মধ্যযুগীয় ভারতের ইতিহাসের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে আমাদের পাগলা রাজা মুহম্মদ বিন তুঘলক। তাই বলে তিনি কিন্তু মোটেই পাগল ছিলেন না। জাস্ট সময়ের ৫০০ বছর আগে জন্মেছিলেন মাত্র।অসাধারণ প্রতিভা ও অদম্য কর্মশক্তির অধিকারী মুহম্মদ বিন তুগলক জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায়- যেমন দর্শন, ইতিহাস, চিকিৎসাবিদ্যা, হস্তাক্ষর, গণিত, জোতির্বিদ্যা এবং সকল প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। কুরআন ও হাদিসে পারদর্শী মুহম্মদ বিন তুগলক ফার্সি ও আরবি ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি লাভ করেন। উপমা দেওয়া এবং রূপক-বর্ণনায় তিনি এতটাই দক্ষ ছিলেন যে, কোন শিক্ষিত ও পরিশীলিত ব্যক্তিই তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সাহস করতেন না।
একটা ব্যাপারে খটকা লাগলো এই বইয়ে। আগে জানতাম ফিরোজ শাহ ( মুহম্মদ বিন তুঘলকের পরবর্তী সুলতান) মুহম্মদ বিন তুঘলকের ভ্রাতুষ্পুত্র। কিন্তু এই বইয়ে লেখক তাকে নিজের পুত্র হিসেবে দেখিয়েছেন।