‘শয়তান!’ শব্দটি আমাদের মনের ভিতর একটা ভীতিকর চিত্র তৈরি করে! আমরা শয়তানকে কখনো দিব্য চোখে না দেখলেও মনের চোখে দেখি। কল্পনায় যা আসে তা ভয়ংকর, গা শিউরে ওঠা চরিত্র। যা মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টায় লিপ্ত! মানুষ তাই শয়তান থেকে দূরে থাকে।
"সাংবাদিক নির্ঝর, দেশের হাতেগোনা কয়েকজন যাদরেল ক্রাইম রিপোর্টার এর মধ্যে অন্যতম। যেরকম মেধা তেমনি সাহস। ছোট বেলা থেকেই এক অদম্য শক্তি তাকে তাড়িত করে চলছে। জীবনের মূল লক্ষ্য-ই যেনো তার অন্যায়ের লাগাম টেনে ধরা এবং অজানা কে জানার অদম্য ইচ্ছা। তার জীবনে সফলতা প্রচুর, কিন্তু এতো সফলতাও তার মগজ কে শীতল করতে ব্যর্থ।
সমস্যা অন্য যায়গায় তার, ছোট বেলার এক অদ্ভুত ইচ্ছা তাকে তাড়িত করে চলেছে অবিরাম। ইচ্ছেপূরণে, নির্ঝর পাগলা ঘোড়ার ন্যায় ছুটছে। বড় অদ্ভুত সে ইচ্ছে, অদ্ভুত সে জানতে চাওয়া আর, তা হলো " শয়তানকে জানা"। কিন্তু, সেটা বইয়ের পাতে থেকে নয়, তার নিজ মুখ থেকে..........
শুরু হয়, তার ভয়ানক যাত্রা জ্বীনদের শহর "কোহেকাফ"-র পথে......... ব্যস তারপর শুরু হয়, তার ভয়ানক যাত্রা... উঠে আসে নানা জানা-অজানা প্রেক্ষাপট .... ১.জরাথ্রুস্টবাদ ২.বাইবেলের রহস্য ৩.স্বর্গ-নরকের অবস্থান ৪.শয়তানের জবানবন্দি ৫.রায়াইলবাদ ৬.গ্রিক দর্শন আরও অনেক তাত্ত্বিক বিষয়
বি.দ্র. : বইটাতে ১৩৫ বছরের বাংলাদেশের ইহুদিদের ইতিহাস এবং বাংলাদেশে এদের ক্লাবে বাফোমেটের(শয়তান) পূজার হিস্ট্রিকাল এভিডেন্স তুলে ধরা হয়েছে । সাথে শয়তানের বিভিন্ন কন্ট্রোভারসাল দিক আলোচনা করা হয়েছে।
খুবই আনাড়ি লেখনী। এডিটিং দরকার ছিল বিপুল আকারে। আর কাহিনীর কোনো বালাই নেই, স্রেফ বিভিন্ন জায়গা থেকে ঐতিহাসিক তথ্য সংগ্রহ করে লিখে যাওয়া হয়েছে পাতার পর পাতা। হতাশ।
অথবা বলা যেতে পারে "শয়তানের জবানীতে ঈশ্বর"। দারুণ ট্রিকিওয়েতে শয়তান সবকিছুর ব্যাখ্যা দিয়েছে। দিবেই না বা কেন? হারামজাদার জ্ঞানের গভীরতা মারাত্মক। বইয়ের একাংশে বলেছে ঈশ্বর আদম সন্তানদের কথার প্যাঁচ ভালোই শিখিয়েছেন। তবে শয়তান তো জ্ঞানের প্যাঁচ কম দিতে জানেনা। আর তাতেই তো ওর এতো রূপে পূজা হয় কালে কালে। উৎপত্তি, উপাসনা, রীতি, প্রাচীন ও আধুনিককালের সিম্বল ইত্যাদি নিয়ে গল্প মজার ছিল। তবে জায়োনিজম বা জিওনিজম নিয়ে বিশদ ব্যাখ্যা দিলে আরো অনেক ইনফরমেটিভ হতো। কেউ চাইলে youtube এ Nat Geo এর "Devil's Bible" এবং "Bible's Buried Secrets" ভিডিওগুলো দেখতে পারেন।
গল্পের আকারে লিখিত একটা ইতিহাস তুলে ধরার চেস্টা করেছেন লেখক। ধর্ম, বিজ্ঞান আর মানুষের অনূভুতিগুলোকে জোড়া দেবার চেষ্টার ফলাফল বইটা। ভাল লাগেনি। অনেক কিছু জানা আগেই। আর তথ্যগুলো অসম্পূর্ণ। বইটার অবজেক্টিভটা আমার কাছে পরিষ্কার নয়৷
কাজী ম্যাকের 'হাজার বছরের অব্যক্ত শয়তানের গল্প'। বইপিয়ন প্রকাশনি থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বইটির কাহিনী গড়ে উঠেছে শয়তান অবসেসড ক্রাইম রিপোর্টার নির্ঝর আর তার নাস্তিক, বস্তুবাদী এসিস্ট্যান্ট বিল্লুকে নিয়ে। শয়তানের দেখা পাওয়ায় তাদের লক্ষ্য। হাজার ঘাটের পানি খেয়ে এ উদ্দেশ্যেই তারা যাত্রা করে। এই যাত্রায় তাদের দেখা হয় দুইজন শয়তান, কাল্ট বিশেষজ্ঞ পন্ডিতের সাথে। তারা কি পাবে তাদের কাঙ্খিত শয়তানের দেখা? তাদের সকল প্রশ্ন ও সংশয়ের সমাধান হবে কী?
কাজী ম্যাকের এ বইয়ে ফিকশনের আবহে নন ফিকশন উঠে এসেছে। ফলে বইটাকে সরাসরি ফিকশন বলা যাচ্ছে না। টুইস্ট সমৃদ্ধ কাহিনী খুঁজতে গেলে হতাশ হবেন। তবে এ বইয়ে উঠে এসেছে প্রচুর ভ্যালিড ইনফরমেশন। বিস্তৃত আলাপ করে হয়েছে বাংলাদেশে ইহুদীদের উত্থান, ফ্রি ম্যাসন, ইলুমিনাটি,নাইট টেম্পলারদের ইতিহাস ও শয়তানের সাথে এদের সম্পর্ক নিয়ে। বইয়ের পরের ভাগে শয়তান, ঈশ্বর, স্বর্গ, নরখ, ধর্ম ইত্যাদির অস্তিত্ব নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে। ঈশ্বর ও শয়তান উভয়ের পক্ষেই বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও শয়তানের প্রাচীন ও আধুনিক সিম্বল নিয়ে সামান্য আলোচনা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে যাদের কাল্ট, শয়তান, ভাববাদ, পরকাল নিয়ে আগ্রহ আছে তাদের জন্য মোটামোটি ভালো একটা বই হতে পারে।
ইউনিভার্সিটি লাইফের এসাইনমেন্ট এর কথা মনে পরে গেলো। এখান থেকে ওখান থেকে কপি করে এনে পেস্ট করে, মাঝে কয়েক লাইন লিখে যা তা ভাবে বেশিরভাগ সময় জমা দিয়ে দিতাম। দেখা যেত আসলে একটা খিচুড়ি মার্কা জিনিস হয়ে গেছে।
বইটা ঐরকমই। এর বেশি কিছু বললাম না। কষ্ট করে এত কিছু কপি করে একজায়গায় করার জন্য একটা স্টার। আসলে অনেক ইনফো ছিল বলে আরো একটা স্টার বেশি দিলাম। ইনফো গুলো বাদে যা লিখেছেন তার জন্য একটা স্টার কেটে নিতে পারতাম অবশ্য।
খুবই ইন্টারেস্টিং বই! শয়তান নিয়ে যাদের আগ্রহ তাদের প্রাথমিক কৌতূহল মেটানোর জন্য যথেষ্ট। পুরাণ আর ধর্মের তাত্ত্বিক দিক থেকে শয়তানের উদ্ভব ও অস্তিত্বের প্রমাণ এবং দার্শনিক দৃষ্টিতে শয়তানের যথার্থতা প্রমাণের একটা চেষ্টা রয়েছে। প্রচুর তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে তবে খানিকটা এলেমেলো ভাবে। লেখকের ন্যারাটিভ টেকনিক খুবই দুর্বল, শব্দচয়নে আনাড়িপনা দৃষ্টিকটু লেগেছে। বেশ আশাহত হয়েছি তবে তথ্যসম্ভারের জন্য বইটি পঠিত হতে পারে।
বইয়ের নামঃ হাজার বছরের অব্যক্ত শয়তানের গল্প লেখকঃ কাজি ম্যাক প্রকাশকঃ বইপিয়ন প্রচ্ছদঃ মারুফ বিল্লাহ। মুদ্রিত মূল্যঃ ৩৮০ পার্সোনাল রেটিংঃ ৫/৫
'শয়তান' ছোট একটা শব্দ। কিন্তু হাজার হাজার বছর হয়ে যাওয়ার পরেও, শয়তান নিয়ে মানুষের আগ্রহ বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং দিন দিন তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। কোথায় জন্ম শয়তানের? কি তার বংশ পরিচয়? কেনোই বা বেছে নিল অভিশপ্ত জীবন? আসলেই কি শয়তান বলতে কিছু আছে না শুধু মানব মস্তিষ্কের অলীক কল্পনামাত্র? এমন হাজারো প্রশ্ন আছে মানুষের মনে শয়তান সম্পর্কে। বর্তমানে আরো আলোচিত বিষয় হলো কারা উপাসনা করে শয়তানের? আর কি কারণ তাদের এই উপাসনার?। আহ! এত এত প্রশ্ন কিন্তু জানবো কি করে? অনেক বই পড়লাম জানার জন্য কিন্তু সন্তুষ্ট হওয়ার মত কিছুই পেলাম না৷ আর শয়তান ব্যাপারটা এমন যে এ নিয়ে কাজ করবেই কে?। 'Satanic Bible', " The Devil's Notebook", "The History of Devil" নাম শুনলেও পড়া হয়নি আর খুব একটা সহজ লভ্যও নয়। খুব করে চাইতাম কেউ কাজ করুক এই বিষয়ে। আর অবশেষে একটি কাজ পেলামও। বইয়ের নাম " হাজার বছরের অব্যক্ত শয়তানের গল্প "। নামটা অনেক ইন্টারেস্টিং লাগল। কিন্তু লেখক নতুন আর এই নামের লেখক সম্পর্কে আগে কিছু শুনি নি। তাই একটু সংশয়ে ছিলাম কেমন হয় বইটা। কিন্তু কৌতুহলও দমাতে পারছিলাম না। তাই অর্ডার করেই ফেললাম বইটা। সত্য বলতে কি আমার টাকা সম্পূর্ণ উসুল। কিছু দূর্বলতা আছে বইটিতে তারপরও আমার মনের খোরাক জোগাতে সফল। অনেক ইনফরমেটিভ একটা বই। উপরে যেই প্রশ্ন গুলো করেছি মোটামুটি প্রায় সবগুলোরই যুক্তিযুক্ত উত্তর পেয়েছি। তাছাড়া জানতে পেরেছি শয়তানের অজানা অনেক তথ্য। তাছাড়া বইটির ভাষাও ছিল অনেক সহজ সরল, তাই একপ্রকার ডুবে ছিলাম বইটিতে। ভাষাটা আরেকটু মার্জিত হতে পারত কিন্তু লেখক তা আগেই বলে দিয়েছেন। যাই হোক বইটি পড়ে হতাশ হবেন না অন্তত এটা বলতে পারি আমি।
কাহিনি সংক্ষেপঃ ক্রাইম রিপোর্টার নির্ঝর। বছরের প্রায় সময়ই কাটে নিজের পেশা নিয়ে। কিন্তু বছরের একটা সময় ব্যয় করে নিজের একমাত্র সখ অথবা ঝোক পুরণ করতে। আর তা হলো যেভাবেই হোক শয়তানের সাক্ষাত পাওয়া। আর তাকে এই কাজে সাহায্য করছে তার এসিস্ট্যান্ট বিল্লু। বিল্লু আবার ঘোর বস্তুবাদী। একদিন সকালে বিল্লুর কল আসে নির্ঝরের কাছে। আর শুরু হয় তাদের শয়তানের অনুসন্ধান। তারা কি পারবে শয়তানের সাথে দেখা করতে?? বইটিতে শয়তান সম্পর্কে অনেক তথ্য দেওয়া আছে৷ পাশাপাশি আছে ইল্লুমিনাতি, ফ্রিমেসন, রায়েলবাদ, শয়তানের সাথে যুক্তিতর্ক, বিভিন্ন বিষয়ে ফ্রিমেসনদের সম্পৃক্ততার কথা। আর সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হলো যে বাংলাদেশেও একসময় ইহুদিদের বাস ছিল। তাদের সম্পূর্ণ ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে৷ একজন পাঠক যখন কোনো নতুন কিছু সম্পর্কে জানে তখন তাদের মনে ওই নতুন জিনিসটা দেখার একটা তীব্র ইচ্ছা জাগে৷ এই বইয়ের আরেকটি বিশেষত্ব যে যথা সম্ভব একটা ভিজুয়াল ভিউ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন লেখক।
তো পড়ে ফেলুন বইটি আর ঘুরে আসুন এক রোমাঞ্চকর অভিযান থেকে।
'হাজার বছরের অব্যক্ত শয়তানের গল্প' বইতে যত্নের অভাব সুস্পষ্ট। ভুল বানান, টাইপো, 'র', 'ড়' এর গোলমাল... বইটির শ্রদ্ধেয় প্রুফ রিডার ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে প্রুফ রিড করেছেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এছাড়া বইতে ব্যবহারকৃত বেশ কিছু ছবি পরিষ্কার না। সব ফিগারের ক্যাপশন নেই, নেই প্রোপার রেফারেন্স। সত্যি বলতে লেখক গল্প বলতে পারেননি। গাদা গাদা তথ্য ঠেসে দিলেই তো একটা রচনা স্বার্থক হয় না; তাতে প্রাণ থাকা লাগে। পুরো লেখাতে কোথাও নিরবছিন্ন প্রাণের স্পন্দনের দেখা পাইনি।
কনভার্সেশন তৈরিতে লেখক দারুণ আনাড়ি। বইতে উল্লেখিত কনভার্সেশনগুলো সাজানো না। আদরের অভাব সবখানে। কিছু জায়গা বাদে লেখকের রসিকতা করার চেষ্টাকে প্রায় প্রতিবারই আমার কাছে সস্তা ভাঁড়ামি ঠেকেছে।
বইটি লেখার জন্য লেখককে পড়াশোনা করা লেগেছে বেশ বড়ো পরিসরে। তথ্যের সাথে যুক্তি আর দর্শন মেলে ধরেছেন পরতে পরতে। আর শেষে শয়তানের পারেস্পেক্টিভে বেশ কিছু কথা উঠে এসেছে। ইন্টারেস্টিং লেগেছে।
নির্ঝর, যে কিনা একজন সাংবাদিক, সেই সাথে মানুষটা আস্তিক টাইপের। নির্ঝর সারাজীবন শয়তানের খোজ করে আসছে তার সাক্ষাৎ লাভের আশায়। এজন্য সে বিল্লু নামের এক নাস্তিককে তার সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়, যার কাজ এমন কাউকে খুজে বের করা যে তাকে শয়তানের কাছে নিয়ে যেতে পারবে। অথচ বিল্লু এইসব বাল ছাল একদমই বিশ্বাস করেনা। তারপরেও বিল্লু এক সময় একজনকে খুজে বের করে এবং সে নির্ঝর আর বিল্লুকে শয়তানের সাথে সাক্ষাৎ করিয়ে দেয়। শুরু হয় শয়তানের সাথে দীর্ঘ আলাপচারিতা। বইতে শয়তানের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। ক্যারেক্টার গুলো টপাটপ বিল্ডআপ করা হয়েছে। কোন ফালতু কথাবার্তা নেই। ভালো লেগেছে শয়তানের নিজ মুখে তার ইতিবৃত্ত। আরো ভালো লেগেছে বিভিন্ন ধর্মে শয়তানের ভুমিকা কি, বিভিন্ন ধর্মের আলোকে স্বর্গ নরকের বিবরণ। আর প্রাচীন কাল থেকে মানুষ যেসব সিম্বল শয়তানের প্রতিক হিসেবে ব্যবহার করছে, সেই সাথে হাল আমলে মানুষ শয়তানের প্রতিক হিসেবে যেসব সিম্বল পূজা করছে সেগুলো ছবি সহ বিস্তারিত লেখক তার বইতে তুলে ধরেছেন। ফ্রিম্যাসন, নাইট টেম্পলার বা ইলুমিনাতির সাথে শয়তানের কি সম্পর্ক তার বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বিজ্ঞানের আলোকে ধর্ম, আল্লাহ, নবী, রাসুল, আর শয়তানের যে বিবরণ লেখক দিয়েছেন তা এক কথায় অসাধারন। এটি মুলত গবেষণা ধর্মী একটা বই। ক্যারেকটার হিসেবে বিল্লু ছিলো জাস্ট অসাম। বিশেষ করে শয়তানের সাথে মাদারচোদ মার্কা কাউন্টার এ্যাটাক কথাবার্তা খুবই উপভোগ্য লেগেছে। লেখক কথা দিয়েছেন এই বইয়ের সিকুয়্যাল আসবে। তো দেখা যাক সেই বইটা কেমন হয়। রেটিং ৪/৫
প্রথমত বইটা অনেক ইনফরমেটিভ। আমার মতে একটি পরিপূর্ণ তথ্য ভান্ডার। বইটা পড়লে অনেক অজানা তথ্য জানা যাবে। কিছু কিছু বিষয়ে আগে অন্যান্য উৎস থেকে পড়লেও সেগুলোর অনেক অজানা তথ্য পেয়েছি৷ যেগুলো আমার জন্য একদমই নতুন। এক বই একাধিক বার পড়েছি এমন বইয়ের তালিকা খুব বড় নয় আমার। তবে সেই ক্ষুদ্র তালিকায় এই বইটি যুক্ত হয়েছে। কয়েকটি অংশ দু'বারের বেশিও পড়েছি কিছু তথ্য মনে রাখবার শখ থেকেই।
বইটিতে শয়তান সম্পর্কে অনেক অনেক অজানা তথ্য রয়েছে ৷ আরও রয়েছে ইলুমিনাতি, ফ্রিমেসন, রায়েলবাদ, শয়তানের সাথে যুক্তিতর্ক। সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হলো যে বাংলাদেশেও একসময় ইহুদিদের বসবাস ��িল। তাদের সম্পূর্ণ ইতিহাস লেখক তার বইটিতে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন৷ শয়তানের বিভিন্ন বিতর্কিত দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাংলাদেশের ম্যাসনিক লজের বিষয়েও লেখক খুব ভালো বর্ননা দিয়েছেন।
লেখক তার বইটিতে চল ভাষার ব্যবহার করায় অনেক বেশি উপভোগ্য মনে হয়েছে। বেশ সুপাঠ্য এবং সংগ্রহে রাখার মতো দারুণ একটি বই। ভালো লাগার আরেকটি দিক হচ্ছে লেখক তার বইটিতে যথা সম্ভব একটা ভিজুয়াল ভিউ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন । বইয়ে উল্লেখিত তথ্যগুলোর হিস্ট্রিকাল ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে। লেখক কিছু তথ্য অসম্পূর্ণ রেখেছেন মূলত বইটির পরের পার্ট বা সিক্যুয়ালের জন্যে। সিক্যুয়াল প্রকাশের অপেক্ষায় রইলাম ।
কাহিনী সংক্ষেপ : ----------------------- নির্ঝর একজন ক্রাইম রিপোর্টার যার ব্যস্ত সময় কাটে নিজ পেশা নিয়েই। কিন্তু একটা সময় সে ব্যয় করে নিজের এক অদ্ভূত শখ পূরণের আশায়। কী সেই শখ? তা হচ্ছে শয়তানের সাক্ষাত পাওয়া। ছোটবেলা থেকেই তার ইচ্ছে শয়তানের সাথে দেখা করবে এবং তার ইতিহাস জানবে। তার এই শখ পূরণের জন্য তাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে তার এসিস্ট্যান্ট বিল্লু। বিল্লু একজন ঘোর বস্তুবাদী হলেও নিজের বসের অদ্ভূত ইচ্ছা পূরণে সাহায্য করতে সে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ । তাই শয়তানের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যম খুঁজতে থাকে বিল্লু। একদিন খুব সকালে বিল্লুর কল আসে নির্ঝরের কাছে। বিল্লু কোনো এক মাধ্যমের সন্ধান পেয়েছে যার দ্বারা নির্ঝরের এত বছরের ইচ্ছে পূরণ হতে পারে। শয়তানের সাক্ষাত পেতে মরিয়া নির্ঝর তার এসিস্ট্যান্ট বিল্লুকে নিয়ে আরকিছু না ভেবেই বেরিয়ে পড়ে এক কঠিন অভিযানে। শুরু হয় এক রোমাঞ্চকর যাত্রা।
শেষ পর্যন্ত তারা কি শয়তানের দেখা পাবে? যদি পায় তবে তা কীভাবে আর কোন মাধ্যমে?
জানতে হলে দ্রুত পড়ে ফেলুন কাজি ম্যাক রচিত "হাজার বছরের অব্যক্ত শয়তানের গল্প"।
শয়তান কোন যাদুমন্ত্র বা ছলা কলার বিষয় নয়। রাতের অাঁধারে ঘাড়ে চেপে বসার জিনিস নয় শয়তান। তাহলে শয়তান কি? শয়তানের জগত এক ধরনের জ্ঞানের জগত। যেখানে ভাব চলে না, চলে যুক্তি। সেখানে ভালোবাসা হয় যুক্তিতে, অাবেগে নয়।। অবশ্য সবাই এই জ্ঞানকে হজম করতে পারে না। কাজি ম্যাকের এই শয়তানের জগতে অাপনাকে স্বাগতম।
ঘটনার শুরু হয় সাংবাদিক নির্ঝরের পাগলামি দিয়ে। নির্ঝর সাহেবের ইচ্ছে তিনি শয়তান দেখবেন। তার চ্যালা খবর দেয় ময়মনসিংহ শহরে এক মাতাজি যাদু টোনা করে শয়তানের সাথে কথা বলতে পারে। দুজনে ময়মনসিংহ গিয়ে মাতাজির সাথে সাক্ষাৎ করে। যাদু মন্ত্র করে শয়তান দেখা না হলেও, নির্ঝর সাহেব পড়েন শয়তানের কবলে। কারণ শয়তান দেখানোর নাম করে তাকে অজ্ঞান করে সব হাতিয়ে নেওয়া হয়। ইহা এক প্রকার শয়তানই বটে।
যাকগে সে সব কথা, এবার অাসল শয়তান প্রসঙ্গে অাসা যাক। এইটা একটা লম্বা হিস্ট্রি। এখানে জ্ঞান ছাড়া কিছু নেই। মূলত কাল্পনিক কথোপকথনে উঠে অাসতে থাকে হাজার বছরের শয়তানের ইতিহাস।
উঠে আসে নানা জানা-অজানা প্রেক্ষাপট .... ১) ইলুমিনাতি ২) ফ্রিমেশনারি ৩) জরাথ্রুস্টবাদ ৪) বাইবেলের রহস্য ৫) স্বর্গ-নরকের অবস্থান ৬) শয়তানের জবানবন্দি ৭) রায়াইলবাদ ৮) গ্রিক দর্শন আরও অনেক তাত্ত্বিক বিষয়
কিন্তু তার থেকে ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো বাংলাদেশের ইহুদি ইতিহাস। বইটিতে ১৩৫ বছরের বাংলাদেশের ইহুদিদের ইতিহাস এবং বাংলাদেশে বাফোমেটের (শয়তান) পূজার হিস্ট্রিকাল এভিডেন্স তুলে ধরা হয়েছে।
তবে কথা হলো বইটির সাহিত্য দিক বিবেচনা করতে গেলে পড়া অাসায় না। অাবার সম্পূর্ণ নন ফিকশন জ্ঞান করতেও বিশ্বাস জাগে না। পড়ে মনে হলো তিনি শয়তানকে প্রমাণ করতে গিয়ে সৃষ্টি কর্তাকে প্রমাণ করেছেন। তবে বইয়ে অনেক ইতিহাস বর্ণনা করা হয়েছে যা শয়তানের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
"ঈশ্বরের প্রার্থনা থেকে মানবজাতিকে সরিয়ে রাখাই হলো স্যাটানিজম...."
বিশ্বাসী আর অবিশ্বাসীদের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য হলো, অবিশ্বাসীদের পিছনে শয়তান সময় নষ্ঠ করে না। কারণ সে জানে অবিশ্বাসী কে সে পথভ্রষ্ট করতে সক্ষম হয়ে গিয়েছে।
শয়তানের মূল কর্মজজ্ঞ ও অধ্যাবসায়ই হলো বিশ্বাসীদের (ইখলাসের সাথে কালেমা তে শাহাদা যারা দিয়েছে) পিছনে। কারণ সে আল্লাহর কাছে ওয়াদা করেছে, কেয়ামতের আগ পর্যন্ত সে বিশ্বাসীদের কে পথভ্রষ্ট করতেই থাকবে করতেই থাকবে... এমন কি মৃত্যুর আগ মূহুর্তে যখন মালাকুল মওত এসে হাজির হয়, শয়তান ও তখন এসে হাজির হয়ে যায়, যেনো বান্দার শেষ বাক্য "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" না হয়!
হাজার হাজার বছর ধরে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পদে পদে বিশ্বাসীদের পেছনে শয়তানের ধোকা ছিলো, আছে এবং থেকেই যাবে।
কিন্তু বিশ্বাসীদের সৌভাগ্য এই যে; তাদের রব জানেন শয়তানের ধোকার কাছে তারা বড়ই নগন্য। তাই তো আল্লাহ ﷻ শয়তানের ওয়াদার বিপরীতে ওয়াদা করেছেনঃ আমার "বিশ্বাসী" বান্দারা শয়তানের ধোকায় পতিত হওয়ার পরও যতোক্ষণ আমার নিকট তাওবা করবে, আমার বরত্বের কসম; আমি তাদের কে ততোক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমা করতে থাকবো। সুবহানাল্লাহ!
এখন পছন্দটা আমাদের। আমরা কি শয়তানের ধোকায় নিমজ্জিত থাকবো, নাকি তাওবা করে আমাদের রবের পানে সেজদায় লুটিয়ে পড়বো? আল্লাহ আমাদের সকল কে সঠিক বুঝ দান করুক, আমীন।
বইটি বেশ তথ্যনির্ভর। তবে, তথ্যের রেফারেন্স সহ থাকলে ভালো হতো। বিভিন্ন ধরনের তথ্য দেয়া হয়েছে, কিন্তু বিষয়বস্তুর গভীরে না যেয়ে, বারবার এক তথ্য থেকে অন্য তথ্যে চলে যাওয়া হয়েছে। বইটি ফিকশনাল কিন্তু যুক্তি গুলো খুবই সাদামাটা ধরনের মনে হয়েছে এবং যুক্তির ফ্যালাসি মনে হয়েছে! সবশেষে বইটি ওভাররেটেড মনে হয়েছে। খুব বেশি ভালো লাগে নাই।
“ আমিই কী প্রথম শয়তান? -- ধর্ম মতে তো, হ্যাঁ আপনিই প্রথম শয়তান। - তাহলে আদম সন্তানের সকল অপকর্মের জন্য দ্বায়ী আমি? -- জ্বি, আমরা তাই জানি। - আমি যদি প্রথম হই, তাহলে আমার মধ্যে এসব শয়তানি প্রবেশ করালো কে? --???!!! ”
শয়তান আসলে কি বা কে? তার জন্ম কোথায়? বিভিন্ন ধর্মে তার অবস্থান কি! আর কেনইবা তার পূজা করা হয়? কি লাভ তার পূজা করে? কেন তার নামে সারা পৃথিবীতে অনেক গুপ্ত সংঘ তৈরি হলো? সেইসব সংঘের কাজ কী? এমনই অনেক অজানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় অপরাধ বিষয়ক সাংবাদিক নির্ঝরের মনে। ছোট থেকেই সে তার মনে এক অসম্ভব ইচ্ছা পোষণ করে চলেছে। সে শয়তানের সন্ধান চায়। সাংবাদিকতার পাশাপাশি চলে এই অনুসন্ধান। একারনে তাকে ঘুরতে হয় দেশের আনাচে-কানাচে। হতে হয় পদে পদে প্রতারিত। তবু তার অনুসন্ধান থেমে থাকে না।
এক সকালে হঠাৎ করেই তার এসিস্ট্যান্ট ‘বিল্লু’ ফোন করে তাকে অতি দ্রুত তৈরি হয়ে ময়মনসিংহ যেতে বলে৷ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্ঝর বুঝতে পারে এটা এক স���ধকের আস্তানা। সেই আস্তানার গুরু মা তাকে শয়তানের সাথে দেখা করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এবং ঘটনার পরে নির্ঝর নিজেকে আবিষ্কার করে স্থানীয় এক হাসপাতালে। মানে তিনি আবারো প্রতারিত হলেন।
কিছুদিন পর এবার তিনি এবং বিল্লু বরিশালের এক অজপাড়া গ্রামে এসে হাজির হন। এখানকার এক লোক নাকি হদিস দিতে পারবেন শয়তানের। সেই কাঙ্ক্ষিত মানুষটির সাথে দেখা হবার পর নির্ঝর অবাক হন। কারন তিনি রীতিমতো বিজ্ঞ একজন মানুষ।
নির্ঝর, বিল্লু আর ড. অপু মিলে চললো তাদের কথোপকথন। কথোপকথন না বলে বলা ভালো তথ্য দান এবং গ্রহন করছেন। ড. অপু তাদের শয়তানের খোঁজ দেয়ার আগে শয়তানের ইতিহাস সম্পর্কে জানান। তার সেই আলোচনায় উঠে আসে ফ্রিম্যাসন, ইলুমিনাতি, ট্যাম্পল নাইট দের মতো আরো কিছু গুপ্ত সংঘের প্রতিষ্ঠা, গঠন, কার্যপ্রনালী, এবং তাদের জনকদের ইতিহাস। এসব গোষ্ঠী শয়তানকে উপাসনা করে আসছে বর্তমানেও।
নির্ঝর যত জানে তত বিস্মিত হয়। কট্টর বামপন্থী বিল্লু, সেও হতবাক হয় ডক্টরের আলোচনায়। আরো বেশি অবাক হয় তখন, যখন জানতে পারে আমাদের দেশেও ইহুদিদের তৈরী ফ্রিম্যাসনের শাখা রয়েছে। এবং এই ভারতবর্ষেও তাদের এজেন্ডা ছিলো। আর তিনি হলেন ‘স্বামী বিবেকানন্দ’। ড. অপু তাদের এসব প্রমান সহ দেখান। বাংলাদেশে প্রথম এবং একমাত্র ইহুদি পরিবারের বসবাস সহ তাদের বিস্তারের কাহিনি উঠে আসে এই আলোচনায়।
সব শোনার পর নির্ঝর, বিল্লু অনেকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থাকে। অনেক প্রশ্নের উত্তর যেমন তাদের জানা হলো তেমনি আরো অনেক প্রশ্ন তাদের মনে জন্ম নিলো।
কিন্তু তারপরে কি তারা তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত শয়তানের সন্ধান পায়? আর যদিও বা পায় তাকে, তাহলে সে দেখতে কেমন হবে? আর তার থেকেও বড় কথা, কি নিয়ে তারা কথা বলবে?
★★★
শয়তানের জন্ম সেই হাজার বছর ধরে। তারও আছে না বলা গল্প। তার কারনে জন্ম নিয়েছে অনেক নতুন ধর্ম, গঠন হযেছে অনেক সংঘ। সেইসব গল্পই লেখক ‘কাজী ম্যাক’ তার প্রকাশীত বই ‘হাজার বছরের অব্যক্ত শয়তানের গল্প’ বই খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন।
বইটাকে কোনো ধর্মীয়, বা প্রচলতি হরর গল্প, বা কোনো রহস্য উপন্যাসের কাতারে ফেলা যাবে না। বলা ভালো বইটিকে দর্শণ বা গুপ্ত তথ্য জনরার অনেকটা। বইটি তার প্রচ্ছদ এবং নামকরণের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ হলেও বইটি কোনো ধর্মকে অবমাননা বা ছোট করেনি বা প্রশ্নবিদ্ধ করেনি। তেমনি কাউকে কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে যেতেও উদ্বুদ্ধ করেনি। স্রেফ অজানাকে জানার এক মাধ্যম হিসেবে বইটি কাজ করেছে।
আমি অজ্ঞ মানুষ তাই সাহিত্যের অনেক অলিগলি আমার নিকট অপরিচিত। পাঠকরা ক্ষমা করবেন। তবে আমি আমার সরল অভিব্যক্তি দিয়ে বলতে পারি যে, বইটির বিষয়বস্তু যে কারো মনের চিন্তার খোরাক জোগাবে। আপনাকে চিন্তা করতে শেখাবে। মনের মাঝে ভাবনার নতুন জানালা খুলে দিবে।
লেখক কাজী ম্যাকের কোনো প্রথম বই পড়লাম আমি। তবে তাঁর লেখনশৈলী তেমন সুন্দর না হলেও তথ্যমূলক আলোচনা এবং তার উপস্থাপন আমাকে মুগ্ধ করেছে। এবং খুব খুশি হযেছি তার বক্তব্যের প্রমান সহ দেয়ার জন্য। আমি তার এই সিরিজটির পরবর্তী বইগুলো পড়ার আশা রাখি।
বইটি প্রকাশ করেছেন ‘‘বই পিয়ন প্রকাশনী’’। আমার বইটি প্রথম মূদ্রণের, তাই কিছু বানান মিস্টেক আছে। বর্তমান মূদ্রণে কেমন তা আমার অজানা। পোস্টের সাথে যুক্ত ছবিটি সম্পূর্ণ এডিট করা। আপনারা ভালো করে লক্ষ করলে বিষয়টি বুঝবেন। আমার ঘরে আদতে এমন কোনো বিতিকিচ্ছিরি মূর্তি নাই।
ক্রাইম রিপোর্টার নির্জর।বছরের প্রায় সময় কাটে নিজের পেশা নিয়ে।কিন্তু বছরের অবসর সময়টা সে ব্যয় করে তার একমাত্র বাতিক পূরণ করতে আর সেটা হল শয়তান সম্পকে জানা এবং তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে। আর এই কাজে তাকে সহায়তা করে তার পার্সনাল অ্যাসিস্টেন বিল্লু। বিল্লু আবার বাস্তববাদী।শয়তানবাদ ও তাদের কর্মকান্ড বিশ্বাস করে না।হটাৎ একদিন কল আসল নির্জরের ফোনে.... শুরু হল তাদের শয়তান, শয়তানবাদ ও তাদের কর্মকান্ড জানার মিশন..... আচ্ছা তারা কি পারবে শয়তানবাদ সর্ম্পকে ও শয়তানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে🤔
বইটি শয়তানবাদ সর্ম্পকে অনেক তথ্য দেওয়া আছে।তার সাথে ইলুমিনাতি,ফ্রিম্যাসন,বাফোমেট,রায়েলবাদ এবং বাংলাদেশে ইহুদি বসবাস, তাদের কর্মকান্ড এবং শয়তানবাদ সাথে তাদের সম্পর্ক নিয়ে।
This book had a lot of potential, but sadly ended up being a cesspool of frequent typographical errors (idk what the editor/proofreader was doing), conspiracy theories, and anti-semitism (it's that one remark that triggered me particularly). Way too much information that barely seemed to add any value to whatever semblance of a plot there was. It gets better towards the end (the only reason why I gave it a 2-star rating instead of just one star), but boy was it difficult to get through this one.
আমার ব্যতিক্রমধর্মী বই পড়ার শখ অনেকটাই পূরণ করেছে বইটা। তবে পুরো বইকে ধ্রুব সত্য ধরে নিলে ভুল করবেন।নিখাদ কন্সপাইরেসি থিওরী ভিত্তিক উপন্যাস মনে করে পড়লে বেশ আনন্দ পাবেন। যুক্তি, অপযুক্তিতে ভরপুর আন্ডাররেটেড বই। তবে সবার জন্য নয়।বিশেষত বইয়ের অপযুক্তিগুলোকে লেখকের বাণী ভাবলেই ভুল করে বসবেন। আমার পার্সোনালি ভাল্লাগলো ব্যতীক্রমিতার কারনে।
শয়তানের কথা কি কখনো শুনেছেন? সে কি বলতে চায়? তার সম্মন্ধে ধারনা? সে কেন অভিশপ্ত? তার ভাষ্য কি? তার আর্তনাদ কি? আমরা কখনো ভাবি না খারাপ কে নিয়ে। আমরা মানুষরা সবসময় ভালোর পিছনেই দৌড়াই। আর এটা যেনো আমাদের সাথে মিশে গিয়েছে। আমরা অন্যায় কে কখনো দেখি না সে ঠিক আছে। কিন্তু যে অন্যায় করে তার ভাষ্য কি শোনা দরকার নেই?
বইটা পড়ার অনেক আগ্রহ ছিলো সময়ের অভাবে পড়তে পারছিলাম না। হঠাৎ পড়া শুরু করি, গল্পের মাধ্যমে শয়তান, ধর্ম, বিজ্ঞান বিষয়ের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বইয়ের বিভিন্ন জায়গায় একইরকম ভাবে লিখে দেওয়া হয়েছে। অনেক কিছুই আগে থেকে জানতাম তবে আরও কিছু বিষয় আছে যা পড়ার ইচ্ছাটাকে ধরে রেখেছিলো, বেশ কিছু অজানা জিনিসও ছিলো সেই সকল বিষয় জেনে ভালোই লেগেছে।
ভালোই লেগেছে। কিছু বানান ভুল, মাঝে ফ্রীম্যাসনারি আর ইল্যুমিনাতির কচকচানির জন্য বোরিং হয়ে গিয়েছিল। ত্রুটিগুলো বাদ দিয়ে শয়তানের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা, সিম্বলজি সব মিলিয়ে উপভোগ্য ছিল।