Ali Imam (আলী ইমাম) is a Bangladeshi children's writer and audio-visual organizer. He written a lots of scientific story, travel story etc. for children.
Imam has written more than 550 books, translated nearly 40. Child psychology, humanism and adventure is found in his writing. A simple style is available. Adventures, science fictions, stories related with historic events are the categories.
Ali Imam was the General Manager of Bangladesh Television and retired from the job in 2006. He is now hosting two popular TV Talk shows in private channels and more concentrating in his forthcoming books.He is Very Famous Familiar Face in Bangladesh about his Workings Experience.
অজানার প্রতি মানুষের আগ্রহ সেই সৃষ্টির শুরু থেকেই,অজানাকে জানতে গিয়েই মানুষ আবিষ্কার করেছে নতুন নতুন জিনিস। আবার এই আবিষ্কারের নেশাতেই মানুষ কালে কালে জড়িয়েছে অনেক রহস্যের সাথে। কিছু কিছু রহস্যের কিনারা মানুষ করতে পারলেও এখনো এই পৃথিবীর মাঝে এমন কিছু ব্যাপার আছে যা নিজেকে রহস্যের চাদরে আবৃত করে রেখেছে সভ্য মানুষের কাছ থেকে।
আলী ইমামের "পাহাড় চূড়ায় আগুন জ্বলে" বইটিও এমন কিছু আবিষ্কার আর রহস্যের গল্প নিয়ে। এই পৃথিবীর তিনটি প্রাচীন সভ্যতা; ওলমেক,মায়া আর ইনকা নিয়ে বেশ কিছু অজানা তথ্য সন্নিবেশ করেছে লেখক এই বইয়ে। ওলমেক নামে যে কোন সভ্যতা ছিলো এটি আগে জানতাম না,আমেরিকার প্রথম সভ্যতা ধরা হয় ওলমেককে,মায়া সভ্যতার আগে মেক্সিকোতে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে,ওলমেক ছিল স্মারক ভাস্কর্যের মাস্টার,বিভিন্ন প্রকৃতির মূর্তি তারা তৈরী করেছিলো যাদের অঙ্গভঙ্গি মানুষের মনে আজো রহস্যের উদ্রেক করে। প্রাচীন মানুষদের জীবনধারা,তাদের প্রযুক্তি জ্ঞান সত্যিই বিষ্ময়কর। এছারাও পেরুর নাজকার রহস্যময় রেখা নিয়েও এই বইতে একটি প্রবন্ধ আছে।নাজকার রেখাসমূহ কিছু বিপুলকায় ভূরেখাচিত্র বা জিওগ্লিফ। এই বিশালাকৃতির রেখা বা নকশাগুলো ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। অনেকের মতে নাজকার এই রেখাগুলো নাকি এলিয়েনদের আঁকা। এছাড়াও এই বইতে আছে এরিক ফন দানিকেনের তত্ত্ব, সত্যিকারের ভ্যাম্পায়ার অর্থাৎ রক্তচোষা বাদুড়ের গল্প,ইস্টার আইল্যান্ডের রহস্যময় পাথুরে মূর্তির কথা,বার্মুডা ট্রাইএঙ্গেল,স্কটল্যান্ডের জলদানব, ইন্দোনেশিয়ার কমোডোর ড্রাগন আর দক্ষিন আমেরিকার সোনার পাহাড়ের কথা
এই নানাবিধ বিষয়গুলো সাবলীল ভাষায় প্রবন্ধাকারে লেখক তুলে ধরেছেন আমাদের মাঝে।লেখাগুলো অবশ্য কিশোর উপযোগী তবে যারা রহস্যময় পৃথিবীর সত্যিগল্পগুলো ভালোবাসেন তাদের কাছে মাত্র ৭৮ পৃষ্ঠার এই বইটি ভালো লাগবে বলেই আশা রাখি। আমি একটানা পড়েগেছি। এই বইয়ের যেই বিষয়টি ভাল্লাগেনি তা হলো এখানে একটা প্যারার ভিতর আরেকটা প্যারা ঢুকে গেছে,অনেক জায়গাতে কোন স্পেস নেই। এটা অবশ্য লেখকের দোষ না হয়ে প্রকাশকেরও হতে পারে।