আইটি সেক্টরের অন্দরমহল। বর্তমান সময়ের শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা। ইঁদুরদৌড় থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে অন্ত্রেপ্রেন্যিয়র হওয়ার ব্যতিক্রমী স্বপ্ন। তরুণ প্রজন্মের চাওয়া পাওয়া, অনুভূতি, হতাশা।
অনেক মানুষ। অনেক মুখ। প্রতিটি মুখের আড়ালে রয়েছে তাদের জীবনের ওঠাপড়া, সুখ দুঃখ। ভালবাসা। সেই চলমান জীবনের অলিতে গলিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে নানা অজানা অধ্যায়।
‘দাশগুপ্ত ট্রাভেলস’ নামটি মানুষের জীবনসংগ্রামের প্রতীক যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক স্তর থেকে উঠে আসা নানা বয়সের মানুষের জীবনের জটিল অধ্যায়। বহুমাত্রিক স্তর নিয়ে গড়ে উঠেছে এই উপন্যাস। ভরকেন্দ্রে রয়েছে যে তরুণী, সেই জিনিয়া দাশগুপ্ত নানা ঘটনার আবর্তের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে তার লক্ষ্যে। তার চলার বাঁকে ফুটে উঠেছে বর্তমান কর্পোরেট জগতের ভেতরের নানা প্রতিচ্ছবি। শুধু সে-ই নয়, অতন্দ্র, অম্বিকেশ, আলোকপর্ণা, অল্পা, যাদবচন্দ্রের মত চরিত্ররা শেখায় বাঁচতে। দুঃখের কুয়াশা ঠেলে সরিয়ে দিয়ে নতুন উদ্যমে আলোর মুখ দেখতে। বলে ‘চরৈবেতি’।
Debarati Mukhopadhyay is presently one of the most popular and celebrated authors of Bengali Literature and a TED Speaker having millions of readers worldwide.
A young Government Officer by profession and awarded with several accolades like Indian Express Devi Award 2022, Tagore Samman, 2022, Literary Star of Bengal etc, she has written 25+ bestselling novels in West Bengal from leading publishing houses. Global publishers like Harper Collins, Rupa Publication have published her English works worldwide.
A no. of novels are already made up into movies starting Nusrat Jahan, Mithun Chakraborty, Dev etc by big production houses like SVF, Eskay etc. Her stories are immensely popular in Sunday Suspense, Storytel etc.
Her Novel ‘Dasgupta Travels’, has been shortlisted for ‘Sahitya Akademi Yuva Pursakar, 2021’.
Her Novel ‘Shikhandi’ created a history when it was acquired for film by SVF within 24 hours of it’s publication. Beside this, she contributes in Bengal’s prominent literary magazines and journals regularly.
She has been selected as Country's only Bengali Literature Faculty for the esteemed Himalayan Writing Retreat.
An excellent orator, Debarati motivates people through her way of positive thinking, voluntarily guides aspirants for Government job preparation in leisure.
She’s a regular speaker in eminent institutions like Ramakrishna Mission and other educational seminars and often considered as youth icon of Bengal. She’s extremely popular in Bengal and having more than 5,00,000+ followers in Social media.
সুবিশাল কলেবরের "দাশগুপ্ত ট্রাভেলস"কে উপন্যাসের পাশাপাশি ভ্রমণকাহিনী বলা যায়। গল্পের প্রয়োজনে ইউরোপের দর্শনীয় স্থানের অল্পবিস্তর বর্ণণা, টুকটাক ইতিহাস- ভালো লাগবেই| আই টি ওয়ার্ল্ডের ভেতরের কথা, ইয়াং জেনারেশনের হতাশা আর ব্যক্তিগত জীবনে তার প্রভাব: এই ব্যাপারগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে| স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েন, স্বতন্ত্র দৃষষ্টিভঙ্গি, আর দিনের শেষে আদি ও অকৃত্রিম প্রেম- দেখা দিয়েছে নিখুঁত রূপে| গল্পের কিছু জায়গায় নাটকীয়তা ছিল, খানিকটা ফেমিনিজম ছিল, বলিউডিয় ধাচের উপাদান ছিল- তবে সত্যি বলতে, খারাপ লাগেনি|
'দাশগুপ্ত ট্রাভেলস" পড়ার অভিজ্ঞতাটা অনেকাংশেই একটানে দেখা কোন সিনেমার মতো মনে হচ্ছিল; পুরো সময় কাল্পনিক দাশগুপ্ত ট্রাভেলস এজেন্সির সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছি, আবার যেন চোখের সামনে দেখতেও পাচ্ছি ।
একটু ফেমিনিজম, একটু ভ্রমণকাহিনী, ব্যাপক কর্পোরেট আলাপ, বর্তমান জেনারেশনের চাহিদা ও হতাশা, সাংসারিক টামাপোড়েন এসব মিলিয়ে এই বই। দেবারতির লেখার টান আছে। পড়া যায় তরতর করে। কিন্তু আমার একটাই প্রবলেম কর্পোরেটের বেশি কথা ফিকশনে থাকলে ভালো লাগে না।
উফফ..কী অসাধারণ একটা উপন্যাস!..না পড়লে বিশ্বাস করা যায় না যে এখনও এমন লেখক/লেখিকা আছেন যিনি এত ইনফরমেটিভ and ইমোশনাল ফিকশন উপহার দিতে পারেন..সত্যি অনবদ্য... History - Geography - Literature - IT sector - Tourism Sector - Banking Sector - Human Psychology সমস্ত বিষয়ে কী দারুণ অভিজ্ঞতা!!.. উফফ দারুণ!.. :) :) আমার মনে হয় প্রত্যেক কলেজে first year e এই বইটা complusory কোর্সে ঢোকানো হোক..কেনো বললাম সেটা সারপ্রাইজ থাক..যারা পড়েননি, তাদের অনুরোধ করবো বইটি পড়ার জন্য...
আইটি সেক্টরের অন্দরমহলের জটিল হিসাবনিকাশের সাথে জীবনের টানাপোড়েন মিলিয়ে এক উদ্যোক্তার স্বপ্ন বাস্তব হয়ে উঠার গল্প এটা! বাংলা সাহিত্যে এ ধরনের উপন্যাস আসলে খুব একটা পড়া হয়নি। তবে ছোট্ট একটা অপূর্ণতা থেকে গেলো! আরতি দেবী যে ছেলেকে শেষ দেখা না দেখেই চলে গেলেন!
অফিস ও নানারকম কাজের চাপে এখন আর গল্পের বই পড়ার সেরকম সময় হয় না। তাও সময় বার করে গত দু তিন দিন ধরে এটা পড়লাম।অথচ ছোটবেলা থেকে এই নেশাটাই ভীষন ভাবে ছিলো। আর আজকাল দিনের লেখকদের লেখা সত্যি বলতে সেরকম ভালো লাগে না। সত্যজিৎ রায় থেকে শুরু করে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় দিয়ে বই পড়া শুরু হয়েছিল। আজকাল স্মার্ট ফোন পাবজির এই যুগে আনন্দমেলা শুকতারা কিশোর ভারতীর থ্রিল টাও যেন মুছে গেছে। সত্যজিৎ রায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, প্রেমেন্দ্র মিত্র ,এইরকম ক্যালিবারের পর যেকোনো উপস্থাপনাই ক্লিশে লাগাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ভুল ভাঙলো দেবারতি মুখোপাধ্যায়কে দেখে।ওনার লেখা পড়ে। ভুল ভাঙলো এই গল্পটা পড়ে। না গল্পটা বিশাল কিছু থ্রিলার নয়। ২০-৩০ এই বয়সে তরুণ তরুণীদের কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাই নিয়ে। গল্পটি অতন্দ্র এবং জিনিয়া কে নিয়ে।এই দুইজন যেন তরুণ জীবনের দুই প্রতীক। দিনের শেষে অধিকাংশ ছেলে মেয়েরাই হয় অতন্দ্র নয় জিনিয়া।অতন্দ্র একজন কর্পোরেট সেক্টরে কর্মরত। প্রতিদিন তাকে কিভাবে এক অনিশ্চয়তার সাথে লড়াই করতে হয় তা দেখানো হয়েছে।এদিকে তার বিবাহিত জীবনে বিচ্ছেদের মেঘ।তার স্ত্রী জিনিয়া কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় নামে সামাজিক ট্যাবু মুছে। একজন মেয়েও কীভাবে সমাজের সব প্রতিকূলতা জয় করছে সেটা সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন দেবারতি মুখোপাধ্যায়। প্রতিটা পাতার সাথে নিজেকে রিলেট করা যায়। প্রতিটা ছেলের এবং মেয়ের মাথায় প্রতিদিন একবার হলেও এইসব চিন্তা আসে। গল্পের প্রতিটা চরিত্রের প্রেমে পড়ে গেছি। বহুদিন পর এক নিখাদ নির্ভেজাল বাস্তব জীবনের গল্প পড়লাম।অবশ্যই একটু সময় বার করে পড়বেন নিজেদের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও। দেখবেন এতগুলো চরিত্রের মধ্যে একটা চরিত্র ঠিক আপনার। কর্পোরেট এর মায়াজাল,সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং ব্যবসা করার অনুকুলতা প্রতিকূলতা সব চোখের সামনে ভেসে উঠবে আপনার । অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো Debarati Mukhopadhyay
বইটা পড়ে বেশ ভালো লাগা ফিল হবে। লেখিকা সুন্দরভাবে কাহিনী বিন্যাস করেছেন, চরিত্রগুলোর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করেছেন। IT সেক্টরের অন্দরমহল বেশ ভালোভাবেই দেখিয়েছেন। গল্পে ইউরোপ ট্যুরটাও বেশ চিত্তকর্ষক।
গল্পের বিভিন্ন স্তরের, ভিন্ন বয়সের মানুষের জীবন, সুখ, দুঃখ, বাধা, বিপত্তি, হাসি, কান্না, সামাজিক, আর্থিক বৈষম্য ব্যাপারগুলো খুবই বাস্তবিকভাবে দেখিয়েছেন। সব ধরণের, সব বয়সের মানুষের কাছে বইটার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্নই নেই।
শেষ করলাম, না বলা ভালো এক নিমেষে গিলে খেলাম, বাড়ির প্রতিটা মানুষ কম বেশি অসুস্থ,মন ভালো রাখার একটাই উপায় বাড়ির খেয়াল রাখা সাথে নিজের, তাই খবর দেখাও বন্ধ করে দিয়েছি, ফেসবুক কমিয়ে দিয়েছি ,সব কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে শুরু করলাম দেবারতি ম্যাডামের লেখা আই টি সেক্টর জীবনের ওঠা পরা নিয়ে এক সুদীর্ঘ উপন্যাস দাশগুপ্ত ট্রাভেলস। আই টি সেক্টরের জীবন তাদের কাজ কর্ম, ১০টা ৮টা চাকরি জীবন সাথে টার্গেটের বোঝা এবং সম্পর্কের ওঠা পড়া , একজন বাঙালি নারীর স্বপ্ন পূরণের লড়াই। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জিনিয়া দাশগুপ্ত এবং তার স্বামী অতন্দ্র দাশগুপ্ত। দুজনেই আই টি সেক্টরের অফিসে কর্মরত। বিয়ের পরেও সম্পর্ক বেশ সুন্দর ও স্বাভাব��ক অবস্থায় ছিল। এরপরেই দুজনেই সিদ্ধান্ত নেয় এই আই টি সেক্টরের চাকরি ছেড়ে ট্রাভেল এজেন্সি বা ট্যুরিজম সেক্টর শুরু করবে। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে তাদের সম্পর্কের মধ্যেও নেমে আসে এক অন্ধকার কালো মেঘ। একদিকে জিনিয়ার স্বপ্ন দাশগুপ্ত ট্রাভেলস অন্যদিকে অতন্দ্র দাশগুপ্ত চাকরি নিয়ে হঠাৎই অনিশ্চিয়তা, তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন। সবশেষে কি অপেক্ষা করছে দাশগুপ্ত ট্রাভেলস জন্য? কি হবে অতন্দ্র জীবনে?
নির্দিষ্ট কিছু বিষয় আলাদা করে বলতেই হবে প্রথমত, এই উপন্যাসের অন্যতম একটা দিক হলো আই টি সেক্টরের জীবন যাপন, এই আই টি সেক্টর মানেই ৯-১০ঘণ্টার চাকরি, সাথে কৃত্রিম হাসি আর তেল লাগানোর সাথে ইদুর দৌড়ের একটা চরম খেলা। উপন্যাসের পাতায় ফুটে উঠেছে তার প্রতিটা বিশ্লেষণ, আই টি সেক্টরের বিভিন্ন টেকনোলজিক্যাল টার্ম, তাদের সম্পর্কে বিষদে বিবরণ, কোম্পানিগুলির সমস্ত কার্য কলাপ এমনকি তাদের অন্ধকার দিক। দ্বিতীয়ত, এই উপন্যাসের আরো একটা দিক একি সাথে লেখিকা ক্যানভাসের পাতায় ফুটিয়ে তুলেছেন সেটা হলো ট্যুরিজম সেক্টরের কর্মরত মানুষদের চাকরির জীবনযাপন, আজ যে হিরো কাল সে জিরো এটাই বর্তমান জীবনের অন্যতম মন্ত্র, হ্যাঁ খুব আশ্চর্য হলেও এটাই সত্যি যে উপন্যাসের পাতায় পাতায় ফুটে উঠেছে অসাধারণ বর্ণনা। তৃতীয়ত, এই উপন্যাসের অন্যতম বিষয় নিজের জেদ, নিজের লক্ষ্য অবিচল রাখার একটা কঠিন মানসিকতা। বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আমরা কম বেশি প্রত্যেকেই সুখ দুঃখ কে সঙ্গে করে নিয়েই এগিয়ে চলেছি, সেখানে সম্পর্ক, বিচ্ছেদ টানা পোড়েন সব কিছুই খুব স্বাভাবিক এক মাসের মধ্যেও অনেক কিছুই বদলে যেতে পারে, বদলে যেতে পারে আমাদের জীবন, তবুও লক্ষ্য সিথির রাখা প্রয়োজন, সাফল্য আসবেই যেমনটা এই গল্পের অন্যতম বিষয়। চতুর্থত , গল্পের চরিত্রের বুনন। বর্তমান সময়ে আমি কেন দেবারতি ম্যাডামের ফ্যান তার অন্যতম প্রধান কারণ উনি রং তুলি দিয়ে যে নিখুঁত ভাবে মানুষের চরিত্র বর্ণনা করেন , নিঃসন্দেহে বলার অপেক্ষা রাখে না। গল্পের দুই প্রধান চরিত্র ছাড়াও পার্শ্ব চরিত্র অর্থাৎ আলোকপর্না, ঋতুপর্ণা,অম্বিকেস সান্যাল,সঞ্জিত হাজরা, পিকলু,মিনতি দি প্রত্যেকটা চরিত্র এতটা জীবন্ত অনবদ্য বললেও কম বলা হবে, পাশাপাশি খুব ছোটো চরিত্র যদি ধরা যাক অল্পা দি, কিংবা রবি বর্মা প্রত্যেকটা চরিত্র এতটা অসাধারন যে প্রত্যেকটি চরিত্র জন্য আলাদা আলাদা বিবরণ নিখুঁত ভাবে দেওয়া যায়। পঞ্চমত, লেখিকার ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ওনার লেখার পুঁজি, শুধুমাত্র একটা উপন্যাস মনে নিখাদ কোনো গল্প না, তার সাথে জড়িয়ে থাকে পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন ঘটনা এবং তাদের সাথে থাকা ইতিহাসের বিবরণ, যা অসাধারণ ভাবে উপন্যাসের পাতায় ছত্রে ছত্রে বর্ণনা পাওয়া গেছে।
পরিশেষে একটাই কথা বলার, এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে যেখানে সবকিছুই ভীষণ ভাবেই অনিশ্চিত, এই উপন্যাসটা আমার কাছে অক্সিজেন যোগান দিল। উপন্যাসের কিছু লাইন রীতিমত চোখে জল এনে দিয়েছে, আসলে সম্পর্ক গুলো আমাদের মধ্যে বুঝি এভাবেই বেড়ে উঠতে থাকে। সকলের পড়ার অনুরোধ রইলো।
প্রায় বছর দুয়েক পর একটা বই পড়লাম দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের। বইটার নাম দাশগুপ্ত ট্রাভেলস ।
এর আগে Debarati Mukhopadhyay এর "নরক সংকেত" এবং "ঈশ্বর যখন বন্দি "পড়েছিলাম এবং যথেষ্ট ভালোই লেগেছিল।সেই আশা নিয়ে এই বইটা পড়া শুরু করলাম। প্রথমেই বলতে হবে যথেষ্ট খেটেখুটে তৈরি ,তথ্যসমৃদ্ধ এই বইটা পড়ে ভাল লাগবে আমার ধারণা অধিকাংশেরই ।একজন মেয়ের ইচ্ছা পূরণের গল্প, গতানুগতিকতার সহজ রাস্তা ছেড়ে কঠিন লক্ষ্যকে পূরণ করার গল্প। ভালোবাসার গল্প, না-ভালোবাসারও গল্প।
প্রায় চারশো ত্রিশ পাতার এই বইটাতে ধীরে ধীরে বহুস্তর সাজানো হয়েছে পুরো গল্পটা ।অনেকগুলো চরিত্রের ভীড়ে ইচ্ছাপূরণের গল্পটা পড়তে গিয়ে সবচেয়ে ভালো লাগলো যে কোন ভাবেই গল্পের মূল ছন্দটা ভঙ্গ হয় নি।একটানে পড়ে ফেলা যায় পুরো বইটা ।
যা ভালো লাগলো : ************** 1 .বইটা খুব সহজভাবে লেখা যা পড়তে গিয়ে কোথাও হোঁচট খেতে হয় না। 2 .বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের ধরন সম্পর্কে অত্যন্ত স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে এইরকম লেখা বেশ কঠিন। লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা খুব কাজে এসেছে এখানে পড়লেই বোঝা যায়। 3.চরিত্র চিত্রায়ন অত্যন্ত সহজ ভাবেই এসেছে যদিও তা বহুস্তরীয় কিন্তু ধীরে ধীরে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘুরে শেষ পর্যন্ত তা মূল স্রোত থেকে কখনোই বিচ্যুত হয় নি ।এই ধরনের বড়লেখায় অনেক ক্ষেত্রেই যা আমি আগে পেয়েছি । 4. গল্পের চরিত্রের সংখ্যা অনেক কিন্তু অধিকাংশই অপ্রাসঙ্গিক নয় ।
এবার যা অতটাও ভালো লাগলো না *************************** 1. গল্পের অধিকাংশ অংশই বেশ প্রেডিক্টেবল । 2. কয়েকটি ঘটনা পরম্পরাগত ভুল যেন চোখে পড়ল ,যা মুদ্রণের ত্রুটিও হতে পারে।উদাহরণ 203 নম্বর পাতায় অনিরুদ্ধ বসুর সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রী-কন্যা সাথে সুখী পরিবারের ছবি দেখা যায় ,আবার 204 নম্বর পাতা থেকে বাকি গল্পে যখন প্রসঙ্গ এসেছে তখন অনিরুদ্ধ বসুর ছেলে চার বছর বয়স হয়ে গেছে তবুও কথা বলতে পারেনা তার কথা লেখা হয়েছে। 3. এছাড়াও ড্রাইভার চিত্রকরের এই গল্পের সাথে জুড়ে যাওয়ার ব্যাপারটাও কেমন একটা যেন হালকা অদরকারি মনে হয়েছে ।
তবে সব মিলিয়ে বলতেই হবে এ এক অসাধারণ স্বপ্ন পূরণের গল্প যা যেকোনো পাঠককেই উৎসাহ দেবে নিজের লক্ষ্য পূরণের জন্য, নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করতে সাহসের সাথে , আত্মবিশ্বাসের সাথে ।হোকনা সে লক্ষ্য অত্যন্ত কঠিন ,হোক না সে লক্ষ্য সমাজের চোখে, আশেপাশের লোকজনের চোখে একদমই অবাস্তব, কিন্তু নিজের কাছে সৎ থাকা নিজের লক্ষ্য নিজের স্বপ্নের প্রতি সৎ থাকা, নিজের কাজকর্মের উপরে, নিজের দক্ষতার উপর আত্মবিশ্বাস রাখা এবং সর্বোপরি একটা সুচারু পরিকল্পিতভাবে নেওয়া রিস্ক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যে ভালো ফল এনে দিতে পারে, তার যে অসীম সম্ভাবনা থাকে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। জিনিয়া দাশগুপ্ত চরিত্রটা সত্যিই মনে রেখে দেওয়ার মতো। আমার তো ভালোই লেগেছে ।বাকি যারা পড়েছেন তাদের মতামত জানতে আগ্রহী রইলাম।
দাশগুপ্ত ট্রাভেলস কিন্তু কোনো ট্রাভেল গাইড বা ম্যাগাজিন নয়। বরং ‘স্ট্রাগল গাইড’ বলা যেতে পারে; হ্যাঁ, আধুনিক প্রজন্মের রুদ্ধশ্বাস যে স্ট্রাগল। শুধু আধুনিক প্রজন্ম বলে পাঠকদের বিভ্রান্ত করবো না। নবীন-প্রবীণ, মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত মিলিয়ে মোটের উপর প্রায় তিন জোড়া মূল চরিত্র এবং এ ছাড়াও প্রায় আরো চার জোড়া চরিত্রের সংক্ষিপ্ত অথচ এতো বাস্তব প্রত্যক্ষ মূল্যায়ন আমি এই যাবৎকাল বাংলা - ইংরেজি অনেক উপন্যাসেই দেখি নি।
উপন্যাসটি মোট ৫৮ টি পরিচ্ছেদে ভাগ করা। যদিও এটা কোনো থ্রিলার নভেল না তবুও একটা পরিচ্ছদের জট অন্য একটাতে খোলার আমেজ বেশ বর্তমান। একটা চরিত্রের সাথে অন্য আরেকটা চরিত্র কিভাবে যে পরস্পর সংযুক্ত তা অনেকটা সারপ্রাইজ গিফ্টের মতো।
দেবারতি দি এই উপন্যাসের সবকটা চরিত্রই এতো নিখুঁত ভাবে পাঠকদের সামনে এনেছে যে প্রতিটা চরিত্রই অন্যভাবে ভাবায় অথচ মনে কোনো ভারী ভাব থাকে না। এই উপন্যাসে আপনি কি কি পাবেন একটু বলে দি - কিছ��� পাওয়ার জেদ, কিছু হারানোর কষ্ট, কিছু সৃষ্টি, কিছু ধ্বংস সব সাবলীল ভাবে উপস্থিত এই উপন্যাসে। চরিত্রগুলো এমন ভাবে সাজানো যে শুরুতে যাকে খারাপ মনে হচ্ছে, পরবর্তীতে তার জীবন শৈলী ভীষণভাবে আবেগপ্রবণ করছে। আমাদের সাথে তো এমনই হয় মাঝে মাঝে তাই না? কখনো নিজের বা অন্যের খারাপ ব্যবহারে গোটা মানুষটাকেই আমরা খারপ ধারণা করে নি - তার ভিতর বয়ে যাওয়া ঝড়ের কজনই বা খোঁজ নি? সেই জায়গা থেকে এই উপন্যাস ভীষণ ব্যক্তিগত ভাবে আবেগতাড়িত করেছে।
আমরা যারা প্রতিনিয়ত কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে অস্তিত্ব বাঁচানোর লড়াইয়ে নিজের ব্যাক্তিগত চাওয়া পাওয়া, শান্তি সব প্রায় চুকিয়ে দিতে বসেছি তাদের জন্য এই উপন্যাস একটা প্লেসিবো এফেক্ট তৈরী করে। জিনিয়ার জেদটা নিজের মনে হয়, আর আলোকপর্ণার সব ফিরে পাওয়াটা ভীষণ ভাবে নিজের মধ্যে একটা আশা জাগায়।
উপন্যাসটা পড়তে গিয়ে কোথাও কোথাও মনে হয়েছে নিজের জীবনের সাথে এত আশ্চর্য মিল কিভাবে হয় ? তবে অচেনা অজানা মানুষদের মস্তিষ্কের ভিতরের খুঁটিনাটি আবেগগুলো কলমের ডগায় আনাটাই তো একজন লেখকের লেখনীর সার্থকতা তাই না?
যদিও দেবারতি দির অন্যান্য উপন্যাসগুলো এখনো পড়া হয় নি। একটা একটা করে সংগ্রহ করছি, তবে আমি জানিনা এই উপন্যাস নিয়ে চর্চা অন্যান্যগুলির তুলনায় কম কেন নাকি আমার দৃষ্টি সীমাবদ্ধ - কিন্তু যারা থ্রিলার, ঘোর রোমান্টিক বা ট্রাজিক জেনার -এর বাইরে একটা মন ছুঁয়ে যাওয়া, প্রচন্ড বাস্তব একটা সমসাময়িক শিক্ষামূলক উপন্যাস খুঁজছো , তাদের বলবো দেরি না করে ‘দাশগুপ্ত ট্রাভেলস’ অবশ্যই পড়ে ফেলো।
আর সবশেষে লেখিকাকে অনুরোধ আরও এই ঘরানার উপন্যাস আমাদের উপহার দিতে।
জিনিয়া দাশগুপ্ত। ইঞ্জিনিয়ার। বিবাহিত। টেকি ওয়ার্ল্ডের জোয়াল টেনে ক্লান্ত। বিবাহিত জীবনেও সমস্যাদীর্ণ। এই বই তারই অন্তপ্রেনিয়র হয়ে ওঠার গল্প।
আর পাঁচটা বড় উপন্যাসের মত এতেও ছড়িয়ে রয়েছে অনেক গুলো চরিত্র। আর অদৃশ্য সুতোতে জড়িয়ে রয়েছে তারা। একজন কাত হলেই তাই অন্যরাও নড়ে ওঠে।
মূল প্লট যে বেশ ইউনিক, তাতে সন্দেহ নেই। আমরা সংবাদপত্রেই বা ক'জন ফাল্গুনী নায়ারের গল্প পাই? সেখানে জিনিয়া দাশগুপ্ত স্বপ্ন দেখতে শেখায় বৈকি!
🅿︎🅻︎🅾︎🆃︎ এখানে বেশ কয়েকটা টপিক নিয়ে নাড়াচাড়া করা হয়েছে। এতে - 📌আইটি দুনিয়ায় পিষ্ট হওয়া মানুষজন আছে। 📌হিন্দু মুসলিম বিবাহ আছে। 📌পিঙ্ক স্লিপ আছে। 📌অন সাইট আছে। 📌Unrequited love আছে। 📌দাম্পত্য কলহ আছে। 📌অ্যাপ্রেইজাল, রেটিং আছে। 📌আইটি সেক্টরে মেয়েদের হাল আছে। 📌ছেলের খোঁজে হাপিত্যেশ করা বুড়ো বাবা মা আছে। 📌একটি ব্যাচেলর ট্রিপ এবং একটি লেসবিয়ান কাপলের জন্য একটি করে ছোট সাবপ্লট বরাদ্দ করা হয়েছে।
মোট কথা — অনেক কিছুই আছে। আছে বেশ কিছু ভালো ও খারাপ দিকও।
🅿︎🆁︎🅾︎🆂︎ যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন, ঝুঁকি নিতে ভয় পান না, বিশ্বাস করেন risk hai to ishq hai, এই বই তাঁদের পাশে দাঁড়ায়। প্রেরণা দেয় এগিয়ে যেতে।
আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য। বেশ খানিকটা প্রেমের গল্প থাকলেও অযথা ঘনিষ্টতার বর্ণনা নেই, বড় উপন্যাসে আজকাল প্রায় দেখাই যায় না। সেদিক থেকে বইটা ব্যতিক্রমী বই কি!
🅲︎🅾︎🅽︎🆂︎ দুটি ছোট subplot বাদ দিলে 'দাশগুপ্ত ট্রাভেলস'-এর বাকিটা বড্ড fairy tale এন্ডিং। বাঙালির ব্যবসা নিয়ে যে নির্মম বাস্তব আমরা 'জন অরণ্য'-তে দেখেছি, তারপর এসব বড়ই pinkwashed ঠেকে। বইটি আরেকটু বাস্তববাদী হতে পারতো।
এই বইয়ের প্রতি অধ্যায়ের শুরু ও শেষে একটি করে ছবি দেওয়া আছে। লালচে পাতাতে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি খুবই দৃষ্টিকটু লাগে। বড় বেশি কপি-পেস্ট ভাইবস দেয়। আমরা, স্টুডেন্টরা অ্যাসাইনমেন্ট বানানোর সময়ও এর থেকে বেশি কেয়ার নিয়ে ছবি পেস্ট করি। এই ব্যাপারে আরেকটু যত্ন নিতেই পারতেন প্রকাশকরা।
🆁︎🅰︎🆃︎🅸︎🅽︎🅶︎ Personal rating: 3.5/5 পড়ে দেখতেই পারেন। হতাশ হবেন না। HAPPY READING ❤️
এই বইটা এক্ষুনি পড়া শেষ করলাম। আপনি এই বইটির জন্য যথেষ্ট প্রশংসা এবং পুরস্কার পেয়েছেন... তাই আর আলাদা ভাবে নতুন করে এর সম্পর্কে আর নতুন কি বলবো সেটা নিয়ে আমি সত্যিই দ্বন্দ্বে আছি ।
সত্যি অসাধারণ 👌
আমি নিজে IT Sector এ যুক্ত নই, তবে আমার অনেক বন্ধু এই field এ থাকায় তাদের থেকে অনেক কিছু জেনেছি। বই টা পড়ে মনে হলো তাদের থেকে শোনা তাদের জীবনের বিভিন্ন খণ্ড গুলো যেন কোনও না কোনও ভাবে চোখের সামনে দেখতে পেলাম।
একটাই কথা বলবো... বইটা মন ছুঁয়ে গেল... মনের গভীরতম স্তরটা কে নাড়া দিয়ে গেল।
শেষের পৃষ্ঠাগুলোতে একদিকে যেমন জিনিয়া অতন্দ্র দের পরিণতি মনকে আনন্দ দিলো, ঠিক তেমনি অপরদিকে যাদবচন্দ্র, আরতি ও রাজীব এর অসম্পূর্ণ উপাখ্যান মনের মধ্যে একটা বেদনার ছন্দ মূর্ছিত করলো।
And on a lighter note... আমার পদবী টি বেশ uncommon... তাই গল্পে আমার পদবীর উল্লেখ পেয়ে আমি যারপরনাই খুশি 😀 কৈলাসে কেলেঙ্কারির পর আমার মনে নেই আমি আর কোনও গল্পে চট্টরাজ উপাধির উল্লেখ পেয়েছি কিনা ।
সবশেষে এটাই বলি, এটাই আশা রাখি যে আপনি এভাবেই আমাদেরকে আরও আনন্দ দিয়ে যাবেন আগামী দিনে আপনার সাবলীল লেখনীর মাধ্যমে 👌👌👌
Ami ai novel kal k sesh korlam. Ami nije IT sector a kaj kori. Golper book pora hoina. Kaj na thakle mobile ei kate jai video dekhe. Amr wife Rituparna and ami Santipur book fair a jai sekhan theke apnar lekha "Ishwar Jakhan Bandi" book ta kinlam deep prakashan theke. Amar wife e recommend korlo. Seta niye kichu bolchina akhane. Tarpore jai Krishnanagar book fair a. Sekhan theke kini Dasgupta Travels Deep Prakashan theke. Book ti porar por prottekti character jano choke vasche infact nijer official kaj bondho kore ami prai 200 pata kal kei pore fele puro book ta pora sesh korechi. Seshe j ato sundor anondo peyechi, puro the pursuit of happiness er moto. Tarpore theke ami sei ghorei achi. Infact ratre ghumate jauar somoi professor er katha mone pore at k uthlam. Sotti ai mobile er video and reels er juge, airkm darun lekha barbar porte chaibo annya sob multimedia dure rekhe. Thanks Debarati Mukhopadhyay
The book embraces you from page-1 and one gets inside the story immediately. It felt as if the events were unfolding in front of my eyes. The outer glamour of the Tech world, the inside truth, the suppressed emotions of the apparently performers, human beings turned in to machines ,ready to deliver output and desired results no matter what the circumstances are, a dog eat dog world drama beautifully penned down by the author.
Lives of characters in the story coming from different paths merge at a point and effects each other making an impactful difference. I traveled from the IT hub of Kolkata to Europe through the eyes of the author. How little we know about the people in our surrounding, their individual struggles , defeats and victories amidst all adverse situations.
Exceptional reading experience and must must must read book!!!!!!
উপন্যাসটা পড়ে আমার মনে হয়েছে শহর কেন্দ্রিক চাকরিজীবী মানুষ গুলোর বাঁচা মরার গল্প বলেছেন। কয়েকটা পরিশ্রমি মেয়ের যুদ্ধজয়ের গল্প দাশগুপ্ত ট্রাভেলস। কিন্তু শুধু সাকসেসটাই নয় শিরদাঁড়া সোজা রেখে সেটা পাওয়ার সুদীর্ঘ রাস্তা এঁকেছেন সুনিপুণ দক্ষতায়। বলতে পারেন গল্পটার সাথে হেসেছি কেঁদেছি। গল্পের অল্পাদির সাথে কোথাও নিজের মিল পেয়ে চোখ ভিজে গেছিল। পাপ্প��� সিং, আলোকপর্ণা, জিনিয়া, অতন্ত্র থেকে সঞ্জিত হাজরা সকলেই ধরে রেখেছে টানটান করে শেষ পর্যন্ত। নিজের সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা। শূন্য থেকে শুরু করার উদ্যোম, জেদ, সর্বপরি যে কাজে মানসিক শান্তি সেই আন্ত্রেপ্রেনিয়রশিপকে কুর্নিশ।
আমি সম্প্রতি পড়ে শেষ করেছি দাশগুপ্ত ট্র্যাভেলস উপন্যাস টি। এক অদ্ভুত ভালো লাগার অনুভূতি হয়েছে যেহেতু আমি নিজে দীর্ঘদিন এই কর্পোরেট সংস্কৃতি, আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার সাথে জড়িত থেকেছি এবং প্রতি মূহুর্তে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সঙ্গে উপন্যাসের ঘটনা প্রবাহ গুলির মিল খুঁজে পেয়েছি। এতটাই মনগ্রাহী যে একলপ্তে উপন্যাস টি অত্যন্ত আগ্রহের সাথে পড়ে শেষ করেছি । Debarati Mukhopadhyay আপনাকে আমি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই এর জন্য।
দাশগুপ্ত ট্রাভেলস শেষ করলাম গত সপ্তাহে। আমার গিন্নি জন্মদিনে উপহার দিয়েছিল। অসাধারণ লেগেছে পড়ে। গল্পের বুনোট এতো ভালো, এক টানা পড়ে শেষ করতে হয়েছে। অফিস থেকে যাওয়া আসার পথে, বাস ট্রেন তে যখন সময় পেয়েছি পড়েছি। আমার পাশের অচেনা সহযাত্রী, যারা আড় চোখে পাশের জনের কাগজে চোখ বুলায়, কয়েক লাইন পড়ে তারাও আমাকে বই এর নাম জিজ্ঞেস করেছে।
আমি নিজে আইটি পেশায় থাকায়, অনেক আশা হতাশার জায়গা গুলো নিজের সাথে মেলাতে পেরেছি।
ভালো থাকবেন আপনি, আর এই ভাবেই আরো ভালো ভালো লেখার অপেক্ষায় থাকবো। 🙏
আপনার লেখা Dusgupto travels টা পড়লাম. অসাধারণ লাগল. আমার wife আমাকে anniversary gift করেছে এই বই টি. আমি একজন Engineer. তাই নিজের সাথে অনেক মিল পেলাম আপনার সৃষ্টি অনেক চরিত্র. অনেক কিছু জানলাম এই বই থেকে. আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই রকম একটা বই আমাদের ঊপহার দেবার জন্য. এই রকম লেখা বই এর অপেক্ষায রইলাম.
Just ei matro sesh korlam.Eto osadharon j bole bojhano jabe na.Amra j sob same aged and same educated married couples roechi tara protteke ei novel e nijeder dekhte paben.vison informative.sese eto sundor j mon vore jay chokhe jol ese jay.Just wow.
Finished reading Dasgupta Travels. Superb description of today's IT and tourism sector, people somehow connected to these sectors can relate themselves to this writing. While narrating the nuances of industry, writer has never let go the main story line. Simply fatafati.
দাশগুপ্ত ট্রাভেলস লেখিকা দেবারতি মুখোপাধ্যায় রচিত আমার অন্যতম প্ৰিয় উপন্যাস। এক টানা পড়েছি কোন রকম ক্লান্তি ছাড়া। চরিত্রে র সাথে নিজেকে মিলিয়ে দিয়েছি। বড্ড ভালো লেগেছে।
দাশগুপ্ত ট্রাভেলস বইটা পড়া শেষ করলাম।। পরীক্ষার চাপে আর নানা ব্যস্ততায় পড়া হয়ে উঠছিল না।। কিন্তু পড়া শুরু করার পর আর অন্য কিছু পড়া বাদ দিয়ে শুধু এটাই পড়ে গেছি।। এত সুন্দর ভাবে প্রতিটা চরিত্র linked করা হয়েছে সেটা সত্যিই সুন্দর।। অতন্দ্র জিনিয়ার কি মিল হবেনা, ঋতুপর্ণা, আলোকপর্ণা এদের মধ্যেও কি ভুল বোঝাবুঝি মিটবে এসব কৌতূহলে প্রায় দুদিনেই বইটা শেষ করলাম।। আর সবচেয়ে এত সুন্দর ভাবে বিদেশে ঘোরার বর্ননা দেওয়া হয়েছে, পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, দাশগুপ্ত ট্রাভেলস এর সাথেই মনে হয় আমিও ঘুরছি।।
দুবার বই মেলায় গিয়ে আপনার সাথে দেখা হয়ে আমি খুব খুশি।।
আমি নিজেও auto immune disease এর patient।। medicine চলে, বাড়াবাড়ি stage কিছু নয়, ভগবানের আশীর্বাদে এখন আমি সুস্হ আছি অনেকটাই।।যদিও এটার জন্য আমি কখনোই নিজেকে দুর্বল মনে করিনা।। আর আপনার থেকেও আমি নিজে আরও অনেক বেশি মানসিক জোর পেয়েছি।।
দাশগুপ্ত ট্রাভেলস প্রথম পড়েছিলাম মধ্য কৈশোরে, এখন যেই সময়টাকে আবছা হয়ে আসা গ্রীষ্মের রোদের মত মিঠে-কড়া দৃষ্টিতে ফিরে দেখি। সেসময়ে যেসব বই পড়ে উল্টে দিয়েছি, সেগুলো এখন দেখে ত্রস্ত হয়ে পড়ি কিনা, তাই। সায়ন্তনী পুততুন্ডর অধিরাজ সিরিজ থেকে শুরু করে স্মরণজিতের ক্লাস সেভেনের অ্যালজেব্রার ঘ্যানঘ্যানে ফর্মুলাঘেঁষা উনিশ কুড়ির আদরের প্রেমকাহিনিগুলো, এমনকি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের বিশ্রী সুপ্ত নারীবিদ্বেষী ছোটগল্পগুলো— সবই আমার কাছে সমগোত্রীয় এই কারণে। তবে আজ ঝোঁকের বসে বইটা আরেকবার মলাট টু মলাট পরে ফেলে অত্যন্ত শান্তির সাথে স্বস্তির ঢেঁকুর তুলে বলতে পড়ি, এই অন্তত একটি বই আমার বেইজ্জত করেনি। সেই ক্লাস নাইনে যেরকম উদ্যমের সাথে দু তিন ঘণ্টায় চারশো পাতার বইটা উৎরে দিয়েছিলাম, আজ বুড়ো বয়সেও তেমন বাহা বাহা করে পড়লাম। দিব্যি লাগল।