Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
গিরিবালা, স্বামীর অবজ্ঞা, অবহেলার শিকার এক সুন্দরী রমণী। স্বামী গোপীনাথের নিজের স্ত্রী অপেক্ষা যাত্রা পালার নায়িকাদের সাথেই বেশি সময় কাটানোর ঝোঁক রয়েছে। গিরিবালা সব সময় ভাবতো যাত্রা পালার মেয়েদের কি এমন আছে যা তার মধ্যে নেই। কেন সে সুন্দর হওয়া সত্বেও তার স্বামী অন্য মেয়েতে আসক্ত? একদা এক যাত্রা দেখে গিরিবালার মনে হয়েছিল কৃষ্ণ যখন রাধার পায়ের কাছে বসে নিজ কর্মের জন্য ক্ষমা ভিক্ষা করা সত্ত্বেও রাধা যেভাবে কৃষ্ণ কে প্রত্যাখ্যান করেছিল, ফিরিয়ে দিয়েছিল, যদি কখনো গোপীনাথ এসে তার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা চায় সেও ঠিক একইভাবে গোপীনাথ কে ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু যখন সুযোগ এসে গিরিবালার দুয়ারে দাড়ালো গিরিবালা তাকে প্রত্যাখ্যান তো দূরের কথা, তার অন্যায় আবদার বিনা প্রতিবাদে মেনে নিল। শুধু একটাই কামনা, সে রাতে যেন সে থেকে যায়।কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না। অগত্যা রাগে দুঃখে গিরিবালা বাড়ি ত্যাগ করে। এবং পরবর্তীতে যাত্রা দলে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে সে তার প্রতিশোধ নেয়।
মানভঞ্জন মানে অভিমান নিরসন। .. " ধনী সংসারের সুন্দরী গৃহবধূ গিরিবালা কিশোরী থেকে পূর্ণযৌবনে বিকশিত হওয়া সত্ত্বেও তার স্বামীর মন কিংবা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে না। গিরিবালা আশায় থাকে তার মনোহর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে হয়ত তার স্বামী একদিন চরণে নিজেকে সোপর্দ করে বলবে “দাসখত দিলাম লিখে শ্রীচরণে...
কিন্তু না, লেখকের ভাষায় বলি " কোনাে স্বেচ্ছাবিক্রীত ভক্ত আসিয়া দাসখত লিখিয়া দিয়া যায় না। " কেবলমাত্র পরিচারিকা একপাক্ষিক লেফাফাদুরস্তিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হত তাকে।
গিরিবালা আবিষ্কার করে গোপীনাথ যাত্রাপালার কুশীলব নারী অভিনেত্রীর প্রতি নিজেকে সমর্পিত করেছে। অথচ নিজের সুন্দরী, রূপসী স্ত্রীর প্রতি তার ব্যবহারের " না আছে রাগিণী, না আছে প্রীতি, তাহাতে কোনাে মোহ নাই, মাধুর্য নাই-—তাহা অত্যন্ত অকিঞ্চিৎক্ষর।"
একরাতে স্বামীকে ধরে রাখার একান্ত প্রচেষ্টাও যখন ব্যহত হয় উলটো আঘাত পেতে হয় গিরিবালার, সেসময়ের বিবরণ উঠে এসেছে এভাবে " কিন্তু অন্তুরের চীৎকারধ্বনি যদি বাহিরে শুনা যাইত, তবে সেই চৈত্রমাসের সুখসুপ্ত জ্যোৎস্লানিশীথিনী অকস্মাৎ তীব্রতম আর্তস্বরে দীর্ণ বিদীর্ণ হইয়া উঠিল। " এরপরে গিরিবালা আর সহ্য করতে পারে না। বাপের বাড়ির পথে রওয়ানা হয়। আর গোপী সেই কুশীলবকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপরেও সেই নাট্যদলের নাম চারদিকে বিপুল বিক্রমে ছড়িয়ে পরে নতুন এক মনোরমার কল্যাণে... কে এই মনোরমা? হ্যাঁ, পাঠক চাইলেই বুঝে নিতে পারে। স্ত্রীজাতির প্রতি অবজ্ঞা, অযথার্থ মুল্যায়ন এবং পরিশেষে নিজের ভুল বুঝতে পেরেও প্রায়শ্চিত্ত করতে না পারার যন্ত্রণায় দগ্ধতা -- রবীন্দ্রনাথ অনেক লেখনির সারাংশ সম্ভবত এরকমই।
This entire review has been hidden because of spoilers.
হইচই অ্যাপে ওয়েব সিরিজ দেখে ভালো লাগে, তারপর মূল বইটা জানার আগ্রহ জাগে। ভাষা কঠোর হলেও গল্প খারাপ না।
গোপীনাথ ও গিরিবালা এক নিঃসন্তান দম্পতি। গিরিবালা পূর্ণযৌবনা অতীব সুন্দরী হওয়া সত্বেও স্বামীর চোখে পড়ে না। স্বামী নেশায় মেতে ওঠে, রাতদিন বাইরে বাইরে কাটায়। এমনসময় থিয়েটারের নেশা গ্রাস করলো গোপীনাথকে। লবঙ্গ নামের এক নারী থিয়েটারে অভিনয় করতো, গোপীনাথ লবঙ্গকে নিয়ে মেতে উঠলো, তার আঁচলে বাঁধা পড়লো। এরপর লবঙ্গকে নিয়ে গোপীনাথ নিরুদ্দেশ হলে গিরিবালা লবঙ্গের জায়গা দখল করলো। সেই গিরিবালাই আবার রূপের জোয়ারে ভাসিয়ে আনল গোপীনাথকে।
I loved the subtlety yet the intense messages that this story puts forth for the readers. The portrayal of a Colonial Bengal, the tyranny of zamindars and the plight of women reduced to sex objects and child making machines is so real. This novel is certainly one of the bests by Tagore.