What do you think?


Matal Samagra
- GenresComedy
196 pages, Hardcover
First published January 15, 1958
About the author
Tarapada Roy
84 books34 followersTarapada Ray (Bengali: তারাপদ রায়) was a Bengali writer of poems, short stories, and essays. He is especially known for his satirical sense of humour. He was born on November 17, 1936 in Tangail, now in Bangladesh. He lived in Kolkata in the Indian state of West Bengal till his death on August 25, 2007.
He had his schooling in Bangladesh where he passed his matriculation from Bindubasini High English School. In 1951, he came to Calcutta to attend college. He studied Economics in Central Calcutta College (presently Maulana Azad College). For a time he taught in a school in Habra in North 24Parganas.
Apart from numerous short stories and essays (mostly satirical), he wrote many poems as well. His first collection of poems, "Tomar Pratima" was published in 1960. He also wrote several short shorties commemorating his childhood days spent in East Bengal (Bangladesh).
Among his most important works are novel like Charabari Porabari and travelogue like Neel Digante Tokhon Magic. He died on 25 August 2007.
He was survived a son and his wife. He was suffering from renal failure for the last few months. He was so enthusiastic about writing, that it was reported that he even wrote several pieces from his hospital. Tarapada had close friendship with Hollywood actor Wallace Shawn and famous author Deborrah Eisenberg.
He had his schooling in Bangladesh where he passed his matriculation from Bindubasini High English School. In 1951, he came to Calcutta to attend college. He studied Economics in Central Calcutta College (presently Maulana Azad College). For a time he taught in a school in Habra in North 24Parganas.
Apart from numerous short stories and essays (mostly satirical), he wrote many poems as well. His first collection of poems, "Tomar Pratima" was published in 1960. He also wrote several short shorties commemorating his childhood days spent in East Bengal (Bangladesh).
Among his most important works are novel like Charabari Porabari and travelogue like Neel Digante Tokhon Magic. He died on 25 August 2007.
He was survived a son and his wife. He was suffering from renal failure for the last few months. He was so enthusiastic about writing, that it was reported that he even wrote several pieces from his hospital. Tarapada had close friendship with Hollywood actor Wallace Shawn and famous author Deborrah Eisenberg.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 19 of 19 reviews
March 13, 2023
হালকা ধাঁচের গদ্য আমার বেশ প্রিয়। রম্য রচনা হালকা গদ্যের মধ্যে-ই আমি রাখি। কারণ তরতরিয়ে পড়া যায়,হাজার ব্যস্ত থাকলেও বই শেষ হয়ে যায়, যে কোন পরিস্থিতিতে পড়া যায়।
রম্য রচনায় যে কয় জনের নাম বেশ শোনা যায়, তাঁদের একজন "তারাপদ রায়"। লেখকের সরসী,দুই মাতালের গল্প নামের দুইটা রম্য বই আমি পড়েছি। খুব ভালো না লাগলেও,উনার লেখার প্রতি বিতৃষ্ণা আসেনি।
আগের দুটে বই মোটামুটি লাগার কারণে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলাম,লেখকের আরো কয়েকটা গদ্যের বই পড়ব,এর হয়ত কোন বই বেশি ভালো লেগে যাবে। সেই হিসেব অনুসারে " মাতাল সমগ্র " নেয়া। অনেক আগ্রহ করে বইটা নিয়ে ছিলাম। মদ আমার খুব আগ্রহের বিষয়,যদিও পানের আসক্তি আমার নেই। আমি এখনো ভেবে পাই না,এই প্রাচীন পানীয়তে মানুষ কি এমন পায়। এই বিষয় টা কখনো তুখোড় মাতাল পেলে জিজ্ঞেস করার একটা সুপ্ত বাসনা আমার আছে,কারণ আমি নিজে খেয়ে সেটা যাচাই করব না।
মদ ও মাতাল এই দুইটা আকর্ষনীয় ব্যাপার যে বই তে আছে,সেটা নিসন্দেহে রসে টইটম্বুর হবে। আর স্বাদু জিনিস খুব তাড়াতাড়ি খেতে নেই,একটু তারিয়ে খেতে হয়। ফলে দীর্ঘদিন বইটা রেখে দিয়ে ছিলাম।
অবশেষে "মাতাল সমগ্র " কে নির্বাসন মুক্ত করে,পড়ে নিলাম। মোটামুটি লেগেছে। অনেক গুলো গল্প আগে শোনা। তার ছাড়া প্রায় গল্প লেখক দুই/তিন বার করে লিখেছেন ইনিয়ে বিনিয়ে,আসলে এক টপিকে এত গুলো লেখা বানানো টা কষ্টকর! লেখকের দোষ নেই। কিন্তু আমি আশাহত হয়েছি। আগ্রহের কোন জিনিস যদি বেশি সাদামাটা হয়,মন খারাপ-ই হয়। যাই হোক,এই মন খারাপ আমি পুষে রাখছি না,কারণ তারাপদ বাবুর কবিতা তাঁর গদ্যের সকল দোষ কাটিয়ে দেয়।
হাতে অঢেল বেকার সময় যদি কারো থাকে তো পড়তে পারেন বইটা,মন্দ লাগবে না। তাছাড়া অনিদ্রা জনিত দোষ যদি থেকে থাকে,তাহলে সেটা কাটাতে পারে এই বই।
রম্য রচনায় যে কয় জনের নাম বেশ শোনা যায়, তাঁদের একজন "তারাপদ রায়"। লেখকের সরসী,দুই মাতালের গল্প নামের দুইটা রম্য বই আমি পড়েছি। খুব ভালো না লাগলেও,উনার লেখার প্রতি বিতৃষ্ণা আসেনি।
আগের দুটে বই মোটামুটি লাগার কারণে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলাম,লেখকের আরো কয়েকটা গদ্যের বই পড়ব,এর হয়ত কোন বই বেশি ভালো লেগে যাবে। সেই হিসেব অনুসারে " মাতাল সমগ্র " নেয়া। অনেক আগ্রহ করে বইটা নিয়ে ছিলাম। মদ আমার খুব আগ্রহের বিষয়,যদিও পানের আসক্তি আমার নেই। আমি এখনো ভেবে পাই না,এই প্রাচীন পানীয়তে মানুষ কি এমন পায়। এই বিষয় টা কখনো তুখোড় মাতাল পেলে জিজ্ঞেস করার একটা সুপ্ত বাসনা আমার আছে,কারণ আমি নিজে খেয়ে সেটা যাচাই করব না।
মদ ও মাতাল এই দুইটা আকর্ষনীয় ব্যাপার যে বই তে আছে,সেটা নিসন্দেহে রসে টইটম্বুর হবে। আর স্বাদু জিনিস খুব তাড়াতাড়ি খেতে নেই,একটু তারিয়ে খেতে হয়। ফলে দীর্ঘদিন বইটা রেখে দিয়ে ছিলাম।
অবশেষে "মাতাল সমগ্র " কে নির্বাসন মুক্ত করে,পড়ে নিলাম। মোটামুটি লেগেছে। অনেক গুলো গল্প আগে শোনা। তার ছাড়া প্রায় গল্প লেখক দুই/তিন বার করে লিখেছেন ইনিয়ে বিনিয়ে,আসলে এক টপিকে এত গুলো লেখা বানানো টা কষ্টকর! লেখকের দোষ নেই। কিন্তু আমি আশাহত হয়েছি। আগ্রহের কোন জিনিস যদি বেশি সাদামাটা হয়,মন খারাপ-ই হয়। যাই হোক,এই মন খারাপ আমি পুষে রাখছি না,কারণ তারাপদ বাবুর কবিতা তাঁর গদ্যের সকল দোষ কাটিয়ে দেয়।
হাতে অঢেল বেকার সময় যদি কারো থাকে তো পড়তে পারেন বইটা,মন্দ লাগবে না। তাছাড়া অনিদ্রা জনিত দোষ যদি থেকে থাকে,তাহলে সেটা কাটাতে পারে এই বই।
December 14, 2020
বইটা মূলত লেখকের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত মাতালদের নিয়ে গল্প সংকলন। কিছু কিছু গল্প পড়ে হেসেছি আবার কিছু গল্প ভালো লাগেনি। গল্প হাসির হলেও লেখকের লেখনীতে রসবোধ পেলাম না যেমনটা সৈয়দ মুজতবা আলী বা শিবরামের গল্পগুলোতে পেয়ে থাকি।
April 3, 2019
বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত ছোট-বড় লেখাকে দুই মলাটে বাঁধার সময় লেখক বা সম্পাদককে ছুরি-কাঁচি চালিয়ে পুনরাবৃত্তিগুলোকে ছেঁটে ফেলতে হয়। এই বইটি প্রকাশের সময় সেই কাজটি করা হয়নি। এটি পাঠকদের প্রতি লেখক-সম্পাদক-প্রকাশকের সুস্পষ্ট অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। সৈয়দ মুজতবা আলীর এই প্রকার বই আছে কিন্তু সেগুলো এই দোষে দুষ্ট নয়। অগ্রজের উদাহরণ থেকে অনুজ শিক্ষা না নিলে মুশকিল।
বহুল প্রচলিত কৌতুক দিয়ে পত্রিকার কলাম ভরালে পাঠক বিরক্ত হন; তবু তার পুষিয়ে যায় কারণ সেটা গোটা পত্রিকার একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। কিন্তু একটা বইয়ের ফর্মার পর ফর্মা যদি এমন বস্তা-পঁচা কৌতুকে ভরা থাকে তাহলে পাঠকের ক্ষতি সমূদয়। কিছু কিছু কৌতুককে আবার গল্পের খোলস দিয়ে বহু গৌরচন্দ্রিকা করে উপস্থাপন করা হয়েছে - এটা আরও বিরক্তিকর।
রচনাগুলোর শেষে লেখার সময়কাল উল্লেখ থাকা দরকার ছিল, তাতে পাঠকের পক্ষে সেভাবে ডিসকাউন্ট করা সম্ভব হতো।
একমাত্র শেষ রচনা 'টমাটো সস্' পড়ে মনে হয়েছে এটা তারাপদ রায়ের লেখা।
বহুল প্রচলিত কৌতুক দিয়ে পত্রিকার কলাম ভরালে পাঠক বিরক্ত হন; তবু তার পুষিয়ে যায় কারণ সেটা গোটা পত্রিকার একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। কিন্তু একটা বইয়ের ফর্মার পর ফর্মা যদি এমন বস্তা-পঁচা কৌতুকে ভরা থাকে তাহলে পাঠকের ক্ষতি সমূদয়। কিছু কিছু কৌতুককে আবার গল্পের খোলস দিয়ে বহু গৌরচন্দ্রিকা করে উপস্থাপন করা হয়েছে - এটা আরও বিরক্তিকর।
রচনাগুলোর শেষে লেখার সময়কাল উল্লেখ থাকা দরকার ছিল, তাতে পাঠকের পক্ষে সেভাবে ডিসকাউন্ট করা সম্ভব হতো।
একমাত্র শেষ রচনা 'টমাটো সস্' পড়ে মনে হয়েছে এটা তারাপদ রায়ের লেখা।
December 7, 2017
মদ, মাতাল আর সাথে আমাদের যাবতীয় যাপনে মদের উপস্থিতি এতো চমৎকার করে কেউ বলতে পারবে বলে মনে হয় না। অনেক জোকসই ছিল বিদেশী, পুরনো। কিন্তু লেখক সবগুলোকে একেবারে কলকাতার ঐ সময়টার বাস্তবতায় নিয়ে এসেছেন। গল্পগুলো বাংলায় এসে যেন প্রাণ পেয়েছে।
হেসেছি খুব। চার তারা!
হেসেছি খুব। চার তারা!
November 3, 2025
ভালো। তবে টানা পড়লে একঘেঁয়ে লাগতে পারে। মাঝে মধ্যে এক দুটি গল্প পড়লে বোধহয় বেশি আনন্দ পাওয়া যাবে। মদ্যপান সম্পর্কিত নানারকম আনন্দদায়ক গল্প। ছোট, সহজ ভাষায় লেখা সরস গল্প।
July 1, 2016
মদ না খাই তাতে কি মাতলামির গল্প পড়তে তো আর কোন আপত্তি নেই তাই না?!
যাই হোক বইটা ভালোই লেগেছে! প্রথম দিকে একটু খাপছাড়া অগোছালো হলেও শেষের দিকের অধ্যায়গুলো বেশ গোছালো! সব মিলিয়ে তাই ৪ স্টারই দিলাম!
যাই হোক বইটা ভালোই লেগেছে! প্রথম দিকে একটু খাপছাড়া অগোছালো হলেও শেষের দিকের অধ্যায়গুলো বেশ গোছালো! সব মিলিয়ে তাই ৪ স্টারই দিলাম!
July 29, 2021
"থোড় বড়ি খাড়া,খাড়া বড়ি থোড়" ধরনের বই।যেখান থেকে যা কিছু পাওয়া তাতে কাটছাট করে একটা বই দাড় করানো।যাদের নিয়ে লিখেছেন, লেখক লেখার সময় তাদের দলেই ছিলেন সম্ভবত।
বি.দ্র.লকডাউন হলেই আমার ইনসমনিয়া হয়। এই লকডাইনে বইটা পাওয়ায় খুব উপকার হয়েছে, ইনসমনিয়া কাটাতে বেশ কাজে দিয়েছে। মিনিট দশেক পড়া মাত্রই ঘুম চলে এসেছে প্রতিবারই।
লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ!
বি.দ্র.লকডাউন হলেই আমার ইনসমনিয়া হয়। এই লকডাইনে বইটা পাওয়ায় খুব উপকার হয়েছে, ইনসমনিয়া কাটাতে বেশ কাজে দিয়েছে। মিনিট দশেক পড়া মাত্রই ঘুম চলে এসেছে প্রতিবারই।
লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ!
February 16, 2022
মাতাল সমগ্র (সূচিপত্র দেওয়া হলো)
তারাপদ রায়
দেজ পাবলিশিং
মম : ২০০/-
এই বইটা অনেকদিন পড়ার ইচ্ছে ছিল। মূলত রম্য রচনা, মাতালদের নিয়ে জোকস আছে। মিরাক্কেল এর কার্তিকদার শতকরা 90% জোকস এখান থেকে নেওয়া মনে হয়। কিছু অনেককাল ধরে চলে আসা জোকস এর punchline টাকে ব্যবহার করে একটা পুরো গল্প সৃষ্টি করা হয়েছে। কিছু কিছু একই জোকস ২-৩ বার অন্য চরিত্র দিয়ে লেখা।
মহিমময় ও জয়দেব, সর্বানন্দ ও সর্বানী এই চরিত্রদের নিয়ে কয়েকটা গল্প আছে। বলাবাহুল্য সবকটাই মাতালদের নিয়েই। ভারী ভারী গল্পের বইয়ের মধ্যে মাঝে সাঝে এই ধরণের বই বেশ আরামদায়ক।
তারাপদ রায়
দেজ পাবলিশিং
মম : ২০০/-
এই বইটা অনেকদিন পড়ার ইচ্ছে ছিল। মূলত রম্য রচনা, মাতালদের নিয়ে জোকস আছে। মিরাক্কেল এর কার্তিকদার শতকরা 90% জোকস এখান থেকে নেওয়া মনে হয়। কিছু অনেককাল ধরে চলে আসা জোকস এর punchline টাকে ব্যবহার করে একটা পুরো গল্প সৃষ্টি করা হয়েছে। কিছু কিছু একই জোকস ২-৩ বার অন্য চরিত্র দিয়ে লেখা।
মহিমময় ও জয়দেব, সর্বানন্দ ও সর্বানী এই চরিত্রদের নিয়ে কয়েকটা গল্প আছে। বলাবাহুল্য সবকটাই মাতালদের নিয়েই। ভারী ভারী গল্পের বইয়ের মধ্যে মাঝে সাঝে এই ধরণের বই বেশ আরামদায়ক।
March 1, 2015
Good
March 23, 2026
মাতাল সমগ্র
লেখক: তারাপদ রায় |
ধরন: রম্য রচনা সংকলন |
১৯৬ পৃষ্ঠা
তারাপদ রায় বাংলা সাহিত্যে রম্যরচনার এক পরিচিত নাম। স্যাটায়ার আর হিউমার তাঁর লেখার মূল অস্ত্র। আর এই বইটা সেই অস্ত্রের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে প্রয়োগ, মদ আর মাতালের দুনিয়া।
মাতাল সমগ্র আসলে একটা সংকলন। তারাপদ রায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মাতালদের নিয়ে যা লিখেছিলেন, সেগুলোকে একত্রিত করে একটা মলাটে বাঁধা হয়েছে। গল্প আছে, স্কেচ আছে, কিছু চরিত্রভিত্তিক পর্বও আছে। মহিমময়, জয়দেব, সর্বানন্দ, সর্বানীর মতো চরিত্ররা বারবার ফিরে আসেন, আর তাঁদের মাতলামির অ্যাডভেঞ্চার নিয়েই গল্প এগোয়।
বইটার কোনো টানা আখ্যান নেই। এটা উপন্যাস নয়, সেটা মাথায় রেখেই পড়তে হবে।
মদ বাংলা সাহিত্যে বরাবরই একটা কমেডির উপাদান। তারাপদ রায় সেটাকেই কেন্দ্রে রেখেছেন। মাতাল মানুষটা যখন সংসারের মধ্যে পড়ে, সমাজের নিয়মকানুনের মুখোমুখি হয়, তখন যে absurdity তৈরি হয়, সেটাই এই বইয়ের মূল চালিকাশক্তি।
কিছু গল্পে তারাপদ রায় সত্যিই মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। মাতালের মুখে বসিয়ে দেওয়া যুক্তিগুলো অনেক সময় এতটাই নির্ভুল যে হাসতে হাসতে একটু থামতে হয়। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ভণ্ডামিকে মাতালের সরল চোখ দিয়ে দেখার একটা সুযোগ এই গল্পগুলো দেয়।
কিন্তু এখানেই বইটার সবচেয়ে বড় সমস্যা। একই ধরনের jokes বারবার ঘুরে আসে। পোশাক বদলায়, চরিত্রের নাম বদলায়, কিন্তু punchline একই থাকে। একটু সতর্ক সম্পাদনা হলে এই পুনরাবৃত্তি এড়ানো যেত। পাঠক যখন তৃতীয়বার একই কৌতুকের ভিন্ন সংস্করণ পড়েন, হাসি আর আসে না।
তারাপদ রায়ের গদ্য হালকা, ঝরঝরে। বাক্য ছোট, ভাষা সহজ। এই ধরনের লেখার সুবিধা হলো যেকোনো মেজাজে পড়া যায়। ভারী মনে বসে একটা গল্প খুললেই কাজ হয়।
কিন্তু ধারাবাহিকভাবে টানা পড়লে একটু একঘেয়ে লাগে। এটা বইটার দোষ নয়, বরং এই ধরনের সংকলনের স্বাভাবিক সীমাবদ্ধতা। কৌতুক একটার পর একটা খেলে যাওয়ার মতো পড়লে ফলাফল ভালো হয় না। বরং দুটো-একটা করে, বিরতি দিয়ে পড়লে প্রতিটা গল্প নিজের মতো করে টোকা দেয়।
সৈয়দ মুজতবা আলী বা শিবরামের রম্যরচনার সঙ্গে তুলনা করতে গেলে তারাপদ রায় একটু পিছিয়ে পড়বেন। ওঁদের লেখায় হিউমারের নিচে একটা গভীরতা থাকে। এখানে সেটা কম।
মাতাল সমগ্র একটা নির্দিষ্ট মেজাজের বই। মাথা খাটানো ছাড়া, হালকা, আরামদায়ক পড়ার জন্য একদম ঠিকঠাক। সিরিয়াস সাহিত্য হিসেবে বিচার করতে গেলে হতাশ হবেন। কিন্তু সেটা আদতে এই বইয়ের উদ্দেশ্যও নয়।
কিছু গল্প সত্যিই মজার। কিছু একদম জমে না। বইটা যদি আরেকটু ছাঁটাই করা যেত, অর্ধেক পুনরাবৃত্তি কেটে দেওয়া যেত, তাহলে যা থাকত সেটা অনেক বেশি ধারালো হতো।
তারাপদ রায়ের বড় গুণ হলো তিনি পাঠককে কখনো বিরক্ত করেন না। ক্লান্তি আসতে পারে, বিরক্তি নয়। এটুকুই যথেষ্ট নয়, কিন্তু এটুকু কম কিছু নয়।
লেখক: তারাপদ রায় |
ধরন: রম্য রচনা সংকলন |
১৯৬ পৃষ্ঠা
তারাপদ রায় বাংলা সাহিত্যে রম্যরচনার এক পরিচিত নাম। স্যাটায়ার আর হিউমার তাঁর লেখার মূল অস্ত্র। আর এই বইটা সেই অস্ত্রের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে প্রয়োগ, মদ আর মাতালের দুনিয়া।
মাতাল সমগ্র আসলে একটা সংকলন। তারাপদ রায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মাতালদের নিয়ে যা লিখেছিলেন, সেগুলোকে একত্রিত করে একটা মলাটে বাঁধা হয়েছে। গল্প আছে, স্কেচ আছে, কিছু চরিত্রভিত্তিক পর্বও আছে। মহিমময়, জয়দেব, সর্বানন্দ, সর্বানীর মতো চরিত্ররা বারবার ফিরে আসেন, আর তাঁদের মাতলামির অ্যাডভেঞ্চার নিয়েই গল্প এগোয়।
বইটার কোনো টানা আখ্যান নেই। এটা উপন্যাস নয়, সেটা মাথায় রেখেই পড়তে হবে।
মদ বাংলা সাহিত্যে বরাবরই একটা কমেডির উপাদান। তারাপদ রায় সেটাকেই কেন্দ্রে রেখেছেন। মাতাল মানুষটা যখন সংসারের মধ্যে পড়ে, সমাজের নিয়মকানুনের মুখোমুখি হয়, তখন যে absurdity তৈরি হয়, সেটাই এই বইয়ের মূল চালিকাশক্তি।
কিছু গল্পে তারাপদ রায় সত্যিই মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। মাতালের মুখে বসিয়ে দেওয়া যুক্তিগুলো অনেক সময় এতটাই নির্ভুল যে হাসতে হাসতে একটু থামতে হয়। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ভণ্ডামিকে মাতালের সরল চোখ দিয়ে দেখার একটা সুযোগ এই গল্পগুলো দেয়।
কিন্তু এখানেই বইটার সবচেয়ে বড় সমস্যা। একই ধরনের jokes বারবার ঘুরে আসে। পোশাক বদলায়, চরিত্রের নাম বদলায়, কিন্তু punchline একই থাকে। একটু সতর্ক সম্পাদনা হলে এই পুনরাবৃত্তি এড়ানো যেত। পাঠক যখন তৃতীয়বার একই কৌতুকের ভিন্ন সংস্করণ পড়েন, হাসি আর আসে না।
তারাপদ রায়ের গদ্য হালকা, ঝরঝরে। বাক্য ছোট, ভাষা সহজ। এই ধরনের লেখার সুবিধা হলো যেকোনো মেজাজে পড়া যায়। ভারী মনে বসে একটা গল্প খুললেই কাজ হয়।
কিন্তু ধারাবাহিকভাবে টানা পড়লে একটু একঘেয়ে লাগে। এটা বইটার দোষ নয়, বরং এই ধরনের সংকলনের স্বাভাবিক সীমাবদ্ধতা। কৌতুক একটার পর একটা খেলে যাওয়ার মতো পড়লে ফলাফল ভালো হয় না। বরং দুটো-একটা করে, বিরতি দিয়ে পড়লে প্রতিটা গল্প নিজের মতো করে টোকা দেয়।
সৈয়দ মুজতবা আলী বা শিবরামের রম্যরচনার সঙ্গে তুলনা করতে গেলে তারাপদ রায় একটু পিছিয়ে পড়বেন। ওঁদের লেখায় হিউমারের নিচে একটা গভীরতা থাকে। এখানে সেটা কম।
মাতাল সমগ্র একটা নির্দিষ্ট মেজাজের বই। মাথা খাটানো ছাড়া, হালকা, আরামদায়ক পড়ার জন্য একদম ঠিকঠাক। সিরিয়াস সাহিত্য হিসেবে বিচার করতে গেলে হতাশ হবেন। কিন্তু সেটা আদতে এই বইয়ের উদ্দেশ্যও নয়।
কিছু গল্প সত্যিই মজার। কিছু একদম জমে না। বইটা যদি আরেকটু ছাঁটাই করা যেত, অর্ধেক পুনরাবৃত্তি কেটে দেওয়া যেত, তাহলে যা থাকত সেটা অনেক বেশি ধারালো হতো।
তারাপদ রায়ের বড় গুণ হলো তিনি পাঠককে কখনো বিরক্ত করেন না। ক্লান্তি আসতে পারে, বিরক্তি নয়। এটুকুই যথেষ্ট নয়, কিন্তু এটুকু কম কিছু নয়।
May 27, 2021
Very nice book
January 29, 2022
Didn’t quite like it. Stories are more like short jokes and hence the book feels like a joke book.
November 8, 2022
নির্মল বিনোদন 😊
September 17, 2024
200 pages worth of unfunny boomer jokes (and a few actually funny ones)
March 26, 2026
কিছু গল্প বারবার ফিরে এসেছে সেসবে নজরদারি করা দরকার ছিলো
August 14, 2017
সুরারসিক তারাপদ বাবুর মাতাল নিয়ে মাতলামোর জুড়ি মেলা ভাড়!
December 14, 2018
মোটামুটি চলে। আমি পড়া শুরুর আগে ভেবেছিলাম খুব মজার আর হাসির বই হবে।
September 8, 2019
লেখকের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত ছোট ছোট গল্প বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। কিছু কিছু গল্প বেশ মজাদার হলেও বেশির ভাগই ভাল লাগে নি। উপরন্তু একই গল্প বার বার পুনরাবৃত্তি খুবই বিরক্ত লেগেছে।
January 23, 2021
মদ এবং মাতাল নিয়ে চমৎকার একটি রম্য বই বলা যায়। মদ পান করার পর মানুষেরা কত যে আজব গুজবি কথা আর কর্মকাণ্ড করে সেগুলা পড়ে হাসতে হাসতে পেটে ব্যথা ধরে যাবে।
Displaying 1 - 19 of 19 reviews
















