‘দি হবিট’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৭ সালে। ১৯৫১ সালে বইয়ের দ্বিতীয় সংস্করণে(পঞ্চম ইম্প্রেশন) বইয়ের পঞ্চম অধ্যায়ে বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন লেখক। ঐসময় ‘দি লর্ড অব দা রিংস’ নিয়ে কাজ করছিলেন টোলকিন। ‘দি হবিট’ আর ‘দি লর্ড অব দা রিংস’-এর স্টোরি লাইনে মিল আনার জন্যই পরিবর্তনটুকু আনা হয়েছিল। ১৯৬৬ সালে বের হয় তৃতীয় সংস্করণ। এবারেও বেশ কিছু পরিমার্জন করা হয়। অনুবাদের ক্ষেত্রে আমরা এই তৃতীয় সংস্করণটিকে মূল বই হিসেবে ব্যবহার করেছি। লেখকরা মাঝেমাঝেই লেখার ক্ষেত্রে নিজের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করেন। ‘দি হবিট’-এর ক্ষেত্রেও এমনটা হতে পারে। লেখক টোলকিনের এক আন্টির ফার্মের নাম ছিল ‘ব্যাগ এন্ড’। বিলবোর বাড়ি। আবার ১৯১১ সালে টোলকিনের বসন্তটা কেটেছিল সুইজারল্যান্ডের মিস্টি মাউন্টেন্সে বন্ধুদের সাথে হাইকিং করে। এই বইয়ের একটা বড় অংশ জুড়ে আছে মিস্টি মাউন্টেন্স। বইয়ে দানব মাকড়শাদের দেখা পাবেন পাঠক। ছোটবেলায় নাকি মাকড়শা কামড়েছিল টোলকিনকে। আর ‘ব্যাটল অব ফাইভ আর্মিজ’ হয়তো লেখকের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতা প্রতিফলিত হয়েছে। লেখকের কথা তো গেল। এবার অনুবাদকের কথায় আসি। ‘দি হবিট’ কালজয়ী বই। খুবই কাঁচা হাতে সেই কালজয়ী বইকে বাংলা ভাষায় আনার চেষ্টা করেছি। অবশ্য চেষ্টা করেছি না বলে, চেষ্টা করার দুঃসাহস দেখিয়েছি বললে বেশি সঠিক হয়। মূল বইয়ে লেখকের গল্প বলার স্টাইল অনুসরন করার চেষ্টা করেছি। এটা করতে গিয়ে নিশ্চিতভাবেই ভুল হয়েছে অনেক। এই সব ভুলের পুরো দায় আমার। জানি পাঠকরা ক্ষমা করবেন আমাকে। প্রায় এক বছরের বেশি সময় কাজ করেছি এই বই নিয়ে। নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি। এরপরেও অনুবাদে যে কমতি রয়ে গেছে সেই কমতিটা বইয়ের কমতি নয়, আমারই কমতি। এক্ষেত্রেও পাঠকদের কাছ থেকে ছাড় পাব আশা করি। ‘দি হবিট’ একটি অসাধারণ বই। মূল বইয়ের পুরো মজা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে পারব না, কিন্তু যদি কিছুটাও পৌঁছে দিতে পারি সেটাই যথেষ্ট। তাতেই আমার সব কষ্ট সার্থক।
Knowing things gives Moheul Islam Mithu a divine satisfaction. So he started reading at his very early years. Reading gradually led him to writing. He has written lots of short stories for various prestigious Bangladeshi national dailies, magazines and websites. He is a founding member of ‘Ajobdesh’, the first online youth magazine of Bangladesh. He translated some popular books from different genre for various leading publication companies of Bangladesh and earned love as a translator from wide range of readers. Some of his books have been in the lists of national best-sellers. He was born in Bogura, Bangladesh. His father Zahurul Hoque Zahangir was a government officer and was used to be transferred from one district to another within every couple of years. So, early life of Moheul Islam Mithu was in various districts of Bangladesh. After completing his Higher Secondary Certificate (HSC) from Government Azizul Haq College, he earned his Bachelor of Social Sciences (BSS) and Master of Social Sciences (MSS) from the Department of Peace and Conflict Studies in the University of Dhaka. Now he lives in Dhaka with his father, mother, younger brother.
কাহিনী সংক্ষেপ: ছোট্ট প্রানি হবিট। হবিটদেরকে মিডল-আর্থের সবচে' দুর্বল জাতিগুলোর একটা বললে ভুল হবে না। এমনই এক হবিট বিলবো ব্যাগিন্সের গল্প। এ যেই-সেই গল্প নয়, বিলবো ব্যাগিন্সের এডভেঞ্চার। বিলবো যাচ্ছে স্মাগ নামের এক ভয়ানক, লোভী ড্রাগনের থেকে পূর্বপুরুষদের ধন-সম্পদ উদ্ধারে, সাথে আছে তের জন বামন আর জ্ঞানী যাদুকর গ্যান্ডালফের পূর্ণ সহযোগিতা। কখনো বন্ধুর পথ, কখনো গোলকধাঁধা আবার কখনো জীবন-মরণের ধাঁধা এভাবেই একের-পর-এক বিপদ যেন ওৎ পেতে বসে আছে তাদের জন্য। কিন্তু এত বাঁধা বিপত্তি কাটিয়ে কি বিলবোর যাত্রা সফল হবে? নাকি ঘটনা মোড় নিবে অন্য কোনো অভিযানের দিকে? পাঠ প্রতিক্রিয়া: টোলকিনের লেখার সম্মোহনী ক্ষমতা কখন যে পাঠককে তার ফ্যান বানিয়ে দেয় তা ফ্যান্টাসির ঘোর কাটার আগে পাঠকও বুঝতে পারে না। এই বইটি যে কতবার পড়া হয়েছে তার হিসেব নেই কিন্তু প্রতিবারই মনে হয় নতুন কিছু পড়ছি। খুবই সুন্দরভাবে গল্পের গাম্ভীর্য বজায় রেখে সাবলীলভাবে বাংলা ভাষায় অনুবাদ করার জন্য অনুবাদকের প্রশংসা করতে হয়। বেশ কয়েকটা অনুবাদগ্রন্থ পড়ে যখন আর অনুবাদ পড়বো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখনই এই অনুবাদটা হাতে আসে। পড়ব কি পড়ব না এমন দোটানায় থেকে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই পড়তে শুরু করা। তারপর একটা সময় ভুলেই গিয়েছিলাম যে আমি অনুবাদ পড়ছি। ছড়া আর ধাঁধাগুলোর জন্য অনুবাদককে স্যালুট।
জাস্ট রুপকথার একটা গল্প, ৪৫০ পেইজ! এইটা দেখে নাক সিটকিয়েছিলাম। এটা নিয়ে ধারণাও ছিল না,বইটই অ্যাপ এ এটা দেখে আর অনুবাদক মিঠু ভাইকে দেখে ভরসা করে বইটির অনলাইন সংস্করণ কিনে পড়া শুরু করে দেই। ভেবেছিলাম, মোটামুটি ধরণের একটা বই হবে। যেহেতু রুপকথার গল্প.... বাট, ৪৫০ পেইজের এই বিরাট বইয়ের এক মূহুর্তের জন্যেও পড়া থেকে উঠতে পারিনি ভালো করে। উঠলেও মাথায় একটাই চিন্তা ঘুরপাক করতো, এরপর কি হবে! বইয়ের নায়ক বিলবী ব্যাগিন্সকে ভালোবেসে ফেলেছি অনুবাদকে আমি ১০ এ ১০ দিবো, অসাধারণ অনুবাদ। হ্যাটস অফ, বইয়ের কবিতা-ধাঁধাগুলো মিঠু ভাই দারুণভাবে নুবাদ করেছেন। অনুবাদক এর প্রতি কৃতজ্ঞতা