মৈনাক ও তার পিসি হেমলতা। মৈনাক শখের গোয়েন্দা, পিসি ভাইপোকে সাহায্য করেন বুদ্ধি দিয়ে। হঠাৎ একদিন মৈনাকের কাছে প্রতিষ্ঠিত প্রোমোটার মৃত্যুঞ্জয় বরাট এসে হাজির। সে মৃত্যুভয়ে কম্পিত। সে নিশ্চিত, কেউ তাকে অনুসরণ করছে সর্বক্ষণ। কিন্তু কেন?... মৈনাক রহস্যভেদ করতে নেমে পড়ে। কিউরিও ব্যবসায়ী হরীশ পারেখ নিয়ে এল নতুন আরেক কেস। তার বিশ্বস্ত কর্মী জয়ন্ত একমাস যাবৎ নিখোঁজ। তাকে কি কেউ খুন করল? কেন?... মৈনাক বাধ্য হল এই কেসটিও নিতে। পাশাপাশি দুটো রহস্য-অনুসন্ধান করতে- করতে সহসা মনে হচ্ছে, দুটো ঘটনাই কোনও এক সুতোয় গাঁথা।... মৃত্যুঞ্জয় খুন হলেন।... অন্য এক যুবতীর ছায়াপাত ঘটল কাহিনিতে।... তারপর?... বরণীয় কথাশিল্পীর কলমে অন্যস্বাদের এক গহন রহস্য-উপন্যাস 'পিছনে পায়ের শব্দ'।
Prafulla Roy was a Bengali author, lived in West Bengal, India. He received Bankim Puraskar and Sahitya Akademi Award for his literary contribution in Bengali.
এগারো সেন্টিমিটার বাই ষোলো সেন্টিমিটার মাপের ২৫৪ পাতার একটা উপন্যাস পড়তে অনেক সময় লাগার কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে ততটা সময় লাগল না দুটো কারণে: ১) প্রফুল্ল রায়ের মতো কিংবদন্তি সাহিত্যিক যাই লিখুন না কেন, তা স্বচ্ছন্দ ও গতিময় হয়। ২) এই লেখার প্রায় চল্লিশ শতাংশই হয় অনাবশ্যক নয় পুনরুক্তি। ফলে অতি দ্রুত 'টপকে যা' মডেল অনুসরণ করে রহস্যটি ভেদ করা যায়। তবে এই উপন্যাসের রহস্য কম্পোনেন্ট একেবারেই জলবৎ। লেখক চরিত্রগুলোর বর্ণনা দিতে গিয়েই মোটামুটি তাদের গলায় তক্তি ঝুলিয়ে দিয়েছেন। বর্ণনাও মানুষের বদলে স্টিরিওটাইপের। পড়া যায়। একবার। ব্যস।