Jump to ratings and reviews
Rate this book

থ্রিলার জার্নাল #3

থ্রিলার জার্নাল ৩য় সংখ্যা

Rate this book
"থ্রিলার পাঠকদের আসর" গ্রুপ থেকে দুই বাংলার থ্রিলার, হরর, কল্পবিজ্ঞান এবং ফ্যান্টাসি সাহিত্যের অবস্থান আরও দৃঢ় ও প্রভাবময় করার জন্য আমরা যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছি তারমধ্যে থ্রিলার জার্নাল ম্যাগাজিন প্রকাশ করা অন্যতম।
থ্রিলার জার্নাল ১ম ও ২য় সংখ্যার সফলতার পর এবারে আমরা থ্রিলার জার্নাল এর ৩য় সংখ্যা প্রকাশ করতে যাচ্ছি।

এবারের সংখ্যাটি প্রকাশ করতে প্রিন্টিং এবং পাবলিশিং পার্টনার হিসেবে বাতিঘর প্রকাশনী যে সমর্থন এবং দিক নির্দেশনা দিয়েছে তা আমাদের জন্য ছিল কল্পনাতীত। কৃতজ্ঞতা রইলো প্রকাশনীর কর্ণধার মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভাইয়ের প্রতি। এছাড়াও রেডিও পার্টনার হিসেবে রেডিও ঢোল এবং এবারের ম্যাগাজিনে বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রতি রইলো অশেষ কৃতজ্ঞতা।

প্রতিবারের মতো এবারও আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যথেষ্ট সময় নিয়ে থ্রিলার জার্নাল ৩য় সংখ্যার জন্য প্রতিটি লেখা বাছাই করেছি।আগের থেকে কল্পনাতীত পরিমাণ বেশি লেখা আসায় এবারের লেখা বাছাই প্রক্রিয়া কিছুটা কঠিন এবং সময় সাপেক্ষ হয়েছে।
অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই যাদের লেখা এবারের সংখ্যায় সিলেক্ট হয়েছে। নিরন্তর শুভকামনা রইলো যাদের লেখা আমরা এবারের সংখ্যায় সিলেক্ট করতে পারিনি, তারা যেন হতোদ্যম না-হয়ে লেখালেখি অব্যাহত রাখে এই প্রত্যাশা রইলো।

থ্রিলার জার্নাল ৩য় সংখ্যায় সিলেক্টেড লেখার লিস্ট :

গল্পবাঁক

(উপন্যাসিকা) অগোচরা - মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
(ধারাবাহিক উপন্যাস) অলাতচক্রম (বাকশালীনের বন্দি) - সিদ্দিক আহমেদ
গুয়ায়ু - তানজিরুল ইসলাম
দোকানের নাম, তারপর আমাদের ভুবনে স্বাগতম - সালেহ আহমেদ মুবিন
অদ্ভুত গোরস্থান - মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী
বো - সৈয়দ আসির হা-মীম বৃন্ত
(শার্লক হোমস ফ্যান ফিকশন) ছদ্মবেশ - অ্যালান ব্রাডলি, অনুবাদ - সন্ধ্যাশশী বন্ধু
(ড্রেসডেন ফাইলস সিরিজ) কার্সেস - জিম বুচার, অনুবাদ - অয়ন ইসলাম
ডিফেন্স - লরেন্স ব্লোক, অনুবাদ - ইশরাক অর্ণব
স্ট্রবেরি স্প্রিং - স্টিফেন কিং, অনুবাদ - রাফিউল বারী
(ধারাবাহিক উপন্যাস) দ্য লেফট / রাইট গেম (৩য় পর্ব) - নিওন টেম্পো, অনুবাদ - যারীন আনজুম কথা
(গল্প পূরণ) আমি - আহসানুল হক রুদ্র


পাঠ পর্যালোচনা

থ্রিলার গল্প সংকলন ৪ - মোঃ সামিউল ইসলাম
নিঃশব্দ শিকারি - জাহিদুল ইসলাম রাজু


থ্রিলার কাব্য

চাওয়া - বাপ্পী খান


ক্যানভাসে থ্রিলার

ডিটেকটিভস - ওয়াসিফ নূর


চরিত্র পরিচিতি

(দ্য আর্টেমিস ফাউল সিরিজ) দ্বিতীয় আর্টেমিস ফাউলের সাক্ষাৎকার - ওয়েন কোলফার, অনুবাদ - ইমরান হোসেন


গল্পধাঁধা

খুঁত - অনন্যা নাজনীন


থ্রিলার সমাচার

একনায়ক গণ যারা করুণ পরিণতি বরণ করেছিল - নাজমুস সাকিব
এইচ. পি. লাভক্র্যাফট - মহাজাগতিক অন্ধকারের রাজপুত্র - লুৎফুল কায়সার
(গল্পের পেছনের গল্প) হার না মানা অন্ধকার - বাপ্পী খান
(সাক্ষাৎকার) আমি আমাদের নিজেদের একটা ডিটেক্টিভ ক্যারেক্টার তৈরি করতে চেয়েছি - সাদাত হোসাইন


এই হচ্ছে থ্রিলার জার্নাল ৩য় সংখ্যার জন্য সাজানো সকল বিষয় ও লেখাসমূহ।
আশা করি, সবসময়কার মতো এবারও আপনাদের সমর্থন পাবো। আপনাদের উৎসাহ ও ভালোবাসায় এগিয়ে যাক থ্রিলার পাঠকদের আসর। থ্রিলার পাঠকদের আসরের সকল মেম্বারকে থ্রিলার জার্নাল ৩য় সংখ্যা পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।

256 pages, Paperback

Published December 1, 2019

1 person is currently reading
109 people want to read

About the author

Mohammad Nazim Uddin

66 books1,540 followers
MOHAMMAD NAZIM UDDIN (Bengali: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন) is a writer and Translator of more than 26 novels..His original works are NEMESIS, CONTRACT, NEXUS, CONFESSION,JAAL, 1952: nichok kono number noy, KARACHI, RABINDRANATH EKHANE KOKHONO KHETE ASENNI and KEU KEU KATHA RAKHE. These six Thriller novels are highly acclaimed by the readers.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
16 (37%)
4 stars
17 (39%)
3 stars
9 (20%)
2 stars
1 (2%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Rakib Hasan.
464 reviews80 followers
January 1, 2020
থ্রিলার লাভারদের জন্য খুব ভাল একটা বই।
Profile Image for Amit Das.
179 reviews118 followers
February 8, 2025
বেশ কিছু ফিকশন ও নন-ফিকশন নিয়ে সাজানো হয়েছে জার্নালটি। ফিকশনগুলো (গল্পবাঁক, উপন্যাসিকা, অনুবাদ) নিয়ে আমার পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ-

খুব ভালো লেগেছে-

১. গল্পবাঁকঃ দোকানের নাম, তারপর আমাদের ভুবনে স্বাগতম-
পুরো জার্নালে সবচেয়ে ভালো লেগেছে সালেহ আহমেদ মুবিনের এই ছোটগল্পটি। প্লট অসাধারণ। এই প্লট নিয়ে বড়সড় কোনো লেখা ট্রাই করা যেতে পারতো বলে মনে হয় আমার।

২. উপন্যাসিকাঃ অগোচরা
কাহিনীতে নতুনত্ব বলতে গেলে তেমন কিছু নেই। গড়পড়তা ক্রাইম থ্রিলারগুলোর মতোই। কিন্তু নাজিম ভাইয়ের দারুণ বয়ানকৌশলে অনন্য হয়ে উঠেছে ছোটখাটো এই নভেলাটি। সাথে দুয়েকটা হাল্কা টুইস্ট এতে দিয়েছে বাড়তি মাত্রা। তবে উপন্যাসিকা না বলে বড় কোনো গল্প বলা যেতে পারে এটিকে।

৩. গল্পবাঁকঃ অদ্ভুত গোরস্থান
মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর লেখা এই গল্পটির কনসেপ্টও দারুণ। এর আগে ১ম সংখ্যায় লেখকের 'মেঘজন্তু' নামক গল্পটি বেশ ভালো লেগেছিল। এবার সেই ভালোলাগার মাত্রা অনেকাংশেই ছাড়িয়ে গেছে।

৪. গল্পবাঁকঃ ডিফেন্স
জার্নালের সবগুলো অনুবাদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো লেগেছে লরেন্স ব্লোক এর লেখা ইশরাক অর্ণবের এই অনুবাদটি। সত্যি কথা বলতে, অনুবাদ বলে মনেই হয়নি আমার। খুবই সাবলীল ছিল।

৫. গল্পপূরণঃ আমি
আহসানুল হক রুদ্র এরআগেও ১ম সংখ্যায় একটি গল্পপূরণ করেছিলেন। তবে এবার যেন তিনি নিজেকেই নিজে ছাড়িয়ে গেছেন। সত্যি বলতে এই গল্পপূরণটা নিয়ে এতটা এক্সপেক্ট করিনি আমি।

ভালো লেগেছে-

১. ধারাবাহিক উপন্যাসঃ অলাতচক্রম: বাকশালীনের বন্দি-
১ম অংশ ছিল এটি। ভালোই লেগেছে। পরবর্তী অংশগুলোর অপেক্ষায় আছি।

২. গল্পবাঁকঃ বো
কনসেপ্ট দারুণ। তবে লেখাটা কেমন যেন কিছুটা অগোছালো লাগলো। নয়তো এটাও খুব ভালোলাগার অংশে জায়গা করে নিতে পারতো।

৩. গল্পবাঁকঃ ছদ্মবেশ
অ্যালান ব্র‍্যাডলির লেখা। অনুবাদ করেছেন সন্ধ্যাশশী বন্ধু। বেশ ভালো।

৪. গল্পবাঁকঃ স্ট্রবেরি স্প্রিং
স্টিফেন কিংয়ের এই অসাধারণ গল্পটির অনুবাদ আরেকটু সাবলীল হলে দারুণ কিছু হতে পারতো। তবে খারাপ লাগেনি।

মোটামুটি লেগেছে-

১. গল্পবাঁকঃ কার্সেস
জার্নালের সবচেয়ে সাদামাটা অনুবাদ লেগেছে।

২. গল্পবাঁকঃ গুয়ায়ু
জার্নালের সবচেয়ে সাদামাটা মৌলিক গল্প। কনসেপ্ট অতিপরিচিত।

এছাড়া, নন-ফিকশনগুলোর মধ্যে লুৎফুল কায়সারের লেখা 'এইচ. পি. লাভক্র‍্যাফটঃ মহাজাগতিক অন্ধকারের রাজপুত্র' শীর্ষক থ্রিলার সমাচারটি খুব ভালো লেগেছে।
Profile Image for Anjan Das.
418 reviews17 followers
February 9, 2023
অনেকটা ইচ্ছে করেই কিনা।বইয়ের ফাঁকে ফাঁকে থ্রিলার একটা জার্নাল ট্রাই করে দেখলাম এবং বলতে হবে আমি পড়ে সন্তুষ্ট। লরেন্স ব্লোক এর "ডিফেন্স" গল্পটা সেরা পুরো জার্নাল এর মধ্যে।এছাড়া বাপ্পি খানের "অন্ধকার ট্রিলজি" শুরু হওয়ার ব্যাক স্টোরিটাও জোস লেগেছে।
Profile Image for Amin Choudhury.
63 reviews
January 3, 2020
মূল কনটেন্টের রিভিউ করার আগে জার্নালের ওভারঅল লুক নিয়ে কয়েকটা কথা বলে নিই।অন্য অধিকাংশ ম্যাগাজিনের মতোই পেপারব্যাক কভার।পেপারব্যাক হওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো দাম কমে যায় অনেকটা।পেপারব্যাক হলেও যথেষ্ট শক্ত ছিলো।প্রচ্ছদ দারুণ লেগেছে।তবে কভারে থ্রিলার জার্নাল লেখায় রেফটা ভালোমতো দেখা যাচ্ছিলোনা।আমি একজনকে জিজ্ঞেস করছিলাম এখানে কি লেখা পড়ো।যার এই জার্নাল সম্পর্কে ধারণা নাই।সে পড়ছে থ্রিলার জানাল।আসলেই রেফ দেখা যাচ্ছিলোনা।বাঁধাই মোটামোটি।তিনদিনে পুরোটা পড়েছি।তাতেই প্রচ্ছদ থেকে মূল বই খুলে গেছে অনেকটা।আমি খুবই যত্নের সাথে বই পড়ি।জানিনা শুধু আমার ক্ষেত্রেই এমন হয়েছে কিনা।কাগজ প্রিমিয়াম।সাইজও আমার পছন্দ হয়েছে।অন্যসব বইয়ের সাথেই এক শেলফে রাখা যাবে।

থ্রিলার সমাচার
একনায়কগণ যারা করুণ পরিণতি বরণ করেছিলো

এখানে মোট পাঁচজন স্বৈরশাসকের কথা বলা আছে।নিকোলাই চচেস্কু,বেনিতো মুসোলিনি,স্যামুয়েল ডো,সাদ্দাম হুসাইন,মুয়াম্মার গাদ্দাফি।চচেস্কু আর ডো কে আগে চিনতাম না।বেশ ভালো তথ্য দেয়া আছে।ভালো লেগেছে।লিখেছেন নাজমুস সাকিব।বানান ভুল আছে কয়েকটা।

উপন্যাসিকা
অগোচরা

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক জেতা এক শ্যুটার এশিয়ান গেমসে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলোনা একজন রাজনৈতিক নেতার কুটচালে।নেশার গভীর অন্ধকারে ডুবে গেলো সে।পর আশ্রয়ে বড় হওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিজের থাকার জায়গাটুকুও হারালো।এবার এক বড় ভাই তাকে নতুন স্বপ্ন দেখালো।তাতে জুটবে টাকা,নেয়া যাবে প্রতিশোধ আর সবচেয়ে বড় কথা এখানেও সে একজন শ্যুটারই।

ভালো লেগেছে গল্পটা।আনপ্রেডিক্টেবল।লিখেছেন সময়ের অন্যতম সেরা থ্রিলার লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন।উপন্যাসিকা না বলে ছোটগল্প বলাই সম্ভবত যুক্তিযুক্ত হবে।

পাঠ পর্যালোচনা
থৃলার গল্প সংকলন ৪

মোটা সাতাশটি গল্প স্থান পেয়েছে এই বইয়ে।প্রত্যেকটা গল্পের ২-৩ লাইনের মন্তব্য ভালো লেগেছে।পর্যালোচনা করেছেন মোঃ সামিউল ইসলাম।

পরের সংখ্যায় এক্সপেক্টেশন থাকবে আন্ডাররেটেড বইগুলোর রিভিউ পাওয়ার।যে বইগুলো সবাই চিনে সেগুলোর রিভিউ গ্রুপেই পাওয়া যাবে।আন্ডাররেটেড দুইটা বইয়ের রিভিউ আশা করবো পরের সংখ্যায়।

ধারাবাহিক উপন্যাস
অলাতচক্রম: বাকশালীনের বন্দী

রাবাল্লি বনের ভেতরে জন্ম থেকেই বাস করছে কারু।বাবার কাছ থেকে টিকে থাকার প্রয়োজনীয় সব প্রশিক্ষণ নিয়েছে।সুসম্পর্ক স্থাপন করেছে জঙ্গলের প্রাণীদের সাথে।বাবার আদেশে বিভিন্নসময়ে বন্দী করে আনে নানান প্রাণীকে।নতুন আদেশ পেলো কারু।এবার বন্দী করার বাধ্যবাধকতা নেই।শুধু পরাজিত করতে হবে।প্রাণীর নাম ঘাঘ।

অন্যদিকে বিন্ধ্য শহরে এসেছে দৃক।প্রতি তিনমাসে এখান থেকে জাওলিন যায় বড় কাফেলা।সেই কাফেলার সাথে জাওলিনের সবচেয়ে বড় গুরুকুলে যাবে দৃক।বেলিয়াল বংশের সদস্য হিসেবে সব জায়গায়ই আলাদা সম্মান পায় সে।তন্ত্র-মন্ত্রে দীক্ষিত এ পরিবারের বংশধরেরা।কি চায় এই জাদুকর?

ফ্যান্টাসি আমার প্রিয় জনরা।সিদ্দিক আহমেদের লেখা আগে পড়িনি।আমরা ততোটা ভালো লাগেনি প্রথম পর্ব পড়তে।হয়তো সামনে আরো ইন্টারেস্ট পাবো।ঘাঘের ইলাস্ট্রেশন ভালো লেগেছে।যিনি কাজ করেছেন তার ক্রেডিট দেয়া নাই।ক্রেডিট দেয়া উচিত ছিলো।

ধারাবাহিক অনুবাদ গল্প
দ্য লেফট/রাইট গেম

মূল লেখা নিওন টেম্পোর।অনুবাদ করেছেন যারীন আনজুম কথা।আগের পর্বগুলো পড়িনি।তাই এটাও পড়িনি।একসাথে সবগুলো পড়বো।

থ্রিলার কাব্য
চাওয়া

লিখেছেন বাপ্পী খান।থ্রিলার কাব্য না হরর কাব্য!ভালো লেগেছে অনেক।রক্ত চাই রক্ত চাই!

গল্পবাঁক
অদ্ভুত গোরস্থান

ভার্সিটি সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের সহযোগি অধ্যাপক জিব্রান আহমেদ।টিচিংয়ের পাশাপাশি সাইকোলজিক্যাল ডিজিজ সম্পর্কেও যথেষ্ট দক্ষতা রাখেন।সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের মেধাবী ছাত্রী রুমা।সে জিব্রানের কাছে আসলো ওর বাবার অদ্ভুত একটা সমস্যা নিয়ে।সমস্যার সমাধান করতে পারবে জিব্রান?আদৌ কোনো সমাধান আছে তো?

লিখেছেন মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী।এন্ডিং আনপ্রেডিক্টেবল।ভালো লেগেছে গল্পটি।যদিও প্লটের বিষয়ে আমার ধারণা কম।অনেকগুলো রোগের নাম দেয়া হয়েছে যেগুলো নাম আগে কখনো শুনিনি।এ গল্পের সম্পাদনা ভালো লাগেনি।বাবা/বড় কাউকে আমরা সাধারণত উনি/তিনি বলে সম্বোধন করি।এখানে বারবার উনি ব্যবহার না করে সে ব্যবহার করা হয়েছে।বিরক্ত লেগেছে এরকম পড়তে।

চরিত্র পরিচিতি
দ্বিতীয় আর্টেমিস ফাউলের সাক্ষাৎকার

কল্পিত এই চরিত্রের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আর্টেমিস ফাউল সিরিজের লেখক ওয়েন কোলফার।অনুবাদ করেছেন মোঃ ইমরান হোসেন।আমি এই সিরিজের বই পড়িনি।চিরকুট প্রকাশনী থেকে পুরো সিরিজ বের হলে একসাথে বক্সসেট নেয়ার ইচ্ছা।ছোটখাটো সাক্ষাৎকারটি ভালো লেগেছে।

গল্পবাঁক
কার্সেস

শিকাগো শহরের অন্যতম জনপ্রিয় বেসবল ক্লাব শিকাগো কাবস।১৯৪৫ সালে ওয়ার্ল্ড সিরিজের কোনো এক ম্যাচ দেখতে গিয়েছিল স্থানীয় এক পানশালার মালিক সিয়ানিজ।সাথে নিয়ে গিয়েছিলো পোষা ছাগলকে।বৃষ্টিতে ভিজে ছাগলের গা থেকে বোঁটকা গন্ধ বের হওয়ায় কিছু দর্শক অভিযোগ করেন তার পরিপ্রেক্ষিতে সিয়ানিজ ও তার পোষা ছাগলকে বের করে দেয়া হয় স্টেডিয়াম থেকে।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিয়ানিজ অভিশাপ দেয় যে কাবসরা আর কখনো লীগ জিততে পারবেনা।আশ্চর্যজনকভাবে তারপর আর কখনো লীগ জিততে পারেনি শিকাগো কাবস।

এতোদিন পরে কাবসরা হ্যারী ড্রেসডেনের কাছে হাজির হলো এর প্রতিকারের জন্য।হ্যারী পারবে অভিশাপের হাত থেকে ক্লাবটাকে রক্ষা করতে?

জনপ্রিয় ড্রেসডেন সিরিজের স্পিন অফ কার্সেস।ড্রেসডেন সিরিজ পড়ার ইচ্ছে থাকলেও নানান কারণে পড়া হয়নি।প্রথম পড়া গল্পটা এই সিরিজ পড়ার ইচ্ছেটা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।লেখক জিম বুচার।দারুণ এই গল্পটির অসাধারণ অনুবাদ করেছেন অয়ন ইসলাম।

গল্পের পেছনের গল্প
বইঃহার না মানা গল্প

স্পয়লার পাওয়ার আশংকায় এই সেকশনটা পড়িনি।'হার না মানা গল্প' লেখার পেছনের গল্প বলেছেন লেখক।সাথে উত্তর দিয়েছেন পাঠকের বিভিন্ন প্রশ্নের।এই সেকশনের আইডিয়াটা ভালো লেগেছে।পরবর্তী সংখ্যায় রবিন জামান খান/মাশুদুল হককে এই সেকশনে চাই।উনারা বইয়ের জন্য এতো তথ্য কিভাবে সংগ্রহ করেন জানার ইচ্ছা।এই ফাঁকে জানিয়ে রাখি হার না মানা গল্প সিরিজের দ্বিতীয় বই আসছে বইমেলায়।

গল্পবাঁক
গুয়ায়ু

অফিসের কলিগ সাদিক সাহেবের চীন থেকে আনা একটি মুখোশ ঘরে নেয়ার পরে থেকেই অদ্ভুত আচরণ করতে লাগল আশফাক সাহেবের একমাত্র মেয়ে রিমি।মুখোশ পড়লে নাকি এক বাচ্চা ছেলে কথা বলে ওর সাথে।আশফাক সাহেব নিজেও দেখলেন ব্যাপারটা সত্যি।এবার?

ছোটগল্পটি লিখেছেন তানজীরুল ইসলাম।উনার লেখা এই প্রথম পড়লাম।সাদামাটা প্রেডিক্টেবল কাহিনি।জার্নালের সবচেয়ে সাদামাটা গল্প।

ক্যানভাসে থ্রিলার
ডিটেক্টিভস

আর্ট করেছেন ওয়াসিফ নূর।উনার আঁকার সাথে পরিচিত হয়েছি থ্রিলার পাঠকদের আসর গ্রুপে উনার পোস্টগুলোর মাধ্যমে।উনি অসাধারণ।অসাধারণ বলতে আসলেই অসাধারণ।

গল্পবাঁক
ডিফেন্স

মার্টিন অ্যারেনগ্রাফ।নামকরা ক্রিমিনাল ল'ইয়ার।শতভাগ সাফল্য তার ক্যারিয়ারে।হারের স্বাদ পাননি কখনো।ডরোথি কালহান মার্টিনের কাছে হাজির হয়েছেন নিজের ছেলের কেস নিয়ে।নিজের বাগদত্তাকে খুনের দায়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছে ক্লার্ক কালহানকে।সব প্রমাণ তার বিরুদ্ধে।মার্টিন কিভাবে নির্দোষ প্রমাণ করবে তাকে?অথবা প্রমাণ হয়তো করতেই হবেনা।কেস আদালত পর্যন্ত গড়ালে তো!

এই সংখ্যার সবচেয়ে বেশী এক্সপেক্টেশন ছিলো এই গল্পটাকে নিয়ে।পুরোপুরি পূরণ করতে না পারলেও বেশ ভালো লেগেছে।অনুবাদ খুবই ভালো হয়েছে বলবোনা।তবে খারাপও হয়নি।মূল গল্পের লেখক লরেন্স ব্লোক।অনুবাদ করেছেন ইশরাক অর্ণব।

গল্পপূরণ
আমি

একাকী হাওড়ে বেড়াতে গেছেন এক জনপ্রিয় লেখক।উদ্দেশ্য একাকী থাকবেন কিছুদিন।সাথে লেখালেখিও চলবে।তাই নৌকা ভাড়া করে একাই হাওড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।পিংক ফ্লয়েডের গান গাইতে গাইতে আবিষ্কার করলেন একা নন তিনি।বরং আরো সাতজন তার সাথে আছে এখানে।তার থেকে বড় কথা সবাই তার মতোই!উঁহু, সবাই একজনই!সাতজন একই রকমের মানুষ!

এন্ডিং এক্সপেক্টেড হয়নি।খুবই ভালো প্লট সাজিয়েছেন লেখক আহসানুল হক রুদ্র।আগে এমন কিছু পড়িনি, মাথায়ও আসেনি।এন্ডিংটা আরেকটা চমকপ্রদ হলে থ্রিলার জার্নালের সেরা গল্প হতো এটি।এখানে আর একটা কথা বলার আছে।স্পয়লার হতে পারে।গল্পে ৫ম আমিকে দুইবার খুন করা হয়েছে।লেখক নিশ্চয়ই গল্পটা লেখার পর বারবার পড়েছেন।অ্যাডমিনগণ গল্প সিলেক্ট করার সময় পড়েছেন।তারপরে সম্পাদনা সংস্থার হাত হয়ে প্রিন্টে এসেছে।এটা কারো চোখে পড়লোনা মেনে নেয়া যায়না।

গল্পবাঁক
দোকানের নাম, তারপর আমাদের ভুবনে স্বাগতম

শহর থেকে দূরে মফস্বলে গেছে একলোক।খোঁজে বেড়াচ্ছে একটি দোকান।নামে অ্যান্টিক শপ।কিন্তু আসল উদ্দেশ্য?নিজের জন্য একটি জগত বানিয়ে নেয়া।অদ্ভুত না?কে এই অদ্ভুত দোকানের মালিক?নিজের জন্য আলাদা জগৎ বানিয়ে নেয়া আদৌ সম্ভব?সম্ভব হলেও এর বিনিময় কি?কথায় আছে না সবকিছুরই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে!

অসাধারণ প্লট।ভালো লেগেছে।লিখেছেন সালেহ আহমেদ মুবিন।তবে অনেকটা অসম্পূর্ণ মনে হলো।এই প্লটে আস্ত উপন্যাস লেখা সম্ভব।দারুণ একটা ফ্যান্টাসি হবে।

থ্রিলার সমাচার
এইচ. পি. লাভক্র্যাফট: মহাজাগতিক অন্ধকারের রাজপুত্র

থ্রিলার জার্নালের এই সংখ্যার প্রচ্ছদ উৎসর্গ করা হয়েছে এইচ. পি. লাভক্র্যাফটকে।তাকে নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন লুৎফুল কায়সার।অনেক তথ্য দিয়েছেন তিনি।লাভক্র্যাফটিয়ান হরর এখনো পড়া হয়নি।ইদানীং বেশ কয়েকজন অনুবাদক তাকে নিয়ে কাজ করছেন।আশা করছি অচিরেই পড়া হবে।তার আগে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার একটি জনরার জন্মদাতার সম্পর্কে পড়ে বেশ ভালো লেগেছে।আমার কাছে মনে হয়েছে থ্রিলার সমাচার জার্নালের একদম শুরুতে স্থান পাওয়ার কথা ছিলো।যেহেতু তাকেই উৎসর্গ করা হয়েছে প্রচ্ছদখানা।

গল্পবাঁক
ছদ্মবেশ

এক শান্ত শরতের বিকেলে পার্কে বসে ছিলো ডি ভোরস।মনোযোগের সাথে প্রত্যেককে যাচাই করেছে।একজন বাদে।নিপাট গাম্ভীর্যপূর্ণ চেহারার যখন চোখ বুলালো ভোরস তখন বুঝতে পারলো এ যেনতেন কোন লোক নয়।আতঙ্কের সাথে লক্ষ্য করলো লোকটা তার দিকেই এগিয়ে আসছে।কি চায় সে?

স্যর আর্থার কোনান ডয়েলের বিখ্যাত শার্লক হোমসের ফ্যান ফিকশন ছদ্মবেশ।লিখেছেন অ্যালান ব্র্যাডলি।দারুণ অনুবাদ করেছেন সন্ধ্যাশশী বন্ধু।খুবই ভালো লেগেছে বয়সের ভারে নুয়ে পড়া শার্লকের পর্যবেক্ষণ।বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি ক্ষুরধার।যৌবনের মতোই।

গল্পবাঁক
বো

ড. মাহফুজ আনাম নামকরা লেখক এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।এক সকালে নিজের বেডরুমে থেকে অচেতন উদ্ধার করা হলো তাকে।হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার জানালেন মারাত্মক ভয় পেয়েছেন তিনি।তাৎক্ষণিক শকে মৃত্যু না ঘটলেও কোমাতে চলে গেছেন।

এতোবড় একজন সেলিব্রেটির হঠাৎ কি হলো জানতে চায় সারাদেশের মানুষ।সে কাজই করছে 360 news এর রিপোর্টার নীলা চৌধুরী।ঘটনার একটু গভীরে ঢুকতেই বুঝলো অন্ধকার এক জগতে ঢুকে পড়েছে সে।একদমই একা!এরপর?

সম্ভবত এ সংখ্যার সেরা মৌলিক গল্প।আমার কাছে অন্তত তাই মনে হয়েছে।যেভাবে লেখক সৈয়দ আসির হা-মীম বৃন্ত আস্তে আস্তে একের পর এক রহস্যের জাল ছিঁড়েছেন তা প্রশংসার যোগ্য।এই প্লটটিও মনে হয়েছে বড় কোনো গল্পের জন্য পারফেক্ট।

পাঠ পর্যালোচনা
নিঃশব্দ শিকারী

প্রথমে খেয়াল করিনি আরেকটা রিভিউ আছে শেষের দিকে।এই বই সম্পর্কে আগে জানতাম না।নতুন বই সম্পর্কে জানানোর জন্য ধন্যবাদ জাহিদুল ইসলাম রাজুকে।বইয়ের লেখক জুলিয়ান।কাহিনি যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং।পড়ার ইচ্ছে রইলো।

গল্পবাঁক
স্ট্রবেরি স্প্রিং

স্ট্রবেরি স্প্রিং আসে আট বা দশ বছরে একবার।আসলে এটি মিথ্যা বসন্ত।লোককাহিনী অনুযায়ী এই মিথ্যা বসন্ত যত লম্বা হবে আগ��� শীতকাল তত দীর্ঘায়িত হবে।১৬ মার্চ ১৯৬৮ সালে ইংল্যান্ডের নিউ শ্যারন টিচার্স কলেজে এসেছিলো স্ট্রবেরি স্প্রিং।পুরো ক্যাম্পাস ঢেকে গিয়েছিল কুয়াশার আড়ালে।হয়তো এই কুয়াশার সুযোগ নিয়েই ক্যাম্পাসে খুন হলো এক শিক্ষার্থী।পরে আরো একজন।তারপরে আরো একজন…সিরিয়াল কিলার?নাকি অপার্থিব কুয়াশার নেশায় মাতোয়ারা এক সাধারণ ছাত্র?

স্ট্রবেরি স্প্রিং সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিলোনা।লেখক হিসেবে স্টিফেন কিং অনবদ্য।এই গল্পেও অন্যথা হয়নি।শেষ হওয়ার এক পাতা আগে পর্যন্ত সাসপেন্স ধরে রেখেছে।অনুবাদ একটু দুর্বল মনে হয়েছে।অনুবাদ করেছেন রাফিউল বারী।আরেকটু সাবলীল অনুবাদ হতে পারতো।

গল্পধাঁধা
খুঁত

চ্যালেঞ্জ নিছিলাম এ ধাঁধার সমাধান করবোই।একটা পেয়েছি আরেকটা খোঁজে যাচ্ছি।অনন্যা নাজনীন ভালোই ধাঁধা দিয়েছেন।উত্তর পেলে সাবমিট করবো।দেখা যাক!

সাক্ষাৎকার
আমি আমাদের নিজেদের একটি ডিটেক্টিভ ক্যারেক্টার তৈরী করতে চেয়েছি

হালের জনপ্রিয় লেখক সাদাত হোসাইনের সাক্ষাৎকার।সত্যি বলতে সাদাত হোসাইনের লেখা আমার ভালো লাগেনা।অন্দরমহল মোটামোটি লাগলেও নিঃসঙ্গ নক্ষত্র একদমই ভালো লাগেনি।উনার লেখা প্রথম থ্রিলার ছদ্মবেশ পড়িনি।সাক্ষাৎকারে থ্রিলার সম্পর্কে নানান প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।আসলে নানান প্রশ্নের জবাব দেননি।নানার কথা বলেছেন।টিপিএ থেকে উনাকে সম্ভবত মোট চারটা প্রশ্ন করা হয়েছে।বড় বড় উত্তর দিয়েছেন সেগুলোর।

এই হলো আমার থ্রিলার জার্নালের এই সংখ্যার মোটামোটি রিভিউ।আমার কাছে সবচেয়ে ভালো যে দিকটি লেগেছে তা হলো অনেক নতুন নতুন আইডিয়া কাজ করেছেন লেখকরা।সাধারণত এমনটা দেখা যায়না।হয়তো কোনো চাপ ছিলোনা বলেই নতুন প্লট নিয়ে কাজ করার সাহস করতে পেরেছেন তারা।মোটামোটি সব গল্পের শেষেই বলতে হয়েছে দারুণ প্লট তো!তবে আক্ষেপও আছে।এতো সুন্দর সুন্দর প্লট নিয়েও সবগুলো গল্পের এন্ডিং মনমতো হয়নি।আমার কাছে অভিজ্ঞ লেখকদের থেকে নতুন লেখকদের লেখা বেশী ভালো লেগেছে।অনুরোধ থাকবে শুধু নামের জোরে যেনো কোনো লেখকের লেখা পরবর্তী সংখ্যায় স্থান না পায়।

এই জার্নালের সাথে জড়িত অনেক নতুন লেখক এবং যারা প্রকাশনায় জড়িত তারাও অনেকেই নতুন।তাই সমালোচনা করতে চেয়েছি কড়াভাবে।যাতে পরবর্তী সংখ্যা আরো সুন্দর হয়।আরো ভালো একটি জার্নাল পাবো সামনে এই প্রত্যাশা করছি।শুভকামনা সবাইকে।

থ্রিলার জার্নাল ৩য় সংখ্যা
প্রকাশক:থ্রিলার পাঠকদের আসর
পাবলিসিং পার্টনার:বাতিঘর প্রকাশনী
পৃষ্টা:২৫২
মুদ্রিত মূল্য:১৭০ টাকা
Profile Image for Mohammad Kamrul Hasan.
364 reviews16 followers
March 29, 2020
📚 বই নিয়ে আলোচনা

বই - থ্রিলার জার্নাল (৩য় সংখ্যা)
ধরন - ম্যাগাজিন
সম্পাদনা - বীক্ষণ সম্পাদনা সংস্থা
প্রকাশনায় - থ্রিলার পাঠকদের আসর (ফেসবুক গ্রুপ)
পাবলিশিং পার্টনার - বাতিঘর প্রকাশনী
মলাট মূল্য - ১৭০ টাকা
পৃষ্ঠা - ২৫৬

-- প্রথমে ধন্যবাদ গ্রুপের আয়োজকদের এতো সুন্দর একটি উদ্যোগ নেয়ার জন্য। এটার মাধ্যমে আমরা অতি চমৎকার সব দেশী বিদেশী গল্প পড়তে পারছি এবং নতুন নতুন লেখকের সাথেও পরিচিত হতে পারছি। এটা খুবই উত্তম সিদ্ধান্ত।

(আমার এই রিভিউটা একটু বড় হওয়াতে আমি ঠিক করেছি পর্ব করে পোস্ট করবো। আর এটা দুই পর্বে শেষ হবে ইনশা আল্লাহ।)

--এখন প্রোডাকশন নিয়ে কিছু বলি। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে বের করা হয়েছে তাই মানটাও উন্নত থাকবে এমটাই ধারনা করেছিলাম। তবে আমার সেই ধারনা সফল ছিলো ৮০ ভাগ। শতভাগ না হওয়ার কারণ হচ্ছে, এই বইটার পাশাপাশি ভারতীয় ‘অলৌকিক’ বইটা পড়ছিলাম। ঐ বইটাও পেপারব্যাক এবং অনেকটাই একই সাইজের। তবে তাদের কাজের সাথে এটার কিছু অমিল ছিলো। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমার থ্রিলার জার্নাল বইটার প্রচ্ছদটির বইয়ের বাইন্ডিং থেকে খুইয়ে যাচ্ছে। কারণ সেখানকার আঠা শুকিয়ে গেছে বা খুব কম পড়েছে। এছাড়া মোটামুটি ঠিক আছ।
(আমি আমার সাধারণ চোখে বললাম কথা কটা। আমি বিশেষজ্ঞ কেউ না। তাই প্রোডাকশন নিয়ে কিছু বলাটাও বেশি মনে করছি। কিন্তু আমার বইয়ের ক্ষতি দেখলে আমার ভালো লাগে না)

-- এবার হটকেক সমৃদ্ধ গল্পগুলো নিয়ে কিছু বলি। যত্তসব অসাধারণ গল্প 😋

🔹 একনায়কগণ যারা করুণ পরিণতি বরণ করেছিলো / নাজমুস সাকিব -
এটা একটা থ্রিলার সমাচার। পৃথিবীর বেশকিছু ক্ষমতাধর রাষ্ট্র নায়ক মৃত্যু বরণ কেন অনেক করুণ ভাবে। যেমন এ তালিকাতে আছেন বেনিতো মুসোলিনি, নিকোলাই চচেস্কু, মুয়াম্মার গাদ্দাফির মতো ব্যাক্তিরা। কী করে এসব নেতাদের এ হাল হলো তারই সংক্ষিপ্ত কিন্তু সুন্দর ভাবে আলোচনা করেছেন লেখক

🔹 অগোচরা / মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন -
দেশখ্যাত শুটার অলিম্পিকে চান্স পেয়েও অংশগ্রহন করতে পারলো না মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এক ভাগিনার জন্য। সেই থেকে হতাশায় ভুগতে থাকে সে। তারপরই আস্তে আস্তে চলতে থাকে অন্ধকার এক পথে। তার চোখের সামনে খুলতে থাকে একে একে রাজনীতির অজানা সব অধ্যায় গুলো। যা দেখে সে হতবাক। কিন্তু কে দায়ী এই সম্ভবনাময় ছেলেটির জীবন ধ্বংসের পেছনে? সে কী বের হতে পারবে এই কানাগলি থেকে? অসাধারণ এক ক্রাইম থ্রিলার।

🔹 থৃলার গল্প সংকলন ৪ (পাঠ পর্যালোচনা) / মোঃ সামিউল ইসলাম -
বাতিঘর প্রকাশনী থেকে মোঃ নাজিম উদ্দিন এর সম্পাদনায় ‘থৃলার গল্প সংকলন ১ - ৪ ’ বের হয়। এই পাঠ পর্যালোচনাটি সংকলনের ৪ নম্বর বইয়ের। বইটিতে দেশী মৌলিক থ্রিলার গল্প সহ বিদেশী থ্রিলার গল্প যোগ করা হয়। পাঠ পর্যালোচনা থেকে জানতে পারি যে বিদেশী থেকে আমাদের দেশী লেখকদের মৌলিক গল্প গুলো ছিলো অসাধারণ। ধন্যবাদ তাঁকে সুন্দর আলোচনার জন্য।

🔹 চাওয়া / বাপ্পী খান -
এটা একটি থ্রিলার কাব্য। আমি আসলে কবিতা বুঝি না। কবিতা আমার কাছে বীজগণিতের মতো লাগে। তাই কবিতাটি পড়েছি তবে বুঝিনি। তবে সাধুবাদ জানাই লেখককে। কারণ থ্রিলার নিয়ে কবিতা হয় আমি জানতাম না। এরকম কষ্টসাধ্য কাজ করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ।

🔹 অদ্ভুত গোরস্থান / মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী -
এটা গল্পবাঁক। কিন্তু কী গল্পবাঁক বুঝিনি। তবে গল্পটা অসাধারণ ছিলো। অনেকটা সায়ন্সফিকশনের মতো মনে হলো আমার কাছে।
যাইহোক গল্পটা এরকম, কোনো এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের তরুণ প্রফেসর জিব্রান আহমেদ। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন মানুষ। একদিন বিকালে তার কাছে তারই এক ছাত্রী দেখা করতে আসে। ছাত্রীটি তার বাবার সম্পর্কে কিছু কথা বলেন।ছাত্রীর বাবার অসুবিধার কথা শুনে তিনি তার সাথে দেখা করতে যান। গিয়ে ছাত্রীর বাবার কাছ থেকে অদ্ভুত সব কথা শুনে আসেন।কিন্তু কথা গুলো খুবই চমৎকার এবং যুক্তিগত ছিলো। স্যার পরদিন মেয়েটিকে তার সমাধানও দিয়েদেন। এ ঘটনার দুইমাস পর তিনি জানতে পারেন যে মেয়েটির বাবা মারা যান গত দুইবছর আগে। তাহলে দুইমাস আগে তিনি কার সাথে কথা বলে আসলেন? আর মেয়েটি কেনে তার বাবাকে নিয়ে মিথ্যা বলবে? গল্পটি আমার চমৎকার লাগে।

🔹 দ্বিতীয় আর্টেমিস ফাউলের সাক্ষাৎকার / মূল - ওয়েন কোলফার / অনুবাদ - মোঃ ইমারন হোসেন-
আর্টেমিস ফাউল আমার এখনো পড়া হয়ে উঠেনি। তবে সাক্ষাৎকার পড়ার পর মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি পড়তে যাচ্ছি। ধন্যবাদ অনুবাদককে।

🔹 কার্সেস / মূল-জিম বুচার/ অনুবাদ- অয়ন ইসলাম-
হ্যারি ড্রেসডেন সিরিজের স্পিন অফ গল্প এটি। মূল সিরিজের সাথে এর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
যাইহোক গল্পে নায়ক হ্যারি ড্রেসডেন। তিনি যাদুবিদ্যায় পারদর্শী।এটাকে তিনি প���শা হিসেবে নিয়েছেন। এবং বেশ সুনামও অর্জণ করে। তার কাছে সনামধন্য এক বেসবল টিমের কর্তাব্যাক্তি সাহায্যের জন্য আসেন। কারণ তার টিমের উপর এক অভিশাপ আছে। যার জন্য তার টিম প্রতিবার ভালো খেলে ফাইনালে গেলেও হেরে যায়। এখন ড্রেসডেন কী এই টিমের সুনাম ফিরিয়ে আনতে পারবে? গল্পটা তেমন ভালো লাগেনি। তবে গল্পের বর্ননা শৈলী এবং সাবলীল অনুবাদের জন্য সাধারণ গল্পও অসাধারণ হয়ে উঠেছে।

🔹 হার না মানা অন্ধকার, গল্পের পেছনের গল্প / লেখক-বাপ্পী খান -
যেকোনো গল্প লেখার পেছনে লেখকের কিছু না কিছু নিজস্ব গল্প থাকে। সেরকমই গল্পের পেছনের গল্প বললেন লেখক বাপ্পী খান। অনেক কিছুই জানতে পারলাম সেখানে। মজার ব্যাপার হচ্ছে লেখকে আমি নিজেও কিছু প্রশ্ন করেছিলাম। সেগুলোর উত্তরও সেখানে দেয়া হয়েছে। যা জানতে পারলাম তাতে আমার ধারণাই পালটে গেছে। লেখকের দ্বিতীয় বইয়ের অপেক্ষাতে রইলাম।

🔹 গুয়ায়ু / তানজিরুল ইসলাম -
এখানে একটি মুখোশ নিয়ে কাহিনী। গল্প কথকের মেয়েকে তার কলিগ চীনের একটি মুখোশ উপহার দেন। আর এই মুখোশ পড়েই মেয়েটা যেন কেমন হয়ে গেছে। চঞ্চল একটা মেয়ে কেমন ঝিম মেরে থাকে সবসময়। এখন কথকের সন্দেহ এই মুখোশ পড়েই তার মেয়ের কোনো অনিষ্ট হচ্ছে। কিন্তু সত্যি কী তাই? গল্পটা মোটামুটি ভালো লেগেছে। আর গল্পটির একটা দোষ হচ্ছে অহেতুক বর্ননা করে কাহিনী লম্বা করা হয়েছে। তবে লেকের জন্য শুভকামনা থাকবে। কারণ তার লেখার হাত ভালো।

🔹 ডিটেক্টিভস / চিত্রকর - ওয়াসিফ নূর - শার্লক হোমস, এয়ারকুল পোয়ারো, মিস মার্পল সহ বেশ কিছু বিখ্যাত রহস্যময় গোয়েন্দাদের ছবি এককথায় অসাধারণ এঁকেছেন।

🔹 ডিফেন্স / মূল- লরেন্স ব্লোক / অনুবাদ- ইশরাক অর্ণব -
যেসব কেস অন্য উকিলরা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করে সেখানে সেসব কেসই ‘মার্টিন অ্যারেনগ্রাফ’ নিয়ে থাকেন। এবং সফলও হন। তবে তার জন্য আসামি পক্ষকে গুনতে হয় বিশাল অংকের অর্থ। কিন্তু কীভাবে তিনি একাজ করেন? তার কাছে কেস নিয়ে আসেন আসামির মা। তার ছেলে খুনি বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবু তিনি তার ছেলেকে নিরপরাধ করাতে চান। বা জেল থেকে বের করতে চান। কিন্তু এই কেস কেউ নিতে আগ্রহ দেখায় না। তাই সব শেষে তিনি আসেন মার্টিন অ্যারেনগ্রাপের কাছে। আর উকিলও কেসটা নিয়ে নেন। এই কেস কী ভাবে হ্যান্ডেল করেন উকিল এটাই হচ্ছে আসল মজা।
অনুবাদ বলে মনেই হয়নি। ধন্যবাদ অনুবাদককে।

🔹 আমি / আহসানুল হক রুদ্র -
এই সেগমেন্টা আমার কাছে খুবই চমৎকার লেগেছে। যেখানে একটা গল্পের শুরুটা দেয়া থাকবে, সেখানে আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা সেই শুরুর বাকিটা টেনে নিয়ে যাবে নিজেদের মতো করে। টিপিএ কর্তৃপক্ষ এই সদস্যের গল্পটি পছন্দ করেছেন। আমি মনে করি তারা একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গল্পটার আর রিভিউ করলাম না। কারণ গল্পটার রিভিউ করার মতো কিছু খুঁজে পাচ্ছি না আমি। তাই আপনাদের পড়া আমন্ত্রণ রইলো। আশাকরি হতাশ হবেন না।

🔹 দোকানের নাম, তারপর আমাদের ভুবনে স্বাগতম / সালেহ আহমেদ মুবিন
আচ্ছ, আপনি অপরাধ করবেন আবার সেটা নিয়ে কিছু হবে না, কেউ কিছু বলবে না তেমন কী কখনো হয়? নাকি হওয়া উচিৎ? গল্পের কথক একটা দোকানের সন্ধানে আছে। কানা মজিদের পরামর্শে সে এই এলাকাতে আসে। তার নতুন জগৎ দরকার এখন। এই জগতে অনেক সমস্যা তার। সে একটি পলিটিকাল দলে ছাত্র নেতা। নেতার কথা মত অনেক কাজ করেছে। যা তার চোখে তেমন অপরাধ না। কারণ অপরাধ হলে তার দলের মানুষরা অন্তত তাকে বাহবা দিতো না। তবে কিছুদিন আগে তার কলেজের এক ছেলেকে একটু বেশিই মারধর করে ফেছিলো। যার ফলে ছেলেটা তখন মারা যায়। তারপর থেকেই মিডিয়া সহ ছেলেটার সহপাঠীরা উত্তেজিত হয়ে পরে। এসব আর তার আর ভালো লাগছে না। তাই সে ভিতরের জগতের সন্ধান করছে। যে জগৎ সবার সামনেই থাকে কিন্তু সাধারন মানুষ তা দেখে না। পাবে কী সেই জগতের খোঁজ?
সালেহ আহমেদ মুবিন ভাইয়ের ব্যাতিক্রমধর্মী কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপট নিয়ে গল্প লেখাটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। শুভকামনা রইল তাঁর জন্য।

🔹 এইচ পি লাভক্র্যাফটঃ মহাজাগতিক অন্ধকারের রাজপুত্র / লুতফুল কায়সার -
এটা গল্প নয়। এটা গল্পের চাইতেও বেশি কিছু ছিলো। ব্যাতিক্রম ধাঁচের হরর গল্প লেখকের জনক এই লাভক্র্যাফট। তার সংক্ষিপ্ত জীবনি অতি সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। অদ্ভুত ভালো লেগেছে লাভক্র্যাফটের এই সমাচারটি পড়ে।

🔹 ছদ্মবেশ / মূলঃ অ্যালান ব্র্যাডলি / অনুবাদঃ সন্ধ্যাশশী বন্ধু -
শহরের একটি বাড়িতে এক লোক খুন হন। লাশ সনাক্ত করেন মৃতের স্ত্রী। কিন্তু সেই স্ত্রীকে পুলিশ দোষারোপ করতে পারছে না। কারণ কোনো প্রমান নেই। অন্যদিকে হত্যাকান্ডর স্থান থেকে প্রায় দুই মাইল দূরের একটি পার্কে বসে থাকা এক লোকের সাথে অদ্ভুত রকম আলাপ করে যাচ্ছে সরকারি চাকরির ইউনিফর্ম পরিহিত লোকটি। ইউনিফর্ম পরা লোকটিকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি কোনো ছদ্মবেশে আছেন। এবং তার অবজারভেশন ক্ষমতা অসাধারণ। সেই ছদ্মবেশ ধারী লোকটিই শেষে এমন চমক দেখায় যে পার্কের বেঞ্চে আগে থেকে বসে থাকা লোকটি বেশ চমকে যায়। কিন্তু কেন? আর লোকটিই বা কে?
সারা বইতে এই গল্পটা আমার পছন্দের শীর্ষে থাকবে। ধন্যবাদ অনুবাদককে সুন্দর অনুবাদ করার জন্য।

🔹 বো / সৈয়দ আসির হা-মীম বৃন্ত -
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর গতকাল রাতে হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু সন্দেহ করা হচ্ছে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। কিন্তু কেন?
অন্যদিকে সাংবাদিক নীলা চৌধুরীর কাছে অপরিচিত একজন এসে বলে যায়, প্রফেসরকে হিপনোটিজম করে হত্যা করার চেষ্টা করা হতে পারে। নীলা চৌধুরী এই তথ্য অনুসন্ধান করে বিশাল এক ঘটনার মুখোমুখি হন। ঠিক যেমনটা কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে যাওয়ার মতো ব্যপার।
ধন্যবাদ লেখকে সুন্দর গল্পটি লেখার জন্য

🔹 নিঃশব্দ শিকারী (পাঠ পর্যালোচনা) / জাহিদুল ইত্যাদি রাজু -
একটা কথাই বলা যায়, পর্যালোচনাটি পড়ে বইটি এখনি পড়তে ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ ভা।

🔹 স্ট্রবেরি স্প্রিং / মূলঃ স্টিফেন কিং / অনুবাদঃ রাফিউল বারী।
প্রতি আট দশ বছর পর পর এখানে স্ট্রবেরি বসন্ত আসে। সেদিন চারপাশের বরফগুলো গলতে থাকে। চারপাশে শীত কমতে থাকে। কিন্তু বাড়তে থাকে কুয়াশা। আর এমনই এক স্ট্রবেরি বসন্তে ঘটে কিছু খুন। পর পর কিছু নারী খুন হতে থাকে। পুলিশ সহ গোয়েন্দারা পর্যন্ত সেই সিরিয়াল খুনিকে ধরতে ব্যর্থ। এই ঘটনাটা এই বছরের বসন্তের আট বছর আগের কথা। আবার ঘুরে আসলো সেইরকম দিন। সেই কুয়াশা। কী হবে এবার?
গল্পটা যথেষ্ট চমৎকার। তবে অনুবাদ আমার পছন্দ হলো না। জানি কেন এমন হলো? মূল বইয়ের লেখাই কী এমন কিনা বুঝতে পারছি না। তবে অনুবাদককে ধন্যবাদ সুন্দর গল্পটি দেয়ার জন্য।

🔹 খুঁত / অনন্যা নাজনীন -
গল্পটা মূলত একটি ধাঁধা ছিলো পাঠকদেন জন্য।
যেমন, ডিবি অফিস থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কেস ফাইল চুরি যায়। এবং সেই ফাইলটি শত্রুর হাতে চালন করে দেয়। এখন ফাইলটি চুরির আগে যখন সরটি সংগ্রহ করে আনা হয়, তখন সেখানে তিনজন অফিসার ছিলো। মোটামুটি নিশ্চিত তিনজনের একজন এই দুষ্কৃতকারী। কিন্তু সবকিছু উল্টে দিয়ে দোষী সাবস্ত হয় সম্পূর্ণ বিপরীত একজন।
খুব চমৎকার। তবে আমি এই গল্পের খুঁত ধরতে পারলাম না। অপেক্ষায় থাকলাম পরের সংখ্যায় উত্তরের জন্য।

🔹 লেখক সাক্ষাৎকার / সাদাত হোসেন-
বর্তমান পাঠক আলোচিত লেখক সাদাত হোসেনের একটি সুন্দর সাক্ষাৎকার নেন টিপিএ,র সদস্যরা। আর এই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে লেখকের লেখার থ্রিলার লেখার কথা। তার পছন্দ অপছন্দ। প্রিয় লেখক এবং প্রিয় বই সম্পর্কে। এবং সব শেষ তাঁর ভবিষ্যৎ চিন্তা। ভালো লা��লো তাঁর চিন্তা ভাবনা গুলো।

--এছাড়াও দুইটি ধারাবাহিক উপন্যাস ও অনুবাদ গল্প ছিলো। আমি প্রথম থেকে পড়িনি বলে তার আলোচনা করলাম না। তবে পড়ে নিবো খুব দ্রুত।

সবশেষ আবারো ধন্যবাদ ‘থ্রিলার পাঠকদের আসর’ গ্রুপের সকল এডমিন এবং মডারেটস সহ সকল আয়োজকদের। বইটি নিয়ে খুব সুন্দর উপভোগ্য সময় পার করেছি।

ধন্যবাদ।
© মোঃ কামরুল হাসান

📚 বই হোক আপনার, আপনি বইয়ের 📚
Profile Image for Zahidul.
450 reviews95 followers
Read
December 31, 2019
২৫৬ পেইজের এই সংখ্যার রিভিউ লিখতে গেলে ২৫৬ পেইজের বেশি লেগে যাবে ! থ্রিলার সাহিত্য সম্পর্কে আগ্রহী সবাইকে থ্রিলার জার্নাল ৩য় সংখ্যা পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
721 reviews12 followers
April 22, 2020
মাসুদ রানার মতন বিদেশি কাহিনির নকলের যুগের অবসান ঘটে, যখন বাংলাদেশে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মৌলিক থ্রিলার লেখা শুরু করেন। তিনি যে জোয়ার নিয়ে আসেন, তারই এক ফসল ফেসবুকের থ্রিলার পাঠকদের আসর গ্রুপের প্রকাশনা এই থ্রিলার জার্নাল।
এটার আগে দুটি সংখ্যা বেরিয়ে গেছে। সুতরাং সম্পাদকের কাছে আশা ছিল বানান, ট্রানজ়িশনের মাঝে শূন্যস্থান প্রদান বা অলঙ্করণ ও প্রচ্ছদে দক্ষ আঁকিয়ের সাহায্য নেওয়া–সেটা পরিলক্ষিত হলো না। আমি মনে করি, সূচিপত্র থেকে আরম্ভ করে গোটা বইয়ের নকশা নান্দনিক হতে পারত। লাভক্রফটের যে প্রতিকৃতি কাভারে দেওয়া হয়েছে, সেটা গুগলেই মেলে। সেখানে উদ্ভাবনী হতে পারত।
তবে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের উপন্যাসিকার বাঁকগুলো বা 'বো'-এর মতন গল্পে মন ভরে গেছে সত্যি। পছন্দ হয়েছে সাদাত হোসাইনের সাক্ষাৎকারও।
বাপ্পী খান থ্রিলার কবিতা লিখেছেন। ভালো আইডিয়া। কিন্তু কবিতাটার সঙ্গে থ্রিলিং অনুভূতি আসে নি।
করোনা-অতিমারির পর আরো পরিণত একটা সংখ্যা পাবো আশা রাখি।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.