সুন্দরীর দর্শন হৃদয়ের ক্লান্তি। অধিক দৃষ্টি সময়ের অপচয় এবং পরিতাপের দীর্ঘায়ন। হে শান্তিকামী, হে মুক্তি-প্রত্যাশী, তোমার দৃষ্টি সংযত রাখো; হারাম ও অবৈধ ক্ষেত্র থেকে নিজের দৃষ্টি সরিয়ে নাও। দৃষ্টিপাতের ব্যাপারটিকে তুচ্ছ জ্ঞান করো না। কেননা, বড় বড় বিপর্যয়ের সূচনা এখান থেকেই হয়। যেমন বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সূচনা ঘটে সামান্য অগ্নিস্ফুলিঙ্গ থেকে। নিশ্চয় অপরাধের ক্রমপর্যায় হলো, প্রথমে দৃষ্টিপাত, তারপর কল্পনা, তারপর পদক্ষেপ, তারপর অপরাধ। ------- বেহায়পনার এই যুগে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো দৃষ্টি সংযত রাখা। রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে ঘরের চার দেয়ালেও মুক্তি নেই। চোখের পলকেই নিজেকে ধ্বংসের অতলে ডুবিয়ে দেবার সকল ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছে। ফলে মুমিন শত ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও চোখের ওপর লাগাম পরাতে পারে না। বার বার ব্যর্থ হয়।তবে দৃষ্টি সংযত রাখার এই বিষয়টি নতুন নয়। সালাফগণ এ নিয়ে কার্যকরী অনেক নসিহত দিয়ে গেছেন। যুগে যুগে মানুষ সেগুলো অনুসরণ করে মুক্তি পেয়েছেন বিইজনিল্লাহ। শায়খ আব্দুল মালিক কাসিম রহ. দৃষ্টি সংযত রাখার গুরুত্ব, উপায়, ইত্যাদি নিয়ে চমৎকার এই বইটি রচনা করেছেন। যেন যুবকরা প্রত্যেক যুগে বেঁচে ফিরতে পারে, দৃষ্টিকে হেফাজত রাখার দ্বারা প্রকৃত ঈমানের স্বাদ উপভোগ করতে পারে।