Jump to ratings and reviews
Rate this book

পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা

Rate this book

48 pages, Hardcover

First published January 1, 1956

Loading...
Loading...

About the author

Syed Mujtaba Ali

83 books464 followers
Syed Mujtaba Ali (Bengali: সৈয়দ মুজতবা আলী) was a Bengali author, academician, scholar and linguist.

Syed Mujtaba Ali was born in Karimganj district (in present-day Assam, India). In 1919, he was inspired by Rabindranath Tagore and started writing to the poet. In 1921, Mujtaba joined the Indian freedom struggle and left his school in Sylhet. He went to Visva-Bharati University in Santiniketan and graduated in 1926. He was among the first graduates of the university. Later, he moved to Kabul to work in the education department (1927–1929). From 1929 to 1932 he studied at the universities in Berlin, London, Paris and Bonn. He earned Ph.D. degree from University of Bonn with a dissertation on comparative religious studies in Khojas in 1932.
In 1934-1935 he studied at the Al-Azhar University in Cairo. Subsequently, he taught at colleges in Baroda (1936–1944) and Bogra (1949). After a brief stint at Calcutta University (1950), Mujtaba Ali became Secretary of the Indian Council for Cultural Relations and editor of its Arabic journal Thaqafatul Hind. From 1952 to 1956 he worked for All India Radio at New Delhi, Cuttack and Patna. He then joined the faculty of Visva-Bharati University (1956–1964).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
17 (45%)
4 stars
13 (35%)
3 stars
6 (16%)
2 stars
1 (2%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,147 reviews1,196 followers
August 30, 2020
আমরা জানি আলী সাহেবের শ্রেষ্ঠ বই 'দেশে বিদেশে '। যদিও আমি সেরকম উপভোগ করতে পারি নি। এটা ‘দেশে বিদেশে’–র তুলনায় আয়তনে খুবই ছোট একটা বই, যাকে পুস্তিকা বলেই চেনানো হয়। যেই বইটার কারণে মুজতবা আলী জড়িয়ে গিয়েছিলেন ভাষা আন্দোলনের শুরুর সেই দিনগুলোর সঙ্গে।

সরাসরি না হলেও নিজের কলম দিয়ে সে সময় বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় পণ্ডিতদের একজন লড়াই করেছিলেন মাতৃভাষার হয়ে। মায়ের মুখের ভাষার জন্য রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দেওয়ার পুণ্যময় কাজের তুলনায় কোনো অংশে কম ছিল না এই যুক্তির লড়াই।

‘পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ শিরোনামের এই বইটির প্রতি পরতে পরতে অকাট্য যুক্তি দিয়ে আলী সাহেব বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, এই বাংলায় উর্দু ভাষাকে চাপিয়ে দেওয়া হবে বোকামি। তা কখনোই সফল হবে না। ১৯৪৯ সালে প্রবন্ধ আকারে বইটি প্রথম প্রকাশিত হলেও এই বক্তব্য তিনি প্রথম উপস্থাপন করেন ১৯৪৭ সালে। সিলেটের এক সাহিত্য সভায়। পাকিস্তান রাষ্ট্রেরই বয়স তখন তিন মাসও হয়নি।

পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা যে বাংলা হওয়া উচিত, শুরু দিকে জোরালো বক্তব্য দিয়ে যাঁরা অবস্থান নিয়েছিলেন, মুজতবা আলী এঁদের একজন। দুই বছর পরে আরও বড় আকারে ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হলে তা ভাষা আন্দোলনকেও প্রভাবিত করেছিল সন্দেহ নেই।
Profile Image for সারস্বত .
245 reviews144 followers
May 7, 2021
বইটা লেখা হয় দেশভাগের মাত্র এক বছর পরে। ১৯৪৭ সালের ৩০শে নভেম্বর পাকিস্তানের জন্মের মাত্র ১০৫ দিন পরে লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী বাঙালী মুসলিমদের ভেতর প্রথম বলেছিলেন, জোর করে বাঙালী জাতির উপর উর্দু কপচালে পাকিস্তান ভেঙে যাবে।

"পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা" বইটি মূলত উনার এই ভবিষ্যৎ বাণীর বিস্তারিত রূপ। যেখানে আছে অসাধারণ কিছু যুক্তি, যুক্তি খন্ডন এবং ইতিহাসের দৃষ্টান্ত।

উর্দুর জন্ম হয়েছি ৬০০ বছর আগে মূলত হিন্দী, ফারসি এবং আরব (এবং কিছু তুর্কী) ভাষার সংমিশ্রণে। উর্দুওয়ালারাদের চিরদিনের দাবী বাংলা একটি হিন্দুয়ানী তথা পৌত্তলিকদের ভাষা। ভাষাটি উর্দুর মত পবিত্র ভাষা নয়। এই ভাষায় ইসলাম চর্চা হবে কি করে?

কিন্তু যে ভাষার জন্ম একটি সুপ্রতিষ্ঠিত হিন্দু ভাষার উপর ভিত্তি করে হয়েছিল সেই ভাষা কিভাবে বাংলা থেকে বেশি পাক পবিত্র হতে পারে? এখানে উল্লেখ্য যে হিন্দী ভাষার মূল গ্রন্থ ধরা হয় তুলসীদাসের রামায়ণকে। এই গ্রন্থকে কেন্দ্র করেই হিন্দী ভাষা বিকাশ লাভ করে হিন্দুস্থানে। বরং বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ভাষার ব্যাপক উপস্থিতি থাকলেও এসেছে হিন্দু বৈদিক দর্শনের বিরুদ্ধবাদ থেকে। কারণ বাংলার ভাষার আদি নিদর্শন হলো চর্যাপদ। যা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর অবদান। সে হিসাবে উর্দু থেকে বাংলা অধিক পাক নয় কি?

মজার বিষয় হলো পাকিস্তানের পাক শব্দটিও আরবি থেকে আসেনি। কারণ পাকের "প" বর্ণটি এসেছে প্রাচীন পারসি অগ্নি উপাসকদের কাছ থেকে। যারা ছিল ইসলামে কাফির। পুরো পাক শব্দটি এসেছে ঐ কাফিরদের জেন্দা-আবেস্তা ভাষা থেকে যা ব্যবহারে এবং উচ্চারণে সংস্কৃতের যমজ ধরা হয়। আর স্তান শব্দটি যে সংস্কৃত স্থান থেকে এসেছে সেটা নিয়ে নতুন করে আর কিছ বলারও নেই।

উর্দু শব্দটিও কিন্তু আরবি থেকে আসেনি। শব্দটি এসে তুর্কি ভাষা থেকে যার পূর্ব রূপ ওর্দু। তুর্কি ভাষাটিও সেজলুকদের আগে তুরস্কের বসবাসরত পৌত্তলিকদের কাছ থেকে জন্ম এবং বিকাশ লাভ করে। আরবের এত কাছে থাকা স্বত্ত্বের সেখানে আরবি ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হয়নি ঠিক যেমন সম্ভব হয়নি ইরানেও। ৩০০ বছর আরবরা ইরান শাসন করার পরেও সুযোগ বুঝেই ইরানির তাদের পারসি তথা ফারসি ভাষায় ফিরে এসেছে। যেখানে কিভাবে আশা করা যেতে পারে উর্দু ভাষাকে বাঙালীরা চুপচাপ গ্রহণ করে নেবে?

মাত্র ৪৮ পৃষ্ঠা বইটা একেবারে একটা তথ্যে খনি। মুজতবা আলীর লেখার সাথে যারা পরিচিত আছে তারা জানেন, ওনার প্রবন্ধ না উপন্যাস কোনটা বেশি সুখপাঠ্য পৃথক করা কঠিন। এই বইটি প্রতিটি বাঙালী কিংবা অবাঙালী বাংলা ভাষা প্রেমী মানুষের পড়া উচিৎ।

ও হ্যাঁ আরেকটা কথা প্রথমে সাদামাটা লাগলেও বইটা শেষ করার পর ধ্রুব এষের করা বইয়ের প্রচ্ছদটা আমার মন ছুঁয়ে গেছে।
Profile Image for Nabiha Ibnat.
82 reviews6 followers
Read
June 27, 2026
John Dryden য়ের ঘ্রাণ মুজতবা আলীর লেখার প্রতি বাক্যে। এত যুক্তি।

𝗞𝗲𝘆 𝗹𝗲𝗮𝗿𝗻𝗶𝗻𝗴𝘀 𝗳𝗿𝗼𝗺 𝘁𝗵𝗶𝘀 𝗯𝗼𝗼𝗸𝗹𝗲𝘁/𝗲𝘀𝘀𝗮𝘆 :

- তর্জুমান means translator

- ত্রয়োদশ শতকে মুসলমান কর্তৃক বঙ্গবিজয় থেকে আরম্ভ করে ঊনবিংশ শতকের প্রায় মধ্যভাগ পর্যন্ত ফারসি-উর্দু এদেশে চালু ছিল।
(১২০০ থেকে ১৮৫০ সাল)

- শাহজাহানের আমলে উর্দু ভাষা সৃষ্টি হয়েছে ও অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীতে দেখতে পাই ফারসি আস্তে আস্তে হটে গিয়ে উর্দুর জন্য জায়গা করে দিচ্ছে।
(ফারসি + দেশজ হিন্দি দিয়ে মোঘল-পাঠান যুগে উর্দু নির্মিত)

- উর্দু শিখলে তখন উমদা উমদা নোকরি মিলত, বাদশাহ-সুবাদারের মজলিসে শিরোপা মিলত, মনসব মিলত, আর আরবি-ফারসির জরিয়ায় বেহেস্তের দ্বার তো খুলতই। ইহলোক-পরলোক উভয় লোকের প্রলোভন সত্ত্বেও বাঙালি মুসলমান নাপাক বাংলায় কেন কথাবার্তা বলল, জারিমর্সিয়া রচনা করল, ভাটিয়ালি-পিরমুর্শিদি, আউলবাউল, সাঁইদরবেশি গান গাইল, কেচ্ছা-সাহিত্য তৈরি করল, রাধার চোখের পানি নিয়ে বিদাত কবিতা পর্যন্ত লিখল?

- তাঁরা বার বার ফতোয়া দিয়েছেন যে এসব সাহিত্য বিদাত, নাজাইজ, কুফর, শিরক। তৎসত্ত্বেও এগুলো এখনও খেয়াঘাটে, বাথানে, চাষার বাড়িতে পড়া হয়, এসব বই এখনও ছাপা হয়, হাটবারে বটতলায় বিক্রয় হয়।
(বাথান means গোচরণভূমি)

- পাঠান বাদশাহরা পয়সা খরচ করে ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের দিয়ে মহাভারত, রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করালেন।

- পশ্চিম পাকিস্তান উর্দু চাপাতে চায়, কেননা বাংলা হিন্দুয়ানি। 'বাংলা' কেন স্পেসিফিক সনাতন/হিন্দু ধর্ম ইনফ্লুয়েন্সড নয় তার ব্যাখ্যাঃ

বুদ্ধদেব যেরকম একদিন বৈদিক ধর্ম ও তার বাহন সংস্কৃতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তৎকালীন দেশজ ভাষায় (পরে পালি নামে পরিচিত) আপন ধর্ম প্রচার করেন, ঠিক সেইরকম বাংলাভাষার লিখিত রূপ আরম্ভ হয় বৌদ্ধ চর্যাপদ দিয়ে। পরবর্তী যুগে বাংলা সাহিত্যরূপ নেয় বৈষ্ণব পদাবলির ভিতর দিয়ে। আজ পদাবলি সাহিত্যকে হিন্দুধর্মের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয় কিন্তু যে যুগে বৈষ্ণবধর্ম প্রচারিত সে যুগে তাকে বিদ্রোহের অস্ত্র ধারণ করেই বেরুতে হয়েছিল। তাই শ্রীচৈতন্য প্রচলিত ধর্ম সংস্কৃতে লেখা হয়নি, লেখা হয়েছিল বাংলায়। সঙ্গে সঙ্গে রামায়ণ-মহাভারতের যে অনুবাদ বাংলায় প্রকাশিত হয় তার পেছনে ছিলেন মুসলমান নবাবগোষ্ঠী। কেচ্ছা-সাহিত্যেরই সম্মান আমরা দিই– হিন্দুরা দেন না এবং সে সাহিত্য হিন্দু ঐতিহ্যে গড়া নয়। এর পর ঊনবিংশ শতাব্দীতে যে বাংলা গদ্যের পত্তন হয় তার অনুপ্রেরণা খ্রিস্টান সভ্যতা থেকে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ নিজেকে হিন্দু বলে স্বীকার করেন কি না, সেকথা অবান্তর– তাঁর অবদান যে উপনিষদ-সংস্কৃতি ও ইয়োরোপীয় প্রভাবের ফলে গঠিত সেকথা অনস্বীকার্য। শ্রীরামকৃষ্ণদেব প্রচলিত নতুন ধারাকে বৈদিক কিংবা সনাতন বলা ভুল, সে ধারা গণ-উপাসনার উৎস থেকে প্রবাহিত হয়েছে এবং সে উৎসকে গোঁড়া হিন্দুরা কখনও শ্রদ্ধার চক্ষে দেখেননি। স্বামী বিবেকানন্দের জাতীয়তাবাদের মূল বেদ উপনিষদ নয়।


- বাল্মীকির রামায়ণে যে ব্যক্তি মানুষ, রাজা এবং বীর, তিনি তুলসীর রামায়ণে খুদ ভগবানের আসন তসরুপ করে বসে আছেন।
(রামচরিতমানস by তুলসী দাস, যা সংস্কৃত রামায়ণ ১৬শ শতাব্দীতে আওয়াধি ভাষা, অর্থাৎ ধ্রুপদী হিন্দির একটি সাহিত্যিক উপভাষায় রচিত।)


- হিব্রুর উপভাষা আমারমেইকের মাধ্যমে মহাপুরুষ ইসা ইঞ্জিল (এভানজেলিয়াম অথবা বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্ট) প্রচার করেছিলেন।


- মামুন, হারুনের সময় যখন আরবেরা জ্ঞান-গরিমায় পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান ঠিক তখনই তারা প্রচুর অর্থ ব্যয় করে 'চরক' 'সুশ্রুত' 'পঞ্চতন্ত্র' আরবিতে অনুবাদ করেছিল, গজনির মাহমুদের আমলে ঐতিহাসিক আল-বিরুনি কী বিপুল পরিশ্রম করে সংস্কৃত শিখে ভারতবর্ষ সম্বন্ধে প্রামাণিক গ্রন্থ লিখেছিলেন।

- লেখক socialism পন্থী
Profile Image for Fahad Amin.
325 reviews16 followers
June 29, 2026
পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা সংক্রান্ত দারুণ একটা বই। লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী নানানরকম যুক্তি খন্ডন ভাষা প্রশ্নে পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন।

তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সে সময়টাতে পূর্ব পাকিস্তানে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার যোগাড়যন্ত্র করছিলেন। সে প্রেক্ষিতে মুজতবা আলীর এ প্রবন্ধ রচনা।

রম্য রচনার প্রাণপুরুষ হিসেবে পরিচিত হলেও রাষ্ট্র ভাষা সংক্রান্ত বিতর্কে সুকঠিন যুক্তি উপস্থাপন করেছেন, তাতে পাঠকমাত্রই চমৎকৃত হবেন।

তবে যিনি বহু ভাষাবিদ, তিনি ভাষা সম্পর্কে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করবেন এটাই তো স্বাভাবিক!
Profile Image for Maruf Rosul.
Author 13 books12 followers
February 24, 2022
গ্রন্থটি মূলত সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বক্তৃতার লিখিত ভাষ্য। বক্তৃতাটি তিনি দিয়েছিলেন ১৯৪৭ সালের ৩০ নভেম্বর সিলেটের মুসলিম সাহিত্য সংসদের এক সভায়। তার দু মাস আগে ঘটে গেছে মানব ইতিহাসের মর্মন্তুদ রাজনৈতিক পাপ দেশভাগ। সৈয়দ মুজতবা আলী নিজেও সেই রক্তক্ষরণের নির্মম শিকার। এ বক্তব্যটি দেবার মাসখানেক বাদেই তৎকালীন পূর্ববঙ্গে (বর্তমান বাংলাদেশ) শুরু হয় মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াই, যার চূড়ান্ত পরিণতি আমরা দেখি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি।

ভাষা আন্দোলনের সত্তর বছর পার করছি আমরা। কিন্তু আজও শিক্ষার অবলম্বন হিশেবে মাতৃভাষা কতোটুকু আমাদের হয়েছে- এ প্রশ্নটি থেকেই যায়। ১৯৪৭ সালেই সৈয়দ মুজতবা আলী ভাষাতত্ত্বের আলপথ এঁকে আমাদের দেখিয়ে গিয়েছেন, কেনো শিক্ষার বাহন হিশেবে মাতৃভাষাই জরুরি। প্রবন্ধটি তাই সুখপাঠ্য বলেই নয়, আমাদের চিন্তা ও মননের সূত্রগুলো খুঁজে পেতেও পাঠ করা জরুরি।
Profile Image for Riyad.
4 reviews
July 13, 2022
সর্বজনমান্য সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রতি আমার একটা আলাদা দূর্বলতা আছে তাই ওনার বইকে যে নিরপেক্ষভাবে বিচার করবো সে আশা না করাই ভালো। "পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা" সিলেটের কোনো এক সাহিত্যসম্মেলনে পাঠ করা প্রবন্ধ সংকলন। লক্ষণীয় এই বইটি সেই সময়ের যখন পাকিস্তানের মাত্র জন্ম হয়েছে, ধীরেন্দ্রনাথ তখনও রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নটি তোলেননি। অথচ পড়তে পড়তে এই সময়কাল একদমই মাথায় থাকে না। বরং '৫২র প্রেক্ষাপটে বা তার সামসময়িক লেখা বলে ভ্রম হয়। বইটির আলোচনার দিক অনেক। এখানে আলী সাহেব সেই '৪৭ এর নভেম্বরেই সাবধান করছেন, বাঙালির প্রতি বৈষম্য পাকিস্তানের অখণ্ডতার জন্য হুমকি হতে পারে। সৈয়দ মুজতবা আলী এক নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো সেই গুটিকয় মানুষদের একজন যিনি শোষণহীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতেন, স্বপ্ন দেখাতেন।
Profile Image for Imran Mahmud.
158 reviews23 followers
June 26, 2019
ভাবা যায়! সেই উত্তুঙ্গ আর বিভ্রান্ত একটা সময়ে তিনি এরকম একটা 'আগুন-বই' ছেড়েছিলেন!
Displaying 1 - 7 of 7 reviews