হাসান তারেক চৌধুরী (জন্ম ২৩ মে ১৯৭০), একাধারে দুইটি ভিন্ন ঘরানায় তার সফল পদচারণা- বিজ্ঞান ও প্যারাসাইকোলজি ফিকশন। ২০১৮ সালের অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত প্রথম বই প্যারাসাইকোলজি গল্প-সংকলন ‘দ্বিখণ্ডিত’ ভাষাচিত্রের সর্বাধিক বিক্রিত বইয়ের তালিকায় স্থান করে নেয়। ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় বিজ্ঞানবিষয়ক জনপ্রিয় বই ‘সময় : বিজ্ঞান ও অনুভবে’। বিজ্ঞানের জটিল সমস্যাগুলোকে তিনি তার বইতে ভিন্ন আঙ্গিকে গল্পে গল্পে সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপন করেছেন। একাধিক মুদ্রণের পর সম্প্রতি বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত হয় বিজ্ঞানবিষয়ক বই ‘ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি’। এটিও দ্রুত পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে। দেশের পাশাপাশি বইগুলো দেশের বাইরেও বাংলাভাষী পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। ‘সময় : বিজ্ঞান ও অনুভবে’ কলকাতা থেকেও প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞান বইয়ের পথ ধরে তার প্যারাসাইকোলজি ও অতিপ্রাকৃত উপন্যাসগুলোও সমানভাবে পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তার রচিত উপন্যাসগুলো হলো : যুগল মানব (২০১৯), প্রত্যাবর্তন (২০২১) এবং সমান্তরাল (২০২২)। একটি তারা ও হাজার চাঁদের রাত (২০১৯) তার প্রকাশিত একমাত্র কবিতার বই। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন। বর্তমানে একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কর্মরত রয়েছেন। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি একজন শখের ফটোগ্রাফার ও ভ্রমণপ্রিয় ব্যক্তি।
এই বইয়ে তিনটা গল্প ছিল। শুরু দুটো ছোটই, শেষের গল্পটা বড় গল্প।।
"দ্বিখণ্ডিত" নামের শেষের গল্পটা ভাল লেগেছে আসলে।। ভালোই ধাক্কা খেলাম গল্পটাতে!! একটা ভুলের কারণে আপনি আপনজনের কাছে যে ঘৃণার পাত্র হতে পারেন সেটা বুঝানো হয়েছে।। আবার আপনার আপন মানুষটি আপনাকে বিষণ ভালবাসে বলে, সমাজের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে বলে, আপনাকে হারাতে চাইনা বলে,, আপনার ভুলটা উনি জানার পরও লুকিয়ে রাখেন।। আর এই লুকিয়ে রাখতে রাখতে সেটা আমাদের ব্রেইনে মারাত্মক effect ফেলতে পারে এবং অঘটন ঘটে যেতে পারে তা থেকে
তবে বাকি দুটোর মধ্যে দ্বিতীয় গল্পটা মোটামুটি ভালোই ছিল, তবে শুরুর টা তেমন ভালো লাগেনি।। গল্প দুটো এক দিক দিয়ে মিল ছিল, তা হলো হঠাৎ করে শেষ করে দেওয়া :3
একটি ছোটো ও দুটি বড়ো গল্প আছে এই বইয়ে। তারা হল~ ১. আবর্তন: এই গল্পটির মাধ্যমে আমরা পরিচিত হই মনোবিজ্ঞানী ডক্টর মাহমুদার সঙ্গে। এটিকে অবশ্য প্যারাসাইকোলজির বদলে অবচেতনের আখ্যান বলাই সঙ্গত। ২. ইনফার্নো: অলৌকিক এক ঘটনা বা ফেনোমেনা নিয়ে মাথা ঘামালেন ডক্টর মাহমুদা। ব্যাখ্যা হিসেবে বিচিত্র এক মস্তিষ্কের এক গভীর রহস্যের সঙ্গে আমাদের আলাপ করিয়ে দিলেন তিনি, তথা লেখক। ৩. দ্বিখণ্ডিত: এক অপরাধের কারণ খুঁজতে গিয়ে পুলিশ জড়িয়ে গেল থানার মধ্যে অভিযুক্তের উপর হামলায়। এই জটিল সমস্যার সমাধান করলেন মাহমুদা। তবে বুদ্ধির পাশাপাশি তাঁর রসবোধটিও যে ক্ষুরধার, তা বোঝা গেল এই কাহিনির মাধ্যমে। সব মিলিয়ে বেশ লাগল বইটা।
হাসান তারেক চৌধুরীর দ্বিখণ্ডিত প্যারাসাইকোলজি ঘরানার স্পেকুলেটিভ ফিকশন জনরার বই । এইরকম বইয়ের খোঁজে আমি অনেক দিন ছিলাম যেগুলোতে নানান প্যারাসাইকোলজিকাল এলিমেন্ট ও সঠিক তথ্যসহ সন্তুষ্টজনক ব্যাখ্যা থাকে। এই বইটি অনেকদিন আগেই উপহার পেয়েছিলাম কিন্তু পড়া হয়ে উঠেনি ।
জনরা পরিচিতিঃ 'স্পেকুলেটিভ ফিকশন' হচ্ছে এমন একটি বিস্তৃত জনরা যা অনেকগুলো জনরা পরিবেষ্টিত। স্পেকুলেটিভ ফিকশনের বৈশিষ্ট্য হল এই জনরার লেখাগুলিতে এমন সব উপাদানের উপস্থিতি থাকে যার আমাদের এই বর্তমান পৃথিবীতে কোন অস্তিত্ব- ই নেই , শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে এগুলো লেখা হয়। অতিপ্রাকৃত , ফিউচারিস্টিক আরও বিভিন্ন রকমের দূরকল্পনামূলক বিষয়বস্ত উঠে আসে এই লেখাগুলোতে। বর্তমান সমাজকে ও এই পৃথিবীকে আমরা যেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি এবং এই পৃথিবীতে বিভিন্ন ঘটনার সম্ভাবনা নিয়ে আমাদের যা ধারণা আছে তা থেকে সরে এসে, সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে 'স্পেকুলেটিভ ফিকশন' লেখা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ঘরানার লেখাগুলোতে অনুমানের উপর ভিত্তি করে 'আমাদের পৃথিবী এমন হলে কি হতো?' বা "আমাদের পৃথিবীতে এমন হলে কি হতো?" এই সম্ভাবনাগুলো এক্সপ্লোর করা হয় এবং এর পরিণতি দেখানো হয়। আমরা বলতে পারি যে স্পেকূলেটিভ ফিকশন আমরা বর্তমানে যেই পৃথিবীতে বাস করি , যেই পৃথিবীকে আমরা চিনি-জানি তার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু অনুমানের ভিত্তিতে যেই পৃথিবীটাকে এই জনরার লেখাগুলিতে দেখানো হয় তার সাথে বর্তমানের পৃথিবীর কোন মিল নেই।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ (rating-3.5 actually) তিনটা রহস্যময়ী গল্প নিয়ে বইটি। তিনটি গল্পতেই আছেন ডাক্তার মাহমুদা হাসান । একজন বিখ্যাত নিবেদিতপ্রাণ নিউরো সাইন্টিস্ট । অত্যন্ত মেধাবী ,সফল ও ব্যক্তিত্ব পূর্ণ ড. মাহমুদা হাসান গবেষণার সাথে সাথে মানুষের মস্তিষ্কের অতিপ্রাকৃত সব রহস্য ভেদ করার অভিযানে নামেন। আবর্তন, ইনফার্নো এবং দ্বিখন্ডিত এই তিনটি গল্প নিয়েই বইটি। তিনটি গল্পতেই ড. মাহমুদা হাসানকে মুখোমুখি হতে হয় মানব মস্তিষ্কের অতিপ্রাকৃত রহস্যের সাথে ।
আবর্তন : কিছুদিন ধরে হঠাৎ করেই দ্রুত স্মৃতিশক্তি হারাচ্ছে আবির। হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ফেরাতে গবেষণায় একটি নতুন ড্রাগ আবিষ্কার করেছেন ড.মাহমুদা । সেই গবেষণার হিউম্যান ভলেন্টিয়ার হয় আবির। নির্দেশা উপেক্ষা করে মাত্রাতিরিক্ত ড্রাগ নিয়ে এলোমেলো হয়ে যায় আবিরের সময়ের ধারনা । গল্পের শুরুটা বেশ ভালবাবেই হয়।কিন্তু একদম শেষের দিকে হালকা একটু তাড়াহুড়ো করা হয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে। প্লটটি অনেক ভালো কিন্তু এক্সিকিউশনের কারনেই কম নম্বর পাবে।
ইনফার্নোঃ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে যায় সাহের-শিখা দম্পতি। পাহাড় থেকে খাদে পড়ে মারা যায় শিখা। স্ত্রীর শেষ ইছা অনুযায়ী ওই পাহাড়ি এলাকায় বাংলো বানিয়ে থাকতে থাকে সাহের। কিন্তু হঠাৎ একদিন শিখা ফিরে আসে সাহেরের জীবনে। ঘটতে থাকে ব্যাখ্যাতিত সব ঘটনা। এইটা আমার কাছে দারুন লেগেছে! বিশেষ করে ড.মাহ্মুদার ব্যাখ্যটা শেষের দিকে ভালো ছিল। অনেক ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস ও জানতে পারি মানব মস্তিষ্ক রিলেটেড নানান ছোট ছোট বিষয় নিয়ে।
দ্বিখণ্ডিতঃ বর্ষার রোমান্টিক সকালে স্ত্রী নিলাকে ভালোবেসে কাছে টেনে আদর করার সময় দীপনের অজান্তে তার একটি হাত ভয়ংকর ভাবে চেপে ধরে নিলার গলা। তবে কি দীপন হত্যা করতে চেয়েছিল নিলাকে? এই গল্পটি ও ওনেক ভালো লেগেছে। ড.মাহমুদার ব্যাখ্যায় অনেক অজানা ফ্যাক্টস জানতে পারি এই গল্পটিতেও।
ড মাহমুদার চরিত্র বেশ শক্তিশালী । তিনটি গল্পতেই তার উপ্সথিতি রয়েছে এবং শেষ দুটো গল্পতে রহস্যের জট খুলেন তিনি । প্রথম গল্পের প্লট দিয়ে বড় পরিসরে নভেলা কিংবা নভেল লেখা সম্ভব এবং তা বেশ উপভগ্য ও হবে। সবমিলিয়ে ৭৮ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট বইটি এক বসায় শেষ করেছি এবং ভালো সময় কেটেছে বইটির সঙ্গে। লেখকের লেখনি প্রথম বই হিসেবে ভালো ছিল। দুই একটা জায়গায় বাক্যগুলো একটু বেখাপ্পা মনে হয়েছে আমার কাছে। এই ঘরানায় লেখকের আরেকটি বই আছে নাম 'যুগলমানব'। ওইটা ও পড়ার ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে।
পুরোনো বইয়ের দোকানে বেশ কয়েকবার নজরে পড়েছিলো বইটা। খানিকটা উল্টেপাল্টে দেখে বোঝা গেলো যে প্যারা সাইকোলজি নিয়ে লেখা হয়েছে। সেই সাথে অপরিচিত একটা নাম যুক্ত, স্পেকুলেটিভ ফিকশন। একটু ঘাটতেই বুঝতে পারলাম ঘরানার নামটা অপরিচিত হলেও এই ঘরানার বই তো অপরিচিত নয়। বইয়ে যদিওবা বলা হয়েছে এটি সম্ভবত বাংলা সাহিত্যে এই ঘরানায় লেখা প্রথম বই। তবে আমার মনে হয়েছে বাংলায় লেখা আরো অনেক সায়েন্স ফিকশনকেই এই ঘরানায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় অনায়াসেই। স্পেকুলেটিভ ফিকশন বলতে বোঝানো হচ্ছে বর্তমানের কোনো বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে ভিত্তি ধরে কাল্পনিক নতুন তত্ত্বের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয���া।
ছোট ছোট তিনটি গল্প দিয়ে সাজানো এই বইটির কলেবরও ছোট তাই এক বসায় শেষ করতে বেগ পেতে হয় নাই। ১। আবর্তন ২। ইনফার্নো ৩। দ্বিখণ্ডিত
প্রতিটি গল্পেই উপস্থিতি আছে ড. মাহমুদা হাসান চরিত্রটির। একজন বিখ্যাত নিউরোসায়েন্টিস্ট। মাঝ বয়সে এসেও এখনো রূপে গুণে প্রজ্ঞায় তিনি অনন্যা। প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন এক কালে। কিন্তু সেসব বিয়ে পর্যন্ত আর গড়ায় নি। প্রথম গল্পটি তার সেই প্রাক্তনকে ঘিরেই। শেষবার যখন আবিরের হাত ধরে ঘর ছেড়েছিলেন তারও বছর সাতেক পরে তাদের আবার যোগাযোগ হয়। ততদিনে আবির বিয়ে থা করে ফেলেছেন, আবিরের মাধবীলতা ওরফে মাহমুদা সাংসারিক জগতে আর পা বাড়াননি। প্রায়ই দেখা সাক্ষাৎ হওয়ার সুবাদে মাহমুদার গবেষণার ব্যাপারে আবিরের জানা ছিলো। অ্যাম্ফিটেমিনের এক ডেরিভেটিভ নিয়ে কাজ করছিলেন তিনি, যা দ্রুত স্মৃতি শক্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করে। ইদুরের উপর প্রয়োগ করে ফল পাওয়া গেলেও মানুষের উপর প্রয়োগ করার জন্যে কোনো স্বেচ্ছাসেবক এখনো পাওয়া যায় নি। নিজের স্মৃতিশক্তি সম্পর্কিত জটিলতা দূর করতে আবিরই সেই ইচ্ছা পোষণ করে। মাহমুদার আপত্তি সত্ত্বেও ডোজ নেয়া শুরু করে আবির। ফলাফল হয় ভয়ানক।
দ্বিতীয় গল্পে ড. মাহমুদা পাড়ি দেন পাহাড়ি অঞ্চলে। সাহের নামের এক ব্যক্তি নিজের মৃত স্মৃতি দেখতে পাচ্ছেন। তার স্ত্রী শিখা এক দূর্ঘটনায় পাহাড় থেকে পড়ে মারা গিয়েছিলেন তিন বছর ছিলো, পুরো ঘটনাটা ঘটেছিলো সাহেরের সামনে। সেই শিখাকে নাকি তিনি আবার দেখতে শুরু করেছেন। ঘটনা শুনলে প্রথমে হ্যালুসিনেশন বলে মনে হলেও আদতে বাস্তবতা সেরকমটা বলছে না, কারণ সেই মানবীকে অন্যরাও দেখতে পাচ্ছে। এমনকি ছবিও তোলা যাচ্ছে সেই অবয়বটির। ড. মাহমুদা ঘটনাটির একটি ব্যাখ্যা দাড় করিয়ে রহস্যের সমাধান করেছিলেন।
তৃতীয় গল্পটি বইয়ের নামগল্প। অন্য দুটির থেকে ভিন্ন প্রকৃতির, স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার দায়ে হাজতে বন্দী হয় দীপন। দীপনের কেসকে সোজাসাপ্টা ভাবে ক্লোজ করা যাচ্ছে না কিছু কারণে। পুলিশ ও অন্যান্যরা দাবী করছেন আসামী তার স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে গলা টিপে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভুক্তভোগী নীলা নিচ্ছেন স্বামীর পক্ষ। স্বামীর প্রতি এই অন্ধ বিশ্বাসের হেতু কী? লকাপে থাকা অবস্থাতেই দীপনের গলা চেপে ধরে কেউ, ঠিক যেভাবে নীলার ক্ষেত্রে হয়েছিলো। সেই ঘটনারই বা ব্যাখ্যা কী? কেসের সেইসব রহস্য উদঘাটনের ভার আসে ড. মাহমুদার ওপর। এবারেও তিনি সক্ষম হন সত্য উদ্ঘাটনে।
প্রতিটি গল্পের প্লট আসলেই চমৎকার। কিন্তু লেখক সেগুলোকে ঠিক পরিপূ্র্ণতা দিতে পারেন নি। প্রথম গল্পের ক্ষেত্রেই বলা যাক। শুরুটা আশাব্যাঞ্জক হলেও শেষ পর্যন্ত সেই রেশ থাকেনি, খুব দ্রুত ইনি টানার একটা চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। পাঠকের মনে গল্পটি নিয়ে অসম্পূর্ণতা থেকেই যাবে। দ্বিতীয় গল্পটি অন্য দুটির ভালোভাবে গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করা হয়েছে বলবো আমি। তৃতীয় গল্পটির জন্যে আরও বেশি শব্দের প্রয়োজন ছিলো। পুরো বইয়ে ড. মাহমুদাকে আবেদনময়ী নারী হিসেবে প্রকাশের চেষ্টাটা খাপ খায় নি। সেই কাছে কিছু কিছু জায়গায় বাক্যে এবং উপস্থাপন ভঙ্গিতে গড়মিল মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে মোটামুটি মাপের একটা বই দ্বিখণ্ডিত।