MOHAMMAD NAZIM UDDIN (Bengali: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন) is a writer and Translator of more than 26 novels..His original works are NEMESIS, CONTRACT, NEXUS, CONFESSION,JAAL, 1952: nichok kono number noy, KARACHI, RABINDRANATH EKHANE KOKHONO KHETE ASENNI and KEU KEU KATHA RAKHE. These six Thriller novels are highly acclaimed by the readers.
২০১৩ সালের বই ২০২০ এ এসে পড়েছি চিন্তা করেই রাগ লাগছিল। কারণ একটা চাপা গর্ব ছিল মনে মনে লেখকের সব বই আমার পড়া এই ভেবে -_- যাই হোক, মজা লেগেছে খুব। স্পেশালি শেষ দিকে নামের বানান ভুলের ব্যাপারটা :v
বাস্তবিক জীবনে আমাদের আশেপাশে কি চলছে? ফেসবুকে ভাইরাল, কলেজপড়ুয়া দের কেলেংকারী, তিল কে নিয়ে তাল। এগুলা অবশ্য আজকের দিনের ঘটনা না। শেষ এক যুগের প্রতিদিনের ঘটনা। লেখক যেন বাস্তব একটা ইভেন্ট কে হালকা ফিকশনে রূপান্তর করে আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন। এত ছোট পরিসরে, দারুন মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন লেখক।
সবচেয়ে বড় দিকটা হচ্ছে পড়তে গিয়ে মনে হয়নি বানানো কোন গল্প। থ্রিলারে যেমন দেখানো হয় ক্রাইম ঘটার পর পুলিশ নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে পিছনেই পড়ে থাকে রাত-দিন, এখানে সেরকম কিছু নাই বরং বাংলাদেশের পুলিশ যেভাবে ধীরগতিতে তদন্ত চালিয়ে যায় ঠিক সেইভাবেই গল্পটা চলতে থাকে।
খারাপ দিক হচ্ছে কাহিনী শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে যাওয়া।
খুব ছোট একটা লেখা। ফরমায়েশি বলে মনে হল। গল্পটা জুলকারনাইনের খুন নিয়ে। ইন্সপেক্টর বাহাদুর ব্যাপারী সাথে একজন জনপ্রিয় লেখককে নিয়ে নামে রহস্যের সমাধানে। আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের ছাপটা খুব ছোট হলেও সুন্দর করে লেখক তুলে এনেছেন। ইন্সপেক্টর বাহাদুর ব্যাপারীকে একটা সম্ভাবনাময় চরিত্র মনে হল। এটা নিয়ে লেখক আরো কাজ করতে পারেন। সব মিলিয়ে আইডিয়া ভাল হলেও দ্রুত শেষ করার প্রচেষ্টা বইটাকে ভাল করে গড়ে তুলে নাই।
নাজিমউদ্দিন এর লেভেলের না। তবে নভেলা হিসেবে চলনসই ঠিক ই। লেখকের আর সব বইয়ের মতোই একটানে পড়ে ফেলা যায়। গল্পের প্লট এবং এন্ডিংটা বেশ ইউনিক। তবে এরকম প্লটে আরো শক্তিশালি কিছু হতেই পারতো।
বেশ ভালো লাগলো এই উপন্যাসিকাটা পড়ে। ছোট পরিসরে লেখক দারুণ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন প্লট নির্ধারণে। বাস্তব জীবনের গোয়েন্দারা গ্ল্যামারাস থাকে না, চৌকস গোয়েন্দা বলতে যা বুঝায় তা কিছু থাকে আবার কিছু অনুপস্থিতও থাকে। কিন্ত তাদের অভিজ্ঞতা অনেক থাকে। সেরকম এক গোয়েন্দা চরিত্রকে দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। যার নাম বাহাদুর ব্যাপারি। সাথে লেখক নিজেকেও নিয়ে এসেছিলেন গল্পে মনে হচ্ছিলো নাম প্রকাশের আগ পর্যন্ত। বর্তমান সময়ের ফেসবুক নামক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যে অনেকের কাল হয়ে দাঁড়ায় সেটাই তুলে ধরেছেন লেখক সুন্দর ভাবে। সমাপ্তিতে এসে মনে হয়েছে " শেষ হয়েও হইলো না শেষ"। গল্পটা সামনে বই আকারে বের হবে। আমি প্রথম আলো ঈদ সংখ্যা ২০১৮ তে পড়েছি।
আজ থেকে পাঁচ বছর আগে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটা ভিডিওর কথা মনে পড়ে? যেখানে দেখা যাচ্ছে একটা ছেলে অপ্রকৃতিস্থভাবে আরেকজনকে মারছে । ঘটনার সূত্রপাত ছিল সাদিয়া নামের একটা মেয়ে । ভিডিওতে সে বারবার নিজের নাম বলছে আর ছেলেটাকে মেরেই চলেছে । ঘটনাটা মনে থাকলে এই নভেলাটা পড়ে দেখতে পারেন।
■ গল্পবাঁক
ধানমন্ডি ইংলিশ মিডিয়ামের প্রায় সমবয়সী দুজন "ও" লেভেলের ছাত্র । আগ্রাসী মনোভাবের ছেলেটা উন্মাদের মতো চড় থাপ্পড় লাথি মেরে যাচ্ছে তার সহপাঠীকে ৷ অন্য একজন সহপাঠী সেটা ভিডিও করছে ৷ মার খাওয়া ছেলেটা ভয়ে জড়সড় হয়ে কিছু একটা বোঝানোর চেষ্টা করছে । নিশ্চই মেয়েঘটিত কোনো ব্যাপার । সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপার তোলা এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ছেলেটা বারবার বলছে, "আমি জুলকারনাইন, আমার লগে গুটিবাজি করোস!"
ঘটনাটা নেহাত ঝোঁকের বশত করে ফেলায় জুলকারনাইন পরবর্তিতে ক্ষমা চেয়ে আরেকটা ভিডিও পোস্ট করে দেয় । কিন্তু এর পরপরই হঠাৎই জুলকারনাইন ছেলেটা খুন হয়ে গেলো । তদন্তে নামলো সাদামাটা, সৎ ও অভিজ্ঞ একজন পুলিশ অফিসার- নাম বাহাদুর ব্যপারী । সঙ্গে জুটলো 'লেজুর' । লোকটা নাকি লেখক । ক্রাইম রিলেটেড বইটই লেখে । এখন বাস্তবে স্পটে থেকে অভিজ্ঞতা নিতে চান । স্বয়ং আইজি সাহেবের আত্মীয় । অগত্যা তাকে সাথে নিয়েই শুরু হয় ইন্সপেক্টর বাহাদুরের ইনভেস্টিগেশন । প্রথমেই তারা হানা দেয় তাদের প্রথম সাসপেক্টের বাসায় । তার নাম ওয়ালি । এই ছেলেটাই ছিল ভিডিওতে যাকে জুলকারনাইন বেদম মারধোর করেছিল । বাস্তব ইনভেস্টিগেশন দেখতে এসে লেখকও ক্রমশ এই কেসে আগ্রহী হয়ে পড়লেন । পাশাপাশি বাহাদুরের হাত ধরে সামনে আসতে লাগলো নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য । কী হবে শেষমেষ? খুনীকে কি ধরতে পারবে ইন্সপেক্টর?
আমার কথা ------------- মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিনের লেখা মাত্র ৬৭ পৃষ্ঠার এই নভেলাটা ২০১৮ প্রথম আলো ঈদ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয় ৷ বই আকারে এবারের বইমেলায় বের হওয়ার কথা থাকলেও বের হয়নি । সত্য ঘটনার ওপর আশ্রয় করে লেখক গল্পটা ���িখেছেন । মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিনের লেখা সবসময়ই স্বয়ংসম্পূর্ণ । 'নাম তার জুলকারনাইন' নভেলাতেও লেখক তার ত্রুটি রাখেননি । থ্রিল, ইনভেস্টিগেশন সবকিছু বেশ সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন । তবে গল্পের শেষটা অনেকটা রবীন্দ্রনাথের 'শেষ হয়েও হইলো না শেষ'র মতো । আপনি কাহিনীর সাথে একাত্ম হয়ে যাবেন ঠিক এই সময়ে দেখবেন গল্পটা আশ্চর্যজনকভাবে শেষ হয়ে গিয়েছে । লেখক সম্ভবত কাহিনীটা বড় করে বই আকারে প্রকাশ করবেন । কেননা গল্পটা একপ্রকার অসম্পূর্ণ বলা চলে । তবে এরকম আকস্মিক এন্ডিং এ পাঠক মোটেই বিব্রত হবেনা । বরং এই গল্পের পরের অংশটা জানার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠবে । নভেলাটা পুরো করে নাজিমউদ্দিন ভাই পরেরবছর বইমেলায় প্রকাশ করুক সেই আশায় থাকবো ।
শুনলেন, বই : নাম তার জুলকারনাইন জনরা : ক্রাইম/মিস্ট্রি থ্রিলার(নভেলা) লেখা : মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন
সোস্যাল মিডিয়ায় এক ভাইরাল ভিডিও,এক ছেলেকে মেরে বিধব্ধস্ত করছে আরেক ছেলে,নাম কি?হ্যাঁ নাম তার জুলকারনাইন।
কদিন পর সেই জুলকারনাইন কে একটা ফ্ল্যাট এ এক মাদক ব্যবসায়ী সহ খুন করা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।সন্দেহের তীর স্বাভাবিকভাবেই যায় মার খাওয়া ছেলেটির উপর।কিন্তু সেই ছেলেটা সেইদিনের পর থেকে ঘর বন্দী অবস্থায়,এক চুল ও নড়তে দেয় নি ছেলেটার বাবা মা।তাহলে কে খুন করলো জুলকারনাইন কে??
ছিমছাম ফ্রেশ একটা নভেলা।সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে এই নভেলার প্রোটাগনিস্ট পুলিশ বাহাদুর ব্যাপারি কে। অন্য গল্পে পুলিশ যখন প্রোটাগনিস্ট হয় তখন তাদের কেমন দেখি?অ্যালকোহলিক,প্লে বয়,স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড ত্যাগ করে চলে যায় এমন অহরহ দেখা যায়।কিন্তু এখানে বাহাদুর হচ্ছে সত্যিকারের সৎ পুলিশ অফিসারের চরিত্র রিপ্রেজেনটেটিভ করেছে।কোন এক্সট্রা স্মার্টনেস নেই,কথায় কথায় সিগারেট ফুকা নেই যাকে সোজা কথায় টপ নচ একটা ক্যারেক্টর হিসেবে দেখিয়েছেন লেখক।
লাস্ট এর ছোট্ট টুইস্ট টা ছিল দারুণ।এজন্যই ভালোলাগা টাকে আরো ত্বরান্বিত করে দিলো।মোটের কথায় এক বসায় শেষ করার মতো বই।
শুরুটা মোটেই ভালো লাগেনি, বড্ড ধীর গতিতে এগিয়েছে। যেহেতু আগে লেখকের বাস্টার্ড সিরিজ পড়া আছে, তাই ধীর গতি নিয়ে এই বইটি পড়তে কষ্টই হচ্ছিল। এটা নাজিম উদ্দিনের লেখা মানতেই পারছি নাহ্। প্রচ্ছদটিও পছন্দ হয়নি।😔
কাহিনী সংক্ষেপ : একটা ছোট্ট বিষয় নিয়ে ঝামেলা বাঁধে জুলকারনাইন ও ওয়ালিউল্লাহ নামে দুটি ছেলের মধ্যে।এবং সেটা রীতিমতো হাতাহাতিতে নেমে আসে, জুলকারনাইন বেদম মারধর করে ওয়ালিউল্লাহকে । আর কোনো একজন এই মারপিটের দৃশ্য ভিডিও করে ফেসবুকে আপলোড করে দেয়।ভিডিও দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রক্রিয়া জুলকারনাইনের বিপক্ষে চলে যায়।পুলিশ এ ব্যাপারে সক্রিয় হয়ে উঠলে জুলকারনাইন আত্মগোপন করে।আর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায়েই তার এক মাদকসঙ্গীর সঙ্গে খুন হয় সে ।এরপর খুনের তদন্তে নামে ইন্সপেক্টর বাহাদুর ব্যাপারী(তাঁর সঙ্গে আছেন লেখক অনুপম হাসান)। কে খুন করে জুলকারনাইনকে ? সেদিনের মারপিটের সাথে কি খুনের কোনো যোগ আছে ?
ধানমন্ডির একটা ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ও লেভেলের দুইজন সমবয়সী ছেলে মারামারি লেগেছে।আগ্রাসী মনোভাবের ছেলেটা উন্মাদের মতো চড়-থাপ্পড় আর কিল-ঘুষি দিয়েই যাচ্ছে ভীত-সন্ত্রস্ত সহপাঠীকে। এই মারামারির সময় তাদের আরেক সহপাঠী এই মারামারি ভিডিও করে নেয়,আর এই ভিডিওতে আগ্রাসী ছেলেটা বারবার বলে 'আমি জুলকারনাইন, আমার লগে গুটিবাজি করোস!' . এই মারামারির পর ওয়ালির বাবা তাকে ঘরে বন্দী করে রাখে।ওয়ালি হলো ওই ছেলেটা যে মার খেয়ে গেছে আগ্রাসী ছেলেটার কাছে।ওয়ালির বাবা তিক্ত মুখে বলে উঠলেন ' ওই বদমাইশটা খুন হইছে!' ওই আগ্রাসী ছেলেটা মানে জুলকারনাইন একা খুন হয় নি তার সাথে আরেকজন খুন হয়েছে। ডাবল মার্ডার কেস! . জুলকারনাইনের মৃত্যুর আগে ওয়ালির সাথে তার ঝামেলা হওয়ার কারণে,পুলিশ ওয়ালিদের বাড়ি আসেন তদন্ত করতে।পুলিশের সাথে আসেন পোলো টি শার্ট পরা এক লোক।আরা তদন্ত করতে করতে আসল কোনো তথ্য খুঁজে পাচ্ছিলো না,যা থেকে খুনী অব্দি পৌঁছানো যাবে।পরে সামনে এলো এক অবাক করা তথ্য.......!
পাঠ প্রতিক্রিয়া- আমাদের আশেপাশে এমন কিছু মানুষ আছে যারা নিজের পছন্দের জিনিস বা তার মতো সেইম জিনিস অন্যকারো কাছে আছে তা পছন্দ করে না।এ নিয়ে অনেকে উগ্র ও হয়ে যায়।এ গল্পটা ঠিক তেমনটাই। বইটার শেষে যে টুইস্ট আছে,সেটাই সবচেয়ে মজা লাগছে। . 'আমি জুলকারনাঈন,আমার লগে গুটিবাজি করোস!' এই কথাটা জুস লাগছে। হায় হায়,নামটা ভুল লিখলাম ._. এর পরের টার্গেট কী আমি?
দুর্দান্ত না হলেও বেশ ভালো একটা নভেলা বলা যায়। ৬৭ পৃষ্ঠায় সুন্দর করে গুছিয়ে নিয়েছেন লেখার ডালপালা। ছোট করে লিখা লেগেছে বলেই হয়তো পরিমিতিবোধটাও সুন্দর দেখিয়েছেন লেখক। ভাইরাল কোনও টপিক থেকে গল্পের প্লট নেওয়াটা ভালো লাগেনি আমার। গল্পের লেখক চরিত্রের ফুফার কথাই মনে পড়েছে, "লেখকের গল্পের ভান্ডার ফুরিয়ে গেলো এতো দ্রুত!" তাই একটা নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট নিয়েই শুরু করেছিলাম। কিন্তু নাজিম উদ্দিনের লেখনীর জাদুতে বশ হলাম আবারও। শেষ চমকটাও সাধারণ হওয়াতেই যেন চমকপ্রদ লেগেছে। সব মিলিয়ে ৩.৮ র্যাটিং দেওয়া যায় আমার পক্ষ থেকে।
বইটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। খুব সাদামাটা গল্প ; তবে গল্প গতিময়। পুলিশ বাহাদুর ব্যাপারীর সাদাসিধা চিন্তাভাবনা এটা আমার কাছে ভালো লেগেছে; লেখক মোটেও পুলিশকে অনেক বেশি স্মার্ট দেখাতে চাননি৷তবে বইটা পড়ে অনেক বেশি থ্রিল পাবেন এরকম আশা না করাই ভালো। নভেলা হিসেবে বইটা ভালো ; ৬৮ পাতা থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় কিছু না আশা করাই শ্রেয়।
গল্পের উল্লেখ্যযোগ্য কিছু চরিত্র:
বাহাদুর ব্যাপারি লেখক (অনুপম হাসান) জুলকারনাইন ওয়ালী আরো অনেকে :)
This entire review has been hidden because of spoilers.
অবাক লাগলো এটা দেখে যে লেখক বইটা ২০১৩ সালে লিখেছেন। এখনকার নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়া নানান কেচ্ছা। সামান্য উনিশ-বিশ হলেই তুলকালাম বাঁধে, ফীড ট্রল-মিমে ভরে যায়, এমনই এক কেচ্ছার উপর লেখা গল্পটি। এখনকার ট্রাকের পিছনে আমরা দেখি 'নেশা নারী তাস তিলে তিলে সর্বনাশ ' এই বাক্যই জুলকারনাইনের জীবনে ফলে গেছে। জোড়া খুনের তদন্তে লেখক সঙ্গী হোন পুলিশ ইন্সপেক্টর বাহাদুর বেপারির সাথে। সম্পূর্ণ কেসের বর্ণনা-ইনভেস্টিগেশন উঠে এসেছে এই বইয়ে। ঝরঝরে লেখা ছোট্ট বইটি এক টানে শেষ করলাম ^_^ ``
This entire review has been hidden because of spoilers.
সুন্দর একখানা বই। লেখক তদন্ত প্রক্রিয়া বেশ সুন্দরভাবে পাঠকদের সামনে উপস্থাপন করেছেন। গল্পের গোয়েন্দা চরিত্রের মতো না তুলে বাস্তব জীবনের গোয়েন্দা বা তদন্ত চালিয়েছেন লেখক, বেশ উপভোগ্য ও গতিসম্পন্ন ছিল যাত্রাটা। বাহাদুর ব্যাপারি চরিত্রটাকে বেশ লেগেছে। কিন্তু বইটা শেষ করার পর মনে হলো, “শেষ হইয়াও হইল না শেষ!”
হুট করেই শুরু করি আর এক বসাতেই শেষ। বেশ দারুণ অল্পপরিসরে সুন্দর কাহিনি। থ্রিলার হলেও সুন্দর একটা মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করছে লেখক। আর বাহাদুর ব্যাপারিকে বেশ ভালো লাগছে, বুদ্ধিবৃত্তিক দিকটা না তুলে ধরে অভিজ্ঞতার ব্যাপারটাকে জোড় দিছে তদন্তের ক্ষেত্রে, এই ব্যাপারটা বেশ বাস্তবসম্মত মনে হইছে.....🙂