Jump to ratings and reviews
Rate this book

চন্দ্রপ্রতাপগড়ের আতঙ্ক

Rate this book
১) নাগপাশ (ভৌতিক নভেলা)
মা বাবা দাদা আর বোনকে নিয়ে মেঘালয়ের নংরিয়াত গ্রামে বসবাস করত বছর ছোট্ট দানিয়েল। বর্ষণমুখর রাতে বাগানের অন্ধকার ঝোপের আড়ালে এক ঝলক বিদ্যুতের আলোয় যে দৃশ্য দেখেছিল সে, সেটাই হয়ে উঠেছিল দানিয়েলের জীবনের একমাত্র দুঃস্বপ্ন। সেই রাতের পর দানিয়েলকে আর কোনদিন মেঘালয়ে ফেরার অনুমতি দেননি তাঁর মা। দীর্ঘদিন বিচ্ছেদের কারণে পরিবারের সঙ্গে দানিয়েলের সম্পর্কও যেন থিতিয়ে এসেছিল। অথচ সেই দুঃস্বপ্ন যেন এতো বছর পরেও গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় দানিয়েলের সঙ্গে। হাতছানি দিয়ে ডাকতে থাকে দানিয়েলকে। আপনজনের সুরক্ষার টানেই দুঃস্বপ্নকে উপেক্ষা করে দানিয়েল পৌঁছে যায় নংরিয়াত। তারপর? দানিয়েল পাবে কি সেই বিভীষিকার ‘নাগপাশ’ থেকে মুক্তি?
***********************************************
২) মায়াবিনীর করোটি (ভৌতিক নভেলা)
লন্ডনের মেয়ার রোডের ‘কিউরিয়াস টুইসডে’ কোন সাধারণ কিউরিও শপ নয়। এখানে হারিয়ে যাওয়া ডোডো পাখির হাড় থেকে শুরু করে দক্ষিণ আমেরিকার আদিবাসীদের বিষ দিয়ে কুঁচকে ফেলা নরমুণ্ড অব্দি দুনিয়ার সব অদ্ভুত বস্তু উপস্থিত। হলিউডের বিখ্যাত অভিনেতাদের চুল, নখ এমনকি বজ্য পদার্থও কাচের বয়েমে ভরে বিক্রি করেন দোকানের মালিক। তবে কিউরিওর জিনিসপত্রর থেকেও কিউরিওর মালিক মিঃ ভিক্টর ইয়ার্ডলে যেন আরও বেশিই অদ্ভুত এবং রহস্যময়। কুখ্যাতি আছে, মিঃ ইয়ার্ডলে নাকি এক রাত্রে বন্ধ ঘরে নিজের ছেলের বুক চিরে হৃদপিণ্ড খুবলে বের করে হত্যা করেছিলেন। সত্যিই কি তাই? নাকি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোন ভয়াবহ কাহিনি। কি রহস্য লুকিয়ে আছে মিঃ ইয়ার্ডলের জীবনে? ভিক্টর ইয়ার্ডলের জীবনের অন্ধকারময় রহস্য কি উন্মোচন হবে ‘মায়াবিনীর করোটি’ গল্পে?
***********************************************
৩) চন্দ্রপ্রতাপগড়ের আতঙ্ক (সুদীর্ঘ ভৌতিক উপন্যাস)
১৩১১ সালে আলাউদ্দীন খিলজির নির্দেশে দক্ষিণ ভারত আক্রমণ করেন মালিক কাফুর। ধাপে ধাপে চোল পল্লবদের স্থাপত্য ও মন্দিরগুল ধ্বংস করতে থাকে। এই আক্রমণ প্রতিহত করতে চোল সাম্রাজ্যের এক সামন্ত রাজা তাঁর সাম্রাজ্যের বাসিন্দাদের স্থানান্তরিত করেন চন্দ্রপ্রতাপগড়ের সুরক্ষিত ঘেরাটোপে। কিন্তু বিপদ কখনও একা আসে না। অশুভ এক প্রহরেই জন্ম হইয়েছে দুই কন্যার- রাজ্যশ্রী এবং বৈভবি। রাজকন্যা হয়ে জন্ম নিলেও রাজ্যশ্রীর রাজসুখ থেকে বঞ্চিত হন এবং বৈভবের মধ্যে থেকেও রাজকীয় বৈভব লেখা ছিল ছিল না বৈভবির অদৃষ্টে। কিন্তু তা কি শুধু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মাত্র? নাকি সাম্রাজ্যের ভেতরেই লুকিয়ে রাখা ছিল ধ্বংসের বীজ।

320 pages, Hardcover

First published January 22, 2019

4 people are currently reading
48 people want to read

About the author

Dipika Majumdar

8 books2 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
7 (33%)
3 stars
8 (38%)
2 stars
5 (23%)
1 star
1 (4%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Pranta Dastider.
Author 18 books328 followers
August 2, 2020
চন্দ্রপ্রতাপগড়ের আতঙ্ক বইটি প্রথম নজরে আসে বছরের শুরু নাগাদ। বইটার কলেবর আর বিষয় দেখে বেশ আকর্ষণীয় লেগেছিল। যদিও একক উপন্যাস নয়, তবে মাত্র তিনটি উপন্যাসিকা/উপন্যাস নিয়ে তিন শতাধিক পৃষ্ঠার আয়োজন। ইচ্ছা ছিল চেখে দেখার। কিন্তু বই জোগাড় করা সহজ হল না। যার পেছনে কিছুটা আর্থিক অসুবিধাও আছে বৈকি! তবে সুযোগ এল খোদ প্রকাশনীর হাত ধরে। বইয়ের নামগল্প (এবং সবচেয়ে বড়ও) চন্দ্রপ্রতাপগড়ের আতঙ্ক তুলে দেওয়া হল ফ্রি অডিও বুক হিসাবে একটি অনলাইন রেডিও অ্যাপে (পকেট এফএম)। সেখান থেকেই বইটি সংগ্রহ করলাম প্রথম। তারপর এক বিদ্যুৎহীন রাতে, কানে হেডফোন গুঁজে, চোখ বুজে ডুব দিলাম গল্পের গহীনে। সে এক ভয়ানক রোমাঞ্চের ব্যাপার। তামিল নাড়ুর প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক রাজবাড়ি রেনোভেট করতে গিয়ে বিপাকে পড়ল শঙ্খজিৎ। বাড়ির দেখতে গিয়েই দেখে এল এক বিভীষিকাময় নরবলির দৃশ্য। এক অপদেবী পুজা। আতঙ্ক ভর করল ওর উপর। পালিয়ে যেতে চাইল ও। কিন্তু, যখন ভাগ্য বেঁধে ফেলে জোরেশোরে, তখন কি আর পালিয়ে বাঁচা যায়? উঁহু। সুতরাং, সাতশ বছর অতীতের ইতিহাস, আর বিভীষিকা ভেদ করতে চলল অভিযান, আবাছা সূত্র আর তথ্য ধরে অনুসন্ধান। মন্দির থেকে মন্দিরে হানা আর রহস্য উদঘাটন। এক্ষেত্রে শ্রুতিবই পাঠকের টুকিটাকি উচ্চারণগত ত্রুটি মাঝে মধ্যে ঝাঁকি দিলেও পুরো গল্পটা নেহাত মন্দ লাগেনি। তবে হ্যাঁ, অনুসন্ধানের ব্যাপারটা আরেকটু কমিয়ে আনা গেলে বিশেষ ভাল হতো। আরও টান টান হতো গল্প।

তারপর সংগ্রহ করলাম বইটির হার্ড কপি। আরও একগাদা বই পাঠে ব্যস্ত থাকা বাকি দুটো অপেক্ষাকৃত ছোট গল্প পড়ে রইল নিজের মতো। কিন্তু যেদিন, মায়াবিনীর করোটি গল্পে মন দিলাম, চট করে ফিরে গেলাম সেই ভৌতিক আবহে। এবারে ভিলেন এক অ্যাজটেক আত্মা। বিদেশে গিয়ে একটি মূর্তি উপহার নিয়ে তারই খপ্পরে ফেঁসে গেল জনৈক বাঙালি বাবু। তারপর অ্যাজটেক মিথ আর কল্পিত কাহিনীর যোগসাজশে সেজে উঠল গল্পের ডালি। চমৎকার লেগেছে। অ্যাজটেক নাম গুলো অবশ্য একটু বিদঘুটে। যদিও তাতে লেখিকার দোষ নেই। আগেই কিছুটা ধারণা থাকায়, জানি এটাই সত্য। তবে সেটুকু অতিক্রম করে যেতে পারলে এমন একটি চমৎকার আধিভৌতিক গল্প বহুদিন পড়িনি।

বইয়ের বাকি গল্পটি, অর্থাৎ, নাগপাশ। এবারে হাজির হল মেঘালয়ের কিংবদন্তী অপদেবতা থলেন। যার লোভ দৃষ্টি গিয়ে পড়েছে খাসি-প্রজাতির ছেলে "দানিয়েল"-এর উপর। মায়ের শত চেষ্টাও শেষ পর্যন্ত দূরে রাখতে পারে না ওকে বিপদ থেকে। বহুদিন বাদেও ঠিক টেনে হাজির করে শৈশবের গ্রামে। কিন্তু, বাঁচতে কি পারবে ও? প্রেমিকা আর বন্ধু দু'জন জোর করে সঙ্গী হয় ওকে বাঁচানোর তাগিদে। তবুও ভাগ্য অনিশ্চিত! এই গল্পটিও দুর্দান্ত লেগেছে। বিশেষ করে যেভাবে একটি সল্পপরিচিতি কিংবদন্তিকে লেখিকা গল্পের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন, তা প্রশংসার দাবি রাখে। অন্তত আমি বেশ উপভোগ করেছি। এই গল্পের নামগুলো বাকি দুটো গল্পের মতো অতটা দাঁতভাঙা না হলেও কিছুটা ভিন্নতা ধরে রেখেছে। মেঘালয় অঞ্চলের আবেশ অক্ষুন্ন রাখতেই বোধহয় এই প্রচেষ্টা।

বইটা পড়তে পড়তে আধিভৌতিক গল্পধারায় এক নতুন নক্ষত্র আবিষ্কার করলাম যেন! দিপিকা মজুমদারের মূল কৃতিত্ব গল্পের পরিবেশ তৈরিতে। পড়তে পড়তে অনায়াসে চলে গিয়েছি তামিল নাড়ুর সেই সব মন্দিরে যেখানে হেঁটে বেড়িয়েছে গল্পের চরিত্ররা। গা ছমছম করেছে চন্দ্রপ্রতাপগড়ের রাজবাড়ির সেই ভয়ঙ্করী অপদেবীর রূপ চিনে। কিংবা মেঘালয়ের সেই জঙ্গল, গাছের শেকড়ে বাঁধা সেতু, উপজাতি নৃত্য, সব দেখেছি মনের দু'চোখে। ভয়ানক সেই ইৎজাকালী কিংবা হতভাগ্য রাজকুমারীর প্রেতাত্মা যেন উঠে এসেছে বইয়ের পাতা থেকে। আর এই সবকিছুই হয়েছে লেখিকার দক্ষতায়। তবে হ্যাঁ, কিছু কিছু যায়গায় বাক্যগঠনে আরেকটু সাবলীল হওয়া যেত। দীর্ঘ প্যারাগ্রাফগুলোর কিছু কিছু ছোটে ছোট খণ্ডে ভেঙে উপস্থাপন করা গেলে আরেকটু অনায়াস হতে পারত। তবে এগুলো খুব জরুরি কোনও বিষয় নয়। আমার কাছে যেমনটা মনে হয়েছে, অন্য পাঠকের কাছে তেমনটা নাও লাগতে পারে। তাছাড়া প্রতিটি লেখক-লেখিকারই কিছু নিজস্ব স্টাইল থাকে। সেটাকে ত্রুটি ধরে নেওয়া অর্থহীন। আর বাকি রইল মুদ্রণ প্রমাদ। এই বিষয়টি নিয়ে বলতে হবে কিছুটা সংস্কারের জায়গা থেকে গেছে। বেশ কিছু শব্দে একটা বাড়তি "ো"-কার চলে আসতে দেখেছি শব্দের শেষে (বিশেষ করে প্রথম গল্পে)। কিছু বানানও এদিক সেদিক হয়েছে। হয়তো এগুলো পরবর্তী মুদ্রণের সময় সংশোধন করে নেওয়া হবে।

মোটের উপর চমৎকার লাগল এই আয়োজন। লেখিকার নিজের হাতে আঁকা ছবি বইটিতে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। তবে প্রথম দুটি গল্পে আরও ক'টা ছবি বেশি থাকলে খুব ভাল হতো। আমার জন্য বইয়ের সেরা ছবি, মায়াবিনীর করোটি গল্পের শেষের দিকে থাকা আর্টওয়ার্কটি।

লেখিকার পরবর্তী বইয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রইলাম। এমন দুর্দান্ত অতিপ্রাকৃত গল্পের আয়োজন মিস করার কোনও মানেই হয় না।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 38 books1,868 followers
April 20, 2020
এইবছর বইমেলা উপলক্ষ্যে প্রকাশিত নানা বইয়ের মধ্যে অন্যতম ছিল এই সুবিশাল ও সুমুদ্রিত হার্ডকভারটিও। কাল রাত থেকে প্রায় টানা পড়ে অবশেষে বইটা এখন শেষ হল।
দু'টি বড়োগল্প ও একটি উপন্যাস নিয়ে গড়ে উঠেছে এই বইটি।
প্রথম বড়োগল্প~ 'মায়াবিনীর করোটি'। আজটেক সভ্যতার এক অভিশাপ, কিউরিও-সন্ধানী এক কালেক্টরের দুর্ভাগ্য এবং অলৌকিক সাহিত্য রচনায় খ্যাতনামা হয়ে ওঠা এক চিকিৎসক— এঁদের মধ্যে চলা ঘাত-প্রতিঘাতই এই কাহিনির উপজীব্য। গল্পটা খাঁটি গথিক হরর। লেখকের পড়াশোনা ও ভাবনার ছাপও রয়েছে এর সর্বাঙ্গে। তবে লেখাটিকে আরও নির্মমভাবে সম্পাদনা করা আবশ্যক ছিল। তাতে লন্ডন শহরের মধ্যে 'ফ্রেঞ্চ কলোনি' আমদানি করার পরিবর্তে ঘটনাস্থল নিউ অরলিন্স এবং বিশেষজ্ঞের নিবাসস্থল হিসেবে তার ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার-কে দেখানো যেত। বাক্যগঠন সরলতর করা যেত। অনাবশ্যক বর্ণনাও ছাঁটা যেত।
দ্বিতীয় বড়োগল্প~ 'নাগপাশ'। খাসি উপজাতিদের মধ্যে প্রচলিত এক অপদেবতার উপাসনা, তাতে ক্রীড়নক হয়ে পড়া কিছু চরিত্র এবং তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এক নারী— এই উপাদান দিয়ে নির্মিত হয়েছে কাহিনিটি। এই বইয়ের শ্রেষ্ঠ রচনা এটিই। আক্ষরিক অর্থে ভয়-জাগানিয়া এই গল্পটি নিয়ে কেউ কোনোদিন ওয়েবসিরিজ বানালে দুর্ধর্ষ হবে। তবে সম্পাদকীয় কল্যাণস্পর্শ পেলে এটিও অধিকতর সুগঠিত হত বলে আমার বিশ্বাস।
এই বইয়ের একমাত্র উপন্যাস~ 'চন্দ্রপ্রতাপগড়ের আতঙ্ক'। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটিকেই এই বইয়ের দুর্বলতম রচনা বলে আমার মনে হয়েছে। সেটা লেখনীর জন্য নয়। অলৌকিক কাহিনি নির্মাণের ক্ষেত্রে আবহনির্মাণ যে কতটা জরুরি— এ-কথা সুধীজন জানেন। সেই বিভাগে দীপিকা মজুমদারের কুশলতা নিয়ে আলাদাভাবে কিছু বলা নিতান্তই অনাবশ্যক। এটিকে সুবিন্যস্ত করার জন্য লেখক যে কী পরিমাণ পরিশ্রম করেছেন তা স্পষ্ট। এতে মিশে গেছে ইতিহাস, স্থাপত্যের খুঁটিনাটি, ক্রিপ্টোগ্রাফি, আর অনেক আবেগ। কিন্তু...
কিন্তু এটা পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, যেন কোনো দক্ষিণী পটবয়লারের চিত্রনাট্য পড়ছি!
বাহুবলী আমিও উপভোগ করেছি— তবে স্ক্রিনে। সেই জিনিস বাংলা উপন্যাসে পড়তে ভীষণ কষ্ট হয়েছে।
যাঁরা ওই বস্তুটিকে হজম করতে পারবেন, তাঁদের বইটি সর্বাঙ্গসুন্দর লাগবে। আমার লাগল না। তবে প্রথম দুটো লেখা ফার্স্ট ক্��াস, তাই তাদের জন্যই আমি বইটি পড়তে বলব।
Profile Image for Fahad Ahammed.
387 reviews44 followers
July 14, 2020
রাজা, রাজ্য, রাজকন্যা, যুদ্ধ, অসুর আবার তার সাথে শ্বশুর, মন্ত্র, মন্দির, দেব - দেবী, রহস্য, পুথি এবং রক্ত সাথে ইকটু খানি প্রেম সব মিলিয়ে দারুণ একটা কম্বিনেশন।
ভালো লেগেছে।
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews134 followers
May 14, 2021
বইএর প্রচ্ছদ বড়ই আকর্ষণীয়। বইটিতে মোট ৩টে গল্প স্থান পেয়েছে ।এই লেখিকার লেখা এই প্রথমবার পড়লাম। অনেক আশা নিয়ে শুরু করেছিলাম, কিন্তু নিরাশ হতে হয়েছে। এ বই কাউকে রেকমেন্ড করা যায় না।

১)মায়াবিনীর করোটি : (২/৫⭐)
একটা অ্যান্টিক মূর্তিকে কেন্দ্র করে মূল কাহিনী, যার ওপর আছে সহস্র বছরের অভিশাপ। সামান্য অসাবধানতায় নেমে আসে ভয়ংকর বিপদ। কিভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে এই বিপদ থেকে ?
➿ বর্তমান ও অতীতের ঘটনা সমান্তরালে এগিয়ে চলে। বর্তমানের লেখা বেশ সহজ সরল, অতীতেরটা ভজকট, কাঠখোট্টা, রসকষ বিহীন, নামগুলো কেমন সব অদ্ভুত অদ্ভুত। আর অতীতের ঘটনাটা কিছুতেই দ্রুত পড়া যাচ্ছিল না, ধীরে ধীরে পড়তে হয়েছে, এবং মোটেই সুখপাঠ্য লাগেনি আমার। তথ্যের ভারে গল্পটি একেবারেই রসকষ বিহীন হয়ে উঠেছে, বাকিগঠন সহজ সরল হলে ভালো হতো। অ্যাজটেক সভ্যতা সম্পর্কে কেউ আগ্রহী থাকলে তার ভালো লাগলেও লাগতে পারে।শেষের ৩পৃষ্ঠা পড়ে বেশ চমক পেয়েছি।

২) নাগপাশ : (৩/৫⭐)
মেঘালয়ের খাসি উপজাতিদের কিছু অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার ও নৃশংসতা কেন্দ্র করেই এই কাহিনী।
➿ গল্পটা খারাপ না, চলবে আরকি। ৩ টে গল্পের মধ্যে এটাই বেটার। এই গল্পটা পড়েই নংরিয়াতের মূল আকর্ষণ শেকড়ের ব্রিজের কথা জানতে পারলাম, গুগলে ছবিও দেখলাম,ভালো লাগলো।

৩) চন্দ্রপ্রতাপগড়ের আতঙ্ক : (২.৫/৫⭐)
চন্দ্রপ্রতাপগড়ের এক প্রাচীন অভিশপ্ত দুর্গ কে কেন্দ্র করেই মূল কাহিনী। কেউই সেই দুর্গের অন্দরে প্রবেশ করতে পারে না, একদিন এক স্ট্রাগেলিং ইঞ্জিনিয়ার এসে ওখানে প্রবেশ করে ও ভয়াবহ কিছু দৃশ্যের সম্মুখীন হয়। এরপর কি হয় সেটাই দেখার। সাথে আছে সাউথের মুভির মতো পুনর্জন্মের কাহিনী।

➿ ছোটো ছোটো অধ্যায়ে ভাগ করা।সহজ সরল ভাষায় লেখা, পড়তে অসুবিধা হয় না। তবে কাহিনীটি অনায়াসে মেদবর্জিত করা যেতো, অহেতুক প্রসঙ্গ টেনে এনে কাহিনী অত্যন্ত বড়ো করা হয়েছে, যাকে বলে টেনে হিঁচড়ে বাড়ানো। গল্পের শুরুটা বেশ হয়েছিল, তারপর কিছুটা এগোতেই কাহিনী ঝুলে পড়লো।বার বার মনে হচ্ছিল কখন শেষ হবে রে বাবা,ধৈর্যের তো একটা সীমা আছে নাকি।চন্দ্রপ্রতাপগড়ের অতীতের ইতিহাস অত্যন্ত বোরিং, তারপর বাকি গল্পটা পড়তে মোটামুটি তবু ভালো।
Profile Image for Diptanu.
56 reviews7 followers
May 8, 2021
South Indian masala cinema with horror element. আর কিছু বলার নেই। জাস্ট পড়ে ফেলুন সবাই। এত বিশালাকার ভয়ের উপন্যাস, ও সমানভাবে উপাদেয় লেখা খুব কমই আছে বাংলায়। উনার পরের বইগুলোর জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
Profile Image for Shaon Arafat.
131 reviews32 followers
August 25, 2020
'মায়াবিনীর করোটি' এবং 'নাগপাশ' ভালো লেগেছে, তবে 'চন্দ্রপ্রতাপগড়ের অাতংক' পড়ে প্রচন্ড বিরক্ত হয়েছি।
Profile Image for Sumana.
24 reviews23 followers
March 25, 2021
পয়েন্ট সিস্টেম থাকলে 3.5 দিতাম। যেহেতু নেই - এক্ষেত্রে লেখিকার জন্য 4 দিলাম 🙂
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.