A taut, pacy exploration of the dark fantasy realm. Celebrated singer and composer Nachiketa's third literary work consisting of 1 novel and 5 stories is unputdownable!
Nachiketa Chakraborty is an Indian Bengali singer-songwriter, composer and writer who is known for his modern Bengali lyrics and natural mode of singing. He achieved fame in the early 1990s, with the release of his debut album Ei Besh Bhalo Achi.
He started composing and performing as a student of Maharaja Manindra Chandra College in North Kolkata,Shyambazar, an affiliated college of the University of Calcutta. In 1993 his first album Ei Besh Valo Achi was released; it was an instant hit. At the initial stage he had a huge youth fan following, but gradually he has touched listeners from all age groups. The colloquial language immediately hit the stagnancy of Bengali music in the early 90s. Following the path of Kabir Suman (the then Suman Chattopadhay), Nachiketa changed the age-old concept of Bengali lyrics.
ঠিক এখান থেকেই শুরু হলো রেড ফ্ল্যাগ(না আমি বাম প্রতীক এর কথা বলছি না, এই রেড ফ্ল্যাগ হলো বিপদ- ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত ) অর্থাৎ লেখকের এরপরের লেখাগুলির দিকে আর ফিরেও তাকানো চলবে না। নিজের মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে চাইলে। এর আগের বই বিপজ্জনক বারো একটা লেখাও প্রত্যক্ষ ভাবে পশ্চিমবঙ্গের সমকালীন রাজনীতি আলোচনা করেনি তাই তার রিভিউতেও সেই আলোচনায় যাইনি। কিন্তু এই বই শুধুই রাজনৈতিক আলোচনায় পুষ্ট নয় , ভাইপোর পিসির হাওয়াই চপ্পল চাটার রোগে দুষ্ট।
বাম আমলের অরাজকতা নিয়ে লেখক আগেও কারণে অকারণে লিখেছেন, তাঁর গল্পে রেফারেন্স টেনেছেন। কিন্তু এখানে ‘খুনিস অফ গুনিস’ গল্পে লিখছেন - কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০০টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে তাঁর নাকি পিলে চমকানোর অবস্থা, অনেক কষ্টে আগের নোটবন্দির জরুরি অবস্থা সামলেছে দেশবাসী।(আমার মনে হয় লেখকের জানা নেই কেন এই ২০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত, আর আগের ৫০০-১০০০ এর নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের থেকে এই সিদ্ধান্ত কতটা আলাদা। অবশ্য “পিলে চমকানোর” কারণ থাকতেই পারে লেখকের। যে ২০০০ টাকার নোটের ৩ বছর প্রোডাকশন নেই তা বান্ডিল বান্ডিল হয়ে লেখকের নেত্রীর ঘনিষ্টদের ফ্ল্যাট থেকেই তো বেরোচ্ছে। কী জানি লেখকের কাছেও কয়েক পেটি আছে হয়তো। ধরে নিলাম নেই। ধরে নিলাম নচিকেতার গল্পে ফালতু মেলোড্রামা আর জোর করে ইমোশনাল করার চেষ্টা থাকবেই। আগের বই দুটো থেকে বোঝা গিয়েছে , কিন্তু এবার যা লিখলেন
“রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রতিমা ব্যানার্জির(বেকার নাম আড়াল করতে গেলেন! নাম নিয়েই দালালিটা করতে পারতেন!) অনেক শত্রু ! তাতে কী? সেতো যিশু খ্রিষ্ট বা সুভাষচন্দ্রেরও অনেক শত্রু ছিল।”
“তা বলে সৎ উদ্দেশ্যকে সৎ বলব না? সারা দেশের সব রাজ্যগুলো মৌলবাদী শক্তিরা দখল করে নিয়েছে। সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে শুধু আমাদের রাজ্য ছাড়া গোটা দেশ কাঁপছে। তার কৃতিত্ব ওই মহিলাকে দিবি না!”
গুডরিডস এ এক স্টারের কম দেওয়া যায় না।নাহলে এই লেখা পড়ে লেখকের লেখার টেবিলে বমি করার যে ইচ্ছে হয়েছিল তাতে নেগেটিভ এ রেটিং দিলেও মন শান্ত হতো না।
সুস্থ মস্তিষ্কের পাঠকদের কাছে অনুরোধ “নচিকেতা অমনিবাস” পড়েছেন , “বিপজ্জনক বারো” পড়েছেন ভালো কথা।এই বই থেকে শত হস্ত দূরে থাকুন। একে টয়লেট পেপার করলেও টয়লেট পেপারের অপমান। চুলকানি অথবা জটিল কোনো চর্মরোগের শিকার হলে তার দায় লেখক নেবেন না।
এখন চারদিকে মানুষরূপী গিরগিটির সংখ্যা বেড়ে গেছে। সাবধান থাকুন সতর্ক থাকুন।
পুনশ্চ - ভাবছেন এই একটা লেখা ছাড়া বাকিগুলো পড়লে কেমন হয়? আমি বলব লাভ নেই । বাকি লেখাগুলোতে লেখকের আলসেমির ছাপ স্পষ্ট। শুধু শুধু সময় নষ্ট করানোর জন্য এই বই আর তার লেখক সত্যিই বিপজ্জনক আরও।