Jump to ratings and reviews
Rate this book

Dracula Lives #2

রিভেঞ্জ অভ ড্রাকুলা

Rate this book
পুরনো মালের দোকান থেকে প্রাচীন এক ড্রাগনের মূর্তি কেনাটাই যেন কাল হলো আপটন ওয়েলসফোর্ডের জন্য। অশরীরী এক ডাক ভেসে আসছে ওটার মাঝ থেকে - ওকে টেনে নিয়ে যেতে চাইছে সুদূর ট্রানসিলভ্যানিয়ায়... বোর্গো গিরিপথের পাশে এক দুর্গম দুর্গে। হাজার চেষ্টা করেও এড়ানো গেল না সে-আহ্বান, রূপসী এক তরুণীকে বাঁচাবার জন্য ওকে বেরোতেই হলো রূদ্ধশ্বাস অভিযানে। কিন্তু কী দেখবে আপটন ওখানে গিয়ে? ড্রাকুলার প্রতিহিংসা থেকে কীভাবেই বা বাঁচাবে মেয়েটিকে?

পিটার ট্রিমেনের কলম থেকে আরেকটি ড্রাকুলা-কাহিনী। ভয়াল আতঙ্কের এক নতুন অধ্যায়।

288 pages, Paperback

First published January 1, 1978

4 people are currently reading
114 people want to read

About the author

Peter Tremayne

206 books474 followers
Peter Berresford Ellis (born 10 March 1943) is a historian, literary biographer, and novelist who has published over 90 books to date either under his own name or his pseudonyms Peter Tremayne and Peter MacAlan. He has also published 95 short stories. His non-fiction books, articles and academic papers have made him acknowledged as an authority on Celtic history and culture. As Peter Tremayne, he is the author of the international bestselling Sister Fidelma mystery series. His work has appeared in 25 languages.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
14 (18%)
4 stars
31 (40%)
3 stars
28 (36%)
2 stars
4 (5%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Raju Ahmed.
15 reviews2 followers
April 18, 2020
প্রথমেই বলবো অনুবাদের মান খুবই ভালো। সহজ ও সাবলীল অনুবাদ৷ অনুবাদের মান নিয়ে আসলে না বললেও চলবে যেখানে অনুবাদক ইসমাইল আরমান ।
আমার পছন্দের অনুবাদকদের মাঝে উনি অন্যতম একজন।

লেখকের অনুবাদে আমার পড়া প্রথম বই "দ্য জুয়েল অভ সেভেন স্টারস"। মূলত ঐ বইটা পড়েই ভালো লাগা শুরু৷ এরপর তার আরও বেশ কয়েকটি অনুবাদ আমি পড়েছি আর সব গুলোই খুব ভালো ছিল।

আমার পড়া পিটার ট্রিমেন এর প্রথম বই এটি। লেখকের গল্প বলার স্টাইল পছন্দ হয়েছে৷ তার লেখা " রক্তবীজ" বইটা পড়ার ইচ্ছা হচ্ছে খুব। সংগ্রহে আছে বইটা। পড়ে ফেলবো খুব শীঘ্র।

কাহিনী সংক্ষেপ (ফ্ল্যাপ থেকে):
------------------------------------------

পুরনো মালের দোকান থেকে প্রাচীন এক ড্রাগনের মূর্তি
কেনাটাই যেন কাল হলো আপটন ওয়েলসফোর্ডের জন্য।
অশরীরী এক ডাক ভেসে আসছে ওটার মাঝ থেকে—
ওকে টেনে নিয়ে যেতে চাইছে সুদূর ট্রানসিলভ্যানিয়ায়...
বোর্গো গিরিপথের পাশে এক দুর্গম দুর্গে।
হাজার চেষ্টা করেও এড়ানো গেল না সে-আহ্বান,
রূপসী এক তরুণীকে বাঁচাবার জন্য
ওকে বেরোতেই হলো রূদ্ধশ্বাস অভিযানে।
কিন্তু কী দেখবে আপটন ওখানে গিয়ে?
ড্রাকুলার প্রতিহিংসা থেকে কীভাবেই বা বাঁচাবে মেয়েটিকে?

জানতে হলে পড়ে ফেলুন পিটার ট্রিমেন এর রিভেঞ্জ অভ ড্রাকুলা বইটি।


© রাজু আহমেদ।
Profile Image for Eva Mojumder.
73 reviews1 follower
December 14, 2023
◾বই- রিভেঞ্জ অভ ড্রাকুলা
◾লেখক- পিটার ট্রিমেন
◾রূপান্তর- ইসমাইল আরমান
◾জনরা- হরর
◾প্রকাশনী- সেবা
◾পৃষ্ঠা সংখ্যা- ২৮৭
◾মুদ্রিত মূল্য- ১১১ টাকা

পুরনো জিনিসের উপর ঝোঁক আছে? হাজার বছরের পুরনো বিষয়বস্তু নিয়ে নিজের সংগ্রহশালা ভরাট করতে চান? কত বছরের পুরনো হলে আপনার মন সবচেয়ে বেশি তৃপ্ত হবে? একশ, দু'শ নাকি তিনশ? যদি সময়টা যীশুর জন্মের তিন হাজার বছরকার পূর্বের হয়? আচ্ছা, কখনো দুঃস্বপ্ন দেখেছেন? রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেছে? এসবকিছুর পেছনের আপনার সংগ্রহশালা নেই তো? সাবধান!

◾চরিত্র- বইটির নাম থেকে আমরা অনুমান করে নিতেই পারি প্রধান চরিত্র ড্রাকুলাকে। কিন্তু বইটিতে প্রধান চরিত্র হিসেবে আমি অনুধাবন করেছি ড্রাগনের মূর্তিটাকে। অবাক করা ব্যাপার না? এতোগুলো জ্যান্ত মানুষ থাকতে শেষে কিনা একটা মূর্তিকে মূল চরিত্র বলে মনে হলো আমার? ব্যাপারটা সত্যিই আশ্চর্যজনক। বইটিতে ঘটা সকল ঘটনাই ঘটেছে এই মূর্তিটিকে কেন্দ্র করে। তবে বইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি চরিত্র হলো আপটন ও ক্লারা। আরো আছে ইয়ং এবং আভ্রাম। এদের বন্ধুসুলভ আচরণে আমি মুগ্ধ হয়েছি। ড্রাকুলার প্রয়োজন ছিল ড্রাগনের কালচে সবুজ মূর্তিটির৷ আর সেটিকে তার কাছ পর্যন্ত নেওয়ার জন্য তার আরো প্রয়োজন ছিল আপটন ও ক্লারাকে। ঘটনার চক্করে এতে যুক্ত হয়ে পড়ে ইয়ং ও আভ্রামও। বইটিতে দুটো দল রয়েছে। একদল এগিয়ে চলেছে ড্রাকুলার উদ্দেশ্যে। অন্যদলের উদ্দেশ্য রোমানিয়া, রাজনীতি, রাজ্য, কূটকৌশল। কিন্তু কোথাও যেন সবটা একসূত্রে গাঁথা। যেখান থেকে জন্ম শতাব্দী প্রাচীন 'কাউন্ট ড্রাকুলা'-র।

◾কাহিনিসংক্ষেপ- নির্ভেজাল জীবনে নেই কোনো টানাপোড়েন। অফিস, বাসা, ঘুমেই নিজের জীবন আবদ্ধ করে রেখেছিল আপটন। তবে পুরনো জিনিসের প্রতিও ছিল তার অপার আগ্রহ। আর এ আগ্রহই তার জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ালো। একদিন এক পুরনো দোকান থেকে একটি মূর্তি নিয়ে আসল আপটন। ড্রাগনের মূর্তি! কালচে সবুজ রঙের ড্রাগনটির মুখে লেগে আছে ভীতিকর বিজয়ের হাসি। ড্রাগনটির মুখে বিজয়ের হাসি থাকলেও সেদিন থেকেই আপটনের দুর্ভোগের দিন শুরু। অনিদ্রা, খাবারের প্রতি অনীহা, অস্থিরতা, দুঃস্বপ্ন সবটাই যেন একইসাথে মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। আর ঠিক সে সময়ই তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো বন্ধু ইয়ং।

হঠাৎ একদিন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দেখা হয়ে যায় আপটন ও ক্লারার। আপটনের সংগ্রহের ড্রাগনের মূর্তি চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে ক্লারা। বিস্মিত হয় আপটন। কি আছে এই ড্রাগনের মূর্তিটিতে? কিন্তু বেহুশ ক্লারার জ্ঞান ফিরলে ঘটে যাওয়া ঘটনার কিছুই মনে করতে পারে না। একসময় আপটন জানতে পারা ক্লারা আর আপটন উভয়ের সমস্যা একই। দুজনের স্বপ্ন, স্বপ্নে দেখা ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে পায় তাঁরা ইয়ংয়ের সাহায্যে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হারিয়ে ফেলে তারা ইয়ংকে। এবার তাদের একা চলার পালা..

ইয়ং-এর দেয়া ক্রুশের প্রভাবে ক্লারা ও আপটনের দুঃস্বপ্ন অল্পদিনের জন্য দূর হলেও তাদের অসাবধানতার ফলে আবারো নতুন বিপদে জড়িয়ে পড়ে তারা। ক্লারা নিখোঁজ! এবারও ইয়ং-এর দ্বারা জানতে পারে আপটন, নিখোঁজ ক্লারা ড্রাগনের মূর্তিটি নিয়ে ড্রাকুলার উদ্দেশ্যে ছুটছে ট্রানসিলভ্যানিয়ায়। কি হবে এবার? অভিশপ্ত এই আত্মার সাথে লড়াই করার মতো শক্তি আপটনের নেই। অতিপ্রাকৃত বিষয়ে অবিশ্বাসী হওয়ায় এ সম্পর্কে কোনো ধারণাও রাখে না সে। ঠিক সে সময়ই তার পরিচয় ঘটে নতুন বন্ধু আভ্রামের সাথে। দুজনেই ছুটে চলছে ক্লারার খোঁজে। তাকে যে বাঁচাতেই হবে! আর ড্রাকুলা? তার কি হবে? সে কি এভাবেই আধিপত্য বিস্তার করতে থাকবে? এসবের শেষ কোথায়?

এবার অন্যদলের দিকে ফোকাস করা যাক। এরা হলো সরকারের প্রতিনিধি। যার সাথে জড়িত আছে রাজনৈতিক কূটকৌশল। তুর্কি, ব্রিটিশ, ওয়ালাচিয়া, ট্রানসিলভ্যানিয়া, নতুন রাষ্ট্র রোমানিয়াকে নিয়ে বিস্তর আলোচনা আছে এ অংশে। এখানে আপটনের বড় একটা ভূমিকা রয়েছে। সেও সরকারের একজন প্রতিনিধি। সরকারি দলটার সাথে সেও ট্রানসিলভ্যানিয়ায় যাবে রোমানদের খবরাখবর আনার জন্য। কিন্তু সত্যিই কি তাই? এটাই কি আসল কারন? নাকি নিজের প্রেমিকাকে উদ্ধার করাই তার প্রধান লক্ষ্য?

এতকিছুর পরেও কিছু প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রাচীন মিশরীয় আমলে ড্রাগনের সেই মূর্তিটা তৈরি করা হয়। তারও অনেক পরে ড্রাকুলা বংশের উত্থান ঘটে। তবে এই মূর্তিটির সাথে ড্রাকুলার কি সম্পর্ক থাকতে পারে? মূর্তিটির সাথে আপটন ও ক্লারারই বা কি সম্পর্ক? এতো এতো মানুষ থাকতেও ড্রাকুলা কেন আপটন ও ক্লারাকেই নিজের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বাছাই করলো। কি আছে এসকল রহস্যের পেছনে? এসকল জট কি খুলতে পারবে আপটন?

◾পাঠপ্রতিক্রিয়া- সত্যি কথা বলতে বইটা পড়ার আগে আমি ভেবেছিলাম এখানে আবারও সেই জোনাথন, মিনা, প্রফেসর ভ্যান হেলসিং এর দলের দেখা পাবো। তা না পেয়ে খানিকটা হতাশই বলে চলে। তবে ক্লারা ও আপটন আমায় পুরোপুরি হতাশ হতে দেয়নি। কোনো এক দৈব বলে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছে আমাকে। কিন্তু আমি কিসের অপেক্ষায় ছিলাম? ড্রাকুলার পরিণতির নাকি ড্রাকুলার হাতে অন্যদের পরিণতির?

বইটিতে শুধু ড্রাকুলা, তার অত্যাচার, এর থেকে রেহাই-এর জন্য ছুটে চলা এসবই পাইনি আমি। বরং ঐতিহাসিক কিছু বিষয়ও উঠে এসেছে বইটিতে। রোমানিয়ার উৎপত্তি, সেখানে র-ক্তের খেলা, আক্রমণ, পাল্টা আক্রমন, ড্রাকুলা বংশের কিছু অংশ, প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা সবটার উপরই লেখক খুব ভালো আলোকপাত করেছেন। বইটিতে লেখক কার্পেথিয়ানকে পৃথিবীর চৌরাস্তা বলে উল্লেখ করেছেন। পৃথিবীর মোটামুটি সবখানেই ভ্যাম্পায়ার নিয়ে গালগল্প আছে। লেখক এ বিষয়ক একটি দারুণ ব্যাখ্যাও প্রদান করেছেন বইটিতে। তার মতে,

❝পৃথিবীর যে প্রান্ত থেকেই আমরা পথচলা শুরু করিনা কেন এই কার্পেথিয়ানকে অতিক্রম করতেই হয়। আর এ কারণেই কার্পেথিয়ানকে পৃথিবীর চৌরাস্তা বলা হয়। ঠিক একইভা��ে ভ্যাম্পায়াররা যখন পৃথিবীর মানুষদের থেকে আত্মগোপনে যায়, তখন তারাও এ স্থানে এসেই আত্মগোপন করে। যার ফলে এখান থেকে এক কান, দু'কান করে আজ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে ভ্যাম্পয়ারদের কানাঘুঁষা।❞

'রিভেঞ্জ অভ ড্রাকুলা' বইটিতে ড্রাকুলার স্ক্রিন প্রেজেন্স খুবই কম। বরং দূর থেকে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে কিভাবে সে নিজের ক্ষমতার প্রয়োগ করে তারই একঝলক দেখতে পাই আমরা বইটিতে। তবুও একবিন্দু বিরক্ত হয়নি। তবে মাঝে মাঝে একঘেয়ে লাগছিল অতিরিক্ত বর্ণনার কারণে। লেখক সেই সময়কার পরিবেশ, পরিস্থিতি, সৌন্দর্য নিয়ে অসাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। কিন্তু কখনো কখনো তা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল এতোকিছু না লিখলেও মূল গল্পে সামান্যতমও প্রভাব পড়তো না। বরং আরো উপভোগ্য হতো।

সর্বোপরি বইটা ভালো লেগেছে। ড্রাকুলার এক ভিন্ন স্বাদ পেলাম। তবে ট্রানসিলভ্যানিয়ার দুর্গে প্রফেসর বাহিনীকে মিস করছিলাম। যেন সবটা ঠিক জমছিল না, এমনটাই মনে হচ্ছিল আমার। বইটির কাহিনি অবশ্য সত্যিই জমজমাট ছিল। আমি বোধহয় সবমিলিয়ে চার থেকে সাড়ে চার ঘন্টার মাঝে পুরো বই শেষ করেছি। ভালো লেগেছে বেশ..

🚫যারা বইটি পড়েননি তার প্রতিবন্ধকতার অংশটুকু এড়িয়ে যাবেন।

◾প্রতিবন্ধকতা- বইটিতে আমার সকল প্রশ্নের আশানুরূপ ব্যাখ্যা পেলেও একটা জায়গায় খটকা লেগেছে। ইয়ং-এর মৃ-ত্যুতে। কাহিনিতে উল্লেখ আছে ইয়ংয়ের মৃ-ত্যুর পর তার শারীরিক বেশকিছু পরিবর্তন হয়। কাঁচা চুল পেকে যায়, চামড়ায় ভাঁজ পড়ে। কিন্তু কেন? এর কোনো আশানুরূপ উত্তর পাইনি। বলা চলে পুরো বইটা পড়ার পেছনে এ উত্তরটা জানার আগ্রহও একটা বড়সড় কারণ। উত্তর না পেয়ে আমি হতাশা। উত্তরটা কি বইয়ে সত্যিই দেওয়া ছিল না?

◾প্রোডাকশন- বইটা কিউট। বাইন্ডিং-ও খারাপ মনে হয়নি। তবে বইয়ের উপরের পেজটার জন্য যেন পড়ে ঠিক মজাও পাচ্ছিলাম না। মনে হচ্ছিল যেন একটু চাপ প্রয়োগ করলেই তাতে ভাঁজ পড়ে যাবে। ভয়ে ভয়ে পড়ছিলাম। ফ্ল্যাপের লিখাটাও কেমন যেন। পড়তে অসুবিধার সৃষ্টি করে। তবে বাকি সব ঠিকঠাক।

◾বানানা- বানানের ভুল খুব একটা নজরে পড়েনি। দুই একটা শব্দের হেরফের হয়েছে। তবে অনায়াসে পড়া যায়। পড়তে কোনো সমস্যা হয়নি। বরং অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হিসেবে ধরে নেওয়াই যায়।

◾রেটিং- ৪/৫
Profile Image for Beverly J..
556 reviews28 followers
May 25, 2020
I was pleasantly surprised at how this one hooked me. An impulse buy from The Last Bookstore, an iconic bit of paradise amidst Skid Row Los Angeles. This was so very 1979 it made me both chuckle and cringe but the version of the Dracula story was well done. Glad I took a chance on this one.
Profile Image for Kzaman Amit.
17 reviews
April 2, 2022
অনুবাদ ভালো ছিল। গল্পটাও উপভোগ্য ছিল। তবে কিছু চরিত্র মনে হয়েছে জোর করে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানে মনে হচ্ছে মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি আসা টাইপ। তবে বইটা অনেক আগের। সেটা বিবেচনা করে বেনিফিট অব ডাউট দিয়ে গেলাম।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
475 reviews16 followers
March 14, 2021
অনুবাদ ভালো ছিল তবে কাহিনি খুব একটা যুতসই লাগেনি।
Profile Image for Ananna Anjum .
191 reviews11 followers
June 12, 2021
অনেক বেশি স্লো ছিল গল্পটা 😑
Profile Image for Oscar.
14 reviews
Read
December 26, 2022
Oh boy I hope you want to learn about the socio-political history of Romania circa 1861 and the author's cool as fuck dragon god OC (do not steal)
86 reviews1 follower
June 2, 2024
সম্পূর্ণ বইটা হসপিটাল এ বসে পড়লাম। সহজভাবে অনুবাদ করা সময় কাটলো ভালো।
গল্প নিয়ে কিছু বলার নেই, গা ছমছমে ব্যাপারটা কিছুটা কম ছিল। আর ড্রাকুলাকে দেখা গিয়েছে কম
যাই হোক, উপন্যাস বোরিং ছিল না এটাই।
Profile Image for Ahmed Aziz.
386 reviews68 followers
March 4, 2020
পড়ে ঠিক যুত পেলাম না। ড্রাকুলা বলতে যেরকম নেশাধরানো, ভয়াবহ, রক্তহিমকরা পৈশাচিক প্রেক্ষাপটের কথা মনে হয় সেরকম কিছুই পেলাম না। মনে হল সবকিছু খুব সহজেই হয়ে গেল। শুধুমাত্র চমৎকার অনুবাদ আর ড্রাকুলা নামের জাদুতে উৎরে গেল।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.