন ছিলো এর সাথে গল্পগুলি এমন তাড়াহুড়ো করে শেষ না করলে নিঃসন্দেহে আরও মনোগ্ৰাহী ও রোমাঞ্চকর হতে পারতো ঠিক যা আশা করা হয় এই ধরনের কাহিনি থেকে।আবার বলছি গল্পগুলিকে কোনভাবেই খারাপ বলা যায়না ।গল্পের বিষয় ও শুরু থেকেই গল্প বলার স্টাইল খুবই ভালো লাগছিলো কিন্ত সবই হঠাৎই শেষ হয়ে যাওয়ায় গল্পগুলি ঠিক পুর্নতা পেলোনা।তবুও এই চারটি গল্পের মধ্যে "কান্তজিউএর পিশাচ" আমার ভালো লেগেছে।গল্পের সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে বই এর প্রচ্ছদ এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে।অরন্যমন প্রকাশনীর প্রোডাকশন অন্যান্য বইএর মতো এই ক্ষেত্রেও বেশ ভালো।বানান ভুল চোখে পড়েনি।সবমিলিয়ে ব্যক্তিগতভাবে এই গল্প সংকলন মোটামুটি লাগলো, খুব একটা ভালো লাগেনি।আশা রাখি শ্রদ্ধেয় লেখকের পরবর্তী সংকলন আরো ভালো হবে। মতামত একান্তই ব্যক্তিগত।
মুহম্মদ আলমগীর তৈমুরের সাহিত্যসাধনা আমাকে অনুপ্রাণি��� করে গেলো। ধন্যবাদ টীম মিরচিকে, এই গল্পটার অডিয়োবুক বানিয়ে দেয়ার জন্য। লেখকের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।🌿❤️
হাকিনী একপ্রকার নিন্মশ্রেনীয় পিশাচ। যে কেউ মন্ত্রের মাধ্যমে হাকিনী ডেকে অন্যজনের ক্ষতিসাধন করতে পারে। এসব তন্ত্রমন্ত্র আর ভূতপিশাচ নিয়ে বিভূতিভূষণের বই থেকে প্রথমে আমি জানতে পারি। এর আগেও আমি লেখকের একটা বই পড়েছিলাম। উনি মনে হল এই টাইপের লেখাই লিখেন। এই লেখাটা খুলনা শহরকে কেন্দ্র করে লেখা। বিপদগ্রস্ত এক পরিবার তার শত্রুকে দমন করার জন্য হাকিনীর শরণাপন্ন হয়। গল্পের শেষটাও আমার অনুমিতই ছিল। লেখকের লেখা বেশ ঝরঝরে। আর এসব গল্প টাইমপাস হিসেবে ভালই লাগে পড়তে।
অন্যান্য ভূতের গল্পের থেকে এটা বেশ একটু আলাদা। কারণ সাধারণত ভূতের গল্প যেখানে যুক্তি বা লজিকের কোন প্রসঙ্গ বিশেষ থাকে না, সেখানে এই গল্পটির মধ্যে খানিকটা হলেও বেশ লজিক বা যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে যেটার কারণে গল্পটি পড়তে আরো বেশি ভালো লেগেছে। তাছাড়া এই গল্পটির মধ্যে ভূত-প্রেতের প্রসঙ্গ থাকলেও গল্পের শেষ একটি পাতা ছাড়া এর মধ্যে কিন্তু ভূতেদের চরিত্র হিসাবে সেরকম বিশেষ কোনো উল্লেখ নেই। এবং গল্পটির সমাপ্তি টাও পাঠকদের জন্য বেশ খানিকটা চমকপ্রদ।