Jump to ratings and reviews
Rate this book

প্রথম সূর্য শশাঙ্ক

Rate this book

112 pages, Hardcover

First published February 1, 2019

2 people are currently reading
33 people want to read

About the author

Tridib Kumar Chattopadhyay

69 books12 followers
জন্ম ৩০ অক্টোবর ১৯৫৮।

কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এসসি। শিশু কিশোর ও প্রাপ্তমনস্ক সাহিত্যের ইতিহাস, বিজ্ঞান, রহস্য, হাসিমজা...নানা শাখায় বিচরণ। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালিখি। প্রকাশিত ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। জনপ্রিয় চরিত্র বিজ্ঞানী জগুমামা ও টুকলু। ১৯৯৫ থেকে কিশোর ভারতী পত্রিকার সম্পাদক। ২০০৭ সালে পেয়েছেন শিশু সাহিত্যে রাষ্ট্রপতি সম্মান। শিশু-কিশোর সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যাসাগর স্মৃতি পুরস্কারে সম্মানিত। মধ্যবর্তী সময়ে পেয়েছেন রোটারি বঙ্গরত্ন, অতুল্য ঘোষ স্মৃতি সম্মান, প্রথম আলো সম্মান ও নানা পুরস্কার

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (5%)
4 stars
2 (11%)
3 stars
10 (55%)
2 stars
4 (22%)
1 star
1 (5%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Tiyas.
473 reviews127 followers
July 13, 2023
গৌড় সম্রাট শশাঙ্কদেব। ঐতিহাসিক ও অনৈতাহাসিক আবরণে, উনিই বঙ্গদেশের প্রথম স্বাধীন নৃপতি হিসেবে স্বীকৃত হয়ে থাকেন। লোকায়ত বিশ্বাসে ভর করে প্রাচীন বাংলার যেই অবিভক্ত রূপ কল্পিত হয়, তারই শীর্ষস্থানে স্থাপিত করা হয় শশাঙ্ককে। এক প্রচ্ছন্ন ভ্রান্তিবিলাসে মত্ত হয়ে আবেগতাড়িত বাঙালি খোঁজে তাদের জাতীয় নায়ককে। 'আইকন' বিহীন এই দেশে, যা আশ্চর্য করে না। এতে আখেরে কোনো ক্ষতি দেখি না, যদি না ঘটে ইতিহাসের অপমৃত্যু। তবে সাবধানতা প্রযোজ্য। দিনের শেষে, ভৌগলিক ও রাজনৈতিক মাপকাঠিতে বর্তমানের এই বাংলার, সেই যুগে কোনো অস্তিত্বই ছিল না।

ব্যক্তিগত ভাবে, hero worshipping আমার বেজায় নাপসন্দ। ইতিহাস পাঠে যুক্তি-তর্ক বিসর্জন দিয়ে একটি মানুষকে গৌরবান্বিত বা কলুষিত করাতে, আমার ঘোর আপত্তি। শশাঙ্ক চরিত্রের যথাযথ মূল্যায়নের পথে কণ্টক স্বরূপ দেখা দেয় এই হিরো বা ভিলেনের তকমা। কোথাও গিয়ে যেন ভুলে যাওয়া হয়, যে ইতিহাস আখেরে সময় ও যুগের দাস। শশাঙ্কের কর্মযজ্ঞ তাই মাপতে হবে সেই পরিধির মধ্যেই। তার বিদ্রোহ, তার বিরূপতা, তার নিদারুণ স্বাধীন স্বত্তা, সবটাই!

তবুও, ইতিহাস ও সাহিত্যের মেলবন্ধনে, শশাঙ্ককে নিয়ে বাংলা ভাষায় ফিকশনের সংখ্যা হাতেগোনা। যা কিছু আছে, সেখানেও বঙ্গ সম্রাটকে স্পটলাইট ভাগ করতে হয়, চিরশত্রু হর্ষবর্ধনের সঙ্গে। কেন এই ব্যাপার? যেখানে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে, ঐতিহাসিকের রমরমা। সেখানে, এমন একজন শক্তিশালী চরিত্রকে নিয়ে লেখা নগণ্য কেনো? প্রধান কারণ, রসদের অভাব। ইতিহাস শশাঙ্ক বিষয়ে অনেকাংশেই নির্বাক। নীহাররঞ্জন, রাখলদাস বা রমেশচন্দ্র ঘেঁটে একটা প্রাথমিক কঙ্কাল পাওয়া যায় বটে, তবে সেই কাঠামো, দক্ষ হস্তে ভরাট করে, তাতে প্রাণের সঞ্চার করা, যেকোনো লেখকের পক্ষেই চ্যালেঞ্জিং।

এই বইটি ক্ষীণতনু, এবং দুই-ভাগে বিভক্ত। প্রথম অংশ, 'শশাঙ্ক | উদয়', লিখেছেন ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়। অংশটিকে এক প্রকার 'অরিজিন স্টোরি' হিসেবে গ্রহন করা যায়। শশাঙ্ক এখানে এক তরুণ উচ্চাকাঙ্খী সামন্ত রাজা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন। তার পূর্ব-জীবন সম্বন্ধে ইতিহাস ভাসা-ভাসা উত্তর দেয়। যার ফলে, লেখক নিজেও এ ব্যাপারে নীরব। মগধরাজ মহাসেনগুপ্তের অধীনে, এক মহাসামন্ত থেকে বঙ্গসম্রাট শশাঙ্ক হয়ে ওঠার এক সরলৈখিক কাহিনী বলেই তিনি সন্তুষ্ট।

এই পর্যায়ে খুব একটা স্বাধীনতা নেন নি লেখক। কেবল কালানুক্রমিকভাবে ছুঁয়ে গিয়েছেন শশাঙ্কের জীবনের ছোটখাট মাইলফলকগুলো। গৌড়ের স্বাতন্ত্র্য লাভ, মালবরাজ দেবগুপ্তের সাথে মৈত্রী, স্থানিশ্বরের সঙ্গে বিবাদ, গ্রহবর্মা নিধন, রাজ্যশ্রীর অপহরণ, রাজ্যবর্ধনের মৃত্যু, সবটাই। সংক্ষিপ্ত আকারে একটা ঐতিহাসিক ক্র্যাশ কোর্স যেন। দুঃখের কথা, এ সমস্ত বর্ণনা ইতিহাস বইয়ে সহজেই লভ্য। কেবল এর জন্য, আলাদা করে উপন্যাস পড়ার উদ্দেশ্য হয় না। এ ছাড়াও, দ্রুতগতির গদ্য, বিস্তৃতির অভাব, লেখাটিকে খুব একটা সাহায্য করে না। চোখে লাগে, ভাষার প্রয়োগও। কোথাও গিয়ে, "কি চাই? কে তুমি?"-র প্রত্যুত্তরে শশাঙ্কের "তোর বাবা" বলা, বা রসিকতার সম্মুখীন হয়ে, মাধবগুপ্তকে "ধ্যুৎ, আপনি না, একটি ইয়ে..." সম্বোধন, ভীষণ দৃষ্টিকটু।

তবে, প্রাথমিক ইতিহাসের বাইরে, লেখক নিজের কল্পনার আশ্রয় নিয়েছেন বেশ কিছু ক্ষেত্রে। শশাঙ্ক জীবনের এক অন্ধকার অধ্যায়, রাজ্যবর্ধনের মৃত্যু। বানভট্টের অতিরঞ্জিত ইতিহাসে এই হত্যার পেছনে গৌড় সম্রাটের শঠতার উল্লেখ আছে। লেখক বইতে কেবলমাত্র শশাঙ্ককে বেকসুরই খালাস করেন নি, বরঞ্চ তাকে সত্যের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিষ্কলঙ্ক ও নিষ্পাপ এক আইডিয়াল হিরো! ভীষণ সাদা কালো এক তুলি দিয়ে একেছেন এই ইতিহাস। এই শশাঙ্ক মাতৃভক্ত, সর্বদাই নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হন। একটি যুদ্ধের পরেই ভাবেন, নাহ আর নয়, এরপরেই শেষ। তার আমলের শৈব revivalism, সবটাই হয় সম্রাটের অগোচরে, অন্যের প্ররোচনায়। বৌদ্ধ শ্রমণদের নেহাৎই শ্রদ্ধা করেন। কথায় কথায়, আবেগতাড়িত হয়ে অশ্রুপাতে লীন হন সম্রাট! ভাবা যায়?

যাই হোক, এগিয়ে যাওয়ার নিয়মে এগিয়ে যেতে হয়।

হিমাদ্রীকিশোর দাশগুপ্তের কলমে, বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়, 'শশাঙ্ক | অস্ত', কিছুটা ভিন্নগামী। নামকরণেই বোঝা যায়, এই অধ্যায়ে, সম্রাটের শেষ-কটা দিনের ছবি এঁকেছেন লেখক। প্রথাগত ইতিহাসের বাইরে বেরিয়ে, বিশেষত হিউয়েন সাং-এর লেখনীর উপর ভিত্তি করে এগিয়েছেন তিনি। যার ফলে, শশাঙ্ক এখানে খলনায়ক রূপে বিদ্যমান। দেখা মেলে, বৌদ্ধ পুঁথি ও ধর্মীয় বিবরণের সেই নিষ্ঠুর শশাঙ্ককে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ, শ্বেতশুভ্র গুম্ফ সহযোগে সম্রাট পরিচালিত হন শাস্ত্রীয় ব্রাহ্মণদের প্ররোচনায়। তারই নবীন স্বত্তা একসময় গুড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রভূত বৌদ্ধ বিহার, হত্যা করেছিলেন অজস্র ভিক্ষুদের। এই সেই শশাঙ্ক, যিনি বৌদ্ধ লেখনীর অতিরঞ্জিত অভিযোগ অনুসারে, আঘাত হেনেছিলেন মহাবোধিবৃক্ষের ওপর। বুদ্ধের ছবি মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে স্থাপন করেছিলেন অগুনতি শিবমূর্তি।

এ জিনিস, চাঞ্চল্যকর হলেও, পুরোমাত্রায় ইতিহাস নয়। তবুও এর ভিত্তিতে লেখক বলেছেন শশাঙ্কের গল্প, যা সৃজনশীল তবে অমসৃণ। দুটি অধ্যায়ের মাঝে কয়েক দশকের দূরত্ব থাকলেও, বঙ্গ সম্রাটের এরূপ আকস্মিক পরিণতির কোনো যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে পারেন নি লেখক। সার্বজনীন উপন্যাস লিখতে বসে, রিলে রেসে ব্যাটন নিয়েছেন বটে, তবে দৌড়েছেন একেবারে অন্য এক ট্র্যাকে! শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভাজন অনুযায়ী, বইয়ের প্রথম অধ্যায় যদি Fictionalised History হয়, তবে দ্বিতীয় পর্ব, একান্তই Historical Fiction। এমন এই দ্বৈততা, যা দেখাতে গিয়ে আমার ভীষণ পছন্দের শিল্পী কৃষ্ণেদু মণ্ডল প্রচ্ছদে, শশাঙ্ককে একেছেন ব্যাটম্যানের টু-ফেস ভিলেনের মতন!

যাই হোক, চিনা পর্যটকের বর্ণনা অনুযায়ী গল্পে এসেছে, রক্তবিতি (সাং এর ভাষায়, লো-টো-ব-চি) বিহারের উল্লেখ। আবার সম্রাটের মৃত্যুর কারণ হিসেবে চার-পাপ (কুষ্ঠ পরিণতির) এবং গুপ্তহত্যার কথাও। হর্ষের পৃষ্ঠপোষকতায় সমৃদ্ধ ছিলেন হিউয়েন সাং। তথাকথিত বৌদ্ধবিদ্বেষী শশাঙ্ককে ভালো নজরে দেখেননি কোনোদিনই। তার লেখনীতে গৌড় অধিপতি খলনায়ক রূপেই বর্তমান। এহেন বিবরণের ভিত্তিতে উপন্যাসের শেষাংশ রচনা করতে গিয়ে লেখক নিয়ে ফেলেছেন অনেক বেশি ক্রিয়েটিভ লিবার্টি! কর্ণসুবর্ণের বহুল বর্ননা দিতে গিয়ে, এড়িয়ে গেছেন কামরূপরাজ ভাস্করবর্মার সঙ্গে শশাঙ্কের ভয়াল যুদ্ধ-বিবাদের ইতিহাস। ফাঁকফোকর ভরাট করেছেন ঠিকই, তবে কোথায় গিয়ে, কোনোটাই বিশ্বাসযোগ্য ঠেকে না।

খারাপ লাগে। এমন কিংবদন্তি এক চরিত্র। তাকে নিয়ে চেষ্টা করলে কি দু-তিনশ পৃষ্ঠার উপাদেয় একটি ক্লাসিক লেখা যেত না? যা আরো বিস্তারিত, পরিণত ও অনেক বেশি গোছানো একটি উপাখ্যান হওয়ার দাবি জানায়? কেবলমাত্র, কিছুটা বাস্তবসম্মত ধূসরতার অভাবে, একটি সম্ভাবনাময় উপন্যাস মাঠে মারা গেলো। যুগলবন্দী উপন্যাসগুলোর এই যা দুর্বলতা। অতিকথন মাফ করবেন, তবে আমার হতাশা পুরোদস্তুর প্রযোজ্য।

১.৫/৫
Profile Image for Farhan.
727 reviews12 followers
October 24, 2022
এইরকম ঐতিহাসিক উপন্যাসের যে বিস্তৃতি আর ডিটেইলিং দরকার, তার কিছুই নেই। রাবিশ।
Profile Image for   Shrabani Paul.
396 reviews25 followers
September 21, 2023
📜বইয়ের নাম - প্রথম সূর্য শশাঙ্ক📜
📇প্রকাশক - পত্রভারতী
📗প্রচ্ছদ - কৃষ্ণেন্দু মন্ডল
📖পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১১২
💰মূল্য - ১৬৫₹

🌿📖এই বই তে দুটি ঐতিহাসিক উপন্যাস একত্রে রয়েছে। লিখেছেন - ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় ‘শশাঙ্ক উদয়’। হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত ‘শশাঙ্ক অস্ত’!

📗🌿শশাঙ্ক ছিলেন বঙ্গদেশের প্রথম সার্বভৌম রাজা। তিনি বাংলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র রাজ্যকে একত্র করে গৌড় জনপদ গড়ে তোলেন। একাধারে তিনি অমর হয়ে আছেন তাঁর বীরত্বের জন্য, বাংলার বাঙালির প্রথম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য। শশাঙ্কের নিজের জীবনের মতো তাঁর মৃত্যুর ব্যাপারটাও বিতর্কিত। তবে শশাঙ্কর জীবন-মৃত্যু নিয়ে যত বিতর্কই থাক না কেন বাঙালি তাঁকে মনে রাখবে তাঁর বীরত্বের জন্য, বাঙালির প্রথম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে বাঙালিকে গৌরবান্বিত করার জন্য!

📗🌿 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শশাঙ্ককে নিয়ে লেখা ফিকশনের সংখ্যা খুবই কম। তার মধ্যে এটি একটি.... শশাঙ্কের উদয়ে ~ শশাঙ্ক তরুণ উচ্চাকাঙ্খী রাজা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন। ইতিহাসে যেহেতু
শশাঙ্কের প্রথম জীবন সম্পর্কে অতি অল্প তথ্য জানা যায়। সে কারণেই লেখক ও এই ব্যাপারে নীরব। এই উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে ‘শশাঙ্কের বঙ্গসম্রাট হয়ে ওঠার গল্প’! লেখক ইতিহাসের বাইরে গিয়েও নিজের কল্পনা মিলিয়েছেন এই উপন্যাসে!
মাৎস্যান্যায়ের কাল। রাজ্য জুড়ে অনাচার,অত্যাচার চলছে..... সেই সময় শশাঙ্ক মগধের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন! তারপর....... রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে হল কি? শশাঙ্কদেব কি ধরে রাখতে পেরেছিলেন বাংলা ও বাঙালির গরিমা? বোন রাজ্যশ্রীর কী ঘটেছিল?
দ্বিতীয় অধ্যায় ~ শশাঙ্কের অস্তে লেখক শশাঙ্কের শেষ জীবনের কিছু দিনের কথা তুলে ধরেছেন। ব্রাহ্মণদের পরামর্শে নিজেকে তিনি সূর্যপুত্র ঘোষণা করলেন, এর পর বাংলার মানুষ নিজের চোখে সম্রাটের অলৌকিকত্ব দেখলেন। এবং বাংলার সম্রাট শশাঙ্ক হয়ে উঠলেন দেবতা শশাঙ্ক। এর পর কি হলো দেবতা শশাঙ্কে জীবনে? শশাঙ্কের নিজের জীবনের এই অন্তিম কাল কি অবশ্যম্ভাবী ছিল? জানতে হলে অবশ্যই এই বইটি পড়তে হবে। সব বয়সের পাঠকদের এই বইটি পড়তে ভালো লাগবে। বইটির বাঁধাই ও পেজ কোয়ালিটি ভীষণ ভালো।

📌‘প্রতিপক্ষ যতই তুচ্ছ হোক, তাকে অবহেলা করা বোধহয় সমীচীন হবে না’!

♡~🍁~~📖~♡~📖~~🍁~♡
🍂🍁📚📖📚🍁🍂

🙋👩‍🦰 Follow My Instgram Page👇
https://instagram.com/bookreader_shra...
Profile Image for SOUROV DUTTA.
69 reviews2 followers
April 9, 2023
ছোট থেকে যে শশাঙ্ককে আমরা খলনায়ক হিসেবেই পেয়েছি। প্রথম পর্বে তাকে মানুষ হিসেবে দেখানোর একটা প্রচেষ্টা হয়েছে। যদিও একমাত্র বাঙালি রাজ চক্রবর্তী সম্রাট হিসেবে শশাঙ্কই রাজত্ব করেছেন। লিখিত ইতিহাস একমাত্র বৌদ্ধদেরই ছিল। তাই সেই ইতিহাসে শশাঙ্ককে খলনায়ক হিসেবেই চিত্রিত করা হয়েছে। মানুষ শশাঙ্ক তার আড়ালেই থেকে গেছেন। পরের পর্ব নিছক একটা ঐতিহাসিক চরিত্রকে অবলম্বন করে একটা কাহিনীর অবতারনা করা হয়েছে। গল্প হিসেবে পড়তে ভালই লাগে এই অংশটা। কিন্তু শশাঙ্কের চরিত্রের কোন দিকই এতে উন্মোচিত হয় না। নিছক একটা প্রতিহিংসার আর ক্ষমতা লাভের গল্প হয়।
Profile Image for Proxy356 .
4 reviews
November 19, 2022
বইটি থেকে বেশী আসা করে ফেলেছিলাম....eai boi ta ke Historical book hisab ea porle basi bhalo hobe ..... Eai golpo er Character er dik thake na pore ..
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.