"জোড়া ভাদুড়ি" - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
"বিগ্ৰহের চোখ"
চন্দননগরের বিমলভূষণ বাবুর বাড়িতে হর পার্বতীর মূর্তির তৃতীয় নয়নে চৈত্র সংক্রান্তির দিনে জোড়া হীরে পড়ানো হয়। বিমলভূষণ বাবুর পুরোহিত গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য খবর পান যে ঐ হীরে দুটি চুরি হবে। একথা বিমলভূষণ বাবুকে জানানোর পরই চুরি আটকানোর জন্য বিমলভূষণ বাবু ভাদুরি মশাইয়ের সাথে দেখা করেন। গোয়েন্দা ভাদুরি মশাই, সদানন্দ বাবু, কিরণ বাবু ও কৌশিকে নিয়ে চন্দননগর যান। চন্দননগরে গিয়ে ভাদুরি মশাইয়ের সাথে দেখা হলো তাঁর পুরোনো বন্ধু পরমেশ বাবুর সঙ্গে। পরমেশ বাবুর পরিচিত বয়স্ক হরসুন্দর বাবুর থেকে জানা যায় ঐ হীরে সংক্রান্ত নানান তথ্য। তারপর কি হলো? ভাদুরি মশাই কি পারলেন চুরি আটকাতে? জানতে হলে পড়তে হবে এই রহস্য উপন্যাসটি।
"ভুতেরে ফুটবল"
বর্ধমানের বিখ্যাত ডাক্তার কৃপানাথ বাবু তার ভাইপো ভূতনাথ দত্তকে দিয়ে ভাদুরি মশাইয়ের কে পত্র মারফত নিমন্ত্রন পাঠান শক্তিগড়ে গ্ৰামের বাড়িতে যাবার জন্য। সেখানে এক রহস্য দানা বেঁধে ওঠে পোড়াবাজার ও শক্তিগড়ের মধৈ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে। কি সেই রহস্য? জানতে হলে পড়তে হবে এই রহস্য উপন্যাসটি।