What do you think?


জোড়া ভা্দুড়ী
Hardcover
About the author
Nirendranath Chakraborty
77 books35 followersনীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্ম ফরিদপুর জেলার চান্দ্রা গ্রামে, ১৯ অক্টোবর ১৯২৪।পিতা জিতেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ছিলেন ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের বিখ্যাত অধ্যাপক।শিক্ষা: বঙ্গবাসী ও মিত্র স্কুল; বঙ্গবাসী ও সেন্ট পল’স কলেজ।সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি দৈনিক ‘প্রত্যহ’ পত্রিকায়। ১৯৫১ সালে আনন্দবাজার প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। একসময় ছিলেন ‘আনন্দমেলা’র সম্পাদক এবং পরবর্তীকালে ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র সম্পাদকীয় উপদেষ্টা।কবিতা লিখছেন শৈশব থেকে। কবিতাগ্রন্থ ছাড়া আছে কবিতা-বিষয়ক আলোচনা-গ্রন্থ। আর আছে উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি।শব্দ-ভাষা-বানান-শৈলী নিয়ে রচিত বিখ্যাত বই ‘বাংলা: কী লিখবেন, কেন লিখবেন’।পুরস্কার: ১৯৫৮ উল্টোরথ, ১৯৭৩ তারাশঙ্কর, ১৯৭৪ সাহিত্য অকাদেমি, ১৯৭৬ আনন্দ। পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সভাপতি (২০০৪-২০১১)। সাহিত্য অকাদেমির ফেলো ২০১৬। এশিয়াটিক সোসাইটির ইন্দিরা গান্ধী স্বর্ণপদক ২০১৫। কলকাতা (২০০৭), বর্ধমান (২০০৮), কল্যাণী (২০১০) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডি লিট।কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে বিদ্যাসাগর লেকচারার হিসাবে ১৯৭৫ সালে প্রদত্ত বক্তৃতামালা ‘কবিতার কী ও কেন’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। ১৯৯০ সালে লিয়েজে বিশ্বকবি-সম্মেলনে একমাত্র ভারতীয় প্রতিনিধি।শখ: ব্রিজ ও ভ্রমণ।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
May 28, 2026
প্রতিটা বইয়ের দুটো কাহিনি থাকে। একটি অবশ্যই বইয়ের মধ্যে ছাপা কাহিনি। এরই সঙ্গে আরেকটি কাহিনি হল, সেই বইয়ের নেপথ্যের কাহিনি। কীভাবে তা পাঠকের কাছে এল, তার কাহিনি। সেই নেপথ্যের কাহিনিতে মাঝেমাঝে কিছু মানব-চরিত্রও জড়িয়ে পড়ে। এইবারের নেপথ্য-কাহিনির এক নারী চরিত্র বহুকাল আমার স্মৃতিতে রয়ে যাবেন। তাঁর সঙ্গেই কলেজ স্ট্রিট সফরনামায় বেরিয়ে পুরনো বইয়ের পসরার মধ্যে থেকে এই বইয়ের আবিষ্কার। ব্যাপারটা কঠিন কিছু নয়, কিন্তু ততটা সহজও নয়।
এবং বইয়ের মধ্যেকার কাহিনি নিয়ে অবশ্য বেশি কিছু বলার নেই। বাংলা কিশোর সাহিত্যের ক্যাপ্টেন বলা চলে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী'কে। তাঁর নেতৃত্বেই আমরা পেয়েছি আনন্দমেলার হাত ধরে দুর্দান্ত সমস্ত চরিত্র, সিরিজ়।
সেই একই মানুষের নিজের লেখার হাতও যে মন্দ হবে না, সে ব্যাপারে আন্দাজ ছিল বইকি। তবে এতটা সুখপাঠ্য গদ্য হবে, তা ভাবিনি। বড়-বড় প্যারাগ্রাফ পড়তেও বিন্দুমাত্র আলিস্যি জাগে না। চরিত্রায়নের দিকে বললে, চারুচন্দ্র ভাদুড়ি নামক গোয়েন্দাপ্রবর এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ খুব একটা আলাদা কিছু নন। কিন্তু সবটাই ভীষণ পরিপাটি করে সাজিয়ে তোলা। দু'টি মাত্র কাহিনিতে মন ভরল না, এবং সেই কারণেই আবারও ভাদুড়িমশাইয়ের কাছে ফিরে আসার ইচ্ছা রইল নিকট ভবিষ্যতে।
সূচিপত্র :
বিগ্রহের চোখ
ভুতুড়ে ফুটবল
এবং বইয়ের মধ্যেকার কাহিনি নিয়ে অবশ্য বেশি কিছু বলার নেই। বাংলা কিশোর সাহিত্যের ক্যাপ্টেন বলা চলে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী'কে। তাঁর নেতৃত্বেই আমরা পেয়েছি আনন্দমেলার হাত ধরে দুর্দান্ত সমস্ত চরিত্র, সিরিজ়।
সেই একই মানুষের নিজের লেখার হাতও যে মন্দ হবে না, সে ব্যাপারে আন্দাজ ছিল বইকি। তবে এতটা সুখপাঠ্য গদ্য হবে, তা ভাবিনি। বড়-বড় প্যারাগ্রাফ পড়তেও বিন্দুমাত্র আলিস্যি জাগে না। চরিত্রায়নের দিকে বললে, চারুচন্দ্র ভাদুড়ি নামক গোয়েন্দাপ্রবর এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ খুব একটা আলাদা কিছু নন। কিন্তু সবটাই ভীষণ পরিপাটি করে সাজিয়ে তোলা। দু'টি মাত্র কাহিনিতে মন ভরল না, এবং সেই কারণেই আবারও ভাদুড়িমশাইয়ের কাছে ফিরে আসার ইচ্ছা রইল নিকট ভবিষ্যতে।
সূচিপত্র :
বিগ্রহের চোখ
ভুতুড়ে ফুটবল
April 12, 2024
"জোড়া ভাদুড়ি" - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
"বিগ্ৰহের চোখ"
চন্দননগরের বিমলভূষণ বাবুর বাড়িতে হর পার্বতীর মূর্তির তৃতীয় নয়নে চৈত্র সংক্রান্তির দিনে জোড়া হীরে পড়ানো হয়। বিমলভূষণ বাবুর পুরোহিত গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য খবর পান যে ঐ হীরে দুটি চুরি হবে। একথা বিমলভূষণ বাবুকে জানানোর পরই চুরি আটকানোর জন্য বিমলভূষণ বাবু ভাদুরি মশাইয়ের সাথে দেখা করেন। গোয়েন্দা ভাদুরি মশাই, সদানন্দ বাবু, কিরণ বাবু ও কৌশিকে নিয়ে চন্দননগর যান। চন্দননগরে গিয়ে ভাদুরি মশাইয়ের সাথে দেখা হলো তাঁর পুরোনো বন্ধু পরমেশ বাবুর সঙ্গে। পরমেশ বাবুর পরিচিত বয়স্ক হরসুন্দর বাবুর থেকে জানা যায় ঐ হীরে সংক্রান্ত নানান তথ্য। তারপর কি হলো? ভাদুরি মশাই কি পারলেন চুরি আটকাতে? জানতে হলে পড়তে হবে এই রহস্য উপন্যাসটি।
"ভুতেরে ফুটবল"
বর্ধমানের বিখ্যাত ডাক্তার কৃপানাথ বাবু তার ভাইপো ভূতনাথ দত্তকে দিয়ে ভাদুরি মশাইয়ের কে পত্র মারফত নিমন্ত্রন পাঠান শক্তিগড়ে গ্ৰামের বাড়িতে যাবার জন্য। সেখানে এক রহস্য দানা বেঁধে ওঠে পোড়াবাজার ও শক্তিগড়ের মধৈ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে। কি সেই রহস্য? জানতে হলে পড়তে হবে এই রহস্য উপন্যাসটি।
"বিগ্ৰহের চোখ"
চন্দননগরের বিমলভূষণ বাবুর বাড়িতে হর পার্বতীর মূর্তির তৃতীয় নয়নে চৈত্র সংক্রান্তির দিনে জোড়া হীরে পড়ানো হয়। বিমলভূষণ বাবুর পুরোহিত গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য খবর পান যে ঐ হীরে দুটি চুরি হবে। একথা বিমলভূষণ বাবুকে জানানোর পরই চুরি আটকানোর জন্য বিমলভূষণ বাবু ভাদুরি মশাইয়ের সাথে দেখা করেন। গোয়েন্দা ভাদুরি মশাই, সদানন্দ বাবু, কিরণ বাবু ও কৌশিকে নিয়ে চন্দননগর যান। চন্দননগরে গিয়ে ভাদুরি মশাইয়ের সাথে দেখা হলো তাঁর পুরোনো বন্ধু পরমেশ বাবুর সঙ্গে। পরমেশ বাবুর পরিচিত বয়স্ক হরসুন্দর বাবুর থেকে জানা যায় ঐ হীরে সংক্রান্ত নানান তথ্য। তারপর কি হলো? ভাদুরি মশাই কি পারলেন চুরি আটকাতে? জানতে হলে পড়তে হবে এই রহস্য উপন্যাসটি।
"ভুতেরে ফুটবল"
বর্ধমানের বিখ্যাত ডাক্তার কৃপানাথ বাবু তার ভাইপো ভূতনাথ দত্তকে দিয়ে ভাদুরি মশাইয়ের কে পত্র মারফত নিমন্ত্রন পাঠান শক্তিগড়ে গ্ৰামের বাড়িতে যাবার জন্য। সেখানে এক রহস্য দানা বেঁধে ওঠে পোড়াবাজার ও শক্তিগড়ের মধৈ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে। কি সেই রহস্য? জানতে হলে পড়তে হবে এই রহস্য উপন্যাসটি।
August 22, 2020
বাংলা সাহিত্যে চারু ভাদুড়ি নামে একজন গোয়েন্দা আছেন, এইটা ছাড়া মনে রাখার মত আর কিছু পেলাম না।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




