Jump to ratings and reviews

জোনাকিদের বাড়ি

একটা বাড়ি, যেখানে অনেক অনেক জোনাকি উড়ত রাতের বেলায় আর যেটাকে সবাই জোনাকিদের বাড়ি বলে জানত, সেখানে থাকত কাজু। সময়ের সঙ্গে সেই বাড়িটাই ক্রমশ হয়ে ওঠে সবার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। ওই বাড়ি ও তার সঙ্গের জমি ও তাতে প্রোমোটিং নিয়ে ঘনিয়ে ওঠে দ্বন্দ্ব। তাতে এসে পড়ে সমাজের নানান স্তরের মানুষ। এসে পড়ে লোভ, ঈর্ষা ও হিংসা।

এই বৃহত্তর ঘটনার সঙ্গে এই গল্প বুনে চলে ব্যক্তিগত জীবনের নক্সাও। তাতে আমরা দেখি নোঈকে। দেখি তার মনখারাপ কাটিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর গল্প। দেখি আইকার অন্তর্দ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে আসা নতুন মানুষটিকে। আমরা পাই মাহিরের দোলাচল। তার বিপন্নতা। পাই পুশকিনের একাকিত্ব ও নির্লিপ্তি। পাই ওর তাড়া করা অতীত থেকে মনে বাসা বাঁধা অনুতাপ। আমরা পাই রাধিয়ার লাজুক, নরম মনের ভেতরে লালন করা ক্ষত। আর পাই কাজু ও পেখমকে। হারিয়ে যাওয়া সময়ের হারিয়ে যাওয়া দুই মানুষকে। আর এদের সঙ্গে আমাদের সামনে আসে বিজন। আসে স্মরণ। আসে পরিতোষের মতো অনেক চরিত্র। দুই সময়ের গল্পকে সাঁকোর মতো ধরে রাখে নানান চরিত্ররা। সবার সঙ্গে সবার এক আবছা যোগাযোগে ধীরে ধীরে এক নতুন জীবনের ছবি মূর্ত হয়ে ওঠে। আর এইসব কিছুর সঙ্গে মিলেমিশে থাকে এই কলকাতা শহর। মিলেমিশে থাকে এর গ্রীষ্ম-বর্ষার গল্প। মিলেমিশে থাকে এই শহরের কষ্ট আর মনখারাপের অন্ধকারে বেঁচে থাকা জোনাকির মতো মানুষদের গল্প।

582 pages, Hardcover

First published April 1, 2019

Loading...
Loading...

About the author

Smaranjit Chakraborty

85 books378 followers
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর জন্ম ১৯ জুন ১৯৭৬, কলকাতায়। বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত। প্রথম ছোটগল্প ‘উনিশ কুড়ি’-র প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত। প্রথম ধারাবাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত। শৈলজানন্দ স্মৃতি পুরস্কার ২০১৪, এবিপি এবেলা অজেয় সম্মান ২০১৭, বর্ষালিপি সম্মান ২০১৮, এবিপি আনন্দ সেরা বাঙালি (সাহিত্য) ২০১৯, সানডে টাইমস লিটেরারি অ্যাওয়ার্ড ২০২২, সেন্ট জেভিয়ার্স দশভুজা বাঙালি ২০২৩, কবি কৃত্তিবাস সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩, উৎসব পুরস্কার ২০২৪, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ২০২৪, আনন্দ পুরস্কার (উপন্যাস: '‘শূন্য পথের মল্লিকা') ২০২৫ ইত্যাদি পুরস্কারে সম্মানিত ।

শখ: কবিতা, ফুটবল আর মুভিজ়।

Ratings & Reviews

What do you think?

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
119 (42%)
4 stars
71 (25%)
3 stars
56 (19%)
2 stars
22 (7%)
1 star
13 (4%)
Displaying 1 - 30 of 43 reviews
Profile Image for Bidisha Chowdhury.
57 reviews30 followers
April 23, 2019
ছোট্টো ছোট্টো বিন্দুগুলো শতক জুড়ে জ্বলছে,
তোমার আমার চুপকথা সব উপন্যাসে বলছে|

মনের ভেতর, একটা শহর, স্বপ্ন বোনে রোজ;
সোনাঝুড়ি, নামটা তারই, দিচ্ছে পথের খোঁজ|

প্রতিটা দিন যুদ্ধ করে যখন তুমি ক্লান্ত;
জোনাক ঠিকই আলো দেখায়, রাতটা তখন শান্ত|

গুমরে থাকা কান্নাগুলো সবই,
সময় বুঝে আগল ভেঙে দেয়;
কেইবা কাছে, কেউবা নিজের আছে
শেষটা যেন অমিল থেকেই যায়|

মনখারাপের বিকেলগুলো ভীষণরকম কালো,
তবুও তখন ভরসা যোগায় একটা নরম আলো|

সবটা যেন ছোটোবেলার ভাব অথবা আড়ি,
তোমার জন্য সাজানো তাই "জোনাকিদের বাড়ি"|

এই বাড়িতেই আমরা রাজা-রানি,
"আমরা দু'জন, মাত্র দু'জন জানি"|
#প্রো_tea_ক্রিয়া
#জোনাকিদের_বাড়ি
#স্মরণজিৎ_চক্রবর্তী
Profile Image for Mrinmoy Bhattacharya.
227 reviews32 followers
September 12, 2019
“দূরের বাড়িঘরের জানলায় জানলায় জ্বলে উঠছে সার-সার টিপটিপে আলো । ওসব কাদের গল্পের আলো ? কাদের জীবনের ফুলকি ? কারা ভালোবাসায়-বেদনায় সাজিয়েছে এই সব আলোর সংসার ? সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে, বুকে করে, কারা ঝড়বাদলেও আগলে রাখছে এইসব আলোর ফোঁটা ? এই সব বাড়িঘর - এসব কাদের বাসস্থান ? কারা থাকে এখানে ? কারা ক্রমাগত মরে গিয়েও বেঁচে ওঠে আবার ! ভালোবাসে আবার ! বিশ্বাস করে আবার ! আবার ঝুলন সাজায় । এ কাদের ঝুলন-শহর ? কাদের এই বাড়ী ? এ কি সত্যিই জোনাকিদের বাড়ী ?”

আহা ! কী পড়লাম । এই উপন্যাসের রেশ কাটতে কতদিন লাগবে তা জানি না । শুধু এটুকু জানি , বেঞ্জামিন কুজন সরকার - পেখম - নিশান - পুশকিন - মাহির - স্মরণ - নোঈ - রাধিয়া , এইসব নামগুলো চিরকাল জড়িয়ে থাকবে আমার সাথে ।

জোনাকিদের বাড়ী 💙
Profile Image for Rakib Hasan.
510 reviews89 followers
November 20, 2025
বেশ অনেক আগে পড়া বই, অনেকটা কোনও এক্সপেকটেশন ছাড়াই পড়া ।
বইটা আমার কাছে খারাপ লাগেনি, যদিও বেশ স্লো এবং বড় পরিসরের বই করো ধৈর্য্য কম হলে বিরক্ত হতে পারেন। আমার কাছে বইটা আহামরি না লাগলেও খারাপ যে লেগেছে তাও না। তিন প্রজন্মের গল্প এবং সমানতালে এগিয়েছে। লেখক ভালো লিখেন কিন্তু বইটা যদি আরেকটু মেদহীন করা যেত পড়তে ভালো লাগতো আরও।
Profile Image for Anisha Sharma.
33 reviews12 followers
August 7, 2023
পেখম, কাজু, বিজন, কেয়া, পরিতোষ, আইকা, রুপিন, নোঈ, পুশকিন, নিশান, রাধিয়া, মাহির, পলি, স্মরণ, বাদল, জয়, ফলসা, নয়না, মেখলা এবং আরো অজস্র চরিত্র ছড়িয়ে রয়েছে এই উপন্যাস জুড়ে। এত চরিত্র কার সাথে কোথায় দেখা হচ্ছে, তা প্রথমে গুলিয়ে গেলেও উপন্যাসের শেষে সবাই যেন মনের মধ্যে নিজের জায়গা আলাদা করে নিয়েছে। তবে বেশ কিছু চরিত্রের যেমন নয়না, টেটু, মাহিরদের উপসংহার আরো গুছিয়ে লেখা থাকলে বেশি ভালো লাগত।

কাহিনী গড়ে উঠেছে সোনাঝুরির জোনাকিদের বাড়িকে কেন্দ্র করে। দুটো প্রজন্ম নিয়ে উপন্যাস এগিয়েছে। যেই বাড়িতে রাত হলেই অজস্র জোনাকিদের সাক্ষাৎ পাওয়া যেত, সেটাই জোনাকিদের বাড়ি। সেখানেই থাকত কাজু। কাজু, পেখম - এরা গল্পের প্রথম প্রজন্ম। এখানে বর্ণিত হয়েছে তাদের পাওয়া না পাওয়ার গল্প। দ্বিতীয় সময়কাল ঠিক এর দুই প্রজন্ম পরের ঘটনা। সেই সময় জোনাকিদের বাড়ি, কারখানা ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে প্রমোটিং নিয়ে বিবাদ বাঁধে। দুটো কোম্পানি দুই রকম মানসিকতা নিয়ে জোনাকিদের বাড়ি কিনতে উদ্যোগী হয়। এর সাথে জড়িয়ে পড়ে সেখানকার পলিটিক্যাল দলের নেতারা। জোনাকিদের বাড়ির সূত্রেই চলতে থাকে বাকি চরিত্রদের জীবনের কাহিনী। সবাইই তাদের পুরনো খোলস ছেড়ে নতুন এক রূপে আবর্তিত হয় সময়ের সাথে সাথে। তাদের জীবনে আসে ভালোবাসার ছোঁয়া।

কাহিনীতে এসেছে সমাজের তথাকথিত বাঁধাধরা কিছু সমস্যা। অন্য জাতের সাথে বিবাহ, দোজবরে বিবাহ, সম্পর্কে বয়সের তফাৎ বা উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠা নিয়ে যে লড়াই চালিয়ে যেতে হয়েছে, তা মুগ্ধ করে, মনে আশার আলো যোগায়। সম্পর্কগুলোর পূর্ণতা মনে আনন্দ আনলেও কাজুর পরিণতি সত্যিই ভীষণ মর্মান্তিক।

আগে স্মরণজিত চক্রবর্তী যতটা পছন্দের লেখক ছিলেন, এখন তা অনেকটাই ফিকে হয়ে এসেছে। এখন আর তার গল্পগুলো সেভাবে আকর্ষণ করে না। এখানেও তিনি তার নিজস্ব লেখার ধরন থেকে বেরোতে পারেননি। গল্পে চিন্তা ভাবনার কোনো খোরাক সেভাবে নেই। তাও উনার অন্যান্য গল্প উপন্যাসের তুলনায় এটা আমার ভীষণই ভালো লাগল। হয়ত এই সুবিশাল উপন্যাসের সাথে নিজে মিশে গিয়েছিলাম বা একটা টালমাটাল মানসিক অবস্থায় পড়ার দরুন এত সুন্দর লেগেছে। তাই উপন্যাস শেষের সাথে সাথে আমার মনখারাপেরও ইতি।
Profile Image for BoiBela Tales.
17 reviews3 followers
September 11, 2026
‘জোনাকিদের বাড়ি’ গল্পের মূলমন্ত্র খানিকটা এমন যে, জীবন যেমন দীর্ঘস্থায়ী নয়, তেমনি মানুষও নয়। আমাদের জীবন থেকে কোনো একজন মানুষের হারিয়ে যাওয়া মানেই যে আমাদের ভালো থাকাটুকুও হারিয়ে যাবে, এমন নয়। বেঁচে থাকার তাগিদে, প্রতিনিয়ত নিজেকে সামলে এগিয়ে যাওয়ার পথে এমন অনেক কিছুর মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে একসময়কার আকর্ষণ কিংবা আসক্তিও ধীরে ধীরে তার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। জীবন বদলায়, সময় বদলায় আর তার সঙ্গে বদলে যায় মানুষ ও মানুষের মধ্যকার সম্পর্কের সমীকরণও।

তাই অতীতকে কখনোই বর্তমানের পথে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে দেওয়া উচিত নয়। অতীতের কিছু স্মৃতি এতটাই প্রবল হয় যে, সেগুলো আঁকড়ে ধরে থাকলে বর্তমানের সুন্দর মুহূর্তগুলোও মলিন হয়ে যেতে পারে। অথচ জীবন থেমে থাকে না; অতীতের ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে বর্তমানকে গ্রহণ করেই মানুষকে সামনে এগিয়ে যেতে হয়।

গল্পের ধীরগতির বর্ণনা আমার কাছে খুব একটা স্বস্তিদায়ক মনে হয়নি। বিশেষ করে সংলাপের মধ্যে হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার উচ্চারণের মিশেল বিষয়টি আমার কাছে কিছুটা বিরক্তিকর লেগেছে। তার ওপর চরিত্রের সংখ্যা বেশি হওয়ায় গল্পের শুরুতে চরিত্রগুলোকে আলাদা করে চিনে নেওয়া এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝে ওঠা খানিকটা কঠিন লেগেছে। খুব বেশি সমস্যা হলে চরিত্রগুলোর নাম ও পরিচয় নোট করে রাখলে গল্পটা পড়া কিছুটা সহজ হবে।

তবে প্রতিটি চরিত্রকে আলাদা- আলাদাভাবে তুলে ধরে গল্প এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে। যদিও প্রতিটি চরিত্রের জীবনে অতীত ও বর্তমানের ঘটনাগুলো বেশ আকস্মিকভাবে পাশাপাশি চলে আসায় কিছু জায়গায় বিভ্রান্ত হতে হয়েছে। কোন অংশটি বর্তমান সময়ের ঘটনা আর কোনটি অতীতের স্মৃতিচারণ, তা বুঝে উঠতে মাঝেমধ্যে খানিকটা বেগ পেতে হয়েছে।

ভারতীয় সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে কিছু ঘটনা হয়তো খুবই স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত। তবুও আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু কিছু ঘটনা খনিকতা অস্বস্তিকর লেগেছে। এটি অবশ্য সম্পূর্ণভাবেই ব্যক্তিগত মতামতের জায়গা। গল্পের কনসেপ্টটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। চরিত্রগুলো যে যার নিজস্ব জীবন ও বাস্তবতা নিয়ে গল্পে প্রবেশ করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের সবার গল্পের কেন্দ্রবিন্দু এসে থেমেছে জোনাক বাড়িতে। তিনটি প্রজন্মের জীবন, সম্পর্ক, চাওয়া-পাওয়া, অভাব, টানাপোড়েন এবং সময়ের সঙ্গে মানুষের পরিবর্তন, সবকিছুকে ঘিরেই এগিয়েছে কাহিনি।

বইটি পড়ে খুব বেশি মুগ্ধ হয়েছি এমনটা বলব না, তবে মোটের ওপর ভালো লেগেছে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যনিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়েদের চোখে উচ্চবিত্তদের জীবনের অভাব যেমন এক ধরনের বৈপরীত্য তৈরি করেছে, তেমনি উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে-ছেলেরও সাধারণ জীবনযাপনের মানুষদের মাঝে থেকেও নিজের জীবনের এক ধরনের অভাব ও অপূর্ণতার মুখোমুখি হওয়াটা গল্পের একটি আলাদা সুন্দর দিক বলে মনে হয়েছে।

বইটিতে বেশ কিছু ১৮+ বাক্য ও বিষয়বস্তু রয়েছে। ফলে এটি নিঃসন্দেহে সবার জন্য উপযুক্ত বই নয়। বিশেষ করে ‘উপন্যাস’ শুনলেই যারা বয়স বা বিষয়বস্তুর কোনরকম বিচার না করে বই পড়তে শুরু করেন, তাদের জন্য এই বিষয়টি আগে থেকে জানা থাকা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে ‘জোনাকিদের বাড়ি’ আমার কাছে এমন একটি গল্প, যেটি খুব গভীরভাবে মুগ্ধ না করলেও জীবন, সম্পর্ক, অতীত এবং পরিবর্তনের কিছু বাস্তব দিক নিয়ে ভাবার সুযোগ দিয়েছে। আর হয়তো সেখানেই গল্পটির সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি- মানুষ হারিয়ে যায়, সম্পর্ক বদলে যায়, সময় এগিয়ে যায় কিন্তু জীবন থেমে থাকে না।
Profile Image for Habiba.
8 reviews
June 21, 2025
**"জোনাকিদের বাড়ি" বইটি মূলত মানুষের জীবনের জটিল সম্পর্ক, মানসিক টানাপোড়েন, ভালোবাসা, বিচ্ছেদ এবং জীবনের নতুন আশার আলো নিয়ে লেখা। বইটিতে লেখক জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলোকে অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন। গল্পে যেমন বিষাদ আছে, তেমনি এক ধরনের আলোও আছে—যা জোনাকিদের আলোর মতোই ক্ষণিক, অথচ গভীর। এই উপন্যাস যেন এক নিঃশব্দ ভালোবাসার গান।
Profile Image for Chandreyee Momo.
242 reviews35 followers
June 22, 2025
ইশ কি সুন্দর একটা উপন্যাস। কি সুন্দর। একটা জোনাক বাড়ি আর সাথে কত্তগুলো চরিত্র।
পেখম কাজুর পর পর রাধিয়া, নোই, পুশকিন, নিশান, স্মরণ, বিজন, মাহির। এই উপন্যাস বেশ ধীর গতির, কিন্তু এত কিছু ভাবালো আমায়। আহা। পুরোটা গল্প অদ্ভুত সুন্দর। কলকাতা শহর, তার মানুষগুলো, সোনাঝুরি, সমান্তরালে চলা কতগুলো গল্প। রেশটা থাকবে বহুদিন।
4 reviews1 follower
April 30, 2020
smaranjit babu kobe ei dhach er baire beroben.... ?
college er 1st year obdhi ekdom thik ache feel good , ronging sopno.... kintu tar por e to kemon ekta thekche
Profile Image for Jit Dhara.
24 reviews7 followers
May 7, 2020
Not fresh just kind of Smaranjit stereotype
Profile Image for Paramita Mukherjee.
546 reviews27 followers
October 27, 2022
👉 লেখক আজকের দিনে জনপ্রিয় একজন আর তার থেকে বেশি জনপ্রিয় এই বই। জোনাকিদের বাড়ি বইটি কেনা নিয়ে সবার প্রচুর আগ্রহ এবং দারুন বই বলে পাঠকদের মন্তব্য ছড়িয়ে আছে। আমার খুব কাছের এক বান্ধবীর প্রেরণায় শেষ অব্দি শুরু করি পড়া এবং আমার এক মিশ্র পাঠ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছি -

🍁 প্রথম ২০০ পাতা পড়তে আর কি হচ্ছে উদ্ধার করতে মোটামুটি ৩ মাস লেগেছে আমার (বলে রাখি আমি কিন্তু speedy reader, সেক্ষেত্রে প্রায় ৩ মাস সময়টি অনেক বেশি)।

উপন্যাসের বুনন খুব সুন্দর শুরু থেকেই। বাঁধ সেজেছে দুটি বিষয় -

প্রথম, অদ্ভুত সব চরিত্রের নাম(যদিও স্বরণজিতবাবুর লেখার নামগুলি পাঠকমহলে খুব চর্চিত)। আমার ব্যক্তিগত মতামত গল্পের প্রধান চরিত্রগুলির নামগুলি একটু সহজ একটু চলতি হলে বোধহয় গল্পের মারপ্যাঁচগুলি বুঝতে বেশি সুবিধা হয়। সেক্ষেত্রে নোই, আইকা, পুশকিন, প্যাও, আরো বিচিত্র নামের বাহারে ঘিলু ঘেঁটে ঘ।

দ্বিতীয়, দুটি ভিন্ন সময় দুটি ভিন্ন প্রজন্মের ইতিহাস। এটি উপন্যাসের কোথাও উল্লেখ নেই তা না হোক। পড়তে পড়তে পাঠক তা উপলব্ধি করবে কোন ঘটনা কোন সময়কালের পরিপ্রেক্ষিতে। কিন্তু এত শত চরিত্র, তাদের জীবনের ভিন্ন সমস্যা অথবা ভিন্ন মুহূর্ত, কি হচ্ছে কি হতে চলেছে, বিষয়বস্তুটি কি - প্রথম ২০০ পাতা পড়ার অনুভূতি খারাপই বলা চলে আমার।

👉 লেখনীর মোড়ক ঘুরেছে তারপর। এক এক করে চরিত্রগুলি পরিণত হচ্ছে, এগিয়ে চলেছে তাদের অন্তিম পরিণতির দিকে। কারোর জীবনে এসেছে নতুন মানুষ, নতুন করে বাঁচার অর্থ - আর কেউ সাফল্যের থেকে মুখ ফিরিয়ে তলিয়ে যাচ্ছে অতল গহ্বরে।

ভালবাসা জীবনের সবথেকে সুন্দর উপহার,
যদি সে সেজে আসে লাল গোলাপের ডালি নিয়ে -
এই ভালোবাসাই হয়ে দাঁড়ায় ভয়ংকর অভিশাপ,
যখন সেজে ওঠে রক্তের রঙে। ।। ❣️💔❣️

উপন্যাসটির মাধ্যমে লেখক তুলে ধরেছেন সমাজের চিরাচরিত অনাসৃষ্টি। অন্য জাতের বিবাহের বিরোধ, দ্বিতীয় বিবাহের বিপক্ষে মানুষ, উচ্চ বংশের প্রতি মানুষের অমোঘ আকর্ষণ, মতের অমিলকে সমাজবিরোধী তকমা দেওয়া - এইরকম কয়েকশো সমস্যাগুলির ভিন্ন রূপ তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা মানুষের মন তথা সার্বিক উন্নতিসাধন করে, দুবেলা উদরে অন্ন জুটুক আর না জুটুক। অশিক্ষা বহন করে আনে কুসংস্কার, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, নিতিবিরোধ।

🙏 পরিশেষে বলি, বাকি চরিত্রগুলি সুন্দর ভাবে সাজানো হলেও মনটা চিনচিন করে কাজুদার জন্য। এত মোটা বই শেষ করে কি যে শান্তি লাগে - উফ্, ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়।

প্রেমের গল্প পড়তে ভালো লাগলে সময় নিয়ে পড়ে দেখুন ভালোবাসার এক অন্যরকম উপন্যাস ।।।
Profile Image for Maahi Kaniz.
102 reviews15 followers
June 2, 2026
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর যে কয়েকটা বই আমি সারাদিন ইনস্টাগ্রাম রিলের মধ্যে দেখতাম তারমধ্যে জোনাকিদের বাড়ি অন্যতম।আমার এটা এই লেখকের পড়া ২য় বই।
“পাতাঝরার মরশুমে” পড়ে আমার বেশ ভালো লেগেছিল কিন্তু এটা পড়ার পর লাগলো লেখক শুধু কাহিনীটাকে টেনে বড় করেছে,একদম শুধু শুধু । তার সাথে ছিলো আননেসেসারি অনেক গুলো চরিত্র যেমন- রাধিকা,নিশান,আইকা,মাগো,মাহির। ওদের চরিত্র গুলো যেনো জোর করে টেনে আনা। প্রথমে তো আমার মাথায় রাখতেই কষ্ট হচ্ছিল কে কোনটা,এতো এতো নাম।
বইয়ের মূল প্লট পলিটিক্স,প্রেম ভালোবাসা আর বিচ্ছেদ।
বইয়ের কাহিনি মূলত দুইটা ডাইমেনশন এ আগায়। কাজু-পেখমের প্রেম,জোনাকবাড়ি,সোনাঝুরি,কলকাতা নিয়েই এই গল্প। খুবই স্লো,শামুকের মতো গতির গল্প।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews32 followers
March 2, 2022
🍂✨📖উপন্যাসের নাম - জোনাকিদের বাড়ি📖✨🍂
✍️লেখক - স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
🖨️প্রকাশক - আনন্দ পাবলিশার্স
🧾পৃষ্ঠা সংখ্যা - ৫৭৩



🍂🍁‘ জোনাকিদের বাড়ি ’ আশা - নিরাশার জলছাপের গল্প বলে । অন্ধকার থেকে আলোর দিকে মানুষের উত্তরণের কথা বলে । বলে সব মনখারাপ পার করে ভালবাসায় নতুন করে বেঁচে ওঠার গল্প । যে গল্পে আমরা সবাই আসলে নরম আলো বুকে নিয়ে বেঁচে থাকা এক একটি জোনাকি ।🍁🍂

💫✨"যদি আমরা এক নাও হতে পারি,তাও এই সময়গুলো মিথ্যে নয় পেখম। এই রাত। এই জ্যোৎস্না।এই সব কবিতা তো আর মিথ্যে নয়!যে যার মতো যা খুশি ভাবুক,আমি আমার লেখা তোমার জন্য রেখে যাব।আমার বাদামি ডায়েরির সব লেখা শুধুমাত্র তোমার জন্য রেখে যাব।আমি যদি তোমায় খুঁজে নাও পাই,সে ডায়েরি তোমায় খুঁজে পাবে পেখম।সেইসব কবিতা তোমায় খুঁজে পাবে। এই শব্দগুলোর অর্থ কেবল আমরাই জানব। মাত্র আমরা দু ' জন জানব! "✨💫

🍂🍁একটা বাড়ি , যেখানে অনেক অনেক জোনাকি উড়ত রাতের বেলায় আর যেটাকে সবাই জোনাকিদের বাড়ি বলে জানত , সেখানে থাকত কাজু । সময়ের সঙ্গে সেই বাড়িটাই ক্রমশ হয়ে ওঠে সবার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য । ওই বাড়ি ও তার সঙ্গের জমি ও তাতে প্রোমোটিং নিয়ে ঘনিয়ে ওঠে দ্বন্দ্ব । তাতে এসে পড়ে সমাজের নানান স্তরের মানুষ । এসে পড়ে লোভ , ঈর্ষা ও হিংসা । এই বৃহত্তর ঘটনার সঙ্গে এই গল্প বুনে চলে ব্যক্তিগত জীবনের নক্সাও । তাতে আমরা দেখি নোঈকে । দেখি তার মনখারাপ কাটিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর গল্প । দেখি আইকার অন্তর্দ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে আসা নতুন মানুষটিকে । আমরা পাই মাহিরের দোলাচল । তার বিপন্নতা । পাই পুশকিনের একাকিত্ব ও নির্লিপ্তি । পাই ওর তাড়া করা অতীত থেকে মনে বাসা বাঁধা অনুতাপ । আমরা পাই রাধিয়ার লাজুক , নরম মনের ভেতরে লালন করা ক্ষত । আর পাই কাজু ও পেখমকে । হারিয়ে যাওয়া সময়ের হারিয়ে যাওয়া দুই মানুষকে । আর এদের সঙ্গে আমাদের সামনে আসে বিজন । আসে স্মরণ । আসে পরিতোষের মতো অনেক চরিত্র । দুই সময়ের গল্পকে সাঁকোর মতো ধরে রাখে নানান চরিত্ররা । সবার সঙ্গে সবার এক আবছা যোগাযোগে ধীরে ধীরে এক নতুন জীবনের ছবি মূর্ত হয়ে ওঠে । আর এই সব কিছুর সঙ্গে মিলেমিশে থাকে এই কলকাতা শহর । মিলেমিশে থাকে এর গ্রীষ্ম - বর্ষার গল্প । মিলেমিশে থাকে এই শহরের কষ্ট আর মনখারাপের অন্ধকারে বেঁচে থাকা জোনাকির মতো মানুষদের গল্প ।🍁🍂

~জোনাকিদের বাড়ি♥️
Profile Image for Sourav Das.
4 reviews1 follower
February 7, 2024
বইটা পড়লে আপনার দাঁতের চোয়াল শক্ত হবে। বাদামি রঙের সঙ্গে পরিচিতি হওয়ার প্রবল সম্ভবনা। অধিক মানুষ দের নিয়ে এই বই, যেটা কিছু জেনারেশন কে এককৃত করে একটা মিসড ফ্রুট জুস লেগেছে অমর। প্রেম পলিটিকস রাগ অভিমান দিয়ে season করা এই গল্পঃ আমার ভালই লেগেছে।

30may24 মজার ব্যাপার কলেজ স্ট্রীটে একটি মেয়ে এই বইটি খুঁজছিল। তখন অন্য একটা বই কেনায় মগ্ন থাকার ফলে ওকে শুধু হাত দেখিয়ে কোন দোকানে বই টা পাওয়া যায় দেখিয়ে দিলাম। তাকে একেবারে দোকানে পৌঁছে দিলেই হত। হয়তো তারপর আমরা প্যারামাউন্ট e বসে জুস খেতাম। আর কিছু দিন বাদে হয়তোবা গরের মাঠে নাহয় নন্দনে। নয় বই টা নাহয় আমি কেও একটা এই গল্পে ফেল করেছি।
34 reviews
October 5, 2020
Done! ♥️♥️♥️♥️♥️♥️
জোনাকিদের বাড়ি-স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
আমি মুগ্ধ ! আমি বিস্মিত ! সার্থক এক দীর্ঘ উপন্যাস পাঠ ! প্রত্যেকের জীবনে জোনাকিদের মত ফুটিয়ে তোলা আলো । কত বড় প্রাপ্তিযোগ !!🍁🍁🍁
আর রৌদ্র মিত্রের তৈরি করা এই প্রচ্ছদ- জ্যোৎস্নার লালিত্য যেন ভালোবাসার আঘ্রাণ নিয়ে জেগে উঠছে!!🌸🌸🌸
Profile Image for Bithika Nandi.
6 reviews
June 3, 2019
Love this author's work. This was not as good as i expected. But still a good read.
33 reviews
June 21, 2026
আকাশজুড়ে জোনাকিদের বাড়ি
বুকের নীচে পাগলা রাজার ঘোড়া
তখন থেকে সবার সঙ্গে আড়ি
তখন থেকে আমার শহর পোড়া!
ধ্বংস ঘেঁটে তোমায় পেলাম মোহর
তোমার আলোয় বাঁচল আমার প্রাণী
কক্ষ থেকে ছিটকে যেত গ্রহ…
উল্কা তোমার কাচের ফুলদানি!
কেমন ছিল সেসব ধুলোখেলা!
কেমন ছিল সাগরপারের রানি!
এই জীবনের নরম বিকেলবেলায়…
আমরা দু’জন, কেবল দু’জন জানি
আমরা দু’জন, মাত্র দু’জন জানি।

জোনাকিদের বাড়ি
স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স
মূল্য: ১০০০/-

কিছু উপন্যাস থাকে, যেগুলো পড়ে শেষ করলেও গল্প শেষ হয় না—বরং শুরু হয় এক দীর্ঘস্থায়ী অনুভূতির যাত্রা। ‘জোনাকিদের বাড়ি’ তেমনই এক উপন্যাস। এটি কেবল একটি বাড়িকে ঘিরে নির্মিত কাহিনি নয়; এটি সময়, স্মৃতি, ভালোবাসা, সামাজিক সংকট এবং মানুষের অন্তর্জগতের বহুমাত্রিক বুনন। এই উপন্যাস পড়তে পড়তে মনে হয়, আমরা যেন ধীরে ধীরে প্রবেশ করছি এক বিশাল জীবন্ত মানচিত্রে—যেখানে প্রত্যেক চরিত্র একটি আলাদা রাস্তা, কিন্তু সব রাস্তা এসে মিশেছে এক কেন্দ্রে—সোনাঝুরির সেই জোনাকিদের বাড়িতে।

সোনাঝুরির বিস্কুট রঙের প্রাসাদসম বাড়িটি যেন উপন্যাসের নীরব নায়ক। সন্ধ্যা নামলেই বাড়ির পেছনে উড়ে বেড়াত অসংখ্য জোনাকি। এই জোনাকিরাই যেন প্রতীক—ক্ষুদ্র অথচ দীপ্তিমান। সেই বাড়িতেই থাকত বেঞ্জামিন কূজন সরকার, সকলের প্রিয় কাজু। তার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল পেখমের গভীর, নিঃশব্দ, অথচ অটল ভালোবাসা। তাদের গল্প একদিকে যেমন স্বপ্নময়, তেমনি নির্মম বাস্তবতার দ্বারা ক্ষতবিক্ষত। কাজু-পেখমের সম্পর্কের মধ্যে আছে আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, ব্যক্তিগত লড়াই এবং এক অমোঘ ট্র্যাজেডির ছায়া।

উপন্যাসের সবচেয়ে বড় শক্তি তার দুই সময়রেখা। প্রথম প্রজন্মের কাজু-পেখমের গল্প পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাই প্রায় পঞ্চাশ বছর পরের সময়ে। বাড়িটি তখন আর কেবল স্মৃতির আশ্রয় নয়—তা হয়ে উঠেছে লোভের কেন্দ্রবিন্দু। প্রোমোটিং, জমি অধিগ্রহণ, রাজনৈতিক প্রভাব—সব মিলিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন। দুটি কোম্পানি ভিন্ন মানসিকতা নিয়ে বাড়িটি কিনতে চায়। স্থানীয় রাজনৈতিক শক্তিও জড়িয়ে পড়ে। এই বৃহত্তর সামাজিক প্রেক্ষাপটের ভেতরেই গড়ে ওঠে নতুন প্রজন্মের চরিত্রদের জীবনসংগ্রাম।

নোঈ—স্বাধীনচেতা, স্পষ্টভাষী, আত্মসম্মানী এক তরুণী—নিজের মনখারাপ কাটিয়ে জীবনের নতুন মানে খুঁজে পায়। আইকা নিজের ভেতরের ভাঙন, সম্পর্কের দ্বিধা এবং আত্মপরিচয়ের প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক নতুন মানুষ হয়ে ওঠে। মাহির দায়িত্ব, নৈতিকতা ও বাস্তবতার টানাপোড়েনে দুলতে থাকে। পুশকিন—নিঃসঙ্গ, গম্ভীর, অতীতের অপরাধবোধে জর্জরিত—তার নির্লিপ্ততার আড়ালে লুকিয়ে রাখে এক গভীর মানবিকতা। রাধিয়া, তার লাজুক কোমল মনের ভিতরে বহন করে অনুচ্চারিত ক্ষত। নিশান জোনাকবাড়িকে বাঁচিয়ে রাখার জেদ নিয়ে দাঁড়ায় এক প্রতীকী প্রতিবাদের মুখ হিসেবে।

এত বিপুল চরিত্রের সমাবেশ প্রথমদিকে পাঠককে খানিকটা বিভ্রান্ত করতেই পারে। কিন্তু ধীরে ধীরে লেখকের নিখুঁত চরিত্রচিত্রণে প্রত্যেকেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রত্যেকেরই নিজস্ব ইতিহাস আছে, নিজস্ব যন্ত্রণা আছে, নিজস্ব আলো-অন্ধকার আছে। এই উপন্যাস মূলত চরিত্রভিত্তিক—ঘটনা এখানে গৌণ, মানুষই মুখ্য। তাদের সম্পর্ক, ভাঙন, পুনর্মিলন, না-পাওয়া, মেনে নেওয়া—এইসবের মধ্য দিয়েই গল্প এগিয়ে চলে।

লেখকের লেখার বিশেষত্ব এখানে বারবার ধরা পড়ে। সংলাপ, অন্তর্মুখী ভাবনা, দার্শনিক প্রশ্ন—সব মিলিয়ে লেখাটি কখনও কবিতার মতো হয়ে ওঠে। কষ্ট নিয়ে তাঁর বিশ্লেষণ, ভালোবাসার সংজ্ঞা, হারিয়ে যাওয়া আর মেনে নেওয়ার দর্শন—সবকিছুই পাঠককে ভাবায়। তিনি দেখিয়েছেন, মানুষ আসলে কষ্টকে এড়িয়ে যায় না; বরং কষ্টের মধ্য দিয়েই নিজেকে চিনতে শেখে।

উপন্যাসে সমাজের নানা চিরাচরিত সমস্যা উঠে এসেছে—ভিন্ন জাতের বিবাহ, দ্বিতীয় সম্পর্ক, বয়সের ব্যবধান, শ্রেণিবৈষম্য, শিক্ষার গুরুত্ব ও অশিক্ষার কুসংস্কার। তবে এগুলো বক্তৃতার মতো নয়; চরিত্রদের জীবনের ভেতর দিয়েই স্বাভাবিকভাবে প্রকাশিত। ভালোবাসা এখানে কখনও লাল গোলাপের ডালি, কখনও রক্তের রঙে রঞ্জিত অভিশাপ।

দুটি ভিন্ন সময়রেখা উপন্যাসকে করেছে আরও বিস্তৃত। প্রায় পঞ্চাশ বছরের ব্যবধান সত্ত্বেও কাজু-পেখম ও নিশান-রাধিয়ার গল্পে এক অদ্ভুত সাদৃশ্য ধরা পড়ে। যেন ইতিহাস নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে, শুধু নামগুলো বদলে যায়। এই সেতুবন্ধনই উপন্যাসের অন্যতম সৌন্দর্য।

তবে সমালোচনার জায়গাও রয়েছে। দুই ভিন্ন সময়রেখা এবং বিস্তৃত চরিত্রপরিসর প্রথম অংশে কিছুটা ধীরগতি ও জটিলতা তৈরি করে। কিছু চরিত্রের পরিণতি আরও গুছিয়ে দেওয়া যেত। তবুও শেষ পর্যন্ত উপন্যাসটি এক অদ্ভুত আবেগময় তৃপ্তি এনে দেয়। বিশেষ করে কাজুর পরিণতি মনকে দীর্ঘ সময় ধরে বিষণ্ন করে রাখে।

‘জোনাকিদের বাড়ি’ মূলত আশা-নিরাশার গল্প। অন্ধকারের মধ্যে আলো খোঁজার গল্প। সম্পর্ক ভেঙে গেলেও সময়টুকু যে মিথ্যে নয়, ভালোবাসা পূর্ণতা না পেলেও তার সত্যতা যে অস্বীকার করা যায় না—এই বিশ্বাসের গল্প। উপন্যাসটি পড়তে পড়তে মনে হয়, আমরা প্রত্যেকেই যেন এক একটি জোনাকি—নিজস্ব ক্ষুদ্র আলো নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষ। হয়তো সবাই একসঙ্গে থাকতে পারি না, কিন্তু যে সময়গুলো সত্যি ছিল, যে অনুভূতিগুলো আমাদের বদলে দিয়েছে—সেগুলো অম্লান।

সবশেষে বলা যায়, ‘জোনাকিদের বাড়ি’ এমন এক উপন্যাস যা পড়ে শুধু গল্প জানা যায় না—নিজের ভেতরের অন্ধকার আর আলোকে নতুন করে চিনতে শেখা যায়। প্রেমের উপন্যাস যারা ভালোবাসেন, চরিত্রভিত্তিক বিস্তৃত কাহিনি যারা উপভোগ করেন, তাদের জন্য এটি এক অনিবার্য পাঠ। এই উপন্যাস শেষ করার পর এক ধরনের শূন্যতা আসে, আবার এক অদ্ভুত শান্তিও। যেন বহুক্ষণ অন্ধকারে হাঁটার পর হঠাৎ দূরে কোথাও জোনাকির ক্ষুদ্র আলো জ্বলে উঠেছে।
Profile Image for PR  Malick.
39 reviews17 followers
March 18, 2026
কিছু বই শুধু পড়া হয় না,
কিছু বই মনের ভেতর বাসা বাঁধে।
“জোনাকিদের বাড়ি” ঠিক তেমনই এক বই—যে বই শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তার আলো নিভে যায় না, বরং বুকের গভীরে ছোট ছোট জোনাকির মতো জ্বলতে থাকে অনেকদিন।

স্মরণজিৎ চক্রবর্তী এমন একজন লেখক, যিনি খুব সহজ শব্দে মানুষের খুব জটিল অনুভূতিগুলোকে ধরতে পারেন। আর “জোনাকিদের বাড়ি” পড়তে পড়তে বারবার মনে হয়েছে—এই গল্পটা যেন শুধু কাগজে লেখা নয়, এটা যেন আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো নরম, চুপচাপ, অন্ধকার-আলো মেশানো ঘরের গল্প।

এই বইয়ের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো—এটা চিৎকার করে কিছু বলে না।
এটা ধীরে ধীরে, খুব আলতো করে, পাঠকের কাঁধে হাত রেখে বলে—
“দেখো, জীবন এতটা নিষ্ঠুরও নয়… এখনও কোথাও না কোথাও আলো জ্বলে।”

“জোনাকিদের বাড়ি” পড়তে পড়তে মনে হয়, আমরা সবাই আসলে একটা না একটা অন্ধকারের মধ্যে বেঁচে আছি। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক, সবকিছু সুন্দর, সবকিছু গুছিয়ে রাখা—কিন্তু ভিতরে ভিতরে অনেক না বলা কষ্ট, অনেক অপূর্ণতা, অনেক স্মৃতি, অনেক হারিয়ে ফেলা মানুষ। আর ঠিক সেই অন্ধকারের ভেতরেই কখনও হঠাৎ কিছু মানুষ আসে, কিছু সম্পর্ক আসে, কিছু মুহূর্ত আসে—যারা জোনাকির মতো। তারা বড় আলো নয়, কিন্তু বেঁচে থাকার মতো আলো।

এই বইয়ের চরিত্রগুলোকে পড়তে পড়তে মনে হয় না তারা কাল্পনিক।
বরং মনে হয়—
এরা আমাদের চেনা মানুষ।
হয়তো পাশের বাড়ির, হয়তো নিজের ভেতরের, হয়তো বহুদিন আগে হারিয়ে যাওয়া কারও মুখ।

স্মরণজিতের লেখার একটা জাদু আছে—তিনি সম্পর্ককে কখনও খুব বাড়াবাড়ি নাটকীয় করে তোলেন না, আবার একেবারে ফাঁপাও রাখেন না। তাঁর সম্পর্কগুলো খুব মানবিক, খুব বাস্তব, খুব নিঃশব্দ। সেখানে ভালোবাসা আছে, কিন্তু উচ্চারণ কম। সেখানে অভিমান আছে, কিন্তু অভিযোগ কম। সেখানে হারিয়ে যাওয়া আছে, কিন্তু পুরোপুরি অন্ধকার নেই।
এই জন্যই “জোনাকিদের বাড়ি” এত আপন লাগে।
এটা পড়ে মনে হয়—
ভালোবাসা সবসময় পাওয়া নয়, কখনও কখনও শুধু মনে থেকে যাওয়াও ভালোবাসা।

বইটির ভাষা অসাধারণ কোমল।
কোথাও তাড়াহুড়ো নেই, কোথাও অযথা জটিলতা নেই।
বরং প্রতিটা লাইন যেন ধীরে ধীরে খুলে যায়—যেন বৃষ্টির রাতে জানলার কাঁচে জমে থাকা ফোঁটার মতো, বা গোধূলির পরে দূরে কোথাও টিমটিম করে জ্বলে ওঠা আলো।
অনেকদিন পর এমন একটা বাংলা বই পড়লাম, যেখানে গল্পের চেয়ে অনুভূতির রেশটা বেশি গভীর।

এই বইটা পড়ে আমার বারবার মনে হয়েছে—
আমরা অনেকেই জীবনে “বড় সুখ” খুঁজি, “বড় ভালোবাসা” খুঁজি, “বড় ঘটনা” খুঁজি…
কিন্তু আসলে জীবনকে বাঁচিয়ে রাখে ছোট ছোট জিনিসগুলো—
একটা অপেক্ষা,
একটা ফিরে দেখা,
একটা না বলা কথা,
একটা পুরনো স্মৃতি,
একটা মানুষ,
আর একফালি আলো।
“জোনাকিদের বাড়ি” সেই ছোট ছোট আলোগুলোরই গল্প।

বইটার আবেগ এতটাই নরম আর সত্যি যে, কিছু কিছু জায়গায় মনে হয়েছে—এটা পড়ছি না, বরং অনুভব করছি।
অনেক লাইন মনে দাগ কেটে যায়।
অনেক মুহূর্ত বুকের ভেতর হালকা ব্যথা তৈরি করে।
আর কিছু কিছু অংশ এমন, যেখানে মনে হয়—
“ইশ, এই কথাগুলো তো আমি কোনোদিন কাউকে বলতে পারিনি… অথচ লেখক যেন আমার মনের কথাই লিখে দিয়েছেন।”

যারা এমন বই ভালোবাসেন যেখানে—

সম্পর্কের সূক্ষ্মতা আছে

নিঃশব্দ ভালোবাসা আছে

নস্টালজিয়া আছে

একাকীত্ব আছে

আর অন্ধকারের মধ্যেও টুকরো টুকরো আশার আলো আছে

তাদের জন্য “জোনাকিদের বাড়ি” নিঃসন্দেহে একটি খুব বিশেষ বই।

এটা সেই ধরনের বই নয়, যা পড়ে আপনি শুধু বলবেন “গল্পটা ভালো”।
এটা সেই ধরনের বই, যেটা পড়ে আপনি একটু চুপ হয়ে যাবেন।
একটু নিজের কথা ভাববেন।
কিছু পুরনো মানুষকে মনে পড়বে।
হয়তো কারও জন্য বুক হালকা কেঁপে উঠবে।
হয়তো মনে হবে—
আমাদের জীবনেও কোথাও একটা জোনাকিদের বাড়ি ছিল… অথবা এখনও আছে।

সব বই শেষ হলে বুকশেলফে উঠে যায়।
কিন্তু কিছু বই শেষ হলেও মনের ভিতর থেকে যায়।
“জোনাকিদের বাড়ি” ঠিক সেরকম—
নরম, বিষণ্ণ, উজ্জ্বল, আর অসম্ভব মায়াময় এক পাঠ-অভিজ্ঞতা।

আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি:

এই বইটা পড়ে মনে হয়েছে,
জীবন যতই ক্লান্তিকর হোক,
মানুষ যতই দূরে সরে যাক,
কিছু স্মৃতি, কিছু সম্পর্ক, কিছু অনুভূতি কখনও পুরোপুরি মরে না।
তারা শুধু অন্ধকার নামলে জ্বলে ওঠে—
জোনাকির মতো।

রেটিং: ৪.৫/৫ ⭐
কারণ এই বই শুধু গল্প দেয় না,
এটা মনের মধ্যে একটুকরো আলো রেখে যায়।

“সব বাড়ি ইট-কাঠের হয় না… কিছু বাড়ি তৈরি হয় স্মৃতি, অভিমান, অপেক্ষা আর টিমটিমে জোনাকির আলো দিয়ে।” ✨
Profile Image for boikit Jeet.
82 reviews23 followers
June 12, 2025

কিছু উপন্যাস আছে যেগুলোর পাঠ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সেগুলোর ওপর সুবিচার করা যায় না । স্মরণজিৎ এর জোনাকিদের বাড়ি সেরকমই একটা উপন্যাস ।

🖋️স্মরণজিৎ এর সিগনেচার স্টাইলে লেখা এই উপন্যাসটি। অনেক চরিত্রের মেলবন্ধন, চরিত্রের সুন্দর সব নামকরণ, আর তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বয়ে চলা একটা গল্প । প্রধানত দু-তিনটি জেনারেশন এর সময়কাল বর্ণিত হয়েছে এই উপন্যাসে ।

🌃সোনাঝুরি তে বিস্কুট রঙের একটা প্রাসাদসম বাড়ি ছিল, সেখানে অনেকগুলো পরিবার গাদাগাদি করে থাকতো । আর সন্ধেবেলা সেই বাড়ির পিছনে উড়তো জোনাকি ।সেখানে থাকত কাজু । সোনাঝুরি তে আরও ছিল একজন যে কাজুকে ভালোবাসত - পেখম । আর ছিল ওদের একটা প্রেম কাহিনী।

✨সময় বদলায়, প্রজন্ম বদলায়।
কিন্তু বাড়িটা থেকে যায়, বাড়িটাকে নিয়ে গড়ে ওঠে নতুন কাহিনী।
🔸আর আসে নতুন মুখ — নিশান, রাধিয়া, পুশকিন, স্মরণ, নঈ, মাহির, আইকা।
এই বাড়ি নিয়েই যেন তাদের জীবনে নানা ঘটনা আবর্তিত হতে থাকে । আসে কিছু মনখারাপের কথা , সেই মনখারাপ পার করে ভালোবাসার কথা। আর দেখতে পাই এই জোনাকিদের বাড়ির কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর আজও কেউ খুঁজছে, শেষে আমরাও খুঁজে পাই সেই প্রশ্নের উত্তর।

🪞এই বইয়ে একটার পর একটা গল্প আসবে,
আর তুমি বুঝতেও পারবে না, ঠিক কোন জায়গায় গিয়ে মনটা ভার হয়ে উঠল।

🖋️ব্যক্তিগত অভিমত -

🍃স্মরণজিৎ এর গদ্যের বইয়ের পদ্য গুলোই যেন সবচেয়ে ভালো হয় । এই বই ও তার ব্যতিক্রম নয় ।
🍃সোনাঝুরি একটি ফিকশনাল গ্রাম হলেও বর্ণনা শুনে মনে হয়েছে লেখক বাটানগর এর বিবরণ ই দিয়েছেন, যেখানে তার জীবনের ছোটবেলা কেটেছে । যারা তার “পাতাঝড়ার মরসুমে” পড়েছে তার বেশ কিছু মিল পাবে ।
🍃পুশকিন- স্মরণ - নঈ এদের কানেকশন টা বেশ লেগেছে । বিশেষ করে স্মরণ , দারুণ এক মজার চরিত্র ।
🍃মাহির এর চরিত্রের এন্ডিং টা বেশ ভালো, এই চরিত্রে আমি পাল্টাহাওয়া এর পুষ্পল, বা আলোর গন্ধের রুহান এর ছাপ পেয়েছি ।
🍃নিশান-রাধিয়া, বা পুশকিন-নঈ এদের জন্য আশার আলো থাকলেও গল্পের শেষে কাজু মানে বেঞ্জামিন কূজন সরকার এর জন্য একটা মনখারাপ থেকেই যায় । সে তো জোনাকিদের বাড়িতে থাকত, কিন্তু কেন ওকে কেউ থাকতে দিলো না?
Profile Image for Raka Bhattacharya.
34 reviews2 followers
November 7, 2025
আমার মনে হয়, বইটা যারাই পড়েছে সকলেই বেঞ্জামীন কূজন সরকারের প্রেমে পড়েছে। আর আমি? আমি লেখককে শুধু একটাই প্রশ্ন করতে চাই যে কাজুদাকে না মারলে কি সত্যিই চলত না? পেখম মায়ের বিরুদ্ধতা করতে পারেনা, কাজু আর কাউকেই চাইতে পারলনা, তার বন্ধুর বোন নিজেকে বিলিয়ে দিয়েও কাজুকে পেলনা! Moral of the story is জোর করে কিছুই হয়না! ভালোবাসা জোর করে পাওয়ার নয়! ছিনিয়ে নেওয়া যায়না আদর, যত্ন, পছন্দ। পেখমের সাথে যা হয়েছিল, তার নাতনিও একই ঘটনার ভুক্তভোগী হল। ধীরে ধীরে জট খুলল জোনাকবাড়ি জুটমিল এবং বাড়িটির। কাজুদার মৃত্যুরহস্য। সব-সব। শুধু কেউ উত্তর দিলনা পেখম কিভাবে নিজেকে সামলালো? সেই কবিতা টি দিয়েই কি..?


"...ধ্বংস ঘেঁটে তোমায় পেলাম মোহর
তোমার আলোয় বাঁচন আমার প্রাণী
কক্ষ থেকে ছিটকে যেত গ্রহ ...
উল্কা তোমার কাঁচের ফুলদানি।
কেমন ছিল সেসব ধুলোখেলা!...

আমরা দুজন, কেবল দু'জন জানি
আমরা দুজন, মাত্র দু'জন জানি।"

এই কবিতাটা লিখে লেখক আমার মনে যে কি উথাল-পাথাল ঢেউ তুললেন কি মনখারাপ হল, কি বিষাদে ছেয়ে গেলাম আমি, হদিস নেই, কোন কল্পনা নেই আমার ... কবে, আদৌ কোনদিন এইটা থেকে বেরোতে পারব কিনা...!
This entire review has been hidden because of spoilers.
8 reviews
December 28, 2022
আকাশজুড়ে জোনাকিদের বাড়ি
বুকের নীচে পাগলা রাজার ঘোড়া
তখন থেকে সবার সঙ্গে আড়ি
তখন থেকে আমার শহর পোড়া!
ধ্বংস ঘেঁটে তোমায় পেলাম মোহর
তোমার আলোয় বাঁচল আমার প্রাণী
কক্ষ থেকে ছিটকে যেত গ্রহ…
উল্কা তোমার কাচের ফুলদানি!
কেমন ছিল সেসব ধুলোখেলা!
কেমন ছিল সাগরপারের রানি!
এই জীবনের নরম বিকেলবেলায়…
আমরা দু’জন, কেবল দু’জন জানি
আমরা দু’জন, মাত্র দু’জন জানি।

After a long time, read a particular book of modern genre author in Bengali literature, which made me glued on from Page 1 to the end.

An emotion spilling over from all characters in the story, makes you think and linger over human character and materialistic behaviour at large.

The small minuscule image of my city Kolkata, from an aeroplane on its descent, makes me wonder, we are all surrounded and glowing by the light of a fire-fly (‘Jonaki’).
Profile Image for Nafisa Anjum.
226 reviews10 followers
May 31, 2025
জোনাকি পছন্দ আমার, সেই থেকে এই বই পড়ার আগ্রহ তৈরি হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে বইটা পেলাম।

জোনাকিদের বাড়ি দুটি জেনারেশন নিয়ে খুব সুন্দর ভাবে এগিয়ে গেছে। সুন্দর কাহিনী কিন্তু কিছু জায়গায় গল্পটা কিছুটা অতিনাটকীয় হয়ে গেছে। যদিও চরিত্রগুলো খুব সাধারণ, খুব কাছের মনে হয়, যেন এদের রোজ আমরা আমাদের চারপাশে দেখি।

কাজুদা, পেখম এবং অন্যান্য চরিত্রগুলো সুন্দর কিন্তু নিশান, রাধিয়া বা মাহির এদের চরিত্রগুলো নিখুঁত।
Profile Image for Prodriptaaaaa.
27 reviews
September 28, 2025
Just finished " জোনাকিদের বাড়ী " and it really stuck with me. The story’s about two generations, love, loss, and change, with so many characters like Kaju, Pekhme, and Bijon.The social issues and relationships were relatable, though some endings felt rushed. Though some parts felt slow.Smaranjit sir's books always give me this weird comfort, like I’m a part of it too.
Honestly, I’m still thinking about it.
1 review1 follower
October 14, 2019
This person has the capability to create a world which we love , adore .the characters become our best friends and we get immersed into their life , share their pain, love, grief and poetry. Jonaki der bari reminds me a lot, make me feel a lot and at the end, gives hope , gives happiness to enjoy life.
Profile Image for Picklu Debnath.
8 reviews7 followers
December 22, 2019
Every time I read Smaranjit novels, I can feel the human touch and the day to day struggle every person in the real world goes through. And of course the light we carry and the light we will. If you have loved Alor Gondho, you’ll also love this.

Thanks Smaranjit for this awesome piece.
Profile Image for Biswajit Ray.
1 review
February 8, 2023
একটানা উপন্যাসটি পড়ে শেষ করলাম। মনে হচ্ছিল একটা মেগা সিরিয়াল দেখছি।সব চরিত্রের পরিনতি বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ কিন্তু নয়নার কী হলো বা ওর কোনো উত্তর পুরুষ এর সন্ধান পেলাম না।যেমন পুশকিন,স্মরন,নিশান ,রাধিয়া এদের সবার ই আগের এক বা দুই প্রজন্ম কাজুর সমসাময়িক ছিলো।
Profile Image for Muna Khan.
117 reviews2 followers
August 13, 2025
প্রেম, ভালোবাসা,মায়া আঁকড়েই তো বেঁচে থাকে মানুষ। প্রিয় মানুষের স্মৃতি বিজড়িত মূহূর্তগুলোই বেঁচে থাকার সাহস জোগায়। দিন শেষে মানুষটি জীবনে না থাকলেও থেকেই যায় কোথাও না কোথাও নিজের কাছেই। যেমনটি ছিল - কাজু,পেখম আর তাদের জোনাক বাড়ি 💙
1 review
Read
April 24, 2021
GOOD
This entire review has been hidden because of spoilers.
Displaying 1 - 30 of 43 reviews