কর্নেল প্রোথেরোর সংগে সেইন্ট মেরি মিড গ্রামের প্রায় সবার সমস্যা। তিনি সন্দেহ করেন গির্জার অর্থ আত্মসাৎ করেছেন ভিকার ক্লেমেন্ট। ভিকারেজের পরিচারিকা মেরির প্রেমিককে জেলে পাঠিয়েছেন তিনি চোরা শিকারের অভিযোগে।
তার দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে গেছেন মিসেস প্রোথেরো।
আর্থিক স্বাধীনতা পেতে তার মৃত্যু কামনা করে একমাত্র সন্তান লেটিস।ওই মেয়ের অর্ধনগ্ন ছবি আকায় লরেন্স রেডিংকে যাচ্ছেতাই বলেছেন তিনি,আর কখনও যেতে মানা করেছেন তার বাড়িতে,অথচ গ্রামের বাতাসে জোর গুজব; লেটিসের সংগে মন দেয়া-নেয়া চলছে রেডিং-এর। প্রত্নতত্ত্ববিদ ডক্টর স্টোনের সংগে একটা ব্যারো নিয়ে বাকযুদ্ধ হয়েছে তার।
.....শেষ পর্যন্ত একদিন তার লাশ পাওয়া গেল ভিকারেজের স্টাডিরুমে-কাছে থেকে গুলি করা হয়েছে মাথায়।
কে খুনি?
ধাধায় পড়ে গেছে পুলিশ,নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারছে না। এমন সময় শুধু পর্যবেক্ষণ শক্তির গুণে তাক-লাগানো সমাধান বাতলে দিলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা চিরকুমারী বুড়ি মিস মার্পল।
সায়েম সোলায়মানের জন্ম ২৩ জুলাই, ১৯৭৯, ঢাকায়। পেশাজীবনে তিনি একজন ব্যাংকার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় অনার্স এবং মৎস্যবিজ্ঞানে মাস্টার্স করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিজিডিআইটি সমাপ্ত করেন। এরপর একটি আইএসপি-তে কিছুদিন কাজ করার পর যোগদেন ব্যাংকে। বই কেনা ও পড়ার নেশাই তাকে উদ্বুদ্ধ করেছে লেখালেখির সঙ্গে জড়িত হতে। ছোট থেকেই নিয়মিত লিখতেন স্কুলের দেয়ালপত্রিকায় আর বার্ষিকীতে। তেবে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ১৯৯২ সালে, কিশোর পত্রিকায় অনুবাদ গল্পের মাধ্যমে। ২০০৪ থেকে রহস্য পত্রিকায় নিয়মিত হওয়ার পাশাপাশি হাত দেন বড় কাজে।
নভেম্বর ২০০৪-এ সেব প্রকাশনীতে প্রকাশিত হয় তার প্রথম ওয়েস্টার্ন বই ‘সংকট’। ওয়েস্টার্ন বই তার কাছ থেকে আরো ৫টি পেয়েছি আমরা। একটি গল্প-সংকলন সহ অনুবাদ ও কিশোর ক্লাসিকের বই পেয়েছি ২১ এর বেশি। যার মাঝে রয়েছে আগাথা ক্রিস্টি, এইচ. জি. ওয়েলস, এরিক মারিয়া রেমার্ক, জুল ভার্ন, রাফায়েল সাবাতিনি, হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড এর মতো বিক্ষাত লেখকদের বই।