যে অন্তর নিফাকে আক্রান্ত, তা কীভাবে ধারন করবে প্রকৃত ঈমানকে? যে অন্তর মন্দ কামন-বাসনা বা প্রেমাসক্তির মাঝে বিভোর থাকে, কেবল লালসা পূরণের পথে চলে; তা কি পারে নেক আমলের স্বাদ আস্বাদন করতে? যে অন্তর দুনিয়ার মহব্বতে, সম্মান-মর্যাদা-নেতৃত্বের লোভে কানায় কানায় পূর্ণ থাকে; তা কি আখিরাতের মহাসাফল্য লাভের কথা একটুও ভাবে? একটি অসুস্হ-রোগাক্রান্ত অন্তরের পরিণতি অনেক ভয়ংকর-ভয়াবহ। এপারেও ... ওপারে ...
প্রিয় পাঠক! অন্তর তো প্রত্যেকের একটাই। একাধিক নয় যে, একটি অসুস্হ কিংবা বিনষ্ট হয়ে পড়লে অপরটি কাজ দেবে। তাই প্রত্যেককে নিজের এই একটি অন্তরকেই এমন সুস্হ, সুন্দর ও রোগমুক্ত রাখতে হবে; যেন তার মাঝে সত্য অনুধাবনের যোগ্যতা থাকে। যেন তা উপলব্ধি করতে পারে সঠিক বিষয়কে; নিরূপণ করতে পারে হক-বাতিলের বিভেদকে। তাই আসুন, আমরা বেঁচে থাকি অন্তরের সকল রোগ থেকে। সত্য-সঠিক বিষয়কে উপলব্ধি করি একটি সুস্হ ও সুন্দর অন্তর দিয়ে।
বাহ্যিক রোগের জন্য ডাক্তারের কাছে যাবেন কিন্তু অন্তরের রোগের ডাক্তার কোথায় পাবেন?এর চিকিৎসাই বা কী?
এই বইয়ে উঠে এসেছে অন্তরের রোগের কথা সাথে এসেছে রোগের চিকিৎসা পত্তও।প্রথম খন্ডে চার অধ্যায়ে আলোচনা হয়েছে যথারীতি আসক্তি,প্রবৃত্তির অনুসরণ, দুনিয়ার মহব্বত এবং নিফাক নিয়ে।
বইটা পড়তে পড়তে মনে হয়েছে এই রোগ আমার মধ্যে আছে এবং এর চিকিৎসাও প্রয়োজন। প্রতিদিন পড়ার মত বই।পড়ে পড়ে আমল করতে হবে।