ফারুক মঈনউদ্দীন গল্পকার, ভ্রমণ লেখক, অনুবাদক ও অর্থনীতি বিশ্লেষক। সত্তর দশকের শেষভাগে গল্প লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখির জগতে প্রবেশ ঘটেছিল তাঁর। তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৯০ সালে। পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থে পাওয়া যাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর বহুমুখী আগ্রহের ছাপ। ভ্রমণসাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০১৯, ভ্রমণে সিটি ব্যাংক-আনন্দ আলো পুরস্কার ২০২০ এবং মার্কিন গবেষক ক্লিণ্টন সিলির লেখা জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যিক জীবনী অ্যা পোয়েট অ্যাপার্ট গ্রন্থের অনুবাদ অনন্য জীবনানন্দ বইটির জন্য আইএফআইসি সাহিত্য পুরস্কার ২০১১ লাভ করেছেন তিনি।
ফারুক মঈনউদ্দীনের লেখার সাথে পরিচয় অনন্য জীবনানন্দ এর অনুবাদের মাধ্যমে। তখন লেখনশৈলীটা মন কেড়েছিল। ভ্রমণকাহিনী আমার ভীষণ পছন্দের জনরা। ব্যস্ত জীবনে নানান ঝামেলায় খুব যে ঘুরতে যাওয়ার সময় বের করতে পারি, তা নয়। তাই মনের অনেক না দেখা খায়েশ মেটানোর চেষ্টা করি ভ্রমণকাহিনী পড়ে। একই সাথে ভবিষ্যতে কোন কোন জায়গা দেখতেই হবে তাও নির্বাচন করে ফেলি৷ এটা কোন এক জায়গার বিস্তারিত ভ্রমণকাহিনী না। বরং লেখকের বার্মা, শ্রীলঙ্কা, হংকং, অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের টুকরো টুকরো কাহিনী৷ ইতিহাস এবং কিংবদন্তির সঠিক মিশেলে ভ্রমণের গল্পগুলো হয়ে উঠেছে বেশ উপভোগ্য। ভ্রমণে মইনুস সুলতান, সঞ্জয় দে এবং ফারুক মঈনউদ্দীন তিনজনই ভবিষ্যতে আরো মনের খোরাক জোগাবেন, বেশ বুঝতে পারছি।