Jump to ratings and reviews
Rate this book

মেট্রোপলিটন গল্পগুচ্ছ - ৯

Rate this book

111 pages, Hardcover

Published April 14, 2018

1 person want to read

About the author

Saiyen Azad

2 books1 follower

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (100%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Saiyen Azad.
31 reviews2 followers
November 24, 2019
এবারের পহেলা বৈশাখে প্রকাশিত হয়েছে সার্জিল খান সম্পাদিত "মেট্রোপলিটন গল্পগুচ্ছ ৯"। বইটিতে ১৬ জন তরুণ লেখকের ১৬টি গল্প নিয়ে বইটি প্রকাশিত হয়। প্রত্যেকটা বই পড়ে আমার নিজস্ব কিছু মতামত থাকে, প্রশ্ন থাকে যেগুলো আমি সাধারণত আমার ব্লগে প্রকাশ করি। এগুলোকে আমি বুক রিভিউ বলিনা, এগুলোকে আমার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত এবং অনুভূতি মনে করি। এই বইটি পড়েও আমার কিছু ব্যক্তিগত মতামত দিতে ইচ্ছা করেছে, কিছু জানতে ইচ্ছা করেছে। সেগুলো নিয়েই লেখাটা।

বন্ধন (কামরুন্নাহার দিপা): সম্পর্ক অনেক ধরনের হয়। শুধুমাত্র রক্তের সম্পর্কই সব নয়। এর উপরেও আর একটি সম্পর্ক আছে। যেটা হচ্ছে আত্মার সম্পর্ক। লেখক লেখাটিতে সেটাই বুঝাতে চেয়েছেন আনোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান আর রহমতউল্লাহর সম্পর্ক দ্বারা। লেখাটা পড়লে সেটার সাথে আপনারও বন্ধন তৈরী হয়ে যাবে।

অবাক জোছনা কিংবা মৃত পৃথিবীর গল্প (শাফিন মাশফিকুল আলম): আমি সাধারণত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী পড়িনা। এর কারণ হচ্ছে আমি বুঝিনা। ব্যবসায় শিক্ষার ছাত্র ছিলাম এর উপর বিজ্ঞান নিয়ে তেমন আগ্রহ নেই। এই লেখাটা আমি অনেক মনোযোগ দিয়ে পড়েছি। লেখার শুরুটা ছিল আমার প্রিয় জোছনা দিয়ে এর সাথে মৃত পৃথিবীকে নিয়ে। লেখাটার সাথে আমি বাস্তবতার অনেক কিছু মেলানোর চেষ্টা করেছি। লেখক যখন একজন চরিত্র দিয়ে বলেছেন, "ভালো করে বললে তাদের গভর্নমেন্টের আড়ালে থাকা কিছু অজাত শয়তান।" আমার তখন মনে হয়েছে আমার দেশের কথা, আমার দেশের সবকিছুর পিছনে এরকম কিছু অজাত শয়তান রয়েছে যারা আমাদের দেশকে ধ্বংস করার কাজ করছে। যেমন প্রশ্ন ফাঁস করে আমাদের মূল ভিত্তিটাই নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা। আমি জানিনা লেখক কোন জিনিসটা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই লেখাটা লিখেছেন। একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে আমি লেখাটাকে এভাবেই নিয়েছি।

নূপুর (মো. রমিজ): "এই লেখাটা যদি বাস্তবতার সাথে মেলাতে যাই তাহলে কোনো এক অজপাড়া গ্রামে ঘটনাটা সত্যিই মিলে যাবে।" এতটুকু লেখার পর লেখকের একটা লেখাতে খুঁজে পাই, "গল্পটা অনেক বছর আগে ঘটা আমাদের গ্রামের বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত।" একজোড়া নূপুর, নিজের অন্যমনস্কতা, আপনজনের অবহেলা, মৃত্যু, সত্যতা এভাবেই গল্পটা লেখা হয়েছে।

ক্রোধ (জাকিয়া মৌ): এই লেখাটা কিভাবে বলবো নিজেও বুঝতে পারছিনা। স্বার্থপরতা থেকেই ক্রোধ আর সেই ক্রোধ থেকেই মৃত্যু। একজন স্বার্থান্বেষী মহিলা, একজন মা, একজন "স্বার্থান্বেষী অযোগ্য মা"। আচ্ছা মা কী কখনো স্বার্থান্বেষী অযোগ্য হয়? আমি সেই মার কথা বলছিনা যে মা ১৩ বছর থাকতে মেয়ের বাবাকে খুন করেন। সেটার জন্য বলবো "একজন মা" আর মেয়ের ১৮ বছরের সময় যে সাম্য ছেলেটাকে খুন করা হয়েছে তার জন্য বলবো "স্বার্থান্বেষী অযোগ্য মা"।

অহনা কটেজ (মহিমা আজম হিমু): লেখাটার বিশেষত্ব হচ্ছে লেখাটা লাইন বদলে নিয়েছে। লেখাটা বারবার চিন্তা করতে বাধ্য করছে পরে কী হবে! মনোয়ার যখন বলছিল তার চলে যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে আর এরপর আবার বলল, "নিশান্ত দাদা, অহনা ম্যাডাম আপনার অপেক্ষা করছে"। তখন আমি যেটা চিন্তা করেছি সেটাকে শেষ দিকে ভুল প্রমাণিত করে দেয়। আমি ভুল প্রমাণিত হওয়ার ফলেই হয়তো লেখাটা ভালো লেগেছে।

বুকের মাঝে বাংলাদেশ (সাইয়িন আজাদ): নিজের লেখা নিয়ে বলাটাই মুশকিল। এটা আপনাদের সবার থেকে আশা করছি আপনাদের কেমন লেগেছে। লেখকের কাছে তার সব লেখায় ভালো লাগে। পাঠকের কাছে কেমন লাগছে সেটাই হচ্ছে আসল। এখানে আমি লেখাটার পিছনের গল্পটা বলে দিই। সেটাই মনে হয় ভালো হবে। অফিসের একটা মিটিং শেষে অঙ্গনদা সহ আমরা বেশ কয়েকজন শিল্পকলায় যাই। সেখানে একজন অঙ্গনদার কাছে পত্রিকা বিক্রি করতে আসে। আর দাদা বিকালে পত্রিকা কিনে নেন। আর তাদের সাথে কথা বলেন। যেহেতু আমরা একটা ভলান্টিয়ারিং অর্গানাইজেশনে ছিলাম সেজন্যও দেখা যেত আমরা তাদের সমস্যা জানতে চাইতাম, তাদের সাথে কথা বলতাম। তখন জানতে পারি তারা সেখানকার একটা স্কুলে পড়ে। যেটা কয়েকজন ভাইয়া-আপু দেখাশোনা করে। এরপর অঙ্গনদা ইন্টার্ন করতে সিঙ্গাপুর চলে যায় শীপে। সেখান থেকে জয়েনিং। তখন লেখাটা মাথায় আসে। হয়তো আক্ষরিক অর্থে বিষয়টা এমননা, তবে আমি বিশ্বাস করি এরকম কিছু একটা হবে, হয়তো হচ্ছে আমি জানিনা। জানিনা বললে ভুল হবে আমার সামনে করভী ভাইয়া আছে, তড়িৎ ভাইয়া আছে...

নতুন বছর (মো. নোমান ভূঁইয়া): লেখাটা ভালো তবে লেখার ধরনটা ভালো লাগেনি। তারিখ দিয়ে যেভাবে লেখা হয়েছে অনেকটা তালগোল পাকিয়ে ফেলার মতো লেখা। লেখার থিমটা ভালো ছিল।

এক্কাদোক্কা (ফারজানা তন্বী): এই লেখাটার সাথে নামের মিল আমি খুঁজে পাইনি। লেখিকা কি আমাকে এর অর্থটা বুঝিয়ে দিবেন?
এবার আসি মূল কথায়। এই লেখাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু বার্তা বহন করে বলে আমি মনে করি। যেমন লেখক লিখেছেন, "আমাদের ছেলে-মেয়েগুলো কবে বুঝতে শিখবে, অন্যের দুর্বলতা কোনো বিনোদন না। হাসির মতো চমৎকার একটি গুণকে অন্যের দুর্বলতায় খরচ করাটা অপব্যয়।" এধরনের বার্তাগুলো সত্যিই আমাদের জীবনে ধারণ করা উচিৎ। এবং অন্যদের কাছে বার্তাগুলো পৌছে দেওয়া উচিৎ।

ইরাবতী (নোশিন তাবাসসুম হৃদিতা): এতোগুলো লেখকদের মধ্যে আমি শুধু তিতিরকে চিনি। তার লেখাটার পিছনেও একটা লেখা আছে। সেই গল্পটা বলি। তাকে অনেক প্যারা দেওয়ার পর সে লেখাটা লিখতে বসে। সে যখন লেখাটা লিখতে বসে তখন তার নানী খুব অসুস্থ ছিল। সে লেখাটা শেষ করতে পারছিলোনা। তাকে যখন নক দিয়েছি তখন সে জানায় সে নানুবাড়ীতে। তার নানী মারা গিয়েছে। এরপরেও সে লেখা শেষ করে পাঠায়। আর লেখার ফন্ট যেটা চাওয়া হয়েছে সেটা দেয়নি। সে আমাকে মেসেজ দেয় কিভাবে সমাধান করবে, তখন আমি রবির গ্রাহকদের বকবক শুনছিলাম। এরপর অফিস থেকে বের হয়ে দেখি তিতিরের ম্যাসেজ। তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। এরপর তাকে সমাধান দিই। এরপর সে লেখা পাঠায়। বইটা পেয়ে সবার আগে আমি তার লেখাটায় পড়ি। পেছনের গল্পটা আমি বলে দিলাম এবার আপনারা সামনের গল্পটা পড়ে নিন। আমার বোনের লেখা আমার কাছে এমনিতেই ভালো লাগবে। তাই আমার মন্তব্যকে না নিয়ে আপনি পড়ে নিজেই মন্তব্য করুন।

শখ (মুহা. শাহাদাত হোসাইন সাব্বির): লেখাটা পড়ে মনে হয়েছে সেটা অহল্যাকে সামনে রেখে লেখা হয়েছে।

টার্গেট (মেসবা উল হক): আমি লেখাটার কিছুই বুঝতে পারিনি। গল্পে কি বলা হয়েছে বা লেখক কি বলতে চেয়েছে। তাই এটা সম্পর্কে কিছু বলতে পারছিনা। একটা জিনিস বুঝেছি যদি আমি ভুল নাহই, তিনি বুঝাতে চেয়েছেন সবার জীবনে টার্গেট থাকে।

সাদা তুলোয় মেঘ (কাজী মিহিকা): "কিছু সম্পর্ক ভাঙার জন্য না। হাজার বছর পরও হাজার বছর বাঁচার জন্য তৈরি হয় সম্পর্কগুলো। সে সম্পর্ক বেঁচে থাকে মানুষ দুটির মাঝে, আমাদের মাঝে, পৃথিবীর মাঝে কয়েকশো বছর।" এই লাইনগুলো দিয়েই বুঝা যায় একটা সম্পর্ক, হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কের জোড়া লাগা। জোড়া লাগা নাহয়ে মনে হয় খুঁজে পাওয়া হবে। পুরোনো জিনিসটাকে নতুন করে খুঁজে পাওয়া।

বদরুলের বিসিএস (তানজিলা আমিন প্রিমা): লেখাটা পড়ে মনে হলো লেখকের বিসিএস মোটেও পছন্দ না। লেখার ধরণটা ভালো ছিল।

ইন্সপেক্টর নাশিদ'স অপারেশন (তৌহিদুল ইসলাম ভূঞা): উপস্থাপনাটা ভালো ছিল।

মন-পবনের দেশে (নাভিদ নাসিফ রাকিন): লেখাটা অনেক ছোট। এই লেখাটা আর একটু বড় করে লেখা যেত। যদিও এটা লেখকের স্বাধীনতা, আমার বলার কিছু নেই। তবে লেখাটা বেশি ছোট হওয়াতে আর বেশ কয়েকটা সিনারি নিয়ে আসাতে সামান্য কিছু থাকলে লেখাটা ভালো লাগতো।

কান্না ডা���়েরি (অধরা আঞ্জুমান পৃথা): কান্না ডায়েরিতে কতগুলো কান্না জমে আছে সেটা না পড়লে বুঝাই যাবেনা। না পাওয়ার কান্না, হারানোর কান্না, পাওয়ার কান্না সব একসুতায় গাঁথা। লেখার ধরনটা বেশ ভালো ছিল।

(বইটি কেউ ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারবেন। আর বইটি পড়ে থাকলে নিজস্ব মতামত প্রদান করতে পারেন।)

#বইকথা #লেখান্তিস #মেট্রোপলিটন_গল্পগুচ্ছ_৯
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.